Mixed Dry Fruits bd
ড্রাই ফ্রুটস সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয
26/05/2024
🔥ত্বীন এবং জয়তুন ফলের স্পেশাল ২টি প্যাকেজ নিয়ে এসেছে Maxfit food
✳️একটি প্যাকেজে থাকবে ৫০০ গ্রাম প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ত্বীন ফল এবং ৩৪০ গ্রাম জয়তুন ফল। 🔥অফার মূল্য ১০৮০ টাকা।
✳️দ্বিতীয় প্যাকেজে থাকবে ১ কেজি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির
ত্বীন ফল ৩৪০ গ্রামের দুইটি জয়তুন।
🔥অফার মূল্য ২১০০ টাকা।
✨অগ্রিম কোন প্রকার পেমেন্ট ছাড়াই সম্পূর্ণ ক্যাশ অন ডেলিভারিতে সারা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করতে পারবেন।
☑️অর্ডার করতে মেসেজ করুন অথবা কল করুন 01327421016
11/01/2024
10/11/2023
বন্ধুকে শুধু বলছিলাম Maxfit food থেকে মধুময় বাদাম অর্ডার করছি একটু চেক কর কেমন টেস্ট...
লে বন্ধু 😡😄
আসসালামুয়ালাইকুম
25/06/2022
Psyllium husk ইসপগুলের ভুষি হতে পারে আপনার হাজারো জটিল সমস্যার সমাধান।
ইসবগুল একটি একবর্ষজীবি উদ্ভিদ। লম্বায় ১২-১৮ ইঞ্চি হয়। বীজ বপনের ২ মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে ও ১১০-১৩০ দিনের মধ্যে ফসল তোলার উপযোগী হয়। ভারত, পাকিস্তান, ইরান, এ্যারাবিয়ান পেনিনসূলার দেশগুলিতে এর চাষ হয়।এর পরিপক্ক বীজের সবচেয়ে বাইরের ত্বক (এপিডার্মিস) ও এর সংলগ্ন নিচের লেয়ার দুটি একসাথে আলাদা হয়ে আসে যা আমরা ইসপগুল হাস্ক বা ইসপগুলের ভুষি বলে থাকি।
ইসবগুলের উপকারিতা
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: ইসবগুলের দ্রবণীয় ফাইবারের পানি শোষণের প্রকৃতির জন্যই মল নরম হতে সাহায্য করে। ইসবগুলের ভুষির অদ্রবণীয় ফাইবার মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ২ চামচ ইসবগুল ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার আগে।
ডায়রিয়া সারায়: এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ইসবগুল একই সাথে পরিপাকের দুটি ভিন্ন ধরণের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। ইসবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার অন্ত্রের পানি শোষণ করে ফুলে উঠে এবং তরল মলকে আবদ্ধ করে শক্ত করে ফেলে। ২ চামচ ইসবগুল ৩ চামচ দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার পর খান দিনে দুইবার করে। দইয়ের প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।
ওজন কমায়: ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাঁধা হচ্ছে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। ইসবগুল পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। অন্ত্র পরিস্কারেও সাহায্য করে ইসবগুল। ওজন হ্রাসের সময় চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়ায় শরীরে অনেক বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়। হঠাৎ করে কাঁচা খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে তা পাকস্থলীর জন্য বেশ ভারী হয়ে যায় তাই কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা তৈরি করে। সুস্থতার জন্য এই বর্জ্য পদার্থগুলো শরীর থেকে বাহির হয়ে যাওয়া প্রয়োজন। ইসবগুল পাকস্থলী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়ার মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালে অথবা খাওয়ার পূর্বে কুসুম গরম পানিতে ইসবগুল ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে পেট ভরার অনুভূতি হয় এবং অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।
কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে : ইসবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের কোলেস্টেরল কমতে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রে ফ্যাট ও অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের সাথে জেল গঠন করে বর্জ্যের সাথে বের হয়ে যায়। অন্ত্রের দেয়াল যাতে ফ্যাট শোষণ করতে না পারে তাতে সাহায্য করে ইসুবগুল।এছাড়াও ডায়াবেটিস, পাইলস ও ফিশারের রোগীদের জন্য উপকারী ইসবগুল। এসিডিটির সমস্যা সমাধানে এবং হজমক্রিয়ার উন্নতিতেও সাহায্য করে ইসবগুল।
অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে: বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি ঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে : ইসবগুল যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য খুবই ভালো। এটি পাকস্থলীতে যখন জেলির মত একটি পদার্থে রূপ নেয় তখন তা গ্লুকোজের ভাঙ্গন ও শোষণের গতিকে ধীর করে। যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। খাবার পর নিয়মিত ভাবে দুধ বা পানির সাথে ইসবগুল মিশিয়ে পান করুন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে।তবে দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন না এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।
পাইলস প্রতিরোধে: প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুল যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।
ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার সঠিক নিয়ম
১।ডায়রিয়া প্রতিরোধে ইসবগুল দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে খুব কম সময়ের মাঝে ডায়রিয়া ভালো করতে পারে।
২। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে ইসবগুলের ভুষি হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।
৩। ওজন কমানোর উদ্দেশ্যকে সফল করতে ইসবগুলের ভুষি হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার। এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়। । কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুলের ভুষি ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে ভাত খাবার ঠিক আগে খেতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলেও তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
৪। প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুলের ভুষি যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।
দারুন এই পুষ্টিগুণ উপকারিতা উপভোগ করতে এখনি অর্ডার করুন।
Psyllium husk- ইসবগুলের ভুষি 1 কেজি 1180 টাকা। 500 গ্রাম 590 টাকা।
🚚ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে হোম ডেলিভারি 50 টাকা। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বাহিরে হোম ডেলিভারি 100 টাকা
📥আপনার বিস্তারিত ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার পাঠিয়ে অর্ডার কনফার্ম করেন।
☎️01791580400
15/06/2022
কালো কিসমিসের ৮ টি গোপন রহস্য যা আমাদের সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলে।
সাধারণত কালো আঙুর শুকিয়ে এই কিসমিস তৈরি করা হয়। কালো কিসমিস ফাইবার, ভিটামিন সি, আয়রন, পটাশিয়াম, পলিফেনল এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। এটি কোলেস্টেরল, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি চুল পড়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে কালো কিসমিস খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুণ উপকারি।
কেক, ক্ষীর এবং বরফির মতো বিভিন্ন মিষ্টির স্বাদ বাড়াতে এই কিসমিস ব্যবহার করা যেতে পারে। তাহলে জেনে নিন, কালো কিসমিসের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।
১) অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে
কালো কিসমিস ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করে। তাছাড়া ক্যালসিয়ামের অভাবে, অস্টিওপোরোসিসের মতো গুরুতর হাড়ের ব্যাধিও দেখা দিতে পারে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, কালো কিসমিসে উপস্থিত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সহায়ক।
২) চুলের ক্ষেত্রে উপকারি
চুল ফাটা এবং রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে নিয়মিত কালো কিসমিস খাওয়া শুরু করুন। কালো কিসমিস ভিটামিন সি এবং আয়রনের পাওয়ার হাউস। এটি চুলে পুষ্টি যোগায়, চুল ভালো রাখে। তাছাড়া এটি মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, চুলের ফলিকলগুলিকেও উদ্দীপিত করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে। এর উচ্চ ভিটামিন সি উপাদান চুলে পুষ্টি জোগায়, এইভাবে চুলের অকাল পক্কতা হওয়া রোধ করে।
৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
কালো কিসমিস পটাশিয়াম সমৃদ্ধ, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। কিসমিসে থাকা উচ্চ পটাসিয়াম শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে, নিয়মিত কালো কিসমিস খাওয়া শুরু করুন।
৪) খারাপ কোলেস্টেরলের বিরুদ্ধে লড়াই করে
কালো কিসমিসে কোলেস্টেরল থাকে না। বরং, এটি আমাদের শরীরে পাওয়া লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (LDL) বা তথাকথিত 'খারাপ' কোলেস্টেরলের বিরূপ প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।
গবেষণা অনুযায়ী, কালো কিসমিসে প্রচুর দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা মূলত একটি অ্যান্টি-কোলেস্টেরল যৌগ। কালো কিসমিসে উপস্থিত পলিফেনলস, বিভিন্ন কোলেস্টেরল-শোষক এনজাইমকে নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।
৫) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
আপনি কী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন? তাহলে নিয়মিত কালো কিসমিস খাওয়া শুরু করুন। কালো কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার উপস্থিত, যা মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং মসৃণভাবে চলাচল করতেও সহায়তা করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।
৬) রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করে
কালো কিসমিস আয়রন সমৃদ্ধ। তাই যাদের রক্তাল্পতার সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত এক মুঠো কালো কিসমিস খেলে উপকার পেতে পারেন।
৭) ব্লাড পিউরিফায়ার হিসেবে কাজ করে
রক্তে অমেধ্য বা অপরিষ্কার রক্তের ফলে শুষ্ক ত্বক এবং ব্রণ-পিম্পলের সমস্যা দেখা দেয়। প্রতিদিন কালো কিসমিস খেলে রক্ত থেকে টক্সিন, বর্জ্য পদার্থ এবং অন্যান্য ময়লা দূর হয়। এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরকে সম্পূর্ণরূপে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে।
৮) দাঁতের ক্ষেত্রে ভালো
কালো কিসমিস দাঁতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। কালো কিসমিসে উপস্থিত ফাইটোকেমিক্যালস, দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করার পাশাপাশি মুখে উপস্থিত জীবাণু ও ক্যাভিটির বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সহায়তা করে। তাছাড়া কালো কিসমিসে বেশ কয়েকটি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতেও বাধা দেয়, যার ফলে দাঁতের ক্ষয় হয়।
কালো কিসমিসের উপকারিতা উপভোগ করতে এখনি অর্ডার করুন।
Black Raisin 1KG 680tk 500g 340tk
🚚ঢাকার ভিতরে হোম ডেলিভারি 50 টাকা ঢাকার বাহিরে হোম ডেলিভারি 100 টাকা।
📥অর্ডার করতে চাইলে আপনার বিস্তারিত ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার পাঠিয়ে অর্ডার কনফার্ম করেন।
☎️01791580400
আমাদের প্রোডাক্ট এর কোয়ালিটি সম্পর্কে জানতে চাইলে Maxfit Food Group অফিসিয়াল গ্রুপ ভিজিট করে আসুন।
24/05/2022
চেরি 🍒 ফলের ৮ টি গোপন রহস্য যা আমাদের সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলে।
চেরি 🍒 ফল থাইল্যান্ডের একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু ফল। এই ফল মূলত সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য চাষ করা হয়। তবে পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এটাকে বর্তমানে বানিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়ে থাকে।
তাহলে জেনে নেয়া যাক চেরি ফলের উপকারিতা:
চেরি ফল খাওয়ার উপকারিতাঃ
১. চেরি ফলে ভিটামিন-সি রয়েছে। দেহের কোন অংশে কেটে গেলে সেটার ক্ষত পূরণে অসাধারন ভুমিকা পালন করে থাকে।
২. পটাসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে থাকে। চেরি ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাসিয়াম যার পরিমান প্রায় ১৭৫ মিলিগ্রাম। যাদের রক্ত চাপ রয়েছে তারা নিয়মিত চেরি ফল খাওয়ার উপকারিতা পাবেন।
৩. চেরি ফল ডায়াবেটিস রোধ করে থাকে।
৪. চেরি ফল দেহে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে থাকে। হার্টের রোগ রয়েছে যাদের তাদের জন্য চেরি ফলের উপকারিতা অনেক।
৫. চেরি ফল উচ্চ ফাইবার যুক্ত ফল, ফলে যাদের কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রয়েছে তাদের এই ফলের উপকারিতা অনেক।
৬. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে চেরি ফল। নিয়মিত চেরি ফলে খাওয়ার কারণে দেহে যে মরা সেল বা কোষ থাকে সেটা শক্তিতে পরিণত করে থাকে।
৭. চেরি ফলের অন্যতম উপকারিতার দিক হলো বলিরেখা প্রতিরোধ করে থাকে। কোষের ক্ষয় রোধ করে থাকে। মেয়েরা নিয়মিত চেরি ফল খাওয়ার কারনে নিজের ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে, নিজেকে বুড়িয়ে হতে দেয় না সহজে।
৮. ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ চর্বি। চর্বি জমা হলে ওজন বাড়তে থাকে। নিয়মিত চেরি ফল খেলে পেটে চর্বি জমে না।
চেরি 🍒 ফল এর দারুন উপকারী তা উপভোগ করতে এখনি অর্ডার করুন।
Red Cherry 1kg 1199tk 500g 600tk
🚚ঢাকার ভিতরে হোম ডেলিভারি 50 টাকা ঢাকার বাহিরে হোম ডেলিভারি 100 টাকা।
📥অর্ডার করতে চাইলে আপনার বিস্তারিত ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার পাঠিয়ে অর্ডার কনফার্ম করেন।
☎️01791580400
আমাদের প্রোডাক্ট এর কোয়ালিটি সম্পর্কে জানতে চাইলে Maxfit Food Group অফিসিয়াল গ্রুপ ভিজিট করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Nazim Uddin Road Bangshal Dhaka
Dhaka
1212

30/09/2024