Afsana Beauty Care - ABC

Afsana Beauty Care - ABC

Share

Welcome to the official page of Afsana Beauty Care - ABC. Your beauty is our passion and ultimate solution for skin.

আফসানা বিউটি কেয়ারের - এবিসি অফিসিয়াল পৃষ্ঠায় আপনাকে স্বাগতম। আপনার সৌন্দর্য ত্বকের জন্য আমাদের আবেগ এবং চূড়ান্ত সমাধান।

21/11/2025
17/02/2022

hair items..

১)কারিপাতা গুড়া ১০০ গ্রাম ১০০৳
২)কালোমেঘ গুড়া ১০০ গ্রাম ১২০৳
৩)ভ্রৃঙ্গরাজ গুড়া ১০০ গ্রাম ১২০৳
৪)নিম গুড়া ১৫০ গ্রাম ৭০৳
৫)ব্রাম্মী গুড়া ১০০ গ্রাম ১৪০৳
৬)হরতকি গুড়া ১০০ গ্রাম ৫৫৳
৭)রিঠা গুড়া ১০০ গ্রাম ৫০৳
৮)আমলকি গুড়া ১০০ গ্রাম ১০০৳
৯)বহেরা গুড়া ১০০ গ্রাম ৫৫৳
১০)শিকাকাই গুড়া ১০০ গ্রাম ১২০৳
১১)মেথি গুড়া ১০০ গ্রাম 30৳

১)পুনর্নভা ১০০ গ্রাম ২০০৳
২)আলু গুড়া ১০০ গ্রাম ৯০৳
৩)ডালিম খোসা গুড়া ১০০ গ্রাম ২০০৳
৪)মসুরের ডাল গুড়া ১00 গ্রাম ২৫৳
৫)কস্তুরি হলুদ গুড়া ১০০ গ্রাম ২৫০৳
৬)কমলার খোসা গুড়া ১০০ গ্রাম ১৪০৳
৭)মুলতানি মাটির গুড়া ১০০ গ্রাম ৮০৳
৮)শঙ্খ গুড়া ১০০ গ্রাম ৭০৳
৯)পুদিনা গুড়া ১০০ গ্রাম ১৪০৳
১০)থানকুনি গুড়া ১০০ গ্রাম ৫০৳
১১)charcol powder =১৫০ট

15/02/2022

রুপচর্চার জন্য যে হলুদ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হলো কস্তুরী হলুদ (wild turmeric)। প্রাচীন আর্য়ূবেদে রূপচর্চায় জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত উপাদান গুলোর মধ্যে কস্তুরী হলুদ অন্যতম। রান্নায় ব্যবহৃত হলুদ এবং কস্তুরী হলুদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে অবশ্যই। কস্তুরী হলুদ দেখতে অনেকটা কাঁচা হলুদের মত হলেও এর বাইরের আবরণ আদার মতো আর ভিতরের হলুদের রং হালকা বা গাঢ় হয়ে থাকে ।
এর ঘ্রাণই আপনাকে জানান দিয়ে দিবে এটি রান্নার হলুদের চেয়ে কতটা আলাদা। এছাড়া, কস্তুরী হলুদ রুপচর্চায় ব্যবহার করলে কোনো ধরনের স্টেইন বা হলদে ভাব তৈরি করেনা।

১। স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে👌🏻

শংখ গুড়া ও কস্তুরি হলুদ টক দইয়ের সাথে মিশিয়ে স্ট্রেচ মার্ক এর স্থানে লাগান। সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহার করুন। স্ট্রেচ মার্ক অনেকটাই হালকা হয়ে আসবে।

২। আনইভেনটোন বা পিগমেন্টেশান দূর করতে👌🏻

একচামচ কস্তুরী হলুদ সামান্য দুধের সাথে মিশিয়ে ১০ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক টি নিয়মিত ব্যবহার ত্বককে করবে গভীর থেকে পরিষ্কার এবং পরের দিন সকাল বেলাতেই বুঝতে পারবেন ত্বক কতটা ব্রাইট ও ফ্রেশ লাগছে!

৩। পিম্পল ও দাগ দূর করতে 👌🏻

কস্তুরী হলুদে রয়েছে অসংখ্য Anti Bacterial Agent। তাই পিম্পল, একনে ও দাগ দূর করতে এর কোনো জুড়ি নেই। হলুদের সাথে নিম পাউডার ও মধু মিশিয়ে শুধু একনে স্পটে ব্যবহার করলে উপকার দেখা যাবে চোখে পরার মত।

৪। ডার্ক সার্কেল রিমুভাল হিসাবে👌🏻

কস্তুরি হলুদের সাথে শসার রস মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে চোখের নিচে অ্যাপ্লাই করুন। ক্লান্ত চোখের যত্ন হবে সেইসাথে ডার্ক সার্কেলও কমে যাবে অনেক।

৫। বডি ট্যান দূর করতে👌🏻

কস্তুরি হলুদের সাথে মসুর ডালের গুড়ো ও মুলতানি মাটি মিশিয়ে নিজেই বানিয়ে নিন বডি ট্যান স্ক্রাব।

৬। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে👌🏻

ত্বকের তেল তেল ভাব বেশ সমস্যা তৈরির কারণ। যেমনঃ ব্লাকহেডস, ব্রন, পিগমেন্টেশন সহ আরও অনেক। কস্তুরী হলুূদ আপনার এই সমস্যাটি সমাধান করবে। ১ চামচ চন্দন গুড়া এবং ৩ চা চামচ কমলার জুস সাথে ১ চা চামচ কস্তুরী হলুদ গুড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিয়ে ত্বককে করবে মসৃণ।

৭। ত্বকের তারুণ্য ফিরে পেতে👌🏻

কস্তুরী হলুদ ত্বকের বলিরেখা দূর করে। কারন এতে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করে। ফলে ত্বকের সেল গুলো হয়ে উঠে উজ্জ্বল। নিয়মিত কস্তুরী হলুদ পেস্ট ব্যবহার করে দিলে কয়েক মাসের মধ্যে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়।

৮। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে👌🏻

কস্তুরী হলুদ শুধুমাএ ত্বকের সমস্যা দূর করতে দক্ষ নয় ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও এর ভূমিকা অসামান্য। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন ১ চা-চামচ কস্তুরী হলুদের সাথে ২-৩ চা-চামচ দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পান।

তবে কস্তুরী হলুদ বা ওয়াইল্ড টার্মেরিক ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী হলেও কিছু নিয়ম মেনে এটি ব্যবহার করতে হয়। কখনই কস্তুরী হলুদ খালি ব্যবহার করবেন না। যেকোন প্যাক বা পাউডারের সাথে পরিমানমতো মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। আর আপনার ত্বক যদি খুব বেশি সেনসিটিভ হয়ে থাকে তবে সপ্তাহের ১ বারের বেশি কস্তুরী হলুদের পেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো। এটি ব্যবহারের পর ছয় থেকে আট ঘণ্টা রোদে যাওয়া যাবে না। এজন্য ওয়াইল্ড টার্মেরিক প্যাক সবসময়ই রাতে ব্যবহার করবেন।

15/02/2022

লাল চন্দন গুড়া / Red Sandal Powder

লাল চন্দন মূলত ঔষধি গুণসম্পন্ন একটি ভেষজ। ত্বকের যত্নে এর জুড়ি মেলা ভার। প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চা ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এর ব্যবহার ব্যাপক।

লাল চন্দনে আছে এন্টিসেপ্টিক, এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি, এন্টি এজিং গুনাগুন যা ত্বকের ব্রণ, ফুস্কুড়ি ইত্যাদি দূর করে এবং তারুণ্য ধরে রাখে।

✅স্বাস্থ্যরক্ষায় লাল চন্দনঃ-

★এন্টিসেপ্টিক হিসেবে বাতের ব্যথা ও এন্টিইনফ্লামেশনে ব্যবহৃত হয়।

★অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া, মাইক্রোবিয়াল সংক্রমণ, প্রদাহ-ব্যথা ইত্যাদি রোগের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করে।

👉 জ্বর হলে ২ চামচ লাল চন্দন গুড়া ১ পোয়া পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকাল -বিকাল অল্প পরিমানে পান করুন।

✅ত্বক পরিচর্যায় লাল চন্দনঃ

★লাল চন্দন ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

★এর এন্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টি ত্বকের ব্রণ, র্যাশ, এলার্জি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।

★ত্বকে ব্রণ ও গভীর ক্ষতের দাগ কমায়।

★রক্ত চলাচল বাড়ায় ফলে সহজে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না।

★এটি ত্বকের রোদে পোড়া ভাব ও ডার্ক সার্কেল কমায়

★ত্বকের তৈলাক্ততা দূর কর।

ব্যবহারঃ

👉 ১ চা চামচ লাল চন্দন গুড়া+ ২ টেবিল চামচ পাকা পেঁপে+ দূুধ/দই +মধু ও হলুদের মিশ্রণে প্যাক তৈরী করে ত্বকে ব্যবহার করলে মৃতকোষ দূর হয় এবং অল্প সময়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

👉ত্বকের দাগ কমাতে লাল চন্দনের সাথে খাঁটি নারকেল তেল মিশিয়ে রাতে নিয়মিত ব্যবহার করুন। ব্রণ ও ক্ষতের দাগ হালকা হবে।

👉ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে ১ চামচ লাল চন্দন গুড়া+ ১ চামচ লেবুর রস+ ৪ চামচ গোলাপজল পেস্ট করে ত্বকে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

👉লাল চন্দনের সাথে গোলাপজল, সামান্য টকদই ও শশার রস ব্লেন্ড করে মুখে-হাতে লাগান এবং ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে রোদে পোড়াভাব কমবে।

15/02/2022

উজ্জ্বল, দাগবিহীন ত্বক পেতে আলু গুড়া কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। 👉আলুকে বলা হয় ন্যাচারাল স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট -যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে, কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ... 👉এতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ “পটাশিয়াম” যা আমাদের ত্বকে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং ত্বক ময়েশ্চারাইজ রাখতে সাহায্য করে।

আলু গুঁড়া ও দুধ মিশিয়ে পেস্ট করে তাতে সামান্য মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়।

টমেটোর রসের সঙ্গে লেবু ও আলুর রস মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে দূর হবে রোদে পোড়া দাগ।

ডার্ক সার্কেল দূর করতে আলুর গুঁড়া সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে আঙুলের সাহায্যে চোখের আশেপাশের ত্বকে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের দাগ দূর করতে আলু গুঁড়া ও লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোও রিপেয়ার হয়।

আলু গুঁড়া অল্প পানিতে মিশিয়ে পেস্ট করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের বলিরেখা দূর হবে এবং ত্বক টানটান হবে।

ত্বকের তৈলাক্তভাব কমাতে আলু গুঁড়া+ গোলাপজল+ ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তৈলাক্ত ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে নিন।

একটি ডিমের সাদা অংশ এবং আলু গুঁড়ার মিশ্রণ তৈরি করে একটি ব্রাশের সাহায্যে তা ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

এটি মাস্কের কাজ করে।

রুক্ষ ও শুষ্ক চুলে আলু ছেঁচে তার রস লাগালে তা চুলের ময়েশ্চারের কাজ করে।

15/02/2022

ভৃঙ্গরাজ গুঁড়া

ভৃঙ্গরাজ চুলের যত্নে অত্যন্ত কার্যকরী ভেষজ। চুলের সবরকম সমস্যার সমাধান রয়েছে এই একটি মাত্র ভেষজে। এতে আছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-ডি, ম্যাগনেশিয়ামের মতো পুষ্টিগুন। চুল পড়া এবং চুল পাকাসহ চুলের যেকোনো সমস্যায় এটি মহৌষধের মত কাজ করে।

ভৃঙ্গরাজের উপাকরীতাঃ

ভৃঙ্গরাজ চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে।

নতুন চুল গজায় এবং চুল দ্রুত বাড়ে।

চুল ঘন কালো করে।

প্রিম্যাচিউর হেয়ার গ্রে হওয়া রোধ করে।

খুশকি দূর করে।

স্ক্যাল্পে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।

অকালে চুল পাকা বন্ধ করে।

অনিদ্রা, মাথা ঘুরানো, হাই স্ট্রেস কমায় এবং স্ক্যাল্প কে প্রশমিত করে।

চুলের সমস্যায় ভৃঙ্গরাজের ব্যবহারঃ

চুল পড়া বন্ধ করতেঃ ভৃঙ্গরাজ গুঁড়া+ বহেরা গুঁড়া+ মেথি গুঁড়া+ শিকাকাই গুড়া একত্রে মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে লাগান। সপ্তাহে অন্তত ২ বার ব্যবহার্য।

খুশকি দূর করতেঃ ভৃঙ্গরাজ গুঁড়া+নারকেল তেল ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে নিয়মিত সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করুন

চুলের গোড়া মজবুত করতেঃ ২ চামচ ভৃঙ্গরাজ গুঁড়া + ১ চামচ আমলকি গুঁড়া পানির সাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

15/02/2022

ডালিমে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ ভিটামিন এ, সি, ই প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান।

ডালিমের খোসা গুঁড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

ডালিমের খোসায় প্রচুর পরিমাণে এলাজিক এসিড রয়েছে, যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে।

এতে ১০০ গ্রামেরও বেশি ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বককে সুস্থ ও তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

এর জিঙ্ক ও কপার নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে, ব্রণ দূর করে এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে।

কাশি বা গলাব্যথা হলে বেদানার খোসা গুঁড়া গরমজলে ফুটিয়ে গারগোল করলে আরাম পাওয়া যায়।

ডালিমের খোসা গুঁড়া থেকে পাওয়া অ্যান্টিঅক্সিডাইটিস আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল লেবেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

ডালিমের খোসা গুঁড়া এক গ্লাস জলে মিশিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের সমস্যা এবং মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা দূর হয়।

ব্যবহার বিধিঃ

২ চামচ ডালিমের খোসাগুঁড়া, ১ চামচ মধু, ১ চামচ কাঁচা দুধ, ১ চামচ টক দই ও ১ চামচ টমেটো রস ইত্যাদি একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই প্যাকটি সম্পূর্ণ মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহারে ত্বককে করবে ফর্সা এবং উজ্জ্বল।

ত্বকের ব্রণ দূর করতে ডালিমের খোসা গুঁড়া+ তুলশী গুঁড়া+ পুদিনা গুঁড়া+ কস্তরী হলুূদ গুঁড়া একসাথে মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

ডালিমের খোসা গুঁড়া+ মসুর ডাল গুঁড়া+ কমলার খোসা গুঁড়া+ মুলতানি মাটি গুঁড়া মিশ্রণে তৈরী প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের মৃতকোষ দূর হয়।

ডালিমের খোসা গুঁড়া+ আমলকি গুঁড়া+ বহেরা গুঁড়া+ মেহেদি গুঁড়া একসাথে মিশয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে ব্যবহার করলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়।

15/02/2022

ইদানীং সুপারফুড যেসব খাবার সুস্থ থাকার চাবিকাঠি, সেগুলির মানুষ বেশি করে খাচ্ছেন। এরকমই একটি সুপারফুড হলো চিয়া সিড বা চিয়া বীজ!
আসলে চিয়া বীজের জন্ম সুদূর মেক্সিকোতে। স্থানীয় “Salvia hispanica” নামক “mint” প্রজাতির গাছের বীজ এটি, তাই এর কোনও ভারতীয় নাম নেই, এটি চিয়া বীজ বা চিয়া সিড নামেই প্রচলিত। ছোট, সাদা, ধূসর, বাদামী ও কালো রঙের এই বীজটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর উপকারিতা অনেক!এক আউন্স (২৮ গ্রাম) চিয়া সিডে আছে;
ফাইবার- ১১ গ্রাম
প্রোটিন- ৪ গ্রাম
ফ্যাট- ৯ গ্রাম (যার ৫ গ্রাম আবার Omega-3s)
ক্যালসিয়াম- RDA (Recommended Dietary Allowance) এর ১৮%
ম্যাঙ্গানিজ- RDA এর ৩০%
ম্যাগনেসিয়াম- RDA এর ৩০%
ফসফরাস- RDA এর ২৭%
সমুচিত পরিমাণে জিঙ্ক, ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন), পটাশিয়াম, ভিটামিন বি১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন বি২
এই এত্ত সব পুষ্টিগুণ ঝুলি করে আপনার শরীর রক্ষায় কী কী ভাবে কাজে আসতে পারে চিয়া সিড বা চিয়া বীজ, তারই কিছু উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট সাজিয়ে দিলাম নীচে!

#1. অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর (They’re SUPER high in antioxidants.)
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টই কার্যত অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলবে। আপনার মুখে, চোখে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করবে, ত্বক রাখবে তকতকে আর চুল রাখবে চকচকে। আশঙ্কা কমাবে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগেরও।

#2. প্রায় সবটুকু কার্বই ফাইবার (They’ve got an impressive amount of fiber)
চিয়া বীজে থাকা শর্করার প্রায় সব টুকুই ফাইবার। রোজের ডায়েটে চিয়া বীজের গুণেই আপনার খিদে কম পাবে, পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, পটি হবে নিয়মিত। পরোক্ষ ভাবে তরতরিয়ে ওজন কমবে আপনার!

#3. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস (They’re a rare source of omega-3 fatty acids.)
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উপকারেই অবসাদ কমবে, ঘুমের সমস্যা কাটবে, ভালো থাকবে হৃদযন্ত্র! জানতেন কি, মাছ-বাদাম-ফ্ল্যাক্স সিডের সাথে সাথেই চিয়া বীজেও আছে বহুল পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড?

#4. মিলবে উচ্চমানের প্রোটিন (They’ve got protein)
যাঁরা নিরামিষ খান, তাঁদের জন্য প্রোটিন ভরা খাবার-দাবার খুঁজে পাওয়া সত্যি কঠিন। চিন্তা নয়, চিয়া বীজ আছে তো! ২ টেবিল.চামচ চিয়া বীজেই ৪ গ্রাম প্রোটিন পাবেন আপনি। ওটসের সাথে মিলিয়ে খান, জমে যাবে জলখাবার!

#5. ক্যালসিয়াম চান? পাবেন সেটাও! (Need calcium? Chia’s got it!)
বিশ্বাস করুন বা না করুন, অধিকাংশ দুগ্ধজাত প্রোডাক্টের চেয়ে অনেক বেশি ক্যালসিয়াম থাকে চিয়া বীজে। যদি দুধ খেতে না পারেন তবে খান চিয়া বীজ। ইয়োগার্টের সাথে মিলিয়ে খেতে পারেন রোজ, শরীর-স্বাস্থ্য থাকবে তন্দুরস্ত

15/02/2022

powder(ব্রাম্মী গুড়া)
চুলের যত্নে ব্রাহ্মী শাকের চারটি উপকারিতা
নাক সিঁটকালে কী হবে, ব্রাহ্মী শাক একবার চুলের জন্য ব্যবহার করেই দেখুন, তফাতটা নিজের চোখেই দেখতে পাবেন। তবে তার আগে একবার জেনে নিন ঠিক কী-কীভাবে চুলের জন্য ব্রাহ্মী শাক ভাল।

১। চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে ব্রাহ্মীশাক
চুলের ফলিকল বা গোড়া মজবুত করতে ব্রাহ্মী শাক খুবই উপকারী। নারকেল তেলের মধ্যে যদি ব্রাহ্মী শাক ভিজিয়ে রাখেওন এবং পড়ে সেই তেলটি দিয়ে চুলের গোড়ায়-গোড়ায় মালিশ করেন, তা হলে চুলের গোড়া তো মজবুত হবেই এবং চুল পড়ার সমস্যাও দূর হবে।

২। অ্যালোপেশিয়া রোধ করে ব্রাহ্মী শাক

অনেকেরই দেখবেন এত বেশি চুল ওঠে যে টাক পড়ে যায়। এই সমস্যাকে অ্যালোপেশিয়া বলা হয়। ব্রাহ্মী শাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস রয়েছে যা এই সমস্যা সমাধানে এবং রোধ করতে সাহায্য করে।

৩। খুশকি দূর করতে সাহায্য করে ব্রাহ্মী শাক
খুশকির সমস্যা নেই এমন মানুষ খুব কম আছেন। ব্রাহ্মী শাক কিন্তু চুলের সমস্যা সমাধানের সঙ্গেই খুশকির সমস্যাও দূর করে। এর প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টস স্ক্যাল্পে পুষ্টি যোগায় এবং খুশকির সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে।

৪। অকালপক্কতা রোধ করে ব্রাহ্মী শাক
অনেকেরই কিন্তু কম বয়সে চুল পেকে যায়। নানা কারণে এই সমস্যা হতে পারে তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় লিভারের সমস্যা থেকে চুলে অকালপক্কতা দেখা দেয়। প্রতিদিন খালি পেটে দু’ টেবিল চামচ ব্রাহ্মী শাকের রস পান করুন, লিভারের সমস্যার সঙ্গে চুলের অকালপক্কতাও কমবে।

ব্রাহ্মীশাক দিয়ে তৈরি এই দু’টি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন চুল সুস্থ রাখতে
ব্রাহ্মীশাক কীভাবে চুলের যত্নে কাজে লাগে তা তো জানলেন, কিন্তু ব্যবহার করবেন কেমন করে সেটাও তো জানতে হবে নাকি! এখানে চুলের দুই ধরণের সমস্যার সমাধান হিসেবে দুই রকমের হেয়ার মাস্কের (hair masks) হদিশ দেওয়া হল –

নিমপাতা এবং ব্রাহ্মী শাকের হেয়ার মাস্ক

স্ক্যাল্পে ফাঙ্গাল ইনফেকশন রোধ করতে নিমপাতা এবং ব্রাহ্মীশাকের এই হেয়ার মাস্কটি ব্যবহার করতে পারেন

কী কী প্রয়োজন – ১৫-২০টি নিমপাতা এবং এক আঁটি ব্রাহ্মীশাক

কীভাবে ব্যবহার করবেন – যেদিন এই হেয়ার মাস্কটি ব্যবহার করবেন তার আগের দিন সারা রাত ধরে নিম পাতা এক বাটি জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন ওই ভেজানো পাতা এবং ব্রাহ্মী শাক একটি ব্লেন্ডারে দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ভাল করে স্ক্যাল্পে এবং চুলে মাস্ক লাগিয়ে আধঘণ্টা পর কোনও মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

কত দিন ব্যবহার করতে হবে – সপ্তাহে দু’বার করে অন্তত মাসতিনেক

মেথি এবং ব্রাহ্মী শাক
লম্বা চুলের স্বপ্ন কিন্তু কিছুতেই চুল বাড়ে না? ব্যবহার করতে পারেন মেথ এবং ব্রাহ্মী শাকযুক্ত এই হেয়ার মাস্কটি

কী কী প্রয়োজন – দুই চা চামচ মেথি দানা, এক আঁটি ব্রাহ্মী শাক এবং এক টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল

কীভাবে ব্যবহার করবেন – মেথি দানা এবং ব্রাহ্মী শাক ভাল করে ধুয়ে নিয়ে বেটে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এবারে ওই পেস্তের মধ্যে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে হেয়ার মাস্কটি চুলে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন। ঘণ্টা দুই কিন্তু লাগিয়ে রাখতে হবে। এর পর মাইল্ড কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধয়ে ফেলুন।

কত দিন ব্যবহার করতে হবে – সপ্তাহে অন্তত একবার এই হেয়ার মাস্কটি ব্যবহার করতে হবে ততদিন পর্যন্ত যতদিন না আপনার মনের মতো চুল লম্বা হচ্ছে।

15/02/2022

ত্বক সুন্দর করতে চন্দন গুড়া, বাড়িতেই প্যাক বানাবেন যেভাবে

চারদিকে পরিবেশ দূষণ আর অতি মাত্রায় ভেজাল খাদ্য দ্রব্যের কারণে ত্বকসহ শরীরে নানান সমস্যা দেখা দেয়। মুখে ব্রণ, গাঢ় দাগ, এবং ব্ল্যাকহেডের সমস্যা তো লেগেই আছে। তাই মুখের সজীবতা ধরে রাখতে স্যান্ডালউড বা চন্দনকাঠ আয়ুর্বেদিক প্রাকৃতিক উপাদান যা আপনার ত্বকের যত্ন নেয়। সাধারণত পাউডার হিসাবেই পাওয়া যায় এই সুগন্ধী উপাদানটি। চন্দন কাঠে তেল বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য দারুণ কাজে দেয়।

আসুন জেনে নেয়া যাক চন্দনের নানান উপকার:

১.ট্যান কমাতে সাহায্য করে

সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি থেকে নিজেকে বাঁচাতে চন্দনের তেল খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. ব্রণ বা প্রদাহ জনিত বৈশিষ্ট্য বা সূর্যের তাপে সৃষ্ট কোন ধরণের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। চন্দন কাঠের তেল পোকামাকড়ের কামড় বা অন্য কোনো ত্বকের ক্ষতি থেকে বাঁচতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩.ত্বকের অ্যালার্জি কমায়

চন্দন কাঠ স্কিন প্রোটিনের মাত্রা বাড়ায় যার ফলে ত্বকের যেকোন ব্রেকআউট, অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা করে। এটি আপনার ত্বকের নরম টিস্যুকে সংকোচনের সৃষ্টি করে এবং আপনার ত্বকের ছিদ্রকে শক্ত করে তোলে। এ কারণেই অনেকেই ফেসপ্যাকগুলোতে বা টোনারগুলোতে চন্দন কাঠ ব্যবহার করেন।

চন্দন কাঠ স্কিন প্রোটিনের মাত্রা বাড়ায়, ত্বকের সমস্যা থেকে আরাম দেয়

৪. অ্যান্টি-সেপটিক হিসাবে ব্যবহৃত হয়

স্যান্ডালউডে আছে অ্যান্টি-সেপটিক উপাদান যা ব্রণ দাগ ইত্যাদি কমায়। ধুলো এবং ময়লা থেকে আপনার ত্বকে যে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়, মুখে দুধের সাথে চন্দনগুঁড়ো মিশিয়ে প্রয়োগ সত্যিই উপকার পেতে পারেন।

স্যান্ডালউড ফেস প্যাক বাড়িতেই বানানঃ

১. ব্রণ এবং ব্ল্যাকহেড অপসারণের জন্য

এক টেবিল চামচ চন্দন তেলে এক চিমটি হলুদ এবং কর্পূর মেশান। এই প্যাক সারা মুখে লাগান। ব্রণ, দাগ এবং ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি পেতে সারারাত রেখে দিন মুখে। এছাড়া, ১ টেবিল চামচ চন্দনগুঁড়ো, ১ চা চামচ নারকেল তেল এবং সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে মুখে প্রয়োগ করতে পারেন, আধ ঘন্টা পর হালকা গরম জলে ধুয়ে নেবেন।

২. ত্বক নরম করার জন্য

আপনার মুখে চন্দন কাঠের তেল দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন।সারারাত রেখে দিয়ে সকালে হালকা গরম জলে ধুয়ে নিন।

৩.রোদে পোড়া চামড়ার জন্য

এক টেবিল চামচ শশার রস, এক টেবিল চামচ দই, এক চা চামচ মধু, আর সামান্য লেবুর রসে এক টেবিল চামচ চন্দনগুঁড়ো মিশিয়ে ফেস মাস্ক হিসেবে লাগান। প্রায় ১৫ মিনিট রেখে দিন। সূর্যের ট্যান কমাতে সাহায্য করতে এটি কাজ করে।

৪. কালো ছোপ দূর করে

১ টেবিল চামচ চন্দনগুঁড়োর সাথে নারকেল তেল মেশান এবং আপনার সারামুখে এটি ম্যাসাজ করুন।সারারাত রেখে দিন।নিয়মিত ব্যবহারের সাথে সাথেই গাঢ় দাগগুলো কমে যাবে।

টেবিল চামচ চন্দনগুড়ো এবং নারকেল তেল মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন

৫. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

কয়েক ফোঁটা গোলাপ জলে চন্দনগুঁড়ো মিশিয়ে সারামুখে লাগান। এরপরে আধঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।

চন্দনগুড়ো আপনার সৌন্দর্য এবং সুন্দর, পরিষ্কার ত্বকের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপাদান।আপনিও এই ঘরোয়া ফেস প্যাক দিতে পারেন।

15/02/2022

#শিকাকাই গুড়া

শিকাকাই কে “হেয়ার ফ্রুট” বলা হয়। একে প্রাকৃতিক শ্যাম্পুও বলা হয়।

শিকাকাইয়ে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ, ডি, সি, কে, ই, প্রোটিন এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা চুলের বৃদ্ধির জন্য, চুল ভালো রাখার জন্য অতি প্রয়োজন।

শিকাকাই এর বাকলে স্যাপোনিন থাকে যার কারনে পানিতে মিশিয়ে নাড়ালে সাবানের মতো ফেনা হয়। তাই শিকাকাই কে প্রাকৃতিক শ্যাম্পুও বলা হয়। এর সাথে রিঠা, মেথি ও আমলকির গুড়া মিশিয়ে শ্যাম্পু তৈরি করে চুল পরিষ্কার করলে চুল হয় মসৃণ ও ঝলমলে।

চুলের যত্নে শিকাকাই গুড়ার গুনের কথা বলে শেষ করা যাবেনা।



উপকারীতা

👉চুলের গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে।

👉চুলের খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।

👉চুল সফট, স্ক্যাল্পের চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।

👉চুলের ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

👉চুল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।



ব্যবহার_বিধি

🌷হেয়ার প্যাকের (যেমন: কারিপাতা, কালোমেঘ, ভ্রৃঙ্গরাজ, নিম, ব্রাম্মী, হরতকি, রিঠা , আমলকি, বহেরা এবং মেথি গুড়া) সাথে শিকাকাই গুড়া এবং রোজমেরী এসেনশিয়াল অয়েল ৫-৭ ড্রপ মিশিয়ে সপ্তাহে ২/৩ দিন ব্যবহার করলে পরিবর্তন নিজেই বুঝতে পারবেন 🥰



🌷২ চামচ শিকাকাই গুড়া+১ চামচ আমলকি গুড়া+ ৫-৭ ড্রপ রোজমেরী এসেন্সিয়াল অয়েল ভালো করে মিশিয়ে চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে ভালো করে লাগাতে হবে। ৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে এতে চুলের গোড়া শক্ত হবে এবং চুল ঝলমলে হবে।



🌷শিকাকাই গুড়া+রিঠা গুড়া+আমলকি গুড়া+ মেথি গুড়া পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সেই পানি ভালো করে ছেকে নিয়ে তা দিয়ে শ্যাম্পু করবেন, এতে ফেনা হবে না কিন্তু চুল অনেক পরিষ্কার হবে।

আরও ভালো হয় যদি ২ চামচ আমলকি+২ চামচ রিঠা+২ চামচ শিকাকাই এবং ২ চা চামচ মেথি গুড়া একসাথে মিশিয়ে চুলায় জাল দিলে সেই পানি ঠান্ডা করে +৫/৭ ড্রপ রোজমেরী এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে তারপর শ্যাম্পু হিসেবে চুলে ব্যবহার করা যায়। এভাবে ফ্রিজে রাখলে ৭-১০ দিন রেখে ব্যবহার করতে পারবেন আর বাইরে রেখে ৩-৪ দিন ব্যবহার করতে পারবেন।



🌷শিকাকাই খুশকি দুর করতে দারুণ কাজ করে। এক্ষেত্রে শিকাকাই গুড়া সাথে ভৃঙ্গরাজের গুড়া+ ৫/৬ ড্রপ টি ট্রি এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে প্যাক হিসেবে সপ্তাহে ২ দিন ইউজ করলে ২-৩ সপ্তাহে খুশকি দূর হবে।



🌷শিকাকাই গুড়া আর একটি বিশেষ গুণ হলো এটি চুল পেকে যাওয়া রোধ করে। কালোমেঘ+ভ্রৃংরাজ +আমলকি গুড়া+শিকাকাই গুড়া+রিঠা+ ৫/৭ ড্রপ ইউক্যালিপটাস এসেন্সিয়াল অয়েল নিয়ে প্যাক হিসেবে ইউজ করতে হবে।



🌷উকুনের সমস্যা দূর করতে শিকাকাই গুড়ার সাথে মেথি গুড়া, আমলকি গুড়া, নিম গুড়া, রিঠা গুড়া, কালোমেঘ গুড়া, সাথে টি ট্রি এবং ইউক্যালিপটাস এসেন্সিয়াল অয়েল ৪/৫ ড্রপ মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

প্রকৃতির অসীম ভান্ডারের মধ্যে অন্যতম একটি উপাদান হলো শিকাকাই। যা আমাদের হাতের নাগালেই পাওয়া যায়। ঝলমলে উজ্জ্বল চুল পেতে নিয়মিত শিকাকাই গুড়া ব্যবহার করুন

15/02/2022

পুনর্নবা হল এমন একটি উদ্ভিদ। বছরের বর্ষার মাসগুলোতে বেশির ভাগ ক্রান্তীয় অঞ্চলের উদ্যানগুলিতে এটা মাকড়সার জালের মত ছড়ায়। পুনর্নবা পশ্চিম বঙ্গ এবং আসাম সহ ভারতের কয়েকটি প্রান্তে রন্ধনের জন্য একটি ভেষজ উদ্ভিদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

ত্বকের ছিদ্র /পোরস থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে।

ত্বক কে ডিটক্সিফাই করে।

ব্রনের ব্রেক আউট এবং ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাতে সাহায্য করে।

পুনর্নভা গুড়া (Punarnava Powder)

আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে এর চাহিদার কথা নাই বা বলি। পুরোনো তারুন্যময় চেহারাকে নতুন করে আবার আবিষ্কার করতে পুনর্নভার কোনো জুড়ি নেই। একে বলা হয় ন্যাচেরাল স্কিন হোয়াইটেনার।এখন জেনে নেয়া যাক ত্বকের যত্নে এর বিশেষ ব্যবহারঃ

ত্বকের যত্নেঃ

১।ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

২।ত্বকের ব্রাইটনেস বাড়াতে সাহায্য করে।

৩।ত্বকের ছিদ্র /পোরস থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে।

৪।ত্বক কে ডিটক্সিফাই করে।

৫।ব্রনের ব্রেক আউট এবং ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

৬।ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাতে সাহায্য করে।

ব্রণের দাগ দূর করতে পুনর্নভা গুঁড়ার সাথে দারচিনি বেঁটে মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন।

পোরস ছোট করতে পুনর্নভা গুঁড়ার সাথে ডিমের সাদা অংশ ও চিনি মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট ত্বকে ব্যবহার করুন।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে পুনর্নভা গুঁড়ার সাথে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন।

স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে পুনর্নভা গুঁড়ার সাথে কস্তুরি হলুদ বেঁটে বা গুঁড়া করে টকদই মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন।

ত্বকের অয়েলিভাব কমাতে পুনর্নভা গুঁড়ার সাথে কমলা ও লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করুন।

বিশেষ সতর্কতা

এলার্জি জনিত সমস্যা থাকলে ত্বকে পুনর্নভা গুঁড়া ব্যবহার না করাই উত্তম।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


517, North Shahjahanpur
Dhaka
1217