HomeoDawakhana
a homeopathy cikissha kendro
24/04/2022
★ ECHINACEA ANGUSTIFOLIA
(ইচিনেসিয়া অ্যাঙ্গাষ্টিফোলিয়া) ঃ
√Common Name: Echinacea Purple Conflower.
√Botanical Name: Echinacea Angustifolia.
√Family:Asteraceae.
--------------------------------------------------------------------------
Chemical Analysis of Plant Medicines - এর গবেষক পন্ডিত ডাঃসমরেশ চন্দ্র রায়ের ECHINACEA ANGUSTIFOLIA রাসায়নিক উপাদানসমূহ বিশ্লেষণের আলোকে প্রায়োগিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছেন।
#এই ভেষজের গাঠনিক রাসায়নিক উপাদানসমূহ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রাপ্ত গাঠনিক রাসায়নিক উপাদানসমূহ হল:
#এই ভেষজের গাঠনিক রাসায়নিক উপাদানসমূহঃ
√Polysaccharides:Contituent Groups Includes -Inulin,and Other high Molecular weight Polysaccharides such as heteroxylan, Arabinogalactan and Fucogalactoxyloglucan.
√Glycoprotein.
√Alkylamides:Echinacein and several Isobutylamides
√Caffeic Acid Derivatives:
Echinacoside and other Derivatives include Cichroric,Chlorogenic Acids and Cynarin.
√Phenolic Acids (P-Coumaric,P-Hydroxybezoic,and Protocatechuic Acids)
√Essential Oils Componets:include Humulene,Echinolone, Vanillin,Germacrene,and Borneol.
√Others Alkaloids, Flavonoids(Quercetin , Kampferol,Isorhamnetin, Patuletin-3-Rutinoside),Anthocyanins.
#এই ভেষজের রাসায়নিক উপাদানসমূহের বৈশিষ্ট্যঃ
★টক্সিন নিস্ক্রিয়করনে সক্রিয়তা বৃদ্ধি করে।
★ন্যাচারাল কিলার সেলের সক্রিয়তা বৃদ্ধি করে।
★কোষের কাঠামো গঠনে প্রোটিন বৃদ্ধিতে সহয়তা করে।
★স্থানীয় ও সমগ্র শরীরে এ্যান্টিবায়েটিক হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
★হিস্টামিন নাশক।
★এলার্জি নাশক।
★লসিকাবাহী নালীর সক্রিয়তা বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় ফ্লুইড প্রবাহ বজায় রাখে।
★ম্যাক্রোফেজ কনিকাদের (শ্বেতকনিকা) শক্তি ও সামর্থ্যতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় জীবানু ধ্বংশের কাজ করে।★ইমিউন পদ্ধতি "টি"এবং"বি"লিম্ফোসাইট উৎপন্ন এবং উদ্দীপনা সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় জীবানু এবং এন্টিজেন সনাক্তকরন,ধ্বংশ,নিস্ক্রিয়করন ও প্রতিরোধের কাজ করে।
★Anti-Microbial(জীবানু নাশক) ★Anti-Inflammatory(প্রদাহ নাশক) ★Anti-septic(পচন নিরোধক) ★Insecticidal(কীটের বিষ নাশক)
# মানবদেহের যে সব অংগ ও তন্ত্রসমূহের উপর উল্লেখিত রাসায়নিক উপাদানসমূহ কাজ করে তা উল্লেখ করা হল।
এবার যে বিষয়টি জানা জরুরী তাহল জীবানুসমূহ কোন কোন অংগ ও তন্ত্রসমূহ আক্রান্ত করে রোগ সৃষ্টি করে।
#শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগে সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ স্ট্যাফাইলোকক্কাস,স্ট্রেপ্টোকক্কাস,হেমোফাইলাস,করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়াম,ক্লেবসিয়েলা।
√উল্লেখিত জীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী টনসিলের প্রদাহ।
★দীর্ঘস্থায়ী ফ্যারিনজাইটিস।
★ডিপথেরিয়া।
★ব্রঙ্কাইটিস।
★কর্ণ প্রদাহ।
★হুপিং কাশি।
★ঠান্ডা প্রবনতা।
★সাইনোসাইটিস।
#শ্বাসতন্ত্রে নীচের অংশে সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ-নিউমোকক্কাস,ক্লেবসিয়েলা,হেমোফাইলাস, স্ট্রেপটোকক্কাস,স্ট্যাফাইলোকক্কাস।
√উল্লেখিত জীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ।
★নিউমোনিয়া।
★ফুসফুসের পূজাঁশয়।
★ব্রংকিয়েকটাসিস।
★যক্ষ্মাজনিত প্রদাহ।
#মুখগহ্বর সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ স্ট্রেপটোকক্কাস।
√উল্লেখিতজীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★দাঁতের মাড়ির প্রদাহ।
★মুখগহ্বরের ক্ষত।
★গলকক্ষের ক্ষত।
#মহিলাদের জননতন্ত্রের সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ ক্লেবসিয়েলা,নেইসেরিয়া গনোরিয়া,স্ট্রেপটোকক্কাস পায়োজেন,ই কোলাই,ফাংগি,ট্রাইকোমানাস মনিলিয়া,ক্লসট্রিডয়াম।
√উল্লেখিত জীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★যোনী প্রদাহ।
★জরায়ুর মুখের প্রদাহ।
★এন্ডোমেট্রিয়ামের প্রদাহ।
★পেরিটোনিয়ামের প্রদাহ।
★ফ্যালোপিয়ান টিউবের প্রদাহ।
#মূত্রতন্ত্রের অংশে-সংক্রামিত জীবানুসমূহ হল-ক্লেবসিয়েলা,স্ট্যাফাইলোকক্কাস,স্ট্রেপটোকক্কাস,নেইসেরিয়া গনোরি,ছত্রাক(অ্যালবিক্যান ক্যানডাসিস)।√উল্লেখিতজীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হল:-
★মূত্রনালীর প্রদাহ।
★মূত্রথলীর প্রদাহ।
★প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ।
★এপিডিডিমিসের প্রদাহ।
★ভেসিকুলাসের প্রদাহ।
★পায়েলো নেফ্রাইটিস(কিডনী প্রদাহ)।
#রক্ততত্ত্ব অংশ।রক্ত দূষণে সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ-স্ট্যাফাইলোকক্কাস,স্ট্রেপটোকক্কাস,স্যালমোনেলা,ক্লেবসিয়েলা,ইকোলাই,নিউমোকক্কাস,মেনিনগোকক্কাস,নেইসেরিয়া গনোরি,ব্রুসেলা,অ্যাথ্রাক্স ব্যাসিলাস ইত্যাদি। উল্লেখিত জীবানুসমূহ পায়োমিয়া,সেপ্টিসেমিয়া,খাদ্যে বিষক্রিয়া,টাইফয়েড,ডেঙ্গু জ্বর,উপতীব্র অন্তহৃদ প্রদাহ,গনোরিয়া,সিফিলিস ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় রক্ত দূষণ সৃষ্টি করে।
#চর্মের ভিতর এবং বাহিরের অংশ সংক্রামিত জীবানুসমূহ-স্ট্রেপটোকক্কাস,স্ট্যাফাইলোকক্কাস।উল্লেখিত জীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★আঙ্গুলহাড়া।
★বিষ ফোঁড়া।
★প্যারোনিসিয়া।
★ফোঁড়া।
★চোখের ক্ষত।
★দাঁতের গামবয়েল এবং গ্রন্থিতেফোঁড়া।
★ব্রণ।
★ফিশ্চুলা।
★অস্থিভঙ্গের স্থান।
★পোড়া ক্ষত।
★কার্বাংকল।
★একজিমা।
★গ্যাংগ্রিন।
★সোরাইসিস।
★আলসার।
★দদ্রু।
#বিভিন্ন বিষাক্ত জীবজন্তু ও পোকামাকড় দংশনে সৃষ্ট টক্সিন(বিষ) নিস্ক্রিয় করতে সাহায্য করে।
#ফ্যাগোসাইটস কনিকাদের উদ্দীপনা সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় কনিকাদের নিঃসৃত এনজাইম ইন্টারফেরনের মাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংক্রামিত জীবানু সৃষ্ট রোগের প্রদাহ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।
#গ্রন্থি অংশ সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ স্ট্রেপটোকক্কাস,স্ট্যাফাইলোকক্কাস।
√ উল্লেখিত জীবানুসমূহ সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★লিম্ফ গ্রন্থি ও লসিকানালীর প্রদাহ।
# ভাইরাস সৃষ্ট রোগসমূহ হলঃ
★এইডস
★জলবসন্ত।
★পোড়ানারাঙ্গা।
★মাম্পস।
★হাম।
-neoplasmetic হিসেবে ক্যান্সার কোষ বিভাজন বন্দ করে।অর্থাৎএই ঔষধের রাসায়নিক উপাদানসমূহ Chemotherapy হিসেবে কাজ করে।
" পন্ডিত ডাঃ সমরেশ চন্দ্র রায়ের গবেষণা প্রনীত ECHINACEA ANGUSTIFOLIA ঔষধের পরবর্তি অংশের কাজসমূহ হল ঃ
# মহিলাদের জননতন্ত্রের অংশ । সংক্রামিত জীবানুসমূহ হল-ক্লেবসিয়েলা, নেইসেরিয়া গনোরিয়া, স্ট্রেপটোকক্কাস পায়োজেন, ই কোলাই, ফাংগি, ট্রাইকোমানাস মনিলিয়া, ক্লসট্রিডয়াম ।
উল্লেখিত জীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হল- ঃ
***********************************
★ যোনী প্রদাহ,
* জরায়ুর মুখের প্রদাহ,
* এন্ডোমেট্রিয়ামের প্রদাহ,
* পেরিটোনিয়ামের প্রদাহ,
* ফলোপিয়ান টিউবের প্রদাহ ।
# মূত্রতন্ত্রের অংশে-সংক্রামিত জীবানুসমূহ হলঃ
★ ক্লেবসিয়েলা, স্ট্যাফাইলোকক্কাস, স্ট্রেপটোকক্কাস, নেইসেরিয়া গনোরি, ছত্রাক (অ্যালবিক্যান ক্যানডাসিস) ।
★উল্লেখিতজীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হল ঃ
* মূত্রনালীর প্রদাহ,
* মূত্রথলীর প্রদাহ,
* প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ,
* এপিডিডিমিসের প্রদাহ,
* ভেসিকুলাসের প্রদাহ,
* পায়েলো নেফ্রাইটিস (কিডনী প্রদাহ) ।
# রক্ততত্ত্ব অংশ । রক্ত দূষণে সংক্রামিত জীবানুসমূহ হল ঃ স্ট্যাফাইলোকক্কাস, স্ট্রেপটোকক্কাস, স্যালমোনেলা, ক্লেবসিয়েলা, ইকোলাই, নিউমোকক্কাস, মেনিনগোকক্কাস, নেইসেরিয়া গনোরি, ব্রুসেলা, অ্যাথ্রাক্স ব্যাসিলাস ইত্যাদি। উল্লেখিত জীবানুসমূহ পায়োমিয়া, সেপ্টিসেমিয়া, খাদ্যে বিষক্রিয়া, টাইফয়েড, ডেঙ্গু জ্বর, উপতীব্র অন্তহৃদ প্রদাহ, গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় রক্ত দূষণ সৃষ্টি করে ।
# চর্মের ভিতর এবং বাহিরের অংশ।
সংক্রামিত জীবানুসমূহ- স্ট্রেপটোকক্কাস, স্ট্যাফাইলোকক্কাস ।
★উল্লেখিত জীবানু সৃষ্ট রোগসমূহ হল ঃ
* আঙ্গুলহাড়া,
* বিষ ফোঁড়া,
* প্যারোনিসিয়া,
* ফোঁড়া,
* চোখের ক্ষত,
* দাঁতের গামবয়েল এবংগ্রন্থিতে ফোঁড়া,
* ব্রণ,
* ফিশ্চুলা,
* অস্থিভঙ্গের স্থান,
* পোড়া ক্ষত,
* কার্বাংকল,
* একজিমা,
* গ্যাংগ্রিন,
* সোরাইসিস,
* আলসার, * দদ্রু ।
# বিভিন্ন বিষাক্ত জীবজন্তু ও পোকামাকড় দংশনে সৃষ্ট টক্সিন (বিষ) নিস্ক্রিয় করতে সাহায্য করে ।
# ফ্যাগোসাইটস কনিকাদের উদ্দীপনা সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় কনিকাদের নিঃসৃত এনজাইম ইন্টারফেরনের মাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংক্রামিত জীবানু সৃষ্ট রোগের প্রদাহ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে ।
# গ্রন্থি অংশ । সংক্রামিত জীবানুসমূহ হল-স্ট্রেপটোকক্কাস, স্ট্যাফাইলোকক্কাস ।
★উল্লেখিত জীবানুসমূহ সৃষ্ট রোগসমূহ হল-
*******************************************
* লিম্ফ গ্রন্থি ও লসিকানালীর প্রদাহ ।
# ভাইরাস সৃষ্ট রোগসমূহের ক্ষেত্রে।
রোগসমূহ হল-
* এইডস
* জলবসন্ত
* পোড়ানারাঙ্গা
* মাম্পস * হাম ।
# Anti-neoplasmetic হিসেবে ক্যান্সার কোষ বিভাজন বন্দ করে । অর্থাৎএই ঔষধের রাসায়নিক উপাদানসমূহ Chemotherapy হিসেবে কাজ করে ।
প্রচার ও প্রকাশনায়
AL AMIN
14/03/2022
পুরুষের যৌন জীবনের যা জানতে হবে
যৌন দুর্বলতায় পুরুষ রোগীকে যে সকল প্রশ্ন করতে হবে-
১। রোগী বিবাহিত হলে সঙ্গম দিয়ে শুরু করতে হবে।
(ক) কতদিন পর পর সঙ্গম করেন?
(খ) এক এক রাত্রিতে বা ২৪ ঘণ্টায় কতবার সঙ্গম করেন? সঙ্গমের মাঝে সময়ের ব্যবধান কত?
(গ) এক দিনে একাধিক বার সঙ্গম করলে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বারের স্থায়িত্ব আলাদা করে জানতে হবে। শুধু একবার হলেও তার স্থায়িত্ব জানতে হবে।
(ঘ) সঙ্গমের স্থায়িত্বের পরিমাণ জানতে সঙ্গম চলা কালে লিঙ্গ কতবার প্রবেশ ও বের করতে পারে (পার মিনিট ৬০বার)।
২। রোগী অবিবাহিত হলে:
(ক) আপনার যৌন দুর্বলতা কি করে বুঝতে পারলেন?
(খ) কখনো কি সঙ্গম করেছেন? করে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ দিন।
(গ) অবিবাহিত রোগীদের স্থায়িত্ব যদি কম থাকে তাহলে বুঝতে হবে সঙ্গমের পরিবেশগত অবস্থা বা ভয়।
৩। বিবাহিত রোগীদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর সহাবস্থান:
(ক) উভয়ে কি একই সাথে থাকেন?
(খ) স্বামী স্ত্রী দূরে থাকলে কতদিন পর পর সাক্ষাত (সঙ্গম) হয়?
(গ) অনেক দিন পর সাক্ষাত হলে, যে কয়দিন একত্রে থাকেন প্রত্যেক দিন সঙ্গম করা সম্ভব হয় কিনা?
(ঘ) মাঝে একত্রে যে কয় দিন থাকেন তার প্রথম দিন, শেষ দিন ও মাঝের দিনের সঙ্গমের সংখ্যা ও স্থায়িত্বকাল ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে।
(ঙ) স্বামী স্ত্রী দূরে থাকলে সঙ্গমের প্রথম ১/২ দিন স্থায়িত্বকম হয় বা হওয়া স্বাভাবিক।
(চ) স্বামী স্ত্রী দূরে থাকার কারণে যখনই একত্র হয় তখন সাধারণত বেশি মাত্রায় সঙ্গম হয়। যার ফলে কয়েক দিন পর স্থায়িত্ব, কামভাব ও লিঙ্গোচ্ছাস কমে আসে।
(ছ) উভয়ে অনেক দিন পর একত্র হলে প্রথম দিনের পর সঙ্গমের স্থায়িত্ব ও লিঙ্গোচ্ছাস ভালো হলে বুঝতে হবে প্রথম ও শেষের যে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয় তা শুধু উভয়ের দূরে থাকার কারণে।
(জ) নিয়মিত একই সাথে বসবাস, নিয়মিত সঙ্গম করার পরও স্থায়িত্ব, লিঙ্গোচ্ছাস, কামভাব কম থাকে কিনা?
৪। লিঙ্গোচ্ছাস:
(ক) আপনার লিঙ্গ শক্ত হয় কিনা/ দাঁড়ায় কিনা?
(খ) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, ভোর হতে ভোর রাত পর্যন্ত কোন সময় লিঙ্গ বেশি উত্তেজিত হয়?
(গ) সকালে দাঁড়ালে বা হাঁটলে লিঙ্গ শক্ত হয় কিনা?
(ঘ) বিকালে, বিকালে বসে থাকলে লিঙ্গ শক্ত হয় কিনা?
(ঙ) রাতে, রাতে যখন বিছানা গরম হয় বা রাত দুইটায় লিঙ্গোচ্ছাস হয় কিনা?
(চ) সঙ্গমের পর পুনরায় লিঙ্গোচ্ছাস হয় কিনা? কতক্ষণ পর পুনরায় উত্তেজিত হয়?
(ছ) লিঙ্গোত্থানের স্থায়িত্ব কম না বেশি।
(জ) লিঙ্গোত্থান অনেকক্ষণ থাকলে তা কখন হয়, সকালে না রাতে।
(ঝ) কাশি, হাঁচি দিলে আপনার লিঙ্গোত্থান হয় কি?
(ঞ) আপনার লিঙ্গোত্থান কি থেমে থেমে হয়?
(ট) অতি সহজেই কি লিঙ্গোত্থান হয় বা অত্যধিক লিঙ্গোচ্ছাস হয় কিনা?
(ঠ) শুক্রপাতের পর লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে আবার কি শক্ত হয়?
(ড) একটু পরপর বা পুনঃপুন লিঙ্গোচ্ছাস হয় কি? কখনো কি খাবার পর বার বার হয়?
(ঢ) কোন কাজ কর্ম করার সময় কি আপনার লিঙ্গোত্থান হয়?
(ণ) সঙ্গম ইচ্ছা ব্যতীত লিঙ্গোত্থান হয় কিনা? এ অবস্থা কি কখনো সকালে দেখেন?
(ত) ঘুমের মধ্যে উত্তেজনা হয় কি? জাগ্রত হলে কি উত্তেজনা থাকে?
(থ) পায়খানা প্রসাবের সময় উত্তেজনা হয় কি?
(দ) লিঙ্গোচ্ছাস হলে তখন লিঙ্গ শক্ত হয় কি?
(ধ) খাবার সময় লিঙ্গোত্থান হয় কি?
(ন) তীব্র লিঙ্গোচ্ছাস হয় কি? হলে তা সকালে না সন্ধ্যায়?
৫। অসম্পূর্ণ লিঙ্গোচ্ছাস:
(ক) আপনার লিঙ্গ সম্পূর্ণ শক্ত না হয়ে অসম্পূর্ণ লিঙ্গোচ্ছাস কখন হয়? সকালে, দুপুরে, সঙ্গমের সময় বা শয়ন কালে?
৬। ব্যথাযুক্ত লিঙ্গোচ্ছাস:
(ক) ব্যথাযুক্ত লিঙ্গোচ্ছাস কখন- সকালে, সন্ধ্যায়, রাতে? রাতেহলে শুধুই কি রাতেনা রাতেসঙ্গম করলে?
(খ) ব্যথাযুক্ত লিঙ্গোচ্ছাস সঙ্গমের পূর্বে, সঙ্গমের সময়ে, সঙ্গমের পরে?
৭। লিঙ্গোচ্ছ¡াসের অভাব:
(ক) কখন হয় না- ভোর হতে ভোর রাতের মধ্যে কোন সময় একেবারেই উত্তেজনা হয় না?
(খ) কতদিন যাবত লিঙ্গোচ্ছাস হচ্ছে না?
(গ) লিঙ্গ উত্তেজিত হয়ে পরক্ষণেই শিথিল হয়ে ঠাÐা হয়ে যায় কি?
(ঘ) বীর্যপাতের পূর্বে কয়েক বার লিঙ্গোচ্ছাস নষ্ট হয়ে যায় কি?
(ঙ) প্রবল কামেচ্ছা থাকা সত্বেও লিঙ্গ শক্ত করা যায় না এমন হয় কি?
(চ) সঙ্গম চলাকালীন হঠাৎ লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায় কি?
৮। কামেচ্ছা:
(ক) আপনার কামের আকাক্সক্ষা বা ইচ্ছা বেশি না কম? বেশি হলে কখন বেশি হয়-
সকালে, বিকেলে, রাতে?
(খ) সব রকমের কামের ইচ্ছা পূরনের জন্য হস্তমৈথুন করে আপনার ভিতর পাগলামী ভাব চলে আসে কিনা?
(গ) বীর্যপাতের পর কি আপনার কামেচ্ছা বেড়ে যায়?
(ঘ) বৃদ্ধ ব্যক্তিদের অনেক বেশি কামেচ্ছা হয় কিনা।
(ঙ) খাওয়ার পরে আপনার কাম ইচ্ছা জাগ্রত হয় কিনা?
(চ) আপনার মনে কামের ইচ্ছা আছে কিন্তু লিঙ্গোচ্ছাস হয় না, এরকম হয় কি?
(ছ) কাম ইচ্ছা জাগ্রত হলে কি সহজেই লিঙ্গোত্তেজনা দেখা দেয় ? দেখা দিলে সাথে কোন রস জাতীয় কিছু বের হয় কি?
(জ) ঘুমানোর পরে আপনার মনে কাম ইচ্ছা জাগ্রত হয় কি?
(ঝ) কামের ইচ্ছার তীব্রতা অনেক বেশি কিনা? এত বেশি যে কামের জন্য পাগল হয়ে যান আর এ সময় আপনার শরীরে কোন কম্পন শুরু হয় কিনা?
(ঞ) আপনার মনে কামের কোন ইচ্ছাই হয় না এরকম হয় কিনা?
(ট) মোটা লোকের কামেচ্ছা হয় না, এরকম সমস্যা আছে কিনা?
৯। বীর্য:
(ক) আপনার শুক্রস্রাব রক্তাক্ত কিনা?
(খ) আপনার শুক্রস্রাব ঠাÐা কিনা?
(গ) আপনার শুক্রস্রাব প্রচুর পরিমাণে হয় কিনা?
(ঘ) সঙ্গমের পরে প্রচুর শুক্রস্রাব হয় কি?
(ঙ) আপনার শুক্রস্রাব পাতলা না গাঢ়?
(চ) আপনার শুক্রস্রাবের গন্ধ কেমন?
১০। কারণ:
(ক) হস্তমৈথুন- বর্তমান, অতীত সম্পর্র্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
(খ) সমকামি ও অন্য কোন প্রাণির সাথে কখনো সঙ্গম করেছেন কি?
(গ) ¯¦প্নদোষ হয় কি? হলে স্বপ্নদোষের বর্তমান ও পূর্বের অবস্থা জানতে হবে।
(ঘ) শুক্রমেহ সম্পর্র্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
(ঙ) প্রস্টেটিট রসক্ষরণ সম্পর্র্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
(চ) স্বামীর তুলনায় স্ত্রীর বয়স বেশি কিনা জানতে হবে।
(ছ) স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন মহিলার সাথে সঙ্গম করলে ।
(জ) অধিক সঙ্গম।
(ঝ) অতিরিক্ত রাত্রি জাগরণ।
(ঞ) কোন নেশা করলে বা অতিরিক্ত নেশার কারণে।
(ট) অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম।
(ঠ) অতিরিক্ত উত্তেজক ওষুধ দিয়ে সঙ্গম করা।
(ড) দীর্ঘদিন সঙ্গম থেকে বিরত থাকলে।
(ঢ) কোন রোগ চাপা পরার কারণে।
(ণ) যৌনক্ষুধা চেপে রাখার ফলে।
১১। রোগগত কারণ:
(ক) ঘন প্রস্রাবের কোন সমস্যা আছে কিনা?
(খ) কখনো গনোরিয়া হয়েছিল কিনা? সিফিলিসের কোন সমস্যা আছে কিনা?
(গ) কখনো য²া হয়েছিল কি?
(ঘ) পেটে গোলযোগ ও কোষ্ঠবদ্ধতা আছে কিনা?
১২। বীর্যপাত:
(ক) আপনার বীর্যপাত কি দ্রæত হয় না দেরিতে হয়? না অতিদ্রæত হয়?
(খ) আপনার বীর্যপাত কি কষ্টকর? বা যাতনাকর?
(গ) আপনার বীর্যপাত সঙ্গম কালে হয় না এমন কোন সমস্যা আছে কি?
(ঘ) আপনার বীর্যপাত অতি বিলম্বে হয় কি? বা অসম্পূর্ণ থাকে কি?
(ঙ) লিঙ্গোত্থান ব্যতীত কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(চ) মলত্যাগ কালে, মূত্রত্যাগের পর কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(ছ) আপনার কি পুনঃপুন বীর্যপাত হয়?
(জ) হস্তমৈথুনের পর, লিঙ্গোত্থানের অল্পক্ষণ পরে কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(ঝ) শুক্রস্রাব কি পরিমাণে প্রচুর হয়?
(ঞ) স্ত্রী সঙ্গমের পরে কি বীর্যপাত হয়?
(ট) আপনার শুক্রস্রাব কখন হয় রাতে না প্রাতে?
(ঠ) কোঁথ দেওয়ার সময় কি আপনার বীর্যপাত হয়ে যায়?
(ড) লিঙ্গ প্রবেশের পূর্বে বীর্যপাত হয়ে যায় এমন হয় কি?
(ঢ) লিঙ্গ শিথিল অবস্থায় কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(ন) স্ত্রীলোককে আদর করলে, স্ত্রীলোকের উপস্থিতিতে, স্ত্রীলোকের সাথে রসালো আলাপ করলে কি আপনার বীর্যপাত হয়ে যায়?
(ত) কল্পনায় বা কোনো উত্তেজনা ব্যতীত কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(থ) বৃদ্ধাদের পুনঃপুন বীর্যপাত।
(দ) কোন কিছুতে হেলান দিয়ে থাকলে কি আপনার বীর্যপাত হয়ে যায়?
(ধ) বীর্যপাত কি অসাড়ে হয়ে থাকে?
১৩। স্বপ্নদোষ:
(ক) আপনার কি স্বপ্নদোষ হয়?
(খ) কতদিন পর পর বা সপ্তাহে কত বার হয়? হলে এক এক রাতে কয় বার হয়?
(গ) স্বপ্ন দেখে হয় না স্বপ্ন না দেখে হয়?
(ঘ) প্রতি রাতে হয় কিনা?
১৪। লিঙ্গের আকৃতি:
(ক) আপনার লিঙ্গের আকৃতি কেমন?
১৫। অÐথলির অবস্থান:
(ক) আপনার অÐথলি ঝুলে পড়েছে কিনা? এক পাশ না দুই পাশ?
১৬। অÐদ্বয়ের আকৃতি:
(ক) আপনার অÐদ্বয় ছোট হয়ে গেছে কিনা?
(খ) অত্যধিক রতিক্রিয়ার পর ছোট হয়ে গেছে কিনা?
(গ) আপনার অÐদ্বয় বড় হয়ে গেছে কিনা?
১৭। মানসিক ও শারীরিক অবস্থা:
(ক) যৌনাঙ্গের কোনো অংশে আঘাত লাগা।
(খ) স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্র্কে স্বামী অবগত হলে।
(গ) মুখ দিয়ে লিঙ্গ চুষলে সুখ অনুভব করে কিনা?
(ঘ) যৌনিপথ দিয়ে একাধিক বাচ্চা ডেলিভারি হলে স্বামীর মনে কোন অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় কিনা?
(ঙ) স্বামীর তুলনায় স্ত্রীর বয়স বেশি হলে স্বামীর কোন অস্বস্তি দেখা দেয় কিনা?
১৮। যৌনাঙ্গে দুর্গন্ধ- স্ত্রীর যৌনাঙ্গে খুব বেশি খারাপ গন্ধ হয় কিনা?
১৯। যৌন সঙ্গম এর স্থানটি বা পরিবেশ সম্পর্র্কে : আপনার সঙ্গমের পরিবেশ কেমন?
র) সঙ্গমের অনুকূল/ প্রতিকূল পরিবেশ।
বিঃ দ্রঃ-
বিয়ের বয়স ৩ দিন, সঙ্গম হয় নাই ১ দিনও- এই অবস্থায় চিকিৎসক যা ভাববেন:
১. মাসিক চলতে পারে।
২. পুরুষের নার্ভাসনেস থাকতে পারে।
৩. প্রতিকূল পরিবেশ হতে পারে।
৪. দুর্বলতা/ শারীরিক পরিশ্রম করলে।
৫. বউ চাপিয়ে দেওয়া/ স্ত্রীর বয়স কম হলে।
৬. পূর্বের/ অন্যের মহিলাদের নিয়ে তুলনা করা হলে।
৭. হস্তমৈথুন, সমকামিতা, স্বপ্নদোষ, অতিরিক্ত, সঙ্গম করা হলে।
৮. পেট বড়/ মেদপ্রবণ হলে।
৯. অপুষ্টি জনিত।
১০. স্ত্রীসহযোগিতা না করলে।
১১. সেক্স এর নিয়ম না জানলে।
১২. উত্তেজিত হলে যদি প্রসাবের বেগ চলে আসে।
১৩. স্ত্রী ব্যতিত অন্য কোন মহিলার কাছে গেলে।
১৪. যৌন নালীর আকৃতি ছোট হলে।
১৫. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উত্তেজনার জন্য আকৃষ্ট করতে না পারা।
১৬. দুই জনের মধ্যে অবিশ্বাস হলে।
আল আমিন
01814914237
14/03/2022
পুরুষের যৌন জীবনের যা জানতে হবে
যৌন দুর্বলতায় পুরুষ রোগীকে যে সকল প্রশ্ন করতে হবে-
১। রোগী বিবাহিত হলে সঙ্গম দিয়ে শুরু করতে হবে।
(ক) কতদিন পর পর সঙ্গম করেন?
(খ) এক এক রাত্রিতে বা ২৪ ঘণ্টায় কতবার সঙ্গম করেন? সঙ্গমের মাঝে সময়ের ব্যবধান কত?
(গ) এক দিনে একাধিক বার সঙ্গম করলে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বারের স্থায়িত্ব আলাদা করে জানতে হবে। শুধু একবার হলেও তার স্থায়িত্ব জানতে হবে।
(ঘ) সঙ্গমের স্থায়িত্বের পরিমাণ জানতে সঙ্গম চলা কালে লিঙ্গ কতবার প্রবেশ ও বের করতে পারে (পার মিনিট ৬০বার)।
২। রোগী অবিবাহিত হলে:
(ক) আপনার যৌন দুর্বলতা কি করে বুঝতে পারলেন?
(খ) কখনো কি সঙ্গম করেছেন? করে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ দিন।
(গ) অবিবাহিত রোগীদের স্থায়িত্ব যদি কম থাকে তাহলে বুঝতে হবে সঙ্গমের পরিবেশগত অবস্থা বা ভয়।
৩। বিবাহিত রোগীদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর সহাবস্থান:
(ক) উভয়ে কি একই সাথে থাকেন?
(খ) স্বামী স্ত্রী দূরে থাকলে কতদিন পর পর সাক্ষাত (সঙ্গম) হয়?
(গ) অনেক দিন পর সাক্ষাত হলে, যে কয়দিন একত্রে থাকেন প্রত্যেক দিন সঙ্গম করা সম্ভব হয় কিনা?
(ঘ) মাঝে একত্রে যে কয় দিন থাকেন তার প্রথম দিন, শেষ দিন ও মাঝের দিনের সঙ্গমের সংখ্যা ও স্থায়িত্বকাল ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে।
(ঙ) স্বামী স্ত্রী দূরে থাকলে সঙ্গমের প্রথম ১/২ দিন স্থায়িত্বকম হয় বা হওয়া স্বাভাবিক।
(চ) স্বামী স্ত্রী দূরে থাকার কারণে যখনই একত্র হয় তখন সাধারণত বেশি মাত্রায় সঙ্গম হয়। যার ফলে কয়েক দিন পর স্থায়িত্ব, কামভাব ও লিঙ্গোচ্ছাস কমে আসে।
(ছ) উভয়ে অনেক দিন পর একত্র হলে প্রথম দিনের পর সঙ্গমের স্থায়িত্ব ও লিঙ্গোচ্ছাস ভালো হলে বুঝতে হবে প্রথম ও শেষের যে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয় তা শুধু উভয়ের দূরে থাকার কারণে।
(জ) নিয়মিত একই সাথে বসবাস, নিয়মিত সঙ্গম করার পরও স্থায়িত্ব, লিঙ্গোচ্ছাস, কামভাব কম থাকে কিনা?
৪। লিঙ্গোচ্ছাস:
(ক) আপনার লিঙ্গ শক্ত হয় কিনা/ দাঁড়ায় কিনা?
(খ) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, ভোর হতে ভোর রাত পর্যন্ত কোন সময় লিঙ্গ বেশি উত্তেজিত হয়?
(গ) সকালে দাঁড়ালে বা হাঁটলে লিঙ্গ শক্ত হয় কিনা?
(ঘ) বিকালে, বিকালে বসে থাকলে লিঙ্গ শক্ত হয় কিনা?
(ঙ) রাতে, রাতে যখন বিছানা গরম হয় বা রাত দুইটায় লিঙ্গোচ্ছাস হয় কিনা?
(চ) সঙ্গমের পর পুনরায় লিঙ্গোচ্ছাস হয় কিনা? কতক্ষণ পর পুনরায় উত্তেজিত হয়?
(ছ) লিঙ্গোত্থানের স্থায়িত্ব কম না বেশি।
(জ) লিঙ্গোত্থান অনেকক্ষণ থাকলে তা কখন হয়, সকালে না রাতে।
(ঝ) কাশি, হাঁচি দিলে আপনার লিঙ্গোত্থান হয় কি?
(ঞ) আপনার লিঙ্গোত্থান কি থেমে থেমে হয়?
(ট) অতি সহজেই কি লিঙ্গোত্থান হয় বা অত্যধিক লিঙ্গোচ্ছাস হয় কিনা?
(ঠ) শুক্রপাতের পর লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে আবার কি শক্ত হয়?
(ড) একটু পরপর বা পুনঃপুন লিঙ্গোচ্ছাস হয় কি? কখনো কি খাবার পর বার বার হয়?
(ঢ) কোন কাজ কর্ম করার সময় কি আপনার লিঙ্গোত্থান হয়?
(ণ) সঙ্গম ইচ্ছা ব্যতীত লিঙ্গোত্থান হয় কিনা? এ অবস্থা কি কখনো সকালে দেখেন?
(ত) ঘুমের মধ্যে উত্তেজনা হয় কি? জাগ্রত হলে কি উত্তেজনা থাকে?
(থ) পায়খানা প্রসাবের সময় উত্তেজনা হয় কি?
(দ) লিঙ্গোচ্ছাস হলে তখন লিঙ্গ শক্ত হয় কি?
(ধ) খাবার সময় লিঙ্গোত্থান হয় কি?
(ন) তীব্র লিঙ্গোচ্ছাস হয় কি? হলে তা সকালে না সন্ধ্যায়?
৫। অসম্পূর্ণ লিঙ্গোচ্ছাস:
(ক) আপনার লিঙ্গ সম্পূর্ণ শক্ত না হয়ে অসম্পূর্ণ লিঙ্গোচ্ছাস কখন হয়? সকালে, দুপুরে, সঙ্গমের সময় বা শয়ন কালে?
৬। ব্যথাযুক্ত লিঙ্গোচ্ছাস:
(ক) ব্যথাযুক্ত লিঙ্গোচ্ছাস কখন- সকালে, সন্ধ্যায়, রাতে? রাতেহলে শুধুই কি রাতেনা রাতেসঙ্গম করলে?
(খ) ব্যথাযুক্ত লিঙ্গোচ্ছাস সঙ্গমের পূর্বে, সঙ্গমের সময়ে, সঙ্গমের পরে?
৭। লিঙ্গোচ্ছ¡াসের অভাব:
(ক) কখন হয় না- ভোর হতে ভোর রাতের মধ্যে কোন সময় একেবারেই উত্তেজনা হয় না?
(খ) কতদিন যাবত লিঙ্গোচ্ছাস হচ্ছে না?
(গ) লিঙ্গ উত্তেজিত হয়ে পরক্ষণেই শিথিল হয়ে ঠাÐা হয়ে যায় কি?
(ঘ) বীর্যপাতের পূর্বে কয়েক বার লিঙ্গোচ্ছাস নষ্ট হয়ে যায় কি?
(ঙ) প্রবল কামেচ্ছা থাকা সত্বেও লিঙ্গ শক্ত করা যায় না এমন হয় কি?
(চ) সঙ্গম চলাকালীন হঠাৎ লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায় কি?
৮। কামেচ্ছা:
(ক) আপনার কামের আকাক্সক্ষা বা ইচ্ছা বেশি না কম? বেশি হলে কখন বেশি হয়-
সকালে, বিকেলে, রাতে?
(খ) সব রকমের কামের ইচ্ছা পূরনের জন্য হস্তমৈথুন করে আপনার ভিতর পাগলামী ভাব চলে আসে কিনা?
(গ) বীর্যপাতের পর কি আপনার কামেচ্ছা বেড়ে যায়?
(ঘ) বৃদ্ধ ব্যক্তিদের অনেক বেশি কামেচ্ছা হয় কিনা।
(ঙ) খাওয়ার পরে আপনার কাম ইচ্ছা জাগ্রত হয় কিনা?
(চ) আপনার মনে কামের ইচ্ছা আছে কিন্তু লিঙ্গোচ্ছাস হয় না, এরকম হয় কি?
(ছ) কাম ইচ্ছা জাগ্রত হলে কি সহজেই লিঙ্গোত্তেজনা দেখা দেয় ? দেখা দিলে সাথে কোন রস জাতীয় কিছু বের হয় কি?
(জ) ঘুমানোর পরে আপনার মনে কাম ইচ্ছা জাগ্রত হয় কি?
(ঝ) কামের ইচ্ছার তীব্রতা অনেক বেশি কিনা? এত বেশি যে কামের জন্য পাগল হয়ে যান আর এ সময় আপনার শরীরে কোন কম্পন শুরু হয় কিনা?
(ঞ) আপনার মনে কামের কোন ইচ্ছাই হয় না এরকম হয় কিনা?
(ট) মোটা লোকের কামেচ্ছা হয় না, এরকম সমস্যা আছে কিনা?
৯। বীর্য:
(ক) আপনার শুক্রস্রাব রক্তাক্ত কিনা?
(খ) আপনার শুক্রস্রাব ঠাÐা কিনা?
(গ) আপনার শুক্রস্রাব প্রচুর পরিমাণে হয় কিনা?
(ঘ) সঙ্গমের পরে প্রচুর শুক্রস্রাব হয় কি?
(ঙ) আপনার শুক্রস্রাব পাতলা না গাঢ়?
(চ) আপনার শুক্রস্রাবের গন্ধ কেমন?
১০। কারণ:
(ক) হস্তমৈথুন- বর্তমান, অতীত সম্পর্র্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
(খ) সমকামি ও অন্য কোন প্রাণির সাথে কখনো সঙ্গম করেছেন কি?
(গ) ¯¦প্নদোষ হয় কি? হলে স্বপ্নদোষের বর্তমান ও পূর্বের অবস্থা জানতে হবে।
(ঘ) শুক্রমেহ সম্পর্র্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
(ঙ) প্রস্টেটিট রসক্ষরণ সম্পর্র্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
(চ) স্বামীর তুলনায় স্ত্রীর বয়স বেশি কিনা জানতে হবে।
(ছ) স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন মহিলার সাথে সঙ্গম করলে ।
(জ) অধিক সঙ্গম।
(ঝ) অতিরিক্ত রাত্রি জাগরণ।
(ঞ) কোন নেশা করলে বা অতিরিক্ত নেশার কারণে।
(ট) অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম।
(ঠ) অতিরিক্ত উত্তেজক ওষুধ দিয়ে সঙ্গম করা।
(ড) দীর্ঘদিন সঙ্গম থেকে বিরত থাকলে।
(ঢ) কোন রোগ চাপা পরার কারণে।
(ণ) যৌনক্ষুধা চেপে রাখার ফলে।
১১। রোগগত কারণ:
(ক) ঘন প্রস্রাবের কোন সমস্যা আছে কিনা?
(খ) কখনো গনোরিয়া হয়েছিল কিনা? সিফিলিসের কোন সমস্যা আছে কিনা?
(গ) কখনো য²া হয়েছিল কি?
(ঘ) পেটে গোলযোগ ও কোষ্ঠবদ্ধতা আছে কিনা?
১২। বীর্যপাত:
(ক) আপনার বীর্যপাত কি দ্রæত হয় না দেরিতে হয়? না অতিদ্রæত হয়?
(খ) আপনার বীর্যপাত কি কষ্টকর? বা যাতনাকর?
(গ) আপনার বীর্যপাত সঙ্গম কালে হয় না এমন কোন সমস্যা আছে কি?
(ঘ) আপনার বীর্যপাত অতি বিলম্বে হয় কি? বা অসম্পূর্ণ থাকে কি?
(ঙ) লিঙ্গোত্থান ব্যতীত কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(চ) মলত্যাগ কালে, মূত্রত্যাগের পর কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(ছ) আপনার কি পুনঃপুন বীর্যপাত হয়?
(জ) হস্তমৈথুনের পর, লিঙ্গোত্থানের অল্পক্ষণ পরে কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(ঝ) শুক্রস্রাব কি পরিমাণে প্রচুর হয়?
(ঞ) স্ত্রী সঙ্গমের পরে কি বীর্যপাত হয়?
(ট) আপনার শুক্রস্রাব কখন হয় রাতে না প্রাতে?
(ঠ) কোঁথ দেওয়ার সময় কি আপনার বীর্যপাত হয়ে যায়?
(ড) লিঙ্গ প্রবেশের পূর্বে বীর্যপাত হয়ে যায় এমন হয় কি?
(ঢ) লিঙ্গ শিথিল অবস্থায় কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(ন) স্ত্রীলোককে আদর করলে, স্ত্রীলোকের উপস্থিতিতে, স্ত্রীলোকের সাথে রসালো আলাপ করলে কি আপনার বীর্যপাত হয়ে যায়?
(ত) কল্পনায় বা কোনো উত্তেজনা ব্যতীত কি আপনার বীর্যপাত হয়?
(থ) বৃদ্ধাদের পুনঃপুন বীর্যপাত।
(দ) কোন কিছুতে হেলান দিয়ে থাকলে কি আপনার বীর্যপাত হয়ে যায়?
(ধ) বীর্যপাত কি অসাড়ে হয়ে থাকে?
১৩। স্বপ্নদোষ:
(ক) আপনার কি স্বপ্নদোষ হয়?
(খ) কতদিন পর পর বা সপ্তাহে কত বার হয়? হলে এক এক রাতে কয় বার হয়?
(গ) স্বপ্ন দেখে হয় না স্বপ্ন না দেখে হয়?
(ঘ) প্রতি রাতে হয় কিনা?
১৪। লিঙ্গের আকৃতি:
(ক) আপনার লিঙ্গের আকৃতি কেমন?
১৫। অÐথলির অবস্থান:
(ক) আপনার অÐথলি ঝুলে পড়েছে কিনা? এক পাশ না দুই পাশ?
১৬। অÐদ্বয়ের আকৃতি:
(ক) আপনার অÐদ্বয় ছোট হয়ে গেছে কিনা?
(খ) অত্যধিক রতিক্রিয়ার পর ছোট হয়ে গেছে কিনা?
(গ) আপনার অÐদ্বয় বড় হয়ে গেছে কিনা?
১৭। মানসিক ও শারীরিক অবস্থা:
(ক) যৌনাঙ্গের কোনো অংশে আঘাত লাগা।
(খ) স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্র্কে স্বামী অবগত হলে।
(গ) মুখ দিয়ে লিঙ্গ চুষলে সুখ অনুভব করে কিনা?
(ঘ) যৌনিপথ দিয়ে একাধিক বাচ্চা ডেলিভারি হলে স্বামীর মনে কোন অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় কিনা?
(ঙ) স্বামীর তুলনায় স্ত্রীর বয়স বেশি হলে স্বামীর কোন অস্বস্তি দেখা দেয় কিনা?
১৮। যৌনাঙ্গে দুর্গন্ধ- স্ত্রীর যৌনাঙ্গে খুব বেশি খারাপ গন্ধ হয় কিনা?
১৯। যৌন সঙ্গম এর স্থানটি বা পরিবেশ সম্পর্র্কে : আপনার সঙ্গমের পরিবেশ কেমন?
র) সঙ্গমের অনুকূল/ প্রতিকূল পরিবেশ।
বিঃ দ্রঃ-
বিয়ের বয়স ৩ দিন, সঙ্গম হয় নাই ১ দিনও- এই অবস্থায় চিকিৎসক যা ভাববেন:
১. মাসিক চলতে পারে।
২. পুরুষের নার্ভাসনেস থাকতে পারে।
৩. প্রতিকূল পরিবেশ হতে পারে।
৪. দুর্বলতা/ শারীরিক পরিশ্রম করলে।
৫. বউ চাপিয়ে দেওয়া/ স্ত্রীর বয়স কম হলে।
৬. পূর্বের/ অন্যের মহিলাদের নিয়ে তুলনা করা হলে।
৭. হস্তমৈথুন, সমকামিতা, স্বপ্নদোষ, অতিরিক্ত, সঙ্গম করা হলে।
৮. পেট বড়/ মেদপ্রবণ হলে।
৯. অপুষ্টি জনিত।
১০. স্ত্রীসহযোগিতা না করলে।
১১. সেক্স এর নিয়ম না জানলে।
১২. উত্তেজিত হলে যদি প্রসাবের বেগ চলে আসে।
১৩. স্ত্রী ব্যতিত অন্য কোন মহিলার কাছে গেলে।
১৪. যৌন নালীর আকৃতি ছোট হলে।
১৫. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উত্তেজনার জন্য আকৃষ্ট করতে না পারা।
১৬. দুই জনের মধ্যে অবিশ্বাস হলে।
আল আমিন
01814914237
06/10/2021
**** এক_কথায়_হোমিওপ্যাথিঃ-
1. আঘাত পেয়ে যেকোন রোগ হলে- Arnica
2চোখের পাতায় বার বার অঞ্জলি/তেলেঙ্গা হলে-Staphysagria
3. যেকোন স্থানে, যেকোন ব্যথায়-Mag phos 6x
4. ক্ষুধা ও বলশক্তি বৃদ্ধির জন্য-Nux Vom Q
5. খাবারে রুচি না থাকলে-Amloki Q
6. শরীরের কোন স্থান কেটে রক্তপাত ঘটলে-Calendula Q (বাহ্যিক)
7. বর্ষা/বৃষ্টির কারণে যেকোন রোগ হলে-Rhus Tox
8. আমাশয় হলে-Merc Sol
9. আমাশয়ে রক্ত গেলে-Merc Cor
10. শরীরের যেকোন স্থান দিয়ে টাটকা লাল রক্ত স্রাব হলে-Sinaberis
11. নড়াচড়া বা চাপলে আরাম-RhusTox
12. চুপচাপ থাকলে আরাম-Bryonia Alb
13. স্কুল কলেজ/অবিবাহিত যুবকদের কামরিপু দমনের জন্য Cantharis
14. গায়ক/বক্তার স্বর ভেঙ্গে গেলে-Custicum/Arg Nit
15. স্মরণশক্তি লোপ পেলে-Anacardium
16. খিটখিটে মেজাজ বদ-রাগি লোকদের যেকোন রোগে-Camomila
17. আগুন, গরম ও রৌদ্রজনিত যেকোনো রোগে বা সমস্যায়-Glonoine
18. শুঁচিপায়ি রোগির জন্য- Syphillinum-10m
19. বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করলে-Cina
20. মৌমাছি হুল ফুটালে-Apis Mel
21. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়লে/সমস্যা হলে-Causticum
22. পিঠে ব্যথায়-Lycopodium
23. ঘাড় ব্যথার জন্য-Conium
24. দুরগন্ধযুক্ত যেকোন স্রাব হলে-Achinesia
25. সোরাইসিসের জন্য-Gynocardium Q
26. যা খায় তাই বমি করে, কোন খাবার হজম হয়না-Symphoricur pus 30
27. মাথায় যন্ত্রনা বা ব্রেনের যেকোন সমস্যায়- Kali Phos 6x
28. মহিলাদের জরায়ু ঝুলে গেলে-Sipia 200
29. মহিলাদের তল পেটে ব্যথা হলে-Colophylom Q
30. প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা-Causticum 200
31. গুরুপাক খাবার খেয়ে অসুখ হলে-Pulsitilla
32. যেকোনো বাতের জন্য -Guacum
33. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে-Calcaria phos-6x
34. শরীরে আইরনের অভাব হলে-Ferum phos-6x
35. শরীরে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন হলে- Five Phos
36. ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে গেলে মাথাব্যথা-Calcaria phos
37. রোগী কথায় কথায় “ #যদি” শব্দ থাকলে- Arg Nit 200
38. মুখ ও গলার ভিতর যেকোন রোগে- Marc Sol
39. ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঔষধ- Eupatorium Perfoliatum
40. হৃদরোগের মহা ঔষধ- Crataegus Oxyacantha
41. কি ঔষধ প্রয়োগ করবেন না জানলে-NuxVom- 30
10/07/2021
#লাইকোপোডিয়াম ক্ল্যাভেটাম
Clavatum
♈উৎস ও প্রারম্ভিক কথাঃ
🔯কথিত আছে দশ লক্ষ বছর আগে লাইকোপোডিয়াম ক্ল্যাভেটাম (ক্লাব মস )
১৩০ ফুট উঁচু বৃক্ষ ছিল।
কালের বিবর্তনে ছোট হতে হতে 'ক্লাব মস' গুল্মে পরিণত হয়েছে ।
কিছু হারানোর শূন্যতা Lycopodium Clavatum এর রোগীদের বিমর্ষ করে রাখে ।
লাইকোপোডিয়ামের রোগী চায়, তাকে খুব বড় হতে হবে ।
বড় হওয়ার একটা সুপ্ত বাসনা(উচ্চবিলাসী) লাইকোপোডিয়ামের শিশুদের মধ্যেই প্রচ্ছন্ন ভাবে বিরাজমান থাকে ।
সাফল্যের জন্য সে তার নিজের সবটুকু শক্তি নিয়োজিত করে ।
আদেশ করে, প্রভুত্ব, কতৃত্বশালী আচরণ করে সুপ্ত উচ্চবিলাসী বসনা বাস্তবায়ন করতে চায়! ! !
তার ভিতরের দুর্বলতার জন্যে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার চিন্তা থেকে লাইকোপোডিয়ামের রোগী আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে!
ক্লাব মস ফার্ণ জাতীয় ছোট সবুজ উদ্ভিদ। এর রেণু থেকে হোমিওপ্যাথিক ফার্মাকপিয়ার নিয়ম অনুসারে হোমিওপ্যাথিক মাদর টিংচার ও শক্তিকৃত ওষুধ তৈরি করা হয়ে থাকে ।
ক্লাব মসের (লাইকোপোডিয়াম) বাইরের আবরণ
বেশ শক্ত হলেও ভিতরের অংশ নরম ।
লাইকোপোডিয়ামের রোগীও বাইরের দিকে দাম্ভিক, কতৃত্বপরায়ণ ভিতরের দিকে তেমনি ভীতু, কাপুরুষ ও আত্মশক্তিতে বিশ্বাস হীন মানুষ ।
লাইকোপোডিয়ামের রোগীর মল প্রথমটা খুবই শক্ত , তারপর নরম হয়ে একেবারে তরল হয়ে থাকে ।
থুজার রোগীর মতো চিকিৎসকের কাছে প্রথমেই মুখ খোলে না ।
তবে ধীরে ধীরে চিকিৎসককের প্রতি আশ্বস্ত হলে
শরীর মনের সব কথা খুলে বলে ।
সব কাজকেই লাইকোপোডিয়ামের রোগী কঠিন মনে করে, সংশয়ে ভোগে সফল হবে কিনা ।
কিন্তু একবার শুরু করলে সঠিকভাবে
সফল না করে থামবে না ।
সফলতার পর আনন্দিত হয় এর সাথে গর্বিত এবং অহংকারীও হয়ে উঠে ।
আমরা যদি আমাদের মেটেরিয়া মেডিকার
ওষুধের উৎসের মূল বৈশিষ্ট্য গুলো আলোচনা
করে পাঠ করি তবে তা - হৃদয়ে গভীর ভাবে অঙ্কিত হয়ে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস! !!
(লগডাউন /শাটডাউনে ছেলে, বুড়ো, ছাত্র. শিক্ষক, বেশীর ভাগ মানুষই বই খাতা কলম বাদ দিয়ে অনলাইনে ! ! !
কে যেন বলছিল - সবাই এখন
'ডাউনহেড' জেনারেশনে পরিণত হয়েছি!
হ্যাঁ আমিও এর বাইরে নই !
এখানে অল্প কিছু গুণী জন ব্যতীত বিশেষ করে কিশোর, কিশোরী , যুবক ও যুবতীগণ তাদের অমূল্য সময়, মেধা ও স্বাস্থ্য নষ্ট করে ধ্বংসের দিকে ধাবমান ।
আমি শ্রদ্ধেয় ডা. মহিব্বুর রহমান স্যারের অতি সাম্প্রতিক দু'তিন টি পোস্ট যা উনার দীর্ঘ দিনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে চিকিৎসক বন্ধুদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন । এ পোষ্ট গুলোর মূল কথা হলো - বই পড়তে হবে ।
কি কি বই কিভাবে পড়তে হবে । স্যার উনার পোষ্টে উল্লেখ করেছেন ।
আমি মনে করি উনি একজন সৎ ও যোগ্য অভিভাবকের কর্তব্য সম্পন্ন করেছেন।
যাঁরা বই পড়ার সুযোগ পান না, শুরু করুন ।
সত্যিই বইয়ের চেয়ে ভাল বন্ধু জগতে বিরল !!!
স্যার আমাকে আদেশ করেছেন হোমিওপ্যাথির জন্য কিছু করার । কিন্তু সে যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা আমার নেই।
স্যারের আদেশ রক্ষা করা এবং অনুজ প্রতিম হোমিওপ্যাথিক সুহৃদ সাথী, যাঁর প্রতিনিয়তই আমাকে উৎসাহিত করে লেখার জন্য তাঁদের কথার সম্মান রক্ষা করতে -- প্রাণান্তর চেষ্টা আমার এ লেখাটি ।
শ্রদ্ধেয় ডা . মহিব্বুর রহমান স্যারকেই লিখাটি উৎসর্গ করলাম, যদিও তা মান সম্পন্ন নয় ।
গুরুজন শ্রদ্ধেয় ডা. মহিব্বুর রহমান স্যারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা অবিরত ।
এ অবস্থায় মনে করলাম কিছু নোট করি ।
ডায়রিতে না করে অনলাইনেই করছি ।
এটাও অনলাইন আসক্তিই!
ডায়রি, বই সব সময়মতো সাথে থাকে না ।
মোবাইল সব সময়ই সাথে থাকে!
সময় করে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাবে । ইহা সম্পূর্ণ ওষুধ চিত্র নয় । সহজেই #লাইকোপোডিয়াম কে চেনার অন্যতম মাধ্যম ।
যাঁরা আমার এ লেখাটি পড়বেন এবং
বই পড়ার সময় পান না,
তাঁদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি - সত্যিই বই পড়ার কোন বিকল্প নেই । বইয়ের বিকল্প বই ই । বই কখনো আপনাকে প্রতারিত করবে না ।
অপ্রাসঙ্গিক লেখা কারো মনোপীড়ার কারণ হলে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে ।
সবার জন্যই আন্তরিক শুভ কামনা
সব সময়ের জন্য ।)
✳ লাইকোপোডিয়াম গভীর ক্রিয়াশীল বহুমুখী সর্বদোঘ্ন সদা ব্যবহৃত ও প্রথম শ্রেণীর গরমকাতর ওষুধ । দ্বিতীয় শ্রেণীর শীতকাতরও বটে ।
♈ভারতের কিংবদন্তি প্রথিতযশা ডা. নীলমণি ঘটক মহোদয়
লাইকোপোডিয়াম শুরু করেছেন এভাবেঃ-
" #লাইকোপোডিয়ামের ন্যায় গভীর ক্রিয়াকারী এবং সর্বদা ব্যবহার্য ঔষধ বোধ হয় আমাদের মেটেরিয়া মেডিকাতে নাই বলিলেও হয় । ইহার ক্রিয়া অতি মধুর, লক্ষণ-সমষ্টি অতি সুস্পষ্ট এবং ফলটি চিরস্থায়ী।
লাইকোপোডিয়ামের রোগী দ্রুত গতিতে আরোগ্য হয় কিন্তু ইহার ফল বড়ই মধুর ও স্থায়ী হওয়ায়,
প্রত্যেক চিকিৎসকই
লাইকোপোডিয়ামের গুণে মুগ্ধ ।"
শ্রদ্ধেয় ঘটক মহোদয় এবং অন্যান্য মনীষীদের ভাষ্য এবং আমার মত আনাড়ি নগন্য পর্যবেক্ষকের অভিজ্ঞতাও তাই ।
✳ মস্তিষ্ক, ফুসফুস, বক্ষ, গলা, পরিপাক তন্ত্র, লিভার, মূত্র তন্ত্র, ত্বকে প্রধান ক্রিয়া প্রকাশ করে ।
✳ মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত,মাথা ধরা, যকৃতের বিকৃতি, পাথুরী, একজিমা, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, প্লুরিসী, ডায়বেটিস, টাইফয়েড, ধ্বজভঙ্গ, হার্নিয়া প্রভৃতি নানা রোগে শিশু, নারী ও পুরুষের উপযোগী । বলা হয়ে থাকে ইহা শিশু ও বৃদ্ধ রোগীদের ওষুধ ।
♈ভয়, রাগ, উৎকণ্ঠা, বিরক্তি, অপমান ,পুঞ্জীভূত অসন্তোষ , অতিরিক্ত ধূমপান, জর্দা, মদ, বিয়ার সেবন , অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং হস্তমৈথুন জনিত কারণে নানাবিধ রোগ সমূহে লক্ষণ সাদৃশ্যে
ব্যবহৃত হয় ।
✳ মিষ্টি , ঝিনুক, শামুক ,মদ ও গরম পানীয় পছন্দ।
✳ কফি, তামাক, রুটি ও মাংসে অনিচ্ছা ।
✳ ✳
☆ বিকেলে, বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টাপর্যন্ত বৃদ্ধি ।
(চেলোডি )।
☆ঠান্ডায় বৃদ্ধি ।
☆গরম ঘরে বৃদ্ধি (পালস, নেট্রাম-মি )।
☆খাওয়ার পর বৃদ্ধি ।
☆পাজামা, লুঙ্গী আঁটো করে পরলে বৃদ্ধি ।
☆মাথায় টুপি পরলে বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখলে বৃদ্ধি।
☆শয়নকালে বৃদ্ধি।
☆ঘুম থেকে জাগলে বৃদ্ধি ।
☆মূত্র ত্যাগ কালে বৃদ্ধি ।
☆শামুক, ঝিনুক খেলে বৃদ্ধি ।
☆♈ জ্বর -বেলা ৩ টা বা ৩টায় বৃদ্ধি ।
♈গরম খাদ্য বা পানীয়ে উপশম ।
♈উদ্গারে উপশম ।
♈পাজামা, লুঙ্গী আগলা করলে উপশম ।
♈ঠান্ডা মুক্ত বাতাসে উপশম ।
♈প্রশ্বাব করার পর উপশম ।
♈শেষ রাতে উপশম ।
✳ ডাক্তার স্যামুয়েল হানেমান ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে
ইহা প্রুফ করে লক্ষণসমূমহ
ক্রনিক ডিজিজে লিপিবদ্ধ করেন ।
✳ #লাইকোপোডিয়ামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণাবলীঃ
♈ অকাল বার্ধক্য, বয়স অনুপাতে বৃদ্ধ দেখায় । চামড়ায় গভীর ভাঁজ পড়ে, অপরিষ্কার নোংরা ত্বক।
♈ ভয়, রাগ অপমান অথবা পুঞ্জীভূত অসন্তোষ হয়ে বিরক্তি ভাব তা থেকে রোগ (ষ্ট্যাফিস্ )।
♈প্রতিবাদ সহ্য করতে পারেনা, রাগে আত্মহারা হয়ে ঝগড়া করে ।
♈ ডানদিকে রোগের আক্রমণ বা ডানদিকে শুরু হয়ে বাম দিকে যায় (বিপরীত -ল্যাকে )।
উপর থেকে নিচে রোগের বিস্তার ।
♈ কোষ্ঠবদ্ধতা, কয়েক দিন যাবত মলাবেগই হয় না।
হলেও প্রথমে কষ্টকর শক্ত মল, পরে নরম বা তরল মল।
♈কষ্টকর অর্শরোগ ।
♈প্রচন্ড ক্ষুধা, কিছু খেলেই পেটে বায়ু হয় বিশেষতঃ নীচের পেটে , পাজামা, প্যান্ট , লুঙ্গী ঢিলা করতে হয়। অধঃবায়ু নিঃসরণে আরামবোধ করে।
♈খিটখিটে মেজাজ ,সহজেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। অতি সহজেই কাঁদে এমনকি ধন্যবাদ দিলেও কাঁদে।
♈ভীরুতা, কৃপণতা ও নিঃসঙ্গ প্রিয়তা ।
♈ শিশু সারাদিন কাঁদে, সারারাত ঘুমায় (বিপরীত -জালাপা ও সোরিনাম )।
♈শরীর দুর্বল, স্মরণ শক্তি দুর্বল কিন্তু বুদ্ধি বৃত্তি খুবই প্রখর (ফস )।
♈ইহার রোগীর শরীরের উপরের অংশ বাহু, বুক, গলা শীর্ণ , নীচের অংশ সতেজ ও পুষ্ট ।
♈ ডান দিকের হার্নিয়া ।
♈রাত কানা। কোন বস্তুর বাম দিক দেখে ।
♈ সঙ্গমেচ্ছা প্রবল কিন্তু সহবাস ক্ষমতার অভাব ।
♈ প্রশ্বাবে লাল ইটের গুড়োর মতো তলানি ।
♈ স্ত্রীজনেন্দিয় থেকে সশব্দে বায়ু নিঃসরণ(ব্রোমিয়াম ল্যাক-ক্যান, নাক্স-মস)।
♈ ঋতুমতী বয়সেও ঋতুস্রাব হয় না, স্তন উঠে না ।
♈গর্ভবতী না হয়েও স্তনে দুধ (এসাফটিডা, মার্ক-সল, পালস )।
♈ রোগীর এক পা ঠান্ডা অন্যটি গরম ।
♈রোগীর সব কষ্ট বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বেড়ে যায় (চেলোডি )।
♈✳জন্মগত ভাবে Lycopodium শিশু জটিল মিশ্র মায়াজমে আক্রান্ত । এর শিশুদের পরিপাক তন্ত্র ও লিভার বেশি দুর্বল থাকে । যা খায় তা হজম না হয়ে অল্মে পরিনত হয় ।
দেহে পুষ্টির অভাব দেখা দেয় । পুষ্টির অভাব গলা কন্ঠাস্থিতে শুরু হয়ে ক্রমে নিম্ন দিকে ধাবিত হয় ।
মস্তিষ্কে সবার পরে দেখা দেয়। তখন তার স্মরণ শক্তি দুর্বল, কর্মভীতি থেকে শুরু করে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে । কথা বলতে, লিখতে ভূল করে ।
দীর্ঘ সময় - রোগী ও চিকিৎসক কে যথেষ্ট সময় দেয় - আরোগ্য ক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য । Lycopodium এর রোগীদের ওষুধ নির্বাচনের লক্ষণারাজি প্রায়ই সুস্পষ্ট থাকে সুদীর্ঘ কাল ।
দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা এই যে,
কৃপণতার কারণে নিত্য প্রয়োজনে খরচে অনীহা এমনকি লাইকোপোডিয়ামের রোগী যথাসময়ে
নিজের চিকিৎসা করাতে বেশি খরচ
করতে চায় না।
আবার লাইকোপোডিয়ামের রোগী দানশীলও হয়। দরিদ্র মানুষকে দান খয়রাত করে । ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দান করে বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানাদি নির্মাণ করে ।
আমি সত্যিকারে জানি না ইহা তার আন্তরিক দানশীলতা -না বড় হওয়ার , বিখ্যাত হওয়ার উচ্চবিলাসী অবচেতন মনের বহিঃপ্রকাশ! !!
পারস্পরিক বৈপরীত্য লক্ষণ Lycopodium এর
বিশেষত্ব ।
✳✳ সংক্ষেপে #লাইকোপোডিয়ামঃ
ইহার রোগীর মধ্যে কিছু পরস্পর বিপরীত লক্ষণ দেখা যায়।
দেহ দুর্বল বুদ্ধি তীক্ষ্ণ । সামান্যতেই উত্তেজনা , ক্রোধে অগ্নিশর্মা তেমনি বিষাদচিত্ত ও অবসাদ ভাব ।
বেশি লোক জন বা গোলমাল পছন্দ করে না;
একাকী থাকতে চায়;
তেমনি একাকী থাকতে ভয় করে,
সে চায় যেন নিকটে বা পাশের ঘরে কেউ থাকুক ।
যেমন শীতকাতর শীতের দিনে স্নান করতে চায় না, তেমনি আবার গরম অসহ্য ।
মাথা সব সময়ই গরম, মাথায় আবরণ বা
টুপি রাখতে পারে না ।
কিন্তু বাতবেদনা বা প্রদাহিত স্থানে উত্তাপ প্রয়োগে উপশম ।
আবার ইহার ক্ষত স্থানে, ফোড়ায় গরম পুলটিস সহ্য হয় না -- ঠান্ডায় উপশম ।
ইহার জ্বালা ঠান্ডায় উপশম ।
এক পা ঠান্ডা এক পা গরম ।
ইহার রোগীর পিপাসা কম, মিষ্টি পছন্দ । সাধারণতঃ গরম বা ঈষদুষ্ণ খাবার পছন্দ করে ।
আহারের পর পেট খালিবোধ, ক্ষুধা বৃদ্ধি পায় ।
কোষ্ঠবদ্ধতা বেশি দেখা যায়, মল প্রথমে একটু শক্ত তার পর নরম বা পাতলা ।
ইহার রোগীর রোগলক্ষণ ডান দিকে বা প্রথমে ডানদিকে পরে বাম দিকে দেখা দেয় ।
(ল্যাকেসিসের বিপরীত )।
বিকালে বা বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বৃদ্ধি ইহার একটি চরিত্রগত স্মরণযোগ্য লক্ষণ ।
ইহার রোগী পালসেটিলার রোগীর মতো ক্রন্দনশীল।
আনন্দ সংবাদে বা ধন্যবাদ দিলেও কাঁদে(নেট্রাম-মি)।
সাইলেসিয়ার রোগীর মতো কোন কাজ শুরু করার পূর্বে সফলতার সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে ।
ইহার বয়স্ক রোগীরা হিসেবী, কতৃত্বপরায়ণ নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করে । শিশুরা সারাদিন কাঁদে, রাতে ঘুমায় । ঘুম ভাঙ্গার পর খিটখিটে মেজাজের হয়, চিৎকার করে কাঁদতে থাকে; প্রতিবাদ সহ্য করতে পারেনা, লাথি মারে, কামড়ায় ।
♈শিম, মটর, বাধা কপি, গাজর, সবুজ শাকসবজি, শালগম, তামাক, জর্দা, মদ, বিয়ার, কফি, টমেটো, খোসাযুক্ত মাছ, ফল, দুধ, লবণ, সালাদ ও পেঁয়াজ লাইকোপোডিয়ামের ক্রিয়া নষ্ট করে ।
✳ আমরা আলোচনা শেষ করবো বিখ্যাত চিকিৎসক ডা. মার্গারেট টাইলারের একটি উক্তি দিয়েঃ-
"যদি আপনি পান বিকালে বৃদ্ধি ।
বিকাল ৪টায় বৃদ্ধি ।
বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টাপর্যন্ত বৃদ্ধি ।
গরম খাবার পছন্দ ।
মিষ্টি পছন্দ ।
অম্বল ও বায়ু, পেট ফাঁপা, তার সাথে প্রশ্বাবের গন্ডগোলসমূহ---তাহলে আপনি যদি Lycopodium ব্যবস্থা করেন।
১১■০৭■২০২১
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1204
