Natural wart remover
ত্বকের যাবতীয় সমস্যার সমাধানের ঔষধ প?
11/01/2021
রোগী ও ডাক্তার ভাইদের জন্য সু-খবর!
(আঁচিলের চিকিৎসা ও ঔষধ পাইকারি বিক্রয় চলছে)
_____এক ডোজেই আঁচিল বিদায়_____
আঁচিলের সেরা ঔষধ *ওর্য়াটনীল*
মাত্র ১ দিনের চিকিৎসায় ১ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৩ দিনের ভেতরে ছোট বড় শক্ত আঁচিল ও জন্মগত জট নির্মূল হয়।
(রোগী দেখাতে কোন ফি লাগবে না)
(যারা আঁচিল নির্মূলের জন্য বারবার বিভিন্ন ঔষধ সেবনে/প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েছেন ঔষধটি তাদের জন্য)
> ঔষধের ধরন: বাহ্যিক ব্যবহারের ক্রীম জাতীয় ক্লিনিক্যাল আইটেম মেডিসিন।
(ডাক্তার ভাইদের জন্য মূল্য ছাড়ে ঔষধ বিক্রয় চলছে
পাইকারী নিতে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করুন ০১৯৯৯৯৯০২০১)
খুচরা বাজার প্রতি পিছ ৪৫০ টাকা।
(এক পিছ ওর্য়াটনীল সঙে পাবেন এক প্যাক কটনবাড এবং তিন পিছ ওর্য়াটনীল সঙে পাবেন কটনবাডসহ চিকিৎসা সেবা প্রচারের প্রয়োজনে চেম্বারে ঝুলানোর জন্য চিকিৎসা বর্ণনাসহ আঁচিলের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার)
> ব্যবহারবিধি: কটনবাড দিয়ে আঁচিলের উপর ভালো বাহ্যিক প্রয়োগ করার পর আঁচিলের পার্থক্যভেদে আধা/এক/দুই ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলতে হবে। দিনে তিন বার লাগাতে হবে, আঁচিলটি শুকিয়ে ৩ দিনের ভেতরে পরে যাবে ইনশাআল্লাহ।
> সাড়াদেশে কুরিয়ারে কন্ডিশনের মাধ্যমে ডেলিভারি চলছে।
কুরিয়ার চার্জ ঢাকার মধ্যে ৫০ টাকা,
ঢাকার বাইরে 100 টাকা।
অর্ডার কনফার্ম করতে আপনার নাম, মোবাইল নম্বর, আপনার এলাকার কুরিয়ারের নামসহ ঠিকানা ও মেডিসিনের পরিমাণ লিখে ম্যাসেজ দিন এবং কুরিয়ার খরচের ৫০/১০০টাকা অগ্রিম বিকাশ করুন।
(সবসময় ম্যাসেন্জারে নাও পেতে পারেন তাই কল করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে)
অর্ডার ও বিস্তারিত জানতে কল করুন
01999990201(বিকাশ)
11/01/2021
আঁচিল কী ?
স্কিনের উপর ছোট খাটো উচু (টিউমারের মত) রোগ কে আমরা সাধারণতঃ আঁচিল বলে থাকি ।
বিভিন্ন প্রকার আঁচিল হতে পারে
১/ Warts-----ভাইরাস জনিত বয়স্ক দের আঁচিল
২/ Molluscum Contagiosum----ভাইরাস জনিত শিশু দের আঁচিল
৩/Skin tags--- বংশ জনিত বয়স্ক দের নরম আঁচিল
৪/ Seborrhoeic keratoses--- বংশ জনিত বয়স্ক দের শক্ত আঁচিল
৫/ Sebaceous hyperplasia ---তৈল গ্রন্থির টিউমার
৬/ Milia--- ঘর্ম গ্রন্থির টিউমার
৭/ Dermatosis papulosis nigra------- বংশ জনিত বয়স্ক দের কালো আঁচিল/তিল
৮/ Syringoma------- বংশ জনিত বয়স্ক দের চোখের চারপাশে হলদে আঁচিল/তিল
Verruca Vulgaris:-
আঁচিল ( Wart) একটি ভাইরাল ইনফেকশন। এ ধরনের ইনফেকশনে মৃত্যু ঝুঁকি তো নেই; তবে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়। সঠিক উপায়ে আঁচিলের চিকিৎসা করা না হলে এগুলো ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দেয়।
শরীরের যেকোনো স্থানে, বিশেষ করে হাত ও পায়ের পাতায়, আঁচিল হয়ে থাকে। আঁচিল দেখতে ফুলকপি, শক্ত ফোস্কা বা খসখসে চামড়ার ন্যায় হয়ে থাকে। ভাইরাল ইনফেকশন, বিশেষ করে, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (human papillomavirus) বা সংক্ষেপে এইচ-পি-ভি (HPV) দ্বারা সংক্রমিত হলে ত্বকে আঁচিল হতে পারে। আঁচিলের চিকিৎসা করা না হলে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে আঁচিল ছোঁয়াচে হয়ে থাকে এবং কাঁটা-ছেঁড়া থাকলে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। আঁচিলের চিকিৎসা করানো না হলেও সাধারণত কয়েক মাসের মধ্যে আপনা আপনি ভালো হয়ে যায়। তবে একবার ভালো হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় হতে পারে এবং কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। আঁচিল কন্ডিলোমা (Condyloma) নামেও পরিচিত।
আঁচিল হওয়ার কারণ কী ?
নিম্নলিখিত কারণে এ লক্ষণ দেখা দিতে পারে-
ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
মানুষের শরীর থেকেই আঁচিল ছড়িয়ে পড়ে। আঁচিল আছে এমন মানুষের সংস্পর্শে আসলে আঁচিল হতে পারে।
আঁচিল আছে এমন মানুষের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করলে। যেমনঃ তোয়ালে।
আঁচিল আছে এমন মানুষের নখের আঁচড়ে আঁচিল হতে পারে।
মেকআপ বা শক্তিশালী ক্যামিকেলের জিনিসপত্র ব্যবহার করলে আঁচিল হতে পারে।
এছাড়াও ত্বকের পলিপ, ত্বকের ক্যান্সার, স্কিন ডিজঅর্ডার, ব্রণ, কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, সেবোরিক কেরাটোসিস এবং মোলাস্কাম কন্ট্যাজিওসামের কারণে আঁচিল হতে পারে।
কোন কোন ব্যাপারগুলো আঁচিল হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি করে ?
যেকোনো বয়সে আঁচিল হতে পারে। তবে শিশু ও তরুণদের ক্ষেত্রে আঁচিল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আঁচিলের চিকিৎসা করানো না হলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আঁচিল হতে পারে।
এইডস ও অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কারণে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লে আঁচিল হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
আঁচিল কি ছোঁয়াচে হতে পারে?
আঁচিল ছোঁয়াচে হতে পারে। ত্বকের সংস্পর্শে, এমনকি একই তোয়ালে বা তৈজসপত্র ব্যবহারে আঁচিল হতে পারে।
যৌনাঙ্গে আঁচিল হলে কী হয়?
যৌনাঙ্গে আঁচিল হলে অনিরাপদ যৌনমিলনের সময় তা খুব সহজে একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়াতে পারে। মহিলাদের যোনীপথে আঁচিল হতে পারে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি টের পাওয়া যায় না। ফলে আঁচিলের চিকিৎসা না করা হলে যৌনমিলনের সময় তা অজান্তেই অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
ত্বকে আঁচিল হলে কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে?
দুই বা একমাসের মধ্যে আঁচিল ভাল না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কেননা, ত্বকে একটি আঁচিল থেকে আরেকটি আঁচিল হতে পারে। এ অবস্থায় ঔষধের সাহয্যে আঁচিলের চিকিৎসা করা হয় বা অপারেশনের মাধ্যমে আঁচিল অপসারণ করা হয়।
আঁচিল হলে করণীয় কী ?
আঁচিল প্রতিরোধে করণীয়-
ত্বকে আঁচিল দেখা দিলে তা হাত দিয়ে স্পর্শ করা উচিৎ নয় ও একই সাথে ঐ স্থানে যাতে কোনো রকম আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করা উচিৎ নয়।
নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচানো যাবে না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
হাত সবসময় পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখতে হবে।
চিকিৎসা---
১/ এগুলো ক্ষতিকারক রোগ নয়, ফলে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রয়োজন পড়ে না
২/ লেজার (Laser)
৩/ ইলেক্ট্রো সার্জারী (Electro surgery)
৪/ ক্রায়ো সার্জারী (Cryosurgery)
(Collected) (দয়াকরে লিখাটি শেয়ার করে দেন)🤝👌
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Uttara
Dhaka
1230
