Health Tips
Health Tips....
28/02/2020
#বুদ্ধি #বাড়াও #খর্বতা #দূর #করো...
++++++++++++++++++++++++++
বাংলাদেশের মানুষের গড় উচ্চতা খুব বেশি না। পার্বত্য অঞ্চলসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় মানুষের কম উচ্চতা বা খর্বাকৃতি একটি বড় সমস্যা। এটা দূর করতে হলে খাদ্যের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পুষ্টিও দরকার। এ বিষয়ে আমরা তেমন সচেতন না। শিশুর জন্মের আগে থেকেই পুষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে। সেটা করা সম্ভব সন্তানসম্ভবা মায়ের পর্যাপ্ত খাদ্য ও পুষ্টির ব্যবস্থা করার মাধ্যমে। মা পুষ্টিকর খাবার খেলে পেটের শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ও শরীরের গঠন ভালো হয়। শিশুর সুষ্ঠু বিকাশ নিশ্চিত হয়।
শিশুর জন্মের প্রথম ১ হাজার দিন বা প্রায় তিন বছর পর্যন্ত পুষ্টির ভূমিকা খুব বেশি। এরপরও নিশ্চয়ই পুষ্টির প্রয়োজন কোনো অংশে কম নয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, শুরুতে শিশুর মস্তিষ্কে প্রতি সেকেন্ডে ১০ লাখেরও বেশি নিউরন সংযোগ তৈরি হয়। পুষ্টির অভাব মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে।
তার মানে, প্রথমে প্রসূতি মায়ের এবং জন্মের পর থেকে মা ও শিশুর খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় অনুপাতে আমিষ, স্নেহজাতীয় পদার্থ (ফ্যাট), আয়রন, জিঙ্ক, আয়োডিন, ভিটামিন-এ ইত্যাদি যেন থাকে, তা নিশ্চিত করা দরকার। এখানে মনে রাখতে হবে শিশুর প্রথম ছয় মাস মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট। বাইরের আর কিছুর দরকার নেই। এমনকি বাইরের পানিরও দরকার নেই। এসব ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চলতে হবে।
পুষ্টির ব্যবস্থা হলে মস্তিষ্কের বিকাশ নিশ্চিত হবে। শিশু তুখোড় বুদ্ধিমান হবে। চটপটে হবে। স্কুলে পড়াশোনায় এগিয়ে থাকবে। তার দেহের গঠনও ভালো হবে। তরতর করে উচ্চতা বাড়বে। বেঁটে–খাটো থাকবে না।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় অভীষ্ট-২–এ খাদ্য ও পুষ্টির বিষয়ে বলা হয়েছে। সেখানে খর্বাকৃতি দূর করার লক্ষ্যমাত্রার কথাও রয়েছে। কেউ অভুক্ত থাকবে না। এটা যেমন, তেমনি পুষ্টির অভাব দূর করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এসব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে।
সেদিন ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: খাদ্য ও পুষ্টি প্রতিশ্রুতি’ বিষয়ে প্রথম আলো ও বেসরকারি সংস্থা গেইন-এর উদ্যোগে গোলটেবিল বৈঠকে খাদ্য তো বটেই, সেই সঙ্গে বিশেষভাবে পুষ্টির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও পুষ্টিতে ঘাটতি রয়েছে। এক হিসাব অনুযায়ী খর্বাকৃতি কমিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তারপরও দেশে খর্বাকৃতি একটি বড় সমস্যা। তাই পুষ্টির দিকে বেশি নজর দিতে হবে।
আমরা সাধারণত দুই ধরনের ভুল করি। অনেকে মনে করি, পেট ভরে ভাত খেলেই চলবে। সেই সঙ্গে শাকসবজি, মাছ-মাংস, ডিম, দুধ, ফলমূলের দিকে নজর দিই না। ফলে পুষ্টির অভাবে আমরা দুর্বল থেকে যাই। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার অভাব দেখা দেয়।
সারা বছর অসুখ–বিসুখে ভুগতে হয়। আবার আরেক ধরনের ভুল করি। ভাজা-পোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিসমৃদ্ধ খাবার খেয়ে শরীর-স্বাস্থ্যের ক্ষতি করি। খাদ্যের ব্যাপারে আমাদের পুরোনো অভ্যাস ও ধ্যানধারণা বদলে দিতে হবে। না হলে আমরা বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না। বুদ্ধিতেও খাটো থাকব। উচ্চতায় তো খাটো আছিই। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারব না।
এখন আমেরিকার মতো দেশেও অনেকে চিনি খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ, চিনি আমাদের স্বাভাবিক পরিপাক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। আমরা যদি পুষ্টিকর খাবার খাই, তাহলে শরীর সেই খাদ্য পরিপাকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে এবং শরীর চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি হিসেবে গ্লুকোজ সঞ্চয় করে। এটাই আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কাজ। কিন্তু চিনি সরাসরি শরীরে সঞ্চিত হয় এবং বিপাক প্রক্রিয়া ওলটপালট করে দেয়। ওজন বাড়ে। রোগব্যাধি জন্ম নেয়। তাই একজন আমেরিকান কয়েক বছর আগে চিনির অপকারিতা সম্পর্কে সোচ্চার হন। তিনি এখন শুধু আমেরিকায়ই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘অ্যান্টিসুগার গাই’ (চিনিবিরোধী ব্যক্তি) নামে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
এটা একটা ছোট্ট উদাহরণ। আমরা না জেনে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অনেক কিছু খাই। সচেতনতার অভাবে আমরা মরছি। দিন–দুনিয়ার খবর না রাখলে আমাদের এগিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।
সরকার একটা ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। স্কুলে শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবারের টিফিন দেবে। শিশুদের প্রতিদিন দুপুরে টিফিনের সময় যদি অন্তত দুটি বাদামি আটার রুটি, একটু সবজি, একটা ডিম ও একটা কলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করি, তাহলে দেশে বেঁটে মানুষের সংখ্যা দ্রুত কমে আসবে। বুদ্ধিতেও আমরা এগিয়ে যাব।
01/02/2020
#কোথায় #ব্যথা #হৃদরোগের #লক্ষণ #হতে #পারে?....
#আপনারই সমবয়সী সহকর্মী। আজ সকাল থেকেই বলছিলেন চোয়ালে সামান্য ব্যথা। বিকেল গড়াতেই বুকে যন্ত্রণায় ঢলে পড়লেন। ডাক্তার দেখেই বললেন হার্ট অ্যাটাক! সময় মতো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তিনি বেঁচে গিয়েছেন। তবে এই ঘটনা ভয় ধরিয়ে দিয়েছে মনে। তবে কি বুকে ব্যাথা, ঘাম হওয়া ছাড়াও হার্ট অ্যাটাকের অজানা লক্ষণও রয়েছে? চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন অবশ্যই রয়েছে। কাজেই কোনও অদ্ভুত যন্ত্রণা, অস্বস্তিকর অনুভূতি অবহেলা করবেন না।
#ঠিক কী কী ধরনের ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে?
১। মাথা ছিঁড়ে যাওয়ার মতো যন্ত্রণা
২। বুকের ডান দিক, চোয়াল, গলা, কাঁধ, হাতে চিনচিনে ব্যথা বা অদ্ভুত অস্বস্তি
৩। কোমর বা পিঠের দুই হাড়ের মাঝখানে
৪। পেটে অসহ্য যন্ত্রণা
৫। কবজিতে যন্ত্রনা
৬। হাতের তালু ও পায়ের পাতায় জ্বালার অনুভূতি
এর কোনওটা যদি আপনার বা আপনার পরিবারের হয় তাহলে এক মুহূর্তও দেরি করবেন না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে যান বা বাড়িতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ডাকুন। সতর্ক থাকলে বড় বিপদ এড়াতে পারবেন।
17/01/2020
#কখন #কোন #ডাক্তারের #কাছে #যাবেন !!!....
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++.
মানুষ হাজার হাজার রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে।তবে অধিকাংশই সাধারণ ও চিকিৎসা যোগ্য।কিছু দুরারোগ্য ও কিছু রোগের কার্যকর চিকিৎসা অদ্যাবধি আবিষ্কৃত হয়নি।তবে অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য ওষুধ লাগে না শুধুমাত্র উপযুক্ত ব্যখ্যা ও পরামর্শই যথেষ্ট।সাধারণ লোকের পক্ষে যথাযথ চিকিৎসক বাছাই করা অনেক সময় সম্ভব হয় না.. যেমন :- শ্বাসকষ্ট ও বুকের ব্যথা ফুসফুসের কারণেও হতে পারে আবার হৃদপৃন্ডের সমস্যায়ও হতে পারে।মেরুদণ্ডের সমস্যায় অর্থোপেডিক্স সার্জনের কাছে যাবেন না নিউরোসার্জনের কাছে যাবেন।এই ধরণের দ্বিধাদ্বন্ধ ও সিদ্ধান্তহীনতা থেকে বাঁচার জন্য আপনি আপনার পারিবারিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হউন..উনি একজন জেনারেল প্রাক্টিশনার,সব বয়সের নারী পুরুষের সব ধরণের সাস্হ্য সমস্যায় চিকিৎসা প্রদান কিংবা যথা সময়ে যথাযথ বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করা উনার পক্ষে সম্ভব।আপনার সময় ও অর্থ বাঁচানোর জন্য এবং সার্বক্ষণিক পরামর্শ পাওয়ার ক্ষেত্রে একজন পারিবারিক চিকিৎসক সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন।যেসব ক্ষেত্রে সাধারণত ভুল হয়ে থাকে সেগুলা প্রদত্ত হইল :-
১. নিউরো ফিজিসিয়ান (Neuro Physician)
মাথা ব্যথা , মাথা ঘুরানো, ব্রেইন স্ট্রোক, প্যারালাইসিস,খিঁচুনি ইত্যাদি।
২. নিউরো সার্জন ( Neuro Surgeon)
মাথায় আঘাত, ব্রেইন টিউমার, মেরুদণ্ডে আঘাত ইত্যাদি।
৩. মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)
অস্বাভাবিক আচরণ, ভ্রান্তি, হতাশা, পাগলামি,মনো-যৌন ইত্যাদি।
৪. চক্ষু বিশেষজ্ঞ ( Ophthalmologist)
চোখে ব্যথা , ঝাঁপসা দেখা, পানি পড়া,চোখে আঘাত, চোখে কিছু পড়লে।
৫. নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ( ENT Specialist)
নাক জ্যাম, কান পাকা, গলা ব্যথা , কানে কম শুনা ইত্যাদি।
৬. দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ ( Dentist)
দাঁত , মাড়ি ও মুখের নানাবিধ সমস্যা।
৭. চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ( Dermatologist)
চামড়া, চুল নখ,ও যৌন রোগ যেমন :সিফিফিলিস গনোরিয়া ইত্যাদি।
৮. মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ( Physician)
উনারা মেডিসিন দিয়ে সাধারণত চিকিৎসা করেন।
৯. শৈল্য চিকিৎসক ( Surgeon)
সাধারণত অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করেন।
১০. স্ত্রী রোগ বিষেশজ্ঞ ( Gynaecologist)
যৌনী ,জরায়ু, ডিম্বাশয় ও সন্তান জন্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা।
11/12/2019
#ক্যান্সারমুক্ত থাকতে চাইলে এই তিন #অভ্যাস গড়ে #তুলুন........
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++...
#বিশ্বে প্রতিবছর ৮২ লাখ মানুষ #ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করে। আর প্রতিদিন নতুন করে ৩৩৪ জন মানুষ #ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। এর #ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে গিয়ে #সর্বস্বান্ত হয় ৭০ ভাগ মানুষ। অথচ মাত্র ৩টি বিষয়ে সচেতন হলেই #ক্যান্সার থেকে অনেকটাই দূরে থাকা #সম্ভব বলে মনে করেন #বিশেষজ্ঞরা।
ওশ স্টেট #মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, #মস্কো, #রাশিয়ার #ক্যান্সার #বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, #ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এ রোগে মারা যায় শুধু #উদাসীনতার কারণে। তাদের মতে, মাত্র #তিনটি উপায় #অনুসরণ করলেই #উধাও হবে #ক্যান্সার।
প্রথমেই সব ধরনের #সুগার বা #চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেন না, শরীরে চিনি না পেলে #ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা #প্রাকৃতিকভাবেই #বিনাশ হয়ে যাবে।
এরপর প্রতিদিন এক #গ্লাস #গরম পানিতে একটি #লেবুর রস চিপে মিশিয়ে পান করুন। টানা #তিন মাস সকালে #খাবারের আগে #খালিপেটে এ লেবু মিশ্রিত #গরমপানি পান করুন। #উধাও হয়ে যাবে #ক্যান্সার কোষ। #মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, #কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভালো।
#প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন #চা'চামচ #অর্গানিক #নারিকেল তেল খান, #ক্যান্সার হবে না।
#চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি #থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ করুন। #ক্যান্সার আপনাকে আক্রমণ করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা #উদাসীনতার কোনো #অজুহাত নেই।-সূত্রঃ - কালের কন্ঠ
10/12/2019
#রসুন আর #মধু খালি পেটে #১সপ্তাহ খান, দেখুন কী হয়!
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++..
শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, ঔষধি গুণের জন্য রসুনের কদর চিরকাল। কাঁচা রসুন খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে এড়ানো যায় অসংখ্য রোগভোগ। তবে জেনে রাখতে হবে তার সঠিক প্রয়োগ।
প্রাচীন কাল থেকে রসুনের উপকারিতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী চর্চা। চিকিত্সাশাস্ত্রে রসুনের ব্যবহার বহু দিনের। নিয়মিত রসুন খাওয়া রপ্ত করতে পারলে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ এবং উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। হার্ট অ্যাটাক রুখতেও তার জুড়ি মেলা ভার। এমনকি সাধারণ সর্দি-কাশি, ফ্লু, ছত্রাক সংক্রমণ ও ডায়েরিয়া সারাতেও কাজে দেয় রসুন। এছাড়া অস্টিওআর্থারাইটিস, ডায়াবিটিস এবং প্রস্টেটসম্প্রসারণ রোধ করতে কাঁচা রসুন খাওয়ায় উপকারিতা মেলে। শরীরের দূষণ রুখে রোগ প্রতিরোধ প্রক্রিয়া মজবুত করতে রসুন অদ্বিতীয়। আবার কেমোথেরাপির বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা পেতেও পেঁয়াজ-আদা-রসুনের প্রয়োগ অব্যর্থ।
রসুন কাঁচা খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। আসলে উনুনে বা আভেনে চাপালে রসুনের মূল রাসায়নিক উপাদান অ্যালিসিন-এর গুণাগুণ নষ্ট হয়। খাওয়ার আগে রসুনের কোয়া বেটে বা ফালি করে কেটে নিয়ে ১৫ মিনিট সরিয়ে রাখতে হবে। রসুনের কোয়া বাটার পর যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে তাতে, তাতে অ্যালিসিন সহজে হজম হতে সুবিধা হয়। মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে বেশি ফল মিলবে যদি খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া যায়।
রসুন কাজে লাগিয়ে তৈরি করা যায় বিভিন্ন রোগের টোটকা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক অব্যর্থ দাওয়াইয়ের কিছু উপকরণ প্রণালী।
১) কাঁচা রসুন ও মধু: রসুনের ২-৩টি কোয়া কুচিয়ে নিন। তার সঙ্গে এক টেবিলচামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে শরীর ফিট ও এনার্জিতে ভরপবুর থাকবে।
২) রসুনের ফ্লু টনিক: অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বক হলেল এই টনিক বানানোর সময় হাতে দস্তানা পরে নিন এবং চোখে হাতের ছোঁয়া এড়িয়ে চলুন। জোগাড় করে ফেলুন অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, ৫ কোয়া রসুন কুচি, ২টি শুকনো লঙ্কা কুচি, ১ টেবিলচামচ আদা কুচি, একটি গোটা পাতিলেবুর রস এবং অ্যাপল সাইডার ভিনিগার।
প্রথমে একটি পাত্রে পেঁয়াজ-রসুন-আদা-শুকনো লঙ্কা কুচি মেশান। আলাদা পাত্রে লেবু চিপে রস তৈরি রাখুন। এবার কুচোনো উপকরণে লেবুর রস মেশান। সব শেষে ভিনিগার ঢেলে মিশিয়ে অন্তত ১ সেন্টিমিটার ফাঁক রেখে পাত্রটি ঢেকে রাখুন। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা ও ফ্লু সারাতে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
সূত্র : এই সময়
04/12/2019
#গর্ভাবস্থায় #ছোলা খেলে যেসব #উপকার পাওয়া যায়........
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++.
গর্ভাবস্থায় শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন এবং খনিজ প্রয়োজন হয়। কারণ এ সময় শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকলে তা গর্ভস্থ শিশুর বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার খেলে মা এবং শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা হয়।
ছোলা এমন একটি স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার, যা গর্ভাবস্থায় দারুণ উপকারে আসে। এতে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট এবং ফলিক থাকায় এটি গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে।
#গর্ভবস্থায় ছোলা খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-
১. গর্ভাবস্থায় অনেক নারীই রক্তশূন্যতায় ভোগেন। এ সময় ছোলা খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে। একই সঙ্গে অপরিণত শিশু জন্মের ঝুঁকিও কমে।
২. গর্ভকালীন সময়ে অনেকের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক না থাকলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যে খারাপ প্রভাব পড়ে। ছোলায় থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
৩. ফলিক অ্যাসিডের ভালো উৎস হওয়ায় গর্ভাবস্থায় ছোলা খেলে অনাগত শিশুর বৃদ্ধি ভালো হয়।
৪. গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা। ছোলা ফাইবারের অত্যন্ত ভালো উৎস হওয়ায় এটি গর্ভবতী নারীদের কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়তা করে।
৫. ছোলায় থাকা প্রোটিন গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয়। এটি দেহের টিস্যু এবং পেশি বজায় রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
গর্ভাবস্থায় ছোলা খেলে অনেকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় কারও পেটের সমস্যা কিংবা অ্যালার্জি দেখা দিলে ছোলা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
কীভাবে খাবেন
ভাজা নয়, গর্ভাবস্থায় ছোলা সিদ্ধ, রান্না, স্যুপে দিয়ে সিদ্ধ ছোলা কিংবা শাকসবজির সঙ্গে সালাদে মিশিয়েও খেতে পারেন। সূত্র : বোল্ড স্কাই
21/11/2019
#অ্যালার্জি প্রতিরোধের #প্রাকৃতিক উপায়..
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++
আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় অনেকেই ঠান্ডা-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে তারা এ ধরনের সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা গেলেও ঘন ঘন ওষুধ না খাওয়াই ভালো। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতেই অ্যালার্জির সমস্যা কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
প্রোবায়োটিক: প্রোবায়োটিক অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করার পাশাপাশি পাকস্থলীর নানা অসুখ সারাতে ভূমিকা রাখে। এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ঠিক রাখে। সেই সঙ্গে প্রদাহজনিত জটিলতা এবং অ্যালার্জির সমস্যা কমায়। এ কারণে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই রাখতে পারেন।
মধু: ধূলাবালির কারণে অ্যালার্জির সমস্যা হলে নিয়মিত মধু খেতে পারেন। এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়া এমনিও এক চামচ করে মধু খেতে পারেন।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার: বেসিনের সিঙ্ক পরিষ্কার, খাবারের স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও অ্যাপল সিডার ভিনেগার অ্যালার্জি প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। জমে থাকা কফ পরিষ্কার করতে প্রতিদিন সকালে এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খেতে পারেন। এছাড়া হালকা গরম পানিতে এক চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার, মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
নাকের স্প্রে: আজকাল বাজারে অনেক ধরনের নাকের স্প্রে পাওয়া যায়। এটি অ্যালার্জি নিরাময়ে বেশ কার্যকরী।
খাদ্য তালিকা পরিবর্তন: অ্যালার্জির মাত্রা কমাতে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করা খুবই জরুরি। নিয়মিত খাদ্য তালিকায় শাকসবজি ও ফলমূল যোগ করলে শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। বিশেষ করে ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ ফল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে পাকস্থলীও ভালো থাকে। সূত্র: হেলদিবিল্ডার্জড
21/11/2019
#শরীরে ভিটামিন #সি'র ঘাটতি পূরণ করবেন #যেভাবে.....
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
সুষম খাদ্য শরীর সুস্থ ও সবল রাখতে সহায়তা করে। তবে ব্যস্ত জীবনের কারণে আজকাল স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে কর্মক্ষেত্রে কিংবা অবসরে অনেকে জাঙ্ক ফুড খেয়েই সময় পার করেন। এতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। বিশেষ করে শরীরে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি দেখা দেয়।
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন পুর্ণ বয়স্ক নারীর দিনে ৭৫ মিলিগ্রাম, অন্যদিকে একজন পুরুষের দিনে ৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণ করা দরকার।
শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে কয়েকটি উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-
১. ত্বক ফেটে যায় বা শুষ্ক দেখায়
২. অস্থিসন্ধি ফুলে যায়, ব্যথা হয়
৩. নখে সমস্যা দেখা দেয়
৪. স্কার্ভি নামক চর্ম রোগ দেখা দেয়
শরীরে ভিটামিন সির ঘাটতি পূরণে খাদ্য তালিকায় নিয়মিত কিছু খাবার যোগ করতে পারেন। পেঁপে, ব্রকলি, ধনে পাতা, পেয়ারা, গোল মরিচ, লিচু, লেবু, কমলা, স্ট্রবেরীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। অনেকেই ভিটামিন সিয়ের ঘাটতি পূরণে সাপ্লিমেন্ট ট্যাবলেট গ্রহণ করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপ্লিমেন্টের বদলে খাদ্য তালিকায় নিয়মিত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল ও শাকসবজি রাখলেই শরীরে এই ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
21/11/2019
#খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া উপকারী...
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
অনেকে মনে করেন, কিছু খাবার আছে যেগুলি খালি পেটে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। গবেষণায় এর অবশ্য প্রমাণও পাওয়া গেছে। যারা ওজন কমাতে চান তারা এই খাবারগুলো দিয়ে চেষ্টা করতে পারেন। যেমন-
১. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন। লেবু শরীর ডিটক্সিফিকেশন করে, সেই সঙ্গে ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। লেবু পানি শরীরকে আরও অ্যাসিডিক করে এবং বিপাকক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়।
২. অ্যালোভেরায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিপাকিক্রিয়া বাড়ায় এবং শরীর থেকে বর্জ্র বের করতে সাহায্য করে। ভাল ফল পেতে একটা অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল করে তাতে এক চামচ লেবুর রস যোগ করুন। এরপর তাতে সামান্য গরম পানি দিয়ে পান করুন।
৩. দারুচিনিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। প্রতিদিন সকালে এক কাপ হালকা গরম পানির মধ্যে দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৪. খালি পেটে এক কাপ গ্রিন টি খেতে পারেন মধু মিশিয়ে। গ্রিন টি তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া মধুতেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এই মিশ্রণটি ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। বাড়তি উপকার পেতে এ মিশ্রনের সঙ্গে লেবুর রসও যোগ করতে পারেন।
৫. খালি পেটে খাওয়ার জন্য পানি দিয়ে কিছু ওটস সিদ্ধ করতে পারেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ওটমিল রক্তপ্র্রবাহ ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং বাড়তি ওজন কমায়।
৬. খালি পেটে গাজর, শশা, সেলারি দিয়ে তৈরি জুস খেতে পারেন। এগুলোয় থাকা পুষ্টি উপাদান শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে ভূমিকা রাখে।
৭. সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ও সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে খেতে পারেন। এটিও ওজন কমাতে সাহায্য করবে। সূত্র : ফুডইটসেফ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
40, Gulshan
Dhaka
4001
