Health & Beauty Shop
সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাঁটুন ও ব্যায়াম করুন
#🌸এক মাসে ৫ কেজি কমানোর সেরা উপায় এখন আপনার হাতের কাছেই🌸
🍹 MIKEO FIBER XS Slimming Juice (1 pack = 30 sachets)
📌 ব্যবহারবিধি:
Fiber Xs
প্রতিদিন ১ স্যাশে ২০০–২৫০ মি.লি. পানিতে গুলে খাবারের ৩০ মিনিট আগে পান করুন।
ওয়েট লস রেমিডি কম্বো শুধু ওজন কমায় না, শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ রাখে। ড্রিংক শরীরকে ডিটক্স করে, হজম শক্তি বাড়ায় এবং জমে থাকা ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
✅ উপকারিতা
✅ওজন কমায় এবং শরীরকে রাখে ফিট।
✅ড্রিংক শরীর ডিটক্স করে টক্সিন দূর করে।
✅হজমশক্তি বাড়িয়ে ফ্যাট দ্রুত বার্ন করে।
✅ক্যাপসুল শরীরে ভিটামিন ও মিনারেল জোগায়।
✅দুর্বল না হয়ে এনার্জি লেভেল বাড়ায়।
✅রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে অসুখ থেকে সুরক্ষা দেয়।
✅ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়ক।
09/12/2025
⛔অফার অফার অফার⛔
❤️২০২৬ সাল প্রায় চলে এসেছে সেই উপলক্ষে ধামাকা অফার❤️
✅ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রি
💥সমগ্র বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
❤️অগ্রিম কোন টাকা লাগবে না প্রডাক্ট হাতে ডেলিভারি ম্যানের কাছে দিবেন❤️
⛔আমাদের প্রডাক্ট যদি ২নাম্বার প্রমাণ করতে পারেন ১লক্ষ টাকা পুরুস্কার✅✅
MIKEO Fiber XS খেলে আর কী কী উপকার হবে?
MIKEO Fiber XS শুধু ওজন কমায় না, সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেয়:
চাইলে সরাসরি আমাদের সপ এসে প্রোডাক্ট নিতে পারবেন
❤️১. ⚖️ শারীরিক উপকারিতা (ফ্যাট ও ফিটনেস)
দ্রুত মেদ কমায়: বিশেষত পেট ও কোমরের চারপাশে জমে থাকা জেদি চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
অতিরিক্ত খাওয়া বন্ধ: ক্ষুধা কমিয়ে খাবারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে সাহায্য করে।
শরীর হালকা হয়: নিয়মিত টক্সিন বের করে দেওয়ার ফলে শরীর ঝরঝরে ও হালকা অনুভূত হয়।
এনার্জি বৃদ্ধি: শরীর ডিটক্স হওয়ার পর আগের চেয়ে বেশি এনার্জেটিক লাগে।
💥২. 🚽 হজম ও ভেতরের স্বাস্থ্য (Gut Health)
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: নিয়মিত মলত্যাগ নিশ্চিত করে এবং পেটের অস্বস্তি দূর করে।
গ্যাস-ফোলাভাব কমায়: হজমশক্তি ভালো করার মাধ্যমে পেটের গ্যাস ও ফোলাভাব দ্রুত কমে যায়।
গাট হেলথ উন্নত: প্রোবায়োটিক থাকার কারণে অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ে, যা ভেতরের স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করে।
✅৩. 💖 বাড়তি সুবিধা (Bonus Benefits)
ডায়াবেটিস সাপোর্ট: যেহেতু এটি চিনিমুক্ত, তাই এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে (ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে)।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার শরীরে স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: কিছু বিক্রেতার দাবি অনুযায়ী, ভেতরের টক্সিন দূর হওয়ার ফলে এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করতে পারে।
বিস্তারিত জানতে কল করুন ইমো, হোয়াটস এপ 01701-333086 অথবা আপনার মোবাইল নাম্বার দিন
Banana Milk Cracked Heel Cream
পা ফাটা ,ড্রাই হয়ে যাওয়া খুবই অস্বস্থিকর ব্যাপার।
এ শীতে Best Solution এ Cream টি পা যত্নে ।
👉পায়ের খসখসে ভাব দূর করে, ত্বককে আরো স্মুথ এবং মসৃণ করে।
👉পা-ফাটা বা কোন দাগ থাকলে দূর করে।
👉পায়ের সৌন্দর্য কয়েক শেড বাড়িতে তোলে, নিয়মিত ব্যবহারে।
💁♀️অর্ডার করতে আমাদের ইনবক্স করুন।
😱 আয়নায় নিজেকে দেখে বিরক্ত?
📢৫৮% ডিস্কাউন্ট💥 Sweat Slim Belt💪
পেটের মেদ বার বার আপনাকে লজ্জায় ফেলছে?
💡 আর নয় চিন্তা!
👉 আজই নিন Sweat Slim Belt – মেদ কমবে নিশ্চিত 💪
আপনার কি পেটের অতিরিক্ত মেদ নিয়ে চিন্তা শেষ হচ্ছে না❓
তাহলে আজই ব্যবহার করুন 👉 Sweat Slim Belt
যা অল্প সময়েই আপনাকে দেবে ফিট ও স্লিম ফিগার ✨
অর্ডার করতে আপনার মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানা আমাদের মেসেজ করুন-হেল্পলাইন : +8801701-333086
🔥 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
✅ উচ্চমানের Neoprene Material দিয়ে তৈরি
✅ দ্রুত ঘাম ঝরিয়ে চর্বি কমায়
✅ বেলি ফ্যাট ও ওজন কমাতে কার্যকর
✅ ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য উপযোগী
✅ জিম, ব্যায়াম, হাঁটা, দৌড়ানো এমনকি দৈনন্দিন কাজেও ব্যবহারযোগ্য
✅ সহজে ধোয়া যায়, টেকসই এবং আরামদায়ক
🌟 উপকারিতা:
👉 নিয়মিত ব্যবহারে পেটের মেদ কমে যায়
👉 শরীর ফিট ও আকর্ষণীয় হয়
👉 মাত্র কয়েকদিনেই ফ্ল্যাট টমি ও স্মার্ট লুক
💡 ফিট থাকার জন্য ব্যায়ামের সাথে Sweat Slim Belt ব্যবহার করুন, আর খুব অল্প সময়েই পার্থক্য অনুভব করুন।
05/09/2023
সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাঁটুন ও ব্যায়াম করুন🏃♀️🏃🏃♂️🧎♂️
আপনার যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ-01797994221
প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা
আমরা জানি যে প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাটা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী বিশেষত ডায়াবেটিক এবং হার্টের রুগীদের জন্য এটি একটি অত্যাবশকীয় অভ্যাস। আমরা অনেকেই হাঁটাকে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়াম হিসাবে মানতে চাইনা, আবার অনেকের মাঝে হাঁটা নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণাও আছে। যেমন:
§ পুরো দিনে অল্প অল্প করে সর্বমোট ৩০ মিনিট হলেই হলো।
§ প্রতিদিন না হাঁটলেও চলে
§ হাঁটার গতি যাই হোক ৩০ মিনিট হাটলে হবে
§ প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাটা শুধুমাত্র যাদের ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে নেই তাদের জন্য প্রযোজ্য
§ শুধুমাত্র ভোরে হাঁটলে উপকার পাওয়া যাবে
তাহলে জেনে নেয়া যাক এই ৩০ মিনিট হাঁটার নিয়মগুলো কি:
প্রথমত হাঁটার গতি হওয়া উচিত এমন যেন মিনিটে ১০০ কদম পড়ে বা ৪ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় গতিবেগে থাকে ।আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে হাঁটার সময় আপনার হার্ট রেট যেন আপনার ম্যাক্সিমাম হার্ট রেট এর ৫০% থেকে ৮৫% এর মধ্যে থাকে। ধরে নেই আপনার বয়স ৩৫ বছর ,
তাহলে আপনার ম্যাক্সিমাম হার্ট রেট হবে = (২২০ - ৩৫ ) = ১৮৫ বিট পার মিনিট। তাহলে আপনার হাঁটার সময় হার্ট রেট রেঞ্জ হবে আপনার ম্যাক্সিমাম হার্ট রেটের ৫০% থেকে ৮৫% পর্যন্ত। এর মানে হলো হাঁটার সময় আপনার হার্ট রেট সর্বনিম্ন ৯৩ বিটস/মিনিট থেকে সর্বোচ ১৫৭ বিটস/মিনিট এর মধ্যে রাখতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো প্রতিদিনই কি হাটতে হবে ? CDC এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক পূর্ণবয়স্ক মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে দৈনিক ১০,০০০ স্টেপ হাটতে হবে । ২০২০ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে অংশগ্রহণকারীরা যারা প্রতিদিন ৮,০০০ স্টেপ হেঁটে ছিল তাদের মারা যাওয়ার ঝুঁকি ৫১% কম ছিল যারা প্রতিদিন ৪,০০০ স্টেপ হাঁটে তাদের তুলনায়। সেডেন্টারি লাইফস্টাইল বা অলস জীবনযাপনে ডায়াবেটিস , হৃদরোগ,উচ্চ কলেস্টেরল, হাড়ের জয়েন্টের রোগ (আর্থরাইটিস ), বিষণ্ণতা, স্থূলতা, অনিদ্রা এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ায়। আর তাই সুস্থ বেঁচে থাকতে হলে আমাদের প্রতিদিন কমপক্ষে ১০,০০০ স্টেপ হাঁটতে হবে আর সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন টানা ৩০ মিনিটে ঘন্টায় ৪ কিলোমিটার বেগে হাঁটতে হবে।
ভোরে হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ,কারণ তখন বাতাস খুব পরিষ্কার থাকে যা ফুসফুসের জন্য উপকারী এবং ভোরের প্রকৃতি মানসিক চাপ কমাতে খুবই কার্যকরী, কিন্তু ভোরে হাঁটার সময় হয় না, এই অজুহাতে হাঁটা থেকে বিরত থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই আপনি আপনার ব্যস্ত সময়সূচী থেকে প্রতিদিন ৩০ মিনিট সময় বের করে হাঁটতে পারেন, তবে অবশ্যই টানা ৩০ মিনিট হতে হবে।
প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা:
§ নিয়মিত হাঁটা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে , আর ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে উচ্চ রক্তচাপ , সন্ধি বেদনা (আর্থরাইটিস ), টাইপ ২ ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি কমে।
§ টানা ৩০ মিনিট হাঁটার ফলে হৃদপেশীতে ভি.ই.জি.এফ. (ভাস্কুলার এন্ডোথেলিয়াল গ্রোথ ফ্যাক্টর ) নামক এক প্রকার হরমোন নিঃসৃত হয়। যা করোনারি আর্টারির নতুন শাখা তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে কল্যাটেরাল আর্টারি তৈরি হয়ে হৃদপিন্ডে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করে। একে ন্যাচারাল বাইপাস ও বলা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে যাদের করোনারি আর্টারিতে ব্লক আছে (এথেরোস্ক্লেরোসিস ) বা এথেরোস্ক্লেরোসিস এর ঝুঁকিতে আছে তারা বেশ উপকৃত হতে পারেন। পরিশেষে যারা ব্যায়াম করেনা তাদের তুলনায় যারা নিয়মিত ব্যায়াম করে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ৪০% কম থাকে। বোস্টনের হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথের গবেষকদের মতে, যারা দিনে 30 মিনিট হাঁটেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি ২০% কমে এবং গতি বাড়ালে ৪০% পর্যন্ত কমাতে পারে।
§ এই অভ্যাসের মাধ্যমে রক্তে ভালো কলেস্টেরল (হাই ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন) এর মাত্রা বৃদ্ধি পায় , যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে এথেরোস্ক্লেরোসিস বা হার্ট ব্লকের ঝুঁকি কমায়। সপ্তাহে সাত দিন ৩০ মিনিট হাঁটা আপনার এল.ডি.এল. কোলেস্টেরল ১৫% পর্যন্ত কমাতে পারে এবং আপনার এইচ.ডি.এল. মাত্রা ২০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
§ ব্রেইন-ডিরাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (বি.ডি.এন.এফ.) হল একটি গ্রোথ ফ্যাক্টর যা মস্তিষ্কে নতুন কোষের উৎপাদনকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে। এই প্রোটিন নিউরন কোষগুলির বৃদ্ধি, পরিপক্কতা (পার্থক্য) এবং রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা পালন করে স্নায়ু কোষের (নিউরন) বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। বি.ডি.এন.এফ. এর মাত্রা কমে যাওয়ার সাথে আলঝেইমার রোগের সম্পর্ক গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে।
§ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য হাঁটা হলো সর্বোত্তম ব্যায়াম। এটি আপনার জয়েন্টগুলির চারপাশের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করে এবং জয়েন্টের নমনীয়তা বাড়ায়, এর পাশাপাশি জয়েন্টের ব্যথা কমায় এবং ক্লান্তি মোকাবেলায় সহায়তা করে।
§ হাঁটা অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্তদের হাড়ের ক্ষয় বন্ধ করতে খুব ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। মেনোপজ-পরবর্তী মহিলাদের উপর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা তাদের হিপ ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি ৪০% কমিয়ে দেয়।
§ শারীরিক ক্রিয়াকলাপ মস্তিষ্কের ভাল অনুভূতির জন্য দায়ী নিউরোট্রান্সমিটার এন্ডোরফিন উত্পাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে , যা বিষন্নতা, মানষিক চাপ কমাতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এই এন্ডোরফিন প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসাবেও কাজ করে।
§ নিয়মতান্ত্রিক ভাবে হাঁটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অপরিহার্য, কারন ৩০ মিনিট হাঁটা GLUT4 (গ্লুকোজ ট্রান্সপোর্টার প্রোটিন-৪) এর পরিমান বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়। গবেষণায় দেখা গিয়াছে যে শুধুমাত্র হাঁটার ফলে HbA1c লেভেল ০.৭% কমানো সম্ভব।
§ হাঁটার গোলে যে শারীরিক নড়াচড়া হয় তার প্রভাবে অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে টেস্টোস্টেরন উৎপাদন হয় যা পেশী গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
§ এই প্রাত্যহিক শারীরিক চলাচলের ফলে রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটে যা আপনার হৃৎপিণ্ড , ফুসফুস , মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
§ গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক পরিশ্রম স্তন, কোলোরেক্টাল, এন্ডোমেট্রিয়াল, গলব্লাডার, কিডনি, ফুসফুস, লিভার, ডিম্বাশয়, অগ্ন্যাশয়, প্রোস্টেট, থাইরয়েড, গ্যাস্ট্রিক এবং খাদ্যনালীর ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ।
§ নিয়মিত হাঁটা আপনার শরীরের প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎপাদন বাড়ায় , যা অক্সিডেটিভ ড্যামেজ প্রতিরোধ করে ফলে বার্ধক্য বিরোধী ফলাফল পাওয়া যায়। ফলশ্রুতিতে ত্বকের স্বাস্থ ভালো রাখে ।
§ ঘরের বাহিরে হাঁটা সার্কাডিয়ান রিদমকে (জৈবিক ঘড়ি) ঠিক রাখে ফলে অনিদ্রা দূর হওয়ার সাথে সাথে ঘুমের মান ও উন্নত হয়। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সকালে বাইরে হাঁটা এই প্রাকৃতিক ছন্দকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে থাকে ।
আপনি ভোরে হাঁটুন আর রাতে হাঁটুন , একা হাঁটুন আর আপনার বন্ধুদের সাথে হাঁটুন এতটুকু নিশ্চিত করুন যেন প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা হয়। কারণ বর্তমান ব্যাস্ত জীবনে যেখানে আমরা অনেকেই শারীরিক পরিশ্রম করতে পারিনা তাদের সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে হলে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Gulshan Avenue Dhaka
Dhaka
1216
