Ponno BD

Ponno BD

Share

সেবা নিন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করুন।

14/01/2023

প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালোজিরা’ গ্রহণ করে আসছে। কালোজিরার মতো এর থেকে তৈরি তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী। চলুন জেনে নেয়া যাক সকালে খালি পেটে মধু ও কালোজিরা খেলে যেসব উপকার পাওয়া যায়-
> কালোজিরা আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এটি যে কোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। তাই সকালে কালোজিরার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
> কালোজিরা ও মধু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ ভূমিকা পালন করে। কালোজিরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
> কালোজিরা নিম্ন রক্তচাপ বৃদ্ধি করে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে। ফলে শরীরে রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় থাকে। তাই কালোজিরার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
> নারী-পুরুষ উভয়ের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে কালোজিরা ও মধু যাদুর মতো কাজ করে। প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কালোজিরা খেলে পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া মধু ও কালোজিরা পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনাও তৈরি করে।
> নিয়মিত কালোজিরা ও মধু খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনের বৃদ্ধি ঘটে, যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
> হাঁপানী বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা সমাধানে কালোজিরা দারুণ কাজ করে। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা খেলে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা উপশম হয়। তাছাড়া এই সমস্যার উপশমে কালোজিরার সঙ্গে মধুও খেতে পারেন।
> পিঠে ব্যথায় ভুগছেন? কালোজিরার থেকে তৈরি তেল আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া সাধারণভাবে কালোজিরা ও মধু খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
> শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে কালোজিরা বেশ উপকারী। নিয়মিত কালোজিরা ও মধু খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। কালোজিরা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে।

14/01/2023

অরিজিনাল প্রোডাক্ট যাচাই করে ক্রয় করুন ।

14/01/2023

Inbox For More Details !!

14/01/2023

কিডনি রোগের লক্ষণ
১. প্রস্রাবে পরিবর্তন
কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।
২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা
প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।
৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া
প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ।
৪. দেহে ফোলা ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।
৫. মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া
লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।
৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
৭. ত্বকে র‍্যাশ হওয়া
কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র‍্যাশ তৈরি করতে পারে।
৮. বমি বা বমি বমি ভাব
রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।
৯. ছোটো ছোটো শ্বাস
কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন।
১০. পেছনে ব্যথা
কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।

14/01/2023

বাংলাদেশে মানসিক রোগীর সংখ্যা তিন কোটি, চারজনের একজন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন ।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চাইল্ড এডোলেসেন্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি সাইকিয়াট্রির সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ দশমিক ৬ শতাংশ শিশু-কিশোর কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছেন। বেকারত্ব, হতাশা, অস্থিরতা, ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, নানামুখী চাপ, অপ্রাপ্তি, লোভ ও বিচারহীনতা তরুণদের মানসিক রোগীতে পরিণত করছে

14/01/2023

ডিম নানান উপায়ে খাওয়া গেলেও সবচেয়ে বেশি উপকারী হল সিদ্ধ ডিম।
পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সিদ্ধ ডিমের উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হল।
ওজন কমায়: সুসিদ্ধ ডিম চর্বিহীন প্রোটিনের খুব ভালো উৎস। এটা শরীরে বাড়তি ক্যালরি যোগ না করেই অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। দুপুর বা রাতে খাবার খাওয়ার সময় দুটি সুসিদ্ধ ডিম ও এক কাপ সবজি খান যা ২৭৪ ক্যালরির যোগান দেয়।
হাড় সুদৃঢ় করে: প্রসব পূর্ব বিকাশে অতি-সিদ্ধ ডিম, ভিটামিন ডি’য়ের পাশাপাশি ভালো কাজ করে। এটা শিশুর দাঁত, হাড় ও সাধারণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
বিপাক বৃদ্ধি: উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খা্বার খাওয়া তাপীয় প্রভাবের কারণে বিপাক বাড়াতে সহায়তা করে। এর কারণ হল খাবার হজম করতে ও পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ করতে বেশি ক্যালরি ব্যয় হয়। সিদ্ধ ডিম খাওয়া, বেশি কার্বোহাইড্রেট ও চর্বি খাওয়ার তুলনায় বেশি ক্যালরি খরচ করতে সহায়তা করে। ফলে বিপাক বৃদ্ধি পায়।
কোলিনের ভালো উৎস: মস্তিষ্ক, স্নায়ু ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে কোলিন সাহায্য করে। এটা মস্তিষ্কের মেম্ব্রেন ও পেশি সুগঠিত রাখতে সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কের ঝিল্লি গঠন করতে সহায়তা করে এবং এটা স্নায়ু থেকে পেশিতে সংবেদন পৌঁছাতে সহায়তা করে।
চোখ, চুল ও নখের জন্য উপকারী: সিদ্ধ ডিম চোখের জন্য উপকারী। প্রতিদিন একটা করে সিদ্ধ ডিম খাওয়া ‘ম্যাকুলার’ ক্ষয় কমায়। কারণ এতে আছে লুটেইন ও জ্যাক্সেন্থিন।
সিদ্ধ ডিম খাওয়া চোখের ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমায়। ডিমে উচ্চ মাত্রায় সালফার থাকায় তা ভিটামিন ডি’য়ের ভালো উৎস। যা চুল ও নখ ভালো রাখতেও সহায়তা করে।

10/01/2023

অর্ডার করতে অথবা বিস্তারিত জানতে,
কল করুন:☎️01325-45 64 23

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Banglamotor
Dhaka
1205