MUN 24

MUN 24

Share

সত্যের সন্ধানে আমরা নির্ভীক.....

22/05/2026

সেদিন তারা মানে বিএনপির নেতাকর্মীরা শহীদ শরীফ ওসমান হাদীকে খুব তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছিল
এখন তাদের কোন সাড়া নেই
ওহ: হাদি ভাইকে তো ভুলেই যাবেন সে তো আর আপনার কেউ না
ভুলেই তো গেছেন হাদী ভাইকে অথচ তার প্রত্যেকটা কথা সত্যি হচ্ছে আজকে বাস্তবায়ন হচ্ছে
,

,,

,
,
,
,

,,
,
,
,
no but it is

22/05/2026

অখন্ড ভারত নাকি লন্ডভন্ড ভারত?
সুভেন্দু বাবু নাকি দুর্গন্ধ বাবু,

,
,,
,
,
,
,

,
,
,
,
,
,
,
,
,
no but it is

21/05/2026

একটি শিশুর আর্তনাদ কখনোই শুধু একটি পরিবারের বেদনা হয়ে থাকে না, এই বেদনা আমাদের সবার! শিশু রামিসার সাথে হওয়া এই নৃশংস ঘটনা পুরো সমাজের মানবিকতা, নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়! প্রয়োজন দ্রুত স্বচ্ছ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি; যে শাস্তি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অপরাধীদের মনে ভয় তৈরি করবে এবং সমাজে স্পষ্ট বার্তা দেবে।

এমন জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার বিলম্ব মানে ভুক্তভোগী পরিবারের যন্ত্রণা আরও দীর্ঘ করা। তাই এখন সময় আইনের কঠোর প্রয়োগ, যাতে আর কোনো রামিসাকে এভাবে নির্মমতার শিকার হতে না হয়; যেন আর কোনো সন্তানের পিতাকে বলতে না হয়, “আমরা বিচার চাই না, এদেশে বিচার নাই!”! সত্যের সন্ধানেচ্যানেলটিকে ফলো করুন
no but it is

20/05/2026

এই আইন কি শুধুমাত্র মুখে বলার দ্বারা বাস্তবায়ন করা সম্ভব?
,
,
,
,

,
,
,
,
,
,

,
,

no but it is MUN 24 Sheikh Babar Ali Hedayetpuri সত্যের সন্ধানে সেই যুবক Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন

19/05/2026

মালয়েশিয়া যেতে একজন পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান কিংবা ভারতীয়কে ব্যায় করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ বাংলাদেশী টাকা৷ কিন্তু বাংলাদেশের একজন শ্রমিককে খরচ করতে হতো ৪-৫ লাখ৷ কারন প্রতিজন শ্রমিককে আওয়ামিলীগ সরকারের তৈরি সিন্ডিকেটকে দিতে হতো আড়াই লাখ টাকা! এভাবেই সেই সিন্ডিকেটের সদস্য নুর আলী, দ্যাতো আমিন, এমপি বেনজির, লোটাস কামালরা মিলে ২৪ হাজার কোটি টাকা হাতিয়েছিলো মালয়েশিয়া শ্রম বাজার থেকে৷ হাসিনা পালিয়ে যাবার পর তাদের বিরুদ্ধে একটা মামলা হয় কিন্তু আসিফ নজরুল সিআইডিকে চাপ দিয়ে মামলাটি দূর্বল করে দেয়৷ তাদেরকে অন্তরালে রেখে আসিফ নজরুল চেয়েছিলো পুরাতন সিন্ডিকেট সদস্যদেরকে নিয়ে নতুনভাবে আগের পদ্ধতিতেই মালয়েশিয়া লোক পাঠাতে৷ কিন্তু বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তা আর হয়নি৷ তবে নুরু প্রতিমন্ত্রী হয়ে আসিফ নজরুলের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার পথে৷ সেই পুরাতন সিন্ডিকেট পদ্ধতিতেই মালয়েশিয়া শ্রমিক পাঠানোর পথে বাংলাদেশ! এবারের সিন্ডিকেটে বেনামে আসিফ নজরুলের প্রতিষ্ঠান, ড. ইউনুসের ভাতিজার প্রতিষ্ঠান সেই সাথে নুরুর ভাই আমিনুলের প্রতিষ্ঠান যুক্ত হচ্ছে, সাথে আগের সিন্ডিকেটের অনেকেই থাকছে৷
অতএব, মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকরা ৫ লাখ টাকা করে রেডি রাখেন৷ দ্রুতই ঘটনা দেখতে পাবেন৷

19/05/2026

হরমুজ প্রণালির ইন্টারনেট কেবল নিয়ন্ত্রণে ইরানের নতুন কৌশল: বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল বিপর্যয়ের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী ও ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হরমুজ প্রণালিতে এবার নতুন চাল চালল ইরান। পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার পর, এবার সমুদ্রতলের সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলকে নিজেদের নতুন কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে তেহরান। ইউরোপ, এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিপুল পরিমাণ ইন্টারনেট ও অর্থনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানের প্রধান সংযোগস্থল এই সাবমেরিন কেবলগুলোর ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রকাশ্য ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটি।

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ইরান এখন হরমুজ প্রণালির তলদেশ দিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলগুলো ব্যবহারের জন্য বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ওপর 'ট্রানজিট ট্যাক্স' বা ডিজিটাল টোল আদায়ের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করছে। ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) সরাসরি ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, "আমরা ইন্টারনেট ক্যাবলের ওপর নতুন ফি বা চার্জ আরোপ করতে যাচ্ছি।"

ইরানের এই নতুন কৌশলের আওতায় বিশ্বখ্যাত টেক জায়ান্ট গুগল, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যামাজনের মতো 'হাইপারস্কেলার' প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন থেকে সম্পূর্ণ ইরানি আইন ও রেগুলেশন মেনে এই অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর দাবি, এই রুট দিয়ে দৈনিক প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ও ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন হয়। তাই এই 'লুকানো হাইওয়ে' থেকে কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে সাবমেরিন কেবল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স ফি দিতে বাধ্য করা হবে এবং কেবলগুলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের একক অধিকার শুধু ইরানি কোম্পানিগুলোকে দিতে হবে।

প্রযুক্তি ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, সমুদ্রতলের এই কেবলগুলোই আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের মূল ভিত্তি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ক্লাউড সেবা, ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক, সামরিক যোগাযোগ এবং অনলাইন স্ট্রিমিং সচল রাখে। যদি কোনো কোম্পানি ইরানের এই শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে এই সংবেদনশীল জলসীমায় ডেটা ট্রাফিকের গতি ধীর করে দেওয়া বা সংযোগ বিঘ্নিত করার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে এক নজিরবিহীন ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট বা বিপর্যয়ের জন্ম দেবে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্র আইনবিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র তার নিজস্ব জলসীমায় প্রবেশকারী ক্যাবলের বিষয়ে নির্দিষ্ট শর্ত বা নিয়ম আরোপের আইনি সুযোগ পায়। ইরান এখন সেই আন্তর্জাতিক আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করেই তার প্রচলিত সামরিক শক্তির বাইরে গিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও মার্কিন মিত্রদের ওপর এই বিকল্প উপায়ে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ নীতি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের আর্থিক ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সংবাদ সূত্র: সিএনএন, টাইমস অব ইন্ডিয়া, বার্তা২৪, চ্যানেল আই অনলাইন।

but it is

19/05/2026

হরমুজ প্রণালির ইন্টারনেট কেবল নিয়ন্ত্রণে ইরানের নতুন কৌশল: বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল বিপর্যয়ের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী ও ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হরমুজ প্রণালিতে এবার নতুন চাল চালল ইরান। পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার পর, এবার সমুদ্রতলের সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলকে নিজেদের নতুন কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে তেহরান। ইউরোপ, এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিপুল পরিমাণ ইন্টারনেট ও অর্থনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানের প্রধান সংযোগস্থল এই সাবমেরিন কেবলগুলোর ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রকাশ্য ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটি।

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ইরান এখন হরমুজ প্রণালির তলদেশ দিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলগুলো ব্যবহারের জন্য বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ওপর 'ট্রানজিট ট্যাক্স' বা ডিজিটাল টোল আদায়ের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করছে। ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) সরাসরি ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, "আমরা ইন্টারনেট ক্যাবলের ওপর নতুন ফি বা চার্জ আরোপ করতে যাচ্ছি।"

ইরানের এই নতুন কৌশলের আওতায় বিশ্বখ্যাত টেক জায়ান্ট গুগল, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যামাজনের মতো 'হাইপারস্কেলার' প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন থেকে সম্পূর্ণ ইরানি আইন ও রেগুলেশন মেনে এই অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর দাবি, এই রুট দিয়ে দৈনিক প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ও ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন হয়। তাই এই 'লুকানো হাইওয়ে' থেকে কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে সাবমেরিন কেবল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স ফি দিতে বাধ্য করা হবে এবং কেবলগুলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের একক অধিকার শুধু ইরানি কোম্পানিগুলোকে দিতে হবে।

প্রযুক্তি ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, সমুদ্রতলের এই কেবলগুলোই আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের মূল ভিত্তি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ক্লাউড সেবা, ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক, সামরিক যোগাযোগ এবং অনলাইন স্ট্রিমিং সচল রাখে। যদি কোনো কোম্পানি ইরানের এই শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে এই সংবেদনশীল জলসীমায় ডেটা ট্রাফিকের গতি ধীর করে দেওয়া বা সংযোগ বিঘ্নিত করার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে এক নজিরবিহীন ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট বা বিপর্যয়ের জন্ম দেবে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্র আইনবিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র তার নিজস্ব জলসীমায় প্রবেশকারী ক্যাবলের বিষয়ে নির্দিষ্ট শর্ত বা নিয়ম আরোপের আইনি সুযোগ পায়। ইরান এখন সেই আন্তর্জাতিক আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করেই তার প্রচলিত সামরিক শক্তির বাইরে গিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও মার্কিন মিত্রদের ওপর এই বিকল্প উপায়ে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ নীতি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের আর্থিক ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সত্যের সন্ধানে MUN 24 চ্যানেলটিকে ফলো করুন

সংবাদ সূত্র: সিএনএন, টাইমস অব ইন্ডিয়া, বার্তা২৪, চ্যানেল আই অনলাইন।

but it is

19/05/2026

কলকাতায় আসন্ন ঈদকে ঘিরে গরু বিক্রির আশায় থাকা অনেক হিন্দু খামারি ও ব্যবসায়ী এখন চরম দুশ্চিন্তায় আছেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদের আগে মুসলিম ক্রেতারা খামার থেকে গরু কিনতে আসবেন, কিন্তু বাজারে সেই পরিমাণ ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অনেকের লাখ লাখ টাকার বিনিয়োগ আটকে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে শুধু ব্যবসার সংকটই নয়, উঠে আসছে দুই সম্প্রদায়ের পারস্পরিক নির্ভরতা ও বাস্তব সম্পর্কের ছবিও। অনেক হিন্দু খামারির কথায় স্পষ্ট—ঈদের গরুর বাজারে মুসলিম ক্রেতারাই তাদের বড় ভরসা। তাই ক্রেতা না থাকায় খামারি, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী বহু মানুষ এখন কঠিন সময় পার করছেন।
কলকাতায় আসন্ন ঈদকে ঘিরে গরু বিক্রির আশায় থাকা অনেক হিন্দু খামারি ও ব্যবসায়ী এখন চরম দুশ্চিন্তায় আছেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদের আগে মুসলিম ক্রেতারা খামার থেকে গরু কিনতে আসবেন, কিন্তু বাজারে সেই পরিমাণ ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অনেকের লাখ লাখ টাকার বিনিয়োগ আটকে গেছে।

Photos from MUN 24's post 17/05/2026

সিলেটে ১৬ পারা মুখস্থ কোরআনে হাফিজ তাসকিন আহমদ মিজান (১১) কে এক কাটমোল্লা কর্তৃক সিলেটের একটি বাসায় ৯ মাস আ-ট-কি-য়ে রেখে ম'ধ্য'যু'গী'য় কায়দায় অ-মা-ন-বি-ক নি'র্যা'ত'ন ও যৌ*ন নি'পী'ড়'নের অভিযোগ।

শরীলের এমন কোন জায়গা নেই আ'ঘা'ত করে নাই,এমনকি গো-প-না-ঙ্গ ও রেহাই পায় নাই,সাথে দিত লবণ ও ম-রি-চে-র গু-ড়া,ছেলের শরীল পে'কে দূ-র্গ-ন্ধ বের হচ্ছে

নি-র্যা-ত-ন-কা-রী কাটমোল্লার নাম মোঃ ফয়সাল আহমদ কামরান,বাড়ি,খাদিমান,৬ নং সুলতান পুর ইউনিয়ন,জকিগঞ্জ,সিলেট,কোরআনে হাফিজ শি-শু শিক্ষার্থীর বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলার ১ নং বারহাল ইউনিয়নের,নূরনগর,পিতা: নিজামুল হক,দুবাই প্রবাসী,

উক্ত বাসায় আরো ৫ জন,মহিলা বসবাস করতেন,তাদের মধ্যে শি'শু ও কিশোরী রয়েছে,এরা কেউ কাটমোল্লার র-ক্তে-র সম্পর্কের কেউ নয়,ভিক্টিম শি-শু,জানিয়েছে,কিশোরীদের ও যৌ-ন নিপীড়ন করতো,সবাইকে ব্ল্যাকমেইল করে এই বাসায় রাখা হয়েছে,মহিলারা ভিক্টিম শি'শু'র স্বজন হলেও তারা কোন প্রতিবাদ করেনি,এরা সবাই তার কথায় উঠে ও বসে এবং জিম্মি।এক কিশোরীকে তার পিতা এই বাসা থেকে নিতে পারেন নাই,ব্যর্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন, মেয়েটি মা বাপের সাথে যায় নাই,এখানে গভীর কিছু লুকিয়ে আছে,অনুসন্ধান চলছে বিস্তারিত আসছে।

কাটমোল্লাকে ইতিমধ্যে শাহপরান থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে,তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গার ইতিমধ্যে আরো ভ'য়া'ব'হ গুরুতর ও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে,,,,,,

,
,

,
,
,
,
,
,
,
,

,
,
,
,
,

,
,
,

,,
,
no but it is
,

Photos from MUN 24's post 17/05/2026

‎দীর্ঘ নয় মাস বন্দি রেখে অমানবিক নির্যাতনের শিকার তাহসিন!
‎‎কার বাসায় বন্দি ছিল জানেন? তার নিজেরই বাসায়! কোনো প্রতিষ্ঠানে নয়, কোনো শিক্ষকের হাতে নির্যাতিত হয়নি। নির্যাতিত হয়েছে এক কুলাঙ্গার জানোয়ারের হাতে।
‎সন্তানকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে তার 'মমতাময়ী' মায়ের ভূমিকা কী ছিল জানেন? কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়া! হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। তাহসিনের মা আক্ষরিক অর্থেই কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিত! পিটুনি শেষ করে জানোয়ারটা জখমে ব্লেড দিয়ে পোস দিত। এরপর তার নির্দেশে তাহসিনের মা ক্ষতস্থানে লবণ ও গুঁড়ামরিচ মিশিয়ে দিত। ওই কাজে ওর দুই খালাও জড়িত। 'কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা' এতো দিন রূপকার্থে শুনলেও একজন মায়ের হাতে বাস্তবিক রূপ নিয়েছে! ভাবা যায়?!
‎'অমানবিক' বলবো না অন্যকিছু, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। শিশুটির শরীরের এক ইঞ্চি জায়গাও আঘাত থেকে বাদ পড়েনি। পুরোটা শরীর ঝাঁঝরা করে দিয়েছে জানোয়ারের বাচ্চা! নির্বিঘ্নে, নিশ্চিন্তে, মা ও খালাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, নয় মাস ধরে, বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে আসছিল পাষাণ জানোয়ার!

‎নির্যাতনে তাহসিনের মা ও দুই খালার পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। তারা তাহসিনের উভয় হাত পেছন দিকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে দিত। এরপর ওই লোকটা হাতের কাছে যা পেত, তা দিয়ে পিটাত। তাহসিন বাঁচাও বাঁচাও বলে গগনবিদারী চিৎকার করত। চিৎকার যত বাড়ত, ওই জানোয়ার তত বেশি মারত। দরজা-জানালা বন্ধ সত্ত্বেও বাহির থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার কিছুটা শুনা যেত।

‎চিৎকার শুনতেন আশিক ভাই। পরখ করলেন কোন বাসা থেকে এতো চিৎকার আসে। গেলেন বাসায়। ১৫ পারার হাফিজ, ১০ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে অমানবিক নির্যাতনের কারণ জানতে চাইলে জানোয়ারটা বলল—'আমার সন্তানকে আমি মারছি, তুই কে? তোর কী হইছে?!' তাহসিনের মা বলল—'বাপ তার ছেলেকে মারছে, তোমার কী?!' খালাদেরও একই কথা।

‎ওই জানোয়ারটা কি আসলেই বাবা? তাহসিন এক ভিডিওতে বলেছে—“আমি তাকে চিনি না। সে আমাদের কেউ নয়। আমার আব্বা প্রবাসী। তিনি এসব জানেন না। সে আমার আম্মা ও খালাদের সাথে লুডু খেলত। আমার খালাদের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতে দেখতাম।”
‎তাহসিনের এই বর্ণনা থেকে তার মা ও খালাদের সঙ্গে ওর সম্পর্কের ধরনটা বুঝতে বাকি নাই। একজন পরপুরুষ, যার সঙ্গে আত্মীয়তা কিংবা বৈবাহিক কোনো সম্পর্ক নেই—সে পাঁচজন (মা, দুই খালা, বোন ও খালাতো বোন) নারীদের নিয়ে একই বাসায় বছর ধরে একত্রে বসবাস ও খেলতামাশা করে আসছিল—বিষয়টা কি খুব স্বাভাবিক? ওদের গোমর ফাঁস করে দেয়ার ভয়ে তাহসিনকে ধীরে ধীরে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে—এটাও অসম্ভব নয়!

‎পনের-বিশ দিন থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার শুনতে না পেয়ে আশিক ভাই চিন্তায় পড়ে গেলেন যে, মনে হয় ওরা ছেলেটাকে মেরে ফেলেছে! বন্ধু-বান্ধব কয়েকজনকে নিয়ে খোঁজখবর নিতে গেলেন। তখনই দেখতে পেলেন তাহসিনের এই করুণ অবস্থা! আওয়াজ যাতে বাইরে না যায়— সেজন্য মুখে স্কচটিপ পেঁচিয়ে, কখনো গামছা দিয়ে বেঁধে পিটাত জানোয়ারটা। একারণে আহাজারির আওয়াজ শুনা যাচ্ছিল না। ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশ ডাকলেন। পুলিশ এসে তদন্ত করে, জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

‎তাহসিনের আব্বাকে ফোন করে বিষয়টি অবগত করলে তিনি কান্না শুরু করেন। তিনি বলেন—“আমার বাসায় তো কোনো পুরুষ মানুষ নাই। ওই লোকটাকে আমি চিনি না। আমার ছেলের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে আমি জানতাম না।”

‎তাহসিন তার আব্বার সঙ্গে ফোনের সুযোগ পেত না। কখনো কথা বললে, ওর মা সামনে খাড়া থাকতেন। একারণে সে বিষয়টি বলতে পারত না। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বলতও না।

‎তাহসিনকে নির্যাতনের স্ট্রিমরোলার থেকে উদ্ধার করে, অপরাধীকে পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সঙ্গে ওর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারা হলেন— আশিক ভাই, আনসার ভাই, দেওয়ান তাকওয়া সহ হিলভিউ টাওয়ার ও খাদিমপাড়ার বেশকয়েকজন তরুণ। মজলুমের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

‎মিডিয়ায় দেখলাম শাহবাগ এলাকার জনৈক নেতা পুরো ক্রেডিট নিচ্ছেন, অথচ পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত তার কোনো দেখা মিলেনি। ক্রেডিট নিন, সমস্যা নাই। তবে সমস্যার জায়গা হলো—তিনি ফেসবুকে 'শিক্ষকের হাতে নির্যাতন' বলে পোস্ট করেছেন। অনেকেই ভুল বোঝাবুঝি বশত তার পূর্বের মাদরাসার নাম নিয়ে পোস্ট করছেন। কেউ মাদরাসায় শিক্ষকের হাতে নির্যাতন বলে পোস্ট করছেন। অথচ তাহসিন দীর্ঘ নয় মাস ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে—তারই বাসায়, তারই মা ও খালাদের সহযোগিতায়, এক জানোয়ার পাষাণ্ড কুলাঙ্গারের হাতে! পূর্বের মাদরাসা থেকে নয় মাস আগেই তাকে নেওয়া হয়েছে।

‎তাহসিনের আত্মীয়দের কাছে অনুরোধ করছি—বিষয়টা শক্ত করে ধরুন। চুল পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মা ও খালাদের ছেড়ে দিবেন না। কুলাঙ্গার গ্রেফতার হলেই হবে না, ওর শাস্তি নিশ্চিত করুন। একই সঙ্গে ওর মা ও খালাদের আইনের কাছে সোপর্দ করুন। সবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করুন। সবার শাস্তি নিশ্চিত করুন।

কপি পোস্ট

বিঃদ্রঃ দয়া করে কেউ এ্যাংরি রিয়েক্ট দিবেন না।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka