Mizanur Rahman
গ্রামীণ জনপদের রাস্তা
সত্যিই অসাধারণ 💕💕
14/10/2022
টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,
__জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে?
"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"
__হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে
আছে।
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, "আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন,
__মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,
এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,
–লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাসমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাসের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ
দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ
করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।
এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত কাঁদছে।
যে মজা দিয়ে ক্লাসটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর
নেই। ক্লাসের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন।
লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।
কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে
আর পারছেনা। টিচার বললেন
–মা গো, এইটা একটা খেলা।
সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে
বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা
গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে
ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা
বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই
রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে
বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে
দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু
সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে
বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন
আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু
ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।
(collected)
মানুষ মানুষের জন্য।
25/08/2022
এক মাদ্রাসার ছাত্র তার হুজুরকে প্রশ্ন করল, "হুজুর,
হাশরের দিন বান্দার হিসাব-নিকাশ কেমন হবে?"
ছাত্রের কথা শুনে হুজুর কিছুক্ষণ বসে থাকলেন। তারপর নিজের পকেট থেকে কিছু টাকা বের করলেন সেই টাকা ছাত্রদের মধ্যে নিম্নরুপে বন্টন করে দিলেন -
১ম জনকে দিলেন - ১০০ টাকা
২য় জনকে দিলেন - ৭৫ টাকা
৩য় জনকে দিলেন - ৫০ টাকা
৪র্থ জনকে দিলেন - ২৫ টাকা
৫ম জনকে দিলেন - ১০ টাকা
৬ষ্ট জনকে দিলেন - ৫ টাকা
এবং প্রশ্নকারী ছাত্রকে দিলেন মাত্র ১ টাকা। প্রশ্নকারী
ছাত্র মাত্র এক টাকা পাওয়ায় তার মন খারাপ হয়ে গেল।
হুজুরের এমন অসম বন্টনে সে ভীষণ কষ্ট পেল।
সে মনে মনে ভাবল, হুজুর তাকে সবার সামনে এভাবে অপমান করলেন কেন?
এদিকে হুজুর টাকা বন্টন শেষে সেই ছাত্রের মন খারাপের বিষয়টা টের পেলেন। তিনি সব ছাত্রদের মাঝে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, আজ তোমাদের ছুটি!
তোমাদের যেই টাকা দেওয়া হল সেটা পুরোপুরি খরচ করবে এবং আগামি সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মাদরাসার রান্নাঘরে সকাল ১০ ঘটিকায় তোমরা উপস্থিত হয়ে হিসাব দেবে।
সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাত্ররা সবাই উপস্থিত হল। হুজুর আগ থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন হুজুর সবাইকে উপস্থিত দেখে খুশী হলেন।
সবাই আসার পর হুজুর বললেন, তোমরা ১জন করে এই তাওয়াইতে দাড়িয়ে আমার দেওয়া টাকা কোথায় কোথায় খরচ করেছ, তার হিসাব দিবে।
প্রথমে এগিয়ে এল সে ছাত্র, যাকে ১০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। সে তাওয়াই-এ দাড়ানোর পর হুজুর তাকে প্রশ্ন করলেন আমার দেওয়া টাকা তুমি কিভাবে খরচ করেছ তার হিসাব দাও।
এমনিতেই আগুনে উতপ্ত তাওয়া তার উপর খালি পা। ছাত্র এক পা নামায়, আরেক পা তুলে। এভাবে অনেক কষ্টে তাওয়াই দাড়িয়ে হিসাব দিতে লাগল।
১০ টাকায় এটা কিনেছি,২০ টাকায় এটা কিনেছি, এভাবে অনেক কষ্ট সহ্য করে হিসাব দিল সে।
তারপর এলো যাকে ৭৫ টাকা
দিয়েছিলেন, তার হিসাব দেওয়ার পালা। এভাবে ধারাবাহিকভাবে সবাই নিজেদের টাকা খরচের হিসাব উত্তপ্ত তাওয়াইতে দাড়িয়ে দিয়ে গেল।
সবার শেষে সে ছাত্র এলো যাকে ১ টাকা দিয়েছিল।
সে হাসিমুখে দৌড়ে এসে তাওয়াই-এ দাড়িয়ে তার ১ টাকার হিসাব দিয়ে হুজুরের সামনে দাড়ালো, বাকিরা তখন পুড়া পায়ে পানি ঢালছে, তখন সে দাড়িয়ে হাসছে।
তখন হুজুর বললেন, এই হলো হাশরের মাঠের হিসাবের একটি নমুনা। যার ক্ষমতা ও সম্পদ যত কম তার হিসাব তত সহজ।
হে আল্লাহ্ আপনি আমাদের হিসাবকে সহজ করে দিন........আমিন।
সংগৃহিত
14/08/2022
ট্রাফিক আইন মেনেই নতুন যানবাহন চলছে 🤣🤣🤣
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
