Chad's food
ভেজালমুক্ত ভিটামিন যুক্ত ড্রাই ফ্রুট
26/03/2022
শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমানোর জন্য দারুণ উপকারী ভেজা আমন্ড। এতে থাকা ভিটামিন ই গুরুতর হার্টের অসুখ থেকে রক্ষা করে। ভেজানো আমন্ড খেলে এতে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্ট অ্যাটাক রোধ করে। এতে থাকা প্রোটিন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম হার্টের কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে উপকার করে।
২০০টাকার শীতকালীন কম্বো অফারঃ
১.সাদা রেইনলিলি
২.গোলাপি রেইনলিলি
৩.রজনীগন্ধার বাল্ব
৪.ফরিং লিলি
৫.লাল গোলাপি কুন্জলতা
৬.গোলাপি মর্নিং গ্লোরী
৭.নীল অপরাজিতা
৮.বোতাম ফুল
৯.বেবি টিয়ারস
১০.পর্তুলিকা
29/04/2021
বাদাম খাওয়ার উপকারিতা:
১. হাড়ের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাদামে উপস্থিত ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু কাজ করে যার প্রভাবে হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাই তো প্রতিদিন এক বাটি করে বাদাম খাওয়া শুরু করলে জীবনে কোনও দিন কোনও হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
২. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: আমেরিকার অ্যান্ড্রস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বাদামে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা কগনিটিভ পাওয়া, সহজ কথায় বললে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো পরীক্ষার আগে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ম করে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
৩. ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে: বাদামে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ সংক্রমণকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আরও নানা উপকারে লেগে থাকে। যেমন, অ্যাক্সিডেটিভ ট্রেস কমিয়ে কোষেদের ক্ষত রোধ করে, সেই সঙ্গে ত্বকের এবং শরীরের বয়স কমাতেও সাহায্য করে থাকে।
৪. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসে এদেশে ঝাঁকিয়ে বাসা এই প্রকৃতিক উপাদনটির শরীরে রয়েছে প্রায় ৩.৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৪ গ্রাম ফ্যাট সহ ভিটামিন ই, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি২, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ প্রয়োজনে লাগে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো একাধিক ক্রনিক রোগকে দূরে
27/03/2021
বাদাম খাওয়ার উপকারিতা:
১. হাড়ের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাদামে উপস্থিত ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু কাজ করে যার প্রভাবে হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাই তো প্রতিদিন এক বাটি করে বাদাম খাওয়া শুরু করলে জীবনে কোনও দিন কোনও হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
২. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: আমেরিকার অ্যান্ড্রস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বাদামে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা কগনিটিভ পাওয়া, সহজ কথায় বললে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো পরীক্ষার আগে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ম করে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
৩. ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে: বাদামে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ সংক্রমণকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আরও নানা উপকারে লেগে থাকে। যেমন, অ্যাক্সিডেটিভ ট্রেস কমিয়ে কোষেদের ক্ষত রোধ করে, সেই সঙ্গে ত্বকের এবং শরীরের বয়স কমাতেও সাহায্য করে থাকে।
৪. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসে এদেশে ঝাঁকিয়ে বাসা এই প্রকৃতিক উপাদনটির শরীরে রয়েছে প্রায় ৩.৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৪ গ্রাম ফ্যাট সহ ভিটামিন ই, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি২, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ প্রয়োজনে লাগে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো একাধিক ক্রনিক রোগকে দূরে রাখতেও এই উপাদানগুলি সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, এক মুঠো বাদাম খেলে শরীরে মাত্র ১৬১ ক্যালরি প্রবেশ করে। ফলে এই খাবারটি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার কোনও ভয় থাকে না।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: এটি হল এমন একটি উপাদান যা ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ সংক্রমণকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আরও নানা উপকারে লেগে থাকে। যেমন, অ্যাক্সিডেটিভ ট্রেস কমিয়ে কোষেদের ক্ষত রোধ করে, সেই সঙ্গে ত্বকের এবং শরীরের বয়স কমাতেও সাহায্য করে থাকে।
৬. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে: গত কয়েক দশকের পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখতে পাবেন কীভাবে অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরলের কারণে হার্ট
10/03/2021
পেস্তা বাদামের উপকারিতা
ফাইবারে সমৃদ্ধ: শরীরে ফাইবারের ঘাটতি হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। পর্যাপ্ত ফাইবার খেলে পরিপাকতন্ত্র ভালোভাবে কাজ করতে পারে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যায় ভুগতে হয় না। খাবারের ফাইবার দীর্ঘসময় পেট ভরা রেখে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস হচ্ছে পেস্তা বাদাম। যেহেতু ফাইবার পেটভরা অনুভূতি ও তৃপ্তি বৃদ্ধি করে, তাই সঠিক পরিমাণে পেস্তা বাদাম খেয়ে ওজন কমাতে পারেন, বলেন ডা. লারসন।
কম ক্যালরি: পেস্তা বাদামে ক্যালরির পরিমাণ অন্য কিছু বাদামের চেয়ে কম। খোসাবিহীন এক আউন্স পেস্তা বাদামে মাত্র ১৫৯ ক্যালরি রয়েছে। অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি, কার্ডিওভাসকুলার তথা হার্ট ও রক্তনালির রোগ, ডায়াবেটিস ও বিষণ্নতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত ক্যালরি থেকে উদ্ভূত সমস্যায় ভুগতে না চাইলে স্ন্যাকস হিসেবে পেস্তা বাদাম খেতে পারেন।
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে প্রাচুর্যপূর্ণ: পেস্তা বাদামে অন্য বাদামের চেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান রয়েছে, বলেন ডা. আনজিলোন।
ভালো ঘুম আনে: পেস্তা বাদামে মেলাটোনিন পাওয়া যায়। এ হরমোন ঘুম ও জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডা. আনজিলোনের মতে, অন্য বাদামের চেয়ে পেস্তা বাদামেই সবচেয়ে বেশি মেলাটোনিন থাকে। তিনি বলেন, ‘একমুঠো পেস্তা বাদাম খাওয়ার অর্থ হচ্ছে মেলাটোনিন সাপ্লিমেন্টের একটি বড়ি সেবন করছেন।’ জেট ল্যাগ বা আকাশপথে ভ্রমণ জনিত ক্লান্তি অথবা সাধারণ ক্লান্তি দূর করতেও পেস্তা বাদাম মুখে পুরতে পারেন।
প্রোটিনে ভরপুর: অন্য বাদামের তুলনায় পেস্তা বাদামে প্রোটিন ও ফ্যাটের সুন্দর ভারসাম্য রয়েছে, যা আপনাকে পেটভরা অনুভূতি ও তৃপ্তি দিতে পারে, বলেন ডা. আপটন। টিস্যু গঠন ও মেরামতে আপনার শরীর প্রোটিন ব্যবহার করে। শরীরে এনজাইম, হরমোন ও শারীরিক কেমিক্যাল উৎপাদনেও প্রোটিন ব্যবহৃত হয়। হাড়, মাংসপেশি, তরুণাস্থি, ত্বক ও রক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং ব্লক হচ্ছে প্রোটিন।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে: নিয়মিত পেস্তা বাদাম খেলে দীর্ঘস্থায়ী উপকার পাবেন, কারণ এতে মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনসাচুরেটেডের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে এসব ফ্যাট শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে পারে, যার ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস পাবে। এসব ফ্যাট শারীরিক কোষের বিকাশ ও ব্যবস্থাপনায়ও অবদান রাখতে পারে। এছাড়া পেস্তা বাদামের পলিআনসাচুরেটেড ফ্যাটে এমন প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা মস্তিষ্কের সুস্থ কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পেস্তা বাদাম খেলে মস্তিষ্কের বয়স জনিত জ্ঞানীয় ক্ষয় ধীর হবে, পরামর্শ দেন ডা. লারসন
13/01/2021
মিশ্রিত বাদাম
27/12/2020
বিভিন্ন রকম বাদাম, শষ্য বীজ,আখরোট দিয়ে সাজানো হয়েছে ড্রাই ফ্রুটস
25/12/2020
ড্রাই ফ্রুটস
এগুলো আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, বিভিন্ন ভিটামিন, এসেন্সিয়াল ফ্যাট এবং অন্যান্য বিভিন্ন পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এসব গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় উপাদান থাকায় শুধু সৌন্দর্যে নয়, স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর জুড়ি মেলা ভার।
25/12/2020
. কাঠবাদাম:
কাঠবাদামে আছে অত্যাবশ্যক ফ্যাটি এসিড, ফাইবার এবং প্রোটিন। ব্রণ প্রতিহত করার জন্য কাঠবাদাম অত্যন্ত কার্যকর। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিকারী এবং রক্ত প্রবাহ বাড়াতেও পারদর্শী। এছাড়াও কাঠবাদাম রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর পাশাপাশি শরীরে লাং এবং স্তন ক্যান্সার সৃষ্টি হতে বাধা দেয়।
25/12/2020
ড্রাই ফ্রুটস লিস্ট
🥜🥜ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার উপকারিতা 🥜🥜
বাদাম, বীজ- ধরনের খাবার স্বাস্থ্যকর। তবে কতটা খাওয়া উচিত তা নিয়ে আছে মত-পার্থক্য।
বাদাম, কিশমিশম, বীজ- ‘ড্রাই ফ্রুটস’ ইত্যাদি খাওয়ার পরামর্শ দেন প্রায় সকল পুষ্টিবিদ। পরিমাণের ক্ষেত্রে তারা বলেন প্রতিদিন একমুঠ।
তবে এতে থাকা চর্বি ও ক্যালরির মাত্রার হিসাব রাখাটা কিছুটা জটিল।
‘ড্রাই ফ্রুটস’ তাজা ফল থেকে তৈরি করা হয় ঠিক। তবে সেগুলোকে ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ে পরিণত করায় ফলের পানির পরিমাণ কমে যায় অনেকটাই। যে কারণে ক্যালরির ঘনত্ব বেড়ে যায়।
কাঠবাদাম আর কাজুবাদামের প্রতি আউন্সে ক্যালরি থাকতে পারে ১৬০ পর্যন্ত। ‘চিয়া বীজ’ আর সূর্যমুখীর বীজের ক্যালরির মাত্রাও নেহাত কম নয়। ‘ম্যাকাডেমিয়া’ বাদামেও প্রচুর ক্যালরি থাকে।
অপরদিকে ‘স্ন্যাকস’ হিসেবে ‘ড্রাই ফ্রুটস’ সহজলভ্য, খেতে ঝামেলা নেই এবং সুস্বাদু। তাই পরিমাণে বেশি খেয়ে ফেলা খুবই সহজ। আবার একমুঠের হিসেবটাও সবার ক্ষেত্রে এক নয়।
পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানিয়েছেন ভারতের ‘অ্যাসটার মেডসিটি’র ‘ক্লিনিকাল নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়াটেটিকস’ বিভাগের প্রধান সুজান ইতি।
‘ড্রাই ফ্রুটস’ সরাসরি কিংবা সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন পুষ্টি উপাদানের দিক থেকে কিছুই হারাবে না। তবে দিনে সর্বোচ্চ ৩০ গ্রাম পর্যন্ত খেতে পারবেন, যা হাতের তালুতে জায়গা হয়ে যায়।
তবে খেয়াল রাখতে হবে, ‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফল থাকতে হবে, একই ফল থাকলে হবে না।
‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের ক্যালরি আর চিনির ঘনত্ব যেহেতু বেশি, তাই তা পরিমাণে অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়বে, পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেবে, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। আবার সেগুলোতে যদি লবণ মেশানো বাদাম থাকে তাহলে বাড়বে রক্তচাপ, দেখা দিতে পারে ডায়রিয়া কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্য।
‘ড্রাই ফ্রুটস’য়ের বিভিন্ন রকম ফল থাকে, যাদের ক্যালরির মাত্রা বিভিন্ন রকম।
যেমন ‘ড্রাই ফিগ’য়ের ক্যালরির মাত্রা এতই বেশি যে তা দিনে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনটি খাওয়াই আদর্শ। এর বেশি খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আবার বাদাম খাওয়া ক্ষেত্রেও সাবধানতা প্রয়োজন।
যেমন কাঠবাদামে থাকা ‘মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট’ অল্প পরিমাণে খেলেই শুধু উপকারে আসবে। সেই পরিমাণটুকু হল দিনে চার থেকে সাতটি।
প্রতিবেদনে ভারতের ‘অ্যাপোলো টেলিহেলথ’য়ের পুষ্টিবিদ ডা. দিপিকা রানি বলেন, ‘ড্রাই ফুটস’য়ের মধ্যে খেজুর বিশেষ স্থানের অধিকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাশিয়ামসহ আরও অনেক পুষ্টি ও খনিজ উপাদান থাকে।
শীতে এসময় খেজুর শরীরে উষ্ণতা যোগাবে, বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তবে এখানেও পরিমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনে মাঝারি আকারের একটি বা দুইটি খেজুরের মধ্য সীমাবদ্ধ থাকলেই তা খেকে সর্বোচ্চ উপকার মিলবে।
সংখ্যায় বেশি খেতে পারবেন কিশমিশ, দিনে ১০ থেকে ১২টি। কিশমিশ ‘ক্রেভিংস’ কমায়, ‘কিছু একটা খাই’ এমন পরিস্থিতি সামলাতে তাই এটি অনন্য।
নারিকেলকে ‘ড্রাই ফ্রুট’য়ে রূপান্তরিত করলে তার স্বাস্থ্যগুণ আবার বেশ কমে, চর্বির মাত্রা বেশি। নারিকেল কুচি ভাজা, নাড়ু ইত্যাদির সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। এগুলো দিনে একটি বা দুই টেবিল-চামচের বেশি খাওয়া যাবে না।
“কাঠবাদাম ১০টা পর্যন্ত খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। আবার ‘ওমেগা-থ্রি’ সমৃদ্ধ আখরোট দিনে একটার বেশি খাওয়া যাবে না। চিনাবাদাম একমুঠ পরিমাণ খেতে পারেন। পেস্তাবাদাম ছয়টা থেকে সাতটার বেশি খাওয়া যাবে না। কাজুবাদামের ক্ষেত্রে চার থেকে পাঁচটার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। বাদাম, বীজ, ‘ড্রাই ফ্রুটস’ যাই খান না কেন তা কাঁচা এবং বিনা লবণে খাওয়া সবচাইতে ভালো।
সর্বোচ্চ উপকার পেতে কিছু ‘ড্রাই ফ্রুটস’ পানি ভিজিয়ে রেখে খাওয়া উচিত। কাঠবাদাম এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা খেলে সর্বোচ্চ উপকার পাবেন। অপরদিকে পেস্তাবাদাম দুপুরের স্ন্যাকস হিসেবে সরাসরি খাওয়ার জন্য আদর্শ।
“যেকোনো ‘ড্রাই ফ্রুটস’ একবারে একমুঠ পরিমাণ খেয়ে না ফেলে দিনের বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া বেশি উপকারী। কিছু বাদাম সামান্য ভেজে নিলে তার স্বাদ বাড়ে। কাজুবাদাম ১৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আধাঘণ্টা ভাজলে এর ‘ফেনোলিক কম্পাউন্ড’ ও ‘ফ্লাভানয়েড’য়ের মাত্রা বাড়ে। ভেজে খেলে কুমড়ার বীজ অনেক সুস্বাদু হয়।
🍓🍓ড্রাই ফ্রুটস কি??
এমন অনেক ফল আছে যেগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় খাওয়ার পাশাপাশি শুকিয়েও খাওয়া যায়। শুকনো এসব ফল ও বাদামই সাধারণত ‘ড্রাই ফ্রুটস’ নামে পরিচিত। আমাদের দেশে কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, কিসমিস, আখরোট, পেস্তা বাদাম, খেজুর সবচেয়ে জনপ্রিয় ড্রাই ফ্রুটস।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
