Trendy shop
positive vibes only❤️
পৃথিবী তে যদি দুঃখ না থাকতো মানুষ আর সুখ খুঁজতো না, দুঃখ ই তো মানুষ সুখমুখী করে তোলে, শুভঃ সকাল, আলহামদুলিল্লাহ ❤️
18/05/2026
শুভঃ বিকেল
আনারসের মতো হও: মাথা উঁচু করে দাঁড়াও, মাথায় মুকুট পরো, আর ভেতরটা মিষ্টি রেখো 🤔 শুভঃ সকাল
আইয়াম এ জাহিলিয়া কে ও হার মানবে বাচ্চা মেয়ে রুবি খেলতে গিয়েছিল। মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, মাত্র ১৪ বছর। মেয়েটা খেলতে যাওয়ার সময় তাকে জোর করে পাশের বাসার একটা রুমে নিয়ে যায় একজন।
মেয়েটা ছোট বিধায় কোনপ্রকার বাঁধা দিতে পারেনি, আটকাতেও পারেনি। তারপর সেই রুমের মধ্যে আটকে
নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করা হয় মেয়েটাকে।
ধ*র্ষণের সময় তাকে কঠোরভাবে হুমকি এবং ভয়ভীতি দেখানো হয় যাতে কোনভাবেই এ ঘটনাটা প্রকাশ না করে। এসব কথা প্রকাশ হলে অনেক পরিবারের ক্ষতি হবে, তাকে মেরে ফেলবে এসব বলেও হুমকি দেয়।
টানা ধ*র্ষণের কারণে রুবি মেয়েটা কয়েক মাস পরই প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়ে। মেয়ের পেট ফুলে যেতে দেখে মা বুঝতে পারে মেয়েটার সাথে জঘন্য কিছু ঘটেছে।
মেয়েটার বড় ভাই মোর্শেদ তখন আগ বাড়িয়ে মেয়েটাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে অন্য রুমে নিয়ে যায় এবং মেয়েটার ভাই পরবর্তীতে পরিবারের সবাইকে জানায় পশ্চিম পাড়া মসজিদের হুজুর মোজাফফর তার বোনকে ধ*র্ষণ করেছে। মেয়েটা মাথা নেড়ে ভাইয়ের কথাতে সম্মতিও দেয়।
এরপর পরিবারের লোকজন এলাকাবাসীকে গিয়ে মসজিদের হুজুরকে ধরতে যায় এবং তাকে ধ*র্ষণের কথা স্বীকার করতে বলে। কিন্তু হুজুর করুণভাবে আকুতি মিনতি করে জানায় - এমন জঘন্য কাজ করেনি সে।
কিন্তু হুজুরের এ কথা কেউ আমলে নেয়নি।এলাকাবাসীরা হুজুরের কোন কথা না শুনে তাকে মারতে যায়।
হুজুর মোজাফফর তখন অসহায়ভাবে বলেছিল- আমি অসহায় মানুষ, পড়াশো চালানোর জন্যে ইমামতি করি। আমি এই কাজ করি নাই। কুরআন ছুঁয়েও বলতে পারব এসব করি নাই। আপনারা ডাক্তারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে তারপর বিচার করেন।
কিন্তু হুজুরের এ কথা তখন কেউ কোন আমলেই নেয়নি। বরং তাকে মারধর করার জন্যে পুরো গ্রামবাসী তৈরি হয়েই ছিল। সেই হৈ হুল্লোড়ের মধ্যে হুজুরও আর কিছু বলার সুযোগটুকু পায়নি।
তারপর বাচ্চা মেয়ে রুবির ভাই মোর্শেদের নেতৃত্বে হুজুরের বিরুদ্ধে ফেনী আদালতে মামলা করা হয়। পুলিশ কোনকিছু ক্রসচেক না করে সেদিনই মসজিদের হুজুর মোজাফফরকে জেলেনিয়ে যায়।
এভাবে হুজুর একমাস জেল খাটে। জেলে বসেও হুজুর বেশ কয়েকবার পুলিশদের বলেছিল- সে নির্দোষ। কিন্তু পুলিশ তার কোন কথা শুনেনি।
এর কিছুদিন পর মামলা যখন আদালতে উঠে তখন পুলিশ হুজুরের ডিএনএর সাথে মেয়ের ধ*র্ষণের সময়কার আলামতের ক্রসচেক করার জন্যে ডাক্তারদের কাছে পাঠায়।
ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করে দেখে ধ*র্ষণের আলামতের ডিএনএ-র সাথে হুজুরের ডিএনএ-র মিল নেই। ডাক্তাররা তখন রিপোর্ট পেশ করে জানায়- এ ধ*র্ষণ হুজুর করেনি।
এবারে পুলিশের টনক নড়ে। তারা হুজুরের কথা এবারে আমলে নেয়া শুরু করে। ততদিনে মেয়ের পেটের বাচ্চা বড় হয়ে ডেলিভারির সময়ও ঘনিয়ে আসে।
পুলিশ প্রকৃত অপরাধীকে ধরার জন্যে এলাকায় আবারও অভিযান চালায় এবং বাচ্চা মেয়ে রুবিসহ পুরো পরিবারের সবাইকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
পরিবারের সবাইকে জিজ্ঞেস করার পরও কোন ক্লু না পেয়ে মেইন ক্লু হিসেবে পুলিশ বাচ্চা মেয়ে রুবিকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রথমদিকে মেয়েটা কিছুই বলতে চাচ্ছিল না, ভয় পাচ্ছিল শুধু। যেহেতু মেয়েটার বয়স খুবই কম তার উপর কিছুদিন পরই বাচ্চা প্রসব করবে তাই ভয় পাওয়াটাও স্বাভাবিক ছিল।
পরে পুলিশের পুরো ইউনিট মেয়েটাকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়ে কথা বের করার চেষ্টা করে।
পরে মেয়েটা একপর্যায়ে স্বীকার করে- তার বড় ভাই মোর্শেদই তাকে ধ*র্ষণ করেছিল। তাকে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি এবং পরিবারের মানসম্মানের ভয়ভীতিও দেখিয়েছিল যাতে ভাই যেভাবে যেভাবে বলে সেটাই সে শুনে। তাছাড়া হুজুরকে ফাঁসানোর পরিকল্পনাটাও তার ভাইয়েরই ছিল।
মেয়েটার কাছ থেকে এ ক্লু পেয়ে পুলিশ রুবির ভাই মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। কিন্তু সে বারবার অস্বীকার করতে থাকে। পরে পুলিশ তার ডিএনএ সংগ্রহ করে ডাক্তারের কাছে পাঠায়।
ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায়- ধ*র্ষণের আলামতের ডিএনএ-র সাথে এ ডিএনএ-র ৯৯.৯% মিল আছে। মানে এটা মেয়েটার ভাইয়েরই ডিএনএ।
পুলিশ তখন বুঝতে পারে বাচ্চা মেয়েটার বড় ভাই ই তাকে নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করে প্রেগন্যান্ট করেছে। ততদিনে মেয়েটার পেটের বাচ্চাটাও প্রসব হয়। একটা মেয়েশিশু হয় রুবির।
অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্যে মামলা চলাকালীন সময়েই আদালতের নির্দেশে- জন্ম নেয়া ছোট্ট শিশুটার সাথে মোর্শেদের ডিএনএ ক্রসচেক করে পুলিশ। এবং মিলও পায়।
মানে বাচ্চা মেয়ে রুবির পেটে জন্ম নেয়া শিশুটার বাবা তার নিজেরই বড় ভাই।
পুলিশ তখন মোর্শেদকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে আনে। এবারে প্রমাণ থাকায় সে আর অস্বীকার করতে পারে না। সে সব ঘটনার স্বীকার করে স্বীকারোক্তি দেয়।
সে পুলিশকে জানায়- ছোট বোনকে ধ*র্ষণ করার পর কাকে ফাঁসানো যায় সেটা খুঁজতেছিল সে। পরে পশ্চিম পাড়ার মসজিদের হুজুর মোজাফফরের কথা মাথায় আসে তার। কারণ হুজুর সহজ সরল ছিল। তাকে ফাঁসানোটা সহজ হতো।
হুজুরকে ফাঁসিয়ে কয়েক লাখ টাকা আদায় করে মামলা তু্লে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এমনকি বোনের পেটে জন্ম নেয়া শিশু বাচ্চাটাকেও অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।
পরে আদালত মেয়েটার ভাই মোর্শেদকে জেলে ভরার নির্দেশ দেয় এবং মসজিদের হুজুর মোজাফফরকে ৩১ আগস্ট ২০২৫ সসম্মানে মুক্তি দেয়।
ঘটনাটা ২০২৫ সালের ফেনীর পরশুরাম উপজেলার টেটেশ্বর গ্রামের।
ধ*র্ষণ একটা মারাত্মক জঘন্য অপরাধ। কিন্তু এটাকেই অনেকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। কারো সাথে পারিবারিক শত্রুতা থাকলে তার বিরুদ্ধে ধ*র্ষণ মামলা করে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে।
এতে করে আসল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। আর ভিক্টিম মেয়েগুলো বাচ্চা হওয়ায় তারাও কোনকিছু বলতে পারে না।
তাছাড়া বাংলাদেশের আইনে ধ*র্ষণের অভিযোগ পেলেই যে কাউকে পুলিশ জেলে ভরে দেয়। তার পক্ষের কথা শোনার প্রয়োজনবোধও করে না।
ডিএনএ টেস্ট এবং মামলা চলাকালীন সময় পর্যন্ত ততদিন তাকে জেল খাটতে হয়। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় কিছু কলুষিত মানুষেরা।
মোজাফফর নামের যে হুজুরকে ধ*র্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল সে খুবই সহজ সরল একজন মানুষ। বয়সও খুব বেশি না। নিজের পড়াশোনার খরচ নিজে চালানোর জন্যে মসজিদে ইমামতির করতো এবং মক্তবে পড়াতো।
এই মিথ্যা মামলায় কারণে তার পড়াশোনা তো নষ্ট হয়েছেই পাশাপাশি সামাজিক ,আর্থিক এবং মানসিকভাবে প্রচন্ড ভেঙে পড়েছে সে।
সেদিন এই হুজুরও আকুতি মিনতি করে বারবার বলেছিল- আমি ধ*র্ষণটা করি নাই। যদি করি টেস্ট করার পর যা খুশি শাস্তি দিয়েন।
কিন্তু কেউ তার কথা শুনেনি। কারণ সে তো মাত্র পাঁচ হাজার বেতনের চাকরি করা হুজুর। তার কথা শুনে কি আর হবে!
মোজাফফর হুজুর হয়তো মিথ্যা মামলা থেকে পার পেতে পেরেছে। কিন্তু তার মতো এমন বহু অসহায় মানুষ আছে যারা এখনো মিথ্যা মামলার বোঁঝা ঘাড়ে নিয়ে বছরের পর বছর জেলে খেটে যাচ্ছে
শুভঃ সকাল
কি সুন্দর আম ধরেছে আমাদের নিজস্ব মাদ্রাসার জায়গায়, আলহামদুলিল্লাহ 🤲🤲
সবাই সবার গরু/খাসি ফ্রেন্ড কে ট্যাগ দাও, সামনে কে কে কুরবান হবে গো 🤔
12/05/2026
আকাশ এতো মেঘলা, যেও না কো একলা
এই শহর এ ভালোবাসা বিক্রি হয় 🥲
11/05/2026
শুভঃ সকাল সবাই কে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1207
