Alpha Academy Hijama Therapy Center

Alpha Academy Hijama Therapy Center

Share

For safe Hijama and all cupping therapy

26/04/2023

কখনো এটা মনে হতে পারে যে, সব রোগের ওষুধ বা চিকিৎসা পদ্ধতি তো এক নয়। তাহলে কাপিং কিভাবে এতগুলো রোগের চিকিৎসা হতে পারে।

কাপিং কাজ করে ঠিক যেভাবে কিডনি কাজ করে, অথবা বলা যেতে পারে যেভাবে ফোঁড়া থেকে পুঁজ বের করে ফোঁড়া ভালো করা হয়, সেভাবে। কিডনি কিন্তু শরীরের ভেতরের সব ধরনের বর্জ্য পদার্থ বের করতে পারে তার একটি সিস্টেমের মাধ্যমেই। কাপিংও একই ভাবে একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কাজ করে। রোগের কারণ ও ধরন আলাদা হলেও হিজামার কার্যকারিতা বজায় থাকে।

কাপিং কাজ করে চামড়ার মধ্যে যে জালির মত ক্ষুদ্র রক্তনালী রয়েছে তার উপর pressure সৃষ্টি করে সেখান থেকেই রক্ত পরিশোধনের মাধ্যমে। এতে করে রক্তনালীর ও তার আশে পাশের কোষের ভেতরের ফ্লুইড বের হয়ে আসে এবং সাথে রোগ সৃষ্টিকারী উপাদানও বের হয়ে আসে।

চমৎকারভাবে এই কাজটি করার জন্য লিভার এবং কিডনির কোন involvement এর প্রয়োজন পড়ে না, এতে করে এই গুরুত্বপূর্ণ organ গুলোর উপরে burden কম পড়ে।

09/04/2023

কখনো এটা মনে হতে পারে যে, সব রোগের ওষুধ বা চিকিৎসা পদ্ধতি তো এক নয়। তাহলে কাপিং কিভাবে এতগুলো রোগের চিকিৎসা হতে পারে।

কাপিং কাজ করে ঠিক যেভাবে কিডনি কাজ করে, অথবা বলা যেতে পারে যেভাবে ফোঁড়া থেকে পুঁজ বের করে ফোঁড়া ভালো করা হয়, সেভাবে। কিডনি কিন্তু শরীরের ভেতরের সব ধরনের বর্জ্য পদার্থ বের করতে পারে তার একটি সিস্টেমের মাধ্যমেই। কাপিংও একই ভাবে একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কাজ করে। রোগের কারণ ও ধরন আলাদা হলেও হিজামার কার্যকারিতা বজায় থাকে।

কাপিং কাজ করে চামড়ার মধ্যে যে জালির মত ক্ষুদ্র রক্তনালী রয়েছে তার উপর pressure সৃষ্টি করে সেখান থেকেই রক্ত পরিশোধনের মাধ্যমে। এতে করে রক্তনালীর ও তার আশে পাশের কোষের ভেতরের ফ্লুইড বের হয়ে আসে এবং সাথে রোগ সৃষ্টিকারী উপাদানও বের হয়ে আসে।

চমৎকারভাবে এই কাজটি করার জন্য লিভার এবং কিডনির কোন involvement এর প্রয়োজন পড়ে না, এতে করে এই গুরুত্বপূর্ণ organ গুলোর উপরে burden কম পড়ে।

কাপিং ও ঔষধের কম্বিনেশানে আপনার অসুস্থতার বেস্ট সলিউশান পেতে হিজামা কাপিং করিয়েনিন।

26/03/2023

শরীরে বিভিন্ন ধরণের ঔষধ ব্যবহার করে যেমন চিকিৎসা করা হয়। অন্যদিকে শরীর থেকে রোগ সৃষ্টিকারী জিনিসগুলো বের করেও চিকিৎসা করা যায়। কাপিং হচ্ছে এমনই একটা চিকিৎসা। যার মাধ্যমে আপনার রক্তকে দূষণ মুক্ত করা সম্ভব। ঠিক যেমনটি কিডনি করে থাকে।

24/03/2023

মাইগ্রেনের ব্যাথার Frequency ও Intensity কমাতে কাপিং থেরাপি বেশ ভালো কাজ করেছে।

মাইগ্রেনের ব্যাথা আসলে সহ্য করার মত ব্যাথা না। ডাক্তারের কাছে গেলেই বলেন এটা নাকি প্রেশার আর ডায়বেটিসের মত রোগ। কোনদিন ভালো হবে না। ঔষধ খেয়ে ভালো থাকতে হবে। ঔষধ খেয়ে কন্ট্রোলে রাখতে হবে। ঔষধ খেলে কাজ করে। কিন্তু, এত মেইনটেইন করে চলতে পারা যাচ্ছে না। ব্যাথায় খুব কষ্ট করি। রাতে ঘুম ঠিক ঠাক না হলে আর, খাবার খেতে অনিয়ম করলে এই ব্যাথা শুরু হয়। - ১ম সেশানে নিজের কষ্টের কথাগুলো এভাবেই বলছিলেন।

১ মাস পরে আবার আসলেন। এবার আসলেন আরও ২ জনকে সাথে নিয়ে। নিজের জন্য যেটা ভালো মনে করেন, আরও ১০ জনকে এটা বলাও নিজের দ্বায়িত্ব মনে করেন। সেশানের শুরুতেই জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছেন? শুনুন তার ভাষাতেই...

"আমি যেদিন কাপিং করাই সেদিন আমার সাইনোসাইটিসের সমস্যা ছিল। সেজন্য মাথা ব্যাথা ছিল। আর, মাইগ্রেনের ব্যাথা তো লেগেই থাকে। পরেরদিন শ্বশুর বাড়ি গেলাম। লম্বা পথ। সকালে ট্রেন ধরতে হবে। তাই সকালে উঠতেই হত। রাতে ঘুম হল ৩ ঘন্টা। একটা ট্রিগার। ট্রেনেও ঘুমানোর উপায় নাই। ছেলে বলে বাবা কোলে নাও। একবার হেটে এই মাথায়। আবার হেটে সেই মাথায়। বসতেই পারলাম না ঠিক মত। পৌছাতে দেরি হল। ৪টায় খেলাম দুপুরের খাবার। আরেকটা ট্রিগার। কিন্তু, আলহামদুলিল্লাহ্‌ ব্যাথা একেবারেই হয় নাই। এর পরবর্তি সময়ে ব্যাথা হবে বলে বুঝতে পারতেছিলাম। জানেন তো মাইগ্রেনে আগে একটা সিগনাল দেয়। কিন্তু, ব্যাথা হয় নাই আর। সব মিলিয়ে গত ১ মাসে ব্যাথাটা একেবারে হয় নাই সেটা বলব না, তবে আগের থেকে Frequency & intensity অনেক অনেক কম। সাইনাস ও মাইগ্রেন নিয়ে এত সমস্যায় আছি, কিন্তু কোনদিন এত ভালো ফিল হয় নাই আলহামদুলিল্লাহ্‌। নিজে উপকার পেয়েছি। তাই আরও ২ জনকেও নিয়ে এসেছি সাথে।"

22/03/2023

হিজামা করুন, সুস্থ্য থাকুন! হিজামা সুন্নাহ চিকিৎসা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয়ই হিজামায় রয়েছে শেফা,(মুসলিম-২২০৫)

"হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।”
(সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৬)

এ পদ্ধতি, যা নবী (সা:)নিজেও নিয়েছেন এবং অন্যদেরকে এটার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।

"হিজামা" আধুনিক পরিভাষায় যাকে "কাপিং থেরাপি" (Cupping Therapy) ও বলা হয়।
বিশ্বের প্রাচীনতম, বিজ্ঞান ও সুন্নাহ্ ভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।

হিজামার উপকারিতা:
♦ হিজামার সূক্ষ্ম আচর/স্ক্র্যাচের ফলে সাব এপিথেলিয়াল ক্যাপিলারি ইনজুরি হয়, ফলে এন্ডোথেলিয়াম থেকে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হয়, এই নাইট্রিক অক্সাইডের কারণেই-

⭕ হিজামা যে যে রোগের জন্য করাতে পারেন-
হিজামা ইমিউনিটি বুস্ট করে করোনা ইনফেকশান প্রতিরোধে সাহায্য করে।
হিজামা নাইট্রিক অক্সাইড বুস্ট করে, এর ফলে করোনা রোগীরঃ

♦ করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ডিরেক্ট এন্টি ভাইরাল ইফেক্ট দেয়।
♦ "হিজামা সমস্ত রোগের জন্য উপকার করে"
♦সুস্থ মানুষের জন্যেও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
♦ অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এর নিয়ন্ত্রন করে।
♦ ফুসফুসের শ্বাস প্রশ্বাস এর সাথে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা সমন্বয় করে।
♦ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে
♦নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীকে প্রসারিত রাখে।
♦ নাইট্রিক অক্সাইড অনাকাংক্ষিত ব্লাড ক্লট প্রিভেন্ট করে।

♦শরীরকে ডিটক্সিফাই করে।
♦রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে।
♦হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
♦সৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
♦দেহের জীবনীশক্তি ও যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে।
♦রক্ত, ত্বক, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে।
♦দেহের সব ধরণের ব্যাথা দূর করে।

♦উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure)
♦সব ধরনের বাতের ব‍্যাথা।
♦ডায়াবেটিস ও মুটিয়ে যাওয়া।
♦কোমরের ব‍্যাথা ও হাটুর ব‍্যাথা।
♦ঘাড়ের ও মাংসপেসির ব‍্যাথার স্থায়ী নিরাময়।
♦চুল পড়া ও মাইগ্রেন জনীত দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব‍্যাথা।
♦ব্রন,মেসতা,ও রক্তদূষন।
♦খেলোয়ার,আর্মি ও পোলিশ
বাহিনীর স্পোর্টিস ইন্জুরি।
♦হরমোন ও মেয়েদের অন‍্যান‍্য সমস‍্যা। ♦কোলস্টোরলের সমস্যা।
♦হৃদ রোগ ও প‍্যারালাইসিস।
♦ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)
♦যে কোন রকমের চর্মরোগ Skin Diseases)
♦জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain)
♦রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব।
♦ব্যথায় পায়ের পাতা ফেলতে সমস্যা
♦কোন অংগ অবশ হয়ে যাওয়া(Paralysis)
♦স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease)
♦️থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) ♦সাইনুসাইটিস (Sinuses problem)
এ সকল সমস্যার স্থায়ী নিরাময় হয়, ইনশা-আল্লাহ।

⭕একজন সুস্থ মানুষও সুন্নাহ হিসেবে হিজামা করানোর মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন।

#বিভিন্ন_রিসার্চ_থেকে_জানা_যায় যে, কোন সুস্থ মানুষ যদি বছরে 2-3 বার হিজামা থেরাপি নেন, তবে তিনি 80--90 ভাগ রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকবেন। তাই,সুস্থ্য-অসুস্থ্য যে কেউ এই চিকিৎসা অনায়াসেই নিতে পারে। তাছাড়া, একটি সুন্নাতকে জিন্দা করার জন্য হলেও আমাদের প্রত্যেকেরই মাঝে মাঝে হিজামা থেরাপি নেওয়া উচিৎ।

শুধু তাই নয়, হিজামার উপকারিতা পেয়ে মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে বিশ্বসেরা অনেক সেলিব্রেটি নিয়মিত হিজামা করান। কিন্তুু আমরা মুসলিমরা আজ এই সুন্নাহ চিকিৎসা হারিয়ে ফেলেছি। এখনো আরবদেশ গুলোতে এই চিকিৎসা বিদ্যমান আছে। তাই আসুন রাসূল (সাঃ) এর মৃতুপ্রায় সুন্নাহ চিকিৎসা পুনরুজ্জীবিত করি। আসুন আমরা হিজামার মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহন করে সুন্নাতকে জিন্দা করি ।

#হিজামা_সংক্রান্ত_কয়েকটি_সহিহ_সমূহ:🤍

🛑মহানবী (সা.) বলেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’ (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৭০)

🛑 রাসূল (সা.)বলেন, ‘আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, ‘হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন’।’’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)

🛑 মহানবী (সা.) বলেন, ‘গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৮২)

🛑 রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হিজামাকারী কতই না উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।’
(তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)

🛑 হযরত জাবির (রাদি.) থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।”
সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২২০৫)

#প্রতিটি সুস্থ্য মানুষের জন্যেও হিজামা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও রোগপ্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে ও শরীরের দূষিত্ব বর্জ্য (Toxin) বের করে আনে যার ফলে রক্ত সঞ্চালন ভালো ভাবে করতে পারে।

বছরে ৩-৪ বার হিজামা করানো উত্তম। কারণ হিজামা মাধ্যমে অনেক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,
দেহের জীবনী শক্তি ও যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে ও সৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীরের রক্ত পরিষ্কার , ত্বক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে
দেহের সব ধরণের ব্যাথা দূর
হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

সুস্থ্য-অসুস্থ্য যে কেউ এই চিকিৎসা অনায়াসেই নিতে পারে। তাছাড়া, একটি সুন্নাতকে জিন্দা করার জন্য হলেও আমাদের প্রত্যেকেরই মাঝে মাঝে হিজামা থেরাপি নেওয়া উচিৎ।

এক. এতে সুন্নাহ পালন হবে দুই. নিয়মিত সুন্নাহ হিজামা করালে চুল বৃদ্ধি পায়, চুল পড়া কমে, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়,। অলসতা, অবসাদগ্রস্ততা বিদূরিত হয়, রোগজীবাণু সহজেই আক্রান্ত করতে পারে না, রক্ত পরিশুদ্ধ হয়, শরীর রোগ প্রতিরোধক্ষম হয়ে উঠে অনেকটা disease-proof এর মত।

★হিজামা'র বিশেষ কিছু উপকারিতা:★

তাই সুস্থ মানুষ হিজামা করালে, হিজামা কাপিং এর উপকারিতা রয়েছে।
=========================
👉 লিভারকে পরিস্কার করে ,
👉 শরীরের ব্যথা/ জ্বালাপোড়া হৃাস করে,
👉 ঘুমের উন্নতি করে,
👉 শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে,
👉 রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে,
👉 পায়ের দুর্গন্ধ দূর করে,
👉 কিডনি পরিষ্কার করে,
👉 বৃদ্ধ মানুষের বাত/ব্যথা নিপীড়ন করে ,
👉 ত্বক পরিষ্কার করে।
👉 যৌন দুর্বলতা দূর করে।
👉 শরীরের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড় এবং ব্যাক পেইন দূর করতে সাহায্য করে।
হাড় মচকানো, কঠিন ব্যাথা, জয়েন্ট, মাথা, ঘার, পেট,
পিঠ, কোমর, হাটু, বাত,
স্পোর্টস ইনজুরি ও মাংসপেশীর ব্যাথা সহ অন্যান্য অঙ্গের ব্যাথা) হিজামা নিন সুস্থ থাকুন।

♦ ডায়বেটিস, মাইগ্রেন, টনসিল, ব্রন, গ্যাস্ট্রিক, অবস/ প্যারালাসিস মুটিয়ে যাওয়া, চর্মরোগ, চুলপড়া, উচ্চরক্তচাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, ফোঁড়া-পাঁচড়া, চোখ-কানের সমস্যা ও মাদকাসক্তি সহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে হিজামা একটি সফল চিকিৎসা ব্যবস্থা।

#সুন্নাহ_হিজামা বা ওয়েট কাপিংঃ হিজামাই ডিটক্সিফিকেশনের একমাত্র নেচারাল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন Organs কে হিজামার মাধ্যমে স্টিমুলেশন করে blood circulation বাড়ানোর মাধ্যমে শরীর কে সতেজ ও অধিক কর্মক্ষম করে।

♌যেহেতু মাথায় হিজামা করার বিশেষ কিছু উপকারিতা আছে এইজন্য সেটা আলাদা ভাবে উল্লেখ করা হল।**

▶️ আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা:) বর্ণনা করেন ।রাসুলূল্লাহ সা: যখন ইহরাম অবস্থায় তখন একগুঁয়ে মাথাব্যথার জন্য হিজামা ব্যবহার করেন।
(সহীহ বুখারী /৫৭০১)

☪️সালমা (রা:) বলেন. যখন কেউ রাসুলুল্লাহ (সা:) এর নিকট এসে মাথাব্যথার কথা বলতেন,
তিনি তাদেরকে হিজামা লাগানোর কথা বলতেন ।
(আবু দাউদ ৩৮৫৮)

⚕️ কালো যাদু বা কুফরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্য **
ইবনুল কাইয়ুম (রহ:) মন্তব্য করেন রাসুলুল্লাহ (সা:) যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হোন তখন তিনি মাথায় শিঙ্গা লাগান। এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিক ভাবে করা হয়। ( যাদুল মায়াদ ৪/১২৫-১২৬)

**মাথায় হিজামা লাগানোর দ্বারা বিশেষভাবে কিছু রোগের উপকার হয় সেটা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হল।**

১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘ মেয়াদী মাথাব্যথা এবং সাধারন মাথাব্যথা।
২। উচ্চ রক্তচাপ।
৩। রক্তদূষন।
৪। ঘুমের ব্যঘাত।
৫। স্মৃতি ভ্রষ্টতা।
৬। ঘাড়ে ব্যথা।
৭। হরমোনাল সমস্যা ।
৮। সাইনুসাইটিস।
৯। মানসিক সমস্যা।
১০। চুল পড়া।
১১। পারকিনসন্স ডিজিজ।
১২। ব্রেইন ডিজিজ।
১৩। মাদকাসক্তি।
১৪। প্যরালাইসিস।
১৫। যাদু টোনার সমস্যা ইত্যাদি।

⭕হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক চিকিৎসা এবং এর সাথে কোন মেডিসিন গ্রহণ করতে হয় না।

⭕ব্যাথার ঔষধ খেলে কিডনি, লিভার ড্যামেজ হবার প্রবল আশংকা থাকে। অথচ হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ চিকিৎসা।

✳️ সুতরাং চিকিৎসাক্ষেত্রে হিজামার গুরুত্ব যে কত বেশি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

♻️ হিজামার আগে করনীয় বিষয় সমূহ

১। হিজামার পুর্বে দুই ঘন্টা পর্যন্ত খাবার থেকে বিরত থাকবেন।
২। গোসল করে নিবেন।

৩। পুরুষরা মাথা মুন্ডিয়ে আসলে ভাল। যেহেতু মাথায় হিজামা করলে বিশেষ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়।

🔰 #হিজামার পরে করনীয় বিষয় সমূহ # #

১। ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত গোসল করা যাবে না এবং হিজামার জায়গায় পানি লাগানো যাবে না।
২। ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত কোন ব্যয়াম এবং স্ত্রী সহবাস করা যাবে না।
৩। ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত লম্বা সফর করা যাবে না।
৪। ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত কোন গরম সেক ইত্যাদি দেয়া যাবে না।।

14/03/2023

👉দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার সমাধান আকুপাংচারে!!!
😢😢ব্যথার সাথেই বসবাস করছেন? অনেক কিছু তো করলেন ভাবছেন সমাধান কি? দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার সমাধান চাইছেন?😃❤ তাহলে একবার সেবা নিয়ে দেখুন !!!
ইলেকট্রনিক আকুপাংচার এন্ড হিজামা ট্রিটমেন্ট এ আপনাকে স্বাগতম!!!
আকুপাংচার কী?

👉খুব সহজ ভাষায় যদি বলি, আকুপাংচার হলো সূক্ষ সূচের মাধ্যমে চিকিৎসা। আমাদের শরীরের কিছু নির্দিষ্ট বিন্দু বা পয়েন্ট রয়েছে যাকে আমরা বলি আকু পয়েন্ট। এই নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা বিন্দুতে সূচের সাহায্য শক্তি সঞ্চালন করা হয়। যাকে আমরা বলি এনার্জি অফ লাইফ বা চীনা ভাষায় বলি "চি"। আকুপাংচারের উৎপত্তি স্থান হলো চীন দেশে। এটি প্রায় ৫০০০ বছরের প্রাচীন চিকিৎসা। এটি সম্পূর্ণ পাশ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন চিকিৎসা সেবা।

👉এখন বলি সূচের বিষয়ে, এই সূচ এতোটাই সূক্ষ যে শরীরে খুব সহজেই ফোটানো যায়। সূচ গুলোতে কোন প্রকার ছিদ্র থাকে না এবং সূচ গুলো একটি বিশেষ প্যাকেটে সীল করা থাকে। আর এই সূচ যখন কোন রোগীকে দেয়া সেই সূচ শুধু মাএ তার জন্যই ব্যবহার করা হয়। সে ছাড়া আর কেউ সেটি ব্যবহার করতে পারে না। পরবর্তীতে রোগীর যখন চিকিৎসা সেবা প্রদান শেষ হয়ে যায় তখন সূচ গুলো নষ্ট করে ফেলা হয়। তাই এই সূচ খুব নিরাপদ।

👉এখন বলি কারা আকুপাংচার করতে পারবেন আসলে ছোট বা বড় সবাই আকুপাংচার করতে পারেন। তবে আকুপাংচার ট্রিটমেন্টের ব্যবহার বেশি হয় ব্যথা নিরাময়ে। ব্যথা নিরাময়ে এটি বেশ কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি। এছাড়াও বেশ কিছু জটিল রোগের ও চিকিৎসা করা হয়।

☺️বিশেষ করে যারা ঔষধের বিকল্প খুঁজছেন তারা অবশ্যই আকুপাংচার করে দেখতে পারেন। এটি শরীরের নির্দিষ্ট রোগের সমাধানের পাশাপাশি দেহের অন্যান্য অঙ্গের ও শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়তা করে। যার ফলে চিকিৎসা শুরুর কিছু দিনের ভেতরেই রোগী শরীরের পরিবর্তনগুলো বুঝতে পারেন।

🌟দীর্ঘদিন মেয়াদী ব্যথার স্থায়ী সমাধান পেতে আমরা নিয়ে এসেছি ৫০০০ বছরের পুরনো চিকিৎসা সেবা।
🌟ঔষধের বিকল্প চিকিৎসা সেবা
🌟বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দ্বারা অনুমোদিত চিকিৎসা সেবা।
🌟পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন চিকিৎসা সেবা এখন আপনার দ্বার প্রান্তে।

13/03/2023

সিয়ামরত থাকাকালীন হিজামা করলে সিয়ামের কোন সমস্যা হয় না।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন

احتجم وهو محرم واحتجم وهو صائما الله

অর্থাৎ – (রাসূলুল্লাহ ) ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ (হিজামা) করান এবং তিনি সিয়ামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষণ (হিজামা) করান। [বুখারী: ১৮৩৬]

রোজা ভঙ্গের কারণ গুলো মোটামুটি আমরা সবাই জানি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ হলো কোনো খাবার বা পুষ্টিকর উপাদান খেয়ে ফেলা অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরের ভেতরে নেয়া। হিজামা তে এর কোনোটিই হয়না কারন, এতে শরীরের ভেতরে কোন খাদ্য উপাদান প্রবেশ করে না, বরং শরীর থেকে রক্তের মাধ্যমে রোগ সৃষ্টিকারী উপাদান বের করে আনে।

কিন্তু, যদি আপনার শরীর দূর্বল লাগে অথবা, আপনি রক্তশূন্যতায় ভুগেন, তাহলে ইফতারের পর হিজামা করা যেতে পারে। যারা নিজেদের দুর্বল লাগার ভয় করেন, তারা এভাবেই হিজামা করতে পারেন।

09/03/2023

কাপিং এর ফলে যে রক্ত বের হয়, তা শরীরের শিরার রক্ত থেকে একেবারেই আলাদা। শিরার রক্তের তুলনায় কাপিং এর রক্তে রক্তকোষগুলোর পরিমাণ একেবারে নগণ্য। বরং নষ্ট কোষ ও বর্জ্য পদার্থের পরিমানই বেশি থাকে এখানে।

Photos from Alpha Academy Hijama Therapy Center's post 06/03/2023

নবী সঃ বলেছেন, তোমরা পৃথিবীতে যতসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাও হিজামা সেগুলোর মধ্যে উত্তম চিকিৎসা ব্যবস্থা ,এবং হিজামা তোমাদের সকল ঔষধের মধ্যে অধিক ফলদায়ক’মুসলিম হা/৩৯৩০

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ حَدَّثَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ لَيْلَةَ أُسْرِىَ بِهِ أَنَّهُ لَمْ يَمُرَّ عَلَى مَلإٍ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ إِلاَّ أَمَرُوْهُ أَنْ مُرْ أُمَّتَكَ بِالْحِجَامَةِ-
‏ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, মি‘রাজের রাত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন যে, এই রাতে ফিরিশতাদের যে দলের সম্মুখ দিয়েই তিনি যাচ্ছিলেন তারা বলেছেন, ‘আপনার উম্মতকে হিজামার নির্দেশ দিন’। ইবনু মাজাহ হা/৩৪৭৯; তিরমিযী হা/২০৫২; মিশকাত হা/৪৫৪৪, সনদ ছহীহ।
‏💗পরিপূর্ণ সুস্থ মানুষ চাইলে বছরে চারবার হিজামা নিতে পারবে।👉👉👉 হিজামা নেয়ার ফলে -
‏১) তার শরীরের ইমিউনিটি বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে
‏২) ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে
‏৩) টক্সিন দূর হবে
‏৪) এনার্জি লেভেল বেড়ে যাবে
‏৫) যে যে পয়েন্টে হিজামা করা হবে সেই সেই পয়েন্টে ও সংলগ্ন এলাকায় ডিপ মেসেজ হবে ও ওই এলাকার কোষগুলো অক্সিজেন ও পুষ্টি বেশি পাবে ।
‏৬) এন্টি এজিং থেরাপি হিসেবে কাজ করবে
‏৭) নাইট্রিক অক্সাইড তৈরির কারণে যৌন জীবন ভালো থাকবে।
‏৮) উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার প্রবণতা কমবে।

‏হিজামা কাপিং থেরাপি নিলে অটোমেটিক যেসব রোগের চিকিৎসা হয়ে থাকে ।

‏✔উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure)
‏✔ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)
‏✔চর্মরোগ (Skin Diseases)
‏✔জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain)
‏✔বাতের ব্যথা (Arthritis)
‏✔হাঁটু ব্যথা (Knee Pain)
‏✔ঘাড়ে ব্যথা (Neck Pain)
‏✔কোমড় ব্যথা (Waist Pain)
‏✔মাংসপেশীর ব্যথা (Muscle spasm)
‏✔প্যারালাইসিস (Paralysis)
‏✔ডায়াবেটিস (Diabetes)
‏✔চুল পড়া (Hair fall)
‏✔মাইগ্রেনের ব্যথা (Migraine pain)
‏✔স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease) ✔থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem)
‏✔সাইনুসাইটিস (Sinuses problem)
‏✔ব্রণ (Acne)
‏✔গ্যাস্ট্রিক সমস্যা (Gastric problem)
‏✔এলার্জি (Allergy)
‏✔যৌন সমস্যা
‏✔বন্ধ্যাত্ব (Infertility)
‏✔জ্বীন/যাদুর সমস্যা

‏▶একজন সুস্থ মানুষও সুন্নাহ হিসেবে হিজামা করানোর মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন।

‏▶হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক চিকিৎসা এবং এর সাথে কোন মেডিসিন গ্রহণ করতে হয় না বিধায় এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

‏▶বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মুহাম্মদ (সা) হিজামার প্রেসক্রিপশন দিয়েছেন।
‏▶ফেরেশতাগণ রাসূলকে অনুরোধ করেছেন উম্মাতে মুহাম্মাদিকে হিজামা করাতে।
‏সুতরাং চিকিৎসাক্ষেত্রে হিজামার গুরুত্ব যে কত বেশি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Photos from Alpha Academy Hijama Therapy Center's post 05/03/2023

#কারা_হিজামা_করা_উচিৎ_ও_কেন_করবেন?
হিজামা তে কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নাই।
হিজামা সকল বয়সী লোকদের জন্য প্রযোজ্য।

(১) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।
(২) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড়, হাটু এবং কোমর ব্যথা আছে।
(৩) বৃদ্ধ বাবা-মা; যাদের বাতের ব্যথা আছে ।
(৪) যাদের প্রেসার এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে
(৫) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।
(৬) দূর্বল লোকদের জন্য;,যারা অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যান।
(৭) যারা প্রতিদিন রাস্তায় চলাফেরা করেন এবং যারা ধুলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।
(৮) ধূমপায়ীদের জন্য, যারা সিগারেট এর নিকোটিন বের করতে চান,
(৯) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।
(১০) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন (Toxin) আছে কিনা যাচাই করতে চান।
১১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
১২। রক্তদূষণ
১৩। উচ্চরক্তচাপ
১৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
১৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease)
১৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
১৭। ব্যাক পেইন
১৮। হাঁটু ব্যাথা
১৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
২০। ঘাড়ে ব্যাথা
২১। কোমর ব্যাথা
২২। পায়ে ব্যাথা
২৩। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain)
২৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
২৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
২৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
২৭। সাইনোসাইটিস
২৮। হাঁপানি (asthma)
২৯। হৃদরোগ (Cardiac Disease)
৩০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
৩১। টনসিল
৩২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
৩৪। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
৩৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses)
৩৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
৩৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
৩৮। ডায়াবেটিস (Diabetes)
৩৯। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
৪০। চুল পড়া (Hair fall)
৪১। মানসিক সমস্যা (Psycological disorder)
৪২। যৌনরোগ/অণ্ডকোষ ফোলা ...সহ আরও অনেক রোগ...ইত্যাদি
*

♦Toxin কী ?

এগুলো হচ্ছে এক ধরনের বিষ যা আপনাকে একবারে মেরে ফেলবে না কিন্তু তিলে তিলে কষ্ট দিবে। প্রতিদিনই আমাদের শরীরে বিভিন্ন ভাবে এই toxin গুলো প্রবেশ করে। যেমন : খাবার খাওয়ার মাধ্যমে , বাহিরের ভাজা পোড়া, ফলে বা মাছে থাকা ফরমালিন , পানিতে থাকা আয়রন বা আর্সেনিক , ধূমপানের অভ্যাস থাকলে। এছাড়াও আমাদের দেশের গাছ পালা কমে যাওয়ায় বায়ু দূষণ হচ্ছে ,বায়ু ভারী হচ্ছে আর আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস এর মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করছে সীসা , অ্যালুমিনিয়াম এর মত ইত্যাদি ক্ষতিকারক বস্তু।

01/03/2023

সার্জারি- যেহেতু রক্ত বের হচ্ছে বা কাটাকুটির একটা ব্যাপার আছে তখন হিজামাকে সার্জারি বলা যায়। মিরাজে রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) যেখানে ফেরেশতাদের থেকে তাগিদ পেয়েছেন
সেখানে, হিজামা বা কাপিং এর গুরুত্ব নিয়ে বাড়তি কিছু বলার নাই।

কিন্তু, এই সার্জারিটা করতে দরকার একটা বিশ্বস্ত ও Hygenic ব্যাবস্থা, আলহামদুলিল্লাহ।

01/03/2023

❝রাসূল(সাঃ) বলেন; তোমরা যে সকল চিকিৎসা করো তার মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে #হিজামা। ❞ (সহিহ বুখারীঃ ৫৬৯৭)
হিজামা রাসূল(সা.) নিজে করেছেন এবং আমাদেরও হুকুম করেছেন হিজামা করার জন্য আলহামদুলিল্লাহ।
হিজামা শরীরের বাত-ব্যথা সহ নানাবিধ জটিলও কঠিন সমস্যার সমাধান করতে ন্যাচারালি সহায়তা করে।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
🏵️অনেকেই বলতে পারেন হিজামা কিভাবে এত রোগ ভাল করে?
হিজামা শরীরের একটি বেসিক মেকানিজম এক্টিভেট করে। তা হচ্ছে এন্ডোজেনাস নাইট্রিক অক্সাইড পাথওয়েকে বুস্ট করে দেয়। এই নাইট্রিক অক্সাইডকেই বিজ্ঞানীরা মিরাকল মলিকিউল বা হিলিং মলিকিউল নাম দিয়েছেন। যেকোন ডিজিজের নাম এর সাথে effect of nitric oxide লিখে গুগোল সার্চ করলেই আমদের কথার সত্যতা পাবেন।
🏵️হিজামাতে যে লাইট স্ক্র‍্যাচ হয় এতে ক্যাপিলারি ইনজুরি হয়, এবং এই ক্যাপিলারির এন্ডোথেলিয়াম থেকেই নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হয়।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


H-60/b, R-9, Merdia
Dhaka
1219