Princess Skin
Authentic Skin Care product provider.
10/10/2022
মধ্যবয়সী নারী পুরুষ, বিশেষ করে নারীদের ত্বকের একটি কমন সমস্যা মেছতা!
নারীদের গর্ভাবস্থায় যে হরমোন গুলো বাড়ে সেটির কারনে মেছতা বেশি হয়। এছাড়াও জন্ম নিয়ন্ত্রণের পিল, ইনজেকশন এবং ইমপ্ল্যান্টের কারনেও মেছতা হয়ে থাকে।
অপরপক্ষে সুর্যের আলো আমাদের ত্বক পুরোপুরি শোষন না করতে পেরে কিছু অংশ কালো হয়ে যায় যা পরবর্তীতে মেছতায় রুপান্তর হয়। পুরুষদের মেছতার প্রধান কারণ এটি।
আপনাদের মেছতা এবং বাদামী তিলের পরিপূ্র্ণ সমাধানের জন্য আছে Gangdang Peeling Set
এটি ব্যবহারে আপনাকে বাদামী তিল, লাল তিল এবং মেছতা থেকে দিবে চির মুক্তি। আপনার ত্বক কে করবে আরও উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত। এই সিরামটি ব্যবহারে আপনার ত্বক লালছে হবে না। মেছতা এবং Hyperpigmentation এর জন্য খুবই কার্যকরী।
⚠️ কমদামে নকল পন্য কিনে আপনার মূল্যবান ত্বকের অপূরণীয় ক্ষতি করবেন না।
বিস্তারিত জানতে এবং অর্ডার করতে আমাদের Send Message করুন অথবা কল করুন 📞
ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি
☎️ কল করুনঃ 01913160468
06/10/2022
। Wholesale পাইকারি। Face Combo Contact Number 01685556480/01913160468। Jara Wholesale a product niye business korte chassen and Jara already Business Korsen Amader deya numbere jogajaog korben. Amra home delivery diye thaki Bang...
05/10/2022
Pinklady Juice
+880 1685-556480
Available
03/10/2022
Pujar offer cholse .
27/09/2022
Imme Set.
Bron Combo.
26/09/2022
Angle Melasma Cream
20/09/2022
Kojic Papaya Soap
19/09/2022
Pink Lady Whitening Juice.
18/09/2022
𝐃𝐨𝐥𝐥 𝐒𝐚𝐟𝐟𝐫𝐨𝐧 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐩𝐚𝐜𝐤 🌸❤😍
জেল, সিরাম আর প্যাক সব একসাথে মিক্সড করা আছে🥰 প্যাকটি ব্যবহারে বয়সের ছাপ কমাবে গ্যারান্টি।
💝এটা স্কিনটাকে ভেতর থেকে ফর্সা করবে,spot out করবে।
Sun👉 tan দূর করবে। ত্বকের ভাজ দূর করে টানটান করবে।🌼যাদের স্কিনের গর্ত রয়েছে তাদের পোরস মিনিমাইজ হবে।
Inbox for order 💜
16/09/2022
Pink Lady Juice
15/09/2022
Good Health
15/09/2022
আমাদের পরিবারটা পাচঁ জনের।আব্বু আম্মু আমার দুই ভাই,, আর আমি।দুই ছেলে সন্তান হওয়ার পর আমার আগমনে আমার বাবা অনেক খুশি ছিলেন।আমাদের পরিবারে প্রথম দিকে আমার বাবা একাই রোজগার করতেন কিন্তু দিন যতই যাচ্ছিলো সব দিক দিয়ে খরচ বাড়ায় আমার আম্মু একপর্যায়ে চাকরির খোজে বেড়িয়ে যান। আমার মা বাবা দুজনেই লেখাপড়া জানতেন।তাই খুব একটা চাকরির জন্য সমস্যায় পরতে হয়নি তাদের।এই ভাবে দিন কাটতে লাগলো আমাদের।আমার আব্বুর সপ্ন ছিল আমার ভাইকে ইঞ্জিনিয়ার বানাবে এবং তার সপ্ন সত্যিতে পরিণত হলো। আমার ভাইও অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে তা আমার নিজ চোখেই দেখা।
২০১৮।।
আমি তখন আমাদের বাড়ির সামনে বসে ছিলাম।সময় হবে সকাল ১১ টা। আমার ভাইয়া হটাৎ করে অফিস থেকে বাসায় চলে এসেছে,, অথচ সে সকাল ৭ টা নাগাদ অফিস চলে গিয়েছিল,তবে কেন সে এখন আবার বাসায় আসলো।আমি তাকে জিজ্ঞাসা করবো ভেবেছিলাম কিন্তু তার মুখের অস্থিরতা দেখে আমি তাকে কিছুই জিজ্ঞাসা করতে পারি নি।আমি দেখলাম আমার ভাই খুব দ্রুত আমার মায়ের ঘরে ঢুকে গেল। আচমকাই আমি শুনতে পেলাম আমার ভাই কাদছে।এই প্রথম বারের মতো আমি ভাইয়ার কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই। প্রায় ২০ মিনিট পর ভাইয়া অফিস চলে গেল।আম্মু আমাকে নাস্তা খেতে ডাক দিচ্ছিলেন। আমি যেয়ে দেখি আমার মা আমার সামনে অঝোরে কাদছে।আমি অনেকটা আন্দাজ করতে পেরেছিলাম,,কিন্তু আম্মুকে কিছু বলার সাহস পাই নি।মেয়েরা যতই বাবার আদরের হোক না,,, যতই বাবাদের পক্ষে টানুক না কেন মায়েরদের জন্য মেয়েদের একটা আলাদা টান আছে। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক একি। সে দিন বিকাল বেলা আমি খেলতে যাইনি।আমি মেয়ে হলেও আমি ছেলেদের সাথে ক্রিকেট ফুটবল খেলতে যেতাম।প্রতি দিনের মতো সে দিন আমার বন্ধু মাহিন আমাকে ডাকতে এসেছিল কিন্তু আম্মুর অবস্থা খুব একটা ভাল ছিল না তাই আমি যাই নি।সন্ধা ৬টায় আব্বু বাসায় ফিরে আসে।ঘরে তখন তুমুলঝগড়া,,, বলে বুঝানো সম্ভব না কি পরিমাণ ঘরে অশান্তি চলছিল। সারারাত সে দিন ঝগড়া।
সকালবেলা যে যার মতো নাস্তা করে বেরিয়ে গেল।ভাইয়া চাকরি করার পর থেকে আম্মু তার শিক্ষকতা করা ছেড়ে দিয়েছিলেন।ভাইয়া খুব ভালো কামাতো।স্বাভাবিক ভাবে আগের দিন গুলোর মতো কাটতে লাগলো,, মনেই হলো না গতদিনের রাতের কথা।আমার ফাইনাল পরিক্ষার ঠিক ১মাস আগে শুনলাম ভাইয়ার নাকি বিয়ে।কিহ।।।।আমার ভাইয়ার বিয়ে!!!
অবাক লাগলো আবার খুশিও লাগলো,,,
বিয়ে সম্পুর্ন হলো। বিয়েতে আমার বাবার অমত ছিল কারন অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছেন। তিনি চাইতেন তার ছেলে যেহেতু একজন ইঞ্জিনিয়ার তার বউ হবে একজন ডাক্তার। কিন্তু আল্লাহ যার ভাগ্যে যাকে লিখে রেখেছেন তার সাথেই বিয়ে হলো। কথা ছিল মেয়ের বাবা-মার তাদের মেয়েকে ৩ বছর পর তুলে দিবেন আমাদের বাড়িতে।মোহর করে তাকে ঘরে রেখেছেন। মাঝেমধ্যে ভাইয়া তাকে আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আনতো। এই দিকে আমিও বড় হতে লাগলাম।আমার আরেক ভাইও তার পড়াশোনা শেষ করে ভালো একটা চাকরির আশায় অনেক চেষ্টা করছিল।আমি যখন এসএসসি পরিক্ষা দিলাম তখন ভাইয়ার বিয়ের ৩বছর পরিপূর্ণ হলো। আমার ভাবিকে আমাদের বাসায় আনার সময় হয়ে গিয়েছিল।কিন্তু আমরা আমাদের বাড়ি অন্য এক জায়গায় শিফট করাতে তাকে ঠিক সময়ে আনা হয়নি।আমাদের নতুন বাড়ির কাজ করা ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছিল,,,, আমাকে কলেজ এ ভর্তি করানো হলো কিন্তু আমরা যে জায়গায় থাকতাম ওখান থেকে আমার কলেজ অনেক দূরে ছিল তাই আমাকে হোস্টেলে রাখা হলো।হোস্টেলে রাখার পর আমি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হই।খাওয়া দাওয়া থাকা সব কিছুতেই আমি অনেক কষ্ট পাই।কিন্তু আব্বু আম্মুকে কিছুই বলি নাই। কারন পড়ালেখার জন্য এতটুকু সেক্রিফাইস করাই যাই।
ওইদিকে আমার আম্মু ঘরের সব কাজ তারপর বাড়ির কাজ মানে মিস্ত্রি দেখাশুনা সব একাই করতেন। আমার ভাবি ঘরের কোন কাজ পারতো না। রান্নাঘরের কাজ বলতে সে কিছুই জানে না। আমার তাকে কোন দিন কাজের বেপারে একটু ডাক দিতেন না কারন সে পরের ঘরের মেয়ে তাকে আদেশ করা বা তার উপর কোন কাজ চাপিয়ে দেওয়া এসব আমার মা করতেন না। নিজের কাজ নিজে করাই ভালো মনে করতেন। আমার ভাবি ঘরের কোন কাজ তহ করতই না বরং সে তার মায়ের বাড়ি গেলে ১/২ মাস থেকে আসত।আমার ভাই তার পছন্দ মতো বিয়ে করেছে।সে দিন যখন অফিস থেকে বাসায় এসেছিল আম্মুর কাছে বলেছিল তাকে যদি সে মেয়ের সাথে বিয়ে না দেওয়া হয় সে ঘর ছেড়ে দিবে।মেয়ে নাকি শিক্ষিত অনেক উঁচু বংশের। অনেক শিক্ষিত বার বার খালি এটাই বুঝাচ্ছিল। আমি পাশের ঘর থেকে সব শুনেছিলাম সেদিন। আমার বয়স খুব বেশি না কিন্তু আমার বুঝার বয়সটা হয়েছে।একটা মেয়ে যতই শিক্ষিত হোক না কেন,,,যতই সে দেশ বিদেশ স্বাধীন ভাবে ঘুরিয়ে বেড়িয়ে কাটাক,,,, দিন শেষে তাকে তার পরিবারের কাছেই ফিরে আসতেই হয়।আমি বলছি না তাকে যে আমাদের বাসায় তাকে দাসীর মতো খাটতে হবে। মেয়েদের এই দুনিয়াতে আপন বাড়ি বলতে কবর বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই।তাকে শুধুই কিছু দিন পর পর জায়গা বদলাতে হয় আর এটাই নিয়ম।।
আমার মা সারাদিন কালুর বলদের মতো খাটতে থাকেন কিন্তু তার সাথে বিনয়ের সহিত দুটো কথা বলবে এমন কেউ নেই। মায়ের ভালবাসা কি জিনিস আমি সেটা খুব কম বুঝিছি কারন আমার জন্মের পরে আম্মু চাকরি করেছিল।আমাকে আব্বু সারাক্ষণ তার কাছে রেখেছেন কিন্তু তবুও কেন জানি আমার মায়ের জন্য আলাদা একটা টান কাজ করে। পড়াশোনা করার জন্য আমি ঘরের বাইরে থাকি তাই বলে আমি আমার পরিবারে সময় দিতে পারছি না। আমার মায়ের জন্য কেন জানি খুব কান্না পায়,,জানি না কবে আমি মায়ের জন্য অনেক অনেক বড় কিছু করতে পারবো। আমার ভাইয়ের উপর আমার অনেক অভিমান জমেছে সেটা আমি বলে বুঝাতে পারব না। আমি ছুটিতে যখন বাসায় যেতাম দেখতাম সকাল ১১ টার পর তারা ঘুম থেকে উঠে, নাস্তা করে রুমে চলে যেত আবার দুপুরে খাওয়ার জন্য রুম থেকে বেড়িয়ে আসত। এটাকে কি জীবন বলে??
আমার মা সবার আড়ালে কান্না করে আমি সেটা খুব ভালো করেই জানি। আমি আসলে মাকে কি বলে সান্ত্বনা দিব বুঝে উঠতে পারি না।। 🙂
সত্য ঘটনা অবলম্বনে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক,,,,, এক আপুর জীবনের সত্য ঘটনা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Keranigang
Dhaka
