Doctor's Home
রোগ বালাই সম্পর্কে জানার জন্য আমাদের ?
যৌন শক্তি বাড়াতে যা খাবেন | Doctor's Home
মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন করলে শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর? Ma********on l Doctor's Home
লিঙ্গ উত্থান জনিত সমস্যার চিকিৎসা | Doctor's Home
প্রশ্নঃ গরমের দিনে প্রায় সময় প্রস্রাব হলুদ হওয়াটা কি স্বাভাবিক?
উত্তরঃ প্রস্রাব হলুদ ডিহাইড্রেশন এর লক্ষন। আপনার শরীরে পানির অভাব রয়েছে তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
গর্ভবতী হওয়ার উপায় | সঠিক পদ্ধতি ও সঠিক সময় শারীরিক মিলন |
আর্টিকেলটিতে যেসব বিষয় আলোচনা করা হয়েছে -
1. ডিম্বানু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময়
2. জন্ম বিরতিকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ করা
3. ডিম্বাণু প্রস্তুত হওয়ার আগেই শারীরিক মিলন
4. শারীরিক মিলন প্রতিদিন নয়
5. সঠিক যৌন মিলন
6. গর্ভধারনের জন্য কি বীর্যপাত জরুরী?
7. আমি কি সহবাসের পরে শুয়ে থাকব?
অসংখ্য মানুষের অসংখ্য রকমের সমস্যা। কেউ না চাইলেও কোনো নিয়ম না মানলেও গর্ভধারণ করতে পারেন আবার অনেক দম্পতি সন্তান গ্রহণ করতে চান কিন্তু অজানা কারণে তা হয় না। কনডম ব্যবহার না করা বা পিল খাওয়া বন্ধ করে দিলেই একজন নারী গর্ভবতী হয়ে যাবেন তা কিন্তু নয়। নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন, স্বাস্থ্যকর খাবার-দাবার ইত্যাদি বিষয় ঠিক রাখা খুব জরুরী মা হতে চাইলে।
তবে গর্ভবতী হওয়ার উপায়গুলোর মধ্যে আরও একটি ব্যাপার আছে। শারীরিক মিলন। শারীরিক মিলনের কিছু নিয়ম গর্ভবতী হওয়াটা সহজ করে দিতে পারে। তাই গর্ভবতী না হয়ে থাকলে ভয় না পেয়ে স্বামীর সাথে মিলনে সচেতন হতে পারেন। যা ঘরে বসে করতে পারেন তার জন্য আর ডাক্তারের কাছে যাওয়া কেন? নিজেই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে সহবাস করার চেষ্টা করে দেখুন।
তবে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে। মাসিকের সঠিক হিসাব রাখতে হবে যেন আপনি চাইলে সে সময় মাথায় রেখে শারীরিক মিলনের নিয়ম কাজে লাগাতে পারেন।
> ডিম্বানু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময়:
গর্ভবতী হওয়ার জন্য অনেক উপায় অবলম্বন করা হলো, এবার ভেবে দেখতে হবে স্বামীর সাথে মিলিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে। অনেকে কনডম ব্যবহার না করলেও গর্ভবতী হতে পারেন না প্রায়ই। এর কারণ তেমন কিছুই না অনেক ক্ষেত্রে। হিসাব করলে দেখা যাবে স্ত্রীর ডিম্বানু নিষিক্ত হওয়ার সময় হয়তো মিলন ঘটেনি যার ফলে গর্ভধারণও হয় নি।
একজন নারীর ডিম্বাশয় মাসে একবার ডিম্বানু তৈরি করে। একে ওভুলেশন বলে। যখন এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় শুধুমাত্র তখনই বীর্যের সংস্পর্শে এলে ডিম্বানুটি নিষিক্ত হতে পারে। তবে শুক্রাণু নারীর গর্ভে গিয়ে প্রায় পাঁচদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।। তখন যদি নারীর ডিম্বানু প্রস্তুত হয় তখনই শুক্রাণু ডিম্বানুটির সাথে মিলিত হতে পারে।
একজন নারীর মাসিক শুরুর দিন থেকে গুণে গুণে দশদিন পর্যন্ত এই ডিম্বাণু পুরোপুরি তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই বলা চলে। যাদের মাসিক অনিয়ম তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যাদের প্রতিমাসে ঠিকঠাক মতো সঠিক সময় মাসিক হয় তারা এ বিষয়টা মাথায় রাখতে পারেন। ইমার্জেন্সি পিল খেলে এ হিসাব কাজ করবে না, এটাও মনে রাখতে হবে।
স্বাভাবিক মাসিক হয় যাদের তাদের পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে দশদিন পর্যন্ত স্বামীর সাথে মিলিত হলেও এ থেকে গর্ভধারণ করার সুযোগ খুব কম। গর্ভবতী হতে চাইলে এর পরের ১০ দিন স্বামীর সাথে একবার করে মিলিত হলে কোনো সমস্যা না থাকলে গর্ভবতী হবেন নারী। কারণ এ সময়ের ভিতরেই ডিম্বানুটি প্রস্তুত হয়।
> জন্ম বিরতিকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ করা:
যদি আপনার ড্রয়ারে কনডম থাকে তা আপনি যে কোন সময় ফেলে দিতে পারেন। যদি আপনি গর্ভ নিরোধক বড়ি সেবন করেন তবে আপনি এটা গ্রহণ বন্ধ করতে পারেন এবং সরাসরি চেষ্টা শুরু করতে পারেন। অথবা আপনি মাসিক শুরুর আগ পর্যন্ত পিল চালিয়ে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে ডাক্তারের শিশু জন্মের তারিখ নির্নয় করতে সহজ হয়।
আপনার মাসিকচক্র ফিরে আসতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আপনি পিল খাওয়া অবস্থায় গর্ভধারন করলে পিল খাওয়া বন্ধ করে ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হন। পিল খাওয়া অবস্থায় গর্ভধারন করলে যে শিশুর ক্ষতি হবে তা নয়, তবে সাবধানতা অবল্বন করা ভাল। যদি আপনি গর্ভনিরোধের জন্য ইন্জেকশন ব্যবহার করে থাকেন তবে সন্তান ধারন করার জন্য এক বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ডিম্বাণু প্রস্তুত হওয়ার আগেই শারীরিক মিলন
পুরুষের শুক্রাণু জরায়ু বা ডিম্বনালীতে দুই থেকে তিনদিন বেঁচে থাকে। কিন্তু নারীর ডিম্বাণু মাত্র ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা নিষিক্ত হওয়ার অবস্থায় থাকে। এরপর সেখানে আর কোনো শুক্রাণু কাজ করতে পারে না।
তাই ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাব্য দিনে শারীরিক মিলন না করে মাসিক শেষ হওয়ার পর একদিন পর পর শারীরিক মিলন করতে হবে। যেন ডিম্বাণু প্রস্তুত হলে শুক্রাণু মিলিত হতে পারে। জরায়ুতে অপেক্ষমাণ শুক্রাণুও সেটা করতে পারে।
> শারীরিক মিলন প্রতিদিন নয়:
অনেকের ধারণা বাচ্চা চাইলে প্রতিদিন শারীরিক মিলন জরুরী। এটা ঠিক নয়। প্রতিদিন শারীরিক মিলনে অবসাদ বা ক্লান্তি চলে আসতে পারে। নারীর মিলিত হওয়ার আগ্রহ কমে যেতে পারে এবং পুরুষের বীর্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে ডিম্বাণু প্রস্তুত হওয়ার সময় শারীরিক মিলন না ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তাই এক দিন পর পর শারীরিক মিলন গর্ভবতী হওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায়। এতে করে শারীরিক মিলনের আগ্রহও থাকে আবার ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বেশী থাকে।
> সঠিক যৌন মিলন:
গর্ভধারণের জন্য কিছু যৌন পদ্ধতি পালন করা যেতে পারে। যৌন মিলনের বহুল প্রচলিত পজিশন নারীর উপরে পুরুষ। একে মিশনারি পজিশন বলে। মিশনারি পজিশনে শারীরিক মিলন এক্ষেত্রে সাহায্য করেতে পারে বলে মনে করেন অনেকে। কারণ এতে নারী কোনো রকম নড়াচড়া ছাড়াই বিছানায় পিঠ লাগিয়ে শুয়ে থাকতে পারেন। যদিও এ সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য নেই বা সেমন কোন গবেষনা হয়নি।
কারন এ গবেষনা করতে হলে সহবাসের সময় এমআর স্ক্যানিং এর দরকার পড়ে। দেখা প্রয়োজন হয় যোনি পথে বীর্য কিভাবে প্রবেশ করছে। দুটি পদ্ধতি নিয়ে সামান্য গবেষনা হয়েছে। একটি মিশনারি এবং অন্যটি ডগি স্টাইল। ডগি পদ্ধতি হচ্ছে মহিলা চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে উপুড় হয়ে থাকে এবং সঙ্গী পিছন দিক থেকে যৌন সংসর্গ করে।
সাধারন ভাবে বুঝা যায় এই পদ্ধতিতে বীর্য সহজেই সারভিক্স পর্যন্ত পৌছাতে পারে। এই দুটি পদ্ধতিতেই বীর্য সহজে যোনি হয়ে সারভিক্সের সম্মুখে পৌছে। হতে পারে দাঁড়িয়ে বা আপনি উপরেও ভালো পজিশন। এ সম্পর্কে খুব বেশী তথ্য নেই। তাই আপনি আপনার মতো যৌন সংসর্গ চালিয়ে যান।
> গর্ভধারনের জন্য কি বীর্যপাত জরুরী?
অবশ্যই। বীর্যপাত ছাড়া গর্ভধারন সম্ভব নয়। বীর্যপাতের আগে কিছু তরল পদার্থ নিঃসরন হতে পারে। কিন্তু বীর্যপাত গর্ভধারনের জন্য জরুরী। এরকম কোন প্রমান নেই যে গর্ভধারনের জন্য মহিলাদের বীর্যপাত দরকার।
মহিলাদের বীর্যপাত হয় প্রচণ্ড উত্তেজনা, আনন্দ এবং সন্তুষ্টি থেকে। এটা ডিম্বানুর মিলনে কোন ভুমিকা রাখে না। জরায়ুর হালকা সংকোচন গর্ভধারনে ভুমিকা রাখতে পারে আপনার কোন বীর্যপাত ছাড়াই। তাই আপনার বীর্যপাত(আপনার সঙ্গীর বীর্যপাতের আগে বা পরে) গর্ভধারনে তেমন কোন ভুমিকা রাখেনা।
> আমি কি সহবাসের পরে শুয়ে থাকব?
বীর্য সাধারনতঃ যোনী এবং সারভিক্সের আশে পাশে থাকে। একবার বীর্যপাত হওয়া মানে আপনার যোনীতে কয়েক লক্ষ শুক্রানুর প্রবেশ। আপনি যৌন মিলনের পরে দাঁড়িয়ে পড়লেও সব শুক্রানুর সরে যাওয়ার কোন কারন নেই। তাই যৌনমিলনের পর সাথে সাথে দাঁড়িয়ে পড়লেও গর্ভধারনে কোন সমস্যা হয় না।
যদি আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং কোন সমস্যা না থাকে তবে যৌনমিলনের পর ৩০ মিনিট শুয়ে থাকা ভালো। শারীরিক মিলনের পর বিছানায় পিঠ লাগিয়ে শুয়ে থাকুন। যেন বীর্য জরায়ুর দিকে সহজে প্রবাহিত হতে পারে।
একটা কোলবালিশ পায়ের নীচে দিয়ে রাখতে পারেন যেন পাগুলো একটু উঁচু হয়ে থাকে। মোট কথা বীর্য যতখানি সময় ধরে জরায়ুর ভিতরে রাখা যায় ততই ভালো। এভাবে শুয়ে থাকলে বীর্য সহজে জরায়ু, সারভিক্স হয়ে ফ্যালোপেন টিউবে প্রবেশ করে।
শারীরিক মিলনের জন্য ঘুমের আগের সময় বেছে নিন। যেন মিলনের সাথে সাথেই উঠে না যেতে হয় বিছানা থেকে। কিন্তু যদি আপনার জরুয়ুতে ইনফেকশন থাকে এবং ডাক্তার সহবাসের পরপর মুত্রথলি খালি করতে বলে তবে যৌনমিলনের পর দেরী করা ঠিক হবে না।
মিলনের পর পরই নিজেকে পরিষ্কার করে নেয়ার অভ্যাস খুবই ভালো। এতে কোনো রকম ইনফেকশনের ভয় থাকে না। কিন্তু গর্ভধারণের জন্য অন্তত ১ ঘন্টা পানি বা সাবান দিয়ে যৌনাঙ্গ না ধুয়েই থাকতে হবে।
গর্ভবতী হওয়ার জন্য শারীরিক মিলনের ব্যাপারে হিসাবি হতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত শারীরিক মিলন পরিত্যাগ করতে হবে। মাসিকের সঠিক হিসাব রেখে নিয়ম মেনে শারীরিক মিলন গর্ভধারণ খুব সহজ করে দেবে। তার মানে এই না যে নিজেদের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে দিতে হবে!
শারীরিক মিলনের সম্পুর্ন আনন্দ বজায় রেখেই গর্ভধারণের চেষ্টা করতে হবে। এতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের জন্য পুরো ব্যাপারটা আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে। গর্ভধারনের প্রথম শর্ত হচ্ছে নিয়মিত সহবাস। সপ্তাহে একদিন সহবাসের চেয়ে প্রতি ২/৩ দিন পরপর সহবাস এক বছরের মধ্যে গর্ভধারনের মাত্রা বাড়ায়।
যদি এক বছর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এবং আপনার মাসিক অনিয়মিত হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
29/09/2020
যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারিতা
রসুন এর উপকারিতা বিষয়ে কমবেশি আমাদের সকলের জানা। মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও বেশ কিছু যৌন সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে পুরুষদের অনুন্নত মানের স্পার্মের জন্য যৌন অক্ষমতা দায়ী। প্রতিদিন নিয়ম করে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। ধূমপান, অ্যালকোহল, বাজে খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামে অনীহা, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, প্রভৃতি কারণে আজকাল যৌন অক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যৌন অক্ষমতার দূরীকরণে ক্ষেত্রে রসুন খুব ভাল ফল দিযে থাকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, একজন পুরুষের প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে যদি ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকে তবে সেই পুরুষ অনুর্বর হতে পারে। পুরুষদের যৌন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।
পুরুষদের পুরুষাঙ্গের স্পার্মের সমস্যা দেখা দেয়। স্পার্মের জন্য যৌন অক্ষমতা দায়ী।
যৌনশক্তি কম থাকা।
হয়তো বীর্য পতন এর পরিবর্তে হালকা পানির মত উপাদান বের হয়।
বীর্য পাতলা হয়ে যায়। পাতলা বীর্য ঘন করতে রসুন এর কোন তুলনা নেই।
যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ পুরুষের নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।
উপরের সকল সমস্যার সমাধানের অর্থাৎ যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারিতা অনেক। সুস্থ বীর্য তৈরিতে রসুনের জুড়ি নেই। রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খেলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর ন্যায় কাজ করে। সকালের নাস্তার পূর্বে যদি রসুন খাওয়া হয় এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। খালি পেটে রসুন খাবার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। এতে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সমূহ ধ্বংস হয়।
রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়মঃ
যারা পড়ন্ত যৌবনে পড়েছেন। এক্ষেত্রে প্রতিদিন নিয়ম করে ১/৩ টি কুয়া রসুন খেলে আপনাকে দিতে পারে একটি সতেজ যৌনক্ষমতা। যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। জেনে নিন সঠিকভাবে রসুন এর উপকারিতা পেতে কিভাবে রসুন খাবেনঃ
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২টি কাঁচা রসুনের কোয়া চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷
রুটির সঙ্গেও রসুন মিশিয়ে খেলে পারেন। এতে রসুন আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়াবে এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করবে৷
প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ঘি/আলি
#খুব_প্রয়োজনীয়_একটি_পোস্ট
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক হয়েছিল। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।
সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান..!!
সচেতনতায় পারে অকাল মৃত্যু থেকে বাঁচাতে।
👉সহবাস বা যৌনমিলনের সময় করণীয়👈
👉যৌনমিলনের আগে কোন মতেই ফোর প্লে বাদ দেবেন না ৷ দরকার হলে অধিক সময় নিয়ে ফোর প্লে করুন। একটু পরপর আসন পরিবর্তন করুন৷ নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে ৷ সঙ্গীর চাহিদার দিকেও গুরুত্ব দিন ৷ সহবাসের সময় সঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোন কারণ নেই👈
👉ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌনমিলনের জন্য উপযুক্ত থাকবে ৷ সহবাসের পর করণীয়👈
👉💞জন্মনিয়ন্ত্রণঃ প্রথমবার সহবাসের আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার আশঙ্কা সব মেয়েরই থাকে। তাই যৌনমিলনের সময় অবশ্যই কনডম ব্যাবহার করবেন💞👈
👉💞মানসিক প্রস্তুতিঃ মানসিক প্রস্তুতিও খুব জরুরি। থাকে প্রথমবার মিলনে সাময়িক ব্যাথা লাগতে পারে এটা মাথায় রাখতে হবে। সে অনুযায়ী মানসিক প্রস্তুতি থাকলে সেটা অনেক বেশি সহনীয় হবে। আর পুরুষদের অবশ্যই সঙ্গীনির কথা ভেবে সংযত হতে হবে💞👈
👉💞যৌনমিলনের বয়সঃ উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত যৌনমিলন করতে ডাক্তাররা সবসময় নিষেধ করে থাকেন। দেহের সম্পূর্ণ বিকাশ হওয়ার আগেই যৌনমিলন পরবর্তী জীবনের জন্য ক্ষতি বয়ে আনে।তাই কমপক্ষে আঠারোর আগে যৌনমিলন করবেন না💞👈
👉💞রক্তক্ষরণঃ এটা নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে। কুসংস্কার তো কুসংস্কারই। সেগুলোকে খুব সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই। কারণ প্রথমবার যৌনমিলনে রক্তপাত যে হবেই তার কোনও গ্যরান্টি নেই💞👈
😔আবার প্রথমবারের পরও একাধিকবার অনেকের রক্তক্ষরণ হয়। এটি একেক জনের শারীরিক গঠনের উপর নির্ভর করে। এগুলো নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সময়টাকে উপভোগ করুন আর সঙ্গীনির প্রতি যত্নশীল হোন উস্কানিতে ভুলবেন না🤔
👉💞তখনই কোনও যৌন সম্পর্কে জড়াবেন, যখন আপনার মন চাইবে। বন্ধু-বান্ধবদের উস্কানি বা প্রেমিক/প্রেমিকার অনুরোধে ভুলেও এমন কাজ করবেন না। সেক্ষেত্রে পরে ভয়ঙ্কর অপরাধবোধে ভুগবেন💞👈
👉নিজের চাহিদাঃ দেহ দেওয়া-নেওয়ার আগে নিজের চাহিদা সম্পর্কে স্পষ্ট ভাষায় জানান নিজের পার্টনারকে। সে চাহিদা পূরণে অপরজন সক্ষম হলে তবে ই এগোবেন। নইলে পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে💞👈
👉💞অর্গ্যাজমের দু:শ্চিন্তাঃ প্রথমবার যৌনমিলনে অর্গ্যাজম না হওয়ারই সম্ভবনা বেশি। ছেলেদের ক্ষেত্রেও দ্রুতপতনের সম্ভাবনা থাকে বেশী। কারন প্রথমবা র আবেগ-উত্তেজনা অনেক বেশী থাকে।
👉অনেকেই হয়তো অনেক কিছু প্রত্যাশা করে থাকেন, কিন্তু প্রথমবারটা একাবারেই আকস্মিক। আনপ্রেডিক্টেবল👈
👉💞ভয় দূর করুনঃ প্রথমবার হালকা ভয় থাকে, নার্ভাসনেস কাজ করে। তাই খুব বেশি ভাবতে বসবেন না। বেশি ভাবলে সেই মুহূর্তের ভাললাগাটাই নষ্ট হয়ে যাবে💞👈
👉💞জড়তা ত্যাগ করুনঃ প্রথমবার হয়তো একটু জড়তা থাকবে। কিন্তু সব জড়তা কাটিয়ে চেষ্টা করুন পার্টনারের সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হতে। এতে প্রথমবার মিলিত হলেও ভাল লাগাটা দীর্ঘস্থায়ী হয়💞👈
👉💞কনডম ব্যাবহার না করলেঃ বর্ষাকালে ছাতা নিয়ে ঘোরার মতো সবসময়ে কনডম সঙ্গে রাখা সম্ভব নয়। তাই সেক্ষেত্রে মিলনের পরে যত দ্রুত সম্ভব কোনও কন্ট্রাসেপটিভ পিল খেয়ে নেবেন। এতে ইতস্তত করার কিছু নেই💞👈
💞বাজারে অনেক কন্ট্রাসেপটিভ পিল পাওয়া যায়। তবে সেটা দিয়ে নিয়মিত আপনি জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না😍
সহবাস করার কিছু নিয়ম কানুনঃ
_____________________________
💞 স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পাক পবিত্র থাকবে।💞সহবাসের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করা। যা আল্লাহর রাসুলের সুন্নাত।
💞রাত্রী দ্বি-প্রহরে সহবাস করা।
💞সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়া।
💞সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা।
💞স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস না করা, ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।
💞অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা না করা।
💞সহবাসের সময় কম কথা বলা।
💞সহবাস শেষে গোসল করা। সম্ভব না হলে নাপাক অংগ ধৌত করা।
💞ধন্যবাদ সবাইকে💞
স্বামীকে খুশি রাখার ও শুধু নিজের করে রাখার কার্যকারী টিপসঃ-
১) স্বামীর ঘুম থেকে উঠার আগে নিজে উঠে পরিপাটি হয়ে নেওয়া যাতে স্বামী আপনাকে সকাল বেলাই অপরিপাটি না দেখে। তার সাথে সুগন্ধি ব্যবহার করুন। যাতে সকালে আপনাকে দেখেই আপনার স্বামীর মন ভরে যায়।
২) তার ঘুম যেভাবে ভাঙ্গালে সে পছন্দ করবে, সেভাবে তাকে ঘুম থেকে জেগে তুলুন।
৩) তার প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে তবেই অন্য কাজে যাবেন। এবং সে তার কাজে যাওয়ার সময় কপালে আর বুকে দুইটা......... দিয়ে দিন।
৪) সে কখন বাসায় আসতে পারে তা অনুমান করে পরিপাটি হয়ে থেকে তার অপেক্ষা করুন এবং সে ডাকার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন এক মুচকি হাসি দিয়ে। এবং তার সাথে কথা বলার সময় সর্বদা হাসি মুখে কথা বলুন।
৫)তার সামনে কখনো গন্ধ নিয়ে যাবেন না। সবসময় একটা সুঘ্রাণ রাখুন নিজের শরীরে।
৬) পরিপূর্ণ পর্দা করুন।
৭)স্বামীকে তাহাজ্জুদ এবং ফজরের নামাজের জন্য ডেকে দিন। আল্লাহর তরফ হতে স্বামীর হৃদয়ে আপনার প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা জন্ম নিবে।
৮) স্বামীর মনে কখনো আঘাত দিয়ে কথা বলবেন না।
৯) কখনো স্বামীকে নিজের উপর রাগ হতে দিবেন না বরং স্বামী যে ইশারায় চালাতে চায় সে ইশারায় চলুন( নাফরমানীর কাজ ব্যতিত)।
১০)স্বামী কোন কাজ করতে আদেশ করলে সাথে সাথে হাসি ও খুশির সহিত কাজ করে দিন।
১১)স্বামীর কাছে থাকাকালীন তার অনুমতি ব্যতিত কোন নফল ইবাদাত করবেন না। স্বামীর খেদমত অন্যান্য নফল ইবাদাত থেকেও উওম।
১২)পৃথিবীর কোন মানুষের গিবত না করা।
১৩)স্বামীর হুকুম ছাড়া স্বামীর মাল থেকে কাউকে দান বা হাওলাত না করা। এটা জায়েজ নেই।
১৪)স্বামীর কোন দোষের কথা পৃথিবীর কোন মানুষকে না বলা। বরং স্বামীর মাথা যখন একদম ঠান্ডা থাকবে তখন স্বামীকে হাসিমুখে বিনয়ের সহিত তার ভুল ধরিয়ে ও সুধরে দেওয়ার চেষ্টা করা।
১৫)স্বামীর কোন কাজ নিজের মতের বিরুদ্ধে হলেও তর্ক না করা।
১৬)স্বামী যা আনুক তা ১ টাকার হলেও এমন একটা ভাব করুন যেন এটা আপনার কাছে ভিষণ পছন্দ হয়েছে। এতে পুরুষেরা স্বস্তি পায়।
১৭)স্বামীর বাড়িতে যতই কষ্ট থাকুক, স্বামীর সাথে সমাধামের চেষ্টা করুন। তবে হাই হতাশা করে স্বামীকে কষ্ট দিবেন না।
১৮)স্বানীর মেজাজ বুঝে ব্যবহার। তার মুখে হাসি থাকলে আপনিও হাসুন। আর তার মন কোন কারণে খারাপ থাকলে আপনিও তার মন খারাপের ভাগিদার হোন, মন খারাপের সময় হেসে এটা প্রকাশ করবেন না যে তার মন খারাপে আপনার কিছু যায় আসে না। আর মেজাজ খারাপ থাকলে একদম চুপ থ
#সঙ্গমকালীন নারীর অসহ্য ব্যথা হওয়ার কারন এবং তাদের করনীয়
🎷যৌনমিলনে যেমন মন মাতানো সুখ আছে তেমনি কারও বেলায় তা আবার কষ্টের কারণ হয়েও দাঁড়াতে পারে। যেমন নারীদের কথাই ধরা যাক।কিছু কিছু নারী আছে যারা যৌনমিলনকালে ব্যথায় কুঁকড়ে ওঠেন। তখন যৌনমিলন তাদের কাছে হয়ে ওঠে যন্ত্রনার। যৌনমিলনের সময় পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করানোর পর কিছু কিছু নারী তাদের যৌনাঙ্গে মিলনকালীন মাঝারি থেকে প্রচন্ড মাত্রার ব্যথা অনুভব করে থাকে। সেক্স করতে সক্ষম এমন বয়সের যে কোনো নারীর বেলায় এ ঘটনাটি বা সমস্যাটি বারবার চক্রের মতো হতে পারে। নারীর এ সমস্যাটি শারীরিক বা মানসিক কারণে বা উভয় কারণে হতে পারে। সঙ্গমকালীন নারীর যৌনাঙ্গে ব্যথার ঝুঁকি যাদের বেশি তারা হলেন-
* সাম্প্রতিক শারীরিক সমস্যাগ্রস্থ্য
* মানসিক অসুস্থ
* মনোশারীরিক চাপ
* মদ্যপান
* দীর্ঘমেয়াদি অবসন্নতা বা ক্লান্তি ইত্যাদি।
এ সমস্যায় দেহের যে অংশ জড়িত তা হলে-
– যোনির মাংসপেশি
– সতীচ্ছ বা হাইমেন
– জরায়ু বা ইউটেরাস
– মস্তিক
মিলনকালীন যৌনাঙ্গে ব্যাথার মানসিক কারণ :
* যৌনপুলকের ঘাটতি
* যৌনসুখ ও শিহরণের অভাব
* যৌনতা বা সেক্স সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণার অভাব
* যৌনাঙ্গে আঘাত পাওয়ার প্রতি ভয়
* গর্ভাবস্থায় যৌনমিলন
* গর্ভবতী হওয়ার ভয়
* শৈশবে যৌন অত্যাচারমূলক অভিজ্ঞতা বা সেক্সুয়াল অ্যাবিউস
* সাইকোলজিক্যাল বা মেন্টালি আঘাত
* সেক্স সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা
* যোনি পিচ্ছিল না হওয়া বা যোনির শুষ্কতা অর্থাৎ মানসিকভাবে যৌনক্রিয়ায় পর্যাপ্ত উত্তেজনার অভাব বা উত্তেজনা সৃষ্টি করতে না পারা।
* সঙ্গী বা সাথীর মাঝে কোনো ব্যাপারে বনিবনা বা ভূল বোঝাবুঝি অথবা প্রেম-ভালোবাসার অভাবেও এ সমস্যা উদ্ভব হতে পাারে
মিলকালীন যৌনাঙ্গে ব্যথার দৈহিক কারণ :
* জরায়ুতে টিউমার যেমন-ফাইব্রয়েড
* নারীর ইউরেথ্রাতে সংক্রমণ
* যোনির শুষ্কতা
* যোনিতে ক্ষত/ইনফেকশন যেমন-হারপিস
* যোনির সারভিক্স ডিম্বনালি বা ফেলোপিয়ান টিউব অথবা গর্ভাশয়ে ইনফেকশন
* শ্রোণিচক্রের বা পেলভিসের প্রদাহজনিত ব্যাধি
* অপারেশন পরবর্তী কোনো জটিলতায় যোনি দেয়ালে চাপ অনুভূতির কারণে।
* এন্ডোমেট্রিওসিস
* সন্তার প্রসব পরর্বতী যোনির অপারেশনের জটিলতা
* হঠাৎ করে সতীচ্ছদ ছিন্ন হওয়া
* নারীর যোনির পর্দা বা সতীচ্ছদ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মোটা হওয়া
* জন্মনিরোধক ফোম, কনডম বা ডায়াফ্রাম অথবা জেলির কারণে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়া
মিলনকালীন নারীর যৌনাঙ্গ
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাওয়ার উপায়ঃ
(১) ডিমের কুসুম এবং শসার প্যাকঃ
একটি ডিমের কুসুম এবং ৩ টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিতে হবে। এই প্যাকটি গোসলের আধা ঘন্টা আগে স্তনের চারপাশে ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এক সপ্তাহ প্রতিদিন এই প্যাকটি ব্যবহার করলে আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
(২) সঠিক খাবারঃ
স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাবার জন্য আপনার প্রতিদিনের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ব্রেস্ট টাইট করার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। তাই আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় দুধ, ডিম এবং ডাল অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করবেন। এছাড়াও খনিজ ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ দরকার যা আপনি বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, গাজর, পটল এবং ব্রকলি জাতীয় খাবার থেকে পেতে পারেন। প্রতিদিন এই খাবারগুলো খেলে ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাবেন।
(৩) সাঁতার কাটাঃ
প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট সাঁতার কাটুন। এতে আপনার স্তনের পেশি শক্ত হবে এবং সঠিক শেইপ ফিরে আসবে। তাই স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পেতে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট সাঁতার কাটুন।
(৪) বরফ ঘষা বা আইস রাবঃ
এটি করতে আপনার অস্বস্থি লাগতে পারে কিন্তু এটি খুবই কার্যকরী একটি প্রক্রিয়া। কয়েক কিউব বরফ নিন এবং আপনার স্তনের চারপাশে প্রায় ১-২ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে ম্যাসাজ করুন। এটি আপনার স্তনের পেশী শক্ত করতে এবং এর আশেপাশের সেলুলাইটের সাথে লড়াই করতে সহায়তা করবে। প্রতিদিন নিয়ম করে কেবলমাত্র ১-২ মিনিট এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করলে আপনার ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাবেন।
(৫) ম্যাসাজ করাঃ
প্রতিদিনের ম্যাসাজে আপনার স্তনের পেশীগুলোকে শক্ত করবে। অলিভ ওয়েল কিংবা অ্যালোভেরা জেল দিয়ে প্রতিদিন ৫-৬ মিনিট আপনার স্তনের আশেপাশে ম্যাসাজ করুন। এটি আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করবে এবং আপনার ঝুলে যাওয়া স্তন ফিরে পাবে সঠিক শেইপ।
(৬) প্রচুর পানি পানঃ
স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পেতে প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ লিটার পানি পান করুন। শরীরে যখন জলের অভাব দেখা দেয় তখন ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যায়। ত্বকের চামড়া ঝুলে যায় এবং কুঁচকানো দেখায়। পানির অভাবে সবথেকে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয় ত্বক এবং স্তন। তাই স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পেতে প্রচুর পানি পান করুন।
(৭) দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়া থেকে বিরত থাকতে হবেঃ
দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়ে থাকলে স্তনের শেইপ নষ্ট হয়ে যায়। তাই দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়ে থাকবেন না। আবার ব্রা পড়া একেবারেই ত্যাগ করা যাবেনা। দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়া যেমন ক্ষতিকর আবার একেবারে না পড়াও ক্ষতির কারণ।
(৮) ধূমপান ত্যাগ করুনঃ
ধূমপানের ফলে স্তন ঝুলে যায় এইটা হয়তো আমাদের অনেকেরই জানা নেই। মেয়েরা ধূমপান করলে ত্বকেরও ক্ষতি হয়। তাই ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
(৯) এক্সারসাইজ করুনঃ
কিছু এক্সারসাইজ আছে যা প্রতিদিন করলে আপনার ঝুলে পড়া স্তন সঠিক শেইপ ফিরে পাবে। সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী হলো পুশ-আপ। এছাড়াও চেস্ট প্রেস, ডাম্বল ফ্লাইস, টি-প্লাঙ্কস, এলবো স্কুইজ ইত্যাদির সাহায্যেও ঝুলে পড়া স্তন সঠিক শেইপ ফিরে পাবে। প্রতিদিন নিয়ম করে ১০-১২ বার এই এক্সারসাইজগুলো করলেই হবে।
অল্প কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনি ফিরে পেতে পারেন আপনার স্তনের সঠিক শেইপ। তাই এই নিয়মগুলো মেনে চলুন সুস্থ এবং সুন্দর থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhanmondi
Dhaka
