Ammar zarif
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ammar zarif, Health/Beauty, Malkhanagar , sirajdikhan, munshigonj, Dhaka.
28/09/2023
18/08/2022
সফর অবস্থায় সালাত ছুটে গেলে বাড়িতে এসে পূর্ণ পড়তে হবে; কসর নয়
প্রশ্ন: সফর অবস্থায় কসর সালাত যদি কোন কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেনে আদায় করা সম্ভব না হয় তাহলে কি ঐ জোহরের কসর বাড়িতে এসে আসরের সাথে জমা হিসেবে পড়া যাবে? নাকি তা কাজা হয়ে যাবে? আমি কসর হিসেবে বাসায় এসে দু রাকআত পড়েছি। তাহলে কি এখন চার রাকআত কাজা আদায় করতে হবে?
উত্তর:
জানা কর্তব্য যে, সফর অবস্থায় জোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশা একসাথে জমা করে পড়া জায়েজ আছে। অগ্রিম অথবা বিলম্বে। অর্থাৎ জোহরের সময় জোহর, অতপর আসর একসাথে অথবা আসরের সময় জোহর ও আসর একসাথে। একই কথা মাগরিব এবং ইশার সালাতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
উভয় ক্ষেত্রে কসর তথা চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত করে পড়তে হয়। আর সফর অবস্থায় সুন্নত নামাজ না পড়াই সুন্নত-কেবল ফজরের দুই রাকাআত এবং বিতির সালাত ব্যতিরেকে।
সুতরাং যদি সফর অবস্থায় ট্রেনে জোরের সালাত আদায় করা সম্ভব না হয় এবং মাগরিবের পূর্বে গন্তব্যে এসে পৌঁছেন তাহলে সেখানে দুই নামাজ একসাথে পড়ে নেবেন। অর্থাৎ প্রথমে জোহর, অতঃপর আসর সালাত পড়বেন।
উল্লেখ্য যে, সফর অবস্থায় ছুটে যাওয়া নামাজ বাড়িতে ফেরার পর পূর্ণ পড়তে হবে নাকি কসর পড়তে হবে সে বিষয়ে আলেমদের মাঝে দ্বিমত রয়েছে। এই ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী মত হল, সফর থেকে নিজ এলাকায় ফিরে আসার পর কসরের বিধান প্রযোজ্য হবে না অর্থাৎ পরিপূর্ণ নামাজ আদায় করতে হবে।
কেননা সফর অবস্থায় মানুষ নানা অসুবিধায় থাকে। সে কারণে মানুষের জন্য সহজ করণার্থে আল্লাহ তাআলা কসর বা নামাজকে সংক্ষিপ্ত করার বিধান দিয়েছেন। কিন্তু বাড়ি পৌঁছে গেলে তো আর সফরের সমস্যাগুলো থাকছে না। তাই বাড়িতে সফর অবস্থার ছুটে যাওয়া নামাজ কসর করা ঠিক নয়।
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি আল্লামা আব্দুল আজিজ বিন বাজ বলেন,
فالمسافر إذا فاتته صلاة وهو في السفر، وأداها في الحضر؛ فإنه يؤديها أربعًا، يسردها كلها لقول النبي ﷺ: من نام عن الصلاة، أو نسيها؛ فليصلها إذا ذكرها، لا كفارة لها إلا ذلك فإذا نسيها في السفر، أو نام عنها، فلم يتنبه إلا بعدما جاء بلده؛ فإنه يصليها تامة كاملة، ويسردها في الحال، سواء ثنتين، أو ثلاثًا، أو أكثر، يسردها في الحال، ولا يؤخر
"মুসাফিরের যদি সফর অবস্থায় সালাত ছুটে যায় তাহলে সে আবাসে ফিরে এলে পূর্ণ চার রাকাত আদায় করবে।"
আপনি যদি জোহরের ৪ রাকাআত পড়ে থাকেন তাহলে এখন ওযু করে আরও দু রাকআত আদায় করে দিন। আর সুন্নতগুলো সহ পড়লে আরও উত্তম।
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
আরো পড়ুন---
সফর অবস্থায় নামায এবং গাড়ির মধ্যে তা পড়ার পদ্ধতি
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=565178200568396&id=235040300248856
সর্বনিম্ন কত দিনের সফর হলে সালাতে কসরের বিধান প্রযোজ্য হবে?
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=419198981832986&id=235040300248856
সফরে থাকা অবস্থায় নামাজের নিয়ম
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=550558175363732&id=235040300248856
কখন কখন দুই ওয়াক্তের সালাত একত্রে জমা করা যাবে?
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=417322742020610&id=235040300248856
07/08/2022
“কিয়ামতের দিন মানুষ তাদের মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে”-মর্মে বর্ণিত হাদিসটি জাল/বানোয়াট
প্রশ্ন: এমন কোন হাদিস কি আছে যে মৃত্যুর পরে মানুষ মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে?
উত্তর:
মৃত্যুর পরে মানুষ মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে এমন একটি হাদীস পাওয়া যায় কিন্তু সেটি মওজু বা বানোয়াট তথা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নামে মিথ্যাচার। এটা কোন হাদিস নয়।
উক্ত বানোয়াট হাদিসটি নিম্নরূপ:
يدعى الناس يوم القيامة بأمهاتهم سترا من الله عز وجل عليهم موضوع - رواه ابن عدي
“কিয়ামতের দিন লোকদেরকে ডাকা হবে তাদের মায়েদের পরিচয়ে, আল্লাহর পক্ষ হতে তাদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য।” [ইবনে আদি]
এ হাদিসটি জাল।
◈ হাদিসটি কেন জাল তার বিস্তারিত বিবরণ মুহাদ্দিসদের ভাষায়-
এটি ইবনে আদি [২/১৭] ইসহাক ইবনে ইবরাহীম তাবারী হতে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর বলেছেন, এ সনদে হাদিসটির ভাষা মুনকার। ইসহাক ইবনে ইবরাহিম মুনকারুল হাদিস।
ইবনে হিব্বান বলেন, তিনি ইবনে ওয়াইনা এবং ফুযায়েল ইবনে আইয়াশ হতে নিতান্তই মুনকার হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদিস নিয়ে এসেছেন। আশ্চর্য হবার উদ্দেশ্য ছাড়া তার হাদিস লিখাই হালাল নয়।
হাকিম বলেন, তিনি ফুযায়েল এবং ইবনে ওয়াইনা হতে কতিপয় জাল হাদিস বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল জাওযি হাদিসটি “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে [৩/২৪৮] ইবনে আদির সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেন, হাদিসটি সহিহ নয়। কারণ ইসহাক মুনকারুল হাদিস।
সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে [২/৪৪৯] তার সমালোচনা করে বলেছেন, তাবারানীর নিকট তার অন্য সূত্র আছে। কিন্তু এটির ভাষা হচ্ছে 'بأمهاتهم' (তাদের মায়ের নাম ধরে) আর তার (তাবারানীর) ভাষা হচ্ছে 'بأسمائهم' (তাদের নাম ধরে)। দুটির মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট।
ইবনে আররাক তার প্রতিবাদ করে বলেছেন (২/৩৮১)- এটি আবু হুযাইফা ইসহাক ইবনে বিশর সূত্রে বর্ণিত, শাহেদ (সাক্ষ্য) হিসাবে সঠিক হবে না।
আমি (আলবানী) বলছি, “কারণ শাহেদ (সাক্ষ্য) হওয়ার শর্ত হচ্ছে, দুর্বলতা যেন বেশি শক্তিশালী না হয়। কিন্তু এটি এরূপ নয়। কারণ ইসহাক ইবনে বিশরকে হাদিস জালকারীদের মধ্যে গণ্য করা হয়। যেমনটি ২২৩ নং হাদিসের আলোচনায় গেছে।”
[উৎস: hadithbd-যঈফ ও জাল হাদিস, ১/ বিবিধ]
◈ সঠিক কথা হল, কিয়ামতের দিন মানুষ তার পিতার পরিচয়ে পরিচিত হবে। নিম্নোক্ত হাদীসটি তার প্রমাণ:
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
إِذَا جَمَعَ اللَّهُ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرْفَعُ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ فَقِيلَ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ
“হাশরের মাঠে আল্লাহ যখন সমস্ত মানুষকে একত্রিত করবেন তখন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতক এবং প্রতারকের জন্য একটি করে নিশানা স্থাপন করা হবে এবং বলা হবে এটি অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাস ঘাতকতার নিশানা।" [মুসলিম, কিতাবুল জিহাদ।]
এখানে বলা হয়েছে: فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ “উমুকের ছেলে উমুক।” আরবিতে فُلَانِ (উমুক) শব্দটি পুরুষ লিঙ্গ।
সুতরাং এখান থেকে স্পষ্ট হয় যে, মৃত্যুর পর মানুষ তার মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে - এটি সম্পূর্ণ বাতিল কথা। বরং সঠিক কথা হল, মানুষ পরিচিত হবে তার পিতার পরিচয়ে। আল্লাহু আলাম।
◍ আরও পড়ুন:
➤ নিজের নামের সাথে পিতার পরিবর্তে স্বামীর নাম যুক্ত করা এবং স্বামীর নামে পরিচয় দেয়া হারাম
https://www.facebook.com/Guidance2TheRightPath/photos/a.251877328565153/1338371796582362/
➤ নিজের জন্মদাতা বাবা/মা ছাড়া অন্য কাউকে বাবা/মা বলা জায়েজ আছে কি?
https://www.facebook.com/Guidance2TheRightPath/posts/398470583905826
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদি আরব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Malkhanagar , Sirajdikhan, Munshigonj
Dhaka
