Alert World

Alert World

Share

Uniting the Ummah & Exposing the Evil Plans of Dajjal (the Anti-Christ), Satan (iblis) & their Armies!

we live in a big lie
wake up world we Don't need gravity bcz its fake, we need grow and need Quran

08/07/2026

জীন ও বিজ্ঞানঃ(মানুষ জ্বিনদের দিয়ে কম্পিউটার চালায়, প্রোগ্রামিং করে) !

জ্বীনদের দিয়ে বিদ্যুতের মাধ্যমে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পরিবহন, মানব শরীরের ভেতরের খুঁটিনাটি এনাটমি ও ফিজিওলজি জানা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আরো বিভিন্ন কাজ করানো হয়।
মানুষ জ্বিনদেরকে দিয়ে কম্পিউটার চালায়, প্রোগ্রামিং করে, মুহূর্তের মধ্যে মোবাইলের খবর আদান প্রদান করে। কখনও ভেবেছেন, কিভাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম মুহূর্তের মধ্যে কল চলে যায়? তেমন কোন সময়ক্ষেপণই হয় না। এটা জ্বিনদের ক্ষমতা। মানুষ জ্বিনদের ভাষা রপ্ত করার মাধ্যমে তাদের অনুগত করেছে। আল্লাহ বলেছেন, আমি জ্বিনকে তৈরি করেছি, ধোঁয়াহীন আগুন থেকে। ধোঁয়াহীন আগুন কোনটি? ইলেক্ট্রিসিটি। কারণ ইলেকট্রিসিটি একটি আগুন এবং তাতে কোন ধোঁয়া থাকে না। তাতে থাকে +/- ।আর তাই জিন ইলেকট্রিসিটি কাজে লাগিয়ে দ্রুত ভ্রমণ করতে পারে যা আলোর বেগ এর সমান।আর সেজন্যই তারা সব জায়গায় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছে, যা আমরা বর্তমানে ইন্টারনেট নামে চিনি।
বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন ইন্টারনেট স্যাটেলাইটের মাধ্যমে চলে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় 99% সমুদ্রের নীচে তারের মাধ্যমে ভ্রমণ করে। এই তারগুলি 800,000 মাইলেরও বেশি প্রসারিত, মহাদেশগুলিকে সংযুক্ত করে এবং সবকিছুকে শক্তি দেয়: স্ট্রিমিং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাঙ্কিং ক্লাউড কম্পিউটিং শুধুমাত্র একটি FEVW কোম্পানি এই সিস্টেমটি তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন বিনিয়োগ করে৷ এনটিটি, অরেঞ্জ এবং চায়না টেলিকমের মতো গুগল, মেটা এবং মাইক্রোসফ্ট টেলিকম অপারেটরের মতো টেক জায়ান্ট। তারা ইন্টারনেটের লুকানো মেরুদণ্ড। তাই প্রতিবার আপনি একটি বার্তা পাঠান বা একটি ভিডিও দেখুন... আপনার ডেটা সমুদ্রের নীচে হাজার হাজার মাইল ভ্রমণ করছে৷
আল্লাহ বলেন,
وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ
আল্লাহ জ্বীনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াহীন অগ্নিশিখা থেক।
“ওয়া খালাক্বল জ্বিন্না মিন মারিজিন মিন না-র” (সূরা আর রহমান, আয়াত ১৫)। এখানে মারিজ ম্যাসকুলিন এবং নার ফেমিনিন। একটি পজেটিভ, একটি নেগেটিভ। দুইয়ে মিলে ধোঁয়াহীন আগুন, অর্থাৎ ইলেকট্রিসিটি।

“তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন শুকনো মাটি থেকে, যার বৈশিষ্ট্য ছিল পোড়া মাটির মতো।”
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ
“খালাক্বল ইনসানা মিন ছলছলিন কাল ফাখখার” (সূরা আর রহমান, আয়াত ১৪)। এখানে শুধু ম্যাসকুলিন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এবং সৃষ্টির প্রথম মানব আদম আ’লাইহিস সালামও ম্যাসকুলিন।

মানবদেহে হৃৎপিণ্ডের একটি বিশেষ ক্ষমতা আছে। সেটি হলো ইলেকট্রিক পাওয়ার তৈরির ক্ষমতা। ইসিজি হার্টের এই ক্ষমতা পড়তে পারে। বলা যায়, ইসিজি হলো হার্টের ইলেকট্রিক ভাষা পাঠ করার যন্ত্র। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রতিটা মানুষের সাথেই জ্বিন থাকে।” তাহলে বুঝা যাচ্ছে এই জ্বিন মানুষের হার্টে অবস্থান করে ইলেকট্রিক পাওয়ার অর্থাৎ পজেটিভ নেগেটিভ পাওয়ার তৈরি করে। আর ইসিজির লিডগুলো দিয়ে হার্টে তৈরি হওয়া সেই ভাষা পড়া যেতে পারে।
আল্লাহ ভালো জানেন।

এই সম্পর্কে আরো জানতে অকাল্ট প্রোগ্রামিং সম্পর্কে পড়াশোনা করুন, তাদের বিভিন্ন নাম্বার থিওরি স্ট্রিং থিওরি অ্যালগরিদম গেম থিওরি পাথফাইন্ডার আর জিওমেট্রি সবগুলোই অকাল্ট.. এগুলোর হিস্ট্রি নিয়ে একটু ঘাটলেই দেখবেন এগুলাতে জিন দের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব আছে।

07/07/2026

পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার পেছনে সোশ্যাল মিডিয়া একটি প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফোন এবং কম্পিউটারের স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো। এই আলো মস্তিষ্ককে দিনের বেলা বলে ভুল বোঝাতে পারে, যা মেলাটোনিন নামক হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। এই হরমোনটি আমাদের ঘুম ঘুম ভাব আনার জন্য দায়ী। ফলে, শরীর ক্লান্ত থাকা সত্ত্বেও ঘুমিয়ে পড়া কঠিন হয়ে পড়ে। আরেকটি কারণ হলো, সোশ্যাল মিডিয়া মস্তিষ্ককে মানসিকভাবে সক্রিয় রাখে। ভিডিও দেখা, মন্তব্য পড়া, পোস্ট স্ক্রল করা বা নোটিফিকেশন চেক করা মনকে উত্তেজিত করে এবং ঘুমানোর আগে শান্ত হওয়া কঠিন করে তোলে। শান্ত হওয়ার পরিবর্তে, মস্তিষ্ক সজাগ ও সক্রিয় থাকে, যা ঘুমকে বিলম্বিত করে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীদের যথাসম্ভব দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রল করতে উৎসাহিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অফুরন্ত ফিড, ছোট ভিডিও এবং ব্যক্তিগত সুপারিশের মতো বৈশিষ্ট্যগুলো মানুষকে সময়ের হিসাব ভুলিয়ে দিতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী অনলাইনে মাত্র কয়েক মিনিট কাটানোর উদ্দেশ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেগে থাকেন, যা ঘুমের জন্য উপলব্ধ সময় কমিয়ে দেয়। কিছু হারানোর ভয় (FOMO)-ও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। মানুষ প্রায়শই অন্যরা কী করছে সে সম্পর্কে অবগত থাকা, বার্তা দেখা বা নোটিফিকেশনের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করে। এই চাপের কারণে তারা ঘুমাতে দেরি করতে পারে এবং ঘুমানো উচিত জেনেও ফোন ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও, ক্রমাগত নেতিবাচক খবর বা আবেগপূর্ণ বিষয়বস্তু দেখার মতো কার্যকলাপ মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং অতিরিক্ত চিন্তা বাড়িয়ে তুলতে পারে। অন্যের জীবনের যত্ন করে সাজানো ছবি দেখার ফলেও সামাজিক তুলনা এবং নেতিবাচক আবেগ তৈরি হতে পারে। এই অনুভূতিগুলোর কারণে আরাম করা, ঘুমিয়ে পড়া এবং ভালোভাবে বিশ্রাম নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সময়ের সাথে সাথে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কারণে ঘুমের অভাব ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব, উৎপাদনশীলতা হ্রাস, মেজাজের ওঠানামা এবং এমনকি দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। যদিও সোশ্যাল মিডিয়া বিনোদনমূলক এবং উপকারী হতে পারে, গভীর রাতে এটি ব্যবহার করার ফলে প্রায়শই স্বাস্থ্যকর ঘুম ব্যাহত হয়।

05/07/2026

এটা আমাদের চোখের সামনেই বাস্তবায়িত হচ্ছে (একটার পর একটা ঘটনা; সপ্তাহের পর সপ্তাহ) - রাজনীতি, যুদ্ধ, এজেন্ডা ২০৩০ ইত্যাদির ছদ্মবেশে।

05/07/2026

Just wake up world!!!!!

03/07/2026

M@rk Z*uck%erberg – “তথ্যের D@jj@l”

১. জুকারবার্গের প্রকল্প: মানুষের ‘চিন্তা’ দখল
মূল প্ল্যাটফর্ম:
• Facebook: ৩ বিলিয়ন মানুষের চিন্তা-প্রকাশের জায়গা
• Instagram: মানুষকে আসক্ত করে রাখার সবচেয়ে সফল হুক
• WhatsApp: ৮৫% মুসলিম বিশ্বে একমাত্র বার্তা-চ্যানেল
তিনটাই এখন Meta-র অধীনে, যার টার্গেট: “মানুষের বাস্তব জীবনকে ডিজিটাল জগতে টেনে নেওয়া।”....
২. Metaverse – দাজ্জালের ‘Digital Jannah’
Metaverse কী?
• এটা এমন এক ডিজিটাল জগৎ, যেখানে আপনি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বসবাস করবেন।
• আপনার কেরেক্টার (avatar) চলবে, খাবে, ঘুমাবে, নামাজও পড়তে পারবে – সবই স্ক্রিনে, সবই মেকি।
রুহানী বিপদ:
• “মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত মজা।”
– যেমন দাজ্জালের “জান্নাত” বাস্তবে হবে আগুন, Metaverse-ও মেকি শান্তি।
• Virtual Hijab, Virtual Mosque – কিন্তু আসল দ্বীন থেকে বিচ্ছিন্ন।
→ ঈমান থাকবে স্ক্রিনে, হক থাকবে লাইভ স্ট্রিমে, কিন্তু রুহানিয়াত থাকবে না।.....
৩. AI & Algorithm – সত্য মিথ্যার প্রহরী
তথ্য কীভাবে দখলে নেয়:
• Facebook/Instagram algorithm ঠিক করে আপনাকে কোন পোস্ট দেখানো হবে।
• ইসলামিক কনটেন্ট শ্যাডো ব্যান করে, হিজাব, জিহাদ, মাহদী – এগুলা ‘harmful’ ট্যাগ পায়।
• বিপরীতে: নাফরমানি, ফেমিনিজম, LGBTQ, ফিতনা – এগুলো Boost হয়।
একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে দেয় – ঠিক দাজ্জালের মতো।......
৪. ফেসবুকের Black Projects – অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ
Reality Labs (গোপন শাখা):
• হিউম্যান ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস বানাচ্ছে
• Facebook Mind Reading AI বানানোর চেষ্টা করছে: মানুষের চিন্তা পড়া
DARPA কানেকশন:
• মার্কিন সামরিক বাহিনীর ডেটা-প্রজেক্টে ইনভেস্ট করে Meta
• মনিটর করে: কোন মুসলিম গ্রুপগুলো “radical”, কে কাকে follow করে..........
৫. Islamic World-এর ওপর প্রভাব:
ফিল্ড-----------প্রভাব
সমাজ => ফেসবুকের কল্যাণে ইসলামি পর্দা, বিবাহ, লজ্জাশীলতা — সব ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে।
তরুণ => TikTok ও Instagram Reels এর মাধ্যমে পর্ণ-সদৃশ কন্টেন্টের শ্রোত ঢুকিয়ে দিচ্ছে ফিড। যার ফলে যুবসমাজের চরিত্র ও চিন্তাধারা বিপথে যাচ্ছে।
ইসলামি দাওয়াত ও কর্মী => ইসলামি পেইজ, স্কলার, দাওয়াতি চ্যানেল বারবার ব্লক, নিষিদ্ধ, পেইজ ডিলিট, শ্যাডোব্যান — অথচ ইসলামবিরোধী পেইজ ও বেহাইয়াপনামুলক কন্টেন্ট দিব্যি ভাইরাল হয়।......
৬. গোপন এজেন্ডা: “God Complex”
জুকারবার্গ এক সাক্ষাৎকারে বলেছে:
“We’re building a new world — a new social reality. Not just tools.”
মানে, সে নিজেই এক প্রকার digital খিলাফত কায়েম করতে চায় —
কোথায় কথা বলবেন, কাকে follow করবেন, কী চিন্তা করবেন – সব Meta ঠিক করবে।........
৭. এক কথায়: সে কী দাজ্জাল? না দাজ্জালের সৈন্য?
• সে দাজ্জাল না।
কিন্তু সে এমন একটা “চোখা জাহান্নাম” বানাচ্ছে, যেখানে আপনি হাসতে হাসতে ঈমান হারাবেন।
• সে ফিতনার প্রবেশদ্বার খুলে দিচ্ছে।
→ তার কাজ: মানুষকে আসল সত্য থেকে দূরে রাখা, যেন দাজ্জাল আসলে কেউ ঠেকাতে না পারে।.....

29/06/2026

বিনোদনমূলক পদার্থবিজ্ঞান ও অন্ধ বিশ্বাসে স্বাগতম আপনাকে
ehheee ahee এএএ।

29/06/2026

ব্যবিলন ও মিশরীয় সভ্যতায় কাব্বালার প্রচুর ব্যবহার করা হত। এছাড়াও আমরা কুরআন ও হাদিস থেকে জানি যে মুসা (আ) এর সময় বা মিশরীয় যুগে খুব জাদুবিদ্যার চর্চা করা হত। এই কাব্বালাহ ব্যবহার করার ফলে তাদের কাছে ছিল উন্নত মানের টেকনোলজি। তখনকার সময়ের কাফেররা এই কাব্বালাহ ও বদ-জ্বীন জাতির টেকনোলজিকে ব্যবহার করে তৈরি করেছিল বিভিন্ন উন্নত মানের ডিভাইস, যানবাহন ইত্যাদি। তখনকার সময় বিদ্যুৎ পর্যন্ত তাদের কাছে ছিল। কেননা পিরামিডের ভিতর থেকে কপারেট তার, ব্যাটারি ও বাতি পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে। তাদের কাছে ছিল জ্বী-ন জগত থেকে আগত বিভিন্ন উন্নত মানের টেকনোলজি, ইউএফও, ডিভাইস ইত্যাদি। এবং যার নিদর্শন পাওয়া যায় পিরামিডের গায়ে আঁকা বিভিন্ন ছবি থেকে। শুধু তাই নয় এরকম উন্নতমানের অনেক টেকনোলজি পাওয়া গিয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বা ফসিল হিসাবে এবং যার বয়স কিনা ৫০০০ বছরেও পুরনো। সেসকল টেকনোলজি বা ডিভাইসগুলো বিভিন্ন দেশের জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

বর্তমান পৃথিবীতে যা কিছু বিজ্ঞান বলে প্রচার করা হয়, তার সবকিছু বিজ্ঞান নয়। এর পেছনে রয়েছে সেহের বা যাদুবিদ্যা।

29/06/2026

❌দাজ্জালি সমাজে বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্য:‼️

সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-

কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!

ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা। ঔষধেও ভেজাল

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই। আফসোস।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka