Samia Fashion House
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Samia Fashion House, Show Room: 115 Shantibagh, Dhaka.
Ladies Shopping in Bangladesh.Fashionable Women Attire & Accessories at Attractive Price.Skin Food & Hair Care at Best Price.Fashionable Footwear.salwar kameez,
09/09/2025
দুঃখজনক হলেও সত্য
জাপান – একটি দেশ, যাকে দুটি পরমাণু বোমা ধ্বংস করেছিল।
কিন্তু তারা কখনও ভিক্ষা চায়নি। কখনও দয়া ভিক্ষা করে হাত পাতেনি।
নিজেদের আত্মসম্মান ও অটল ইচ্ছাশক্তি দিয়ে তারা আবার গড়ে তুলেছে নিজেদের।
আজও ইতিহাসে কোথাও নেই যে, জাপান আমেরিকার কাছে ভিক্ষা চেয়েছে।
একজন ভারতীয়, যিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানে বাস করছিলেন, একটি অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করলেন।
মানুষজন সদয়, ভদ্র, সাহায্যপ্রবণ।
কিন্তু একজনও তাকে বাড়িতে ডেকে এক কাপ চা খাওয়াল না।
তিনি অবাক ও কষ্ট পেলেন।
অবশেষে তিনি এক জাপানি বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলেন:
“কেন?”
দীর্ঘ নীরবতার পর জাপানি বন্ধু বললেন:
“আমরা ভারতীয় ইতিহাস পড়ি… অনুপ্রেরণার জন্য নয়, সতর্কবার্তা হিসেবে।”
ভারতীয় হতভম্ব হয়ে বললেন: “সতর্কবার্তা?”
জাপানি উত্তর দিলেন:
“তুমি জানো, কতজন ব্রিটিশ ভারতে শাসন করেছিল?”
তিনি একটু ভেবে বললেন: “হয়তো… ১০ হাজার?”
জাপানি গম্ভীরভাবে মাথা নাড়লেন।
“আর ভারতের জনসংখ্যা? ৩০ কোটির বেশি, তাই না?”
“তাহলে আসল শাসক কারা ছিল? কে তোমাদের মারল, শোষণ করল, গুলি চালাল? কেবল ব্রিটিশ নয়। তোমাদের নিজেদের মানুষ।”
“যখন জেনারেল ডায়ার চিৎকার করে বলল ‘ফায়ার’, তখন কারা ট্রিগার টিপেছিল? ব্রিটিশ নয় — ভারতীয় সৈন্যরা।
একজনও বন্দুক ফিরিয়ে অত্যাচারীর দিকে তাক করেনি।”
“দাসত্বের কথা বলছ? দাসত্ব ছিল দেহের নয়, আত্মার।”
জাপানি আবার বললেন:
“কতজন মোগল ভারতে এসেছিল? কয়েক হাজার মাত্র।
তবুও তারা শতাব্দীর পর শতাব্দী শাসন করেছে। সংখ্যার জোরে নয়, তোমাদের নিজেদের দাসত্বের কারণে।
বাঁচার জন্য… কিংবা রূপোর মুদ্রার জন্য, তোমরাই মাথা নোয়ালে।”
“তোমাদের নিজেদের মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে।
নিজের ভাইরাই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
নিজেরাই তোমাদের বীরদের ধরিয়ে দিয়েছে।
চন্দ্রশেখর আজাদকে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল।
ভগত সিংকে ফাঁসি দেওয়া হল, অথচ তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের মধ্যে একজনও এগিয়ে এল না।”
“তোমাদের শত্রুর দরকার নেই।
বারবার তোমাদের নিজেদের মানুষই বিক্রি করে দেয় ক্ষমতার জন্য, পদমর্যাদার জন্য, স্বার্থের জন্য।
এই কারণেই আমরা দূরত্ব বজায় রাখি।”
“যখন ব্রিটিশরা হংকং বা সিঙ্গাপুরে গিয়েছিল, স্থানীয়রা কখনও তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়নি।
কিন্তু ভারতে? তোমরা শত্রুর সেনায় যোগ দিয়েছিলে।
তাদের সেবা করেছিলে। তাদের পূজা করেছিলে।
নিজেদের মানুষ হত্যা করেছিলে তাদের খুশি করার জন্য।”
“আজও কিছু বদলায়নি।
একটু বিনামূল্যের বিদ্যুৎ, এক বোতল মদ, বা একটা কম্বলের জন্য—
তোমাদের ভোট, তোমাদের মন, তোমাদের কণ্ঠ বিক্রি হয়ে যায় পাইয়ে দেয়া রাজনীতির পায়ের তলায়।
তোমাদের আনুগত্য দেশের প্রতি নয়, পেটের প্রতি।”
“তোমরা স্লোগান দাও। মিছিলে হাঁটো।
কিন্তু যখন দেশ তোমাদের চরিত্র চায়, তখন কোথায় থাকো?
তোমাদের প্রথম আনুগত্য আজও পরিবার ও ব্যক্তিস্বার্থের প্রতি।
অন্য সব—সমাজ, ধর্ম, দেশ—বিলীন হতে পারে।”
শেষে তিনি বললেন:
“যদি দেশ শক্তিশালী না হয়, তোমার ঘরও নিরাপদ হবে না।
যদি চরিত্র দুর্বল হয়, কোনো পতাকাই তোমাকে রক্ষা করবে না।”
(কালেক্টেড)
05/08/2025
অবাক করার মতো হলেও সত্যি, এই মেয়েটিই এখন বাংলাদেশের ডিজিটাল ফ্যাশন দুনিয়ার অন্যতম আলোচিত নাম।✨
Sunehra Tasnim যার প্রতিটি লুক মানেই হাজারো তরুণীর নতুন ফ্যাশন অনুপ্রেরণা, নতুন এক সৌন্দর্যের সংজ্ঞা।
এই নতুন ভিডিওতে সুনেহরাকে দেখা গেছে একাধিক রূপে:
-কখনো গোলাপ কানে গুঁজে নস্টালজিক এক বাংলার বউ।
-কখনো হালকা গোলাপি জর্জেটে স্বপ্নময় এক পরী।
-কখনো আবার নীল-সাদা এমব্রয়ডার্ড শাড়িতে যেন রূপকথার রাজকন্যা।
আর সবচেয়ে মুগ্ধ করার মতো ব্যাপার হলো- প্রতিটি লুকে তার ভিন্ন এক এক্সপ্রেশন, ভিন্ন এক কম্পোজার, ভিন্ন এক মেজাজ।👌
তার মেকআপ সবসময় থাকে সফট, স্কিন-ফ্রেন্ডলি আর লাইট-ওয়েট, ঠিক যেমন ট্রেন্ড এখন গ্লোবাল স্কিন কেয়ারে।
চুলের স্টাইলিং? ফ্লাওয়ার অ্যাক্সেসরিজ থেকে শুরু করে কুইন ক্রাউন পর্যন্ত, সবখানে সুনেহরার নিজস্ব স্বাদ আর মেজাজের ছাপ স্পষ্ট।
কেউ কেউ ভাবতে পারেন, একটা সুন্দর মুখ থাকলেই বুঝি ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব করা যায়। কিন্তু সুনেহরার এই ভিডিও গুলো প্রমাণ করে দেয়, এটা শুধু সৌন্দর্যের খেলা নয়, এটা এক ধরনের “ক্রাফট”।
প্রতিটি ফ্রেমের পেছনে থাকে স্টাইল প্ল্যানিং, পোশাকের সঙ্গে মানানসই ব্যাকগ্রাউন্ড, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, মুড বোর্ড, আর নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশের নিঁখুত কৌশল।
আজ Sunehra Tasnim শুধু ফ্যাশন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নন,
তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন একটি ব্র্যান্ড।
তার রূপে রয়েছে নারীত্বের কোমলতা, ব্যক্তিত্বে রয়েছে আত্মবিশ্বাসের দীপ্তি, আর ফ্যাশন সেন্সে রয়েছে সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকার ছাপ। এই হলো সেই ম্যাজিক্যাল মিশ্রণ, যা তাকে করেছে সত্যিকারের ‘Digital Style Queen’ of Bangladesh. 👑
পৃথিবী জুড়ে ভূমিকম্প কিসের অশনী সংকেত? 🌋
প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার আর চুপচাপ নেই — যেন জেগে উঠছে। একটা অগ্নুৎপাত বা ভূমিকম্প হলে আমরা বলি, “হয়তো কাকতালীয়।” কিন্তু এখন? পুরোটা যেন একটা সতর্কবার্তা।
• রাশিয়ার ক্লুচেভস্কয় হঠাৎ করে বিস্ফোরিত
• মাউন্ট রেনিয়ারে রেকর্ড সংখ্যক ভূকম্পন
• আলাস্কার গ্রেট সিটকিন আর স্পার আবার জীবন্ত
• জাপানের সাকুরাজিমা আবার জেগে উঠছে
• ইন্দোনেশিয়ার লেওটোবি আর মেরাপি অস্থির
• মেক্সিকোর পোপোক্যাটেপেটল থামতেই চাইছে না
এগুলো আলাদা আলাদা ঘটনা নয় — যেন একে অপরকে টেনে তুলছে। পৃথিবীর চারপাশে যেন একসাথে শুরু হয়েছে এক ভূগর্ভস্থ যুদ্ধ।
এটা কি কেবল প্রকৃতির খেলা? নাকি ভেতরে, অদেখা কোথাও, টেকটোনিক প্লেটগুলোর চেয়েও গভীরে, কিছু একটা নড়েচড়ে উঠছে?
এমনকি ইউএসজিএস আর এনএইচকের মতো সংস্থারাও নিঃশব্দে ভাবতে শুরু করেছে — কিছু তো ঘটছেই।
👁️ কিছু একটা আসছে।
🧠 খেয়াল রাখুন।
📌 প্রস্তুত থাকুন।
পৃথিবী আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে — সে জীবন্ত, এবং ক্রমশ বদলাচ্ছে। আর সময় এসেছে, তাকে আরও মনোযোগ দিয়ে দেখা, আরও সম্মানের সঙ্গে বোঝার।
Sugar baby এক আপুর কাদুনি মার্কা ভিডিও দেখে আমি অ সুস্হ বোধ করছি যে মানুষ কতটা বে % হা % য়া হলে এসব বলতে পারে!
আমার প্রাক্তন এক অফিস কলিগ (female) যখন তার
D%%ভোর্সের পরপর কালাচাঁদপুর থেকে বাড়িধারা DOHS এ লক্ষ টাকার ভাড়ার ফ্ল্যাটে উঠল, যার বেতন ছিল মাত্র ২৫,০০০ টা%% কা, তখন জানতে পারি যে এটা ঢাকায় খুব কমন একটা ব্যাপার।
গুলশান, বনানী, বারিধারা, DOHS – এইসব এলাকায় অনেক মেয়েই থাকেন যাদের জীবনধারা আর ইন** কামের মাঝে বিস্তর ফারাক। চাকরি করলে হয়তো ৩০,০০০ টা%% কার বেশি আয় হতো না, অথচ বাসা লক্ষ টাকার, চলাফেরা গাড়িতে, সব ব্র্যান্ডেড পণ্যের ব্যবহার—এই লেভেলের lavish lifestyle আসলেই কোথা থেকে আসে?
না, এরা অনেকেই ধনী বাবার মেয়ে না। বরং সমাজে একটা চিনিবাবা ঘরানার লোকজন আছে যারা টাকার জোরে সম্পর্ক তৈরি করে, আর সেই টাকায় চলে এমন অনেক মেয়ের জীবন। এই মেয়েরা এখন যখন মিডিয়ায় এসে কাঁদে—আমি অন্তঃসত্ত্বা, ও আমাকে বিয়ে করছে না—তখন মেয়ে হয়েও আমি একটুও দুঃখ পাই না।
প্রথমত, এই so called অল্প বয়সী innocent আপুরা এতই innocent যে তারা ভালোবেসে নাকি ধরা খায়,
বিয়ের প্রলোভন দিয়ে নাকি চিনি বাবারা তাদের ব্যবহার করে!
তারা এতটাই innocent যে, সিঙ্গেল ছেলেদের বাদ দিয়ে যায় সেইসব লোকদের সাথে যায়, যাদের সংসার আছে, বউ আছে, বাচ্চা আছে, (most importantly taka আছে)
তারা এতটাই innocent যে, বিয়ে না করেই প্রেগ%%**ন্যান্ট হয়ে যায়, অথচ কিছুই বোঝে না!
আর তাদের পরিবার?
তাদের তো innocence level ১০০০!
মেয়ে কোথায় থাকে, কীভাবে লাখ টাকার বাসায় থাকে, গাড়িতে চড়ে, হাই ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্ট ব্যবহার করে—সবই যেন অজানা!
মাসে ২৫-৩০ হাজার টাকা বেতনে এইসব lifestyle কিভাবে সম্ভব, সেই হিসাবটাও যেন পরিবারের মাথায় আসে না!
সব বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকে।
আমার কেন এই কাঁদুনি দেখে হাস্যকর মনে হয় জানেন?
এই মেয়েরা যখন সচেতনভাবে বিবাহিত পুরুষকে টার্গেট করে, তারা নিজেরাও জানে যে এ সম্পর্কের কোন পরিণতি নাই তারপরও love না lov এর কারনে তারা give and take এ থাকে।
এদের এমন সম্পর্কগুলো সমাজে একটি বিপজ্জনক বার্তা ছড়াচ্ছে যে , নৈতিকতা দিয়ে কিছু হয় না, shortcut মারলে lifestyle পাওয়া যায়। এটা একটি পুরো প্রজন্মকে দুর্বল, দায়িত্বহীন ও বিকার%%% গ্রস্ত করে তুলছে।
এরা পেটের ক্ষুধায় এগুলো করে না , এরা করে মনের ক্ষুধায়! status upgrade করতে যেয়ে কোন তলানিতে চলে যায় নিজেরাও জানে না।তাই ইউটিউবার সাংবাদিক ভাইদের বলছি বাইট পাওয়ার জন্য এদের প্রমোট করেন না, কে জানে এদের মত লাইফস্টাইল পাওয়ার জন্য হয়ত আপনার বাড়ির মেয়েটাই স্বপ্ন দেখবে, পরিনতি যার খুবই ভয়াবহ!
Collected
30/06/2025
আজকের সকালের ঘটনা। (29 June 2025)
আমার এক সহকর্মী মিরপুর-১১ থেকে কাওরান বাজার যাচ্ছিলেন মেট্রোরেলে। মেট্রোরেলে এই নারীকে শিশুটির সঙ্গে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়।
নারীটি আগারগাঁও স্টেশনে নেমে যান। যদিও আমার সহকর্মীর গন্তব্য ছিল কাওরান বাজার, তবু তিনি সন্দেহবশত আগারগাঁওতেই নেমে পড়েন। কারণ, তাঁর নিজেরও দুইটি মেয়ে আছে এবং তাঁর মনে হয় শিশুটি এই নারীর সন্তান নয়। বিষয়টি তাঁকে অস্বাভাবিক লাগে।
স্টেশন থেকে বের হওয়ার সময় তিনি নারীকে জিজ্ঞাসা করেন, "এই শিশু আপনার কে হয়?"
নারীটি উত্তর দেন, "আমার মেয়ে।"
শিশুটি তখনো স্পষ্ট করে কথা বলতে পারে না, আধো আধো কথা বলে।
আমার সহকর্মী শিশুটিকে জিজ্ঞেস করেন, "তোমার মা কোথায়?"
শিশুটি মাথা নাড়িয়ে বলে, "মা নাই।"
তখন সঙ্গে সঙ্গে নারীটি শিশুটিকে বলে, "এই যে মা।"
পরে আবার আমার সহকর্মী শিশুটিকে জিজ্ঞেস করেন, "তোমার মা কে?"
এবার শিশুটি ওই নারীকে দেখিয়ে দেয়।
এরপর সহকর্মী নারীকে জিজ্ঞেস করেন, "আপনি কোথায় থাকেন?"
নারীটি বলেন, "মিরপুর-১১ তে।"
"আপনার স্বামী কী করেন?"
উত্তর দেন, "ছোট একটা চায়ের দোকান চালান। আমি বাসায় কাজ করি।"
"স্বামীর মোবাইল নাম্বার দিন," বললে নারীটি বলেন, "নাম্বার মুখস্থ নেই, আমারও কোনো মোবাইল নেই।"
"আগারগাঁওতে কোথায় যাচ্ছেন?" জানতে চাইলে বলেন, "এখান থেকে বাসে করে মহাখালিতে যাবো। একজন আত্মীয় হাসপাতালে ভর্তি, তাঁকে দেখতে যাবো।"
পরে আমার সহকর্মী সকাল ৯:১৭ মিনিটে তাঁদের মহাখালি-গামী ‘রইস’ বাসে তুলে দেন।
শিশুটির সাজ-পোশাক এবং চেহারা দেখে কোনভাবেই মনে হচ্ছে না সে এই নারীর সন্তান।
অনেক সময় দেখা যায়, বাবা-মা দুজনই চাকরিজীবী হওয়ায় বাসায় কাজের মহিলা থাকেন। কিছু ক্ষেত্রে কাজের মহিলারা শিশুদের নানা খারাপ কাজে ব্যবহার করেন। আমাদের সন্দেহ, হয়তো এই নারী শিশুটিকে ব্যবহার করে রাস্তায় ভিক্ষা করেন।
তবে এটাও হতে পারে আমাদের সন্দেহ একেবারে ভুল।
পোস্টটি করার উদ্দেশ্য হলো, যদি কেউ এই শিশুটিকে চিনে থাকেন, তাহলে দয়া করে তার বাবা-মা বা আত্মীয়-স্বজনকে দ্রুত জানাবেন।
আমার কলিগঃ
সালেহ আহম্মেদ হেলালী
মোবাইলঃ 01673459054
We kindly request everyone to share this post on their social media platforms to help ensure the child's safety.
Collected
Nisshorgo Hotet and Resort they have amazing hospitality superb food quality n awesome view. I just love it too good 👍
মন ভালো করতে চাইলে সমুদ্র পাড়ে যাও আকাশের দিকে তাকাও🏖️🌫️
নিজের বাচ্চা আরেকজনের কোলে দিয়ে মাছের বাচ্চাকে খাওয়াইতাছি🤣
24/06/2025
পড়ে আপনার টাইম লাইনে রেখে দিন----
ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।
হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।
হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।
ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!
৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।
এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।
মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।
তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।
তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।
তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।
কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।
তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।
বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!
ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।
বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।
১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।
যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।
তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।
তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!
জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।
ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!
আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!
আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!
Copy post
08/06/2025
সচেনতা মুলক পোস্ট🎗️🎗️বিশেষ করে যারা ঢাকায় আছেন পুরোপুরি পোস্টটা পড়বেন। গত দুইদিন আগে আমরা গরুর মাংস কিনতে চাই বাজারে এবং ৪ কেজি মাংস কিনে নিয়ে আসি বাসায় আসার পরে রাতের বেলা রান্না করি। মাংসটা খাওয়ার পর একটা অদ্ভুত ফিলিংস আসে যেটা অন্যান্য সময় গরুর মাংস খেলে যে স্বাদ পাওয়া যায় সেই স্বাদ কিন্তু কোনোভাবেই পাচ্ছিলাম না। এবং সন্দেহ আরো বেড়ে গেল। অনেক কিছু রিসার্চ করার পরে বুঝলাম এটা গরুর মাংস না পুরো ৪ কেজি মাংস ই গরুর মাংস বলে ঠকিয়েছে।প্রথমে যখন গরুর মাংস কেনা হয় কোনভাবেই কিন্তু বোঝার উপায় ছিল না যে এটা আসলে গরুর মাংস নাকি অন্য কিছুর। রান্না করে খাওয়ার পরে বুঝলাম যে কত বড় অন্যায় হয়েছে আমাদের সাথে।পরে বুঝলাম যেটা আসলে গরুর মাংস না ঘোড়ার মাংস। বর্তমানে অনেক অসাধু ব্যবসায়ি ঘোড়ার মাংস কে গরুর মাংস বলে চালিয়ে দিচ্ছে। ঘোড়ার মাংসের দাম অনেক কম সাড়ে ৩০০ টাকা কেজি অপরদিকে গরুর মাংস সাড়ে 600 থেকে 700 টাকা কেজি। এখন চলুন জেনে নেওয়া যাক আমি কিভাবে বুঝলাম এটা ঘোড়ার মাংস।
🎉প্রথমত এই মাংসটা হালকা গোলাপি কালার হবে কাঁচা অবস্থায়।
🎉ঘোড়ার মাংসে চর্বি কম যখন আপনি মাংসটা পানি দিয়ে পরিষ্কার করবেন দেখবেন পাতিলে কোনরকম চর্বি নাই।
🎉 মাংস কিনে আনার পরই বুঝতে পারবেন যে চর্বি খুবই কম থাকবে মাংসের পরিমাণই বেশি থাকবে এবং হালকা গেলাপি।
🎉খুব দ্রুত রান্না হয়ে যাবে
🎉এবং এইটা খাইতে হালকা মিষ্টি
🎉আশ খুবই মোটা মোটা হবে মসলা তে মিশবেনা।
🎉মাংসের আঁশগুলো খুবই নরম এবং খুবই দ্রুত ছিড়ে যাবে হাতে নেওয়ার সাথে সাথেই ছিড়ে যাবে।
🎉মাংস দিয়ে ভাত খাবেন কিন্তু প্লেট যখন পরিষ্কার করবেন প্লেটে কোন চর্বি পাবেন না আপনার প্লেট পরিষ্কার করার জন্য ভিম প্রয়োজন হবে না জাস্ট নরমাল পানি দিয়ে প্লেট ধুয়ে ফেলতে পারবেন এবং হাতও সেরকম পান দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে পারবেন কোনরকম চর্বি থাকবে না হাতে।
এগুলো সব নিজের এক্সপেরিয়েন্স থেকে নেওয়া😰😰আসলে যাদের খাওয়ার অভ্যাস নেই তাদের প্রথমে খেয়েই এই টেস্ট নিয়ে বুঝে ফেলতে পারবেন।
☠️মাংস কিনেছিলাম মিরপুর ১১ নম্বর কাচার বাজার থেকে। আমার পোস্টটি যদি আপনাদের কাছে কোনোভাবে পৌঁছে যাই এরপরে যদি এইভাবে মানুষকে ঠকান আমরা নিজেরাই পদক্ষেপ নিব।
💥বেশি বেশি করে শেয়ার করুন বিশেষ করে যারা ঢাকাতে আছেন কোনভাবেই প্রতারিত হবেন না।গরুর মাংস কেনার সময় খুব সাবধানে কিনবেন।
Collect
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Show Room: 115 Shantibagh
Dhaka
1217
