Best Beauty Products

Best Beauty Products

Share

global braned products sales agaency all over the Bangladesh by e-commerce

04/10/2020

-----------------ঢেড়স-এর ডাক্তারী গুণ-----------------

আয়োডিনের অভাবে সৃষ্ট গলগন্ড রোগ এবং মস্তিষ্ক ও হৃত্পিন্ডের দুর্বলতার প্রতিরোধে ঢেড়স খুবই উপকারী সবজি। ঢেড়সে রাইবোফ্লাভিনের পরিমাণ বেগুন, মুলো, টমেটো আর সীমের চেয়েও বেশী। তাছাড়া ঢেড়স শরীরের আরও কিছু সমস্যা দূর করতেও সহায়ক। সমস্যাগুলো একে একে বলা যাক এবং সাথে সাথে তার প্রতিকারও বর্ণনা করা যাকঃ

১। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে এবং সারা শরীরে এক ধরণের অস্বাস্থ্যকর ভাব থাকলে বীজ ফেলে দিয়ে দু'তিনটে কাঁচা ঢেড়স প্রায় ৪৫০ গ্রাম পানিতে এমনভাবে সেদ্ধ করুন যাতে এক কাপ পরিমাণ অবশিষ্ট থাকে। এখন পানিটুকু ছেঁকে নিয়ে মাঝে মাঝে পান করলে প্রস্রাব আর পায়খানা উভয়ই পরিস্কার হবে।

২। ঢেড়স খেলে খুসকুসে কাশির উপকার হয়। সে ক্ষেত্রে বীজ ফেলে দিয়ে কয়েকটি কাঁচা ঢেঁড়স রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখুন। পাঁচ/ছয় গ্রাম ঢেড়সের শুকনো গুঁড়ো নিয়ে চিনির কড়া রসে মুড়ি বানিয়ে তা চুষে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই উপকার পাওয়া যায়।

৩। ঢেড়স ব্লাড-সুগার কমাতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকলে কালো জামের বীজ চূর্ণ করে এক গ্রাম পরিমাণ চূর্ণের সাথে তিন-চারটে কচি ঢেড়স সেদ্ধ পানির সঙ্গে ক'দিন খেলে ব্লাড সুগার কমে যায় বলে জানা গেছে।

৪। ঢেড়স প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ দূর করতেও সহায়ক। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করলেও অনেক সময় প্রস্রাবের পরিমাণ কম হতে পারে। এমনটি হলে বীজ ফেলে দিয়ে ৩/৪টে কাঁচা ঢেড়স আধা সের পরিমাণ পানিতে সেদ্ধ করে পানি একপোয়া পরিমাণ থাকতেই নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই পিচ্ছিল পানি খেলে প্রস্রাব সরল হয় এবং পরিমাণেও বেড়ে যায়। কয়েকদিন এই পানি খেলে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণের সমস্যা দূর হয়।

৫। কোলেস্টেরল কমায়-
বাজে কোলেস্টেরল কমায় ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন, যা রক্তের বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।

৬। ভ্রুণ তৈরিতে-
গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ তৈরির জন্য ভালো ঢেঁড়স গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে, মিসক্যারেজ হওয়া প্রতিরোধ করে।

৭। ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে-
ঢেঁড়স ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

৮। শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে-
ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যাজমার লক্ষণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে এবং অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢেঁড়স বেশ উপকারী।

৯। ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে-
ঢেঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢেঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।

১০। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়-
ঢেঁড়স রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এ ছাড়া আরো প্রয়োজনীয় মিনারেল যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

১১। হজমে সহায়ক-
ঢেঁড়সে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ যা হজমে সাহায্য করে। পেকটিন অন্ত্রের স্ফীতিভাব কমায় এবং অন্ত্র থেকে বর্জ্য সহজে পরিষ্কার করে।

১২। চুলের যত্নে-
ঢেঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে বেশ ভালো। এটি খুসকি দূর করে এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের জন্য উপকারী।

১৩। বিষণ্ণতা দূর করে-
ঢেঁড়স বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।

১৪। দৃষ্টি ভালো রাখে-
ঢেঁড়সে আছে বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন যা চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য

-----------------চুলের যত্নে ঢেড়স-----------------
********************************

চুল নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন তাদের প্রশ্ন করলে যে অভিযোগ গুলো শুনতে পাওয়া যায় সেগুলো হলো- ‘চুলগুলো যেন পাটের আঁশ হয়ে গেছে’ ‘মাথায় খুশকি, ‘চুলের কোনো উজ্জ্বলতা নেই’। চুলের আর কী দোষ? চুল থাকলে এসব সমস্যা হবেই। কিন্তু একটু যত্ন আপনার চুল থাকাটাকে অনেক বেশি আনন্দের করে দিতে পারে। যারা ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন করতে চান তাদের জন্য ঢেঁড়স হতে পারে উপযুক্ত একটি উপাদান।
ঢেঁড়স দিয়ে কীভাবে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার বানাবেন সেটা দেখার আগে দেখে নিন এতে আপনার চুলের কী কী উপকার হবে।

* ঢেঁড়সের কন্ডিশনার আপনার মাথার ত্বকের মশ্চেরাইজার হিসেবে কাজ করবে। মাথার ত্বকে খুশকি থাকলে বা চুলকানির সমস্যা থাকলে তা দূর করবে এই কন্ডিশনার।

* চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য অনেকেই নানা ধরনের কসমেটিক ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বাজারের অধিকাংশ প্রডাক্টের প্রতি আস্থা রাখাও মুশকিল এখন। এছাড়া সাইড ইফেক্টের ভয় তো আছেই। ঢেঁড়সের তৈরি কন্ডিশনার আপনার চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেবে, ঠিক যেমনটি আপনি চান।

* চুলের রেশমি ভাব কে না চান? অনেক যত্ন করে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগানোর পরও চুল যদি নেতিয়ে থাকে বা খড়খড়ে হয়ে থাকে তাহলে সেটা খুব বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা থেকেও মুক্তি দেবে ঢেঁড়স!

ঢেঁড়সের কন্ডিশনার তৈরি করা খুবই সহজ। আর ঢেঁড়স এমন একটা সবজি যা হয়তো ফ্রিজে খুঁজলে এখনই আপনি পেয়ে যাবেন। চুল কতটুকু বড় এর উপর নির্ভর করে পরিমাণ মতো ঢেঁড়স নিন। ১৫ থেকে ২০ টা মাঝারি ঢেঁড়সে মাঝারি চুলের কন্ডিশনার হয়ে যাবে।

ঢেঁড়সগুলো মাঝারি করে কেটে নিন। এতে ফুটানো ফিল্টার করা পানি মেশান। তারপর এটি চুলায় হালকা আঁচে বসিয়ে দিন। যখন ঢেঁড়সের রস বের হয়ে এসে পুরো পানিটাকে পিচ্ছিল করে দেবে তখন চুলা বন্ধ করে দিন। ঢেঁড়সের টুকরো গুলো তুলে ফেলে দিন। মূলত এর রসটাই কন্ডিশনার। ঠাণ্ডা করে এটা মাথায় লাগাতে হবে। চাইলে এতে লেবুর রস বা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। না মেশালেও সমস্যা নেই।

চুলের আগা থেকে মাথা পর্যন্ত লাগাতে হবে কন্ডিশনারটি। লাগানোর সময় সাবধান থাকতে হবে কারণ এটি খুবই পিচ্ছিল। আধা ঘণ্টা পর স্বাভাবিক নিয়মে শ্যাম্পু করে নিতে হবে। মাথা ধুয়ে চুল শুকিয়ে নিতে হবে।

04/10/2020

পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের স্বাস্থ্য টিপস গুলো জানিয়ে দিন।
স্বাস্থ্য টিপস এবং স্বাস্থ্য উপকরণ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

04/10/2020

জেনে নিন পাথরকুচির অবিশ্বাস্য সব ঔষধি গুণ!

চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেসব ঔষধি গাছ প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে তার মধ্য পাথরকুচি অন্যতম। এটি দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ। এই খাঁজ থেকে নতুন চারার জন্ম হয়। অনেক সময় গাছের বয়স হলে ওই গাছের খাঁজ থেকে চারা গজায়। পাথরকুচি পাতা মাটিতে ফেলে রাখলেই অনায়াসে চারা পাওয়া যায়। কাঁকর মাটিতে সহজেই জন্মে। তবে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বাড়ে।

গ্রামীণ চিকিৎসার মধ্যে এটি অন্যতম উপকারী। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেন মতে, পাথরকুচি পাতা কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষ উপকারে আসে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই পাথরকুচি পাতার অবিশ্বাস্য ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. কিডনির পাথর অপসারণ
পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলগণ্ডের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুবার ২ থেকে ৩টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান।

২. পেট ফাঁপা
অনেক সময় দেখা যায় পেটটা ফুলে গেছে, প্রসাব আটকে আছে, আধোবায়ু, সরছে না, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এর দ্বারা মূত্র তরল হবে, আধো বায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে।

৩. মেহ
সর্দিজনিত কারণে শরীরের নানান স্থানে ফোঁড়া দেখা দেয়। যাকে মেহ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস এক চামুচ করে সকাল-বিকাল একসপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৪. রক্তপিত্ত
পিত্তজনিত ব্যথায় রক্তক্ষরণ হলে দু’বেলা এক চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস দুদিন খাওয়ালে সেরে যাবে।

৫. মৃগী
মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে।

৬. সর্দি
সর্দি পুরান হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপকারী। পাথরকুচি পাতা রস করে সেটাকে একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সাথে একটু সোহাগার খৈ মেশাতে হবে। তিন চা-চামচের সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে দুই চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে দুবার খেলে পুরান সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

৭. শিশুদের পেট ব্যথায়
শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়। তবে পেট ব্যথা নিশ্চিত হতে হবে।

৮. ত্বকের যত্ন
পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সাথে সাথেই এর মধ্যে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে সচেতন, তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাবে।

৯. কাটাছেঁড়ায়
টাটকা পাতা পরিমাণ মত হালকা তাপে গরম করে কাটা বা থেতলে যাওয়া স্থানে সেক দিলে আরাম পাওয়া যায়।

১০. পাইলস
পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১১. জন্ডিস নিরাময়ে
লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।

১২. কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয়
তিন মিলিলিটার পাথরকুচি পাতার জুসের সাথে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।

১৩. শরীর জ্বালাপোড়া
দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে উপশম হয়।

১৪. পোকা কামড়
বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

১৫. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়।

04/10/2020

৫ টাকায় কিডনি ক্লিন, জেনে নিন ঘরোয়া টোটকা

তেল, ঝাল, মশলা সব খাচ্ছেন। হাত ধুচ্ছেন, মুখ ধুচ্ছেন। কিন্তু রোজ কিডনি পরিষ্কার করছেন কি? দূষিত পদার্থ জমে জমে বারোটা বাজছে কিডনির। হাতের কাছেই আছে সমাধান। কীভাবে পরিষ্কার করবেন কিডনি? দেখুন, কিডনি পরিষ্কারের ঘরোয়া টোটকা।

বছরের পর বছর, দিনের পর দিন কিডনি ঠিক এভাবেই ছাঁকনির কাজ করে চলে। নুন, বিষ এবং অবাঞ্ছিত পদার্থ শরীরে ঢুকতে বাধা দেয়। কিন্তু কিডনি অকেজো হয়ে গেলে শরীরের ক্ষতিকর বর্জ্য রক্তে জমা হয়। তখন বেঁচে থাকাই মুশকিল।

মারাত্মক ডায়েরিয়া বা শরীরে জলের অভাবে কিডনির দফারফা হতে পারে।
টাইফয়েড বা ডেঙ্গুজ্বর, অকারণ অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথা কমানোর ওষুধের সাইড এফেক্ট থেকে কিডনির সমস্যা হতে পারে।
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনির নিজস্ব কিছু রোগের কারণে কিডনির ক্রনিক সমস্যা তৈরি হয়।
শেষ ধাপ এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ।

তখন প্রয়োজন ডায়ালিসিস অথবা কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট। ফাস্ট লাইফস্টাইল, চূড়ান্ত ব্যস্ততার জীবনে কিডনির সমস্যায় ভোগেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। তাহলে কিডনি ভাল রাখার উপায় কী? হাতের কাছেই রয়েছে চটজলদি সমাধান।

পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে একআঁটি ধনেপাতা।
কুচি কুচি করে কেটে পাত্রে রাখতে হবে ধনেপাতা।
পাত্রে কিছুটা পরিষ্কার জল নিয়ে ১০ মিনিট ফোটাতে হবে।
ঠান্ডা হলে ছেঁকে পরিষ্কার বোতলে রাখতে হবে।
ফ্রিজে রেখে দেওয়া যেতে পারে ওই বোতল।

প্রতিদিন একগ্লাস করে ধনেপাতার জুস খেলেই হাতেনাতে মিলবে ফল। কিডনির মধ্যে জমে থাকা নুন এবং বিষাক্ত পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যাবে। শুধু কিডনিই নয়। ধনেপাতা মহৌষধ। একআঁটি ধনেপাতায় রয়েছে ১১% ফাইবার, ৪% প্রোটিন, ১% ক্যালরি, ১% কার্বোহাইড্রেট, ১% ফ্যাট। ম্যাঙ্গানিজ ২১%, পটাসিয়াম ১৫%, কপার ১১%, আয়রন ১০%, ক্যালসিয়াম ৭%। এতে রয়েছে ৩৮৮% ভিটামিন k, ১৩৫% ভিটামিন A, ৪৫% ভিটামিন C, ১৬% ফলেট।

ধনেপাতায় হাজার গুণ। এগজিমা সারায়, বমিভাব কমায়, পেটের গন্ডগোল কমায়, আলসার সারায়, সতেজ হয় শ্বাস-প্রশ্বাস, হজমে সাহায্য করে, ব্লাড প্রেশার কমায়, অ্যানিমিয়া কমায়, ডায়াবেটিসে প্রচুর উপকার মেলে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। কনজাংটিভাইটিস থেকে চোখকে রক্ষা করে ধনেপাতা। স্মল পক্স প্রতিরোধ করে ধনেপাতা।

04/10/2020

খালি পেটে ৪ দিন কিশমিশের পানি খান, তারপর দেখুন চমক।

কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। আপনার লিভার বা যকৃত পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।
অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।

কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে। কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।

রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে।

তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তি বাড়ে।

যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ

২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে।

তাও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন।

সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

04/10/2020

টানা সাতদিন যদি ডাবের জল খান তাহলে শরীরে কি অবাক করা পরিবর্তন ঘটবে জানেন.?

গরমে হাসফাস কিংবা ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে তাজা হওয়ার জন্য প্রাকৃতিক যে পানীয়টির কথা আমাদের মাথায় আসে সেটি হল ডাবের জল। এই ডাবের জল পান করলে শরীরের অনেক কষ্ট হ্রাস পায় ও এক আলাদা তৃপ্তি আসে।

ভারতের সব জায়গাতেই মোটামুটি ডাব গাছ দেখা যায়। তবে কেরালা এই গাছের জন্য বিখ্যাত।

আসলে মাটি আর মনোরম আবহাওয়ার উপর ভিত্তি করে ডাবের ফলন হয়। লবনাক্ত মৃত্তিকায় ডাবের ফলন বেশি হয়। ডাব কোন দোকানে কিংবা ফ্রিজে ঠান্ডা পানীয় হিসাবে পাওয়া যায় না। বিক্রেতারা রাস্তার ধারেই কেটে তা পান করতে দেয়। আর যাদের বাড়িতে গাছ আছে তারা তো যখন খুশি পেড়ে পান করতেই পারে। জল ছাড়া ডাবের ভীতরের শাঁসটাও খেতে খুব সুস্বাদু। আবার ডাবের ছোবড়া শুকনো করে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। সব মিলিয়ে ডাবের সমস্ত অংশই আমাদের উপকারে লাগে।

আসুন এই ডাবের কিছু উপকারিতা জেনে নেওয়া যাক, আর ডাব টানা সাতদিন খেলে কি উপকার হয় সেটাও।

১. ডাবের জল শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, কিছু কিছু রোগের মহাঔষধ হিসাবে কাজ করে এই জল। কিডনিতে পাথর, আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, মূত্রনালীর সংক্রমণ, ডাইরিয়া ইত্যাদি রোগে ঔষধের পাশাপাশি ডাক্তাররা ডাবের জল পান করার পরামর্শ দেন।

২. আমরা কেটে গেলে আন্টি সিপিটিসি লাগাই কিংবা ওষুধ খাই। কিন্তু কোন কাটা স্থান যদি ডাবের জল দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয় তবে সেই ডাবের জল স্যাভলন, ডেটলের থেকেও ভালো কাজ করে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

৩. ডাবের জলে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, কার্বোহাইড্রেট সহ নানান উপকরন থাকে তাই পান করার পাশাপাশি যদি ডাবের জল দিয়ে মুখ ধোয়া যায় তাহলে কোন রাসায়নিক ক্রিম ব্যবহার ছাড়াই মুখের ব্রন, পক্স ইত্যাদির মতো দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৪. ডাবের জল নিয়মিত পান করলে শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ ঝড়ে যায়। ফলে আপনি অত্যাধিক ওজনের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন বা ওজন ঝড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

৫. আর ডাবের জল যেমন তৃষ্ণার্ত মানুষকে রিফ্রেশ করে তেমন সেলাইনের বদলে ডাবের জল ব্যবহারও লাভজনক।

৬. ডাবের জল একটি স্পোর্টস ড্রিঙ্কের থেকেও বেশি লাভদায়ক। এতে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম ও খনিজ পদার্থ থাকে, একটি কলাতেও যা পাওয়া যায় না। তাই স্পোর্টস ড্রিঙ্কের থেকে ডাবের জল বেশি লাভদায়ক ও উপকারী।

৭. ডাবের জলে প্রতি ১০০ গ্রামে ১৬.০৭ ক্যালোরি শক্তি থাকে। এছাড়াও ডাবের ভিতরে যে শাঁস থাকে তা থেকেও প্রচুর ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। তাই ডাবের শাঁস শুধু পেটই ভরায় না, শরীরের ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে দেয়।

এই সব কারনেই ডাবের দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। একটি ডাবের দাম বর্তমান বাজারে ২০-৫০ টাকা। মানুষ শরীরকে স্বতেজ রাখার জন্য তা কিনতে বাধ্য হয়। তাই আপনিও দেরি করবেন না, শরীরের নানান সমস্যা দূর করতে টানা সাতদিন ডাবের জল পান করুন। তবে নিয়মিত খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

04/10/2020

আজব এক ফলের সন্ধান- ক্যান্সার বা কর্কটরোগ অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন সংক্রান্ত রোগসমূহের সমষ্টি। এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার রোগ সহজে ধরা পড়ে না, ফলে শেষ পর্যায়ে গিয়ে ভালো কোন চিকিৎসা দেয়াও সম্ভব হয় না।

বাস্তবিক অর্থে এখনও পর্যন্ত ক্যান্সারের চিকিৎসায় পুরোপুরি কার্যকর কোনও ওষুধ আবিষ্কৃত হয় নি। ক্যান্সার সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পরলে এই রোগ সারানোর সম্ভাবনা অনেকাংশ বেড়ে যায়।

২০০ প্রকারেরও বেশি ক্যান্সার রয়েছে। প্রত্যেক ক্যান্সারই আলাদা আলাদা এবং এদের চিকিৎসা পদ্ধতিও আলাদা। বর্তমানে ক্যান্সার নিয়ে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে এবং এ সম্পর্কে নতুন নতুন অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আবিষ্কার করা হল ক্যান্সার-বিরোধী ফল। অস্ট্রেলিয়ার একাংশের গাছে এই ফল পাওয়া যায় বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।
ফল দেখে রীতিমত বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। আট বছর ধরে গবেষণা চালানোর পর ব্রিসবেনের একটি ইন্সটিটিউট এই ফল আবিষ্কার করেছে।

ঘাড় ও মাথার টিউমার ধ্বংস করার এক আশ্চর্য ক্ষমতা রয়েছে এই ফলের এমনটিই দাবী করছেন গবেষকরা।
এখনও পর্যন্ত ওই ফল থেকে তৈরি একটি ওষুধ ৩০০টি প্রাণীর ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে।

৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে টিউমার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আর ফিরে আসছে না। তবে এই ফল থেকে ওষুধ তৈরি করা কঠিন ও সময়সাপেক্ষ বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

04/10/2020

থানকুনি মাত্র একটি পাতায় ৯টি রোগের উপশম!

গবেষণায় দেখা গেছে কেউ যদি নিয়মিত থানকুনি পাতা খান, তাহলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে।

চলুন যেনে নেয়া যাক, থানকুনির ওষুধি সব গুণ সম্পর্কে-

আমাশয় দূর করে

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। টানা ৭ দিন খেলে মামলা খালাস!

পেটের রোগের চিকিৎসা

অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভালো করে মিশিয়ে বেটে নিন। মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনো ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়।

কাশির প্রকোপ কমে

২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই।

জ্বরের প্রকোপ কমে

জ্বরের ধাক্কায় কাবু হয়ে পড়েন অনেকে। তাদের থানকুনি পাতা খাওয়া জরুরি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে- জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়।

চুল পড়ার কমে যায়

সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়া কমতে শুরু করে। পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেললেই হবে।

শরীর থেকে বেরিয়ে যায় টক্সিক উপাদান

ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। কিন্তু প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যায়।

ক্ষতের চিকিৎসা

শরীরের কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি

থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি করে। থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে নো প্রবেলম! থানকুনি পাতা কিনে আনুন বাজার থেকে। তাহলেই দেখবেন সমস্যা একেবারে হাতের মধ্যে চলে আসবে। আসলে এক্ষেত্রে একটা ঘরোয়া চিকিৎসা দারুণ কাজে আসে। কী সেই চিকিৎসা? হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এক সপ্তাহ করলেই হাতেনাতে মিলবে উপকার।

04/10/2020

সুস্থ থাকতে নিয়মিত খান পুঁইশাক

পুঁইশাক বেশ পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। দেশজুড়ে পুঁইশাকের রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। সহজলভ্য বলে এই শাক কম-বেশি সবার কাছেই প্রিয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো, পুঁই শাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে স্বল্প বিস্তর আলোচনা-

১) পুঁই শাকে রয়েছে ROS (রিঅ্যাকটিভ অক্সিজেন স্পিসিজ)। এটি শরীরের বুড়িয়ে যাওয়া আটাকায়।

২) এরমধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৩) খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ভাল কোলেস্টেরলের জোগান দেয়।

৪) নিয়মিত পুঁই শাক খেলে ডায়াবিটিস থেকে দূরে থাকা যায়।

৫) এছাড়া, এরমধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় ক্যালশিয়াম, খনিজ লোহা, ম্যাগনেশিয়ম আর জিংক। পুঁইমেটলি অর্থাৎ এই গাছের ফলে খনিজ লোহার পরিমাণ খুব বেশি। তাই অ্যানিমিয়ায় কার্যকরী।

04/10/2020

বেশির ভাগ মানুষ হার্টের ব্যথাকে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা মনে করে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু বেশির ভাগ সময় সে ঘুম আর ভাঙে না। পাশে শুয়ে থাকা মানুষটিও টের পায় না রাতে কিভাবে লোকটি হার্টব্লক করে মারা গিয়েছে।

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা: সাধারণত এই ব্যথা পেটের উপরের অংশে হয় এবং নির্দিষ্ট একটা জায়গাজুড়েই হয়। শরীরের অন্য অংশে এই ব্যথা ছড়ায় না।

হার্টের ব্যথা: যেহেতু আমাদের হার্ট বুকের বাম পাশে তাই হার্টের ব্যথা বুকের বামপাশ কিংবা মাঝখান থেকে শুরু হয়ে ঘাড়, বাম বাহু বা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে।এই ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে, অনেকটা হাতির পা বুকে চাপ দিলে যেমনটা হয় ঠিক তেমনি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ভারী পাথর বুকের উপর রাখলে যেমনটা ফিল হয় অনেকটা সেরকম। এই ব্যথায় রোগী শুয়ে থাকলে কিংবা দাঁড়ানো অবস্থায় থাকলেও নিজেই নিজের হাতে বুকের বাম পাশটা চেপে ধরে বসে পড়েন।

হার্টের ব্যথায় প্রাথমিক চিকিৎসা: যে কোন বয়সে যে কোন সময় হার্টের ব্যথা উঠতে পারে। সেই ব্যথা কয়েক মিনিটে রোগী মারাও যেতে পারে। যদি আপনার ঘরোয়া চিকিৎসা জানা থাকা তবে প্রাথমিকভাবে মানুষটি বেঁচে যাবে।

হার্টের ব্যথা হলে যা করবেন: একসঙ্গে ৪টা এস্পিরিন 75 mg (যা দোকানে ইকুস্প্রিন নামে পাওয়া যায়) পানিতে গুলিয়ে খাইয়ে দিন। কারণ ট্যাবলেট আমাদের শরীরে পৌঁছে কাজ করতে যে সময় নিবে সে সময়ের মধ্যে রোগী মারাও যেতে পারে।
সেই দিক থেকে লিকুইড তাড়াতাড়ি কাজ করে। যদি মনে হয় ব্যথাটা হার্টের তাহলে জিহ্বার নিচে নিটোকার্ড নামক স্প্রে দুইবার দিন। দেখবেন রোগী অনেকটা সুস্থ বোধ করছে। এরই মধ্যে হসপিটাল নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করুন।

হার্টের ব্যথায় কখনোই যা করবেন না: হার্টের ব্যথায় রোগীর শরীরে ঠাণ্ডা ঘাম বের হওয়া স্বাভাবিক। এই ক্ষেত্রে রোগীরর বাড়ির লোকজন ১৮ ডিগ্রী সে. এসি চালিয়ে দেন। এতে ঠান্ডায় ব্লাড ফ্লো কমে যায়।
তাই এসি না চালিয়ে নরমাল ফ্যানের বাতাসে রোগীকে রাখুন। অনেকেই আবার এই ব্যথায় রোগীকে সোজাসুজি শুইয়ে দেন। আরো একটি ভুল পদ্ধতি। যেহেতু ব্লাড সার্কুলেশনের অভাবে হার্ট অ্যাটাক হয়।
এই সময় রোগী শুয়ে থাকলে ব্লাডের গতি আরো কমে যায়। তাই রোগীকে খাটে বসিয়ে পিঠের পেছনে বালিস দিয়ে হেলান দিয়ে রাখুন। সতর্ক থাকুন, নিজে বাঁচুন, প্রিয়জনের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।

04/10/2020

অ্যাজমা রোগ নিরাময়ে পুদিনা

অ্যাজমা বা হাঁপানি অনেক কষ্টকর রোগের মধ্যে একটি। একজন মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হলে যে কতটা কষ্ট পেতে পারে তা বলে বোঝানো যাবে না। আর এই অ্যাজমা কিন্তু রাতারাতি চিকিৎসা করে ভালো হয় না। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। তবে একথা সত্য যে, এই অ্যাজমা রোগের কষ্ট কিন্তু চাইলেই বাসায় খুব সহজেই কমানো যায়। অন্যভাবে বললে, এই অ্যাজমা রোগ চাইলেই বাসায় খুব সহজে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কমানো সম্ভব। আর এজন্য আমাদের যে জিনিসটি সবচ্যে বেশি উপকার করতে পারে তাহলো পুদিনা পাতা। কি শুনে অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও একথা কিন্তু একদম সত্য যে পুদিনা পাতা অ্যাজমা রোগে ভীষণ কার্যকরী। আসুন জেনে নিই পুদিনা পাতা কিভাবে অ্যাজমা রোগে উপকার করে থাকে।

🔹কিভাবে কাজ করেঃ
আসলে পুদিনায় পাতায় আছে রোজমেরিক এসিড নামের এক ধরনের বিশেষ উপাদান থাকে। যা প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরীতে বাধা দেয়। আর এর ফলেই আমাদের অ্যাজমা হয় না। এছাড়াও পুদিনা পাতা আমাদের প্রোস্টসাইক্লিন তৈরীতে বাধা দেয়। আর এতেই আমাদের শ্বাসনালী পরিষ্কার থাকে। আর এর ফলে সর্দি-কাশি কিংবা কফ জমে আমাদের শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যায় না। ফলে শ্বাসকষ্ট হয় না। আর এতেই আমাদের অ্যাজমা একদম নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ধীরে ধীরে অ্যাজমা একদম ভালো হয়ে যাবে।

🔹যেভাবে খাবেনঃ
অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা দূর করার জন্য প্রতিদিন রাতে খাওয়ার পরে ঘুমানোর আগে আধাকাপ পুদিনার পাতার রস সামান্য কালোজিরা দিয়ে খেতে হবে। আর এতেই মিলবে অ্যাজমার সমস্যার মহাওষুধ। আসলে পুদিনা পাতা এবং কালোজিরায় থাকা বিশেষ কিছু উপাদান আমাদের অ্যাজমার সমস্যায় দারুন কাজ করে। এছাড়াও খাবার সাথে পুদিনা পাতার চাটনিও খেলেও অনেক উপকার মিলবে। তাহলে আর দেরি না করে আজ থেকে পুদিনা পাতা খাওয়া শুরু করে দিন আর অ্যাজমার সমস্যাকে দূর করুন।

04/10/2020

বিনা খরচে গুডবাই জানান এলার্জিকে।

মানবজীবনে এলার্জি কতোটা ভয়ঙ্কর তা যিনি ভুক্তভোগী শুধু তিনিই জানেন। এর উপশমের জন্য কতোজন কতো কিছুই না করেন। তবুও সুরাহা হয় না। কতো সুস্বাদু খাবার চোখের সামনে দেখে জিহ্বাতে পানি আসলেও এলার্জি ভয়ে তা আর খাওয়া হয় না। এজন্য বছরের পর বছর ভুক্তভোগিরা এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। ভোগেন পুষ্টিহীনতায়। তবে এর জন্য আর চিন্তা না। এলার্জি আক্রান্ত ব্যক্তিরা সব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। এবার বিনা খরচে এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে–

১। ১কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন এবং তা ভালো করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে রাখুন।

৩। এবার ইসবগুলের ভুষি কিনুন। এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে।

৬. কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে।
ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর মাংস, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গাভীর দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান। দেখবেন কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Narayan Gang. Dhaka. Bangladesh
Dhaka
1212