Supplements for Human Body

Supplements for Human Body

Share

Dietary supplements are substances you might use to add nutrients to your diet or to lower your risk

19/07/2023

♦শিশুদের বিষণ্ণতা♦
সম্পাদনায়ঃ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
**********************************

লেখার ধরণঃ অনুবাদিত প্রবন্ধ
লেখার তারিখঃ ১৯-০৭-২০২৩
পোস্টের তারিখঃ ১৯-০৭-২০২৩

সব শিশুরই মাঝে মাঝে মন খারাপ থাকে। এটি তাদের স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার একটি অংশ। কিন্তু এই আবেগগুলো উদ্বেগজনক হতে পারে, যখন দীর্ঘ সময় ধরে এগুলো তীব্রভাবে অনুভূত হয়, বিশেষ করে তা যদি আপনার সন্তানের সামাজিক, পারিবারিক ও স্কুল জীবনকে প্রভাবিত করে।

যদিও বিষণ্ণতার মাঝে আশার আলো খুজে পাওয়া কঠিন, মনে রাখবেন বিষণ্ণতার চিকিৎসা করা যেতে পারে এবং আপনার সন্তানকে আরও ভালো বোধ করতে সাহায্য করার জন্য আপনিও অনেক কিছু করতে পারেন।

বিষণ্ণতা কী?

বিষণ্ণতা হল সবচেয়ে সাধারণ ধরনের মানসিক স্বাস্থ্যগত একটি অবস্থা এবং প্রায়ই উদ্বেগের পাশাপাশি এটি বিকাশ লাভ করে।

বিষণ্ণতা হালকা ও স্বল্পস্থায়ী বা গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কিছু মানুষ শুধু একবার বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হয়, তবে অন্যরা এটি একাধিকবার আক্রান্ত হতে পারে।

বিষণ্ণতা আত্মহত্যার দিকে ধাবিত করতে পারে, তবে যথাযথ সহায়তা প্রদান করা হলে এটি প্রতিরোধযোগ্য। আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে এমন তরুণদের সাহায্য করার জন্য অনেক কিছু করা যেতে পারে।

বিষণ্ণতার কারণ কী?
মানসিক নির্যাতন, স্কুলে সহিংসতা, ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু অথবা পারিবারিক সহিংসতা বা পারিবারিক ভাঙ্গনের মতো কিছু সমস্যার প্রতিক্রিয়া হিসাবে বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপে থাকার পর কেউ বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হতে পারে। এটি পরিবারেও চলতে পারে। কখনও কখনও আমরা জানি না কেন এটি ঘটে।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মাঝে বিষণ্ণতাঃ
শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মাঝে দীর্ঘ সময় ধরে অসুখী ভাব বা বিরক্তি হিসেবে বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে। একটু বড় শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মাঝে বিষণ্ণতা দেখা দেওয়া খুব সাধারণ বিষয়। তবে প্রায়ই এটি অজানা অবস্থায় রয়ে যায়।

কিছু শিশু হয়তো বলতে পারে যে, তারা "অসুখী" বা "দুঃখ" বোধ করছে। আবার অন্যরা বলতে পারে যে, তারা নিজেদের আঘাত বা এমনকি হত্যা করতে চায়। বিষণ্ণতায় আক্রান্ত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের নিজের ক্ষতি করার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এই ধরনের প্রতিক্রিয়া সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।

একটি শিশুকে শুধু দুখী দেখালেই সে বিষণ্ণতায় ভুগছে– এমনটা মনে করার কারণ নেই। তবে যদি এই দুখীভাব অব্যাহতভাবে দেখা যায় বা স্বাভাবিক সামাজিক কাজকর্ম, আগ্রহ, স্কুলের কাজ বা পারিবারিক জীবনে এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয়, তাহলে এর অর্থ হতে পারে- তাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা প্রয়োজন।

মনে রাখবেন, শুধু একজন ডাক্তার বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞই বিষণ্ণতা নির্ণয় করতে পারেন। তাই আপনি যদি আপনার সন্তানের বিষয়ে চিন্তিত হন তাহলে আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে পরামর্শের জন্য জিজ্ঞাসা করতে দ্বিধা করবেন না।
শিশুদের মাঝে বিষণ্ণতার লক্ষণ ও উপসর্গ

একেক শিশুর ক্ষেত্রে বিষণ্ণতা একেকভাবে অনুভব হতে পারে। এখানে বিষণ্ণতার কিছু সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গ দেওয়া হলো:

শারীরিক লক্ষণ ও উপসর্গ:

১/ক্লান্তি বা কম শক্তি; এমনকি বিশ্রামে থাকলেও অস্থিরতা বা মনোযোগ দিতে অসুবিধা।
২/দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পাদনে অসুবিধা।
৩/ক্ষুধা বা ঘুমের নিয়মে পরিবর্তন।
৪/যন্ত্রণা বা ব্যথা যার কোনো সুস্পষ্ট কারণ নেই।

আবেগীয় ও মানসিক লক্ষণ ও উপসর্গ:
১/অবিরাম দুঃখ, উদ্বেগ বা বিরক্তি
২/বন্ধুবান্ধব ও কাজকর্মে আগ্রহ হারানো, যা তারা সাধারণত উপভোগ করে।
৩/অন্যদের কাছ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়া এবং একাকীত্ব বোধ করা।
৪/নিজেকে গুরুত্বহীন ভাবা।
৫/আশাহীনতা বা অপরাধবোধ কাজ করা।
৬/এমন সব ঝুঁকি নেওয়া যা সাধারণত তারা নেয় না নিজের ক্ষতি বা আত্মহত্যার চিন্তা।

এই উপসর্গগুলোর একটি বা একাধিক দেখা দেওয়ার অর্থ এই নয় যে, একটি শিশু বিষণ্ণতায় আক্রান্ত। তবে এমন অনেক উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানকে এই অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারেন। আপনি যদি আপনার সন্তানের জন্য চিন্তিত হন, তাহলে পরামর্শের জন্য আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না।

আপনার সন্তানকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করার উপায়ঃ

আপনি যদি মনে করেন আপনার সন্তান হতাশাগ্রস্ত, তাহলে তাকে সহায়তা করতে আপনি নিচের কাজগুলো করতে পারেন:

কী ঘটছে তা দেখুন:
তাদের জিজ্ঞাসা করুন তারা কেমন অনুভব করছে এবং বিবেচনা বা পরামর্শ ছাড়াই মন খুলে তাদের কথা শুনুন। আপনি আস্থা রাখেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আপনার সন্তানকে চেনে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন। যেমন প্রিয় শিক্ষক বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করুন, উদ্বেগজনক কিছু তাদের নজরে এসেছে কিনা বা বিভিন্ন জিনিসের প্রতি তাদের প্রতিক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা। নতুন একটি স্কুল ভর্তি হওয়া বা বয়ঃসন্ধিকালের মতো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময় সন্তানের সুস্থতার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিন।

তাদের সঙ্গে সময় কাটান:
কথাবার্তা বলা বা তারা উপভোগ করবে- এ ধরনের বয়স-উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম একসঙ্গে করার মাধ্যমে উষ্ণ, নির্ভরতা ও সমর্থনের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করুন। তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতি আগ্রহী হোন, যেমন স্কুলে তাদের দিনটি কেমন ছিল বা তারা তাদের বন্ধুদের কোন দিকটি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে।

ইতিবাচক অভ্যাসকে উৎসাহিত করুন:
আপনার সন্তানকে এমন সব কাজ করতে উৎসাহিত করুন, যা সাধারণত তারা উপভোগ করে। নিয়মিত খাওয়া ও ঘুমানোর অভ্যাস বজায় রাখুন এবং সক্রিয় থাকুন। শারীরিক কার্যকলাপ তাদের মন ভালো রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। সঙ্গীত আমাদের মেজাজের ওপর জোরালো প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একসঙ্গে এমন গান শোনার চেষ্টা করুন যা তাদের জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক অনুভূতি দেয়।

নিজেদের প্রকাশ করতে দিন:
সন্তানকে আপনার সঙ্গে কথা বলতে দিন। তারা কেমন অনুভব করছে সে সম্পর্কে তারা কী বলে তা মনোযোগ সহকারে শুনুন। ভাবনা শেয়ার করার জন্য আপনার সন্তানকে কখনই চাপ দেবেন না। এর পরিবর্তে আপনি অন্যান্য ধরনের সৃজনশীল অভিব্যক্তি; যেমন ছবি আঁকা, কারুশিল্প বা তাদের চিন্তাভাবনা ও অভিজ্ঞতা লিখে রাখতে উৎসাহিত করতে পারেন। মনের অবস্থা লিখে রাখা একটি মাধ্যম যা শিশুদের মন খারাপ করে বা মেজাজ বিগড়ে দেয়- এমন বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো তাদের জীবনের ইতিবাচক দিক এবং তারা যে বিষয়গুলো নিয়ে গর্বিত তার একটি দুর্দান্ত স্মারক হতে পারে।

মানসিক চাপপূর্ণ পরিবেশ থেকে রক্ষা করুন:
আপনার সন্তানকে এমন পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন যেখানে তারা অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুর্ব্যবহার বা সহিংসতার সম্মুখীন হতে পারে। এর পাশাপাশি সীমানা নির্ধারণ ও নিজের যত্ন নেওয়ার ইতিবাচক অভ্যাস বজায় রাখাসহ আপনার নিজের জীবনের মানসিক চাপ সামাল দিতে স্বাস্থ্যকর আচরণ ও প্রতিক্রিয়ার উদাহরণ তৈরি করার কথা মনে রাখবেন।

কখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবেঃ
যেহেতু বিষণ্ণতা শুধু একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞ দ্বারাই নির্ণয় করা যেতে পারে, তাই আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাহায্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, যিনি আপনার সন্তানকে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠাতে পারেন। যদি মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে আপনার শিশু চিকিৎসার মাধ্যমে উপকৃত হবে, সেক্ষেত্রে সামনে যেসব বিকল্প থাকবে তার মধ্যে কথা বলার এক ধরনের থেরাপিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে– যেখানে তারা শিখবে কীভাবে তাদের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতিগুলো সামাল দিতে হয় অথবা হতে পারে কিছু থেরাপি ও ওষুধের সমন্বিত চিকিৎসা।

যদি আপনার সন্তানের নিজের ক্ষতি করার চিন্তা থাকে বা ইতোমধ্যে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে, তাহলে জরুরি সেবা বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাহায্য নিন। আপনি যদি চিন্তিত হয়ে পড়েন, তবে যোগাযোগ করতে দেরি করবেন না।

চিকিৎসার মাধ্যমে বিষণ্ণতা কাটিয়ে উঠা সম্ভব এবং যত দ্রুত আপনি একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলবেন, তত দ্রুত আপনার সন্তান ভালো বোধ করতে পারবে।

তথ্যসুত্র সমুহঃ ইউনিসেফ এর সাইট থেকে অনুবাদিত।

17/02/2023

♦অভিকের হার্টের অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে,সে কি করে?♦
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
*********************************
আলোচনায় যাবার আগে আমরা হার্ট কি? এর কাজই বা কি তা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করবো।
আমাদের প্রত্যকের দেহে চার প্রকোষ্টের হৃদযন্ত্র বা হার্ট আমাদের দেহের অত্যাবশ্যকীয় কেন্দ্রীয় অর্গান বা অঙ্গ। গুরুত্ব বিবেচনায় মস্তিষ্কের পরেই হৃৎপিন্ডের অবস্থান। হৃদযন্ত্র মানব দেহের জন্য অনেক জরুরি কাজ করে থাকে। হৃৎপিন্ড বা হার্ট যে কাজগুলো করে তা হলোঃ
১/দেহের প্রতিটি কোষে খাদ্যকণা (গ্লুকোজ, প্রোটিন ও ফ্যাট) পৌঁছে দেয়।
২/ফুসফুস থেকে বিশুদ্ধ অক্সিজেন কোষে কোষে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
৩/বিশুদ্ধকরণের জন্য কোষ থেকে দূষিত কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে পৌঁছে দেয়।
৪/দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
৫/শরীরের মেটাবলিজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৬/দেহের প্রতিটি প্রান্তে ওষুধ পৌঁছে দেয়।
৭/জীবনকে ছন্দময় করে।

দেহের প্রতিটি অংশে খাদ্য প্রদানকারী মহান বন্ধু হৃদযন্ত্র জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যায়। হার্ট নিজেই নিজেকে দুটি রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য খাদ্য উপাদান সরবরাহ করে থাকে। এ দুটি রক্তনালির কমপক্ষে একটি আংশিক বা পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেলেই সমস্যা হয়। এরই নাম ‘ইসকেমিক হার্ট ডিজিস’ বা হৃদযন্ত্রে অক্সিজেন স্বল্পতা।যে রোগে অভিক দীর্ঘ্য দিন ধরে ভুগছে।

অভিকের বুকে ব্যথাই অভিক এ রোগের আভাস পাই।
অভিক সে অবস্থায় বিশ্রাম বা জিহ্বার নিচে নাইট্রেট স্প্রে বা ট্যাবলেট দিলেই বুকের ব্যথা কমাবারর চেষ্টা করে। কিন্তু মাঝে মাঝে অভিকের হার্টেে সমস্যা এতো জটিল পর্যায়ে চলে যায় যে, বিশ্রাম কিম্বা নাইট্রেট জিহ্বার নিচে ব্যবহার করেও বুকের ব্যথা কমে না। আর এ সময় অভিকের হৃদযন্ত্রে অক্সিজেন স্বল্পতা ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করে।

কেন অভিকের হৃদযন্ত্রে অক্সিজেনস্বল্পতা হয়ঃ

হৃদযন্ত্রে অক্সিজেনের চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য হলেই হৃদযন্ত্রে অক্সিজেন স্বল্পতা রোগ হয়।

হৃদযন্ত্রের রক্তনালিতে রক্ত চলাচল বন্ধ বা বাধাপ্রাপ্ত হলে রক্তনালির সংকোচন বা ব্লক কমপক্ষে ৭০ শতাংশ হলেই হৃদযন্ত্রের মাংসপেশিতে রক্ত তথা অক্সিজেন সরবরাহ কমে গিয়ে সমস্যা দেখা দেয়।আর সেখানে অভিকে ১০০% ব্লক।

অক্সিজেন স্বল্পতার প্রাথমিক অবস্থা হচ্ছে ইসকেমিয়া বা অ্যানজাইনা। আর তীব্র বা প্রকট অবস্থা হচ্ছে ইনফারকশন বা হার্ট অ্যাটাক।
এখানে একটি কথা মনে রাখতে হবে, স্ট্রোক হার্টের কোনো রোগ নয়। স্ট্রোক মাথার অসুখ যখন মাথার রক্তনালি বন্ধ হয় বা ছিঁড়ে যায়। আর হার্ট অ্যাটাক হৃদযন্ত্রের রোগ। অনেক মানুষ স্ট্রোককে হার্ট অ্যাটাক ভেবে রোগীকে ভুল করে হৃদরোগ হাসপাতালে নিয়ে যায়। আবার হার্ট অ্যাটাককে স্ট্রোক ভেবে মাথার সিটি স্ক্যান করাতে চান। কতিপয় বিশেষ শ্রেণির মানুষের হৃদযন্ত্রে অক্সিজেন স্বল্পতা বেশি হয়।

অভিকের ক্ষেত্রে এ রোগের সম্ভাবনা বেশি থাকে কেনঃ

অভিক এই রোগ গুলোতে দীর্ঘ্য দিন ভুগছে।
১/উচ্চ রক্তচাপ।
২/রক্তে অতিরিক্ত চর্বি/কোলেস্টেরল।
৩/খাদ্যে শাকসবজি কম থাকা।
স্থূলতা
৪/অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা
৫/খাদ্যে অনিয়ম
৬/বেশি টিপটপ জীবনযাপন
এ ছাড়াও অন্যদের ক্ষেত্রে নিম্নের উপসর্গ গুলোও থাকতে পারেঃ
১/পুরুষ
২/বার্ধক্য
৩/কায়িক শ্রমহীনতা
৪/পারিবারিক ইতিহাস
৫/ডায়াবেটিস মেলাইটাস
৬/ধূমপান

হৃদযন্ত্রে রক্ত স্বল্পতার কারনে অভিকের বুকে ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, বুকে চাপ, বুক ভারি লাগা এসব লক্ষণ ছাড়াও হার্টের সেল নষ্ট, হার্টের পাম্পিং এর স্বল্পতা ইত্যাদি অভিকের হার্টের সমস্যাকে আরো জটিল করে তোলে।

ঠিক এ সময় অভিক চিকিৎসার জন্য র দ্রুত হাসপাতালে জরুরি বিভাগে যেতে হয়।
অভিকের বাসার সন্নিকটে সরকারী মুগধা মেডিক্যালেরর হৃদরোগ বিভাগের অধিনে মাঝে মাঝে চিকিৎসা সুবিধা গ্রহন করে।

জরুরী অবস্থা সামাল দেবার পরে এ রোগের জন্য অভিক প্রফেসর ডাঃ আতাহার আলী,কার্ডিওলজিস্ট ডঃ আসিফ জামান তুষার (এভার কেয়ার হাসপাতাল) এর পরামর্শ মতো ধারাবাহিক চিকিৎসা গ্রহণ করতেছে।

মাঝে মাঝে অভিক হাসপাতালে পৌঁছার আগে বাসায় বা কর্মস্থলে বা রাস্তায় এ সমস্যা হলে যা করেঃ

১/অভিকের চার পাশে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নিশ্চিত করা।
২/জিহ্বার নিচে নাইট্রেট স্প্রে দুই চাপ দিতে হবে বা একটি নাইট্রেট ট্যাবলেট ব্যাকহার করে।
৩/ তার পর অভিক দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছার ব্যবস্থা করে।

সত্যি বলতে কি,জানেন হৃদযন্ত্রে অক্সিজেন স্বল্পতা চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ অধিক সহজ ও নিরাপদ। হৃদযন্ত্রে অক্সিজেনস্বল্পতা খুব কঠিন নয়। এ জন্য করণীয়ঃ
১/আদর্শ জীবনযাপন করা।
২;প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করা।
৩/বেশি শাকসবজি খাওয়া।
৪/ধূমপান, গিলা, কলিজা, মাথা, জর্দা ও গরুর গোশত বর্জন করা।
৫/তেল, চর্বি, মিষ্টি কম খাওয়া।
৬/পরিমিত বিশ্রাম ও ঘুম।
৭/উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যা থাকলে চিকিৎসা গ্রহণ করা।
৮/উত্তেজনা প্রশমন করা।
৯/আলগা লবণ বর্জন করা।
১০/দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা।
যদিও লেখাগুলো লিখতে সহজ,কিন্তু অভিকের বাস্তব জীবনে এ সকল বিষয় সমুহ পালন করা অনেক কঠিন। অভিকের জন্য আরো কঠিন নিয়মিত ঔষধ সেবন করা কারন আর্থিক সমস্যাটা অভিকের জীবনে প্রকট। হয়তো এ কারনেই অভিক হারিয়ে যাবে আমাদের মাঝ থেকে
সব শেষে বলবো দয়া করে সকলে নিয়মিত জীবন যাপন করুন, নিজের জন্য,নিজের পরিবারের জন্য বাঁচুন।

লেখার ধরণঃ ছোট গল্প
পোস্টের তারিখঃ১৭/০২/২০২৩

বিঃদ্রঃ-আমি সামান্য একজন লেখালেখি চেষ্টা করার মানুষ। নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা অনেক সময় কারো কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে।
তবে ডাক্তারে পরামর্শ ছাড়া নিজের বা অন্য কারো বিষয়ে কোন সিন্ধান্ত নিবেন না।

21/12/2022

♦প্রতিদিন কেন খাবেন ডিম?♦
ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমাদের কম বেশি সবার জানা। প্রতিদিনকার নাস্তায় অনেকেই ডিম খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু প্রতিদিন ডিম খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? ডিমে কোলেস্টেরল থাকার কারণে অনেকেই বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিরা যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল সমস্যা আছে তারা মনে করেন প্রতিদিন ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়। একটি ডিমে ৮৫% ক্যালরি এবং ৭% গ্রাম প্রোটিন থাকে। যার মধ্যে কুসুমে ৯৫% ক্যালসিয়াম এবং আয়রন, সাদা অংশে বাকী ক্যালসিয়াম এবং আয়রন থাকে। আসুন, আজ জেনে নিই প্রতিদিন ডিম খেলে কী কী উপকারিতা পাচ্ছেন আপনি।

১। ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে

একটি ছোট ডিমে আছে ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই। যা দেহে শক্তি যোগায়, লোহিত রক্ত কণিকা উৎপন্ন করে, দৃষ্টিশক্তি ভাল রেখে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

২। হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে

দুই রকমের কোলেস্টেরল আছে ভাল কোলেস্টেরল (এইচডিএল), খারাপ কোলেস্টেরল( এলডিএল)। খারাপ কোলেস্টেরল ধমণী ব্লক করে হৃদ্ররোগ সৃষ্টি করে থাকে। আর ভাল কোলেস্টেরল ধমনী থেকে চর্বি অপসারণ করে হার্ট সুস্থ রাখে। ডিম বড় এলডিএলকে ছোট এলডিএলে রূপান্তরিত করে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধিতে ডিম বেশ ভাল কাজ করে। একটি বড় ডিমে শতকরা ২২ ভাগ সেলেনিয়াম আছে যা প্রতিদিনকার চাহিদা পূরণ করা থাকে। এর পুষ্টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাইরয়েড হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনের ডায়েটে একটি বা দুটি ডিম রাখুন আর ইনফেকশন, ভাইরাস থেকে দূরে থাকুন।

৪। ত্বক এবং চুলে পুষ্টি যোগায়

স্বাস্থ্যকর চুল, ত্বক, চোখ এবং লিভারের জন্য ভিটামিন বি কমপ্লেক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের নার্ভ সিস্টেমকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

৫। ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে

আপনি কি জানেন ডিম ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে? অনেকে ধারণা ডিমের ফ্যাট শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে দেয়। Rochester Center for Obesity Research গবেষণায় দেখেছেন প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি ডিম সারাদিনে ক্ষুধার পরিমাণ কমিয়ে দেয়, বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমায়। রোজ ডিম খেয়ে তিন পাউন্ড বা এর বেশি ওজন এক মাসে আপনি কমিয়ে ফেলতে পারেন।

৬। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে

Harvard University এর ২০০৩ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রতিদিন একটি ডিম তরুণীদের স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। আরেক সমীক্ষায় দেখা গেছে যেসব মহিলারা প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ৬টি ডিম খান তাদের শতকরা ৪৪ ভাগ ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় যারা দুই বা এরচেয়ে কম ডিম খেয়ে থাকেন।

৭। স্ট্রেস হ্রাস করতে

আপনার যদি অ্যামিনো ৯ অ্যাসিডের ঘাটতি থাকে তবে তা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের প্রভাব ফেলবে। ২০০৪ সালে এক জার্নালে দেখা গিয়েছে যে খাবারের সাথে স্ট্রেস, দুশ্চিন্তার সম্পর্ক আছে। কিছু খাবার আছে যা আপনার স্ট্রেস কমিয়ে দেয়। ডিম তাদের মধ্যে অন্যতম।

সহজলভ্য খাবার ডিম, তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একে রাখতে ভুলবেন না যেন।

সুত্রঃ- অন লাইন ঢাকা গাইড

25/05/2022

♦গরমকালে কোন বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে ডায়াবিটিস রোগীদের♦

গরমকালে সাধারণ মানুষের তুলনায় ডায়াবিটিস রোগীদের ঝুঁকি অনেক বেশি। এই সময়ে তাই স্বাস্থ্যের অতিরিক্ত যত্ন নিতে হবে ডায়াবিটিস রোগীদের।

গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে অস্বস্তি। কিন্তু সাধারণ মানুষের তুলনায় ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য এই সময়টি আরও বেশি কঠিন। বিশেষ করে গরমকালে শরীরচর্চার অভাব ও দৈনন্দিন জীবনের নিয়ম মেনে না চলা মধুমেহ রোগীদের জন্য মোটেও ভাল নয়। সঙ্গে যুক্ত হয় জলের ঘাটতি। ফলে ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য গরমকাল খুবই বিপজ্জনক হতে পারে। কোন কোন বিষয়ে এই সময়ে অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে ডায়াবিটিস রোগীদের।

১। পুষ্টি নিয়ন্ত্রণ: গরমে অনেক সময়েই খাওয়াদাওয়ায় অনীহা দেখা দেয়। কিন্তু ডায়াবিটিস রোগীদের শরীরে শক্তি সরবরাহকারী ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট। একবারে না খেতে ইচ্ছা করলে বারবার অল্প পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। এ সময়ে তেল-মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই বিচক্ষণতার কাজ। পাশাপাশি, বেশি খেতে হবে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার।

২। শারীরিক সক্রিয়তা: গরমকালে শরীরচর্চা করা সত্যিই অসুবিধাজনক। বিশেষ করে বাইরে হাঁটাহাঁটি করা অত্যন্ত শ্রমসাধ্য বিষয় হয়ে ওঠে এই সময়ে। তাই চেষ্টা করুন বাড়ির ভিতরেই শরীরচর্চা করার। ১৫ মিনিটের পরিমিত ব্যায়ামও শর্করার স্তরকে প্রভাবিত করতে পারে। সুতরাং যতই অলস লাগুক, অল্পবিস্তর শরীরচর্চা করতেই হবে।

৩। পর্যাপ্ত জল পান করা: সুস্থ্য মানুষের তুলনায় ডায়াবিটিস রোগীদের ‘ডিহাইড্রেশন’-এর ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। জলের ঘাটতি তৈরি হলে শর্করার ভারসাম্য যেমন বিগড়ে যায়, তেমনই বিগড়ে যায় বিভিন্ন খনিজ পদার্থের ভারসাম্যও। তাই প্রতিনিয়ত জল পান করা আবশ্যিক। তবে বেশি নরম পানীয় কিংবা চা-কফি পান করা উচিত নয়। এতে জলশূন্যতার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

15/04/2022

♦৫ অভ্যাস: হতে পারে উচ্চ রক্তচাপের কারণ♦

উচ্চ রক্তচাপ সংবহন তন্ত্রের সমস্যা ডেকে আনে। বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোক ও হৃদরোগের মতো কঠিন রোগের ঝুঁকি।
সাধারণত একজন সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে রক্তচাপের মান হয় ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ স্তম্ভের সমান। এই মান যখন ১৪০/৯০ থেকে বেশি বেড়ে যায় তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপ সংবহন তন্ত্রের সমস্যা ডেকে আনে। বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোক ও হৃদ্‌রোগের মতো কঠিন রোগের ঝুঁকি। দেখে নিন দৈনন্দিন কোন কোন অভ্যাস বাড়িয়ে দিতে পারে রক্তচাপ।

১। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া: লবণে থাকে সোডিয়াম। আর এই সোডিয়াম বাড়িয়ে দিতে পারে রক্তচাপ। শুধু খাবারে পরিমাণ মতো নুন খাওয়াই সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নয়। বাজারজাত নানা খাদ্যে অতিরিক্ত নুন থাকে যা বাড়িয়ে দিতে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা।

২। মানসিক চাপ: সাধারণত মানসিক চাপ সংক্রান্ত উচ্চ রক্তচাপ ক্ষণস্থায়ী হয়। অর্থাৎ মানসিক চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্তচাপ বাড়লেও উত্তেজনা প্রশমিত হলে রক্তচাপ আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। কিন্তু কোনও ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক চাপে ভুগলে ক্ষতি হতে পারে রক্তবাহের। পাশাপাশি মানসিক চাপে ভোগা মানুষ অনেক সময় নেশার দিকে ঝোঁকেন। এতেও ক্ষতি হয় সংবহনতন্ত্রের।

৩। অনিদ্রা: জার্নাল অব ক্লিনিকাল হাইপারটেনশনের একটি গবেষণা পত্র বলছে অনিদ্রায় সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৮ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি অনিদ্রা ও মানসিক চাপ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ফলে অনিদ্রা বাড়িয়ে দিতে পারে মানসিক চাপ, যা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

৪। মদ্যপান: অতিরিক্ত মদ্যপান রক্তবাহী শিরা ও ধমনীর ভিতরের গহ্বর অপ্রশস্ত করে। ফলে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা দেখা দেয়, যা রক্তচাপ বৃদ্ধি করে এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত মদ্যপান বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

৫। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস: বেশি তেল মশলা দেওয়া খাবার খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় শাক-সব্জি না খেলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হয়। রক্তে স্নেহ পদার্থের মাত্রা বেড়ে গেলে তা রক্তবাহের ভিতর জমা হতে থাকে। এতে রক্তচাপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

02/03/2022

♦Cildip 5 Tablet♦

সংক্ষিপ্ত বিবরণ
সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet হাইপারটেনশন এবং অন্যান্য অবস্থার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার হয়।সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet নিম্নলিখিত সক্রিয় উপাদান রয়েছে: Cilnidipine। tablet ফর্ম পাওয়া যায়।
সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet ব্যবহারসমূহ, কম্পোজিশন, ডোজ, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা এর সাথে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য নীচে তালিকাভুক্ত করা হলো:
ব্যবহার
চিকিৎসায় ব্যবহৃত সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet নিম্নলিখিত রোগের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করে:
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
নিম্নলিখিত সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet এর কম্পোজিশনের ফলে সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার একটি তালিকা। এটি একটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়। এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে কিন্তু সবসময় না। কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হতে পারে কিন্তু বিরল। নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন, বিশেষ করে যদি না যায়।.
রক্তের নিম্নচাপ
মাথা ব্যাথা
অনিদ্রা
মাথা ঘোরা
বুক ধড়ফড়
সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet এর অধি সংবেদনশীলতা একটি প্রতিলক্ষণ। এছাড়া, সিল্ডিপ 5 ট্যাবলেট / Cildip 5 Tablet যদি আপনার নিম্নলিখিত অবস্থা থাকে নেওয়া উচিত নয়:
অস্থায়ী কণ্ঠনালীপ্রদাহ
কার্ডিয়াক ইস্কিমিয়া
তীব্র মাওকার্দিয়াল ইনফার্কশন
হৃদরোগ থেকে বিদ্যমান

23/01/2022

#চির তরুন থাকার টিপস্ঃ
ডাঃ- দেবী শেঠী

১. খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের
মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি
খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।
২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি
খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক
কাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে
দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।
৩. সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি
খাবেন।
৪. পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা
জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার
বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে
উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস
করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও
সেরে যায়।
৫. অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা
গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি
চায়নিজ হারবাল মেডিসিন । সেকালে এই চা দিয়ে
হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের
নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার
আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে
রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে
নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ
রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে
চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।
৬. ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ এর
গুণাগুণ অসংখ্য। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার
মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে।
তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না।
প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে
সাহায্য করে। আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো,
কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে
বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
৭. ধূমপানসহ সকল ধরণের নেশা জাতীয় অভ্যাস
ত্যাগ করুণ। কারণ নেশা মানুষকে সকল দিক দিয়ে
ধ্বংস করে দেয়।
৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া
ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের
মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস
খাওয়া চলতে পারে।
৯. প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি,
তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি
খাওয়া উচিত।
ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি,
মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে,
তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।
১০. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন
কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।
১১. বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক
চামচ মধু খাবেন।
১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের
মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো।
কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া
ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।
১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ
ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে
হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ
থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।
১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস
করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে
সাহায্য করে ।

ডা. দেবী শেঠী

13/01/2022

♦CLOPID AS TABLET♦
Composition
ASPIRIN-75MG + CLOPIDOGREL-75MG
ক্লোপিডোগ্রেল একটি প্রোড্রাগ। এর একটিভ মেটাবোলাইট প্লাটিলেটে অবস্থিত P2Y12 শ্রেণির এডিপি রিসেপ্টরের সাথে স্থায়ী বন্ধন তৈরির মাধ্যমে প্লাটিলেটের সক্রিয় ও একত্রিত হওয়াকে বাঁধা প্রদান করে। একক মাত্রা সেবনের ২ ঘন্টা পরই প্লাটিলেটের মাত্রা ভিত্তিক একত্রিকরণের প্রশমন দেখা যেতে পারে। নিয়মমাফিক প্রতিনিয়ত ৭৫ মিঃগ্রাঃ হিসেবে সেবনে প্রথম দিনেই এডিপি ভিত্তিক প্লাটিলেটে একত্রিকরণ বন্ধ হয় যা ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে একটি স্থায়ী মাত্রায় পৌছায়।

এসপিরিন স্থায়ীভাবে প্লাটিলেট সাইক্লোঅক্সিজিনেজ ইনহিবিট করার মাধ্যমে প্লাটিলেট এর একত্রিত হওয়াকে বাঁধা প্রদান করে। যার ফলে থ্রম্বোক্সেন A2 উৎপাদন বন্ধ হয়, যা প্লাটিলেট একত্রিকরণ ও ভেসোকন্সট্রিকশন এর একটি শক্তিশালী নিয়ামক।
ব্যবহার
যে সকল রোগীদের লক্ষণসহ এথেরোফ্লেরোসিস রোগ (যেমন- ইসকেমিক স্ট্রোক, মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা তীব্র করোনারী সিনড্রম) রয়েছে, তাদের এথেরোফ্লেরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় নির্দেশিত।
খাওয়ার নিয়ম
ক্লোপিড-এএস খাওয়ার নিয়ম

প্রতিদিন ১ টি করে ট্যাবলেট।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ফুসকুঁড়ি, বমি, নিউরালজিয়া, প্যারেসথেসিয়া, চুলকানি।।
সতর্কতা
এই কম্বিনেশনটি রক্ত পাতের সম্ভাবনা বাড়ায়।
থ্রম্বোটিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপিউরাঃ এই কম্বিনেশনটি সেবনের ফলে কদাচিৎ থ্রম্বোটিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপিউরা পরিলক্ষিত হয়।
Reye's সিনড্রোমঃ যে সকল রোগীদের চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা,অথবা Flu আছে তাদের ক্ষেত্রে Reye's সিনড্রোম হতে পারে।
এই কম্বিনেশন বা অন্যান্য থিনোপিরিডিনের প্রতি অতিসংবেদনশীল রোগীদের মধ্যে তাকে র‌্যাশ, এনজিওএডেমা বা হেমাটোলজিক প্রতিক্রিয়াসহ অতিসংবেদনশীলতা পরিলক্ষিত হয়েছে।
গর্ভাবস্থাকালীন ব্যবহার
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে পর্যাপ্ত এবং ওয়েলকন্ট্রোলড স্টাডি নেই। এটি গর্ভাবস্থার শেষ ৩ মাসের সময় এড়ানো উচিত এবং স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে কেবল গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যপান করানো: অ্যাসপিরিন মায়ের দুধে নিঃসৃত হয়, তাই এটি দুধ খাওয়ানো রোগীদের সেবন করা উচিত নয়।
বৈপরীত্য
যাদের এসপিরিন এবং ক্লোপিডোগ্রেল এর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা আছে। পরিপাকতন্ত্রীয় রক্তক্ষরণের সাম্প্রতিক ইতিহাস থাকলে। সক্রিয় প্যাথলোজিকাল রক্তক্ষরণ যেমন পেপটিক আলসার অথবা ইন্ট্রাক্রেনিয়াল রক্তক্ষরণ। জল বসন্ত, ইনফ্লুয়েন্জা অথবা ফ্লু সিম্পটম রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে।

02/01/2022

Vitamin K is an essential, fat-soluble nutrient our body needs for functions like healthy blood clotting. It comes in two forms:

- Vitamin K1, (phylloquinone) found in leafy greens, vegetables, and some plant oils

- Vitamin K2, (menaquinone) found in dairy, fermented foods, and animal products

You can also get vitamin K supplements, but clinical trials show that the vitamin K we consume from food is more effective in our bodies.

Our bodies make some vitamin K in the colon, and most people get the rest of what they need from their diet.

18/12/2021

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ৫টি ঘরোয়া উপায়

বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপে ভোগা মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এর ফলে দেখা বিভিন্ন রকম শাররীক জটিলতা। আর যারা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাদেরকে নিয়মিত ওষুধ খেতে দেখা যায়। মুশকিল হয় যখন ওষুধ খেয়েও রক্তচাপ কমেনা। তখন অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। তাই, এমন কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ার আগেই যদি কিছু ঘরোয়া নিয়ম পালন করা খুব জরুরী। বেছে নেওয়া প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর জীবন পদ্ধতি। যা আপনাকে অনেক জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে সয়ায়তা করবে। চলুন এবার দেখে নেই কি কি ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

যেকোন উপায়েই হোক ধূমপান, মদ্যপান পরিহার করতে হবে। গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে যে, অ্যালকোহল প্রায় ১৬ শতাংশ পর্যন্ত রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। নিকোটিনও আমাদের রক্তনালীর মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই সময় থাকতে এগুলো আপনার অভ্যাস থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন।

প্রক্রিয়াজাত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। ময়দা, চিনি, সাদা ভাত, কেক, প্যাটিস, বার্গার, সাদা পাঁউরুটি জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করা উত্তম। হোল-হুইট গ্রেনের আটা পাঁউরুটি খান। রক্তচাপ কমাতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে দিনে ৫ গ্রামের বেশি লবন খাওয়া উচিত নয়। যাঁদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা তাঁদের বেশি লবন খাওয়া কোনভাবেই চলবে না। জাঙ্ক ফুডে অনেক লবন থাকে, তাই জাঙ্ক ফুড অবশ্যই পরিহার করা উচিত।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে খেলাধূলা অথবা শরীরচর্চার বিকল্প নেই। যাদের হাইপ্রেসার আছে তাদেরকে অবশ্যই প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। করতে পারেন জগিং। ফলে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পাবে ও হৃদপিণ্ড ভালো থাকবে। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং অসুখ-বিসুখের আশঙ্কা কমবে।

পটাশিয়াম জাতীয় খাবার বেশি পরিমানে খেতে হবে। যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাঁদের জন্য পটাশিয়াম অত্যন্ত জরুরি পুষ্টি। তাই কলা, টমেটো, রাঙা আলু, স্যামন মাছ, টুনা, বাদাম, দইয়ের মতো খাবার আপনার খাবার তালিকায় নিত্য সঙ্গী করে নিন।

আপনি যদি সুস্থ্য থাকতে চান তাহলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন। এতে ক্রমান্বয়ে উচ্চ রক্তচার নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম, পানি খাওয়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়া মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। তাহলে দেখবেন আপনার শরীরের অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট অবলম্বনে

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka
1217