Pureio-Bangladesh
We sell authentic products imported from Canada.
10/05/2023
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/718363270292735/?mibextid=Nif5oz
অনামিকার শ্বাশুড়ী তাকে প্রায়ই বলতেন তোমার বয়সে আমরা দিনরাত কাজ করসি, আমাদের তো কিছু হয় নাই। অথচ এই ২৫-২৬ বছর বয়সে তুমি দিনরাত ঝিমাও, সমস্যাটা কি তোমার??
অনামিকার স্বামী প্রায়ই দেখতেন দুর্বলতার কারনে তার স্ত্রী বিছানায় অসাড় আচরন করেন, সেক্সের পর তাকে বিছানা থেকে টেনে তোলা যায় না। এটা নিয়ে তিনি ছিলেন হতাশ।
অনামিকা বাবার বাড়িতে গেলেও সারাদিন শুয়ে থাকতেন বিছানায়। দুর্বলতা, ক্লান্তি আর অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা, কাজের কাজটা সময়মত করতে না পেরে অপদস্থ হওয়া ছিল তার নিত্যসঙ্গী।
তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই দুর্বল। তার দুর্বলতার জন্য তাকে টিচারদের অনেক কথাই শুনতে হয়েছে।
তো সেই অনামিকার সাথে আমার পরিচয় হল গত সেপ্টেম্বরে, বাসা বনশ্রীতে, বয়স ২৭, ওজন ৭২, উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।
আমি তাকে বলেছিলাম আপনি ৩ মাসে হাটবেন, ৬ মাসে দৌড়াবেন, ১ বছরে উড়বেন।
মূল সমস্যা ছিল ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম আর মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাতজনিত এনিমিয়া।
ইনভেস্টিগেইট করে বুঝলাম ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি, ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি আর ক্রনিক প্রোটিন ডেফিসিয়েন্সি, বিশেষভাবে টরিন আর বেটা এলানিনের ঘাটতির সম্ভাবনা প্রবল। ফেরিটিনও ছিল যথেষ্ট কম।
সেপ্টেম্বর থেকে এখন এটা মে মাস।
৫৮ কেজি ওজনের অনামিকা এখন দিনভর কাজ করেন অবিরাম। স্বামীর সাথে রোম্যান্টিক কেমিস্ট্রি বেড়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি, প্রায় কোন কাজই তার বাকি থাকে না।
অনামিকাকে কি কি দেয়া হয়েছিল?
১)ভিটামিন ডি
২)আয়রন
৩)ম্যাগনেসিয়াম
৪)গরুর গোশত
৫)কাঠবাদাম
গরুর গোশত তিনি খেয়েছেন সাপ্লিমেন্টের মত, আমার দেয়া প্ল্যান অনুযায়ী।
৭-৮ মাসে তার এই বদলে যাওয়া দেখে অনেক ভাল লেগেছে আমার।
আমাদের দেশের বহু মেয়ে সারাজীবন এসব অশান্তি সহ্য করেন শুধু ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম আর আয়রনের অভাবে।
তাদের বকা দেয়ার আগে তাদের স্বাভাবিক পুষ্টি নিশ্চিত করুন।
সঠিক পুষ্টিতে তাদের উড়তে দিন, পাখিদের মত।
, , , , , , , , ,
25/02/2023
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/664304965698566/?mibextid=Nif5oz
ভিটামিন ডি খাওয়ার সেরা সময় হল বেলা ১০টা-বিকেল ৪টার মধ্যে।
এটা আমার অভিমত, যদিও অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলে থাকেন ভিটামিন ডি ঘুমের আগে নিলে আমাদের নন রেম স্লিপ ইমপ্রুভ করে।
সন্দেহ নেই, ভিটামিন ডি নিলে মেলাটোনিন বা ঘুমের হরমোন বেশি সক্রিয় হয়, ফলে ভাল ঘুম হয়। কিন্তু অনেক রোগীই আছেন যারা ভিটামিন ডি নিলে রাতে হাইপারএক্টিভ ফিল করেন ফলে ঘুম আসে না।
এটার কারন কি??
কারন সম্ভবত, আমরা হাজার হাজার বছর ধরে দিনের বেলায় ভিটামিন ডি পেয়ে অভ্যস্ত, রাতে ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য আমাদের শরীর তৈরি নাও হয়ে থাকতে পারে, ফলে সার্কাডিয়ান রিদম কনফিউজড হয়ে যায়।
তবে, বেশিরভাগ মানুষ কিন্তু রাতে ভিটামিন ডি খেলে কোন সাইড ইফেক্ট ফিল করেন না।
আর হ্যা, খালি পেটে ভিটামিন ডি খাবেন না, অবশ্যই দুধ/বাদাম/ডিম বা মাংসের সাথে খেতে চেষ্টা করবেন, তাহলে হজম ও শোষন ভাল হবে।
যাদের আইবিএস আছে, তারা অবশ্যই প্রোবায়োটিক ব্যবহার করবেন, যাদের কোমর/হাটুব্যথা আছে বা হার্ট ডিজিজ আছে, তারা ভিটামিন ডির সাথে ভিটামিন কে-২ আছে এমন সাপ্লিমেন্ট(নাউ/লাইফ এক্সটেনশান/জ্যারো ফরমুলা/দেশে স্কয়ারের ডিকে/ইনসেপ্টার মেনাকুইন) এবং ম্যাগনেসিয়াম সাইট্রেট/গ্লাইসিনেট ব্যবহার করবেন।
আমরা সুস্থতার যত কাছাকাছি থাকবো, জীবনে ততটাই উপভোগ করতে শিখবো। অসুস্থ শরীর পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বোঝা যা আমরা বয়ে বেড়াই।
ভিটামিন_ডি
, , , , , , , , ,
18/12/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/606917271437336/?mibextid=Nif5oz
দ্রুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কি করবেন??
১)রোদে শারীরিক পরিশ্রম করবেন দিনে অন্তত ৩০ মিনিট। দিনের বেলা ভারী বাজারের ব্যাগ বয়ে নিয়ে আসা হতে পারে একটা অপশন। হাটা, সাইক্লিং, ওয়েইটলিফটিং তো আছেই।
২)রাত ৮টার পর ঘরের আলো নিভিয়ে দেবেন, রাতের খাবার খাবেন সন্ধ্যার পরপরই
৩)খাবারের সাথে/সালাদে রসুন ও আদা ব্যবহার করুন
৪)কাচি হলুদ ব্যবহার করুন লেবুর শরবতে, সাথে যোগ করুন ৫০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাউডার, দিনে ৪-৫ বার ৫০-১০০ মিলি করে খান। আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রধান উপাদান ভিটামিন সি। নিয়মিত ভিটামিন সি থেরাপিউটিক ডোজে খেলে ইনফেকশন সহজে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না ইনশা আল্লাহ।
৫)দিনে ২-৪ হাজার আইইউ ভিটামিন ডি গ্রহন করুন
৬)সকালে ও রাতে কালোজিরা খেতে পারেন ১ চা চামচ করে।
৭)আদা, হলুদ, দারুচিনি, লবঙ্গ ও রসুন একত্রে চা/শরবতে ব্যবহার করে খেতে পারেন
৮)ভিটামিন সি'র সাথে ক্যামোমাইল চা খেতে পারেন। দিনে ১০০০ মিলিগ্রাম করে ভিটামিন সি দুই থেকে তিনবার এবং ক্যামোমাইল চা দুই থেকে তিনবার, আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে ইনশা আল্লাহ।
✅শিশুকে ডাল মিশ্রিত খাবার কিভাবে খাওয়াচ্ছেন❓
অনেকেই ডাল মেশানো খাবার বা শুধু ডাল খাওয়ানোর সময় শুধুমাত্র পানিতে সিদ্ধ করে খাওয়ান।আপনি জানেন কি ডালজাতীয় খাবারের ভিটামিন পানিতে দ্রবণীয় হয়না?ডালের ভিটামিন তেলে দ্রবণীয় হয়।
আপনি খুব যত্ন করে ডাল মিশ্রিত সুজি,সেরেলাকb,খিচুরি তেল/মাখন/ঘি ছাড়া খাইয়ে ভাবছেন আপনার শিশু সব পুষ্টিগুণ পেল,অথচ এ আশার গুড়েবালি।কোন খাবারে ডাল জাতীয় শস্য বা শুধু ডাল শিশুকে খাওয়াতে চাইলে অবশ্যই সে খাবার পরিমিত পরিমানে তেল,মাখন বা ঘি মিশিয়ে রান্না করে খাওয়াবেন।নইলে ভিটামিন এ,ডি,কে এবং ই অকার্যকর হয়ে যাবে।শুধুমাত্র ভিটামিন বি এবং সি কাজ করবে।রান্নার শুরুতে মাখন,ঘি বা তেলে হালকা ভেজে এরপর রান্না করলেও ভালো।
খাবার ঘরে তৈরি হলেই তা পুষ্টিকর হবে এমন ভাবা ঠিক না।প্রয়োজন সঠিক পদ্ধতি।
Ela's kitchen
30/11/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/589099036552493/?mibextid=Nif5oz
ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি একটা ব্যাপক বিস্তৃত সমস্যায় পরিনত হয়েছে।
রোগীদের মাঝে মধ্যেই হাই ডোজে ভিটামিন ডি রেকমেন্ড করতে হয়, এর প্রধান কারন হচ্ছে ভিটামিন ডি'র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট অন্যান্য অধিকাংশ ফ্যাট সলিউবল ভিটামিনের চেয়ে অনেক ছোট।
১ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট=০.০২৫ মাইক্রোগ্রাম (মাত্র)
তো এই বিষয়টা না বুঝেই সাধারনত মানুষ ভিটামিন ডি'র বড় ডোজের ক্যাপসুল খেতে ভয় পায়।
একজন সুস্থ মানুষ টানা অন্তত ৪-৬ মাস দিনে ৬০ হাজার আইইউ-২ লাখ আইইউ ডোজে ভিটামিন ডি খেলে কেবল তখনই তার টক্সিসিটি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তার আগে নয়।
হাইপারভিটামিনোসিস ডি নিয়ে যে স্টাডিগুলো অনলাইনে এভেইলেবল, যে কেউ চেক করে দেখতে পারেন, কোন কোন শর্ত সাপেক্ষে তা ঘটে বুঝতে পারবেন।
বাংলাদেশের মানুষ লাল গোশত ও তৈলাক্ত মাছ খায় অত্যন্ত সামান্য পরিমানে, আর নারীরা কমবেশি সবসময় ছায়াতেই থাকেন। শহরের পুরুষরাও অতি সীমিত পরিমানে রোদে থাকার সুযোগ পান।
এই পরিস্থিতিতে ভিটামিন ডি টেস্টে যাদের ভিটামিন ডি লেভেল 40 ng/dl এর নিচে আসে, তাদের জন্য দিনে ১টা ৪০ হাজার আইইউ ভিটামিন ডি ক্যাপ ১ মাস পর্যন্ত খেতে কোন বাধা নেই। তবে যাদের হার্ট ও কিডনীর সমস্যা আছে তারা অবশ্যই এক্ষেত্রে স্পেশালিস্টের পরামর্শ নেবেন।
ভিটামিন ডি যদি আপনি মাংসপেশীর উন্নতির জন্য খেতে চান তবে আপনাকে এর সাথে দিনে অন্তত ৫০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম নিতে হবে। আর হাড় শক্তিশালী করার জন্য খেতে চাইলে প্রতি ১০ হাজার আইইউ ভিটামিন ডির সাথে ভিটামিন কে-২ যোগ করতে হবে ৭৫-১০০ মাইক্রোগ্রাম।
পক্ষান্তরে, আমাদের ভিটামিন ডি এবজর্বশনের অবস্থা এখন অনেক খারাপ। অনেক রোগী মাসের পর মাস ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিয়েও ডি লেভেল বাড়াতে পারছেন না।
এক্ষেত্রে কিছু মাইক্রোমিনারেল ডেফিসিয়েন্সি, এবং স্ট্রেস, ড্যামেজড গাট ফ্লোরা দায়ী।
আমাদের ফুড চেইন থেকে ভিটামিন ডি কিভাবে হঠাৎ উধাও হল, এই রহস্য এখনো ঠিকভাবে বোঝা যাচ্ছে না। খুব সম্ভবত আমরা যে প্রানীদের খাই, সেই প্রানীদের ফুড চেইনেও পরিবর্তন এসেছে। দুষনের কারনে নদীর পানির জুওপ্ল্যাংকটন বদলে যাওয়া একটা কারন হতে পারে, অথবা আরো অনেক কারন থাকতে পারে যা আসলে আমাদের জানা নেই।
ভিটামিন ডি অন্যতম স্ট্রেন্থ-ফার্টিলিটি বুস্টারও বটে। তো যাই হোক, গনহারে ভিটামিন ডি নেয়ার প্রয়োজন নেই।
দিনে খাবারের পাশাপাশি ১-২ হাজার আইইউ সাধারনের জন্য যথেষ্ট। যারা স্ট্রেসে থাকেন বা যাদের মেটাবলিক ডিজিজ আছে, তাদের ডোজ ঠিক করবেন প্রফেশনালরা।
, , , , , , , , ,
07/11/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/549155527213511/
ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবারের কথা অনেকেই জানতে চান, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, খাবার থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া খুবই কঠিন।
দুনিয়াতে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ যেসব খাবার পাওয়া যায় সেগুলো বেশিরভাগই ফরটিফাইড ফুড।
বাংলাদেশে ইলিশ, থাই সরপুটি, তেলাপিয়া, রুপচাদা, বাইলা ছাড়া আর কোন মাছে উল্লেখযোগ্য পরিমান ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না। এর প্রধান কারন, ১)বাংলাদেশে কোন ঠান্ডা পানির সমুদ্র বা নদী নেই। ঠান্ডা পানির মাছ শীতের সময় বেচে থাকার জন্য শরীরে ভিটামিন ডি সঞ্চয় করে রাখে, যা গরম পানির অধিকাংশ মাছ করে না ২)বাংলাদেশের নদীতে থাকা জুপ্ল্যাংক্টনের ধরন দিন দিন পরিবেশ দুষনের জন্য বদলে যাচ্ছে, ফলে যেটুকু ভিটামিন ডি আগে পাওয়া যেত তাও এখন পাওয়া যায় না।
তাই ভিটামিন ডি'র অভাব খাবার থেকে পুরন করার চেষ্টা বাদ দিয়ে বরঞ্চ রোদে শারীরিক পরিশ্রম করা এবং ন্যাচারাল কোলেস্টেরল জাতীয় খাবার খাওয়া প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিন ডি তৈরির একমাত্র উপায়। এছাড়া, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকে সাবধানে থাকার জন্য সয়াবিন, সাদা চাল, গম ও চিনি থেকে দূরে থাকলে কিছুটা ভাল ফল পাবেন।
নিয়মিত প্রোবায়োটিক নিলেও গাট হেলথ ভাল থাকবে এতে বেশি ভিটামিন ডি শোষন করতে পারবেন।
ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে নেয়ার পাশাপাশি সাথে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার ব্যবহার করলে ভিটামিন ডি শোষনের হার প্রায় ১০ গুন বাড়ে। এক্ষেত্রে পাম্পকিন সিড আর কাঠবাদাম হতে পারে ভাল উৎস।
যারা অতিরিক্ত চিনি, রিফাইন্ড অয়েল ও চিজ জাতীয় খাবার খান, আটার তৈরি খাবার খান, তারা ভিটামিন ডি ঠিকভাবে শোষন করতে পারেন না, তাই এই খাবারগুলি থেকেও সবার দূরে থাকা উচিত।
#ভিটামিন_ডি
, , , , , , , , ,
30/10/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/562225542573176/
ভিটামিন ডি'র অভাবের প্রথম উপসর্গ হচ্ছে রাতের বেলায় কোমর ব্যথা এবং ঘুম থেকে ওঠার পর জড়তা। এই দুটো সমস্যা আমাদের চারপাশে অনেক মানুষেরই আছে।
হাপানির সমস্যা যাদের তারা প্রায় সবাইই সাধারনত ভিটামিন ডি'র অভাবে ভুগে থাকেন।
অনিদ্রার সমস্যা আছে যাদের, তারা প্রায়ই ভিটামিন ডি'র অভাবে ভুগে থাকেন।
নারীদের মধ্যে যাদের মাসিক অনিয়মিত, তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ ভিটামিন ডি'র অভাবে ভুগছেন।
কেন গত কিছুদিন ধরে টানা ভিটামিন ডি নিয়ে কথা বলছি এর প্রধান কারন হচ্ছে, সামনে শীত আসছে।
শীতের শুরুতে রক্তে ভিটামিন ডি লেভেল কমা শুরু করে, শীত শেষ হতে হতে তা অর্ধেক হয়ে যায়।
শীতে আরো বেশি সময় রোদে থাকুন এবং প্রয়োজনবোধে সাপ্লিমেন্ট নিন।
ভিটামিন ডি'র ঘাটতি পুরন হলে ওপরের বেশিরভাগ সমস্যাই কমে আসবে।
ভিটামিন_ডি
, , , , , , , , ,
28/10/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/560421476086916/
লকডাউনের লম্বা ছুটির পরে আমাদের বাচ্চারা হঠাৎ করেই দেখবেন শেখার ক্ষমতা অনেকটাই হারিয়ে ফেললো।
আমার দুই ভাগ্নে, এদের একজন বছর খানেক ধরে সমানে ফেল করছে, অন্যজন ক্রমেই যেন বুদ্ধিসুদ্ধি হারিয়ে ফেলছে।
ক্লিনিক্যাল অবজার্ভেশন করে বুঝতে পারলাম,, দুজনই ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্ট হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর।
গত এক বছরে আমি অন্তত একশোরও বেশি শি কিশোরের ভিটামিন ডি লেভেল টেস্ট দিয়েছি, একচুয়াল ডেটা নেই আমার কাছে কিন্তু আনুমানিক এদের প্রায় ৯০% ভিটামিন ডির অভাবে ভুগছিল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মা বাবা দূরে থাক, ডাক্তাররাই ভাবেন নি যে এর ডি ডেফিসিয়েন্সি থাকতে পারে। বাস্তবে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা সহজে ডি ডেফিসিয়েন্সিতে আক্রান্ত হয়।
২০১৭ সালে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষনায় দেখা যায়ঃ
ঢাকায় ৬-১১ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪১.০২% ভিটামিন ডির তীব্র ঘাটতিতে ভুগছে এবং ৫২.৫৬% শিশুর মধ্যে ভিটামিন ডি'র অপর্যাপ্ততা রয়েছে। ১২-১৬ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৬.৭৫% তীব্র ভিটামিন ডি ঘাটতিতে ভুগছে এবং
৫১.৯৫% ভিটামিন ডির অপর্যাপ্ততায় ভুগছে।
এই রিসার্চ পেপারে ঘাটতি ও অপর্যাপ্ততার স্ট্যান্ডার্ড ঠিকভাবে ধরা হয় নি বলে ঘাটতি, তীব্র ঘাটতি আর অপর্যাপ্ততার অনুপাত ঠিক থাকে নি, তবে মোট শতকরা পরিমান ঠিক আছে।
এর মানে কি??
লকডাউনের আগেই আমাদের ৯৩-৯৮% শিশু ভিটামিন ডির অভাবে ভুগছিল!!
চিন্তা করা যায়??
ব্রেন চলবে কিভাবে?? ভিটামিন ডির অভাব হলে তো বড়রাই স্বাভাবিক চিন্তা করতে পারে না।
শিশুদের স্বাভাবিক মেধা, স্মৃতিশক্তি, শেখার ক্ষমতা ও বুদ্ধির বিকাশের জন্য আমাদের উচিত তাদের আচার আচরন খেয়াল করা। ভিটামিন ডি'র নিয়ে অন্য যে পোস্টগুলো করেছি সেগুলো পড়ুন এবং বুঝতে চেষ্টা করুন, আপনার ভাই/বোন/সন্তানের ভিটামিন ডি'র অভাব আছে কিনা।
ভিটামিন_ডি
, , , , , , , , ,
27/10/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/559497712845959/
কে কতটুকু ভিটামিন ডি খেলে ভিটামিন ডির অভাব/ডেফিসিয়েন্সি দূর হবে জানতে এই পোস্টটা মুখস্ত করে ফেলুন। তবে, জটিল রোগে আক্রান্তে রোগীকে এই পোস্ট মুখস্ত করে ডোজ দিতে যাবেন না। ছোটখাট অসুখ বা আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মানুষ যার ডি ডেফিসিয়েন্সি ছাড়া অন্য মেজর সমস্যা নেই, তার জন্য এই ডোজই যথেষ্ট হবে ইনশা আল্লাহ।
ভিটামিন ডি নিয়ে এত লিখছি কারন সামনে শীতকাল আসছে। শীতে যতরকম সর্দি কাশি আর ব্যথা আমাদের ওপর চেপে বসে, ভিটামিন সি আর ডি লেভেল ঠিক থাকলে কিছুই দাত বসাতে পারবে না সহজে।
যাদের ভিটামিন ডি লেভেল ১০ ন্যানোগ্রাম/ডেসিলিটার, তাদের জন্য ডেইলি ডোজ হবে, ৬৭ আইইউ পার কেজি। ওজন ৭০ কেজি হলে ডোজ ৪৭০০ আইইউ, ধরে নেন ৫ হাজার আইইউ করে ১২ সপ্তাহ চলবে।
যাদের ভিটামিন ডি লেভেল ১৫ ন্যানোগ্রাম/ডেসিলিটার বা তার কাছাকাছি, তাদের জন্য ডেইলি ডোজ হবে, ৬০ আইইউ পার কেজি। ওজন ৭০ কেজি হলে ডোজ ৪২০০ আইইউ, ধরে নেন দিনে ৪ হাজার আইইউ করে ১৪ সপ্তাহ চলবে।
যাদের ভিটামিন ডি লেভেল ২০ ন্যানোগ্রাম/ডেসিলিটার বা তার কাছাকাছি, তাদের জন্য ডেইলি ডোজ হবে, ৫১ আইইউ পার কেজি। ওজন ৭০ কেজি হলে ডোজ ৩৫৫০ আইইউ, ধরে নেন ৪ হাজার আইইউ করে ১০ সপ্তাহ চলবে।
যাদের ভিটামিন ডি লেভেল ২৫ ন্যানোগ্রাম/ডেসিলিটার, তাদের জন্য ডেইলি ডোজ হবে, ৪২ আইইউ পার কেজি। ওজন ৭০ কেজি হলে ডোজ প্রায় ৩০০০ আইইউ, ধরে নেন ৪ হাজার আইইউ করে ৮ সপ্তাহ চলবে।
যাদের ভিটামিন ডি লেভেল ৩০ ন্যানোগ্রাম/ডেসিলিটার, তাদের জন্য ডেইলি ডোজ হবে, ৩৪ আইইউ পার কেজি। ওজন ৭০ কেজি হলে ডোজ এরাউন্ড ২৩০০ আইইউ, ধরে নেন ২ হাজার আইইউ করে ১৪ সপ্তাহ চলবে।
এর সাথে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার এবং স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল খেতে হবে। অতিরিক্ত চিনি, সয়াবিন, গমের তৈরি খাবার, পনির থেকে দূরে থাকা চাই। নিয়মিত যথেষ্ট শাকসবজি খাবেন, পালংশাক, কাঠবাদাম ও মিষ্টি কুমড়ার বীজ বা ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাবেন(যাদের ম্যাগনেসিয়ামের অভাব আছে তারা)।
এরপরেও আমি জানি অনেকের সমস্যা থেকে যাবে, কারো দেখা যাবে ভিটামিন ডি হজম হয় না, কারো অন্য কোন সমস্যা (ম্যাগনেসিয়াম/বোরন/জিঙ্ক/ভিটামিন এ/কোলেস্টেরল/ডিএইচএ ওমেগা থ্রি ডেফিসিয়েন্সি/ইনফ্ল্যামেশান/গাট প্রবলেম/কিডনি/লিভার ডিজিজ) থাকতে পারে। যারা স্ট্যাটিন গ্রুপের ওষুধ খান তাদের সমস্যা হয় সবচেয়ে বেশি। এসব কেইসের জন্য নিউট্রিশনিস্ট দেখানোই ভাল।
আশা করি এই পোস্ট ফলো করলে আপনাদের শীতকালটা ভিটামিন ডির অভাবে ভুগে কষ্ট করতে হবে না, ইনশা আল্লাহ।
#ভিটামিন_ডি
, , , , , , , , ,
26/10/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/558961119566285/
মায়ের গর্ভে আমাদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট কয়েকটা ভাইটাল নিউট্রিয়েন্টের ওপর সম্পুর্ন নির্ভরশীল।
১)কোলেস্টেরল
২)ডিএইচএ
৩)ভিটামিন সি
৪)ভিটামিন ডি
৫)জিংক
৬)ফসফরাস
৭)ইনোসিটল ও
৮)আয়োডিন
এরমধ্যে ভিটামিন ডি ও ডিএইচএর অভাব আমাদের মুড ও স্মার্টনেসের অভাবের সাথে জড়িত।
যেসব মায়েদের ভিটামিন ডি ও ডিএইচএর অভাব থাকে, তাদের সন্তানদের দুর্বল স্মৃতিশক্তি ও ফোকাসের অভাব, কথা বলায় জড়তা ও শোনায় অদক্ষতা, হতাশা এবং বুদ্ধিমত্তার অভাব দেখা দেয়।
আমাদের দেশের প্রায় ৮৭% নারী ভিটামিন ডির অভাবে(ডেফিসিয়েন্সি+ইনসাফিসিয়েন্সি) ভুগছেন এবং গর্ভধারনের উপযোগী ১৫-৪৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে এই সমস্যায় আক্রান্ত অন্তত ৬৭%।
তার মানে, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মদক্ষতা নিয়ে আমাদের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারন রয়েছে। ইতোমধ্যেই আইইডিসিআর, এনএনএসের মত বড় প্রতিষ্ঠান এটা নিয়ে কাজে নেমে পড়েছে।
এটা আমাদের সামনে দুলতে থাকা এক অনিশ্চিত, অন্ধকার ভবিষ্যতকে নির্দেশ করে।
গর্ভবতী মায়েদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা দেখি ২০০-৬০০ আইইউ ভিটামিন ডি প্রেসক্রাইব করতে, অথচ তাদের প্রায়শই প্রয়োজন হয় ২০০০-১০০০০ আইইউ।
মুখস্ত ডোজিং নয়, ভিটামিন ডির অভাব থেকে ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাচাতে প্রয়োজন পারসোনালাইজড অপ্টিমাইজড ডোজিং।
মা কে যথেষ্ট ভিটামিন ডি দিন, সন্তানের ভবিষ্যত সুন্দর হবে!!
ভিটামিন_ডি
, , , , , , , , ,
23/10/2022
https://www.facebook.com/100063572066802/posts/552820910180306/
আমাদের শরীরের প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বায়োকেমিক্যাল প্রসেস যে মিনারেলের সাথে জড়িত তার নাম ম্যাগনেসিয়াম।
ভিটামিন ডির অভাবে ভুগছেন এবং বারবার ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নেয়ার পরেও ভিটামিন ডি কিছুদিন পরপর লো হয়ে যাচ্ছে এমন রোগীদের সাধারনত ম্যাগনেসিয়াম লেভেল লো থাকে তাই সমস্যার কোন সমাধান হয় না।
কারন ম্যাগনেসিয়াম লেভেল ঠিক না থাকলে শরীর নিজ থেকে এক্টিভ ভিটামিন ডি তৈরি করে না।
১০টা ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের নাম এই পোস্টে দিয়ে দিচ্ছি, নিয়মিত এগুলি খেতে চেষ্টা করুন, ইনশা আল্লাহ উপকৃত হবেন।
১)পালংশাক-প্রতি ১৩০ গ্রামে ১৫৭ মিলিগ্রাম
২)মিষ্টি কুমড়ার বিচি-৮৯ গ্রামে ১৫৬ মিলিগ্রাম
৩) শিমের বিচি-১৩০ গ্রামে ১২৬ মিলিগ্রাম
৪)টুনা ফিশ-১১৩ গ্রামে ১০৯ মিলিগ্রাম
৫)বাদামী চাল-৯০ গ্রামে ৮৬ মিলিগ্রাম
৬)কাঠবাদাম-১১৩ গ্রামে ৭৭ মিলিগ্রাম
৭)ডার্ক চকোলেট-১৩৫ গ্রামে ৬৫ মিলিগ্রাম
৮)এভোকাডো-এটা বাংলাদেশে খুব একটা এভেইলেবল মা
৯)দই-প্রতি কাপে ৪৭ মিলিগ্রাম
১০)কলা-প্রতি কলায় ৩২ মিলিগ্রাম
দিনে একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ পুরুষ মানুষের প্রয়োজন প্রায় ৪৫০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, নারীদের ক্ষেত্রে এটা ৩৬০ মিলিগ্রাম।
যাদের প্রি ডায়বেটিস, ডায়বেটিস, হার্ট ডিজিজ, হাই ব্লাড প্রেসার, অস্টিওপোরোসিস বা হাই ব্লাড কোলেস্টেরল আছে তাদের ক্ষেত্রে সাধারনত ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত।
, , , , , , , , ,
's_Diet_Falsafa
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
