Natural Life""

Natural Life""

Share

a organic products. it will survive you with the nature. our product is a organic products. it’s also be a healthy products. you be healthy and happy.

04/09/2022

ডা-য়া-বে-টি-স নিয়ে - আ-র নয় দুশ্চিন্তা!
এখনই ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ করুন।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই কার্যকরী প্রোডাক্ট ডা-য়া-বে-টি-স হার্বস।
আর দেরী না করে ইনবক্সে আপনার নাম্বার দিন। অথবা কল করুন- 01815728544

02/09/2022
Photos from Natural Life""'s post 02/09/2022
02/09/2022

ডায়াবেটিস হার্বস ঃ
উপকারীতাঃ
➡রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়।
➡ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে।
➡অ্যাসিডিটি ও বদ হজমের ক্ষেত্রে দারুণ কাজ দেয়।
➡শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে।
➡মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
➡হার্ট ও ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
➡ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
➡উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
➡কোলেস্টেরল লেভেল কম রাখতে সাহায্য করে।
➡শরীরে পুষ্টি ও ভিটামিন এর ঘাটতি পূরণ করে।
➡শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
➡ডায়াবেটিস সংক্রান্ত দুর্বলতা সাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
➡ঘন ঘন প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করে।
# উপাদান সমূহ -
করলা- আদা- দারুচিনি -কাঠ বাদাম -রসুন- কাজু বাদাম-জামবীজ-ইসবগুল ভূষি-মেথী-আমলকী- কালোজিরা -তুলসী-ত্রিফলা সহ আরো ইত্যাদি উপাদান দিয়ে তৈরী।
#খাবারের নিয়ম -
২ চামচ পাউডার ১ কাপ অথবা আধা গ্লাস কুসুম কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে নাস্তার ৩০ মিনিট আগে খালি পেটে খেতে হবে।
একই ভাবে রাতে খাবারের ৩০ মিনিট আগে খেতে হবে।
# বিঃ দ্রঃ - এটা কোন ঔষধ নয়।শতভাগ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী কেমিক্যাল মুক্ত খাদ্য পণ্য।
এটার কার্যকারিতা এতে ব্যবহৃত উপাদান সমূহের গুণাবলির উপর নির্ভরশীল।
# সতর্কতা -
★অন্যান্য ঔষধের সাথে কমপক্ষে ৪৫ মিনিট ব্যবধান রেখে খেতে হবে।
★গর্ভবতী, স্ট্রোক ও হার্টের রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
★মাত্রাতিরিক্ত বা অন্যান্য ডায়াবেটিসের ঔষধের সাথে খেলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা অতিরিক্ত কমে যেতে পারে।কাজেই এই বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
সংরক্ষণ -
শুষ্ক ও ঠান্ডা স্হানে বায়ুশূন্য পাত্রে সংরক্ষণ করুন।.......

01/09/2022

■ কিছু কথা
সোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এই যে আমারা আজও সেই মুক্তো মানিক চিনতেই পারিনি। আমরা এগুলোকে পা দিয়ে মাড়িয়ে চলে যাই,তারপরও ভেবে দেখিনি, জেনেও দেখিনি কোন উপকারে আসবে কিনা। রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে,বনে বাগানে হাজারো উপকারী গাছপালা, লতাপাতা আছে যা আমাদের প্রাকৃতিক সুরক্ষার দেয় , পাশাপাশি অনেক সুবিধাও দিয়ে থাকে। আজ আপনাদের জানাবো এমনই এক উপকারী গাছের কথা।
■ রিফুজি লতা'র পরিচয়
বাংলা নাম রিফুজি লতা বা আসামি লতা। বৈজ্ঞানিক নাম Mikania micantha । আসামলতা, কইয়া লতা, বুচিলতা, তরুলতা, রিফুজি লতা, শঙ্খুনি লতা, ইত্যাদি নামে এটাকে ডাকা হয়। এই লতা অতি বৃদ্ধিপ্রবল, একবার বেড়ে উঠবার সুযোগ পেলে বিপুলভাবে ছড়িয়ে পড়ে, জড়িয়ে ধরে অন্য গাছের শাখা-প্রশাখা।
রিফুজি লতা বনে-জঙ্গলে, পতিত জমিতে বা পথের পাশে যেখানে ফোটে সে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হতেই থাকে। রিফুজি লতার কোন ধরনের যত্ন না নিলেও চলে,এটি একবার বেয়ে গেলে আর সহজে মরে না।
■ রিফুজি লতা'র ঔষধী গুনাগুন
* প্রসাবে জ্বলাপোড়ায় নিয়মিত পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* লিভারের যে কোন সমস্যায় এই পাতার রস অনেক উপকার করে।
* চোখ লাল হয়ে গেলে এই পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* পাকস্থলীর প্রদাহ হলে আদার সাথে তিনটি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন।
* এই পাতার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* শরীরের কাটা ছেঁড়ায় এ লতার পাতা পিষে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা বেধে রাখুন, জোড়া লেগে যাবে।
* বসন্ত বা হাম হয়েছে যাদের, তারা রিফুজি পাতা পিষে রস পানির সাথে মিশিয়ে পু্রো শরীর ধুয়ে ফেলুন।
* রক্ত দূষিত হলে ৭দিন প্রতি সকালে খালি পেটে আধা-কাপ পাতার রস এক চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
* পেটে গ্যাস, এসিডিটি হলেই আধা-কাপ রিফুজি পাতার রস খেয়ে নিন, সেরে যাবে।
* বিষাক্ত পোকা-মাকড় কাঁমড় দিলেই রিফুজি পাতার রস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সেই সাথে পাতা পিষে লাগিয়ে রাখুন।
* চুলকানী, একজিমা, দাদ হলে এই পাতার রস দিয়ে ধুয়ে রস লাগাতে থাকেন দেখবেন সেরে যাবে।
* এই পাতার রস কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে শরীরে লাগালে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং শরীরে দাগ দুর হয়।
* মূখে মেসতা হলে হলুদের সাথে লেবুর রস ও এই পাতার রস মিশিয়ে লাগান সেরে যাবে।

31/08/2022

অ+
দই শুধু মজাদার খাবারই নয়, এটি স্বাস্থ্যকরও বটে। খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত এ উপাদানটি নিয়মিত রাখলে আপনি বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাবেন। এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি উপকারিতার কথা।
১. মজবুত হাড়
দইয়ে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন 'ডি'।

বিজ্ঞাপন

দুটি উপাদানই হাড়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নিয়মিত দই খেলে হাড় মজবুত হবে।
২. হজমে উপকার
অনেকেই হজমের সমস্যার কারণে দুধ খেতে পারেন না কিন্তু দই খেলে সমস্যা হয় না। খাবার সহজে হজম করতে সহায়তা করে দই।
৩. উপকারী ব্যাকটেরিয়া
দইয়ে রয়েছে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। এ ব্যাকটেরিয়াগুলো দেহের ক্ষতি করে না বরং হজমে সহায়তা করে। এ ছাড়া দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে দইয়ের ব্যাকটেরিয়া।
৪. রক্তচাপ কমায়
দইয়ের পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।
৫. ত্বকের জন্য উপকারী
দইয়ের উপাদান ত্বককে মসৃণ করে। দইয়ের ল্যাকটিক এসিড ত্বককে পরিষ্কার করে এবং মৃত কোষ দূর করে।
৬. খাদ্যপ্রাণ
দইয়ে অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ভিটামিন 'বি৫', জিংক, পটাশিয়াম, ফসফরাস, আয়োডিন ও রিবোফ্লাভিন।
৭. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
নিয়মিত দই খাওয়া হলে তা আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। এ ছাড়া দই দেহের রক্তের শ্বেতকণিকা বাড়িয়ে দেয়, যা জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
৮. দেহের ছত্রাক প্রতিরোধ
অনেকের দেহের সংবেদনশীল অঙ্গে ছত্রাক সংক্রমণ হয়। আর এ ছত্রাকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে দই।
৯. পাকস্থলীর নানা সমস্যা দূরীকরণে
পাকস্থলীর নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে দই। বিশেষ করে ল্যাকটোজের প্রতি সংবেদনশীলতা, কোষ্টকাঠিন্য, ডায়রিয়া, কোলন ক্যান্সার ও অন্ত্রের সমস্যা দূর করতে কার্যকর দই।
১০. ওজন কমাতে
নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় দই খেলে দেহের ওজন কমে। এতে জানা গেছে, খাবারের সঙ্গে দই খাওয়া হলে তা দেহের চর্বি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে। এতে দেহের চর্বি কমে এবং সার্বিকভাবে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
--টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

30/08/2022

ডিজিটাল ডেস্ক : শসা একটি উপকারি খাবার। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার। এখন সারা বছর বাজারে শসা পাওয়া যায়। শসা শরীরের জন্য খুব ভালো। বেশির ভাগ রোগের ক্ষেত্রেই রোগীরা শশা খেতে পারেন, তার কারণ শশার খাদ্য ও পুষ্টিগুণ। শুধু রূপচর্চায় নয়, শরীরকে ভেতর থেকে ঠিক রাখতে শশা নিয়মিত খাওয়া দরকার।

কেন খাবেন শশা?

১) কিডনির পাথর-
শশার জলীয় অংশ দেহের বর্জ্য ও দূষিত পদার্থ বের করতে দারুণ কাজ করে। নিয়মিত শশা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথর গলে যেতে সহায়তা হয়। ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যার সমাধানে বেশ সাহায্য করে শশা।

২) জল শূন্যতায়-
শরীরে জলের চাহিদা মেটাতে শশা খুবই উপকারী। একটি শশায় প্রায় ৯৫ শতাংশ জল থাকে। দুর্বলতা কাটিয়ে দ্রুত সতেজ করে তোলে।

৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে-
শশায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাগনিসিয়াম, সিলিকা, পটাসিয়াম ও আঁশপদার্থ। এগুলি শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। শশার উপাদান উচ্চ এবং নিম্ন রক্তচাপ দু’ই নিয়ন্ত্রণ করে। হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার করে।

৪) ওজন হ্রাসে-
এতে উচ্চমাত্রায় জল থাকে। নিম্নমাত্রায় ক্যালরি থাকে। ফলে দেহের ওজন কমাতে আদর্শ এটি।

৫) হজমে-
কাঁচা শশা চিবিয়ে খেলে ভালো হজম হয়। এরেপসিন নামক অ্যানজাইমের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।

৬) রূপচর্চায়-
স্বাস্থ্য রক্ষার সঙ্গে ত্বক এবং চুলের জন্যও সমানভাবে উপকারী। এগজিমা সারাতে ও আটকাতেও বিশেষ উপকারী শশা।

৭) চোখের যত্নে-
শশা গোল করে কেটে চোখের পাতার ওপর রাখলে যেমন চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়ায়। এমনকি চোখের প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদানও থাকে এতে। ছানি পড়া আটকায়।

৮) চুল ও নখের জন্য-
শশায় থাকা খনিজ চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে। এ ছাড়া সালফার ও সিলিকা চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৯) মাথাব্যথায়-
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে মাথাব্যথা হয়, শরীরে অবসাদ আসে তা শশার উপাদান সমূহ যেমন – ভিটামিন বি ও সুগার এ সব দূর করে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক টুকরো শশা খেলে ঘুম থেকে ওঠার পরের এই সমস্যা দূর হয়।

30/08/2022

দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। দুধ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধে আছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ওমেগা থ্রি, ওমেগা সিক্সসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দুধকে বলা হয় সুপার ফুড। এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ, যা শরীরের জন্য জরুরি। এতে প্রচুর ভিটামিন বি-১২ আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন। দুধ শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দেহের টিস্যু ও কোষ মেরামতের জন্য দারুণ উপকারী।

কেন দুধ পান করবেন
আমাদের দেশে গরু ও ছাগলের দুধ সহজলভ্য। শিশুরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পান করতে পারে। মায়ের বুকের দুধের পর নিয়মিত গরু-ছাগলের দুধ পান করা উচিত। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধরাও গরু-ছাগলের দুধ পান করলে উপকার পাবেন।

গরুর দুধের উপকারিতা
১. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে।
২. ঘুম ভালো হয়।
৩. হাড় মজবুত করে।
৪. সারাদিনের শক্তি অর্জিত হয়।
৫. ত্বক সুন্দর করে।

ছাগলের দুধের উপকারিতা
১. হার্ট ভালো রাখে।
২. পুষ্টিগুণ মায়ের বুকের দুধের কাছাকাছি।
৩. এলার্জি প্রবণতা কম।
৪. উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।
৫. ত্বকের যত্নে উপকারী।
৬. ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু।
৭. হজম করা যায় সহজেই।
৮. এলার্জি নিয়ন্ত্রণ করে।
৯. হাঁড়ের গঠনকে শক্তিশালী করে।
১০. কোলেস্টেরল কম।
১১. বাড়ন্ত শিশুর জন্য উপকারী।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka
4390