Bangla Health And Fitness Tips

Bangla Health And Fitness Tips

Share

Bangla Health And Fitness Tips for Bangladeshi and Bangla language users

রমজান মাসে চোখে যে সমস্যাগুলা দেখা দিতে পারে | Dhaka Eye Care Hospital 12/04/2023

রমজান মাসে চোখে যে সমস্যাগুলা দেখা দিতে পারে | Dhaka Eye Care Hospital

রমজান মাসে চোখে যে সমস্যাগুলা দেখা দিতে পারে | Dhaka Eye Care Hospital রমজান মাসে চোখে যে সমস্যাগুলা দেখা দিতে পারে | Dhaka Eye Care HospitalOther Episodes👉 ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়ার অনুভূতি প্রকাশ করলেন মেহেদ....

ছোট ও বড়দের মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যাবহারে চোখের ক্ষতিকর দিক এবং প্রতিকার | Dhaka Eye Care Hospital 04/04/2023

ছোট ও বড়দের মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যাবহারে চোখের ক্ষতিকর দিক এবং প্রতিকার | Dhaka Eye Care Hospital

ছোট ও বড়দের মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যাবহারে চোখের ক্ষতিকর দিক এবং প্রতিকার | Dhaka Eye Care Hospital ছোট ও বড়দের মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যাবহারে চোখের ক্ষতিকর দিক এবং এর প্রতিকার | Harmful aspects of using mobile or computer in children and adults and its reme...

যে লক্ষণ দেখলে বুঝা যায় রোগীর ইউভিআইটিস রোগটি হয়েছে | Dhaka Eye Care Hospital 04/04/2023

যে লক্ষণ দেখলে বুঝা যায় রোগীর ইউভিআইটিস রোগটি হয়েছে | Dhaka Eye Care Hospital

যে লক্ষণ দেখলে বুঝা যায় রোগীর ইউভিআইটিস রোগটি হয়েছে | Dhaka Eye Care Hospital যে লক্ষণ দেখলে বুঝা যায় রোগীর ইউভিআইটিস রোগটি হয়েছে | Dhaka Eye Care HospitalOther Episodes👉 ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়ার অনুভূতি প্রকাশ করলে....

ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়া মুক্ত পাখির মত দেখার অনুভূতি শেয়ার করলেন | Dhaka Eye Care Hospital 03/04/2023

ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়া দেখার অনুভূতি | Dhaka Eye Care Hospital

ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়া মুক্ত পাখির মত দেখার অনুভূতি শেয়ার করলেন | Dhaka Eye Care Hospital ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়া মুক্ত পাখির মত দেখার অনুভূতি শেয়ার করলেন | Dhaka Eye Care HospitalOther Episodes👉 ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়ার অনুভূতি ...

গ্লকোমা রোগ কি শুধু বড়দের হয়ে থাকে নাকি ছোটদেরও হয়ে থাকে জেনে নিন | Dhaka Eye Care Hospital 03/04/2023

https://youtu.be/1FurTQoSNkE

চোখের গ্লকোমা রোগ কি শুধু বড়দের হয়ে থাকে নাকি ছোটদেরও হয়ে থাকে জেনে নিন | Dhaka Eye Care Hospital

গ্লকোমা রোগ কি শুধু বড়দের হয়ে থাকে নাকি ছোটদেরও হয়ে থাকে জেনে নিন | Dhaka Eye Care Hospital গ্লকোমা রোগ কি শুধু বড়দের হয়ে থাকে নাকি ছোটদেরও হয়ে থাকে জেনে নিন | Dhaka Eye Care HospitalOther Episodes👉 ল্যাসিকের পর চশমা ছাড়ার অনুভূত.....

23/02/2023

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️ অনুগ্রহ পূর্বক একটু পড়ুন,ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।
এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।
তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?
লোকটি বলল, জি দেখেছি।
শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?
লোকটি বললো, কুকুর।
শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে
বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?
লোকটি বললো, ছাগল।
শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন,
"ছাগলকে জবেহ করা হয়, এরপর ও ছাগলের
সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না।
এটা কি বরকত নয়?
লোকটি বললো, এর কারণ কি- ছাগলের মধ্যে
বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?
শায়খ বললেন, ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়।
আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।
একটু_চিন্তার_বিষয়,
নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।
আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে
হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই।
অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?
আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই আর ভাবি - আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেনো?
আবার গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘদিন রাত জাগলে শরীরে আটটি মারাত্মক রোগ হতে পারে
১ উচ্চ রক্তচাপ
২, হার্টের মারাত্মক ক্ষতি
৩ ব্রেনের পাওয়ার কমে যাওয়া
৪,আয়ু কমে যাওয়া
৫, মানসিক অবসাদ বৃদ্ধি পাওয়া
৬, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া
৭, ত্বকের সৌন্দর্য কমে যাওয়া
৮ ওজন বৃদ্ধি পাওয়া ,এতে শারীরিক গঠন ও নষ্ট হতে পারে।
তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, তিনি আমাদের দোয়

Collected

02/07/2022

🏠আঁচিল দূর করতে হোমিওপ্যাথি কতটা কার্যকরি? কী কী ঔষধ ব্যবহার করা হয়?
🏠আঁচিল কি?
🏡আঁচিল হচ্ছে ছোট রুক্ষ প্রবৃদ্ধি যা ত্বকের উপর অনেকটা ফুলকপির মত বৃদ্ধি অথবা কঠিন ফোস্কার মত দেখায় । এটা সাধারণত মানুষের হাতে বা পায়ে অথবা শরীরের অন্যান্য স্থানে দেখা দেয় । মানবদেহে ১০ রকমের আঁচিল বা ফুসকুড়ি হতে পারে,এর মধ্যে বেশিরভাগগুলোকেই নিরীহ প্রকৃতি।
🏗️আঁচিলের আকৃতি এবং আক্রান্ত স্থানের উপর ভিত্তি করে অনেক ধরনের আঁচিল শনাক্ত করা হয়। এবং হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
আঁচিল আমাদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে আকারে ছোট, মাংসল বর্ধিত হয়,এমন কিছু আঁচিল আছে যেটা কখনো ব্যথা করে না বা চুলকায় না।
🌋আঁচিল আকৃতিতে গোলাকার বা লম্বাটে, সাধারণত যেগুলো খুব সরু বৃন্তের মাধ্যমে আপনার ত্বকের সাথে যুক্ত থাকে।
আবার কিছু আঁচিল ক্ষতযুক্ত, রক্তস্রাবযুক্ত এবং বেদনা যুক্ত।
⛰️আঁচিল আকারে ছোট, এক ধরণের বিনাইন টিউমার, যে সব টিউমার ক্যানসার সৃষ্টি করে না তাদের বিনাইন টিউমার বলা হয়। অর্থাৎ, এই টিউমার গুলো আশেপাশের টিস্যুকে আক্রমণ করে না বা ছড়ায় না )। আঁচিলকে ননক্যানসারাস (noncancerous) বলা হয়।
🌍আঁচিল মূলত একটি বৃন্ত (Stalk) এর সাহায্যে ত্বকে লেগে থাকে, যাকে Peduncle বলা হয়। সাধারণতঃ আঁচিল হলে কোনো ধরণের ব্যথা অনুভূত হয় না। অনেকে তো বুঝতেও পারে না যে তার আঁচিল হয়েছে, যতক্ষণ না চোখে পড়েছে। মেডিক্যাল এর ভাষায় আঁচিলকে অনেক নামে ডাকা হয়। যেমনঃ acrochordon, fibroepithelial polyp, cutaneous papilloma ও soft fibroma ।
🌐নারী-পুরুষ উভয়েই আঁচিল হতে পারে । তবে, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আঁচিল হওয়ার হারও বেড়ে যায়।
🗺️মেলানোসাইট আমাদের ত্বকের সর্বত্র সুষম ভাবে বণ্টিত (uniformly distributed)। কিন্তু কোনো কারণে যদি অনিয়ন্ত্রিত হয়, তখন কোষ বিভাজনের ফলে ত্বকের কোনো অংশে একত্রিত ভাবে একগুচ্ছ মেলানোসাইটের জন্ম ও বৃদ্ধি হয় (grow in cluster) তাহলেই আঁচিলের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
🗾আঁচিল আসলে ত্বকের রোগ নয়
এটা এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমণের কারণে তৈরি হয়।
🧭এই ভাইরাসের নাম হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস।
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস - HPV (Human Papillomavirus) কি ?
🏝️ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভিস/HPVs) একটি একক ভাইরাস নয় বরং প্রায় ১২০ টি ভিন্ন প্রজাতির একটি বিশাল পরিবার যা মানুষকে সংক্রমণ করে।
🏔️তবে প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণ জীবন চক্রে সাধারণ ঘটনা।
⛰️এইচপিভি সংক্রমণ হল, সবচেয়ে সাধারণ যৌনবাহিত সংক্রমণগুলির মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের ভাইরাস সংক্রমণ।
যা পুরুষ ও মহিলা উভয়কেই সংক্রামিত করে।
🌋এইচপিভি সংক্রমণের উপসর্গগুলি শরীরের মধ্যে প্রবেশ করা ভাইরাসের ধরনের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
বেশীরভাগ এইচপিভি ভাইরাসের প্রসারণে আঁচিল বা উপমাংসের সৃষ্টি করে।
🏕️এইচপিভি সাধারণত সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করে,
🏖️ এই ভাইরাস শরীরে কোনো কাটা, বা খোলা ক্ষতের মাধ্যমেও প্রবেশ করতে পারে।
🏜️আঁচিলে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খুব ভালো কাজ করে।
🏝️আঁচিলের ধরন,অবস্থান ও অনান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন করতে হয়।
🏟️সাধারন মানুষের ধারণা থুজা ( THUJA) একমাত্র আঁচিলের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ।
🧱কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়।
🏘️তবে 'থুজা'কে আঁচিলে ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।
🏠এখন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিয়ে আলোচনা করছি।
এছাড়া আরও অনেক হোমিওপ্যাথি ঔষধ আছে যা আঁচিলে ভালো করে।
🏡১).THUJA OC 200/1M
যে আঁচিল গুলো থুজায় ভালো কাজ করে তা নিন্মে দেওয়া হলো, এই গুলো মধ্যে যে কোন একটি সদৃশ্য পেলে এই ঔষধ ভালো কাজ করে।
THUJA র সাধারণত আঁচিল বৃন্তযুক্ত হয়।
🏢১). কলার মোচার মতো আকার,সহজে ফাটে যায়
২).বড় বীজের মতো দেখতে।
৩).খোঁজা-মারা বেদনা যুক্ত আঁচিল হতে পারে, আবার বেদনা না-ও থাকতে পারে।
৪).জননেন্দ্রিয় ও গুহ্যদ্বারে অবস্থিত আঁচিল।
৫). জিহ্বার উপর অবস্থিত আঁচিল।
৬).কখনো নরম চুলকানিযুক্ত ও চেপ্টা, চওড়া আঁচিলেও ভালো কাজ করে।
৭).নাক, মুখমন্ডল ও আঙ্গুলের আঁচিলে ভালো কাজ করে।
৮). শৃঙ্গের মতো খাঁজ কাটা আঁচিলে কাজ করে।
৯). কানের পিছনে,
ঠোঁটে,
বাম গন্ডস্থলে,
চেখের ভ্রুর উপর,
হাতের পৃষ্টে,
বুড়ো আঙুলে,
আঙুলের ধারে বা নখের ধারে,
বাহুর উপর,
লিঙ্গমুণ্ডে ও
অন্ডকোষে ভালো কাজ করে।
🏣২).CAUSTICUM 200/1M
থুজা কে আঁচিলের প্রধান ঔষধ ধরলে দ্বিতীয় স্থানে কশ্টিকাম (CAUSTICUM).
CAUSTICUM আঁচিল সাধারনতঃ নিরেট, আকারে ক্ষুদ্র ও থেবড়ো ( flat) কিম্বা সূচালো ( horney) হতে পারে।
এই আঁচিল সাধারনতঃ
চোখের পাতায়,
নাকের ডগায়,
হাতের আঙুলে,
আঙুলের মাথায়,
হাতের তর্জনী আঙুলে
নখের ধারে
মুখের ওপর,
ভ্রুতে,
মাংসল স্থানে,
ঝুলিয়ে থাকে এরুপ
লাল বর্ণ আঁচিল হলে,
এছাড়াও
যে আঁচিল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাবে সারা শরীরে
ছড়ানো থাকে সে ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।
🏥৩).CALCAREA CARB 200/1M
আঁচিল নিয়ে আলোচনার আগে, calcarea carbএর রোগীদের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
১). রোগী মোটা ও মেদপূর্ণ ও
পেট বড়।
২).রোগীর মাথা খুব ঘামে।বিশেষ করে মাথার পিছনে খুব ঘামে।
৩). ডিম খাইবার খুব প্রবনতা।
৪). এই ঔষধের
আঁচিল সাধারনতঃ গোলাকার, ফাঁপা এবং আঁচিলের রং শরীরের ত্বকের মতো।
ক্ষুদ্র বা বড়
কানের পিছনে,
বাম গন্ডস্থলে,
গলা এবং ঘাড়ের উপর,
চোখের পাতার উপর,
আঙুলের ধারে,
বাহুর উপর,
বুকে ও পা'য়ে দেখা যায়,
পুরুষ বা মহিলা উভয়ের যৌন অঙ্গে হতে পারে।
তবে CALCAREA CARB এর চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য থাকা চাই, তা'হলে কাজ করবে।
🏨৪).ACID NITRIC 200/1M
এই ঔষধ নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়।
যে আঁচিল দুর্গন্ধ রক্তস্রাবী ফুলকপির আকৃতি, ভেজা, শক্ত বা নরম।
সহজে রক্তপাত হয়।সে ক্ষত্রে ভালো কাজ করে।
খোঁচা-মারা বেদনাযুক্ত ও বৃন্তযুক্ত আঁচিল।
বিশেষ করে জননেন্দ্রিয় ও গুহ্যদ্বারে হলে ভালো কাজ করে।
চুলকানিযুক্ত আঁচিলে ভালো কাজ করে।
ঠোঁটের উপর,
কানের উপর,
নাকের ভিতর সহ
মিউকাস মেমব্রেন এবং ত্বকের সন্ধিস্থলের অনান্য স্থানে আঁচিলে ভালো কাজ করে।
যদি রোগীর প্রস্রাবে গন্ধ থাকে তবে ACID NITRIC একমাত্র ঔষধ।
🏚️৫).DULCAMARA 200/1M
'দলবদ্ধ' ভাবে একটি বা দুইটি বিশেষ স্থানে আঁচিল দেখা যায়। বিশেষ করে হাতের তালুর উল্টো পিঠে বা আঙুলে আঁচিল দেখা যায়। তবে ডাল্কামারা'র আঁচিল সাধারনতঃ বড়,কোমল,সমতল মাংসময় হয়।
৬).LYCOPODIUM 200/1M
এই ঔষধের আঁচিল সাধারনতঃ
১). চিবুকে,
২).দাড়ির স্থানে,
৩).বাহুতে,
৪).ডান হাতের তর্জনীতে হয়।
অনেক সময় আঁচিলগুলো ক্ষতযুক্ত ও বেদনাযুক্ত হয়।
🏡৭).NATRUM MUR 200/1M
হাতের তালু আঁচিল হলে খুব ভালো কাজ করে, তবে মনে রাখা দরকার ন্যাট্রাম মিউর রোগীরা লবন খেতে পছন্দ করে।
🏠৮). ANTIM CURD 200/ 1M
ঔষধ টি হাতের তালু আঁচিলে কাজ করে।
সাধারনতঃ এই আঁচিল গুলো ভঙ্গুর প্রকৃতি হয়।
🏘️৯).NATRUM SULPH 200M /1M
১).হাতের 'অনামিকা' আঙুলে আঁচিল হলে ভালো কাজ করে।
২) পেটে ও উরুর মাঝে আঁচিলে কাজ করে।
🏗️১০).RANANCULUS B 200/1M
'বৃদ্ধা আঙুলে' আঁচিল হলে ভালো কাজ করে। এছাড়া LACHESIS বা THUJA ও কাজ করে।
🏘️১১).FERRUM MET 200/1M
বাঁ হাতের কব্জিতে আঁচিল হলে ভালো কাজ করে।
🏚️১২). NATRUM CARB 200/1M
পিঠের আঁচিলে এই ঔষধ ভালো কাজ করে।
🏛️১৩). CONDURANGO 200/1M
মুখের কোণে আঁচিল ভালো কাজ করে।
🏜️১৪).AURUM MUR NAT.200/1M
জিহ্বায় আঁচিল হলে ভালো কাজ করে।
🏨১৫).SPAIGEALIA 200/1M
পায়ের আঙুলে আঁচিল হলে ভালো কাজ করে।
এ ছাড়া হোমিওপ্যাথিকে আরো আঁচিলের জন্য ঔষধ আছে।
🌈আঁচিলের জন্য বাহ্যিক ( EXTRANUL USE) ঔষধ *★*
THUJA OC Q এবং ACID NITRIC Q ( Mother tincture)
3:1 মিশিয়ে দিনে তিন বার আঁচিলে লাগালে ভালো কাজ করে। তবে সব আঁচিলে কাজ করবে না। শুধু External use করলে কাজ হবে না, সঠিক সাদৃশ্য পূর্ণ ঔষধ খেতে হবে।
আঁচিল দূর করার ঘরোয়া চিকিৎসা ঃ-
ঘৃত কুমারী ( ALOE VERA GEL)।
অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। আঁচিলে উপর কিছু পরিমাণ তাজা অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ম্যাসেজ করুন। জেল শুকিয়ে যাওয়া পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুই থেকে তিন ব্যবহার করুন, মনে রাখবেন তাজা অ্যালোভেরা থেকে হলুদ কষ বের করে নিতে হবে।
🌀বিশেষ কথা জেনে রাখা ভালো। ★* ঃ- শরীর কে রোগ মুক্ত করতে প্রতিদিন আহারে ৫০% খাবার ফল এবং স্যালাট খান অথাৎ কাঁচা পাকা ফল কাঁচা সব্জি খান এতে শরীরে পটাসিয়াম ও সোডিয়াম পরিমাণের সমতা বজায় রাখে। পটাসিয়াম ও সোডিয়াম ১ঃ১ থাকলে কোন রোগ আক্রান্তের হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে । হলেও autophagy মাধ্যমে শরীর তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।
🌀হোমিওপ্যাথিক টিপস

11/05/2022

বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই ২টি পরীক্ষা নিয়মিত করুন।
১) ব্লাড প্রেসার
২) ব্লাড সুগার

༆৩টি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বেড়ে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করা
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা
৩) সবসময় দুঃখে কাতর থাকা

𖣔৪টি খাবার যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন
২) চিনি
৩) অতিরিক্ত চর্বি ও ভাজাপোড়া খাবার
৪) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসড ফুড

۞৪টি খাবার বেশি করে খান
১) সব রকমের সবুজ শাক সব্জি
২) দেশীয় ফলমূল
৩) বিভিন্ন ধরনের বাদাম
৪) প্রোটিন জাতীয় খাবার

𖣘৫টি কাজ দেরী না করে আগেই করবেন
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া

᯽৬টি জিনিষের চর্চা করুন
১) অহংকার না করা
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা ও হাঁটা
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন করা

☆৭টি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য বা ঋণ
২) লোভ
৩) অলসতা
৪) ঘৃণা
৫) সময়ের অপচয়
৬) পরচর্চা, পরনিন্দা
৭) কোন রূপ নেশা বা আসক্তি

𖣔সুখী হতে ৭টি জিনিস সাথে রাখুন
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার
৩) সবসময় সুচিন্তা
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া

সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন।
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”

12/02/2022

চির তরুন থাকার টিপস্ঃ
ডাঃ- দেবী শেঠী
নাজমুল এইচ নিবিড় এর টাইমলাইন থেকে নেওয়াঃ

১. খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের
মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি
খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।
২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি
খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক
কাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে
দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।
৩. সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি
খাবেন।
৪. পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা
জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার
বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে
উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস
করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও
সেরে যায়।
৫. অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা
গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি
চায়নিজ হারবাল মেডিসিন । সেকালে এই চা দিয়ে
হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের
নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার
আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে
রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে
নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ
রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে
চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।
৬. ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ এর
গুণাগুণ অসংখ্য। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার
মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে।
তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না।
প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে
সাহায্য করে। আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো,
কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে
বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
৭. ধূমপানসহ সকল ধরণের নেশা জাতীয় অভ্যাস
ত্যাগ করুণ। কারণ নেশা মানুষকে সকল দিক দিয়ে
ধ্বংস করে দেয়।
৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া
ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের
মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস
খাওয়া চলতে পারে।
৯. প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি,
তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি
খাওয়া উচিত।
ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি,
মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে,
তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।
১০. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন
কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।
১১. বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক
চামচ মধু খাবেন।
১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের
মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো।
কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া
ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।
১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ
ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে
হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ
থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।
১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস
করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে
সাহায্য করে ।

ডা. দেবী শেঠী

© BigyanPoka - বিজ্ঞানপোকা

10/01/2022

১৮ + লেখা । কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ :)
মাস্টারবেশন /হস্তমৈথুন এর কারনে আমাদের কিভাবে ক্ষতি হয় ? একটি মনোবৈজ্ঞানিক আলোচনা :)
আমরা চলি ও আমাদের চালায় আমাদের ব্রেন। আমরা সুস্থ থাকব কি অসুস্থ হব এ বিষয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্রেইন নিয়ন্ত্রণ করে। ( সব ক্ষেত্রে না )
আমাদের মনকে তিন ভাগে ভাগ করতে পারি
১) চেতন অবস্থা
২) অচেতন অবস্থা
৩) অবচেতন অবস্থা।
আপনি আমার এই পোস্ট পড়ছেন তার অর্থ আপনি চেতন অবস্থায় আছেন।
আপনি যদি ঘুমিয়ে যান অথবা অজ্ঞান হয়ে যান তাহলে আপনি অচেতন অবস্থায় থাকবেন।
এছাড়া মাঝামাঝি একটা অবস্থায় আছে যেটাকে আমরা বলি অবচেতন মন, এই অবচেতন মন আমাদের সকল বিষয় প্রোগ্রাম করে রাখে। ঠিক কম্পিউটারের মত।
একটা কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম দেওয়া থাকে,তারপর আপনি আপনার ইচ্ছামত যে কোন প্রোগ্রাম কে ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যে প্রোগ্রাম ইন্সটল করবেন এগুলো হচ্ছে সফটওয়্যার।
সফটওয়্যার যেমন পজিটিভ আছে, নেগেটিভ ও আছে , পজিটিভ সফটওয়্যার হলো যা আমাদের ভালো কাজে লাগে। যেমন এমএস ওয়ার্ড, ফটোশপ ইত্যাদি। আর নেগেটিভ সফটওয়্যার হচ্ছে ভাইরাস। এই ভাইরাস একটা কম্পিউটার কে শেষ করে।যদিও এই ভাইরাসটি ধরা যায়না দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, অথচ এই ভাইরাস দেখা যায় ধরা যায় ছোঁয়া যায় এমন একটা ফিজিক্যাল বস্তু কম্পিউটারের যন্ত্রাংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলতে পারে।
তেমনি কম্পিউটারের মত আমাদের অবচেতন মনে দুইভাবে প্রোগ্রাম হয় তথ্যগুলো।
১) ইতিবাচক প্রোগ্রাম
২) নেতিবাচক প্রোগ্রাম।
অর্থাৎ কেউ যদি বলে যে তুমি জীবনে অনেক বড় হবে , বা কোন মোটিভেশনাল কথা শুনে তখন তার মধ্যে উদ্দীপনা শুরু হয় সে উজ্জীবিত হয়। আর যদি একটা মানুষকে একটা নেগেটিভ কথা বলা হয় তখন ঐ মানুষটা ঐ নেগেটিভ কথা দ্বারা প্রভাবিত হয় ।
এটা হচ্ছে প্রমাণিত সত্যি কথা।
এখন, যে মানুষটা মাস্টারবেশন করে ফেলেছে, করা হয়ে গেছে, অতীত হয়ে গেছে। মানুষটা আর মাস্টারবেশন করতে চাচ্ছেনা ধর্মীয় নিষেধের কারনে।
এখন যদি কেউ এই মানুষটার সামনে বলে যে মাস্টারবেশন করলে এই রোগ হবে, ওই রোগ হবে, যৌন অক্ষমতা তৈরি হবে ......... ইত্যাদি ইত্যাদি, তাহলে ওই মানুষটা ভয় পেয়ে যাবে এবং তার অবচেতন মনে একটা নেগেটিভ প্রোগ্রাম তৈরি হবে।
কারণ সে তো অলরেডি মাস্টারবেশন করে ফেলছে এবং সে চিন্তা করবে যে সে অনেক বড় ভুল করে ফেলছে। এর ফলে সে অসুস্থ হয়ে যাবে।
যদিও মেডিকেল সাইন্স বলে এর ফলে শারীরিক কোনো ক্ষতি হয় না , তবুও সে অসুস্থ হয়ে যাবে , কারন হলো এটা নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা।
আর এটা সত্যি হিসেবে যত বেশি সে মনে করবে তত বেশি অসুস্থ হবে। এই অসুস্থতা শারীরিক কারণে না , তার মানসিক নেগেটিভ প্রোগ্রামের কারণে। এর ফলে সত্যি সত্যি মানুষটা অসুস্থ্য হয়ে যাবে ।
আশা করি বুঝেছেন।
( বি: দ্র: ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুন হারাম ,তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুন হারাম হওয়ার কারনে আমরা কোনো ভাবেই এটাকে সমর্থন করি না । আগে আমার কাছে ধর্ম তারপর অন্য সব )
★ লেখক:
মোঃ ফাইজুল হক
১৯ বছরের অভিজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক ।
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত আয়ুর্বেদিক, ইউনানী এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। আয়ুর্বেদ তীর্থ।
( Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha )
Hijama/ Cupping Therapist
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
Trained on Managing Mental Health and Stress ( Coventry University , UK )
☎️ 01712 859950
☎️ 01972 859950

03/01/2022

কিছুদিন আগে একজন অর্থোপেডিক্সের কাছে গিয়েছিলাম হাটুর একটা সমস্যা নিয়ে। চেম্বারের বাইরে এক বাবা তার তিন বছরের বাচ্চাকে নিয়ে এসেছেন। বাচ্চাটির রিকেট রোগের কারনে দুই পা ধনুকের মত বাঁকা। ভিটামিন ডি এর অভাবে এই রোগ হয়ে থাকে অনেক বাচ্চার।

তো ভদ্রলোকের সাথে কথার এক ফাকে তিনি বললেন, তার বাচ্চার নাম আবরার। সুন্দর নাম। অর্থ নেককার। একটু পর আবার বললেন, পুরো নাম আ’রাজ আবরার।

আ’রাজ মানে ল্যাংড়া খোড়া, যার পায়ে কোন সমস্যা আছে এমন ব্যক্তিকে বলা হয়। ট্রিটমেন্ট করানোর পাশাপাশি তাই নামের এই অংশটি পাল্টে ফেলার অনুরোধ করলাম।

আমাদের বাসার পাশের গলিতে থাকেন এক ভাই। জন্মের পর থেকেই তার বাচ্চাটা অসুস্থ। বাচ্চার নাম রেখেছিলেন “রামিম”। রামিম মানে জীর্ণ শীর্ণ, ক্ষয়প্রাপ্ত। কুরআনের সুরা ইয়াসিনে decomposed অর্থে ব্যবহার হয়েছে। তাকেও বলেছিলাম, রামিম পাল্টে সালিম রাখেন। সালিম মানে নিরাপদ।

আরেক বোনের একমাত্র ছেলে মাত্র চার বছর বয়সে হঠাৎই মারা যায়। বেড়াতে গিয়েছিলেন। সবাই যখন দুপুরের খাবারে ব্যস্ত, ছেলেটি কোন ফাঁকে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। রাস্তার পাশে একটি ছোট পুকুরের মত। সেখানেই হঠাৎ করে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় তার।

তারা না জেনে তাদের এই ছেলের নাম রেখেছিলেন "তাবীব"। যার একটি অর্থ "ধ্বংসপ্রাপ্ত"। সুরা লাহাবের "তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাব" আয়াতে এই একই অর্থে শব্দটি verb/ ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।
আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে সবরের তাউফিক দিন।

—————-
নামের একটি প্রতিক্রিয়া আছে, এটি হাদিস দ্বারা প্রমানিত। পাশাপাশি, দুনিয়াতে ব্যবহৃত নামেই আমাদেরকে আখিরাতে ডাকা হবে। খারাপ নাম থাকলে খারাপ নামে, ভাল থাকলে ভাল।

কুরআন হাদিসে ব্যবহৃত হলেই কোন শব্দের অর্থ ভাল হয়ে যায় না। কুরআনে ফিরআউন, হামান, আবু লাহাবের নামও আছে। এসমস্ত নাম কুরআনের আয়াত হিসেবে পড়লে প্রতি অক্ষরে দশটি করে সাওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু কারো নাম হিসেবে যে এ শব্দগুলো ভাল নয়, তা তো সবাই বুঝে।

এজন্য কুরআন বা হাদিসের বই থেকে কোন শব্দ পছন্দ হলেই নাম রেখে না দেয়া। আনকমন নামের পেছনে না পড়া। কোন নির্ভরযোগ্য আলিমের সাথে পরামর্শ করা অবশ্যই জরুরী। গুগল করে বা নামের বই দেখে নিজে নিজে নাম রেখে দেয়াটা অনেক রিস্কি। নামের সঠিক উচ্চারন আপনি সাধারনত গুগুলে পাবেন না। উচ্চারনের পার্থ্যকের কারনে অর্থের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থ্যক্য হয়ে যায়। তাই এসব বিষয়গুলো একজন আলিমের পক্ষেই যেহেতু বোঝা সম্ভব, তাই অবশ্যই এমন কাউকে জিজ্ঞেস করে নিন।

প্রতিটি বাবা মার মনে রাখা দরকার, সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর তার একটি সুন্দর নাম রাখা তাদের দায়িত্ব। এটা সন্তানের হক। এই হক আদায়ে অবহেলা হলে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সতর্ক হওয়ার তাউফিক দিন।
©Rizwanul kabir

01/01/2022

সুন্নাহ্ মেনে চলুন…সুস্থ থাকুন !
পুরো দুনিয়াতে , ওবেসিটি ( মোটা হওয়া ) একটা বড় সমস্যা।
আমেরিকায় সর্বাধিক যে কারণে মানুষ মারা যায় , তা হল হার্ট এটাক, যার উৎপত্তি বেশী ফ্যাট খাওয়া থেকে। বেশি ফ্যাট মানে বেশি মোটা । বেশি মোটা মানে বেশি রোগ ।
খাবারের মাধ্যমে আমরা যে তেল-চর্বি খাই তার দ্বারা রক্তের মধ্যে চর্বির পরিমাণ বাড়ে । ফলে , করোনারি আর্টারিতে ব্লকেজ হয় , ফলাফল হার্ট অ্যাটাক , এছাড়াও রক্তের চর্বির কারণে ব্রেন স্ট্রোক , ফ্যাটি লিভার etc ... ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বাংলাদেশেও এখন শুরু হয়েছে। আজ অমুক, কাল তমুক হার্ট এটাকের স্বীকার হচ্ছেন। ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষই এখন মোটা।

একটু অবস্থাপন্ন পরিবারে গেলেই দেখবেন, মানুষগুলো মোটা হয়ে গেছে। কারও হার্ট এ প্রবলেম, কারো কিডনীতে। মূল কারণই বেশী খাওয়া।

এখানে একটা ব্যাপার উল্লেখযোগ্য, যেটাকে আপনি স্বাভাবিক খাওয়া ভাবছেন, আমি কিন্তু সেটাকেই বেশী খাওয়া বলছি। ওটা বেশী খাওয়া। ওরকম খেয়েই তো আপনি মোটা হচ্ছেন।
তাহলে সত্যিকারের সমাধান কি ?
একমাত্র সমাধান হলো , সুন্নত তরীকায় খান, পেটের তিন ভাগের এক ভাগ খাওয়া , এক ভাগ পানি, আর এক ভাগ ফাকা রাখুন -- এভাবে খান। পেটে ক্ষুধা থাকতে থাকতেই উঠে যান। পেট ভরে খাওয়ার কোন দরকার নাই।

মাংস বেশী খেলে ইউরিক এসিড বেড়ে যাবে শরীরে। তার থেকে শরীরের প্রতিটা জয়েন্টে বাতের ব্যাথা হবে। পুরো শরীর জুড়ে শুধু রোগ আর রোগ হবে। কিডনি রোগীদের জন্য প্রোটিন খাওয়া একদম নিষেধ , রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাবে । সারাদিন ডাক্তারের কাছে দৌড়াতে হবে ।
তারপর ডাক্তার আপনাকে ওষুধের সাথে পরামর্শ দিবে, অমুক ডায়েট , তমুক ডায়েট ফলো করেন।
এই সব ডায়েট টায়েট ভেজাল, অনেক হিসাব করা লাগে। এক একজনের ওজন উচ্চতা এবং রোগীর উপর ভিত্তি করে এক এক রকম ডায়েট ফলো করতে হয় । তাই আপনি একজন সুস্থ মানুষ হিসাবে এইসব ডায়েট এর জটিল হিসাব সব বাদ দিন।
রসূল(স) সহজ করে দিয়েছেন। তিন ভাগের এক ভাগ খাবেন, ব্যস , ঝামেল শেষ।

গরু /গোস্ত/মাছ খাবেন? ঠিক আছে,
২-৩ টুকরা খেলেই তো হয়, একবারে বেশি খাওয়ার দরকার কি?

সুন্নাহ্ মেনে চলুন…সুস্থ থাকুন !
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
পঞ্চতীর্থ
১৯ বছরের অভিজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Hijama/ Cupping Therapist
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
Trained on Managing Mental Health and Stress ( Coventry University , UK )
( ০১/০১/২০২২ ইং , হকের দরবার )

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka-Bangladesh
Dhaka