Baking By Fouzia
Welcome to Baking by Fouzia! Discover fun, creative, and easy baking & cooking ideas. Follow for tips, tutorials, and delicious inspiration.
Learn something new every day right from your kitchen!
জীবনে টেনশন যতই থাকুক এক প্লেট বিরিয়ানী সব কিছু শান্ত করে দেয়,কারন পেট ঠান্ডা তো দুনিয়ার সব কিছু ই ভালো লাগে।
যদিও আমি বিরিয়ানী লাভার না।তবে ছানাপোনাদের জন্য করতে ভালো ই লাগে,কারন আমি রান্না করতে অনেক বেশি ই ভালোবাসি!
#কাচ্চি
Baking By Fouzia
07/10/2025
একটু টক আর,অনেকটা ঝালে,সঙ্গী হয়েছে কাসুন্দির সাথে।দোষটা আমার না, ফ্রিজ থেকে যেনো চিৎকার দিয়ে বলছে জেগে ই যখন আছিস আমাকে নিয়ে খেলে ই তো পারিস! মনের সাথে অনেক কথার পরে মন পাগলে রাজী হয়েছে।তাই দেরী না করে ই একটু বানিয়ে নিলাম এই আর কি🤧😋
Baking By Fouzia
চুলে লুকানো আমার গল্প,যত্নে গড়া প্রতিটি ইঞ্চি ভালোবাসা।"
Just my hair, no filter, no fake shine — just care
“My hair is my crown
When ur hair tells ur story better than words...
Hair hold memories...
"আল্লাহ হুম্মা বারিক লাহু"
Baking By Fouzia
Sunsilk
28/07/2025
জুলাই টা আমার কাছে এক আতঙ্কের নাম,এই জুলাই তে আজ থেকে ৪বছর আগে আমি আমার সব থেকে কাছের মানুষ,আমার সব থেকে শান্তির স্থান আমার মা কে হারিয়ে ফেলি,
গত বছরের এই সময়ের জুলাই এ আপন মানুষ হারানোর ভয়ে নির্ঘুম রাত পার করেছি।আর আজকের জুলাই কত মা এর বুক খালি করে পাখি গুলোকে দূর আকাশে জান্নাতের পাখি বানিয়ে দিয়েছে।মা ছাড়া এই পৃথিবীতে থাকার যন্ত্রণা কতোটা ভয়াবহ সেটা কেবল জানে যার নেই।সব শূন্যতা পুরন হলেও মা এর শূন্য স্থান কেউ কখনও পূরন করতে পারে না।
মাইলস্টোন কলেজ বিমান ট্র্যাজেডি মা হারিয়ে ফেলেছে তাঁদের কলিজার টুকরা যাদের অনেক সাধনা, অনেক কষ্ট আর ত্যাগের পরে পেয়েছিলো।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সবাই কে হারানোর যন্ত্রণা সহ্য করার তৌফিক দান করুন।
Milestone School and College
২৬ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত নি’হতদের তালিকা:
24/07/2025
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনায় দগ্ধ অসংখ্য শিক্ষার্থীর জন্য এখন স্কিন ডোনেশন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।
Unit-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. মাহবুব হাসান (Room No: 345) জানিয়েছেন—
🔹স্কিন ডোনেশন এখনই প্রয়োজন।
🔹যাদের শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেছে, তাদের বাঁচাতে স্কিন গ্রাফটিং একমাত্র উপায়।
🔹সাধারণত উরুর (thigh) অংশ থেকে স্কিন নেয়া হয়।
🔹১৪ দিনের মধ্যে ডোনারের সেই অংশে রিকভারি হয়ে যায়।
🔹সামান্য স্কার (দাগ) থাকতে পারে, তবে কোনো বড় শারীরিক ক্ষতি হয় না।
📋সংক্ষেপে:
1. প্রথম দিন শুধু রক্ত পরীক্ষা (screening) করে বাড়ি ফিরে যাবেন।
2. রিপোর্ট ঠিক থাকলে ২ দিনের মধ্যে কল করে আপনাকে ডেকে ডোনেশন নেওয়া হবে।
3. সেদিনই ডে কেয়ারে পর্যবেক্ষণে রেখে রাতে ছেড়ে দেওয়া হবে।
আপনার দেওয়া স্কিন একটি প্রাণ বাঁচাতে পারে।
📞 দয়া করে আগ্রহী হলে দ্রুত যোগাযোগ করুন সংশ্লিষ্ট ইউনিটে। সময় খুবই সংকটাপন্ন।
আসুন, একসাথে দাঁড়াই এই মানবিক বিপর্যয়ের সময়ে।
আমাদের ছোট্ট এক পদক্ষেপ,কারো জন্য নতুন জীবন।
Milestone School and College
Baking By Fouzia
22/07/2025
মাইলস্টোনের ক্লাস থ্রির এই দুই সেকশনেই টোটাল ৭০ জন স্টুডেন্ট। লাস্ট আপডেট এটাই প্রকাশ করা হয়।
ঘটনার সময় Sky সেকশনের ৭ জন অনুপস্থিত ছিলো। বাকি ২৮ জন ক্লাসে ছিলো। এই সেকশনের কেউই বেঁচে নেই। সিএমএইচের মর্গে ৬ জনের মরদেহ রয়েছে, লাশগুলো এতোবেশি পুড়েছে যে সনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি।
শিশু রাইসামনির লাশ পরিবর্তিতে শনাক্ত করা হয়।
আগুনে এই দুই সেকশন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এখানেই লাশের সংখ্যা অনুমান করা যায়। বাকি ক্লাসগুলো তো পড়ে রইলো!
অথচ প্রথম আলোর নিউজ টা দেখুন - (শেষ ছবি)
অতঃপর "অপেক্ষা সেই দিনের যেদিন কলম আপনাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে".
উপরে যিনি আছেন তার কাছে প্রতিটি হিসেব আছেন,তিনি জানেন।হাশরের ময়দানে সকল বাবা,মা এর হিসেব মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজে ই হয়তো নিবেন।
আজ যা লুকোচুরি করছে তার সবটা ই হাশরে প্রকাশিত হবে প্রকাশ্যে।
Milestone School and College
Baking By Fouzia
22/07/2025
২১/৭/২০২৫
গতকাল সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বার্ণ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের আইসিইউতে ডিউটি তে যাই।আইসিইউ এর নার্সরা আমাকে আইসিইউতে অবস্থানের জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা গাউন,সু কভার এবং ক্যাপ দেন। সেগুলো পরার পরেও দরজা খুলে ভিতরে ঢোকার সাহস পাচ্ছিলাম না তখন। কিছুক্ষণ পর মনের জোরে ভিতরে ঢুকি।ঢোকার সাথে সাথেই আহত বাচ্চাদের গোঙানির শব্দে নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। একজন নার্স আমাকে একটা চেয়ার এগিয়ে দিয়ে বললেন বসতে।আমি সেই চেয়ার বসতে যাবো ঠিক তখনই একজন ডাক্তার এসে বলেন ১৭ নাম্বার বেডের পেশেন্ট এক্সপায়ারড। আপনি ওনার পরিবারের কাউকে ডাকেন এবং ওনাদের বইলেন একটা বড় বিছানার চাদরের ব্যবস্থা করতে।আমি উঠে চলে যাই বাইরে এবং মৃত ব্যক্তির পরিবারের একজন দুইজন সদস্য কে ডাক দেই এবং একটা বড় বিছানার চাদর আনতে বলি।ওনারা আমার কথা শুনেই আঁচ করতে পেরেছিলেন যে কি হয়েছে।এরপর ওনারা যখন বিছানার চাদর আমার হাতে দেন আমি সেটা নিয়ে চলে যাই ১৭ নাম্বার বেডের কাছে। আপাদমস্তক ব্যান্ডেজ থাকার কারণে বোঝার উপায় নেই নারী নাকি পুরুষ। কিন্তু বেডের সাইডে নেইমপ্লেট দেখে জানতে পারলাম ইনিই মাইলস্টোন স্কুলের মেহেরীন ম্যাডাম যিনি নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে অনেক শিক্ষার্থীদের সেইফ এক্সিট দিয়েছেন।এরপর নার্সদের সাথে ওনার মৃতদেহ স্ট্রেচার করে টেনে পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দিলাম।ভিতরে গিয়ে দাঁড়ানোর পর দেখলাম একটা বাচ্চা প্রচুর পরিমাণে ছটফট করছে আর অস্পষ্ট ভাষায় কি জানি বলতে চাচ্ছে।ডাক্তাররা ওনাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু শেষ রক্ষা আর হয়নি। একজন এসে আমাকে বললেন রোগী এক্সপায়ারড,গার্জিয়ান কে ডাক দেন।আমি উঠে গিয়ে অভিভাবককে ডেকে ডাক্তারের কাছে পাঠাই।এরই মধ্যে অনান্য আহত বাচ্চাদের বাবা মায়েরা বারবার আকুতি করছিলেন একটু হলেও নিজের বাচ্চাটাকে দেখতে। নিয়ম এবং নিরাপত্তার কারণে নিজেকে পাথর বানিয়ে তাদের চোখের জলকে উপেক্ষা করে তাদের কে ভিতরে যেতে দেই নাই। একজন মা বারবার বলছিলেন ভিতরে না যেতে পারলেও গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে দোয়া পড়তে চান।আমি আর না করি নাই।ওনার বাচ্চা ১১ নাম্বার বেডে ভর্তি ছিলো।কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে বললেন ১১ নাম্বার বেডের পেশেন্ট এক্সপায়ারড কিন্তু ওনার আম্মু কে ডাইকেন না,আপন বড় ভাই আছে একজন তারে ডাকেন।আমি আর আমার আমাদের ঢাবি নৌ শাখার আরেকজন সিইউও হৃদি ছুটে যাই সেই বড় ভাইকে ডাকতে। কিছুক্ষণ পর ভাই আসেন। ওনাকে আমরা ধরে নিয়ে যাই ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার যখন বললেন আমাদের মাফ করেন তখন সেই ভাইয়ের কান্না সহ্য করার মতো ছিলো না। ডাক্তার নিজেও কান্না করে দিসেন।এরপর আমাদের কাছে শেষবারের মতো নিজের ছোটো ভাইটাকে দেখার ইচ্ছা জানালেন।আমরা ওনাকে ধরে নিয়ে যাই। আগুনে ঝলসানো ছোটো ভাইকে একবার কোলে নিতে চাইসিলেন তিনি। শরীরের একমাত্র পায়ের আঙ্গুল গুলো অক্ষত ছিলো,সেই আঙুলেই বারবার পরম মমতায় চুমু খাচ্ছিলেন।এরপর আরকি,সেই বিছানার চাদর আনানো এবং চাদর পেঁচিয়ে মৃতদেহ বুঝিয়ে দেয়া।একটু বসে পানি খাচ্ছিলাম তখনই একজন নার্স এসে দুইটা বেডের পেশেন্টর বাসার লোক ডাকতে বললেন।কারন জিজ্ঞাসা করলে বললেন দুই জনই মাত্র মা*রা গেছেন।এরই মধ্যে এক বাবা এসে বললেন উপরের তলার আইসিইউতে ওনার ছোটো ছেলেটা কিছুক্ষণ আগে মারা গেছে,বড় ছেলেটা এখানে ভর্তি। একটু একটা বার শেষ সম্বল সন্তানকে দেখতে চান।কথা বলার সময় উনি বারবার পরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নিয়মের বেড়ার কারণে আবারো নিজেকে পাথর বানাতে হয়েছিলো। হাঁফিয়ে উঠেছিলাম চোখের সামনে এক এক করে বাচ্চাগুলোকে ছটফট করে ম*রতে দেখে। ডাক্তাররা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।মধ্যরাতে ডিউটি শেষ করে যখন নিচে নামছিলাম তখন ১১ নাম্বার বেডের সেই মৃত বাচ্চাটির মা আমার হাত ধরে বলেছিলেন, "আম্মু তুমি তো ছিলা ভিতরে,আমার বাবাটা মারা যাওয়ার সময় কি খুব কষ্ট পাইসিলো?ও কি আমারে ডাকসিলো?"আমার বাবাটারে ডান দিকে কাত করে শোয়াইয়া দিয়ো"
আমি একটা শব্দও মুখ থেকে বের করতে পারি নাই।
যে আমি একটু রক্ত দেখলেই ভয় পাই সেই আমি গতকাল ছোটো ছোটো বাচ্চা গুলোর লাশ ধরেছি।কত বাবা মায়ের আর্তনাদের সামনে নিজেকে পাথর বানিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
এই স্মৃতিরা আমাকে আর ঘুমাতে দিবে না,, সবসময় আমাকে তাড়া করে বেড়াবে।
বাচ্চারা,,তোমরা যেখানেই থাকো,,ভালো থেকো। ঈশ্বর তোমাদের শান্তি প্রদান করুক।
তোমাদের ছুটি হয়ে গেছে,,এবার বাড়ি যাওয়ার পালা...
Milestone School and College
Baking By Fouzia
22/07/2025
মাইলস্টোনের উপর বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যাদের পাওয়া যাচ্ছে না-
১। সাইবা জাহান (ক্লাস ফোর, আইডি- ২২৭৬)
২। সাজিদ আহমেদ সানি (এইচএসসি ক্যান্ডিডেট)
৩। মাহতাব রহমান (ক্লাস সেভেন, আইডি- ১০১৪)
৪। নুসরাত জাহান আনিকা (ক্লাস থ্রি, মারা গেছে বাবুটা)
৫। এরিকসন (জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটে আছে)
৬। নাজিহা (ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে আছে)
৭। মোনতাহা তোয়া কর্নো (ক্লাস থ্রি, আইডি- ২০৩১)
৮। আফিয়া উম্মে মরিয়ম (ক্লাস থ্রি, বিভাগ- আকাশ)
৯। সোহান হাসান নিহাদ (খোঁজ পাওয়া গেছে, সুস্থ আছে)
১০। মুহতাসিম হক ফুয়াদ (ক্লাস এইট, সুস্থ আছে পাওয়া গেছে)
১১। আসমাউল হুসনা জায়রা (ক্লাস থ্রি, সুস্থ তবে অভিভাবক খোঁজা হচ্ছে)
১২। সাদ সালাহউদ্দিন (ক্লাস থ্রি)
১৩। লামিয়া আক্তার সোনিয়া (পোড়া রোগীর পকেট থেকে আইডি কার্ড পাওয়া গেছে)
১৪। রাফসি আক্তার রাফি (ক্লাস ফোর, আইডি- ২৩৫৭ ওর বাবা-মা'কে খুঁজছি)
১৫। সায়মা আক্তার (ক্লাস থ্রি, বিভাগ- ক্লাউড, সিএমএইচে মারা গেছে)
১৬। এমডি জিহাদ (কলেজ শিক্ষার্থী, সুস্থ আছে পাওয়া গেছে)
১৭। মেহনাজ আফরিন হুমাইরা (ক্লাস টু, আইডি-১৮২৫ বাবুটা মারা গেছে)
১৮। রাইসা (ক্লাস থ্রি, বার্ন ইনস্টিটিউটে পাওয়া গেছে)
(এই পোস্টটি আপডেট হতে থাকবে)
বার্ণ ইন্সটিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ
– এ সর্বশেষ দগ্ধ রোগীদের ভর্তির তালিকা-
তালিকাভুক্ত দগ্ধরা হলেন:
1. শামীম ইউসুফ (১৪)
2. কাব্য (বয়স অনির্দিষ্ট)
3. আবিদূর রহমান (১০)
4. রুফিয়া বড়ুয়া (১০)
5. সায়েম ইউসুফ (১৪)
6. তানভির (বয়স অনির্দিষ্ট)
7. মুনতাহা (১০)
8. নাফি (৯)
9. মেহেনুর (১২)
10. আয়ান (১৪)
11. জায়মা (১৩)
12. লোরিন (৩০)
13. রোহান (১৪)
14. আবিদ (৯)
15. আশরাফ (৩৭)
16. ইউশা (১১)
17. পায়েল (১২)
18. আলবেরা (১০)
19. তাসমিয়া (১৫)
20. মাহিয়া (বয়স অনির্দিষ্ট)
21. সায়েবা (৯)
22. ফয়েজ (১৪)
23. মাসুমা (৩৮)
24. মাহাতাব (১৪)
25. শামীম (১৪)
26. জাকির (৫৫)
27. নিলয় (বয়স অনির্দিষ্ট)
28 . সায়রা (১০)
29. নাফিজ (বয়স অনির্দিষ্ট)
30. তৌফিক (১৩)
31. নিশি (২৮)
32. নুসরাত (১২)
33. আরিয়ান (১৩)
34. বাপ্পি (১০)
35. জুনায়েদ (১২)
36. তাসনুবা মাহবিন (১১)
37. ফারজানা ইয়াসমিন রিনা (৪৫)
38. মাকিন (১৫)
39. শ্রেয়া (৯)
40. ইরিকশন (১৩)
41. রাইসা (১১)
এই ৪২ জন রোগী বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন। যাদের সন্তান নিখোঁজ, অনুগ্রহ করে নাম দেখে মিলিয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ রইলো।
বিঃদ্রঃ- বিস্তারিত জানতে ও সহযোগিতার জন্য বার্ণ ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করুন।
Milestone School and College
Baking By Fouzia
গত বছর এই সময়ে আন্দোলনে #মুগ্ধ' ফ্রি তে পানি বিলিয়ে ছিলেন।
আর এ বছর বাচ্চাদের পোড়া শরীরে ঠান্ডা পানির দরকারে
২ লিটার পানির দাম নাকি ৬০০ টাকা পর্যন্ত গেছে?ক্যান্টিন বন্ধ করে দেয় পানির বিল কে দিবে??রিকশা চালকরা ৩০,৪০ টাকার ভাড়া ১০০ -১৫০টাকা নিয়েছে।সিএনজি চালক রা ভাড়া দাবী করেছে ১০০০থেকে ১৫০০টাকা।আবার মৃত লাশের ফ্রিজ ভ্যান গুলো ১০-১২হাজার টাকার ভাড়া চেয়েছে ২৫ হাজার টাকা। আচ্ছা ভাই তোরা কি চিরঞ্জীবীর সময় নিয়ে আসছিস??ভেবে দেখিস যা করেছিস তার সবটা ই ফেরত পাবি।আমরা নাকি সৃষ্টির সেরা জীব?আশরাফুল মাখলুকাত বলা হয় আমাদেরকে।
আজকের পর থেকে কোন রিকশাওয়ালা বা সিএনজির ড্রাইভার কে ১ টাকাও বেশী দাবি করলে দিবেন নাহ।
আজ যদি শোনে যে কালকে কিয়ামত হবে তাহলে কি কাফনের কাপড়ের দাম টা ও এভাবে ই বাড়িয়ে দিবে?
মানুষ হয়ে পৃথিবীতে আসলেও মনুষ্যত্ব নিয়ে জন্মাতে পারিনি।
আল্লাহ শেফা দান করুন।
Milestone School and College এর সকল বাবা,মা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এই শোক এই ভয়াবহতা কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দান করুন।
Baking By Fouzia
21/07/2025
রাত এখন ৪.১৭ মিনিট
বাবা মা--রা নিশ্চয়ই জামা,বই,খেলনা,,এক্সট্রা টিফিন বক্স বুকে জাপটে ধরে চিৎকার করে কান্না করছে???
যারা *ম*রে* যায় তারা আসলে বেচে যায়!
জিন্দা *লা*শ* বানিয়ে দিয়ে যায় কাছের মানুষগুলোকে.....গত বছর এই সময়ে নির্ঘুম রাত পার করেছি কখন আবার সকাল হলে মা এর বুক খালি হয়ে যাবে।আর আজ নির্ঘুম রাত পার করছি এই ভাবনায় ছোট্ট পাখি গুলো গতকাল রাতে ও তো মায়ের বুকে জাপটে ছিলো।আজ সেই বুকটা ও খালি আর পারবে না কলিজার টুকরা গুলোকে আগলে ধরতে,ঘুম পাড়ানির কবিতা, না হয় গান গেয়ে শোনাতে।
জীবিত থেকে ও লাশ হয়ে থাকার যন্ত্রণা বড্ড ভয়ানক।
Milestone School and College প্রতিটি বাবা মা এর এই শূন্যতা সহ্য করার তৌফিক দান করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka
