Lemon Juice

Lemon Juice

Share

we provide you organic food.

09/12/2023
18/11/2023

💯% মানিবেক গেরান্টির সাথে বডি শেফ ঠিক করুন,জিরো ফিগার বানান "কেটো "গ্রিন কফি খেয়ে,বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা কল করুন -01628485511

#সুস্বাস্থ্য #ওজন

17/11/2023

১/টাকা অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়াই অর্ডার করুন।
একমাত্র আমরাই দিচ্ছি অরিজিনাল এবং খাঁটি পন্য।
লেমন স্লি"মিং জুস ১০/গুন বেশি কার্যকরী, নিশ্চিত ফলাফল ২০/২৫ দিন
মেদ ঝড়বে জুসের প্রতি চুমুকে' এখন সাশ্রয়ী মুল্য পেয়ে যাচ্ছেন বড় সমাধান"

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ দিন

#সুস্বাস্থ্য #ওজন

12/11/2023

বাড়তি ও'জন নিয়ে ভাবছেন!!
এবার বাড়তি ও'জন এবং মে'দ/ভুড়ি কমিয়ে ফেলুন খুব সহজেই!!

সম্পূর্ণ আমেরিকান ফর্মূলায় ২৬ টি প্রাকৃতিক উপদানে তৈরি জুস সকাল বিকাল দুই গ্লাস খেতে খেতে কমে যাবে বাড়তি ও'জন আর মে'দ/বুড়ি।।

পাশাপাশি হরমোনকে ব্যালেন্স করে শরী'র ফীট রেখে ফিগার করে আরও আকর্ষনীয়।।

এছাড়া বাংলাদেশ সাইন্স ল্যাবের পরিক্ষিত এবং অনুমোদিত এই ফুড সাপ্লিমেন্টে কোন সাইড ই'ফেক্টের ভয় নেই।

আরও বিস্তারিত জেনে অর্ডার করতে send message অপশনে ক্লিক করুন।।

Photos from Lemon Juice's post 12/11/2023

এলাচিক খেলে শরীরের কয়েকটি উপকার হতে পারে।

এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাব: এলাচিক প্রাকৃতিক এন্টিঅক্সিডেন্ট ধারণ করে, যা শরীরের ক্ষতিকারক বিষাক্ত মূলকগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। এলাচিকে খাওয়ার মাধ্যমে এন্টিঅক্সিডেন্ট সাপ্লাই বাড়ায়, যা মূলত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ক্যানসারের মতো অসত্যিই কমন রোগের সাথে লড়াইতে সাহায্য করে।

প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি: এলাচিকে খেলে আপনার সংক্রামণের প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি পায়। এলাচিকে এন্টিব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টিভাইরাল গুণ থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধশক্তির ক্ষমতা বাড়ায়। এটি শরীরের প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং আপনাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

#সুস্বাস্থ্য #ওজন

12/11/2023

নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে।

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো-

ত্বক: বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে।

এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এ চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।
চুল: উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিম পাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক: পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

দাঁতের রোগ: দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

#সুস্বাস্থ্য

06/09/2023

ওজন কমাতে ট্রাই করুন আমাদের ন্যাচারাল জুস!! আমাদের রয়েছে দীর্ঘ ৬ বছরের অভিজ্ঞতা!! অসংখ্য সফল হিস্টোরি রয়েছে আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণের জার্নি তে আপনিও হতে পারেন আমাদের একজন গর্বিত কাস্টমার!!

💢 তাই দেরি না করে এখনই বিস্তারিত জানতে Send Message অপশনে ক্লিক করুন!!

20/07/2023

বা'ড়'তি ও'জ'ন নিয়ে আর নেই চি'ন্তা!

আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কি'টো গ্রীন কফি।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

20/07/2023

অবাক হওয়ার মত নতুন কিছু নিয়ে বাংলাদেশে আমরা প্রথম বারের মত নিয়ে এসেছি কি"টো গ্রিন কফি।

19/07/2023

শারীরিক ফিটনেস বাড়াতে চান? নিয়মিত পান করুন গ্রিন জুস!
ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, লেটুস পাতা, পালং শাক, ব্রকোলি, বাঁধাকপি- পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে এই ঘন সবুজ পাতাযুক্ত শাকসবজি হচ্ছে পুষ্টিগুণের আধার; যে-কারণে এগুলোকে বলা হয় ‘নিউট্রিশনাল পাওয়ারহাউজ!’

সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ল্যুটিন এবং জিয়াক্স্যানথিনের মতো ফাইটোকেমিকেলস, যা আমাদের দেহকোষকে সুরক্ষা দেয়, ছানি পড়া থেকে চোখকে বাঁচায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এগুলোতে থাকা ক্লোরোফিল রক্তকে অ্যালকালাইন বা ক্ষারীয় রাখতে সাহায্য করে; ফলিক এসিড হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে; ভিটামিন ই এবং সি ত্বককে করে উজ্জ্বল, মসৃণ ও আকর্ষণীয়।

কাজেই সুস্থ কর্মব্যস্ত দীর্ঘজীবনের জন্যে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন পর্যাপ্ত সবুজ শাকসবজি।

কীভাবে খাবেন?
সবুজ শাকসবজির গুণাগুণ সম্পর্কে জানেন না এমন মানুষ কমই আছে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সেগুলো রাখেনও। তবে স্রেফ রান্না বা প্রক্রিয়াকরণের ভুলে এই খাবারগুলোর পুষ্টিগুণ অনেকাংশেই হারাই আমরা।

আসলে শাকসবজি সেদ্ধ করলে এগুলোতে থাকা এনজাইম, ফাইটোকেমিকেল, ভিটামিন, মিনারেলসহ পুষ্টিগুণের একটা বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। তাই এগুলো খাওয়া উচিৎ অর্ধসেদ্ধ অবস্থায়।

তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি সবুজ শাকপাতা সরাসরি কাঁচা খাওয়া যায়। কাঁচা পাতার বিস্বাদ বা গন্ধ এড়াতে এগুলোকে জুস হিসেবেও খেতে পারেন। ‘গ্রিন জুস’- এক নামেই পরিচিত এই পানীয়।

গ্রিন জুসে রয়েছে অটুট পুষ্টিগুণের নিশ্চয়তা!
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানীয় হচ্ছে গ্রিন জুস। সুস্থ কর্মব্যস্ত দীর্ঘজীবনের জন্যে এখন অনেকেই একে রাখছেন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়। বিভিন্ন রোগে আক্রান্তদের, বিশেষত হার্ট ও ডায়বেটিসের রোগীদের এখন ডাক্তাররা পরামর্শ দিচ্ছেন গ্রিন জুস পানের।

সুস্থ-সবল মানুষেরাও এই জুস পান করে হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে পারেন, লাভ করতে পারেন স্বাভাবিক সুস্থতা ও প্রাণবন্ততা।

বানাবেন যেভাবে
ঘরে বসে খুব সহজেই বানাতে পারেন গ্রিন জুস।

যা যা লাগবে

ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, লেটুস পাতা, পালং শাক, সজনে পাতা থেকে ৩/৪ ধরণের টাটকা পাতা
জনপ্রতি ৩-৪টি আমলকি
আদা, জিরা, হিমালয়ান সল্ট/বিট লবণ (পরিমাণমতো)
পানি (পরিমাণমতো)
লেবুর রস, মধু বা গুড় (ঐচ্ছিক)
প্রস্তুতপ্রণালী

পরিমাণমতো পাতা কয়েক ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে ক্ষতিকর কেমিকেল বেরিয়ে যাবে, হজমও হবে সহজ।

এবার পাতাগুলো ভালোভাবে ধুয়ে ব্লেন্ডারে নিন। আমলকি ধুয়ে বীজ ফেলে পাতার সাথে যোগ করুন। পরিমাণমতো পানি নিন। অল্প আদা, জিরা, হিমালয়ান সল্ট/বিট লবণ দিন। ব্লেন্ডিং শেষে ছেঁকে নিন।

ব্যস, হয়ে গেল গ্রিন জুস! চাইলে স্বাদ বাড়াতে এতে যোগ করতে পারেন অল্প লেবুর রস, মধু বা গুড়।

গ্রিন জুস পানে মিলবে যে-সব উপকার
১। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২। ভিটামিন এ, কে, সি এবং আয়রনের দারুণ উৎস এই জুস এনার্জি বুস্ট করে। ফলে বাড়ে সতেজতা ও প্রাণবন্ততা।

৩। শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ বা টক্সিন বের করার মাধ্যেমে রক্তকে পরিশোধন করে।

৪। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং সব ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ বলে অন্যান্য রোগব্যাধি কমাতেও সাহায্য করে।

৫। বিপাকক্রিয়াকে উন্নত করে।

৬। ত্বকের লাবণ্যভাব বৃদ্ধি করে।

কখন খাবেন?
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে পারেন এক গ্লাস গ্রিন জুস। তবে বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক পান করাই উত্তম।

গ্রিন জুস ব্লেন্ড করার পর সাথে সাথে খাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। একবার বানিয়ে ফ্রিজে রেখে অনেকদিন খাওয়ার চাইতে ভালো হয় যদি বানানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খান।

আসলে এই অসাধারণ পুষ্টিদায়ক পানীয় থেকে এত চমৎকার উপকার আপনি পাবেন যার জন্যে প্রতিদিন একটু সময় আলাদা করে রাখাই যায়!

19/07/2023

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে বলে দিচ্ছে গ্রীন কফি আপনার ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কতটা উপকারী এটি শুধুমাত্র আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে না সাথে আপনার শরীরকে রাখবে রোগমুক্ত আর ঘাটতি পূরণ করবে ভিটামিন এবং প্রোটিন।

#ওজন

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Mirpur 1
Dhaka
1216