Beauteenx Lifestyle

Beauteenx Lifestyle

Share

About
BEAUTEENX-LIFESTYLE:The objectives for which the company is established from BD Gvt.

15/03/2020

সানস্ক্রিনের সাতকাহন: গরম পড়ার আগেই বেছে নিন আপনার উপযুক্ত সানস্ক্রিন==
ভাবতে যতই খারাপ লাগুক, এ বছরের মতো কিন্তু শীতের পালা শেষ! বসন্তের দক্ষিণা বাতাসের আড়ালে চুপিচুপি উঁকি দিতে শুরু করেছে গ্রীষ্ম! আর মাত্র কয়েকটা দিন পরেই গরমের জ্বালায় নাজেহাল দশা হতে চলেছে! এটাই সময় সানস্ক্রিনের স্টক মজুত করার। আমরা অনেকেই প্রচুর প্রচুর সানস্ক্রিন মাখি আর ভাবি এতেই বুঝি রোদ থেকে সুরক্ষিত থাকবে ত্বক! আসলে ব্যাপারটা অতটাও সহজ নয়! সানস্ক্রিন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে ঠিকই, কিন্তু গাদা গাদা সানস্ক্রিন মাখলেই ত্বক সুরক্ষিত হয় না। বরং সানস্ক্রিনের পুরো উপকারিতাটা পাওয়ার জন্য কেনার সময়ই মাথায় রাখুন কয়েকটা জরুরি বিষয়।

সানস্ক্রিন কেনার সময় কী কী মাথায় রাখবেন?
1. সানস্ক্রিন মাখার প্রথম শর্তই হল তা আপনার ত্বককে এমনভাবে সুরক্ষিত রাখবে যাতে আলট্রা ভায়োলেট বি আপনার ত্বকে ঢুকতেই না পারে। এসপিএফ30 97 শতাংশ ইউভি-বি আটকাতে পারে। এসপিএফ15 পারে মাত্র 93 শতাংশ। তাই সবসময় এসপিএফ30 যুক্ত সানস্ক্রিনই কিনুন।
2. ইউভি-বি রশ্মির পাশাপাশি ইউভি-এ থেকেও সুরক্ষা দরকার। কেনার আগে লেবেলে PA+, PA++, PA+++ এরকম কিছু লেখা আছে কিনা দেখে নিন। যতগুলো প্লাস চিহ্ন থাকবে, আপনার ত্বকও ততই ইউভি-এ থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
3. নন-কমেডোজেনিক সানস্ক্রিনই কিনুন। এই সানস্ক্রিন ত্বকের রোমছিদ্র বন্ধ করবে না, ফলে ব্রণর উপদ্রবও হবে না।
মুখের সান প্রোটেকশন ক্রিম খুব ভারী হলে মুশকিন। তাই হালকা মিস্টের মতো সানস্ক্রিন স্প্রে ব্যবহার করুন। মুখ বাদে বাকি শরীরে অবশ্য ভারী সানব্লক মাখতে পারেন।
4. আপনার গায়ের রং ফরসা হলে অন্তত 30 এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন কিনবেন। শ্যামবর্ণ হলে এসপিএফ20-তেই হয়ে যাবে।
5. সমুদ্রের ধারে বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান? সে ক্ষেত্রে আপনার সানস্ক্রিনের এসপিএফ অন্তত 30 থেকে 50 হতে হবে।

সানস্ক্রিন মাখার আগে মনে রাখুন
1. রোদে বেরোনোর অন্তত 20 মিনিট আগে সানস্ক্রিন মেখে নিন।
2. সকাল 10টা থেকে দুপুর সাড়ে 3টে পর্যন্ত পারতপক্ষে বাইরে না বেরোনোই ভালো। এই সময়টায় ত্বক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
3. সারা বছর সানস্ক্রিন মাখুন। বৃষ্টি হলে বা ঠান্ডা পড়লেও সানস্ক্রিন বাদ দেওয়া যাবে না।
4. শুধু মুখে নয়, শরীরের সমস্ত অনাবৃত অংশে সানস্ক্রিন মাখুন।
5. সানস্ক্রিন মাখার আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। তাতে আচমকা অ্যালার্জিতে ভুগতে হবে না।
6. তেলতেলে ত্বক হলে জেল-বেসড বা ওয়াটার-বেসড সানস্ক্রিন মাখুন। শুষ্ক ত্বক হলে বেছে নিন অয়েল-বেসড সানস্ক্রিন।
7. বাড়ির বাইরে থাকলে দু’ তিন ঘণ্টা পর পর সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে।

07/03/2020

ফেয়ারনেস ক্রিম দরকার নেই, এবার গায়ের রং উজ্জ্বল হবে স্বাভাবিকভাবে
ফরসা, উজ্জ্বল ত্বক কে না চায় বলুন তো! মুশকিল হল, নানা কারণে অনেক সময়ই গায়ের রং কালো হয়ে যায়, মুখে দেখা দেয় বিশ্রী ট্যান লাইন! এ সব সমস্যা থেকে বাঁচতে বাজারচলতি ফেয়ারনেস ক্রিমের উপরে আস্থা রাখেন অনেকে, কিন্তু তাতে সবসময় ফল তো পাওয়া যায়ই না, উপরন্তু ফেয়ারনেস ক্রিমের কেমিক্যালের সুবাদে ত্বকের হাল আরও বেহাল হয়ে পড়তে পারে। তাই অত ঝামেলায় না গিয়ে যদি প্রাকৃতিক উপায়ে, সম্পূর্ণ নিরাপদে গায়ের রং উজ্জ্বল করে তোলা যায়, তার চেয়ে ভালো কিছু হয় কি? আমরা আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি কয়েকটি সহজ পদ্ধতি, যাতে গায়ের রং ধীরে ধীরে উজ্জ্বল, ফরসা হয়ে উঠবে এবং ত্বকও থাকবে কোমল আর মোলায়েম!

নিয়মিত এক্সফোলিয়েট করুন
ফরসা, উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার একটা দারুণ কার্যকর পদ্ধতি হল এক্সফোলিয়েশন। মুখে স্ক্রাব লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ঘষে ঘষে এক্সফোলিয়েট করুন ত্বক। মুখের পুরোনো কোষ, বিবর্ণ, কালো হয়ে যাওয়া চামড়া, সমস্তই উঠে যাবে স্ক্রাবিংয়ের সুবাদে, ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবে উজ্জ্বল, ফরসা, নতুন ত্বক। সারা শরীর এক্সফোলিয়েট করতে ব্যবহার করুন ড্রাই ব্রাশ বা লুফা। খুব জোরে ঘষবেন না, হালকা হাতে সারা শরীর ঘষে ঘষে তুলে দিন সমস্ত মৃত কোষ।

রোদ থেকে দূরে থাকুন
চড়া রোদে একটানা থাকলে ত্বক কালো হয়ে যেতে বাধ্য। সবচেয়ে ভালো হয় যদি সকাল 10টা থেকে বিকেল 4টে পর্যন্ত বাইরে না বেরোতে হয়। সেটা একান্ত সম্ভব না হলে আগে থেকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিন। বাইরে বেরোনোর আগে মুখ সহ সারা শরীরে সানস্ক্রিন মাখুন। চেষ্টা করুন ছাতা বা স্কার্ফ নিতে।

নিজের যত্ন নিন
এমন স্কিনকেয়ার প্রডাক্ট মাখুন যা আপনার ত্বকের ধরনের সঙ্গে মানানসই। ত্বক আর্দ্র, সতেজ থাকলে নিজে থেকেই উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। প্রতিদিনের খাবারে রাখুন টাটকা শাকসবজি, ফল। ত্বকে সঠিক পুষ্টি পৌঁছোলে তা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে বাধ্য!

আস্থা রাখুন ঘরোয়া রূপটানে
বাজারচলতি ফেয়ারনেস ক্রিম মাখবেন না, কেমিক্যাল ত্বক আরও খারাপ করে দিতে পারে। বরং ভরসা রাখুন ঘরোয়া রূপটানে। পাকা টোম্যাটো চটকে মুখে লাগান। ত্বকের রং তো উজ্জ্বল হবেই, তাতে গোলাপি আভাও পাবেন। এক চিমটি দারচিনি গুঁড়োর সঙ্গে আধচামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগালেও উপকার পাবেন। নিয়মিত লাগালে ধীরে ধীরে ফরসা হয়ে উঠবে গায়ের রং।

25/02/2020

its true ...

24/02/2020

রুপ চর্চার বেশ কিছু টিপস----
1. ত্বক খুব বেশী রোধে পুড়ে গেলে বাড়িতে ফিরেই একটা সুতি কাপরের মধ্যে বরফের টুকরা পেঁচিয়ে আলতো করে ঘষতে থাকুন। আরাম পাবেন। কোন রকম ইনফেকশান হওয়ার সম্ভাবনা ও কমবে।
2. পোঁড়া জায়গায় এলোভেড়া লাগালেও উপকার পাবেন। বাড়িতে অ্যালোভেরা গাছ থাকলে পাতা কেটে জেল বের করে পোড়া জায়গায় লাগান। না হলে বাজারে অ্যালোভেরা জেল পাওয়া যায়। সেগুলো ও লাগাতে পারেন।
3. বেলা ১২টা-৩টার মধ্যে বাইরে বের না হওয়াই ভালো। এই সময় রোদের তাপ সবচেয়ে বেশী। আর যদি বেরোতেই হয় তাহলে ছাতা নিয়ে বের হবেন।
4. রোদে বেরোবার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন লাগান। খুব বেশী তৈলাক্ত ত্বক যাদের, তাঁরা সানস্ক্রিন জেল ব্যাবহার করতে পারেন। শুধু মুখেই নয়, গলা, হাত, পায়ের পাতা এবং পিঠ- সব জায়গাতেই পর্যাপ্ত পরিমানে সানস্ক্রিন লাগান। তবে সানস্ক্রিন এর কার্যকারিতা বড়জোর ২ ঘন্টা। তাই বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে, ২ ঘন্টা পর পর সানস্ক্রিন লাগানো প্রয়োজন। এখন নানা নামি-দামি কসমেটিকস ব্র্যান্ড সানস্ক্রিন স্প্রে ও বাজারে আছে। রাস্তাঘাটে এগুলো ব্যাবহার করা সহজ।
5. যতটা পারেন গা-ঢাকা সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরার চেষ্টা করুন। তাহলে ত্বকে সূর্যের তাপ সরাসরি লাগবেনা, তা ছাড়া সুতির স্কার্ফ ব্যাবহার করতে পারেন। নানা রকম স্টাইলিশ হ্যাট ও এখন বাজারে আছে।
6. টক দই আর মসুর ডাল বেটে তার পেস্ট বানিয়ে রাখতে পারেন। স্নানের আগে সারা গায়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বক হলে এতে ২ ফোঁটা অলিভওয়েল মিশিয়ে নিন গায়ের রঙ পরিষ্কার হবে।
7. গোলাপ জলে চন্দন বেটে মুখে লাগান। ত্বকের সব কালো দাগ দূর হয়ে যাবে। তৈলাক্ত ত্বক হলে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন। তবে শুষ্ক ত্বক হলে ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।
8. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
9. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন।
10. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
11. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।
12. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
13. মুখে কোন রেশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান রেসের ওপর উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।
14. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।
15. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।
16. হাত পায়ের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।
17. মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, ১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন দাগ মিলিয়ে যাবে।
18. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
19. নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ সমস্য থাকবেনা।
20. সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।
21. অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।
22. বেলা ১২টা-৩টার মধ্যে বাইরে বের না হওয়াই ভালো। এই সময় রোদের তাপ সবচেয়ে বেশী। আর যদি বেরোতেই হয় তাহলে ছাতা নিয়ে বের হবেন।
23. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।
24. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা ভাব কমে যাবে।
25. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
26. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।
27. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।
শেষ কথা
নিজের ত্বক নিজেকেই বহাল রাখতে হবে। আপনার কাছে এসে কিন্তু কেউ বলে দেবে না এটা কর বা ওটা কর। হয়তো দু একজন বন্ধু বান্ধব বললেও বলতে পারে। আমাদের এই লেখাটার প্রত্যেক টিপস গুলো নিজ নিজ ভাবে ঠিক থাকে মতন যদি ব্যবহার করে থাকেন আমি বলছি আপনার সমস্যা থাকবেই না। ভালো থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ।

23/02/2020

চুলের যত্নে খাঁটি নারকেল তেল ==
ঘল লম্বা চুলের যুগ থেকে শর্ট ব্যাংস হেয়ার স্টাইল পর্যন্ত চুলের যত্নের সব সময়ই একটা বিষয় প্রাধান্য পেয়ে আসছে আর তা হল সুস্থ চুল। সুস্থ চুল হল নিয়মিত যত্নের ফসল। চুলের যত্ন না নিলে চুল অচিরেই ফাটে এবং ভেঙে যায়। আর চুলের যত্নের প্রাথমিক উপাদান হল তেল। চুলের যত্নে খাঁটি নারকেল তেল ব্যবহার সেই আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে। এখনকার যুগে বিভিন্ন রকম হেয়ার সল্যুশন কেমিক্যাল প্রোডাক্ট-এর ভিড়েও বহু পরিচিত একটি প্রাকৃতিক প্রসাধনী হচ্ছে নারিকেল তেল। চুলের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নারকেল তেলের জুড়ি নেই।
নারকেল তেলের উপকারিতা
প্রাকৃতিক এই প্রসাধনীটি শুধু চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে তা নয়, নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে চুল ও ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি শরীরের অনেক অসুখও দূর হয়। নারিকেল তেল হেয়ার কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। সবচেয়ে কম দামে ও সহজলভ্য হেয়ার কন্ডিশনার হচ্ছে নারিকেল তেল। এই তেল প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিয়ে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুলকে রক্ষা করে। নিয়মিত নারিকেল তেল ব্যবহারে চুল তাড়াতাড়ি বড় হয়। এছাড়া কিছু কিছু ময়লা আছে যা সহজে পরিষ্কার হয় না। কিন্তু মাথার ত্বক ও চুলে নারিকেল তেল দিলে তা সহজে দ্রবীভূত হয়ে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
চুলের যত্নে খাঁটি নারকেল তেল
আগের দিনে দাদি-নানিরা চুলের যত্ন বলতে নারিকেল তেল আর মেহেদী দেয়াটাই বেশি করতেন। কিন্তু এখন ব্যস্ত সময়ের যুগ, যেখানে ঠিকমত খাওয়া-ঘুমের জন্যই সময় বের করতে হিমসিম খেতে হয়। সংসারের কাজ, বাচ্চাদের স্কুল, অফিস, শপিং… আরো কত কী! এত কাজের ভিড়ে চুলের যত্নে খাঁটি তেল বানিয়ে নেয়ার সময় কোথায়? তাছাড়া যেখানে বাজারে খুঁজলেই এখন হাজারো ব্র্যান্ডের তেল পাওয়া যায়। শুধু কিনে নিলেই হল! কিন্তু আসল চ্যালেঞ্জ হল এই ভেজাল দ্রব্যের বাজারে সঠিক ব্র্যান্ড-এর জিনিসটি খুঁজে নেয়া। যা শুধু ভেজাল মুক্তই নয়, ব্যবহার করে তার উপকার পাওয়া যাবে হাতে হাতে!
খাঁটি নারকেল তেল চেনার উপায়সমূহ
১) নারিকেল তেলের সব থেকে বড় গুণ হচ্ছে এটি ঠান্ডা হলে জমে যায়। নারিকেল তেল খাঁটি কিনা তা বোঝার জন্য ৩০ মিনিট ফ্রিজে জমতে দিন। তেল যদি পুরোপুরি জমে গিয়ে থাকে, তাহলে বুঝবেন আপনার তেল একদম খাঁটি।
২) নারকেল তেল যদি হলুদ বা গ্রে কালারের হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে এতে কেমিক্যাল মেশানো আছে। এই সকল ভেজাল তেল ব্যবহার করার কারণে পড়তে থাকে চুল।
৩) তাছাড়া নারিকেল তেলে আছে লরিক এসিড নামের এক ধরনের ফ্যাটি এসিড, যার দরুণ অন্য যেকোন তেলের চেয়ে এই তেলকে চুল সবচেয়ে দ্রুত শুষে নেয়। এতে চুলও হয়ে ওঠে মসৃণ ও মজবুত। অনেকেরই অন্যান্য তেল চুলে স্যুট করে না। অনেক সময় আঠালো হয়ে থাকে কয়েকবার শ্যাম্পু করেও তেল ওঠানো যায় না। কিংবা চুল পড়ে!
৪) অতিরিক্ত চুল ধোঁয়ায় চুল রাফ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নারিকেল তেল খুব সুন্দর কাজ করে। পরিমাণমত দিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর খুব সহজেই ধুয়ে ফেলা যায়। তাছাড়া এই এক তেলেই চুলের যাবতীয় প্রায় সব প্রব্লেমের সমাধান আছে। খুশকি, চুলের আগা ফাটা, চুলকে ময়েশ্চারাইজড করা, চুলের গোঁড়া মজবুত করা ইত্যাদি।

19/02/2020

চুলের সমস্যায় ভুগছেন? কারি পাতার সঠিক ঘরোয়া ব্যবহারই এর থেকে মুক্তি দিতে পারে===
প্রতিটি নারীই স্বাস্থ্যকর এবং ড্যামেজ-মুক্ত চুলের স্বপ্ন দেখে। সুন্দর চুল যেকোনও নারীর সেরা সৌন্দর্য বৈশিষ্ট্য। কিন্তু, বর্তমান জীবনযাত্রার কারণে অতিরিক্ত চুল পড়া, খুশকি, তাড়াতাড়ি চুলে পাক ধরা ইত্যাদিসহ বেশ কয়েকটি চুলের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এগুলি পরিবেশ দূষণ, রোজকার ধুলো-বালি, সঠিক খাবার গ্রহণের অভাব বা ডায়েট, অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার, ভিটামিনের অভাব, ইত্যাদির কারণে হতে পারে। তাই, অবশ্যই চুলে বাজারের ক্যামিকেল জাতীয় পণ্য ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

সেই কারণেই, আমরা আপনাকে চুলের যত্নের জন্য প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করার পরামর্শ দিই। আর, চুলের যেকোনও সমস্যার ক্ষেত্রে সমাধানের একটি প্রাকৃতিক উপাদান হল 'কারি পাতা'। অনেকেই মাথার ত্বকের সমস্যা, খুশকি, চুল পড়া এবং চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। কারি পাতা হল এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা, চুলের মূল থেকে এই জাতীয় সমস্যাগুলির চিকিৎসা করতে পারে। কারি পাতা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস, বিটা ক্যারোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড, প্রোটিন ইত্যাদি সমৃদ্ধ। তাই, চুলের ক্ষেত্রে কারি পাতা ব্যবহারের উপাকারিতা সম্পর্কে এখানে দেওয়া হল -

অল্প বয়সে চুলে পাক ধরা রোধ করে কারি পাতা হল অন্যতম সেরা উপাদান যা, অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করে। অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া সাধারণত, সঠিক খাবার গ্রহণের অভাব, অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেওয়া, অ্যালকোহল গ্রহণ বা বংশগত কারণে হয়। কারি পাতায় থাকা ভিটামিন বি-এর কারণে এটি অকালে চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে এবং চুলে পুষ্টি ও আসল রঙ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে। চুলে কারি পাতা ব্যবহার, চুলের গোড়া শক্তিশালী করে এবং চুল উজ্জ্বল রাখে।

চুলের বৃদ্ধি হয় নিয়মিত কারি পাতা ব্যবহার, চুলের বৃদ্ধি হতে সহায়তা করে। কিছু কারি পাতা সূর্যের আলোতে শুকিয়ে গুঁড়ো করুন এবং এক টেবিল চামচ দইয়ের সঙ্গে এটি মেশান। চুলের গোড়ায় এবং চুলের শেষ প্রান্তেও পেস্টটি লাগান।

চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে বর্তমানে চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই, চুল পড়া বন্ধ করতে আপনাকে অবশ্যই যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে। কারি পাতা চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুল পাতলা হওয়া রোধ করে। কিছু কারি পাতা দুধের সাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এটি চুলে ভালভাবে লাগান এবং এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত অনুসরণ করুন।

খুশকি রোধ করে কারি পাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলি মাথার ত্বক স্বাস্থ্যকর রাখে। এগুলি মাথার ত্বককে খুশকি এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। মাথার ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণ রুখতে, কারি পাতা ব্যবহার শুরু করুন। দইয়ের সাথে কারি পাতা মিশিয়ে পেস্ট প্রস্তুত করুন এবং এটি ভালভাবে চুলে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। সপ্তাহে একবার করুন। এতে মেথির বীজও যুক্ত করতে পারেন।

হেয়ার টনিক হিসাবে সেরা কাজ করে কারি পাতা চুলের টনিকের জন্যও ভাল কাজ করে কারণ এটি মাথার ত্বককে ময়শ্চারাইজ এবং পুষ্ট রাখতে সহায়তা করে। এক মুঠো সতেজ কারি পাতা নিন এবং এতে ২-৩ টেবিল চামচ নারকেল তেল দিয়ে এটি প্যানে ফোটান। কিছুক্ষণের জন্য ফুটতে দিন এবং পরে মিশ্রণটি শীতল হয়ে গেলে এটি মাথায় লাগান। কারি পাতায় ভিটামিন বি-৬ থাকার কারণে, এই পাতাগুলি চুলের শিকড়কে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

চুলের ক্ষতিগ্রস্থ গোড়া মেরামত করে দূষণ এবং চুলে বিভিন্ন রাসায়নিক চিকিৎসার কারণে চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং শুকিয়ে যায়। কিন্তু, কারি পাতায় থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলির কারণে এটি ক্ষতিগ্রস্থ গোড়া মেরামত করতে সহায়তা করে। কিছু কারি পাতা কুচি করে নিন এবং এটি আপনার পছন্দসই ক্যারিয়ার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ভালভাবে মাথায় ম্যাসাজ করুন। এটি মাথার ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ গোড়া মেরামত করতে সহায়তা করবে।

এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করুন আপনার ডায়েটে গুঁড়ো বা কাঁচা কারি পাতা অন্তর্ভুক্ত করুন। কারি পাতা দিয়ে সিদ্ধ জল খাওয়া অন্যান্য স্বাস্থ্য সুবিধার পাশাপাশি আপনার চুলকেও সুরক্ষিত করে। এটি পুদিনা পাতার সাথে কাঁচাও খাওয়া যেতে পারে।

Beauteenx Lifestyle

17/02/2020

যেভাবে যত্ন নিলে চুল সুন্দর হবে---

তিদিনের দূষণের প্রভাব পড়ে আমদের ত্বক আর চুলে। তাই দিনশেষে ঘরে ফিরে দেখা যায় চুল হয়ে গেছে রুক্ষ, শুষ্ক, প্রাণহীন। সেইসঙ্গে যত্নের অভাব তো রয়েছেই। চুলের যত্ন নিতে আপনাকে খুব বেশি কষ্ট করতে হবে না। প্রতিদিন কিছু নিয়ম মেনে চললেই হবে-

বেণি বাঁধুন: চুলের ক্ষতি কম করতে যতটা সম্ভব চুল আলগা বেণি বেঁধে রাখুন। যারা দ্রুত চুল লম্বা করতে চান, তারা বেণি বেঁধে রাখলে উপকার পাবেন। বাঁধা অবস্থায় চুলে ঘর্ষণজনিত ক্ষতি কম হয়, চুল কোমল আর মসৃণ থাকে। তবে খুব শক্ত বেণি বাঁধবেন না, তাতে টান পড়ে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যেতে পারে।

স্টাইলিং এড়িয়ে চলুন: হিট স্টাইলিং বা কেমিক্যাল স্টাইলিংয়ে চুল সাময়িকভাবে দেখতে সুন্দর লাগলেও এসব পদ্ধতি চুলের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করে দেয়। তাই খুব প্রয়োজন না হলে এড়িয়ে চলুন স্টাইলিং। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল কার্ল বা ওয়েভ করে নিতে পারেন। তাতে স্টাইলিং খুব বেশি সময় স্থায়ী হবে না, কিন্তু বাড়তি কোনো ক্ষতিও হবে না।

ঠান্ডা পানি ব্যবহার: হালকা গরম পানিতে চুল পরিষ্কার করলে চুলের কিউটিকল খুলে যায় এবং শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার চুলের গভীরে ঢুকতে পারে। কিন্তু একেবারে শেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নেবেন, যাতে খোলা কিউটিকল আবার বন্ধ হয়ে যায়। না হলে চুল খুব রুক্ষ আর বিবর্ণ দেখাবে।

তেল ব্যবহার: চুলে তেল ব্যবহার করা যতই অসুবিধার কাজ হোক না কেন, আপনার চুলে পুষ্টি জোগাতে এর বিকল্প নেই। সপ্তাহে অন্তত একদিন স্ক্যাল্প আর চুলে ঘষে ঘষে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল মাখুন। তেল মেখে অন্তত আধঘণ্টা অপেক্ষা করবেন, যাতে তেলের পুষ্টি চুলের গভীরে শুষে যেতে পারে। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।

অযথা এক্সপেরিমেন্ট নয়: নতুন হেয়ার কালার বা হেয়ার স্টাইল বাজারে এলেই তা অনুসরণ করবেন না। চুলের উপর যত পরীক্ষানিরীক্ষা করবেন, তত বেশি ক্ষতি হবে চুলের। নিয়মিত তেল মাখুন, শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন, মাসে একদিন স্পা করান, শুধু এটুকুতেই নরম, মোলায়েম থাকবে আপনার চুল।

13/02/2020

চুল পড়া রোধ করতে জাদুকরী তেল

চুল পড়া নারীদের প্রধান সমস্যা। বর্ষাকালে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এই সময় বাতাস অতিরিক্ত আর্দ্র থাকে বলে ত্বক ও চুলের ক্ষতি বেশি হয়। তাই এই সময় চুলে নিয়মিত তেল দেওয়া উচিত। চুলের পুষ্টি যোগাতে তেলের বিকল্প নেই। তেল চিটচিটে ভাবের জন্য অনেকেই চুলে তেল লাগাতে চান না। আর এতে সবচেয়ে বড় ভুল করে থাকেন। তেল চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি যুগিয়ে চুলকে সিল্কি, শাইনি করে তোলে। আমরা সাধারণত বাজারের নারকেল তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করে থাকি। চুল পড়া রোধ করতে বেশ কার্যকর আমলকীর তেল।

প্রতিদিন একশটা চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি চুল পড়লে সেটা চিন্তার কারণ। চুল পড়া শুরু করার সাথে সাথে এটি প্রতিরোধে এই তেলটি ব্যবহার করতে পারেন। যারা সময়ের অভাবে চুলের যত্ন নিতে পারছেন না, তারাও এই তেলটি ব্যবহার করতে পারেন। খুব সহজে মাত্র দুটি উপাদান দিয়ে এই তেলটি তৈরি করা সম্ভব। যা যা লাগবে:

নারকেল তেল

শুকনো আমলকী

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। এক কাপ নারকেল তেল ৪-৫ মিনিট জ্বাল দিন।

২। এর সাথে শুকনো আমলকী দিয়ে দিন। আমলকীসহ এই তেল জ্বাল দিতে থাকুন।

৩। বাদামী রং হয়ে আসলে চুলা থেকে এটি নামিয়ে ফেলুন।

৪। এরপর তেলটি ছেঁকে আমলকী থেকে আলাদা করে নিন।

৫। তেলটি মাথায় কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করে লাগান।

৬। সারা রাত রাখুন, পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন।

কার্যকারিতা:

এই তেল শুধু নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে না। মাথার তালুতে রক্ত চলাচলও বৃদ্ধি করে থাকে। আমলকী চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Banasree
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00