Bangla beauty tips

Bangla beauty tips

Share

Welcome to my page. Here you will find all bangla beauty tips, Health Tipss & recipes all the inform

Photos from Bangla beauty tips's post 04/05/2026

“Japan থেকে original skincare 💯”

04/05/2026

🇯🇵 Japan থেকে Original Product চান?

✔️ 100% Authentic
✔️ Best Quality
✔️ Trusted Service

🔥 Limited Stock
📩 Inbox Now!

Japan Theke Best Product 🇯🇵

Photos from Bangla beauty tips's post 04/05/2026

“আপনার বেবির জন্য safe Japanese product 👶”

04/05/2026

💄 সুন্দর ত্বকের জন্য জাপানিজ সিক্রেট!

জাপানিজ skincare মানেই healthy, glowing skin ✨
এখন আপনি পাচ্ছেন Japan থেকে original skincare:

✔️ Shiseido
✔️ Hada Labo
✔️ DHC

🌸 আপনার স্কিনের জন্য:
✅ Deep hydration
✅ Bright & smooth skin
✅ Trusted Japanese formula

🚚 ডেলিভারি: ১০–১৫ দিন
📩 এখনই অর্ডার করুন

নিজেকে দিন জাপানিজ গ্লো 🇯🇵✨

04/05/2026

🍼 আপনার বাচ্চার জন্য সেরা জাপানিজ প্রোডাক্ট!

মায়ের সবচেয়ে বড় চিন্তা—বাচ্চার নিরাপদ ও ভালো প্রোডাক্ট 👶
আমরা নিয়ে আসছি জাপান থেকে trusted baby items:

✔️ Baby Milk Powder
✔️ Baby Lotion & Cream
✔️ Safe & Gentle Products

🎯 কেন জাপানিজ বেবি প্রোডাক্ট?
✅ উচ্চমানের quality
✅ Safe & tested
✅ Baby skin friendly

🚚 ডেলিভারি: ১০–১৫ দিন
📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন

আপনার সন্তানের যত্নে আমরা আছি সবসময় ❤️

04/05/2026

🇯🇵✨ জাপান থেকে অরিজিনাল প্রোডাক্ট এখন আপনার হাতে!

আপনি কি খুঁজছেন আসল, কোয়ালিটি আর ট্রাস্টেড প্রোডাক্ট?
তাহলে আপনি ঠিক জায়গাতেই এসেছেন 💯

আমরা জাপান থেকে সরাসরি নিয়ে আসছি:
✔️ স্কিনকেয়ার (Shiseido, Hada Labo, DHC)
✔️ বেবি প্রোডাক্ট (Milk Powder, Lotion)
✔️ জাপানিজ স্ন্যাকস (KitKat, Tokyo Banana 🍫)
✔️ লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন (Uniqlo)

🎯 কেন আমাদের থেকে কিনবেন?
✅ ১০০% অরিজিনাল প্রোডাক্ট
✅ জাপান থেকে সরাসরি সংগ্রহ
✅ রিজনেবল প্রাইস
✅ পুরো বাংলাদেশে ডেলিভারি

🚚 ডেলিভারি টাইম: ১০–১৫ দিন

📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন এখনই!

আপনার বিশ্বাসই আমাদের শক্তি ❤️
Japan Theke Best Product — আপনার বিশ্বস্ত শপ 🇯🇵

10/05/2022

আমি এখন জাপানে আছি, কেউ যদি কোন বিউটি প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে চান ইনবক্স করতে পারেন

11/05/2021

সন্তান,
পরীক্ষা করা অবৈধ। আমরা সবাই এটা জানি। তবুও ছেলে বা কন্যা সন্তান নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন রয়েছে। তবে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ আর মানুষের হাতে নেই। ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের একচেটিয়া অধিকার প্রকৃতির।

তবে একদল ব্রিটিশ গবেষকই সেই গোপন বিষয়টি আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করছেন। যদিও এ সম্পর্কে একেবারে নিশ্চিত হওয়ার কোনও উপায় নেই তবে একটি ছোট প্রাকৃতিক কৌশল গ্রহণ করা যেতে পারে। তার অর্থ আপনার বাচ্চা ছেলে বা মেয়ে হবে, এটির উপর আপনার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বেশিরভাগ ব্রিটিশ গবেষকের সমীক্ষা রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

মূলত, এই পদ্ধতিটি শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময়কালের উপর নির্ভর করে। শিশুটি ছেলে বা মেয়ে হবে, এটি শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময়টিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে? এক্ষেত্রে প্রথমে ভ্রূণের লিঙ্গ আপনাকে দুটি জিনিস ভাল করে জানতে এবং বুঝতে হবে। একটি হল ওভুলেশন নামক প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, অন্যটি শুক্রাণু কীভাবে এটি প্রভাবিত করে। আসুন প্রথমে দেখি কীভাবে ডিম্বস্ফোটনের প্রক্রিয়া কাজ করে। ডিম্বস্ফোটন প্রক্রিয়া: ডিম্বস্ফোটন ঘটে যখন মহিলা দেহের প্রতি মাসে পাঁচ দিন সময়কাল থাকে। গর্ভধারণের সেরা সময়টি তিন দিন আগে এবং ডিম্বস্ফোটনের একদিন পরে day কারণ, ডিমটি 24 ঘন্টা কার্যকর থাকে। তবে নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত শুক্রাণু কার্যকর থাকতে পারে। সুতরাং, এটি জানা গেল যে এই সময়ের মধ্যে গর্ভাবস্থা হতে পারে। আসুন এখনই জেনে নেওয়া যাক, শিশু কীভাবে ছেলে বা মেয়ে হতে পারে। এবং তার জন্য আপনার শুক্রাণুর প্রভাব সম্পর্কে জানতে হবে।

শুক্রাণুর প্রভাব:

এক্স ক্রোমোজোমের সাথে ডিমটি কোনও শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে, শিশুটি একটি মেয়ে এবং যদি ওয়াই ক্রোমোজোমে ডিমটি নিষিক্ত হয়, তবে শিশুটি একটি ছেলে হবে। Y শুক্রাণু তুলনামূলকভাবে ছোট, তবে বেশ দ্রুত। তারা খুব বেশি দিন বাঁচে না। এই দিকে এক্স শুক্রাণু বেশ বড় এবং ধীর, তবে তারা আবার একটু বেশি সময় বেঁচে থাকে।

আপনি যদি ছেলে হিসাবে একটি ছেলে চান, তবে আপনাকে এমন ব্যবস্থা করতে হবে যাতে Y শুক্রাণু খুব তাড়াতাড়ি ডিমের আরও কাছে যেতে পারে। এটির জন্য, ডিম্বস্ফোটনের দিন মহিলার মিলন করা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় শুক্রাণু তেমন কার্যকর হবে না।

আবার, আপনি যদি একটি বাচ্চা মেয়ে চান, আপনার ডিম্বস্ফোটনের দুই থেকে তিন দিন আগে দেখা করতে হবে। সমস্ত ওয়াই শুক্রাণু ডিম্বস্ফোটনের আগে মারা যায়, যা একটি বাচ্চা ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমাবে। কেবল এক্স শুক্রাণু বেঁচে থাকবে। ফলস্বরূপ, কন্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়বে।

তবে এই প্রতিবেদনটি কোনওভাবেই কন্যা বা ছেলের জন্মকে উত্সাহ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। এটি কেবল একটি গবেষণা তত্ত্ব। পুত্র বা কন্যা সন্তান, যা কিছু হোক না কেন, সন্তান ধারণ করা জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। এই প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাকে হাইলাইট করেছে।

06/10/2020

ফুডপয়জনিং কেন হয়:
Bangla beauty tips এ আপনাকে স্বাগতম।

যদি কোনো খাবার খেয়ে বারবার বমি, পাতলা পায়খানা, জ্বর, পেটব্যথা শুরু হয়, তাহলে বুঝতে হবে ‘ফুড পয়জনিং’ হয়েছে ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়া একটি সাধারণ রোগ। বেশিরভাগ সময়ই অনেককে দেখা যায় এই রোগে ভুগতে। খাবার থেকে যে অসুস্থতার সৃষ্টি হয় তাকে ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়া বলে। যখন কেউ দূষিত, নষ্ট বা বিষাক্ত খাবার খায়, যা ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস এবং পরজীবী দ্বারা সংক্রামিত তখন ফুড পয়জনিং হয়ে থাকে।

কেন হয়?

১। কোলি, সালমোনেলা এবং লিস্টারিয়া জাতীয় ব্যাকটিরিয়া খাদ্যে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিং সৃষ্টি করে। বিশ্বের রোগ নিয়ন্ত্রন ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলোর মতে, সালমোনেলা নামক ব্যাকটিরিয়ার কারনে প্রতিবছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১.২ মিমিয়ন মানুষ ফুড পয়জনিং ২৩,০০০ জন হসপাতালে ভর্তি হয় এবং ৪৫০ জন মারা যায়। অন্য আরো দুটি স্বল্প-পরিচিত ব্যাকটিরিয়া আছে যা খাবারকে দূষিত করতে পারে তা হল – ক্যাম্পিলোব্যাক্টর এবং ক্লসটিরিডিয়াম বেটুলিনাম (বেটুলিজম)

২। ভাইরাস: বিশেষত নোরোভাইরাস, যা নরওয়াক ভাইরস নামেও পরিচিত, এর কারণে প্রতিবছর ১৯ মিলিয়নেরও বেশি এই সমস্যাটি হয়ে থাকে। হেপাটাইটিস ভাইরাসটিও খাবারের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে।
Ba
ngla beauty tips
চিকিৎসা



ফুডপয়জনিং হলে প্রথমত খাবার-দাবার খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে নরম খাবার দেওয়া ভালো। এ ছাড়া লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া উচিত। যেমন- জ্বর হলে প্যারাসিটামল, বমি ও পাতলা পায়খানা হলে খাবার স্যালাইন দেওয়া যায়। পাশাপাশি ফুডপয়জনিংয়ের তীব্রতা অনুযায়ী উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুনাশক ওষুধ সেবন করলে দ্রুত ফুডপয়জিংয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি নিরাময় লাভ করতে পারেন।



প্রতিরোধের উপায়

১। রাস্তার খোলা খাবার খাবেন না।

২। পানি ফুটিয়ে খেতে হবে।

৩। বাসন-কোসন ভালোভাবে ধুতে হবে।

৪। খাওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুতে হবে।

৫। দুধ, কলা, ফলমূল বেশি দিন পুরনো হয়ে গেলে খাবেন না।

৬। গরমের সময় হোটেলের খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কেননা অনেক হোটেলেই স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়টি লক্ষ্য রাখা হয় না।

৭। যতটা সম্ভব টাটকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। কয়েকদিন ধরে ফ্রিজে রাখা আছে এমন খাবার খাওয়া ঠিক নয়।

৮। খাবার ঠিকমতো ঢেকে রাখুন, নয়তো বিভিন্ন ধরনের কীটপতঙ্গ খাবারে বসে জীবাণু ছড়াতে পারে।



কখন ডাক্তার কাছে যাবেন?

খাদ্যজনিত অসুস্থতা অধিকাংশ সময় একা একাই ভালো হয়ে যায়। তবে নিচের উপসর্গগুলো হলে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিতঃ

প্রচন্ড জ্বর, রক্তাক্ত মল ,দীর্ঘায়িত বমি, ৩ দিনের বেশি স্থায়ী ডায়রিয়া, ডিহাইড্রেশন এর চিহ্ন (শুষ্ক মুখ, মাথা ঘোরা, প্রস্রাব কমে যাওয়া)
Thanks to visit all bangla beauty tips

06/10/2020

মাথা ব্যাথার কারন ও প্রতিকার

দৈনন্দিন জীবনে মাথা ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। মাথা ব্যথা অনেক বিরক্তিকর, তবে বেশীর ভাগ মাথা ব্যথাই মারাত্মক রোগ নির্দেশ করেনা । মাথা ব্যাথার অনেক কারন রয়েছে। যেমন, সাইনাস, ক্লান্তি , পানিশূন্যতা, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব,দুশ্চিন্তা ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ,অতিরিক্ত ব্যথানাশক ব্যবহার , ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সর্দি-কাশি, মাথায় আঘাত, টিউমার, ইনফেকশন, দাঁতের রোগ ইত্যাদি। কাজেই এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সবার আগে এসব অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে।



সাইনাস এর সমস্যাটা নিয়ে একটু বলি :

সাইনাসজনিত মাথা ব্যথার রোগী অনেক। খুলির হাড়ের মধ্যে অবস্থিত কিছু ফাঁকা জায়গা থাকে, যাকে সাইনাস বলে । চোখের পেছনে, নাকের হাড়ের দুই পাশে এ রকম ফাঁকা জায়গা রয়েছে, যাতে সর্দি জমে সাইনোসাইটিস বা প্রদাহের সৃষ্টী হয়। ফলে বাতাস আটকে যায় এবং মাথা ব্যথা হয়। এ মাথা ব্যথা কপালে বা গালের দুই দিকে কিংবা চোখের পেছনে হয় এবং কিছুটা জ্বরবোধ হয়।

চিকিৎসা :এতে অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ বেশ কাজ করে। এ ছাড়া গরম পানি দিয়ে গোসল করলে অথবা গামলায় গরম পানি নিয়ে নাক দিয়ে বাষ্প টেনে নিলে আরাম পাওয়া যায়। খুব বেশি মাথা ব্যথা করলে এক টুকরো কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে কপাল, চোখের ওপর বা নাকের দুই পাশে ছেঁক দিলে সাইনাসের বদ্ধতা কাটার পাশাপাশি আরাম পাওয়া যায়। তাছারা কিছু নেজাল স্পে আছে সেইগুলো ডাক্টারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যাবহার করা যেতে পারে।

সাধারন মাথাব্যাথার জন্য কিছু ঘরোয়া প্রতিকার :

v পুদিনা পাতার রস : পুদিনা পাতায় রয়েছে ম্যানথল ও ম্যানথন। এই উপাদানগুলো মাথা ব্যথা দূর করার জন্য খুব উপকারী।

১। এক মুঠো পুদিনা পাতা নিন। পাতা থেকে রস বের করুন। এই রস কপালে মাখুন।

২। এ ছাড়া পুদিনার চাও খেতে পারেন।

v আদার সাহায্যে মাথা ব্যথাদূর করুন :

কী কী উপাদান প্রয়োজন?

১। আদা – এক থেকে দুই ইঞ্চি

২। জল – এক কাপ



কিভাবে ব্যবহার করবেন?

এক কাপ জলে আদার টুকরোটি ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে যোগ করুন।এবার জলটি কয়েক মিনিট ধরে সিদ্ধ করুন। তারপর উনানের আঁচ বন্ধ করে দিন।

এবার উষ্ণ গরম অবস্থায় চায়ের মতন করে পান করুন।

v তুলসী দিয়ে করুন মাথা ব্যথার ঘরোয়া প্রতিকার :

কি কি উপাদান প্রয়োজন?

১। তুলসী পাতা – পাঁচ ছয়টি

২। জল – এক কাপ



কিভাবে ব্যবহার করবেন?

এক কাপ জলে পাঁচ-ছয় টি তুলসী পাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। যতক্ষণ না জলের রং হালকা সবুজ হচ্ছে ফুটাতে থাকুন।

এরপর অল্প ঠান্ডা করে উষ্ণ অবস্থায় এই জল পান করুন।

06/10/2020

পরাজয়

মেলায় লাল, নীল, সবুজ এবং অন্যান্য রঙিন বেলুন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এক ব্যক্তি। কখনও কখনও যখন তার বিক্রয় হ্রাস পায়, তখন তিনি হিলিয়াম গ্যাসে ভরা বেলুনটি উড়িয়ে দিতেন। উত্সাহী বাচ্চারা আকাশে বেলুন উড়তে দেখতে এবং এর বিক্রি বাড়ানোর জন্য বেলুনগুলিতে ঝাঁকিয়ে পড়েছিল। তিনি সারাদিন এইভাবে বেলুন বিক্রি করতেন। একদিন, শার্টটি পিছন থেকে টানতে গিয়ে সে একটি বেলুন সহ একটি বাচ্চা ছেলেকে দেখতে পেল। ছেলেটি বলল, "আকাশে কোনও কালো বেলুন আছে?" ছেলের অত্যধিক আগ্রহের বিষয়টি দেখে লোকটি তাকে আশ্বস্ত করেছিল, "ভাই, রঙের জন্য আকাশে উড়বেন না, বেলুনের অভ্যন্তরে গ্যাস আকাশে উড়েছে। "

এটি আমাদের জীবনেও সত্য। আমাদের ভিতরে যা আছে তা মূল বিষয়। আমাদের ভিতরে যে জিনিসটি আমাদের উপরে উঠতে সহায়তা করবে তা হ'ল আমাদের মানসিকতা। যদি আমরা মানসিকতা স্থির করি এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাই যে আমি এটি করতে পারি। তারপরে আপনি দেখতে পাবেন যে আপনি সেই কাজে সফল।

আপনি যে কোনও কাজে প্রথমে পরাজিত হতে পারেন, তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনি পারবেন না। প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকন তাঁর জীবনে বহুবার পরাজিত হয়েছেন।

তার পরাজয়ের গল্পটি নিম্নরূপ

১. ২১ বছর বয়সে, তিনি তার ব্যবসায় হারিয়েছিলেন।

২. ২২ বছর বয়সে, বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।

৩. আবার ২৪ বছর বয়সে তিনি ব্যবসা হারাতে থাকেন।

৪. তাঁর বান্ধবী ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেন।

৫. ৩৪ বছর বয়সে, তিনি কংগ্রেসনীয় নির্বাচনে হেরে গেছেন।

৬. ৪৫ বছর বয়সে, তিনি সাধারণ নির্বাচনে পরাজিত হন।

৭. ৪৬ বছর বয়সে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেষ্টা করে তিনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।

৮. তিনি ৫২ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

এটাকেই কি ব্যর্থতা বলা হয়? না। আব্রাহাম লিংকনের মতে, "পরাজয়ের মানেই শেষ নয়, যাত্রাটি কিছুটা দীর্ঘ।"

Brought to you by health tips, beauty tips & recipe

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Narayanganj Shadar, Narayanganj
Dhaka
1421