Islamic gyen
islamik geyn
16/10/2022
শিক্ষণীয় কাহিনীঃ
এক ফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে!
পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি পি-পী-লিকা যাচ্ছিল!
মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুকতেই থমকে দাঁড়াল!
ভাবলো একটু মধু খেয়ে নেই!
তারপর না হয় সামনে যাবো!
এক চুমুক খেলো! বাহ্! খুব মজাতো!
আর একটু খেয়ে নেই! আরেক চুমুক খেলো!
তারপর সামনে চলতে লাগলো!
হাটতে হাটতে ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে চেটে খাচ্ছিল!
ভাবলো,এত মজার মধু আরেকটু খেয়ে নিলে কি হয়?
আবার পিছনে ফিরলো!
পূর্বে মধুর একপাশ থেকে খেয়েছিল!
এবার চিন্তা করলো ভিতরে মনে হয় আরও মজা!
এবার আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধু ফোঁটার উপরে উঠে গেল!
বসে বসে আরামছে মধু খাচ্ছে!
খেতে খেতে এক পর্যায়ে পেট ফুলে গেল!
ঐ দিকে আস্তে আস্তে পা দুটো মধুর ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে!
তখনই হঠাৎ টনক নড়লো তার!
কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে!
মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চলছে!
কিন্তু নাহ্! মধুতে তার সমস্ত শ-রীর মাখামাখি অবস্থা!
অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার করতে সক্ষম হলো না!
নাকে মুখে মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগল!
অবশেষে.. পিপীলিকাটি মধুর ভিতরে আটকে পড়েই মৃত্যু বরণ করল!! এই বিশাল বড় দুনিয়াটাও এক ফোটা মধুর মত!
যে এই মধুর পাশে বসে হালাল ও অল্পতে সন্তুষ্ট থাকবে সেই বেঁচে গেল! আর যে এই স্বাদের মধ্যে ডুব দিতে গিয়ে হালাল-হারাম বাছ-বিচার না করে শুধু খেয়েই গেল, আরেকটু আরেকটু করতে করতে একদিন সে এর মায়াজালে আটকা পড়েই মারা যাবে!
তখন আর কেউই তাকে উদ্ধার করতে পারবে না! ধ্বংস অনিবার্য!
তার দুনিয়া ও আখে-রাত দু'টোই শেষ!
হে আল্লাহ্ তুমি আমাদেরকে এই দুনিয়ার ভালাবাসায় অন্ধ করে দিওনা! আমাদেরকে হালাল-হারাম বেছে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন!!!
12/10/2022
সন্তানদের মধ্যে বৈষম্য করা হারাম"‼️🙂
আল্লাহ তাআলা সন্তান দিয়ে মানুষকে পরীক্ষা করেন। তিনি কাউকে পুত্রসন্তান দান করেন। কাউকে কন্যাসন্তান দান করেন। কাউকে পুত্র-কন্যা উভয়টি দান করেন। কাউকে এক সন্তান আর কাউকে একাধিক সন্তান দান করেন। একাধিক সন্তানের বেলায় মাতা-পিতার দায়িত্ব সব সন্তানকে সমান দৃষ্টিতে দেখা। শোনা যায়, কোথাও কোথাও পুত্রসন্তানদের মধ্যে এক ছেলেকে অন্য ছেলের ওপর প্রাধান্য দেওয়া হয়। ইসলামে এটিও নিষিদ্ধ। নুমান ইবনে বশির (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘একবার তাঁর পিতা তাকে নিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, আমি আমার এ ছেলেকে একটি গোলাম দান করেছি। রাসুল (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি তোমার সব সন্তানকেই এমন দান করেছ? পিতা জবাব দিলেন, না। রাসুল (সা.) বললেন, তাহলে এ গোলাম ফেরত নিয়ে নাও।’ (বুখারি, হাদিস : ২৫৮৬)
হাদিসের প্রসিদ্ধ ছয়টি কিতাবের মধ্যে ‘ইবনে মাজাহ’ ছাড়া বাকি পাঁচটিতেই ওপরে উল্লিখিত হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এ হাদিসের কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে : ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সন্তানদের মধ্যে ইনসাফ কায়েম করো।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৬২৩)
এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে এসেছে : ‘...যখন তোমরা কথা বলবে, তখন ন্যায্য কথা বলবে—যদিও তা স্বজনদের সম্পর্কে হয়। আর আল্লাহপ্রদত্ত অঙ্গীকার পূর্ণ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, যেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১৫২)
বেশির ভাগ মানুষের কিছু না কিছু সম্পদ থাকে। অনেকে মৃত্যুর সময় কোনো কোনো সন্তানকে সম্পত্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। এতে অন্যরা বঞ্চিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বিষয়ে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘কোনো কোনো ব্যক্তি ৭০ বছর ধরে (গোটা জীবন) নেক আমল করে। কিন্তু অসিয়ত করার সময় জুলুম করে। তখন একটি খারাপ কাজের মাধ্যমে তার জীবনের সমাপ্তি ঘটে। ফলে সে জাহান্নামে যায়। আর কোনো কোনো ব্যক্তি ৭০ বছর ধরে (গোটা জীবন) খারাপ কাজ করে। কিন্তু অসিয়ত করার সময় সে ইনসাফ করে। তখন একটি ভালো কাজের মাধ্যমে তার জীবনের সমাপ্তি ঘটে। ফলে সে জান্নাতে যায়।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ২৮৬৭; তিরমিজি, হাদিস : ২১১৭)
নামাযের সুন্নত ৫১টি
দাঁড়ানো মধ্যে ১১টি, কিরাআতে ৭টি, রুকুতে ৮টি, সিজদায় ১২টি, বৈঠকে ১৩টি।
দাঁড়ানো অবস্থার সুন্নত ১১টি।
১।তাকবীরে তাহরীমা সময় সোজা হয়ে দাঁড়ানো। অর্থা মাথা না ঝুঁকানো। শামী ত্বাহতাবী
২পায়ের আঙ্গুল গুলো কেবলার দিকে রাখা, দুই পায়ের মাঝখানে চার আঙুল পরিমাণ ফাঁকা রাখা মুস্তাহাব। মকরাকিল ফালাহ ঃ২৬২
৩। মুক্তাদির তাকবীরে তাহরীমা ইমামের তাকবীরে তাহরীমার পরক্ষণেই হওয়া।-মারাকিল ফালাহ ২৫৭
৪। তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠানো এবং হাতের আঙ্গুল গুলো কিবলার দিকে রাখা। -আবূ দউত ঃ ১/১০৫
৫। ত্কবীরে তাহরীমার সময় হাতের তালু কেবলার দিকে রাখা। - শামী ঃ ১/
৬। হাতের আঙ্গুগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় খোলা রাখা।
-শামী ১/৩৫৬
৭। ডানহাতের তালু বাম হাতের তালুর পিঠের ওপর রাখা। -ত্বাহতাবী ঃ ১৪০
৮।ডান হাতের বৃদ্বাঙ্গুল ও কনিষ্ঠ আঙ্গুল দ্বারা বাম হাতের ওপর কব্জি পেঁচিয়ে ধরা।- তাহতাবী ঃ ১৪১
৯। মধ্যের তিন আঙ্গুল বাম হাতের কব্জির ওপর বিছিয়ে রাখা। তাহতাবী
১০। নাভির নিচে হাত বাঁধা।
১১। ছানা পড়া। - ই'লাউস সুনান ঃ ২/১৭৪
যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️ অনুগ্রহ পূর্বক একটু পড়ুন,ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।
এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।
তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?
লোকটি বলল, জি দেখেছি।
শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?
লোকটি বললো, কুকুর।
শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে
বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?
লোকটি বললো, ছাগল।
শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন,
"ছাগলকে জবেহ করা হয়, এরপর ও ছাগলের
সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না।
এটা কি বরকত নয়?
লোকটি বললো, এর কারণ কি- ছাগলের মধ্যে
বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?
শায়খ বললেন, ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়।
আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।
একটু_চিন্তার_বিষয়,
নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।
আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে
হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই।
অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?
03/10/2022
ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ-
১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।
২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।
৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।
৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।
৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।
৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।
৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।
৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।
৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।
১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।
১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।
১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।
১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।
১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।
১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।ধন্যবাদ
02/10/2022
এক লোক তার স্ত্রীর গায়ে হাত তুললো!
তাতে রাগ করে স্ত্রী বললো: আমি অভিযোগ করতে যাচ্ছি।
স্বামী: তোমাকে বাহিরে যাওয়ার অনুমতি কে দিবে?
স্ত্রী: তুমি কি মনে কর যে, তুমি আমাকে বাধা দিতে পারবে?
স্বামী: তুমি যা ইচ্ছা তাই কর। দেখি তোমার দৌড় কতটুকু?
স্ত্রী সাথে সাথে বাথরুমে ঢুকে পড়লো।
তাই লোকটি চিন্তা করলো: হয়তো সে বাথরুমের জানালা দিয়ে বাহিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাই লোকটি বাসার বাহিরে গিয়ে ভালো ভাবে দেখলো।
না..... তেমন কিছু বুঝা যাচ্ছেনা।
একটু পর ঘরে এসে দেখলো যে, স্ত্রী ওযু করে বাথরুম থেকে বাহির হয়েছে। লোকটিকে উদ্দেশ্য করে বললো:
আমি তার কাছেই অভিযোগ জানাবো যিনি আমাকে তোমার অধিনস্ত বানিয়েছেন। সেখানে তোমার কোন দেয়াল নেই, নেই কোন দরজা যা দিয়ে তুমি আমাকে বাধা দিবে।
তার দরজা তো বন্ধ করা যায়না।
লোকটি আর কিছু বললোনা। টেনশনে পড়ে গেলো।
স্ত্রী; নামাযে দাড়িয়ে পড়লো। নামাযের মধ্যে সিজদা অনেক লম্বা করে দিলো।
সময় গড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু সিজদা তো শেষ হয়না। অনেক ক্ষন পর নামায শেষ হলো।
নামায যখন শেষ করে স্ত্রী যখন দু’হাত উঠালো তখন লোকটি তার হাত ধরে ফেলে বললো: সিজদায় আমার জন্য যে পরিমাণ বদ দোয়া করেছো তাতে কি যতেষ্ট হয়নি?
আল্লাহুর শপথ করে বলছি: এই একটু রাগারাগি আমি ইচ্ছা করে করিনি।
তুমি আর বদ দোয়া করোনা। প্লীজ!!
তখন স্ত্রী বললো: এই জন্যই আমি তোমার জন্য বদ দোয়া করিনি। আমি বদ দোআ করেছি শয়তানের জন্য। আমি কি এতই বলদ যে, আমার স্বামীর জন্য বদ দোয়া করবো।
যাকে আমি জীবন দিয়ে ভালোবাসি।
কথাটি শুনে লোকটির চোখে অশ্রু চলে আসে। স্ত্রীর হাতে চুমু খেয়ে বললো: আমি তোমাকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি: আর কখনো তোমাকে কষ্ট দিবোনা।♥️
~"আমি সব বোনকে বলছি না"~
~"কিছু বোনকে বলতেছি,কেউ রাগ করবেন না"~
~"বোন আপনি আপনাকে কতো টুকু চিনেন...?
_আপনি জানেন....
ইসলামের সর্বপ্রথম শহীদ মহিলা.....।
_আপনি কি জানেন....
সর্বপ্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন একজন মহিলা...।
_আপনি কি জানেন....
আল্লাহ একজন মানুষকে সালাম দিয়েছিলেন,,তিনি ছিলেন একজন মহিলা....।
_আপনি কি জানেন.....
ডেলিভারিতে আপনার মৃত্যু হলে আপনি শহীদ হবেন....।
কেন এই সামান্য জিন্দেগীতে আল্লাহর নাফরমানী করছেন বোন...
৫০০০ টাকা দিয়ে চুল সিল্ক করতে পারেন,,
কিন্তু কেন ৫ টাকা দিয়ে ব্যান্ড কিনে চুল বাধতে পারেন না..কেন খোলা চুলে ঘুরেন...?
৪০০০ টাকা দিয়ে দামি জামা কিনতে পারেন,,কিন্তু ১০০ টাকা দিয়ে উড়না কিনে বুকটা ডাকতে পারেন না...?
১০০ টাকা দিয়ে মেহেদী লাগাতে পারেন,,
কিন্তু ২ টাকা দিয়ে ব্লেড কিনে নখগুলো কাটতে পারেন না...?
৩০০০ টাকা দিয়ে জিন্সের প্যান্ট কিনতে পারেন,,
৫০০ টাকা দিয়ে একটি বোরকা কিনতে পারেন না..?
~"(হে আমার বোন)"~
যারা আজকে আপনাকে সমান অধিকার দেওয়ার নামে আপনাকে রাস্তায় বের করে এনেছে,,মনে রাখবেন কেয়ামতের দিন এরাই আপনাকে জাহান্নামে টেনে নিয়ে যাবে...।
সময় থাকতে সাবধান হবেন আশা করি.....।
এবং রাবেয়া বসরীর (র.)এর মতো আমার বোনেরা দ্বীনের সঠিক পথে চলতে পারে..
আল্লাহ যেন তাওফিক দান করেন...।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল বোনদের জানতে,মানতে ও আমল করার তাওফিক দান করুক......🤲🤲🕋🕋
🥀আমিন🥀
ইসলামিক পোষ্ট পেতে ফলো করেন
🙂__স্বামী -স্ত্রী দুজনে রাতের খাবার এক সাথে খেয়ে ঘুমাতে গেলো,🙃
স্ত্রী কোন কথা না বলে চুপ করে রুমে গিয়ে শুয়ে পরল।
স্বামী-স্ত্রীকে বলল কি হয়েছে তোমার!
স্ত্রী:-একটু অভিমান করে বলল,আমার কিছু হয়নি,
স্বামী:- সত্যি করে বল,তোমার কিছু হয়নিই
স্ত্রী:-আরো একটু বেশি অভিমান নিয়ে বলল,না আমার কিছু হয়নি।
স্বামী অপর পাশে গিয়ে শুয়ে পরলেন
কিছুক্ষন পর স্বামী লক্ষ করে দেখলেন স্ত্রী কান্না করতেছে,🥺
স্বামী:-এই পাগলি কি হয়েছে তোমার কেন কান্না করতেছো? প্লিজ বল আমাকে,
স্ত্রী:- এ কথা শুনে স্বামীকে বুকে ঝরিয়ে ধরে আরো অঝরে কান্না করতে লাগলো,কিছুতেই কান্না থামছে না,স্বামী অনেক অনুরোদ করার পর ,,
স্ত্রী কাদো কাদো কন্ঠে বলতেছে,😭
স্ত্রী:- আজ তুমি আমাকে ভালবাসা কম দিয়েছো,আদর কম করেছো,আজ বাহিরে যাওয়ার সময় কপালে চুমু দাওনি ,ঝরিয়ে ধরনি,বাহির থেকে আসার পরও কপালে চুমু দাওনি জরিয়ে ধরনি,তোমার এই ভালোবাসা কমে যাওয়াটা আমি সহ্য করতে পারছি না,আমি টাকা-পয়সা,সোনা-দানা,বাড়ি-গাড়ি কিছুই চাই না,আমি শুধু তোমার ভালোবাসা চাই,প্লিজ তোমার ভালোবাসার দ্বারা আমাকে আগলে রেখো,
স্বামী স্ত্রীকে বুকে জরিয়ে ধরে চোখের পানি ছেরে দিয়ে বলছে ,আজকের মত আমাকে ক্ষমা করে দাও
"ইন শা আল্লাহ" ,আর কখনো তোমাকে ভালোবাসা কম দিবো না,☺️♥️
স্ত্রী :- ওগো স্বামী তুমি কেন কান্না করতেছে
স্বামী :- আমি কান্না করতেছি আল্লাহর ভয়ে,তোমার এই অভিযোগ যদি আল্লাহর দরবাবে চলে যায় ,তাহলে কাল কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবো
স্ত্রী:- তোমার কথা আমি আল্লাহর কাছে কখনো অভিযোগ করি না ইনশা আল্লাহ কখনো করবও না কারন তুমি আমার জান্নাতের সাথী..!♥️💞♥️
স্ত্রীকে সব সময় খুশি করা সুন্নত।
সংসার যৌথ হলেও সব সময় তার জন্য আলাদা কিছু নিয়ে আসা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা বাড়ায়।
মেয়েদের একটা জন্মগত স্বভাব হলো তারা " উপহার বা সারপ্রাইজ নিতে পছন্দ করে " আমি ছোট্ট একটা চকলেট বা এক টুকরো গোলাপ দিয়েই স্ত্রীকে যারপর নাই খুশি করতে পারেন।
এমন কিছু তাকে কখনোই বলবেননা, যেটির দ্বারা তার মা বাবাকে অপমান করা হয়। বরং সবর ও কৌশলে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করুন। কখনো অন্য কোন মেয়ের প্রসংসা স্ত্রীর সামনে করবেননা। এটি অন্যায় ও গোনাহের কাজও বটে।
স্ত্রীদের উচিত কখনো স্বামীর সামনে পরনারীর সম্পর্কে প্রসংসা না করে। স্বামীর সাথে খুনশুটি করা বা দুষ্টামি করা দুজনের মধ্যে ভালবাসা বাড়িয়ে দেয়।
স্ত্রীকে রাগানো বা দুষ্টামি করে হাসানো সুন্নত।
কখনো কখনো তাকে নিয়ে বিকেলে তার পছন্দের জিনিস খেতে যাওয়াও উত্তম নেকির কাজ।
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক তখনই সুখে ভরে উঠে যখন একজন আরেকজনকে বুঝার চেষ্টা করে। স্ত্রীর দোষ তালাশ করা বার বার তাকে কষ্ট দেয়া সংসার নষ্ট করে দেয়।
ভালবাসা হোক হালাল ও সুপ্রিয়।
সম্পর্ক গুলি হোক এক টুকরো গোলাপের পাপড়ি।
#ফজরে নিয়মিত হওয়ার জন্য একটা 'চ্যালেঞ্জ’ নেওয়া যেতে পারে। ত্রিশ দিনের চ্যালেঞ্জ। এই ত্রিশ দিনে তিন রকম ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
১ম দশ দিন : এই দশ দিনে একপ্রকার 'জোর' করেই ফজরে জেগে উঠুন। যেভাবেই হোক জেগে উঠুন। হোক অ্যালার্ম দিয়ে। হােক অন্যকে বলে রেখে। লক্ষ্য একটাই—ফজর সালাত আপনি পড়বেনই।
মাঝের দশ দিন : প্রথম দশ দিন টানা জামাআতে ফজর আদায় করতে পারলে, মাঝের দশ দিনে আপনি এমনিতেই ফজরে জাগতে পারবেন। কারণ, আপনি একটি রুটিনের মধ্যে চলে এসেছেন ইতিমধ্যে। এই দশ দিন ফজরে জাগার জন্য আপনাকে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না। দেখা যাবে, ফজরে জাগার জন্য আপনি রাতে আগে আগে ঘুমাতে চলে যাচ্ছেন। ঘুমের পূর্বের দুআগুলো পাঠ করছেন। 'ফজরে জাগবেন মর্মে’ নিয়ত নিয়ে ঘুমাতে যাচ্ছেন যার ফলে ফজরে জাগা এখন আপনার জন্য অধিকতর সহজ।
শেষের দশ দিন : এই দশ দিনে আপনি অন্য রকম একটা অভিজ্ঞতার মুখামুখি হবেন। ফজরের জন্য আপনি তো এখন জাগবেনই, অধিকন্তু, আপনি এখন ফজরের ওয়াক্তের ২০ থেকে ২৫ মিনিট আগে উঠে যেতে পারবেন। এই সময়গুলাতে আপনি তাহাজ্জুদ সালাত পড়বেন। জায়নামাজে আল্লাহর কাছে সঁপে দেবেন নিজেকে। এই দশ দিনে এক অন্য মানুষে পরিণত হবেন আপনি। ফজরে নিয়মিত হয়ে যেতে পেরে এখন তাহাজ্জুদের জন্য আপনার মন ব্যকুল হয়ে থাকবে। আপনার মনে হবে, ‘ফজরের বিশ মিনিট আগে জেগে যদি তাহাজ্জুদটা পড়া যায়, অন্তত দুই রাকআত, তা-ই বা কম কীসে? জাগবই যখন, আরেকটু আগেই না হয় জাগলাম।'
এই ‘৩০ দিনের চ্যালেঞ্জটা' একবার নিয়ে দেখুন। আমি বিশ্বাস করি, আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে এই পদ্ধতি কার্যকরী ভূমিকা রাখবে, ইন শা আল্লাহ।
বই: বেলা ফুরাবার আগে
লেখক: আরিফ আজাদ
গর্ভে যাদের সন্তান মারা যায়, তাদের জন্য প্রিয়নবীর ঘোষণা...
ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ! সন্তান গর্ভে মারা যাওয়ার পর মা যদি ধৈর্য ধরে, ঐ গর্ভস্থ সন্তান কিয়ামতের দিন তার মাকে তার নাড়ি দিয়ে জড়িয়ে-বেঁধে টেনে টেনে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে!
[ ইবনে মাজাহঃ ১৬০৯, মুসনাদে আহমাদঃ ২২০৯০, সহিহ সনদ]
ছোট্ট বাবু তার মাকে আঁচল নয়, নাড়ি ধরে টানছে জান্নাতের দিকে... আহ! ভাবা যায় কি মনকাড়া হবে সে দৃশ্য... আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার!!
শিশু বয়সে মৃত্যুবরণকারী সন্তানদের জান্নাতে উড়ে বেড়ানো প্রজাপতির সঙ্গে উপমা দেওয়া হয়েছে। হজরত আবু হাসসান (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হজরত আবু হুরায়রাকে (রা.) বললাম, ‘আমার দুটি সন্তান মারা গিয়েছে। আপনি কি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর থেকে থেকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করবেন, যাতে আমরা অন্তরে সান্ত্বনা পেতে পারি?’ তখন আবু হুরায়রা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমি নবীজিকে (সা.) বলতে শুনেছি, ‘ছোট বয়সে মৃত্যুবরণকারী সন্তানেরা জান্নাতের প্রজাপতির মতো। তাদের কেউ যখন পিতা কিংবা পিতা-মাতা উভয়ের সঙ্গে মিলিত হবে, তখন তার পরিধানের কাপড় কিংবা হাত ধরবে, যেভাবে এখন আমি তোমার কাপড়ের আঁচল ধরেছি। এরপর সেই কাপড় কিংবা হাত আর পরিত্যাগ করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালা তাকে তার মা-বাবাসহ জান্নাতে প্রবেশ না করাবেন। (মুসলিম : ৬৩৭০)
সুতরাং সত্যিই গোনাহ ছাড়া মুমিনের কোনো বিপদও নেই। এবং হারানো বা আফসোসের কিছু নেই। বরং এগুলোর সবই আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ।
যারা এদের নিয়ে ঠাট্টা করে তাদের জন্যে দুনিয়া ও আখিরাতে ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
আল্লাহ সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন। আমিন
01/10/2022
১. ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান।
২.ওই দিনের পুরোটা আল্লাহর জিম্মায় থাকার দুর্লভ সৌভাগ্য। ফজরের নামাজ পড়লেই শুধু এ-ঈর্ষণীয় সৌভাগ্য লাভ করা যাবে।
৩. ফজরের নামাজ কেয়ামতের দিন নূর হয়ে দেখা দেবে।
৪.জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাত প্রাপ্তির সুসংবাদ।
৫.মুনাফেকি থেকে মুক্তি পাবে
৬.সরাসরি আল্লাহর দরবারে নিজের নাম আলোচিত হবে।
৭.দুনিয়া আখেরাতের সেরা বস্তু অর্জিত হয়ে যাবে।
৮.পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে, যদি সে সূর্য ওঠা পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকে।
৯.তুলনাহীন গণিমত লাভ করবে।
১০. কেয়ামতের দিন সরাসরি আল্লাহকে দেখার সৌভাগ্য লাভ। আর এটি হচ্ছে সর্বোত্তম পুরস্কার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
67 Outer Circular Road Boro Mogbazar
Dhaka
0192
