Captain Nature
mission: captain nature
এরা কতটা ভ/য়ং/ক/র মানুষ? আপনার শিশু সন্তানকে বাঁচান। দয়া করে সন্তানকে এই বি//ষ খাওয়াবেন না। বি//ষ দিয়ে তৈরি আইসক্রিম, রোবো
ফুটপাতের খাবারে বিষ,, বড় বড় রাগব বোয়ালের কর্পোরেট খাবারে বিষ।।
তাইলে বিষই তো খেতে হবে।।।
কম টাকায় ফুটপাতের টাই খাই😥
১৫ /- জায়গায় ১০/- বাকি ৫/- পকেটেই থাকলো।
19/05/2026
🥥 একটি চকচকে বোতল এবং আমাদের চুল-ত্বক ধ্বংসের গল্প! ⚠️
মফিজ মিয়ার ঘানির খাঁটি নারিকেল তেল এখন আর কেউ কেনে না। কারণ, পাশের দোকানে সুন্দর প্লাস্টিকের বোতলে, চমৎকার সুগন্ধিযুক্ত তেল পাওয়া যায় অর্ধেকেরও কম দামে! আমরাও সেই লোভনীয় সুবাস আর বিজ্ঞাপনের মোহে পড়ে চকচকে বোতলগুলো ঘরে নিয়ে আসি।
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, যে নারিকেলের কেজি এখন বাজারে এত টাকা, সেই নারিকেলের তেল এত সস্তায় কীভাবে পাওয়া সম্ভব?
আজ আপনাদের শোনাবো ল্যাবরেটরির সেই পেছনের গল্প, যেখানে তৈরি হচ্ছে আমাদের চুল আর ত্বক ধ্বংসের বিষ।
🏭 ল্যাবরেটরির সেই 'যাদুকরী' রেসিপি-----
🛢️ অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রথমেই খাঁটি নারিকেল তেলের জায়গায় বেছে নেয় সস্তা পাম অয়েল এবং লাইট লিকুইড প্যারাফিন (Liquid Paraffin)। এই খনিজ তেলগুলো পানির মতো স্বচ্ছ এবং দামেও একদম সস্তা।
🧪 পাম তেল আর প্যারাফিনের মিশ্রণে তো নারিকেলের গন্ধ থাকবে না। তাই যোগ করা হয় ল্যাবরেটরিতে তৈরি তীব্র 'কোকোনাট ফ্লেভার' বা রাসায়নিক সুগন্ধি। বোতলের মুখ খুললেই মনে হবে একদম তাজা নারিকেল! অথচ পুরোটাই কেমিক্যালের কারসাজি।
🏭 অনেক সময় গ্রামের ফেলে দেওয়া, নষ্ট ও পচা নারিকেল পানির দরে কিনে আনা হয়। এরপর কেমিক্যাল দিয়ে ব্লিচিং এবং ডিওডোরাইজিং (গন্ধমুক্তকরণ) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেটিকে রিফাইন করে একদম নতুনের মতো স্বচ্ছ বানিয়ে ফেলা হয়।
🧴 তেল যেন বছরের পর বছর নষ্ট না হয়, সেজন্য মেশানো হয় কড়া প্রিজারভেটিভ।
গল্পটার শেষ পরিণতি কিন্তু বেশ নির্মম!
আমরা ভাবি তেলের গুণে চুল লম্বা হচ্ছে, ত্বক নরম হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিন পরই শুরু হয় আসল খেলা🥲
কৃত্রিম সুগন্ধি ও মিনারেল অয়েল চুলের গোড়ায় জমে অক্সিজেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। ফলে গোড়া আলগা হয়ে গোছা গোছা চুল পড়তে শুরু করে।
এই তেল মুখে বা শরীরে মাখলে ত্বকের লোমকূপ (Pores) বন্ধ হয়ে যায়। ফলাফল—তীব্র ব্রণ, র্যাশ, চুলকানি এবং একজিমা।
চকচকে বিজ্ঞাপন আর সস্তার ফাঁদে পা না দিয়ে, কোল্ড-প্রেসড (Cold-pressed) বা নিজের চোখের সামনে ঘানিতে ভাঙানো তেল ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, সস্তার তেল সাময়িক টাকা বাঁচাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আপনার সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য কেড়ে নেয়।
এছাড়াও কম হিটের মেশিনের তেলটাও ভালো,,, চাইলে আপনি নিজে বাড়িতে তৈরি করে নিতেও পারেন খাঁটি নারিকেল তেল।।।
18/05/2026
বিয়ে বাড়ির শাহী বোরহানি, নাকি বিষের বোতল?
বিয়ে বাড়ি বা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে কাচ্চি বিরিয়ানির পর এক গ্লাস ঠান্ডা বোরহানি না হলে যেন তৃপ্তিই আসে না। আমরা ভাবি—বিরিয়ানি চর্বিযুক্ত খাবার, বোরহানি খেলে বুঝি হজম ভালো হবে! অথচ "শাহী" নামের আড়ালে যে কী মারাত্মক বিষ আমরা গ্লাসের পর গ্লাস গিলছি, তা জানলে আপনার গা শিউরে উঠবে।
একটু হিসাব করে দেখুন। ভালো মানের খাঁটি টকদই, পুদিনা পাতা, ধনেপাতা, খাঁটি সরিষা বাটা আর মসলা দিয়ে এক লিটার বোরহানি তৈরি করতে যে খরচ হয়, বিয়ে বাড়ির বাবুর্চিরা তার অর্ধেক খরচে ড্রামকে ড্রাম বোরহানি সাপ্লাই দিচ্ছে। কীভাবে সম্ভব?
রহস্য লুকিয়ে আছে বোরহানির মূল উপাদানে। বিয়ে বাড়ির সিংহভাগ বোরহানিতে কোনো খাঁটি টকদই থাকেই না!
নকল দইয়ের কারসাজি: অসাধু ব্যবসায়ীরা সস্তা গুঁড়ো দুধের সাথে ক্ষতিকর কেমিক্যাল এবং অ্যারোমা মিশিয়ে কৃত্রিম দই বানায়। অনেক সময় টেক্সচার ঘন করার জন্য মেশানো হয় চক পাউডার বা নিম্নমানের স্টার্চ (স্টার্চ পাউডার)।
রঙের খেলা: বোরহানির হালকা সবুজ রঙের জন্য পুদিনা পাতার বদলে দেদারসে ব্যবহার করা হয় কাপড়ের সবুজ রঙ বা টেক্সটাইল ডাই।
ঝাঁঝালো কেমিক্যাল: বোরহানিতে পুদিনা বা সরিষার আসল ঝাঁঝ আনার জন্য সস্তা ফুড গ্রেড এসেন্স ও প্রিজারভেটিভ ঢালা হয় লিটার কে লিটার।
সবচেয়ে ভয়াবহ হলো এর প্রস্তুতি ও পরিবেশন। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, খোলা ড্রামে অপরিষ্কার হাত দিয়ে এই বোরহানি ঘুঁটানো হয়। যে বরফ দিয়ে বোরহানি ঠান্ডা করা হয়, তা মাছ বা মরা লাশ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত বাণিজ্যিক বরফ। এই বরফে থাকে হাজারো জীবাণু আর টাইফয়েড-ডায়রিয়ার ব্যাকটেরিয়া।
আমরা ভাবি হজমের ওষুধ খাচ্ছি, অথচ পেটে ঢোকাচ্ছি লিভার নষ্ট করার কেমিক্যাল, কিডনি বিকল করার টেক্সটাইল ডাই আর অন্ত্রের বারোটা বাজানো ব্যাকটেরিয়া। একে তো চর্বিযুক্ত ভারী খাবার, তার ওপর এই কেমিক্যালের ককটেল—ফলাফল বুক জ্বালাপোড়া, বদহজম থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী ক্যানসারের ঝুঁকি।
টাকা দিয়ে দাওয়াত খেতে গিয়ে আমরা আসলে নিজেদের লিভার আর কিডনির সৎকার করে আসছি। ব্যবসায়ী লাভ করবে, বাবুর্চি সস্তায় কাজ সারবে, আর বলির পাঁঠা হব আমরা খাদকরা।
খাবার আগে চোখ কান খোলা রাখুন। উৎসবের আনন্দ যেন হাসপাতালের বিছানায় গিয়ে শেষ না হয়।
18/05/2026
বার্গারের কামড়ে ক্যানসার, নাকি বুফেতে লিভারের সৎকার?
ঢাকা শহরে এখন উৎসব করে বিষ খাওয়ার হিড়িক পড়েছে। আমরা প্রতিদিন হাজার হাজার ফাস্টফুডের দোকানে যাচ্ছি, লাখে লাখে বার্গার-স্যান্ডউইচ সাবাড় করছি। আর সাথে গলধঃকরণ করছি টনকে টন লাল টকটকে টমেটো সস বা চিলি সস।
কখনো কি খেয়াল করেছেন, এই দোকানগুলোর সস আসে কোথা থেকে?
আমরা বাজার থেকে কোনো ব্র্যান্ডের ভালো ৫০০ গ্রামের এক বোতল চিলি সস কিনতে গেলে প্রায় ২০০ টাকা লাগে, টমেটো সসও ১০০ টাকার কাছাকাছি। অথচ এই ফাস্টফুডের দোকানগুলোতে লাইনের পর লাইন সাজানো থাকে ৫ লিটারের প্লাস্টিকের বড় বড় কন্টেইনার। পানির চেয়েও সস্তা দামে কেনা এই সসের কন্টেইনারগুলোতে কোনো লেবেল থাকে না। উৎপাদকের নাম-ঠিকানা উধাও। মেয়াদের জায়গায় একটা কাগজের চিরকুটে হাতে কলমে ডেট লেখা। মেয়াদ শেষ হলে চিরকুট বদলে নতুন চিরকুট বসিয়ে দেওয়া হয়!
কোথায় তৈরি হয়, কী দিয়ে তৈরি হয়—কেউ জানে না। যে দামে ৫ লিটারের এই তরল বিষ বিক্রি হয়, তাতে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় এর অর্ধেকই কাপড়ের লাল রঙ (টেক্সটাইল ডাই) আর মারাত্মক ক্ষতিকর কেমিক্যাল। আমাদের দেশে বাচ্চাদের খাবারের প্রায় ৯৮% আইটেমেই এই টেক্সটাইল ডাই মেশানো হচ্ছে, যার একমাত্র পরিণতি ক্যানসার, লিভার এবং কিডনি বিকল হওয়া। সাথে ফ্রী বোনাস হিসেবে আছে পোড়া তেলের আকাশছোঁয়া ট্রান্সফ্যাট।
এবার আসি আমাদের 'অভিজাত' বুফে কালচারে।
৫০০, ৭০০ কিংবা ১০০০ টাকায় ১০০+ আইটেমের বুফে খেয়ে আমরা ভাবি বিশাল লাভ করে ফেলেছি! টেবিলে সাজানো নানান রঙের বাহারি স্লাইস কেক বা পেস্ট্রি দেখে আমরা হুমড়ি খেয়ে পড়ি। একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন তো, কেজিপ্রতি হাজার টাকা দামের খাঁটি নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার বাটার দিয়ে তারা এই কেক বানিয়েছে?
কখনোই না! ডালডা আর কেমিক্যালের তৈরি সস্তা কৃত্রিম ক্রিম পেটে ঢুকিয়ে আমরা উৎসব করছি। এক বেলার বুফেতে মানুষ যে পরিমাণ ট্রান্সফ্যাট আর টেক্সটাইল ডাই শরীরে ঢোকায়, তা এক মাসে বাসায় খাওয়া ক্ষতিকর উপাদানের চেয়েও অনেক বেশি।
আমরা জেনেশুনে বিষ খাচ্ছি, আর বাচ্চাদের খাওয়াচ্ছি। যেমন আমাদের ব্যবসায়ী, তেমন প্রশাসন, আর তেমনই আমরা অসচেতন খাদক সমাজ!
ফাস্টফুডের এই সস আর বুফের রঙিন কেক আসলে খাবার নয়, এগুলো একেকটি স্লো পয়জন। নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষায় এখনই অন্ধের মতো এই বিষ খাওয়া বন্ধ করা উচিত।
17/05/2026
অনেক বিজ্ঞাপনে দেখা যায় পরাটা এর উপর ঘি ঢেলে দিচ্ছে।
আসলে শর্করা এর সাথে ডাইরেক্ট ঘি এর প্রানীজ ফ্যাট কতটা উপকারী? আর যারা বিজ্ঞাপন দেয় ওরা কি খায়?????
বিজ্ঞাপনে পরোটার ওপর ঘি ঢেলে দেওয়ার দৃশ্যটি দেখতে লোভনীয় হলেও, স্বাস্থ্যগত দিক থেকে শর্করার (Carbohydrates) সাথে সরাসরি প্রাণিজ ফ্যাট (Animal Fat) বা ঘিয়ের এই সংমিশ্রণের মন্দ দিকই রয়েছে। শর্করা এবং ফ্যাট—উভয়ই উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত। বিজ্ঞাপনের মতো অতিরিক্ত ঘি ঢেলে পরোটা খেলে ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়।।।
ঘি একটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট (Saturated Fat)। অতিরিক্ত পরিমানে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং রিফাইনড শর্করা (ময়দা/আটা) একসাথে নিয়মিত খেলে রক্তে এলডিএল (LDL) বা খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
মেটাবলিক সিন্ড্রোম অর্থাৎ অতিরিক্ত রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট(আটা,ময়দা) এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট একসঙ্গে নিয়মিত গ্রহণ করলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং মেটাবলিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
#ক্যাপ্টেনন্যাচার
#প্রাকৃতিক
13/05/2026
কী মিলে যাচ্ছে তো? এটা বাংলাদেশের খবর! কসাইদের মাংস এতদিন "পবিত্রই" ছিল। এজাতীয় কোনো খবরই ভাইরাল হয়নি। কিন্তু করোনা প্ল্যাণ্ডেমিকের পরই খেয়াল হল কসাইরা "অপবিত্র" মাংস খাইয়ে ইমানদার জনতার ইমানে আঘাত হানছে। সঠিক পদ্ধতিতে ( ইসলামে যেমন বলা হয়েছে) তাঁরা প্রাণীজবাই করছেননা। এতদিন গুরুত্ব না দিলেও এবার গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। যেহেতু দেশে আর কোনো সমস্যাই নেই। এই একটি সমস্যাই অবশিষ্ট। সমাধান হলেই ইসলামের পূর্ণ প্রতিষ্ঠা।
বেশ! এরপর? সব কসাই কি সঠিক পদ্ধতিতে হালাল মাংস উৎপাদন করবে? আলবাত নয়। প্রতিটি প্রাণী জবাই ভিডিও করে প্রমাণ রাখবে? ক্রেতাদের সামনে পশুজবাই করে তবেই বিক্রি করবে? সব ক্রেতা কি একত্রে হাজির হবে? অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে অমুক অমুক কসাই বিধি মানছেন না, অতএব ব্যবস্থা নেওয়া হল। এভাবেই কর্পোরেট, কোম্পানির হাতে মাংস উৎপাদনের লাইসেন্স তুলে দেওয়া হবে। একটি বিশেষ সুবিধাভোগী গোষ্ঠী তৈরি হবে। ফুড কন্ট্রোলের পরবর্তী ধাপ।
ভারতে এক কায়দা, বাংলাদেশে আরেক কায়দা কেন? ভেরি সিম্পল! এদেশে মুসলমানের সংখ্যা ৯০% এর উপরে। আর ওদেশে ২০% এর কম। তাই এদেশে এক কায়দা ওদেশে আরেক। ভারতের ছক কীভাবে এই লক্ষ্য পূর্ণ হবে? ওই যে দৃশ্য দূষণ! ছাল ছাড়ানো পশু ঝুলিয়ে রাখা, অমানবিকতা! যা আমাদের দেশের পাবলিক পাত্তাই দেবেনা। কারণ এখানে বাচ্চারাও( শহুরে ভদ্রলোক পরিবার ছাড়া) কোরবানির দৃশ্যে অভ্যস্ত! ঝোলানোর দৃশ্যে অমানবিকতার প্রচার এদেশে চলবেনা। তাই "অপবিত্র" মাংসের কৌশল।
অনেকে বলছেন, এবার নাকি কসাইদের বিশ্বাস না করে নিজেরাই প্রাণীজবাই করে মাংস খাবেন! বেশ। উত্তম পন্থা। কিন্তু সেটাও কি পারবেন? উঁহু আইন আসছে। যাতে সেই রাস্তাও বন্ধ করা যায়। ফল কী দাঁড়াবে? ভেরি সিম্পল! লাইসেন্স পাওয়া বড় বড় mechanised slaughterhouse! আধুনিক কসাইখানা! একদিকে লক্ষ লক্ষ কসাই জীবিকা হারাবেন, অপরদিকে কতিপয় কর্পোরেট মুনাফা লুটবে! কী বিশ্বাস হচ্ছে না? আর কয়েকটি বছর অপেক্ষা করুন। এসব তাড়াহুড়োর কাজ নয়। ধাপে ধাপে খাপে পুরতে হয়। স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। ২০৩০ নাগাদ মিলিয়ে নেবেন।
11/05/2026
অর্গানিকের ভন্ড মুরিদ
বরেণ্য ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে কারিনা, হেপাটাইটিস E এবং A, মলের জীবাণু এবং ফুসকা ও নালার পানি। ১২ মিনিটের ভিডিও না দেখলে আপনি বা আপনার সন্তান পড়ে যেতে পারে মরণাপন্ন সংকটে।
শ্রদ্ধেয় 💚
Mahbub kabir Milon Sir
#স্বাস্থ্য
09/05/2026
Protidiner Bangladesh নামক একটি সংবাদমাধ্যমের ইউটিউব শর্টস থেকে নেওয়া। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে একজন তুর্কি ব্যক্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সংরক্ষিত একটি মধুর বাক্স খুলছেন। সময়ের সাথে সাথে তরল মধু জমে গিয়ে এমন শক্ত বা দানাদার (Crystallized) আকার ধারণ করতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে মধুতে আর্দ্রতা খুব কম থাকে এবং এর অম্লতা (pH) বেশি থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। ফলে এটি বছরের পর বছর এমনকি হাজার বছর ধরেও ভালো থাকতে পারে।
প্রত্নতাত্ত্বিকরা মিশরের প্রাচীন পিরামিডের ভেতরেও কয়েক হাজার বছরের পুরোনো মধু পেয়েছেন যা এখনো খাওয়ার উপযোগী ছিল।জমে যাওয়া বা ক্রিস্টালাইজেশন দীর্ঘ সময় ধরে রাখা মধু জমে শক্ত হয়ে যেতে পারে। এটি মধু নষ্ট হওয়ার লক্ষণ নয়, বরং এর বিশুদ্ধতার একটি প্রমাণ। সামান্য তাপে এটি আবার আগের তরল অবস্থায় ফিরে আসে।সুতরাং, ১৭ বছর বা তার বেশি সময় ধরে মধু জমিয়ে রাখা এবং সেটি খাওয়ার উপযোগী থাকা বৈজ্ঞানিকভাবে পুরোপুরি সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
T
