MegaDeal.com.BD
26/10/2022
অ্যালোভেরা জুস থেকে পেতে পারেন আট উপকার!
শরীরকে যদি চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে অ্যালোভেরার রস খাওয়া শুরু করে দিন। কারণ বেশ কিছু গবেষণায় একথা প্রমাণ হয়ে গেছে যে, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার যেমন কোনও বিকল্প নেই, তেমনি এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগিয়ে আরও অনেক রোগকেই দূরে রাখা সম্ভব। যেমন ধরুন...
১. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়, যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতেও সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। ফলে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়।
২. ক্ষতের চিকিৎসায় কাজে আসে
রোজের ডায়েটে এই প্রকৃতিক উপাদানটিকে জায়গা করে দিলে দেখবেন কখনও শরীরে কোনও চোট-আঘাত লাগলে সেই ক্ষত সারতে সময় লাগবে না। কারণ অ্যালোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে, যে কোনও ধরনের ক্ষত সারতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, ক্ষতের উপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।
৩. নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হয়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে প্রয়োজনীয় হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করে। ফলে হরমেনাল ইমব্যালেন্স হওয়ার মতো সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, প্যানক্রিয়াস সংক্রান্ত নানা রোগের চিকিৎসাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল সেই উপাদান, যা আমাদের শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেলকে যদি তুলসি, করলা অথবা আমলকির রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে আরও বেশি উপকার মেলে। সে ক্ষেত্রে ভিতর এবং বাইরে থেকে শরীরের ক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে
14/10/2022
05/10/2022
সাজনা পাতার গুণাগুণ : বিজ্ঞানীরা মনে করেন সজিনার পাতা পুষ্টিগুণের আঁধার। নিরামিষভোগীরা সজিনার পাতা থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন। পরিমাণের ভিত্তিতে তুলনা করলে একই ওজনের সজিনা পাতায় কমলা লেবুর ৭ গুণ ভিটামিন-সি, দুধের ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ, গাজরের ৪ গুণ ভিটামিন-এ, কলার ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, সজিনা পাতায় ৪২% আমিষ, ১২৫% ক্যালসিয়াম, ৬১% ম্যাগনোসিয়াম, ৪১% পটাশিয়াম, ৭১% লৌহ, ২৭২% ভিটামিন-এ এবং ২২% ভিটামিন-সি সহ দেহের আবশ্যকীয় বহু পুষ্টি উপাদান থাকে।
এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে। দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।
সাজনা ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে।
০১. শরীর ব্যথা : শরীরের কোনো স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড়ের প্রলেপ দিলে ব্যথা ও ফোলা সেরে যায়।
০২. কান ব্যথা : সজিনার শিকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।
০৩. মাথা ব্যথা : সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করলে মাথা ব্যথা সেরে যায়।
০৪. ফোঁড়া সারায় : সজিনার আঠার প্রলেপ দিলে ফোঁড়া সেরে যায়।
০৫. মূত্রপাথরি ও হাঁপানি : সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মূত্রপাথরি দূর হয়। ফুলের রস হাঁপানি রোগের বিশেষ উপকারী।
০৬. গ্যাস থেকে রক্ষা : সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।
০৭. কুকুরের কামড়ে : সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।
০৮. জ্বর ও সর্দি : পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।
০৯. বহুমূত্র রোগ : সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।
১০. কোষ্ঠকাঠিন্য ও দৃষ্টিশক্তি : সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
১১. সজিনা ফুল দুধের সাথে রান্না করে নিয়মিত খেলে কামশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। এর চাটনি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
১২. গেঁটে বাত : সজিনার ফল নিয়মিত রান্না করে খেলে গেঁটে বাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
১৩. ক্রিমিনাশক ও টিটেনাস : সজিনার কচি ফল ক্রিমিনাশক, লিভার ও প্লীহাদোষ নিবারক, প্যারালাইসিস ও টিটেনাস রোগে হিতকর।
১৪. অবশতা, সায়াটিকা : সজিনার বীজের তেল মালিশ করলে বিভিন্ন বাত বেদনা, অবসতা, সায়াটিকা, বোধহীনতা ও চর্মরোগ দূর হয়।
১৫. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়।
১৬. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়।
১৭. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী।
১৮. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে।
১৯. ইন্টেস্টাইন ও প্রোস্টেট সংক্রমণ : সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
২০. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে।
30/09/2022
■ হাওড়্যা লতা☘️🍀
(লতা পাতার গুণাবলি)
সোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ।
এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক।
কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এই যে আমারা আজও সেই মুক্তো মানিক চিনতেই পারিনি।
আমরা এগুলোকে পা দিয়ে মাড়িয়ে চলে যাই,তারপরও ভেবে দেখিনি, জেনেও দেখিনি কোন উপকারে আসবে কিনা।
রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে,বনে বাগানে হাজারো উপকারী গাছপালা, লতাপাতা আছে যা আমাদের প্রাকৃতিক সুরক্ষার দেয় , পাশাপাশি অনেক সুবিধাও দিয়ে থাকে। আজ আপনাদের জানাবো এমনই এক উপকারী গাছের কথা।
■ রিফুজি লতা'র পরিচয়
বাংলা নাম রিফুজি লতা বা আসামি লতা। বৈজ্ঞানিক নাম Mikania micantha । আসামলতা, কইয়া লতা, বুচিলতা, তরুলতা, রিফুজি লতা, শঙ্খুনি লতা, ইত্যাদি নামে এটাকে ডাকা হয়। এই লতা অতি বৃদ্ধিপ্রবল, একবার বেড়ে উঠবার সুযোগ পেলে বিপুলভাবে ছড়িয়ে পড়ে, জড়িয়ে ধরে অন্য গাছের শাখা-প্রশাখা।
রিফুজি লতা বনে-জঙ্গলে, পতিত জমিতে বা পথের পাশে যেখানে ফোটে সে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হতেই থাকে। রিফুজি লতার কোন ধরনের যত্ন না নিলেও চলে,এটি একবার বেয়ে গেলে আর সহজে মরে না।
■ রিফুজি লতা'র ঔষধী গুনাগুন
* প্রসাবে জ্বলাপোড়ায় নিয়মিত পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* লিভারের যে কোন সমস্যায় এই পাতার রস অনেক উপকার করে।
* চোখ লাল হয়ে গেলে এই পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* পাকস্থলীর প্রদাহ হলে আদার সাথে তিনটি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন।
* এই পাতার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* শরীরের কাটা ছেঁড়ায় এ লতার পাতা পিষে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা বেধে রাখুন, জোড়া লেগে যাবে।
* বসন্ত বা হাম হয়েছে যাদের, তারা রিফুজি পাতা পিষে রস পানির সাথে মিশিয়ে পু্রো শরীর ধুয়ে ফেলুন।
* রক্ত দূষিত হলে ৭দিন প্রতি সকালে খালি পেটে আধা-কাপ পাতার রস এক চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
* পেটে গ্যাস, এসিডিটি হলেই আধা-কাপ রিফুজি পাতার রস খেয়ে নিন, সেরে যাবে।
* বিষাক্ত পোকা-মাকড় কাঁমড় দিলেই রিফুজি পাতার রস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সেই সাথে পাতা পিষে লাগিয়ে রাখুন।
* চুলকানী, একজিমা, দাদ হলে এই পাতার রস দিয়ে ধুয়ে রস লাগাতে থাকেন দেখবেন সেরে যাবে।
* এই পাতার রস কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে শরীরে লাগালে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং শরীরে দাগ দুর হয়।
* মূখে মেসতা হলে হলুদের সাথে লেবুর রস ও এই পাতার রস মিশিয়ে লাগান সেরে যাবে।
©
30/09/2022
*বিজ্ঞানিক নাম: heliotopiam indicum (হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম)এবং ইংরেজি নাম (Indian heliotroope) চিনতে পারছেন অসংখ্য উপকারী গাছ হাতীশূড়
পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। গজদন্ত অর্থাৎ হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল।গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে সেখানে জন্মায় তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা, নরম। সারা দেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো, নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার। সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী।
বৈজ্ঞানিক নামঃ Heliotropium indicum (হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম) এবং ইংরেজি নাম 'Indian heliotrope।
হাতিশুর গাছের উপকারিতাঃ
(১)দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।
(২)ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়।
(৩) জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।
(৪) বিষাক্ত পোকার কামড়ে – পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়।
(৫) আঘাতজনিত ফোলায় – পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়।
(৬)যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা সেচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেতে পারেন এতে করে আপনার সর্দি ভাল হবে।
(৭)টাইফয়েড জ্বরে: টাইফয়েড রোগে এই উদ্ভিদটির পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। এর পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভাল হয়।
(৮) একজিমা:একজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুড় গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিন।এভাবে কিছুদিন ব্যবহারে একজিমা সেরে যাবে।
(৯)রিউম্যাটিক বাতে: রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগাতে হয়।
(১০) দাঁতের মাড়ি ফোলায়:দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুরের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যায়।
১১)কাটা ছেঁড়া: কাটা ছেঁড়া স্থানে হাতিশুরের পাতা থেতলে রস দিতে হবে এতে কাটা ছেঁড়া ঘুচে যাবে।
(১২)ব্রন: ব্রন হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাবার ১ঘন্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না।
(১৪)ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে – পাতার রস অল্প গরম জলে মিশিয়ে গার্গল করা।
30/09/2022
লেবুর ১২ টি উপকারিতা ও লেবুর ঔষধি গুণাগুণ
ফলের উপকারিতা*****
লেবু পরিচিতিঃ
লেবু আমাদের অতি পরিচিত একটি ফল। ভিটামিন সি যুক্ত এই ফল সারা বছর আমাদের দেশে পাওয়া যায়! লেবুর মধ্য প্রাপ্ত এসিড জৈবএসিড। লেবুতে রয়েছে অতি উপকারি সাইট্রিক এসিড। চলুন দেখে নিই লেবুর উপকারিতা কি কি ?
অতি গরমে এক গ্লাস লেবু মিশ্রিত সরবত আপনাকে. মন ভুলানো সতেজ অনুভুতি এনে দিতে যথেষ্ঠ। আবার আমাদের মধ্যেই অনেকেই আছেন. যাদের লেবু ছাড়া চলেই না। যারা প্রতি আহারেই লেবুর-রস দিয়ে খেতে খুবই পছন্দ করেন।
আবার অনেকেই আছে, যারা লেবু-চা খুবই পছন্দ করে। কারণ লেবু-চা যেমন উপকারি, আবার তেমনি খেতেও দারুন। আসুন যেনে নিই. শত ঔষধি গুন সমৃদ্ধ এই লেবুর কিছু উপকারিতা।
জেনে নিই লেবুর উপকারিতা কি কিঃ
১। রুপ চর্চায়ঃ
লেবুতে থাকে বিপুল পরিমাণ ভিটামিন সি । যা ত্বক ভালো রাখে । তাই কাঁচা হলুদ বা নিম পাতার সাথে লেবুর-রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে বেশ কাজে দেয় ।
তাছাড়া লেবুর রস মুখে মাখলে , বুড়িয়ে যাওয়া বা ভাঁজ পরা ত্বক টানটান হয়ে যায় ।
২। খাদ্য হজমে সাহায্য করেঃ
লেবুর রস আমাদের শরীল থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় । লেবুর রস আমাদের লালার সাথে মিশে খাদ্য হজমে সাহায্য করে ।
৩। মূত্র থলি ভালো রাখেঃ
লেবু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে বিধায় মুত্র নালিতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে না । লেবুর রস মূত্র বাড়াতে কাজ করে ।
৪। শ্বাসকষ্টের রোগীর জন্য লেবুর রস উপকারিঃ
লেবু কাশি কমাতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি জ্বর এবং ঠান্ডা লাগার হাত থেকে মুক্তি দেয়; ফলে শ্বাসকষ্টের রোগীর জন্য লেবু খুব কার্যকর।
৫। অম্ল বা অ্যাসিডির সমস্যা থেকে রক্ষা পাইঃ
লেবু আমাদের শরীলের Ph [ power of hydrogen ] বা অম্ল-ক্ষারের মান ঠিক রাখে । ফলে আমাদের পেটের অম্ল বা অ্যাসিডির সমস্যা থেকে রক্ষা পাই ।
৬। ব্রণের হাত থেকে রক্ষা পাইঃ
লেবু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে ফলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ত্বকে ব্রণ হতে পারে না; ফলে ব্রণের হাত থেকে আমরা রক্ষা পাই ।
ব্রণ হলে হাতি শুরো গাছের সাথে লেবু মিশিয়ে মুখের ব্রণে প্রলেপ দিলে; ব্রণ তারাতারি আরোগ্য লাভ করে ।
৭। ক্ষত স্থান ভালো করেঃ
আমরা জানি লেবুতে সাইট্রিক এসিডের পাশাপাশি রয়েছে অ্যাসকরবিক এসিড । অ্যাসকরবিক এসিড ক্ষত স্থান ভালো করে ।
৮। দেয় সজীব নিঃশ্বাসঃ
এক গ্লাস লেবুর সরবত দিতে পারে প্রশান্তি ও তরতাজা ভাব । তবে সাবধান, লেবু
Ziro Pain এ পাচ্ছেন
স্হায়ীভাবে সমাধান ।
চলছে বিশাল ডিসকাউন্ট।
শারীরিক_যেকোনো_ব্যথা স্থায়ীভাবে_সমা'ধান..
Helpline📞01608075749
সকল_ব্যথা_থেকে_মুক্তি_পান Zero_Pain কার্যকারি"তায়,,!!
👉মাথা ব্যথা ছাড়া যে কোনো ব্য'থা দূর করবে,
👉শরী'রের পু'ষ্টি ও ক্যালসিয়া'মের ঘাটতি পূরণ করবে,
👉বাতের ব্যথা, আথ্রাই'টিসের ব্যথা, ডিস্ক এর ব্যাথা সহ যে কোন # ব্যাথা দূর করবে স্থায়ীভাবে।
ঢাকা_বিশ্ববিদ্যা'লয়ের_খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ এবং বাংলাদেশ_সাইন্স_ল্যাব থেকে পরীক্ষিত ও অনুমো'দিত।
100% পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত, আমেরি'কান উপাদানে তৈরি।
ফেসবুক র'লস এর কারণে বিস্তারিত আলোচ'না করা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের রয়েছে প্রোডাক্ট স্পেশালিস্ট।
আরো_বিস্তারিত_জানতে নিচের SEND MESSAGE OPTION এ ক্লিক করে আপনার নাম্বারটি দিয়ে রাখুন, প্রোডাক্ট স্পেশালি'স্ট আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
অথবা কল করুন 01608075749
Ziro Pain এ পাচ্ছেন 100%
স্হায়ীভাবে সমাধান গ্যারান্টি সহকারে ।
চলছে বিশাল ডিসকাউন্ট।
শারীরিক_যেকোনো_ব্যথা স্থায়ীভাবে_সমা'ধান..
Helpline📞01608075749
সকল_ব্যথা_থেকে_মুক্তি_পান Zero_Pain কার্যকারি"তায়,,!!
👉মাথা ব্যথা ছাড়া যে কোনো ব্য'থা দূর করবে,
👉শরী'রের পু'ষ্টি ও ক্যালসিয়া'মের ঘাটতি পূরণ করবে,
👉বাতের ব্যথা, আথ্রাই'টিসের ব্যথা, ডিস্ক এর ব্যাথা সহ যে কোন # ব্যাথা দূর করবে স্থায়ীভাবে।
ঢাকা_বিশ্ববিদ্যা'লয়ের_খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ এবং বাংলাদেশ_সাইন্স_ল্যাব থেকে পরীক্ষিত ও অনুমো'দিত।
100% পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত, আমেরি'কান উপাদানে তৈরি।
ফেসবুক র'লস এর কারণে বিস্তারিত আলোচ'না করা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের রয়েছে প্রোডাক্ট স্পেশালিস্ট।
আরো_বিস্তারিত_জানতে নিচের SEND MESSAGE OPTION এ ক্লিক করে আপনার নাম্বারটি দিয়ে রাখুন, প্রোডাক্ট স্পেশালি'স্ট আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
অথবা কল করুন 01608075749
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka Khilgaon Rajarbag Police Line
Dhaka
