Islamic group

Islamic group

Share

alhamdulilah � I love Allah

18/10/2025
03/04/2025

"সুমামা ইবনু আবদুল্লাহ্‌ রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

كَانَ أَنَسٌ يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ مَرَّتَيْنِ ، أَوْ ثَلاَثًا وَزَعَمَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَنَفَّسُ ثَلاَثًا

আনাস রা.-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্রের পানি পান করতেন। তিনি ধারণা করতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন।

সহীহ বুখারী, হাদীস ৫২২৯(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ) ৫৬৩১ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত)"

16/02/2025

/হাদীস

"মুআবিয়া আল-কুশাইরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

أَتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ : فَقُلْتُ : مَا تَقُولُ فِي نِسَائِنَا قَالَ : أَطْعِمُوهُنَّ مِمَّا تَأْكُلُونَ ، وَاكْسُوهُنَّ مِمَّا تَكْتَسُونَ ، وَلاَ تَضْرِبُوهُنَّ ، وَلاَ تُقَبِّحُوهُنَّ.

একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করি, আপনি আমাদের স্ত্রীর হক সম্পর্কে কী নির্দেশ দেন? তিনি বললেনঃ তোমরা যা খাবে তাদেরকেও তা খেতে দেবে। তোমরা যা পরিধান করবে তাদেরকেও তা পরতে দেবে। তাদেরকে মারধর করবে না এবং গালমন্দ করবে না ।

সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২১৪৪ (শুআইব আরনাঊত তাহকীককৃত) ২১৪১(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)"

18/10/2024

পূজায় গেলে কি হয় শুনুন

15/10/2024

চলছে ১৪৪৬ হিজরি সনের চতুর্থ মাস রবিউস সানি। আমরা জানি প্রতি হিজরি মাসের মাঝের ৩ দিন নফল রোজা রাখা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি নিয়মিত সুন্নাহ। সে হিসাবে বাংলাদেশে এমাসের আইয়ামে বীজের ৩টি নফল রোজা রাখতে হবে যথাক্রমে ১৭, ১৮ ও ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতি-শুক্র-শনিবার। বুধবার দিবাগত রাতে সাহরি খেয়ে বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু করতে হবে।

আমরা জানি, শুধুমাত্র শুক্রবারকে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখতে হাদীসে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। কিন্তু শুক্রবারের সাথে আগে বা পরে একদিন মিলিয়ে রোজা রাখলে তাতে কোনো অসুবিধা নাই। তাই নির্দ্বিধায় শুক্রবার আইয়ামে বীজের রোজা রাখতে পারেন।

যে কোনো রোজার জন্য সাহরি খাওয়া উত্তম একটি সুন্নাহ। রোজা রাখার সুবিধার্থে মোবাইলে এখনি রিমাইন্ডার বা অ্যালার্ম সেট করে রাখতে পারেন।

আইয়ামে বীজ আরবি দুইটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। আইয়ামে অর্থ দিবসসমূহ, আর বীজ অর্থ শুভ্র, সাদা, শ্বেত, খাঁটি, নির্ভেজাল। প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখকে আইয়ামে বীজ বলা হয়। অনেকগুলো সহীহ হাদীস দ্বারা এই তিন দিন রোজা রাখার জন্য উৎসাহিত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। নবীজি (সা) নিয়মিত আইয়ামে বীজের রোজা রাখতেন এবং সাহাবীগণকে (রা) এ রোজা রাখতে উৎসাহ দিতেন। নিয়মিত প্রতি চান্দ্র মাসের ৩দিন রোজা রাখা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াবের সমতুল্য। কোনো কারণে উক্ত ৩ দিন রোজা রাখতে না পারলে মাসের যে কোনো ৩ দিন অন্তত রোজা রাখি। তাহলেও ইনশাআল্লাহ আমরা সারা মাস রোজা রাখার সওয়াব লাভ করব।

আইয়ামে বীজের রোজার ফজিলত ও মাসআলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: https://muslimsday.com/আইয়ামে-বীজ-রোজার-ফজিলত

রবিউস সানী বা রবিউল আখির মাসের কোনোরূপ বৈশিষ্ট্য, ফযীলত বা এ মাসের কোনো বিশেষ সালাত, সিয়াম, দোয়া, যিকর বা বিশেষ কোনো আমল হাদীস শরীফে বর্ণিত হয় নি।

ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম: একটি নব আবিষ্কৃত রেওয়াজ
রাসূলুল্লাহ (সা) এর ইন্তিকালের প্রায় সাড়ে পাঁচশত বছর পরে, ৫৬১ হিজরী সালের রবিউস সানী মাসের ১০ তারিখে হযরত আব্দুল কাদির জীলানী (রাহ) ইন্তিকাল করেন। আমাদের দেশে অনেকে এ উপলক্ষ্যে ১১ রবিউস সানী গেয়ারভী শরীফ বা ফাতেহায়ে ইয়াযদহম উদযাপন করেন।

স্বাভাবিক ভাবেই এর সাথে কুরআন-হাদীসের কোনোরূপ সম্পর্ক নেই। এমনকি জন্ম বা মৃত্যু উদযাপন করা বা জন্ম তারিখ বা মৃত্যু তারিখ উপলক্ষ্যে দোয়া খায়ের বা সাওয়াব রেসানী করার কোনো নির্দেশনা, প্রচলন বা উৎসাহ কোনো হাদীসে নেই। রাসুলুল্লাহ (সা) এর জীবদ্দশায় তাঁর ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী অনেক আত্মীয় ও অনেক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন। যারা সকলেই আল্লাহর শ্রেষ্ঠতম ওলীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি কখনো কারো মৃত্যুর পরে প্রতি বছর-বছর, বা পরবর্তী কোনো সময়ে মৃত্যুর দিনে কোনো ফাতেহা বা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেন নি। রাসূলুল্লাহ (সা) এর ওফাতের পরে তাঁর কন্যা ফাতিমা (রা), জামাতা আলী (রা), দৌহিত্র হাসান-হুসাইন (রা), উম্মুল মুমিনীনগণ, খলীফায়ে রাশিদগণ, অন্যান্য সাহাবীগণ, তাবিয়ী-তাবি-তাবিয়ীগণ কেউ কখনো তাঁর ওফাতের দিনে কোনোরূপ ফাতেহা, দোয়া বা কোনো অনুষ্ঠান করেন নি। অনুরূপভাবে কোনো সাহাবী, তাবিয়ী, তাবি-তাবিয়ী, চার ইমাম, তাদের ছাত্রগণ কেউ কখনো এরূপ ফাতিহা বা অনুষ্ঠান করেন নি।

তাই আমরা কোনো ওলি-বুজুর্গদের কিংবা যে কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যুদিন উদযাপন করব না। কোনো কাজকে দ্বীনের অংশ বা সওয়াবের কাজ মনে করব তখনই, যখন তা নবীজির (সা) বা সাহাবীগণের (রা) সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত হবে।

রবিউস সানী মাসের ফযীলত-আমল ইত্যাদি নামে যা কিছু প্রচলিত রয়েছে সবই বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। যেমন "রবিউস-সানী মাসের প্রথম তারিখে রাত্রিবেলা চার রাকয়াত নফল নামায আদায় করিতে হয়। উহার প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা ইখলাছ পড়িতে হয়। এই নামায আদায়কারীর আমল নামায় ৯০ হাজার বৎসরের সাওয়াব লিখা হইবে এবং ৯০ হাজার বৎসরের গুনাহ মাফ করিয়া দেওয়া হইবে।" এরূপ আরো অনেক কথা প্রচলিত বিভিন্ন পুস্তকে দেখা যায়। এসকল ভিত্তিহীন রেওয়াজ রসম ও আমল থেকে বিরত থাকা কাম্য।

আল্লাহ আমাদেরকে সুন্নাহের আলোকে জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

14/10/2024

তিরমিজি একটি হাদিস

25/03/2024

রমযান প্রায় অর্ধেক চলে গিয়েছে। আমরা কি আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছুতে পেরেছি? যেই পরিকল্পনা গ্রহন করেছিলাম সে অনুযায়ী কি আমরা আমল করতে পেরেছি?

যদি উত্তরটি সন্তোষজনক হয় তাহলে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। সামনের দিকগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন করার তাওফিক কামনা করি। আর যদি উত্তরটি সন্তোষজনক না হয়, তাহলে আজকে থেকেই কাজে লেগে পড়ি! এখনো সময় শেষ হয়ে যায় নি। রহমতের দরজা এখনো খোলা আছে। গুনাহ মাফের দরজা এখনো খোলা আছে।

সামনের দিনগুলোর জন্য যে কাজগুলো করা যেতে পারে
প্রতিদিন রোযা রাখা ও পুরুষদের জন্য ৫ ওয়াক্ত সালাত মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে আদায় করা
প্রতিদিন জামায়াতের সাথে ২০ রাকাত তারাবীহ আদায় করা
সাহরি খেতে ওঠার পর ২-৪ রাকাত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা
প্রতিদিন কুরআন থেকে তিলাওয়াত করা। অন্তত মুখস্থ সূরাগুলো চলতে ফিরতে বারবার তিলাওয়াত করা
যারা কুরআন শুদ্ধ করে তিলাওয়াত করতে পারি না, আজকে থেকেই এলাকার ইমাম-মুয়াজ্জিন সাহেবের কাছে বসে শেখা শুরু করা
প্রতিদিন সাধ্যমত দান-সাদাকা করা
চোখের গুনাহ, জবানের গুনাহ থেকে শুরু করে সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করা
ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম সহ সময় নষ্টকারী সকল সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরত থাকা
প্রতিদিন তওবা ইস্তিগফার করা
শেষ দশকে শবে ক্বদরের উদ্দেশ্যে বাড়তি ইবাদত করা
সাহরি ইফতারের সময় দুআ কবুল হয়। দেশ ও বিদেশের সকল মজলুমদের জন্য দুআ করা
ফিতরা মানেই ১১৫ টাকা নয়! আপনার সাধ্য মত সর্বোচ্চ ফিতরা হিসাব করুন
আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ঘোষিত সর্বনিম্ন পরিমাণটিকেই সকলে ফিতরা হিসাবে গণ্য করে। যদিও আল্লাহর রহমতে এই অবস্থা থেকে অনেকেই বের হয়ে এসেছেন। ফিতরা মানেই সর্বনিম্ন পরিমাণ নয়। বরং আমাদের উচিত নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের ও পরিবারের জন্য ফিতরার পরিমাণ হিসাব করা। যেহেতু এটি একটি ওয়াজিব আমল। তাই এটাকে গুরুত্বের সাথে নিজ গরজে হিসাব করা উচিত।

Photos from Islamic group's post 14/08/2023

কোর-আন এর পাখি দেলোয়ার হোসেন সাইদি,, মারা গেছে,, ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না আলাইহির রাজিউন,,,

08/10/2022

🌺ফুল বলে শুভাশিত নবীজির অন্তর ♥️

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka
1524