Zion Health Care

Zion Health Care

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zion Health Care, Health/Beauty, Dhaka.

Zion Health Care is an emerging innovation driven company, is engaged in the manufacturing and marketing of nutraceuticals range across Mushroom, Spirulina, Moringa, Chia etc..

03/04/2021

Health Product including Spirulina, Mushroom, Chia Seed, Moringa, Immunity food, Diabetes Nutrition, Heart health supplement.

04/10/2020

সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস থাকলে ভিডিও টি অবশ্যই দেখবেন

02/10/2020

স্লিম ডায়েট খাওয়ার নিয়মঃ ২ চা চামচ স্লিম ডায়েট, লেবুর রস/টক দই/ভিনেগার মিশ্রিত অর্ধেক মগ (200ml) পানির সাথে মিশিয়ে সকালে খাওয়ার আগে খেতে হবে৷

02/10/2020

কতক্ষণ ঘুমানো উচিত আপনার বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে?

02/10/2020

নরওয়ের ‘ইউনিভার্সিটি অফ বার্গেন’য়ের গবেষকদের করা এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বয়স চল্লিশের আগে ওজন নিয়ন্ত্রণে না রাখলে পরে স্থূলতা-সম্পর্কিত ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক টোন বিজোর্গ বলেন, “বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার হওয়ার পেছনে স্থূলতার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। এই পর্যবেক্ষণের কারণ হল অতিরিক্ত ওজন এবং স্থূলতার মাত্রা, সময় এবং স্থিতিকালের সঙ্গে ক্যান্সারের ঝুঁকি নির্ণয় করা।”

‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ এপিডেমিওলজি’তে প্রকাশিত এই গবেষণার জন্য গবেষকরা প্রাপ্তবয়স্কদের অতিরিক্ত ওজন (বিএমআই ২৫ এর ওপর) এবং স্থূলতা (বিএমআই ৩০ এর ওপর) কীভাবে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে তা নির্ণয়ের চেষ্টা করেন।

গবেষকরা এর জন্য ‘মি-ক্যান’ পর্যবেক্ষণের ফলাফল থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের তথ্য পর্যালোচনা করেন। যারা ছিলেন নরওয়ে, সুইডেন এবং অস্ট্রিয়ার অধিবাসী।

এর সঙ্গে যুক্ত করা হয় সেসব দেশের ক্যান্সারে আক্রান্ত নিবন্ধিতদের উচ্চতা এবং ওজন সম্পর্কিত তথ্য।

গবেষকরা দেখতে পান, পুনঃপর্যবেক্ষণের সময় ২৭ হাজার ৮৮১ জনকে ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে ৯ হাজার ৭৬১ জন (৩৫ শতাংশ) স্থূলকায়।

এই গবেষণায় দেখা যায়, যদি বয়স চল্লিশের আগেই অতিরিক্ত ওজন থাকে তবে বিভিন্ন ধরনের স্থূলতা-ভিত্তিক ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এরমধ্যে ৭০ শতাংশ এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার, ৫৮ শতাংশ পুরুষের রেনাল-সেল ক্যান্সার, ২৯ শতাংশ কোলন ক্যান্সার এবং ১৫ শতাংশ স্থূলতা সম্পর্কিত অন্যান্য ক্যান্সার নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ওজন স্বাভাবিকদের তুলনায় যাদের ওজন বেশি (বিএমআই ৩০ এর ওপর) তাদের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষায় দেখা গেছে স্থূলতা সম্পর্কিত ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

বিজোর্গ বলেন, “অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ।”

পলিসিষ্টিক ওভারি কি? পর্ব-১ | What is PCOD Part-1 02/10/2020

দেশের স্বনামধন্য বিখ্যাত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রফেসর সেলিনা আক্তার এর কথা শুনুন, আপনার জরা-রোগ-ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রাখুন

পলিসিষ্টিক ওভারি কি? পর্ব-১ | What is PCOD Part-1 পলিসিষ্টিক ওভারি কি? পর্ব-১ | What is PCOD Part-1 আলোচনা করেছেনঃ প্রফেসর ডাঃ সেলিনা আক্তার স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্.....

মেদ এবং স্থুলতা- কারণ ও ক্ষতিকর প্রভাব II Fat and Obesity- Causes and Harmful Effects 01/10/2020

দেশের স্বনামধন্য বিখ্যাত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রফেসর এমডি ফারুক পাঠান এর কথা শুনুন, আপনার জরা-রোগ-ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রাখুন

মেদ এবং স্থুলতা- কারণ ও ক্ষতিকর প্রভাব II Fat and Obesity- Causes and Harmful Effects বিষয়: মেদ এবং স্থুলতা- কারণ ও ক্ষতিকর প্রভাব। Prof. Md. Faruque Pathan MBBS (Dhaka), MD (EM) Professor & Ex-Head, Department of Endrocrine BIRDEM Hospital P...

01/10/2020

ব্লাড সুগার হোক কিংবা হার্টের রোগ, কোনও কিছুর জন্যই এখন আর বয়স লাগে না। মাত্র দুবছর বয়সের বাচ্চারও ধরা পড়ছে সুগার। সম্প্রতি ভিয়েনার এক গবেষণায় উঠে এসেছে ২৪ এর মধ্যেই বাড়ছে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তের সংখ্যা। দেহের অভ্যন্তরে জমছে অবাঞ্ছিত চর্বি। ফলে শরীর থেকে টক্সিন ঠিক মতো বেরোয় না, হজমের সমস্যা দেখা দেয়, ব্লাড প্রেসার বাড়ে, কিডনির সমস্যা আসে। পরে এখান থেকেই দেখা দেয় গুরুতর সমস্যা৷

তবে এই ফ্যাটি লিভার দু ধরণের হয়। এক, যারা প্রতিদিন মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল খান। আর একটা হয় নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। যার জন্য মূলত খাদ্যাভাসই দায়ী। মূলত ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যেই এর প্রকোপ বেশি। রিসার্চ বলছে এত কম বয়সে যাঁদের ফ্যাটি লিভার থাকে তাদের ক্যান্সারে ভোগার সম্ভাবনাও সবচেয়ে বেশি থাকে।

কী করলে রেহাই পাবেন...

ওজন কমান- সুস্থ থাকতে চাইলে ওজন কমান। অতিরিক্ত ওজন কখনই ভালো নয়। বরং ২ কেজি ওজন কম থাকাও শ্রেয়। যেভাবে সম্ভব সেভাবেই চেষ্টা করুন।

অতিরিক্ত ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন- অতিরিক্ত ভাজা বা নুন এড়িয়ে চলুন। এছাড়াও সোডিয়াম ও চিনি থাকে এমন খাবার কম করে খান। কারণ এই দুই উপাদাই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। প্রসেসড এবং জাঙ্ক ফুড খাওয়া কমিয়ে ফল, সবজি বেশি করে খান। বড় মাছ এড়িয়ে চলুন। শস্যদানা খান।

প্রতিদিন শরীরচর্চা জরুরি- জিম হোক বা মর্নিং ওয়াক প্রতিদিন করা জরুরি। করতে পারেন যোগাও। প্রতিদিন যদি ৪০ মিনিট হাঁটতে পারেন তাহলেও ভালো ফল পাবেন।

ধূমপান বন্ধ- বয়স ২৫? ফ্যাটি লিভার। ধূমপান আজ থেকে ছাড়ুন। শরীরও বাঁচবে। পকেটও রক্ষা পাবে। যাদের নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার তাদের জন্য স্মোকিং খুব ক্ষতিকর৷

01/10/2020

লিভার বা যকৃত দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। পরিপাকতন্ত্র থেকে আসা রক্ত শরীরের অন্যান্য অংশে যাওয়ার পূর্বে পরিস্রাবণ করে লিভার। যা পেটের ডান দিকে থাকে।

লিভার কেমিকেলকে বিষমুক্ত করে। তাছাড়া রক্ত জমাট বাধা ও ওষুধের বিপাকেও ভূমিকা রাখে। তবে জানলে অবাক হবেন, কিছু বিস্ময়কর কারণে এ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক লিভারে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে এমন কিছু বিস্ময়কর কারণ-

কোমল পানীয়
গবেষণায় পাওয়া গেছে, যেসব লোক প্রচুর পরিমাণে সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয় পান করেন তাদের নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের ঝুঁকি বেশি। কোমল পানীয়তে হাই ফ্রুকটোজ কর্ন সিরাপ থাকে, যেখানে ফ্রুকটোজ ৫৫% ও গ্লুকোজ ৪৫ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী সংযোজিত চিনির প্রধান উৎস হচ্ছে কোমল পানীয়- যার সঙ্গে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক সিন্ড্রোমের যোগসূত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। নিয়মিত কোমল পানীয় পান করলে ফ্রুকটোজের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে লিভারে চর্বি সঞ্চিত হয়, যা নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের কারণ হতে পারে।

অ্যাসিটামিনোফেন
অধিকাংশ মানুষই যে কোনো সাধারণ ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করে থাকেন। কিন্তু ওষুধ সঠিক ডোজে সেবন করছেন কিনা তা জানেন না। যেমন, না জেনে উচ্চ ডোজে অ্যাসিটামিনোফেন (প্যারাসিটামল) গ্রহণ করলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে। অ্যাসিটামিনোফেন রয়েছে এমন মাথাব্যথার ওষুধ ও ঠাণ্ডার ওষুধ একসঙ্গে সেবন করলে ডোজ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। একারণে আপনি কী কী ওষুধ সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানাতে ভুলবেন না।

ট্রান্স ফ্যাট
ট্রান্স ফ্যাট হচ্ছে মানুষের তৈরিকৃত চর্বি যা কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবার ও বেকড খাবারে থাকে। খাবারের লেবেলে ‘পার্শিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড’ লেখা থাকলে বুঝে নিতে হবে এতে ট্রান্স ফ্যাট রয়েছে। উচ্চ ট্রান্স ফ্যাটের ডায়েট ওজন বৃদ্ধি করে। কিন্তু এটি লিভারের জন্য মোটেও ভালো নয়। লিভারের সুস্থতা বজায় রাখতে খাবারের লেবেল চেক করুন। এমনকি সেখানে ০ গ্রাম ট্রান্স ফ্যাট উল্লেখ থাকলেও অল্প পরিমাণে এ ক্ষতিকারক চর্বি পাবেন।

চিনি
অতিরিক্ত চিনি লিভারের ক্ষতি করতে পারে। অত্যধিক পরিশোধিত চিনি ও হাই ফ্রুকটোজ কর্ন সিরাপ লিভারে চর্বি জমিয়ে রোগ সৃষ্টি করতে পারে। কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে, চিনি লিভারে অ্যালকোহলের মতো ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি আপনার অতিরিক্ত ওজন না থাকলেও। একারণে লিভারকে সুস্থ রাখতে সংযোজিত চিনির খাবার সীমিত করুন, যেমন- কোমল পানীয়, প্যাস্ট্রি ও ক্যান্ডি।

অতিরিক্ত ওজন
লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (এনএএফএলডি) সৃষ্টি হতে পারে। যার ফলে লিভার ফুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এক সময় লিভার শক্ত হয়ে যায় ও সেখানে ফাইব্রোসিস বা স্কার টিস্যু গঠিত হয়। ফাইব্রোসিসের শেষ পর্যায়কে চিকিৎসকেরা সিরোসিস বলেন। এক্ষেত্রে আপনার ওজন যত বাড়বে অথবা যত বেশি স্থূল হবেন, ততই ফ্যাটি লিভার ডিজিজের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া মধ্যবয়স্ক লোক ও ডায়াবেটিস রোগীদেরও এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চা এ রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

Photos 01/10/2020

স্লিম ডায়েট খাওয়ার নিয়মঃ ২ চা চামচ স্লিম ডায়েট, লেবুর রস/টক দই/ভিনেগার মিশ্রিত অর্ধেক মগ (200ml) পানির সাথে মিশিয়ে সকালে খাওয়ার আগে খেতে হবে৷

01/10/2020

ওজন বেড়ে যাওয়া আজকাল প্রায় প্রত্যেকের জীবনেই একটি বিরাট সমস্যা। নিজেকে সুন্দর পরিপাটি রাখতে সবাই সুন্দর স্লিম স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চায়। এমনি অনেক রোগ বালাই থেকেই মুক্ত থাকতে ডাক্তার-রাও এখন ওজন কম রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু ওজন কমাতে গিয়ে আমাদের কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। যেসব ভুলের কারণে অজান্তেই অনেক চেষ্টার পরও ওজন কমার পরিবর্তে ওজন বেড়ে যাচ্ছে। চলুন জেনে নেই, ওজন কমাতে যে ১০টি কাজ কখনোই করা যাবে না।

ওজন কমাতে যে ১০টি কাজ করবেন না

১. খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া
একজন স্বাভাবিক মানুষের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন নূন্যতম ১২০০ ক্যালোরি পূরণ করতে হয়। তাই ওজন কমাতে খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, চর্বি জাতীর খাবার অবশ্যই রাখতে হবে।

২. পুরো খাবার গ্রহণ না করা
পেটে ক্ষুধা রেখে, খাবার গ্রহণ না করা কখনই উচিত না। এতে শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি হতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার তিনবেলা খেতে হবে এবং অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

৩. খাবার এড়িয়ে যাওয়া
ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সকালের নাস্তা বা রাতের খাবার এড়িয়ে যান, এটি একটি ভুল ধারণা। সকালের খাবার না খেলে ওজন বৃদ্ধি পায় এবং খালি পেটে গ্যাস্ট্রিক (Gastric) এবং অ্যাসিডিটির (Acidity) মতো রোগ দেখা দিতে পারে। তিন বেলা খাবার না খাওয়া ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

৪. ব্যায়ামের পর অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ
ব্যায়ামের পর স্বভাবতই বেশি ক্ষুধা লাগে, কিন্তু ব্যায়ামের পর কখনোই ফাস্টফুড জাতীর খাবার গ্রহণ করা যাবে না বা ব্যায়াম করেছেন বলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। এটি আপনার ওজন বৃদ্ধি করে।

৫. অতিরিক্ত ব্যায়াম
অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য অতিরিক্ত ব্যায়াম করেন, এটি ঠিক না। অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে আপনার মাংসপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং আপনি অসুস্থ হতে পারেন। ব্যায়ামের মাত্রা হতে হবে সহনীয় এবং ধীরে ধীরে এর মাত্রা বাড়াতে হবে।

৬. রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পরা
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩-৪ ঘন্টা আগে রাতের খাবার খেতে হবে, যাতে খাবারটি হজম হয়ে যায়। ওজন বৃদ্ধিতে একটি বড় কারণ রাতের খাবার হজম না হওয়া। অবশ্যই রাতে খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করবেন তা না হলে খাবার হজম হতে সময় নিবে।

৭. অনিয়মিত ঘুম
আমাদের একটি প্রচলিত ধারণা হলো ঘুমালে মানুষ মোটা হয় বা ওজন বৃদ্ধি পায়। কিন্তু অনিয়মিত ঘুম অর্থাৎ কম ঘুমানো বা বেশি ঘুমানো ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক। স্বাভাবিক মানুষের জন্য প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো আবশ্যক। তাই পর্যাপ্ত ঘুম অবশ্যই নিশ্চিত করবেন।

৮. মানসিক চাপ
অতিরিক্ত মানসিক চাপে মানুষ বেশি খাবার গ্রহণ করে, এটি ওজন বৃদ্ধির একটি অন্যতম কারণ। মানসিক চাপে নিজেকে অন্য কোন কাজে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করুন এবং ফাস্টফুড জাতীর খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

৯. পানি কম পান করা
পানি খাবার হজম করতে সাহায্য করে, দিনে অন্তত ১ লিটার পানি খেলে, বছরে ২ কেজি ওজন কমে যায়। পানি কম পান একেবারেই ঠিক নয়। প্রতিদিন তাই পরিমিত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

১০. ক্র্যাশ ডায়েট
ক্র্যাশ ডায়েটকে না বলুন। ক্র্যাশ ডায়েটে খুবই দ্রুত ওজন কমে যায় এবং এই ডায়েটে আপনার খাদ্য তালিকায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য বাদ পরে যায়। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। খুব দ্রুত ওজন কমানোর পর, ক্র্যাশ ডায়েট ছেড়ে দিলে আবার দ্বিগুণ হারে আপনার ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।

সর্বপরি ওজন কমাতে এই ভুলগুলোর কারণে আপনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হতে পারেন। তাই এই ১০টি কাজ কখনোই করবেন না।

01/10/2020

মহামারি করোনাকালে চলা লকডাউনে ঘরে বন্দি থাকায় অনেকের স্বাস্থ্যই হয়তো বেড়ে গেছে। কিন্তু এই অতিরিক্ত স্বাস্থ্য বা শরীরে জমে যাওয়া মেদের কারণে হতে পারে মারাত্মক বিপদ।

'সায়েন্স ডিরেক্ট' পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য বলছে, বেশি ওজন মানেই বেশি অসুখ।

ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দীপঙ্কর সরকারের কথায়, বাড়তি ওজনের কারণে শরীরে দেখা দিতে পারে ডায়াবিটিস, হাই ব্লাড প্রেশার, হার্টের অসুখ থেকে শুরু করে স্তন ক্যানসার, এন্ডোমেট্রিয়াম ক্যানসারসহ নানা ক্যানসার, ক্রনিক ত্বকের অসুখ একজিমাসহ অজস্র অসুখ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বিশ্বের প্রতি তিনজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের একজন বাড়তি ওজনের সমস্যা নিয়ে বিব্রত। যাদের স্বাস্থ্য বেশি কোভিড-১৯ সংক্রমণ হলে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিও তাদের বেশি।

করোনায় আক্রান্ত হলে ফুসফুসের সমস্যা তো হয়ই আবার বাড়তি ওজন ফুসফুসের উপরে বেশি চাপ সৃষ্টি করে। যাদের ভুঁড়ি আছে তাদের ফুসফুসের ডায়াফ্রাম বা মধ্যচ্ছদায় বাড়তি চাপ পড়ে ফুসফুস সঙ্কুচিত হয়ে থাকে। ফলে বাতাস টানার সময় ফুসফুস সম্পূর্ণ ভাবে প্রসারিত হতে পারে না। তাই ওজন বাড়লে শরীরে সবসময় অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে ফুসফুস কিছুটা কমজোর হয়ে পড়তে শুরু করে। একই সাথে শ্বাসনালিও কিছুটা সঙ্কুচিত হয়ে থাকে।

ওজন কমাতে যা করবেন

১. ওজন কমানোর প্রথম শর্ত ক্যালরি মেপে খাওয়া এবং ঘাম ঝরিয়ে ব্যায়াম করা। চিনিসহ সব মিষ্টিযুক্ত খাবার বন্ধ করতে হবে।

২. প্রতিদিন সকালে বা বিকালে নিয়ম করে অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত পায়ে হাঁটতে হবে। কোনো উছিলাতেই হাঁটা বন্ধ করলে চলবে না।

৩. কোমর ও পেটের মেদ কমাতে যোগাসন ও ব্যায়াম করতে হবে। ২০–৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে সপ্তাহে ৫ দিন।

৪. লেবু জাতীয় ভিটামিন সি যুক্ত ফল, শাক সবজিসহ কম ক্যালরি ডায়েট করতে হবে। ফাস্ট ফুড ও ভাজা খাবার একেবারে খাওয়া যাবে না।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka