Hair Problems Solution

Hair Problems Solution

Share

চুলের যেকোনো সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমা

15/07/2021

গরমে যাঁদের চুল বেশি শুষ্ক হয়ে যায়, তাঁরা সপ্তাহে তিন দিন লেবুর রস ও নারকেল তেল জাফরান তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই এ তেলের মিশ্রণ সারা রাত লাগিয়ে রাখেন। এতে কিন্তু হিতে বিপরীত হয়। এ তেলের মিশ্রণ গোসলের আগে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখলেই যথেষ্ট।

মাথার তালুতে গরমের জন্য চুলকানির সৃষ্টি হয়। এ জন্য নিমপাতা বেটে চুলে লাগাতে পারেন। ১ টেবিল চামচ নিমপাতা বাটার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাতে তিন দিন এ প্যাকের ব্যবহার গরমে মাথার তালুতে যে চুলকানির সৃষ্টি করে, তা দূর করবে। এ সময় যাঁদের অধিক ঘন চুল বা লম্বা চুল, তাঁরা মাথার তালু ঠান্ডা রাখার জন্য অ্যালোভেরার জেল ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে তিন দিন শুধু অ্যালোভেরার জেলটুকু ভালো করে ব্লেন্ড করে চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এ জেল মাথার তালুকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বিশেষ কাজ করবে।

08/07/2021

চুল পড়ার কারনঃ বিভিন্ন কারনে অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়তে পারে। এর মধ্যে প্রধান কারণ গুলো হল –

* ভিটামিন ও মিনারেলস এর অভাবঃ অপুষ্টি বা দেহে বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলস এর মূলত চুল পড়ার প্রধান কারণ। খাদ্য গ্রহনের সময় যদি আমাদের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা না হয়, তবে তা শরীরের ঘাটতি পূরণ করতে পারবেনা, ফলে অন্য সব কিছুর মতো চুলের গোড়াও দুর্বল হয়ে যাবে।

* অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রাঃ অতিরিক্ত ভাজা পোড়া, তেল জাতীয় খাবার, সিগারেট, কোল্ড ড্রিংস, অতিরিক্ত চা-কফি গ্রহণ, অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত ঘুম, কায়িক পরিশ্রম না করা ইত্যাদি এর সাথে চুল পড়ার সম্পর্ক আছে।

* পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবঃ অপরিচ্ছন্ন মাথার চুলের গোড়ায় সহজেই জীবাণুর সংক্রমণ হয়, ফলে শুরু হয় অতিরিক্ত চুল পড়া।

* অতিরিক্ত অবসাদ, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশনঃ এসব কটি সমস্যাই আমাদের দেহে পরিপাক ও শোষণে বাধা দেয়। তাই শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি কনার ঘাটতি তৈরি হয়, ফলে চুল পড়া বেড়ে যায়। * রোগের কারণেঃ বিভিন্ন রোগের কারণে চুল পড়তে পারে, যেমন – টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া।

* ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ বিভিন্ন কড়া ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও চুল পড়ে।

* স্থান পরিবর্তনঃ অনেক সময় বাসস্থান পরিবর্তন করলে সেখানকার আবহাওয়া, পানি, বায়ু ইত্যাদির সাথে শরীর খাপ খাওয়াতে না পারলে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।

*হরমোন জনিত পরিবর্তনেঃ মেয়েদের হরমোন জনিত পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় চুল পড়া বেড়ে যায়। যেমন – গর্ভাবস্থা, মেনোপজ ইত্যাদি সময়ে যখন শরীরে হরমোনের তারতম্য দেখা দেয় তখন চুল পড়া অনেক বেড়ে যায়।

*অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহারঃ চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করা, অতিরিক্ত তাপ দিয়ে চুল স্ট্রেট বা কার্ল করা, চুলে রঙ করা।

08/07/2021

❤️শ্যাম্পু করার সঠিক নিয়ম❤️

চুল ধোয়া তো নিত্যদিনের ব্যাপার। এটা আর নতুন করে শেখার কী আছে? এমন ভাবছেন তো ভুল করছেন। কারণ, এই সাধারণ কাজটিও কিছু নিয়ম মেনে করতে হয়। তাড়াহুড়ো বা আলসেমির কারণে আমরা অনেকেই কোনো রকমে চুল ধুয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে যাই। কিন্তু চুলের সঠিক যত্নে এবং চুল পরিষ্কার রাখতে শ্যাম্পু করার কিছু নিয়ম আছে। তা নিচে পর্যালোচনা করা হলো।

কী করব
* প্রথমেই চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার বাছাই করতে হবে।
* শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন।
* এরপর পুরো চুল ভালোভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে।
* একটি বাটিতে শ্যাম্পুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে এর ঘনত্ব কমিয়ে নিতে হবে যেন তা চুলের গোড়ায় সহজে পৌঁছাতে পারে।
* ১৫ মিনিট আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে মাথার ত্বক মালিশ করতে হবে। এতে রক্ত সঞ্চালন হবে, যা চুলের গোড়া মজবুত করবে। তা ছাড়া এভাবে চুলের ময়লাও উঠে আসবে।
* ম্যাসাজের সময় মাঝে মাঝে হাতে অল্প করে পানি দিয়ে চুলে ফেনা করতে হবে।
* এবার চুল ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন।

* এরপর দ্বিতীয় দফায় শ্যাম্পু করতে হবে। এবার আর ম্যাসাজ নয়। কারণ, ম্যাসাজের ফলে চুলের গোড়া থেকে সিবাম নামের একধরনের তেল নির্গত হয়, এটি থাকলে আর শ্যাম্পু করে লাভ কী? তাই চুল শ্যাম্পু করতে হয় দুইবার।
* পানি দিয়ে ফেনা ধুয়ে ফেলার পর এবার কন্ডিশনার ব্যবহারের পালা। চুলের আগায় কন্ডিশনার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। মোটা তোয়ালে জড়িয়ে প্রথমে চুলের পানি নিংড়ে নিতে হবে। এরপর ঠান্ডা বাতাস বের হয় এমন হেয়ার ড্রায়ার বা ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নিন।

যা করব না
* শ্যাম্পু করার আগে অনেকেই চুলে তেল দেন, এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে ময়লা চুলে তেল দেওয়া যাবে না।
* চুল ভালো মতো না ভিজিয়ে সরাসরি শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না।
* জোরে জোরে ঘষে ময়লা পরিষ্কারের চেষ্টা করা ঠিক পদ্ধতি নয়।
* কন্ডিশনার গোড়ায় নয়, শুধু আগায় ব্যবহার করতে হবে। এর কাজ চুলকে নরম করা। গোড়ায় এটি লাগালে চুলের গোড়া নরম হয়ে পড়ে যাবে।
* চুল ধোয়া শেষে তোয়ালে দিয়ে জোরে জোরে ঘষে মোছা উচিত না।
* চুলের পানি শুকানোর জন্য গামছা বা তোয়ালে দিয়ে চুল ঝাড়া ঠিক নয়।
* ভেজা চুল আঁচড়ানো উচিত না।

05/07/2021

মাইল্ড শ্যাম্পু’ শব্দটা এই পেজের কতোগুলো লেখায় অথবা কনটেন্টে পেয়েছেন বলুন তো। অনেক অনেক বার তাই না? চুলের যত্নে যেকোনো টিপস দেয়ার পরপর আমরা সবসময়ই বলে দেই যে চুল যেন ধোবার সময় অবশ্যই অবশ্যই মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যাবহার করা হয়।

কিন্তু খেয়াল করে দেখলাম স্পেসিফিকালি এই বিশেষ ধরণের শ্যাম্পু কি? এগুলো কোথায় কত দামে পাওয়া যায়? আর কেনই বা এগুলোই ইউজ করতে হবে হেলদি শাইনি চুল আর স্বাস্থ্যবান স্কাল্পের জন্য…? এসব নিয়ে একটু ইনফরমেটিভ পোস্ট আমরা দেইনি তেমন। আর তাই পাঠক বারবার ‘মাইল্ড শ্যাম্পু’ ইউজ করার জন্য বাজারে গিয়েও সঠিক ব্র্যান্ড চিনতে না পাড়ার কারণ খালি হাতে ফিরে আসছেন এবং কনফিউজড হচ্ছেন।

মাইল্ড শ্যাম্পু আসলে কি?

না, শ্যাম্পু ব্র্যান্ডের নামটাই ‘মাইল্ড শ্যাম্পু’ নয়। সো এই ব্র্যান্ড দোকানে খুঁজে কোন লাভ নেই।

মনে রাখতে হবে, শ্যাম্পু একটি ক্লিঞ্জার। এর কাজ নোংরা ধুলা ময়লা পরিষ্কার করা। আর কিছুই নয়। সো ময়লা পরিষ্কার করার জন্য শ্যাম্পু বিভিন্ন ধরণের ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে। অনেক সময় এই ডিটারজেন্ট গুলো চুল এবং মাথার ত্বকের জন্য অনেক বেশি হার্শ হয়।

চিন্তা করুণ, আপনি নিশ্চয়ই আপনার দামি জামদানী শাড়িটা আপনার কাঁথার মতো করে সাবান দিয়ে ঘষে আঁচড়ে আঁচড়ে ধোবেন না তাই না? আপনি এই ফ্র্যাজাইল ফ্যাব্রিকের জন্য খুব সাবধানে হালকা কোন ডিটারজেন্ট ইউজ করবেন/ আরও কেয়ারফুল হয়ে সেটা ড্রাই ক্লিনারে দেবেন, রাইট?

আপনার চুল তো ওই শাড়ি থেকেও দামি তাই না? তবে আপনি কি চাইবেন কাপড় কাঁচার কড়া ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘষে ঘষে আপনার অমূল্য চুল পরিস্কার করতে? অবশ্যই না!

আর এখানেই চলে আসে মাইল্ড শ্যাম্পু প্রসঙ্গ। জামদানী শাড়ীর সাবান যেমন ফ্যাব্রিককে প্রটেক্ট করার জন্য খুব হেভি হার্শ ডিটারজেন্ট এড়িয়ে চলে, তেমনি ডেইলি অথবা সপ্তাহে ৩-৪ বার শ্যাম্পু করার জন্য যেন চুলের কোন ক্ষতি না হয় তাই এ ধরণের স্পেশাল শ্যাম্পু গুলোও কোন নরমাল হার্শ ক্লিনজিং এজেন্ট ইউজ করে না।

মাইল্ড শ্যাম্পু কেনার সময় মনে রাখবেন-

মাইল্ড শ্যাম্পু যেকোনো ধরণের সালফেট বেসড ক্লিনজার ইউজ করবে না। এতে সাধারনত নন আয়োনিক সারফেকট্যাণ্ট ইউজ করা হবে।

অ্যালকোহল থাকবেই না, কারণ অ্যালকোহল চুল এবং স্কাল্প অতিরিক্ত ড্রাই এবং রুক্ষ করবে।

যেকোনো ধরণের আর্টিফিশিয়াল রঙ অথবা পারফিউম থাকবে না অথবা কম থাকবে।

সিলিকন থাকবে না। রঙ, পারফিউম সিলিকন এগুলো চুলের কোন উন্নতি তো করেই না বরং উল্টো ক্ষতি করে, সো এগুলো যত এড়িয়ে চলবেন ততই ভালো।

30/06/2021

ঘুমের আগে চুলের যত্নের ৫ টিপসঃ
ঘুমের সময় আমাদের শরীর বিশ্রাম নেয়। ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে ক্রিম মেখে শোয়ার অভ্যাস আছে আমাদের অনেকেরই। তবে বাদ পড়ে যায় চুলের যত্ন। কিন্তু চুল পড়া বন্ধসহ, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে চুলের জন্য ঘুমের আগে চুলের যত্ন নেওয়া জরুরি। ঘুমানোর আগে কিছুটা সময় বরাদ্দ করতে হবে চুলের যত্নে। আসুন দেখে নেই রাতে শোবার আগে চুলের যত্নের কিছু টিপস-

১. অপরিষ্কার চুলে ঘুম নয়। চুল বেশি নোংরা হলে চেষ্টা করুন সন্ধ্যা বা রাতে বাসায় ফিরে চুল শ্যাম্পু করে ফেলতে। মুখে বা গায়ে যেমন ধুলা জমে র‍্যাশ বা ব্রণ হবে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আপনার মাথার ত্বক। তাই শ্যম্পু করে নেবেন। আর শ্যাম্পু না করলে মাথার ত্বকে হালকা গরম তেল মালিশ করে নিতে পারেন। এতে সারারাত মাথায় পুষ্টি পাবে। সকালে উঠে শ্যম্পু করে ফেলবেন।

২. ভেজা মাথায় ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে চুল ও মাথা ভালোভাবে শুকিয়ে তবে ঘুমাবেন। হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকাতে পারেন। তবে প্রাকৃতিকভাবে শুকিয়ে নেওয়াই ভালো। নরম তোয়ালে বা সুতির গামছা দিয়ে চেপে বাড়তি পানি ঝরিয়ে নিয়ে তবেই ড্রায়ার ব্যবহার করবেন।

৩. পুরোপুরি শুকনো চুল চিরুনি দিয়ে আগা থেকে মাথা পর্যন্ত ভালোভাবে আচড়ে নেবেন। তারপর একটি ব্রাশ ব্যবহার করবেন। এতে মাথার ত্বকে থাকা তেল চুলের ডগা পর্যন্ত ছড়াবে।

৪. খোলা চুলে ঘুমাবেন না। এতে বালিশের ঘষায় চুল ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চুল বেঁধে ঘুমান। আপনার চুল যদি ভেঙ্গে যাওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে সিল্কের কাপড়ের তৈরি ব্যান্ড দিয়ে বাধবেন। উঁচু করে ঝুটি, আলগা বেনি করে নিতে পারেন। ছোট চুল যাদের তারা ডগা ফাটা রোধ করতে সিল্কের রুমাল ব্যবহার করতে পারেন।

৫. যাদের চুল পড়ার সমস্যা তাদের জন্য সঠিক বালিশের কভার নির্বাচন করা জরুরি। সুতি কাপড়ের ঘষায় চুলের ক্ষতি হয়। তাই রাতে ঘুমানোর জন্য সিল্কের কাভার ব্যবহার করতে পারেন। সিল্ক বা শাটিন কাপড় দিয়ে আলাদা কাভার বানিয়ে নেওয়া ঝামেলা মনে হলে স্কার্ফ দিয়ে বালিশ ঢেকে ঘুমাতে পারেন।

30/06/2021

#চুলের_সমস্যায়_অ্যালোভেরার

বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন এমন কিছু হেয়ার স্পা যার অন্যতম উপাদান অ্যালোভেরা।
দেখে নেওয়া যাক এরকম কয়েকটি হেয়ার স্পা:

মধু, নারকেল তেল ও অ্যালোভেরা
শুষ্ক চুলে আর্দ্রতা ফেরাতে ও চুলের ডিপ কন্ডিশনিং করতে এই প্যাকের জুড়ি নেই। এক চামচ মধু, দু’ চামচ নারকেল তেল ও দু’ চামচ অ্যালো ভেরা নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। স্নানের আধ ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে রেকে একটা শাওয়ার ক্যাপে ঢেকে দিন মাথা। আধ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল।

দই ও অ্যালোভেরা
চুলের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্যকে ধরে রাখতে দু’ চামচ টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দিন এক চামচ অ্যালোভেরা। এই মিশ্রণ প্রায় দশ মিনিট ধরে মাথার ত্বকে মাসাজ করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল। কন্ডিশনার দিতে ভুলবেন না যেন!

লেবু ও অ্যালোভেরা
লেবুর রস, অ্যালোভেরা ও আমলার রস দিয়ে বানানো এই মিশ্রণ চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুলকে গোড়া তেকে মজবুত করতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

অ্যালোভেরা ও ডিম
একটি ডিমের কুসুম ও দু’চামচ অ্যালো ভেরা ও তার সঙ্গে এক চামচ অলিভ অয়েল। এই উপাদানগুলি দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। শাওয়ার ক্যাপে ঢেকে রাখুন চুল। আধ ঘণ্টা পর চুল ভাল করে ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন। চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও চল পড়া আটকাতে এই প্যাক বিশেষ কার্যকর।

29/06/2021

চুল সিল্কি করার উপায়

ঝলমলে চুলের আকাঙ্ক্ষা থাকে সবারই। চুল যত প্রাণবন্ত হবে, সৌন্দর্যও তত বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু চাইলেই মনের মতো চুল পাওয়া যায় না সব সময়। কারও চুলের রুক্ষতা নিয়ে সমস্যা, কারও চুল পড়ে যাওয়া নিয়ে সমস্যা, কারও চুল অতিরিক্ত তৈলাক্ত। একেক সমস্যার আবার একেক সমাধান। আজ জেনে নেবো চুল সিল্কি করতে চাইলে করণীয়। আপনি যদি চান চুল ঝলমলে ও সিল্কি হয়ে উঠুক তবে বেছে নিতে পারেন দু’টি হেয়ার প্যাক। চলুন জেনে নেয়া যাক-

কলার হেয়ার প্যাক

সিল্কি ও ঝলমলে চুল পেতে চাইলে সপ্তাহে দুইদিন ব্যবহার করুন এই হেয়ার প্যাক। ব্যবহারের পরে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে চুলে শ্যাম্পু করে নেবেন। এটি একমাস নিয়মিত ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

তৈরি করতে যা লাগবে

পাকা কলা একটা
মধু ২ চা চামচ
আধা বাটি টক দই।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে কলার পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর এর সঙ্গে মধু ও দই ভালো করে মিশিয়ে নিন। উপকরণগুলো ভালোভাবে মেশানো হয়ে গেলে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর প্যাকটি চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে দুইদিন এই প্যাক ব্যবহার করবেন। ব্যবহারের পর এক ঘণ্টা রেখেশ্যাম্পু করে নিন।

ডিম-মধুর হেয়ার প্যাক

উপকারী এই প্যাক সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করবেন। ব্যবহারের পর এক ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে নিতে পারেন। ভালো ফল পেতে একমাস এটি ব্যবহার করুন।

তৈরি করতে যা লাগবে

কাঁচা ডিম দুটো
মধু ২ চা চামচ
একটি লেবুর রস
নারিকেল তেল ৩ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

একটি পাত্রে ডিমের সাদা অংশ নিন। এবার তার সঙ্গে মেশান মধু, লেবুর রস ও নারিকেল তেল। ভালোভাবে মেশানো হলে মিশ্রণটি চুলে ব্যবহার করে এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। ডিমের কারণে গন্ধ এলে চুল ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করুন। এতে চুল সিল্কি হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টির জোগানও পাবে।

27/06/2021

সাদা চুল কালো করার ঘরোয়া উপায়
বয়সের কারণে অনেকের কালো চুল সাদা হয়ে যায়। আর বর্তমানে লকডাউনের কারণে অনেকে ঘরে আটকা পড়েছেন। যেহেতু সেলুন-পার্লার বন্ধ রয়েছে, তাই চুলে রঙ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এমতাবস্থায় কেমিক্যাল রঙ ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে চুল কালো করতে পারেন।

আসুন জেনে নিই কী করবেন-

মেথি ও নারিকেল তেল ব্যবহার

চুল সাদা হওয়া রোধ করবে মেথি ও নারিকেল তেল। অ্যামিনো অ্যাসিড ও লিকিথিনসমৃদ্ধ মেথি চুল সাদা হওয়া রোধ করে।
ব্যবহার

নারিকেল তেল গরম করে তাতে মেথি দানা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে হালকা গরম অবস্থায় ছেঁকে নিয়ে স্কাল্প ও চুলের গোঁড়ায় ম্যাসাজ করুন।

রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। রাতে চুলে ব্যবহারের পর দিন সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিন।

চা পাতা

কারও চুল সাদা হওয়া রোধ করবে চা পাতার পাউডার।

২ চামচ মেহেদি পাউডার, ২ চামচ মধু, লেবুর রস ১ চামচ। একটি পাত্রে এসব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

মিশ্রণটি পুরোপুরি চুলে ভালো করে ম্যাসাজ দিয়ে আধাঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করুন।

এসব প্যাক ব্যবহারের আগে চুল শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে সাদা চুল কালো হবে।

25/06/2021

মেহেদি কি চুল পড়া কমায়?

মেহেদি চুল পড়া রোধ করতে বেশ কার্যকর।

মেহেদি এমন একটি ভেষজ উপাদান, যা চুলের শুষ্কতা ও খুশকি দূর করে, চুল ভেঙে যাওয়া কমায় এবং চুলের আগা ফাটা দূর করে। তবে চুল পড়া কমাতে এই উপাদান সবচেয়ে বেশি কার্যকর। কারণ, মেহেদি ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হয়। তাই রূপ-বিশেষজ্ঞরা চুলে বেশি করে মেহেদি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। চুল পড়া রোধ করতে মেহেদি দিয়ে কয়েকটি হেয়ার প্যাক

১...মেহেদি ও ডিমের সাদা অংশ

একটি ডিমের সাদা অংশ ও তিন টেবিল চামচ মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে রাসায়নিক দ্রব্যসমৃদ্ধ শ্যাম্পুর থেকে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। এই প্যাক ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হবে এবং খুশকি দূর হবে।

২...গ্রিন টি, মেহেদি ও লেবুর রস

চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে গ্রিন টি। চার টেবিল চামচ মেহেদি গ্রিন টির পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি চুল নরম করে, চুল ভেঙে যাওয়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

৩... সরিষার তেল ও মেহেদি

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য সরিষার তেল খুবই কার্যকর। আর এটি যখন মেহেদির সঙ্গে মেশানো হয়, তখন চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে। সরিষার তেল গরম করে এর মধ্যে মেহেদির পাতা দিয়ে ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার মাথার তালুতে এই তেল দিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া কমে যাবে।

১...মেহেদি ও ডিমের সাদা অংশ

একটি ডিমের সাদা অংশ ও তিন টেবিল চামচ মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে রাসায়নিক দ্রব্যসমৃদ্ধ শ্যাম্পুর থেকে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। এই প্যাক ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হবে এবং খুশকি দূর হবে।

২...গ্রিন টি, মেহেদি ও লেবুর রস

চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে গ্রিন টি। চার টেবিল চামচ মেহেদি গ্রিন টির পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি চুল নরম করে, চুল ভেঙে যাওয়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

৩... জাফরান অয়েল ও মেহেদি

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য জাফরান অয়েল খুবই কার্যকর। আর এটি যখন মেহেদির সঙ্গে মেশানো হয়, তখন চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে। মাথার তালুতে মেহেদি ও জাফরান অয়েলের মিশ্রনটি স্কাল্পসহ পুরো চুলে লাগিয়ে, শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। যাদের ঠান্ডার প্রবলেম আছে ৪০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে, চুল পড়া কমে যাবে এবং চুল লম্বা হবে।

24/06/2021

চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে যেসব খাবার

পালংশাক
ভিটামিন ও নানা খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ পালংশাক। এই শাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। হালকাভাবে সিদ্ধ করে একটু নুন-মরিচ দিয়ে যেমন খাওয়া যায়, তেমনি বাহারি নানা পদে রান্না করেও খাওয়া যায় পালংশাক। আর কেবল পালংশাকই নয়, এমন নানা শাকই চুলের জন্য ভালো।

ওট
সকালের নাশতায় দারুণ সংযোজন হতে পারে ওট। ঝটপট নাশতায় দুধে ভিজিয়ে কিংবা কেবল পানিতে ভিজিয়েই ওট খেতে পারেন। দস্তা, তামা, ভিটামিন-বি এবং ভালো মানের প্রোটিনে সমৃদ্ধ ওট। নিয়মিত খাবার তালিকায় ওট রাখতে পারলে বাড়ন্ত চুলের পাশাপাশি আরও অনেক স্বাস্থ্য সুফল পেতে পারেন আপনি।

ডিম
ডিমের পুষ্টি উপাদান দুইভাবে চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করতে পারে। ডিম খাওয়ার পাশাপাশি চুলে ডিম মাখলেও উপকার পাবেন। ডিমের সমৃদ্ধ জৈব প্রোটিন শরীরের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর মতোই চুলকেও পুষ্টি জোগায়। ডিমের সাদা অংশের মতোই কুসুমসহ পুরো ডিমও চুলে মাখা যায়। চুলের যত্নে ডিম খুবই উপকারী।

গাজর
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ গাজর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। চুলের বৃদ্ধিতে দারুণ উপকারী গাজর। গাজরের এই ভিটামিন মাথার ত্বকে ‘সিবাম’ নামের একটা তৈলাক্ত রাসায়নিক উৎপাদনে সাহায্য করে। এটা চুলের গোড়াসহ মাথার খুলির শুষ্কতা রোধে উপকারী। সকাল-বিকেল কাঁচা গাজর খাওয়ার মতোই নানাপদের রান্নাতেও গাজর রাখতে পারেন।

বাদাম
নানা ধরনের বাদামে পাওয়া যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান এবং তেল ত্বক, চুল, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের জন্য দারুণ উপকারী। সাধারণ চীনাবাদাম থেকে শুরু করে, কাজুবাদাম, আখরোট ও অ্যালমন্ড—সবই দারুণ উপকারী খাবার। প্রতিদিনই হালকা খাবার হিসেবে খাওয়ার জন্য নিজের সঙ্গেই অল্প কিছু বাদাম রাখতে পারেন।

মটরশুঁটি
চুলের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান কেরাটিন। মটরশুঁটি ও ডাল এই প্রোটিনে সমৃদ্ধ। শক্তপোক্ত চুলের জন্য নিয়মিত মটর ও ডাল খেতে পারেন। এতে চুলের বৃদ্ধি যেমন হবে, তেমনি চুল থাকবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে।

24/06/2021

°°♥চুল ঝলমলে ও সজীব রাখতে°°♥
খোলা চুলের বিন্যাস যথেষ্ট আরামদায়ক বলে মনে করেন ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা। তবে খোলা চুলে ঘুরে বেড়ানোর ঝক্কিটাও কিন্তু কম নয়। চুলে ধুলো ময়লা লেগে স্কাল্পে ধুলো-ময়লা জমে খুশকি হওয়া, চুল রুক্ষ হয়ে পড়াসহ দেখা দেয় নানারকম সমস্যা। এসব সমস্যা সমাধানে চাই নিয়মিত চুলের যত্ন।

খোলা চুলের স্টাইলে চুল ঝলমলে ও সিল্কি হওয়া জরুরি। তবে বাতাসে এখন ধুলোময়লার প্রকোপ বেশি থাকায় বেশিক্ষণ চুল খুলে রাখলে চুল খুব দ্রুত ময়লা হয়ে যায়। ধুলাবালি থেকে স্কাল্পে খুশকি দেখা দেয়। চুল হয়ে উঠে রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ। এ সময় চুল ধুলোময়লামুক্ত, ঝলমলে ও প্রাণবন্ত রাখতে চুলের বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

নিয়মিত শ্যাম্পু করুনঃ

চুল সুন্দর ও ভালো রাখার প্রথম শর্ত হল চুল পরিষ্কার রাখা। চুল পরিষ্কার রাখতে একদিন পর পর শ্যাম্পু করুন। যদি প্রতিদিন বাইরে যাওয়া হয় তবে প্রতিদিন শ্যাম্পু করুন। আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বেছে নিন। শুষ্ক, তৈলাক্ত, স্বাভাবিক প্রত্যেক প্রকার চুলের জন্য বাজারে আলাদা আলাদা শ্যাম্পু পাওয়া যায়। শ্যাম্পু করার আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুলটা ভালো করে আঁচড়ে নিন। এতে চুলের জট খুলবে, খুশকি আলগা হয়ে যাবে এবং চুল পরিষ্কার হবে। এরপর শ্যাম্পু করে চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

রুক্ষতা দূর করতে কন্ডিশনিংঃ

বিভিন্ন ধরনের হেয়ার স্টাইল করতে আমরা হেয়ার ড্রায়ার, জেল, আয়রন, হেয়ার কালারসহ নানা ধরনের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকি। এসব হেয়ার প্রোডাক্ট চুল সাময়িকভাবে সুন্দর করলেও পরবতীকালে চুলের ক্ষতি করে। চুল রুক্ষ ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। এ ধরনের চুলের যত্নে তেল খুব উপকারী। এ ক্ষেত্রে রাতে চুলে ভালোভাবে জাফরান তেল ম্যাসাজ করে পরদিন সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটা ন্যাচারাল কন্ডিশনিং হিসেবেও কাজ করবে। চুল হয়ে উঠবে মসৃণ ও ঝলমলে।

খুশকি দূর করতেঃ

চুল খুশকিমুক্ত করতে চুল অনুযায়ী জাফরান অয়েল নিয়ে হালকা গরম করে এর সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। ৪৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ন্ ্৷ বার ব্যবহার করুন।

তেলে তাজা চুলঃ

চুল রুক্ষ, শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়লে চুলকে প্রাণবন্ত করতে নিয়মিত তেল দেয়ার বিকল্প নেই। স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত চুলের অধিকারীরা সপ্তাহে একদিন এবং শুষ্ক চুলের অধিকারীরা একদিন অন্তর নারিকেল তেল গরম করে চুলের গোড়া, স্কাল্প ও পুরো চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু ও কন্ডিশনিং করে ধুয়ে ফেলুন।

চুলে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ভিনেগারঃ

ভিনেগার চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও চুলের রুক্ষতা দূর করতে সাহায্য করে। এটি চুল ক্লিনিংয়ের কাজও করে। চুল ধোয়ার পর পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এরপর সেই ভিনেগার মিশ্রিত পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

হট অয়েল ট্রিটমেন্টঃ

চুলের রুক্ষতা দূর করে চুল প্রাণবন্ত করে তুলতে হট অয়েল ট্রিটমেন্ট বেশ কার্যকর। হট অয়েল ট্রিটমেন্ট করতে তেল হালকা গরম করে চুলের গোড়া এবং স্কাল্পে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন ৫ মিনিট। এরপর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চুলের যত্নে হেয়ার প্যাকঃ

ধুলোময়লা জমে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়লে চুল মসৃণ ও ঝলমলে করতে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে এক কাপ টক দই, একটি পাকা কলা ও এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

সুন্দর ঝলমলে চুলঃ

সুন্দর ঝলমলে চুল কে না চায়। চুলকে সুন্দর রাখতে হলে চুলের যত্ন নিতে হবে সব সময়, সপ্তাহে একদিন সময় করে চুলে ঘরে তৈরি প্যাক লাগিয়ে নিতে পারেন। যেমন- এলোভেরা+আমলকী+টক দই+জাফরান তেল মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে মাথায় লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিতে পারেন। যাদের মাথায় খুশকি তারা পেঁয়াজের রস+ এলোভেরা+ মধু + চায়ের লিকার একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে খুশকি দূর হবে। যারা চুলে রং করেন বা রেবন্ডিং করেন তারা চুলে সপ্তাহে একদিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করে নিতে পারেন। চুলে স্টিম নিবেন ১০ মিনিট। তারপর ধুয়ে স্টিম নিতে হবে। শ্যাম্পু করে ধোয়া চুলে তেল লাগাতে হবে। যাদের মাথায় উকুন তারা পানপাতা+নিমপাতা একসঙ্গে মিশিয়ে রস করে মাথায় লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিবেন- তারপর শুকিয়ে আইরন করে নিবেন, উকুন সব ঝরে যাবে, উকুন চুল নষ্ট করে তাই আমাদের উকুন ঝরানো প্রয়োজন, ১ দিন পর ১ দিন শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে নিবেন তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে চুলের গোঁড়ায় যেন কন্ডিশনার না লাগে- তাতে চুল নরম হয়ে যায়। ভেজা চুল আঁটকে রাখবেন না। তাতে চুল গন্ধ হয়ে যায়। ভেজা চুল আঁচড়ালে চুল ফেটে যায়, শুকিয়ে আঁচড়াতে হবে। ঠিকমতো চুলের যত্ন নিলে চুল সুন্দর ও ঝলমলে হয়ে যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করতে চেষ্টা করবেন। তাতে চুল নরম ও সোজা হবে।

23/06/2021

আপুরা আজকে তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম জবা ফুলের খুব সহজ একটা হেয়ার প্যাক 🌹🌹🌹🌹
খুব সহজে মাত্র ৩টা উপাদান দিয়ে বানালাম --
-----------------------------
উপাদান :
১:জবা ফুল ১০-১২টা
২:ডিম ১টা
৩:নারকেল তেল ৩ টেবিল চামচ
---------------------------------🌹🌹🌹🌹
বানানোর নিয়ম:
সব গুলো উপাদান একসাথে blender এ blend করে নিন। যাদের blender নেই তারা জবা ফুল পাটায় ভাল ভাবে বেটে পেস্ট করে নিন। পরে ডিম আর নারকেল তেল ওই পেস্ট এ দিয়ে ভাল মত মিক্স করে নিন।
পেস্টটি সম্পুন চুলে লাগাবেন। ১-২ ঘন্টা পরে shampoo করে ধুয়ে ফেলবেন।
______________________________________
উপকারিতা:
নারকেল তেল অন্য সব তেল থেকে অনেক বেশি উপকারি। জবা ফুলের উপকারিতা তো আর নতুন করে বলার কিছুনাই। এই প্যাক টি আপনাদের চুল পরা বন্ধ করতে, চুলের গোড়া শক্ত করতে, চুল silky, smooth করতে সাহায্য করবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka