Dr. Rubel Malaysia

Dr. Rubel Malaysia

Share

মালয়েশিয়ার একমাত্র বাঙালি ডাক্তার

Photos from Dr. Rubel Malaysia's post 14/05/2026

ব্রাজিল সাপোর্ট করে আজ নষ্ট তাহমিনা

তাহমিনা ছিল এক স্বাভাবিক মেয়ে। কলেজে যেত, ভাত খেত, আর এক ছেলেকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতো। সেই বয়ফ্রেন্ডের প্ররোচনায় পড়ে ব্রাজিল সমর্থন শুরু করে তাহমিনা। সেটা ২০১০ সালের কথা। এরপরের চার বছর তাহমিনার জন্য ছিল স্বপ্নের মত। ২০১৩ সালে ব্রাজিলের কনফেডারেশন কাপ জেতার বছরটা ছিল তামমিনার পিক, এইচএসসি তে গোল্ডেন, প্রিয় দলের কনফেডারেশনস কাপ সাথে নেইমারের গোল্ডেন বল পাওয়া, বয়ফ্রেন্ডের সাথে প্রথম রুম ডেট, বলে শেষ করা যাবেনা।

বিপত্তি বাঁধে ২০১৪ সালে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ৭-১ গোলে সেমিফাইনালে হার তাহমিনাকে ভেঙেচূড়ে দেয়। ভাল মেয়েটা শুরুতে সিগারেট ধরলো। নেইমারের সাথে তাল মিলায়ে একটার পর একটা আকাম শুরু করে তাহমিনা। নেইমার মাতাল হয়ে মারামারি করে, তাহমিনা মদ খায়। নেইমার ধর্ষ* করে, তাহমিনা করে ছিনালগিরি। নেইমার ইঞ্জুরিতে পড়ে রিহ্যাবে যায়, তাহমিনাও যায়।

তাহমিনাকে এই রাস্তায় আনা ওর সেই বয়ফ্রেন্ডটা আর নেই। ছেলেটা এখন আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করে, যা তাহমিনা দুই চোখে দেখতে পারেনা। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতার রাতে তাহমিনা জুতার আঠা আর কালি খেয়ে নেশা করে হাসপাতালে যায়। কোনরকমে বেচে ফিরে আসে ও, প্রতিজ্ঞা নেয় ভাল হয়ে যাবে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতলেই। সেই দিনও আর আসেনা, তাহমিনারাও আর ভাল হয়না।

তাহমিনার মত হাজার হাজার বাংলাদেশি ব্রাজিল সাপোর্টার নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের গল্প তুলে ধরার কেউ নেই, তবে আমি ডাক্তার রুবেল আজ শুরু করলাম।

14/05/2026

প্রবাসীর স্ত্রীর জীবন-যুদ্ধ

আসমা মালয়েশিয়ায় ছিল প্রায় ১৭ বছর। স্বামী এক গ্রোসারির দোকানে কাজ করতো, স্ত্রী ছিল হাউজওয়াইফ। তিনবার মিসক্যারেজ হয় আসমার, সংসার ছিল সন্তানহীন। আসমার স্বামীর নাম ফিরোজ। ফিরোজ বাংলাদেশে থাকতে প্র‍্যাক্টিসিং মুসলিম থাকলেও, মালয়েশিয়া যাওয়া পর হয়ে যায় নাস্তিক। স্ত্রীকে বোরকা ছাড়ার জন্য প্রতিনিয়ত প্রেশার দিত, এমনকি স্ত্রীর অতি পর্দা না মানতে পেরে সে গায়ে হাতো তুলতো। সব মুখ বুজে সহ্য করছিল আসমা, এছাড়া ও করবেই বা কী? এই দেশে না আছে তার কোন আত্মীয়, না আছে কোথাও যাওয়া জায়গা।

এদিকে ফিরোজের ব্যবহার দিন দিন উগ্র হতে শুরু করে। বাসায় স্ত্রী রেখে যে বাইরে বেশি সময় কাটায়, মাঝে মাঝে ঘরে আসেনা। মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আসমার উপর নিদারুণ অত্যাচার ছিল ফিরোজের নিত্যদিনের রুটিন। আসমাকে মেরে তার গায়ে দাগ ফেলে দিয়েছিল ফিরোজ, আসমার অতি পর্দার এটাও একটা কারণ। সারা চেহারায় হাতের আঙুলের ছাপ, কপালে রক্তের নিশান, আর ঠোটের কোণায় কাটা ঘাঁ-এর দাগ লুকাতে আসমাকে নিকাব পড়তে হত, এটা দেখে ফিরোজ ওকে আরও অপমান করতো, আরও মারতো। আসমা সবই মুখ বুজে সহ্য করতো।

সহ্যের সীমা ছাড়ায় যখন ফিরোজ আরেকটা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাচ্চা না হওয়ার দায় দেয় আসমার উপর। আসমা সিদ্ধান্ত নেয়, বাংলাদেশে চলে যাবে। নিজের থাকা সোনার বালা বিক্রি করে সে দেশে ওয়ান ওয়ে টিকিট কাটে, এক শুক্রবারে পালিয়ে চলে আসে।

সেই থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জে ছোট্ট বাসা নিয়ে একা থাকা শুরু করে আসমা। বোরকা পড়েই এক হোটেলে বাবূর্চির চাকরি নেয়। রাস্তায় ধূলা-বালি-গরমের মধ্যে দাড়িয়ে মাছ ভাজে, দিনে ১২ ঘন্টা দাড়িয়ে রান্না করে আসমা। একা একা থাকে, একাই বাজার করে, ঘর গুছিয়ে রাখে।

আসমা বেচে আছে, সুখে আছে নাকি আমরা কেউ জানিনা। একা এক মেয়ের বেঁচে থাকা এখানে ডিফিকাল্ট, কিন্তু আসমা বেঁচে আছে। সমাজকে দেখিয়ে দিচ্ছে, স্বামী-সন্তান-পরিবার ছাড়াও একটা মেয়ে বোরকা আর নিকাব পড়ে, রাস্তায় হাজার পুরুষের ভিড়ে কাজ করেও বেঁচে থাকতে পারে। বেঁচে থাকতে পারাটাই আসমার কাছে জিতে যাওয়া। এই দুনিয়ায় হয়তো আসমা শান্তি পায়নি কিন্তু পরকালে পাবে এই আশা নিয়ে আছে বেচারি।

11/05/2026

মালয়েশিয়া আসার পর থেকেই মনে হয়, একটা যে সুপ্ত ইচ্ছা ছিল, কোন একসময় গ্রামে যেয়ে থাকবো, নিরিবিলি শান্তির এক জীবন থাকবে, সেটা আর সম্ভব না। একটাই জীবন, কীভাবে হেলায় নষ্ট করে ফেললাম দেখতে দেখতে। Life is way shorter than we think.

09/05/2026

যখন মন খারাপ থাকে, ছাগলরে ঘাস খাওয়াই। মন খারাপ থাকলেই পানির টেংকির উপরে গুদারাঘাটের আফজালের সাথে চিপকা-চিপকি করতে হবে এইটার কোন মানে নাই। ডিপ্রেশন সবারই থাকে, এইটারে প্রোপার চ্যানেলিং করে ছাগলের কাছে নিয়ে যাওয়ার মধ্যেই জীবনের সার্থকতা।

04/05/2026

আমরা কাজকে শুধু কাজ হিসাবে দেখিনা, কাজের মধ্যেও মজা খুজে নেই।

02/05/2026

আমি পেটিকোট ভিসায় আসা এক দাস

আমি জানি আমার কথা শুনে অনেক টক্সিক মেইল হার্ট হবেন। হলেও কিছু আসে যায়না, কারণ আমারে খাওয়ায় পড়ায় আমার বউ। আমার বউ আমার মালিক, আমি ওর দাস। আমি আমার বউ-এর সাথে স্পাউস ভিসায় মালয়েশিয়া আসছি। এইটার আরেক নাম পেটিকোট ভিসা, কেন এই নাম হয়েছে আমি জানিনা।

জানি বাঙালি কমিউনিটিতে আমারে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা হয়। তবে আমিও অপেক্ষা করছি, ওয়ার্ক ভিসাটা হয়ে গেলেই খেলা শুরু হবে। প্রথম দাও মারবো আমার বউ-এর উপরেই। এরে আগে তালাক দিব। এরপর বিয়ে করবো এক হিজাবিরে। হিজাবিরে বাসায় বান্দি বানায়ে আমি বাইরে খেলবো, এমন খেলা খেলবো যেইটার গেম ওভার হবে বৃহত্তর মালয়েশিয়া প্রবাসী চিটাগাং সমিতির সভাপতি হয়ে। এরপর আখলাস মিয়ারে বানাব আমার ঘেটু, আর ওর জামাই রিয়াজরে বানাব... কী বানাব জানিনা। এই মাল আগের থেকেই ঘেটু।

(এবার পহেলা বৈশাখে বউ পাঞ্জাবি কিনে না দেওয়ায় রাগ করে খালি গাঁয়ে আছি। আমাদের চিটাগং-এর লোকদের ইগো বেশি।)

Photos from Dr. Rubel Malaysia's post 01/05/2026

মহিলা মানুষের খাছলতই ভালনা। কোন নার্সই রাখতে পারিনা, দুইদিন পর থেকেই নখতামি শুরু করে।

আজকে সকালবেলা আমার নতুন নিয়োগ দেওয়া জেনজি নার্সরে বললাম একটু শরীর টিপে দিতে, রাত থেকে ম্যাজম্যাজ করতেছে। নার্স শালী বলে এটা নাকি ঠিক না। একটু জোরাজুরি করতে চাইলেই ওয় বলে আমি নাকি হ্যারেস করি। মাতারি কয় কী? এইটা হ্যারেসমেন্ট? তোরে যে মাস শেষে বেতন দেই এইটা আমার হ্যারেসমেন্ট না? লাঞ্চের টাইমে আধাঁঘন্টা ছুটি দেই খাওয়ার জন্য, এইটা আমার হ্যারেসমেন্ট না?

Photos from Dr. Rubel Malaysia's post 01/05/2026

The UNICEF representative said exactly those words to our ex-health advisor, Nurjahan Begum, when she decided to stop procuring vaccines through UNICEF and shift to an open tendering system.

Source: https://www.science.org/content/article/measles-explodes-bangladesh-after-vaccination-breakdown-killing-hundreds-children

We had 95% vaccine coverage before. Since 2024, it has dropped to 59%. Result?

32, 000 children are now affected
250+ death

74% of the patients were unvaccinated.

I never knew how incapability could be a crime. Nurjahan opened my eyes.

The Awami League had many problematic things in our country, but women and child health was not part of it, and we saw stunning progress in this area. You don’t break things that are already running and working just fine. Past govt. did just that, and now our children are dying.

30/04/2026

১৬ বছর পর আমার প্রাক্তন শামিমের সাথে দেখা

ছবিতে আমাদের মাঝখানে শামিম, আমার এক্স বয়ফ্রেন্ড। প্রায় ১৬ বছর পর ওর সাথে দেখা। মাঝখানে শুধু তিন দিনের জন্য থাইল্যান্ডে গিয়েছিলাম একসাথে, এছাড়া আর দেখা হয়নি। এটা অবশ্য সোহান জানেনা।

সোহানও শামিমকে দেখে অনেক খুশি হয়েছে, এত শুনেছে গল্প আমার মুখ থেকে! সোহানকে বলেছি বাসায় চলে যেতে। আজ সারাদিন শামিমের সাথে ঘুরবো, ফুচকা খাব, গাড়ি ফেলে রিকশা করে ঘুরবো, বিকেল বেলা চারুকলার বিপরীতে আসরে বসে গান গাব। সোহানও চাচ্ছিল আমাদের সাথে থাকতে, এটা শুনে শামিম দিয়েছে এক ঝাড়ি! সোহানের চেহারাটা যদি দেখাতে পারতাম! হাহাহা, ছবি তুলে রাখা উচিৎ ছিল। আমি ওকে পাল্টা বললাম,

-'তুমি এরকম বেহায়া কেন? এখন ঘুরার সময়? বাসায় বাবু একা।'

সোহান এরপরেও গাইগুই করছিল। মিথ্যে বলবোনা, বিরক্ত হচ্ছিলাম ওর উপর। শামিম বুঝতে পেরে সোহানকে কষিয়ে এক চড় মারে। চড়টা একটু জোরেই মেরেছিল বোধয়, সোহানের কাল কুচুকুচে গালেও শামিমের সুন্দর হাতের ছাপ দেখতে পাচ্ছিলাম। আমি সোহানের দিকে তাকিয়ে বললাম,

-'শিক্ষা হলতো এখন? এখন জলদি যাও তো। বাবুকে একটুও সময় দাওনা তুমি। এটা ব্যাড প্যারেন্টিং।'

সোহান গালে হাত দিয়ে চলে গেল। এমন ফানি লাগছিল ওকে দেখতে! হাহাহা! শামিমের গাড়িতে উঠতে যেয়ে চোখের কোণ দিয়ে একটু তাকালাম, সোহানের বাচ্চা এখনও যায়নি। বাইকে বসে বাইক স্টার্ট না দিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। এমন বেহায়া কেন ও? আজ বাসায় যেয়ে এর একটা বিচার করবো। এভাবে কয়দিন সহ্য করা যায়?

29/04/2026

আমার এক্স গার্লফ্রেন্ডের মেয়ে আমাকে যে পরিমাণ ভালবাসে, নিজের মেয়েও এতটা বাসেনা। এটাই বাস্তবতা।

তোরে আর তোর মাকেও মালয়েশিয়া নিয়ে আসবো, মা। ভাল থাকিস।

29/04/2026

একটা কথা মনে পড়লেই মেজাজ গরম হয়।

বাংলাদেশে থাকতে কিছুদিন পাইলসের ডাক্তারি করেছি। শাহজাহানপুরে ছিল আমার চেম্বার। গ্যারান্টি দিয়ে চিকিৎসা করতাম। বছরে দুইবার পাইলস মেলা হত, ৫০% ছাড়ে সার্জারি করতাম। জার্মানির ডিভাইস ছিল, অনেক ভাল। দিনে ২০টা পাছা নরমাল বিষয়।

এইরকম এক মেলায় একবার এক ছেলে আসলো। লম্বা আর হ্যান্ডসাম, পাছা দেখার আগেই বুঝলাম, এইটা মুরগী। চেম্বারেই প্যান্ট খুললাম ওর, টেবিলে বললাম শুতে। মালে লজ্জা পায়, বলে 'স্যার, এত লোকের মাঝখানে কীভাবে প্যান্ট খুলি? এখানে মেয়েছেলে আছে।' দিলাম চাদির মধ্যে এক ঠুয়া, পাইলস বানাতে লজ্জা পাওনাই, এখন প্যান্ট খুলতে লজ্জা? শালা খোবিশ। ওরে টেবিলে শোয়ানোর পর টান মেরে প্যান্ট খুলে ফেললাম। পাছায় টর্চ লাইট মারলাম, ইচ্ছা করে পেন্সিল দিয়ে খোচা দিলাম। মালে ব্যাথায় কোকায়, আরও খোচাই, আরও কোকায়। হাহাহা

বললাম অপারেশন লাগবে। পরের দিনই হালায় হাজির। ওরে আনেস্থেসিয়া দিলাম পাছার উপরে। হাড়ের মধ্যে দেওয়া লাগে এইটা। আমার লোক আছে দেওয়ার জন্য। এইটা আমিই দিলাম, হালারে ব্যাথা দিতে ভালই লাগে। ওরে অপারেশন টেবিলে শোয়ায়ে যেই আমার ভেপে দুইটা টান দিয়ে ধোয়া ছাড়লাম, এমন সময়ই ফোন আসে, ব্যাটের শেয়ার নাকি ফল করেছে। এই এক ছাতার দেশ, টাকা ইনভেস্ট করার উপায় নাই। মেজাজ খারাপ করে আবার থিয়েটারে ঢুকেই দেখি মাল আমার দিকে পিটপিট করে তাকায়। অবশ হয়েছে নাকি জিজ্ঞেস করলাম, মাল মাথা ঝাকায়। প্যান্ট খুলেই পাছাটার কাছে গেলাম, দেখি ওর টুনটুনি। মালটারে জিজ্ঞাসা করলাম, 'বিয়া করসেন?' হালায় মাথা নাড়ায়, করেনাই। নার্স যেটা ছিল, ওরে এনে টুনটুনি দেখালাম, বললাম, 'চলে?' থিয়েটারে এরপর ১০ মিনিট হাসাহাসি। বাকি সব ডাক্তার পারলে হাসতে হাসতে বমি করে দেয়। পাশের বেডের রোগীও দেখি হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। শুধুমাত্র নার্স দেখলাম একটু বিরক্ত, ওরে চাকরি থেকে বের করার সময় হয়েছে। রোগী হালায় দেখলাম লজ্জায় চোখ বন্ধ করে আছে। ওর টুনটুনিতে ইচ্ছা করে টিপ দিলাম, মালে টের পায়না।

ঐদিনের কথা এখনও মনে পড়ে। নার্স শালী লজ্জা না পেলে আরও মজা গত। ছাতার লাইফ, এনজয় করা যায়না এই শয়তান গুলার জন্য।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka