Health and Nutrients

Health and Nutrients

Share

আমাদের কাছে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বর্ধনের পণ্য সহ আরও পাবেন ব্যবসা করারও সুবর্ণ সুযোগ।

আমাদের কাছে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বর্ধনের পণ্য সহ আরও পাবেন ব্যবসা করারও সুবর্ণ সুযোগ। ব্যবসা করার জন্য পাবেন আমাদের অভিজ্ঞ পরামর্শ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা। আমরা যেমন আন্তর্জাতিক মানের পণ্য আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিই, তেমনই আপনাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনতেও সর্বপরি সহযোগিতা করি।

14/07/2024

🤙ছোটখাটো কাজে দর্জির কাছে যাওয়ার ঝামেলা এড়াতে👈

💢💢💢পোর্টেবল সেলাই মেশিন💢💢💢

👉সহজে বহনযোগ্য পোর্টেবল সেলাই মেশিন দিয়ে জামা কাপড়ের ছোটখাটো কাজ নিজেই অনেক সহজে করতে পারবেন👌👌👌

💥💥💥 পাচ্ছেন মাত্র ৭০০/- টাকায় 💥💥💥

💌💌💌সারাদেশে হোম ডেলিভারিতে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে 🫴🫴🫴

🔥🔥🔥পণ্য পেতে এখনই প্রয়োজন ডট কম পেজের ইনবক্সে পণ্যের নাম ও ঠিকানা লেখে মেসেজ করুন। 🚚🚚🚚

13/06/2024

🤙সেলুনে যাওয়ার ঝামেলা এড়াতে চান👈

💢💢💢ইলেকট্রনিক ট্রিমার💢💢💢

👉তিনটি আকর্ষণীয় রংয়ের ট্রিমার দিয়ে শূণ্য থেকে সাইজ ফোর পর্যন্ত চুল অথবা দাড়ি কাটতে পারবেন👌👌👌

💥💥💥ইদ উপলক্ষে ১০০/- টাকা ছাড়ে পাচ্ছেন মাত্র ৪২০/- টাকায় 💥💥💥

💌💌💌সারাদেশে হোম ডেলিভারিতে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে 🫴🫴🫴

🔥🔥🔥পণ্য পেতে এখনই পেজের ইনবক্সে পণ্যের নাম ও ঠিকানা লেখে মেসেজ করুন। 🚚🚚🚚

06/06/2024

😁😁😁দাঁতকে করুণ ঝকমকে সাদা😎😎😎

👉Teeth whitening kit👈

😬😬😬 আপনার দাঁতকে মুক্তার মত সাদা করতে ও সহজেই ব্যবহার করার একটি চমৎকার মাধ্যম।

💢💢💢ঘরে বসেই ক্রয় করতে পারবেন আমাদের পণ্য💢💢💢

💥💥৩০% ডিসকাউন্টে মাত্র ১৬০০/- টাকায় পণ্যটি পাচ্ছেন💥💥💥

😎😎সীমিত সময়ের জন্য এই অফারটি লুফে নিতে এখনই পেজে ইনবক্সে আপনার নাম ও ঠিকানা পাঠিয়ে দিন🛍️🛍️🛍️

05/06/2024

🔥🔥🔥ভ্রমণকে স্মরণীয় করার সহজ সমাধান 🔥🔥🔥

ট্রাইপড সেলফি স্টিক 🤳

💢💢💢হাই এঙ্গেল শটে জীবনের সুন্দর মুহুর্তগুলোকে ক্যামেবন্দী করতে চমৎকার একটি মাধ্যম। 💢💢💢

ইদ উপলক্ষে ১০০/- ছাড়ে আমাদের থেকে পাচ্ছেন মাত্র ১০০০/- টাকায়। 👍💥💥

🛍️🛍️🛍️সারা বাংলাদেশে যেকোনো স্থানে বসে পণ্য বুঝে নিন :)

📱পণ্যটি পেতে এখনই যোগাযোগ করুণ ০১৭৯৪২৭২৬৮৫ মোবাইল নাম্বারে।

05/06/2024

🤙সেলুনে যাওয়ার ঝামেলা এড়াতে চান👈

💢💢💢ইলেকট্রনিক ট্রিমার💢💢💢

👉তিনটি আকর্ষণীয় রংয়ের ট্রিমার দিয়ে শূণ্য থেকে সাইজ ফোর পর্যন্ত চুল অথবা দাড়ি কাটতে পারবেন👌👌👌

💥💥💥ইদ উপলক্ষে ১০০/- টাকা ছাড়ে পাচ্ছেন মাত্র ৩৫০/- টাকায় 💥💥💥

💌💌💌সারাদেশে হোম ডেলিভারিতে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে 🫴🫴🫴

🔥🔥🔥পণ্য পেতে এখনই পেজের ইনবক্সে পণ্যের নাম ও ঠিকানা লেখে মেসেজ করুন। 🚚🚚🚚

23/09/2023

▪️ইসলামি উপন্যাস:
হিজাবী কন্যা ১ (হার্ডকভার)
পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ভয়াবহ আগ্রাসনের শিকার বাংলাদেশী মুসলিম তরুণ-তরুণী। আধিপত্যবাদী এই সংস্কৃতি ক্রমেই ইসলামী বিশ্বাস ও মূল্যবোধকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিদেশী সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্ম আরও বেশি হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
'হিজাবী কন্যা' তরুণীদের মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার উপাখ্যান। উপন্যাসটিকে বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতির আলোকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। পরস্পরবিরোধী কয়েকটি চরিত্রের মাধ্যমে পাশ্চাত্য ভাবধারার মিথ্যা আধুনিকতা এবং ইসলামী সভ্যতার সুমহান সৌন্দর্যকে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিবাহিত নায়ক নায়িকাদের পারস্পরিক কথোপকথনের মাধ্যমে যুবসমাজকে নৈতিকভাবে সচেতন করা হয়েছে। লেখক এই বইতে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির বিপরীতে ইসলামী সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বও তুলে ধরেছেন।

▪️হিজাবী কন্যা- ২ (হার্ডকভার):

এই উপন্যাসের মূল চরিত্রে আছেন দুইজন পর্দানশীল নারী। একজন ডাক্তার এবং একজন রুয়েট শিক্ষার্থী। এই দুই নারীর পারস্পরিক আলাপচারিতা ও যুক্তি উপস্থাপনে ফুটে উঠেছে স্রষ্টা হিসেবে আল্লাহ তা’আলার মহত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রজ্ঞার কথা। একইসাথে প্রতিকূল পরিবেশে বাধা-বিপত্তির মুখে পর্দানশীল মেয়েদের ইসলামের পথে টিকে থাকার সংগ্রামের কাহিনীও বর্ণিত হয়েছে এই উপন্যাসটিতে। বর্তমান সমাজে চলমান ঘটনার যথার্থ চিত্র ফুটে উঠেছে ‘হিজাবী কন্যা ২’ নামক বইটিতে।

বই: হিজাবী কন্যা
লেখক: মোঃ মতিউর রহমান

বইদুটি একত্রে অফার মূল্য ২৬৫ টাকা। ডেলিভারি চার্জ ঢাকায় ৫০ টাকা‚ ঢাকার বাহিরে ৮৫ টাকা।
ক্যাশ অন ডেলিভারি।

21/09/2023

আপনার সন্তানকে তাওহীদ ও শিরকমুক্ত ঈমান এর শিক্ষা দিন।

আলহামদুলিল্লাহ‚ ছোটদের তাওহীদ সিরিজের পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সংস্করণ এখন বাজারে এ্যাভাইলাবল। আপনার সন্তানের জন্য সিরিজটি হতে পারে অভিভাবকের পক্ষ হতে সেরা উপহার। সিরিজটির অফার মূল্য এখন মাত্র ৪২০ টাকা। ডেলিভারি চার্জ সারাদেশে মাত্র ৫০ টাকা।

নবি করিম (ﷺ) মানুষকে সর্বপ্রথম তাওহীদের শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি তাঁর সাহাবিগণকেও এই শিক্ষা দিয়েছেন যে‚ তাঁরাও যেনো মানুষকে সর্বপ্রথম তাওহীদের প্রতি আহ্বান জানান। এই তাওহীদের শিক্ষা গ্রহণ এবং এর উপর অটল ও অবিচল থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির উপর ফরয। তাই প্রত্যেক সন্তান যখন আধো আধো ভাষায় অস্ফূটকণ্ঠে কথা বলতে শুরু করে তখন থেকেই তাকে কালেমায়ে তাওহীদ তথা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর শিক্ষা দেওয়া প্রত্যেক অভিভাবকের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

"ছোটদের তাওহীদ সিরিজ" এর বইসমূহ --
.
বই ১: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
বই ২: আল্লাহ কে? কী তাঁর পরিচয়?
বই ৩: আল্লাহর সৃষ্টি কত বিচিত্র!
বই ৪: আল্লাহ আমায় কতটা ভালোবাসেন?
বই ৫: রবের সাথে‚ রবের পথে
লেখক : মোঃ মতিউর রহমান
শারঈ সম্পাদনা : মুফতি নাজমুল ইসলাম কাসিমী‚ শায়েখ ইমরানুজ্জামান।
বয়স : ৩ বছর থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য উপযুক্ত।
মোট পৃষ্টা : ৮০ (সম্পূর্ণ কালার প্রিন্ট)
সাইজ : ৭.১৫-৯.৫ ইঞ্চি
কভার : আর্টকার্ট
ইনার : আর্টপেপার
বইয়ের সাথে থাকবে একটি বক্স এবং নান্দনিক শপিং ব্যাগ!
প্রতি পৃষ্ঠাতেই রয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইনের রঙিন রঙিন ছবি; যা মুহূর্তেই শিশুদের মন কেড়ে নেবে - ইনশাআল্লাহ।
বইগুলির শর্ট পিডিএফ দেখতে এই লিংক থেকে 'একটু পড়ে দেখুন' অংশ ভিজিট করুন -
https://www.rokomari.com/product/302453
আপনার সন্তান অথবা আপনজনের জন্য সিরিজটি অর্ডার করুন আজই।

20/09/2023

মায়ের গর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর নিষেকের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ভ্রুণের বিকাশের মাধ্যমে মানবশিশুর জন্ম হয়। যা একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে মায়ের রক্ত থেকে খাদ্যপুষ্টি সংগ্রহ করতে থাকে। অত:পর সে আর সীমাবদ্ধ ও অন্ধকারাচ্ছন্ন মায়ের গর্ভে অবস্থান করতে পারে না। সে তার বিকাশকে প্রসারিত করতে মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসে এই পৃথিবীর বুকে। ঠিক একইভাবে এই সংকীর্ণ এবং সীমাবদ্ধ পৃথিবীতে একটি নির্দিষ্ট সময় অবস্থান করার পর আমাদের যেতে হবে এর চেয়েও বৃহৎ কোনও জগতের দিকে। আর মৃত্যুই হচ্ছে সেই জগতে গমনের একমাত্র পথ।
একজন বিশ্বাসীর জন্য মৃত্যু দুঃখের কারণ হয় না বরং এটি ব্যক্তির দুঃখ এবং সীমাবদ্ধতা থেকে পরিত্রাণ লাভের একটি সুযোগ বলে বিবেচিত হয়। ব্যক্তির মৃত্যু যদি ঈমানি মৃত্যু হয় এবং ইসলামের পথে হয়, তবে মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে দুনিয়ার কঠিন জীবন থেকে মুক্তি লাভ করে এবং পরকালের সুখী জীবনে পদার্পন করে। তার জন্য এই মৃত্যু হয় আনন্দদায়ক ও মধুর এবং পৃথিবী থেকে বিদায়ের মুহূর্তে তিনি এমন আনন্দ উপভোগ করেন যা শুধুমাত্র একজন ধার্মিক বা শহীদ ব্যক্তি ভোগ করতে পারেন।
যেহেতু এই পৃথিবী থেকে আমাদের সবাইকে বিদায় নিতেই হবে। তাই এই বিদায় মুহূর্তকে সফল করতে আমাদের জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত? এ প্রসঙ্গে আমরা একটি গল্প থেকে শিক্ষা লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।
গল্পটি এমন --
“অনেকদিন আগের কথা। হিমালয় পর্বতের পাদদেশ জুড়ে ছিল ছোট্ট একটি রাজ্য। সেই রাজ্যে ছিল অদ্ভুত এক নিয়ম। একবছর পরপর সেই দেশে রাজার পরিবর্তন ঘটত। প্রত্যেক রাজার মেয়াদকাল ছিল একবছর। যিনি রাজপদের ক্ষমতা লাভ করতেন, তাকে এই কথা মেনে নিয়েই রাজ্যভার গ্রহণ করতে হতো যে, একবছর পর যখন তার মেয়াদকাল পূর্ণ হবে, তখন তাকে একটি নির্দিষ্ট শ্বাপদসংকুল দ্বীপে নির্বাসন গ্রহণ করতে হবে। একবছর পূর্ণ হওয়ার পর এক মুহুর্তের জন্যও তাঁর আর রাজপ্রাসাদে থাকার অধিকার থাকতোনা। ঝলমলে রেশমী মসলিন কাপড় পড়িয়ে হাতির পিঠে চড়িয়ে রাজ্যময় ঘুরিয়ে মহাসমারোহে তাকে বিদায় জানানো হত। একবছর রাজকীয় শান শওকতে বসবাস করার পর আচমকা তার এই বাধ্যতামূলক অবসর তার জীবনে রাজ্যের অমানিশা ডেকে আনতো। বেশ ঘটা করে বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা পালনের পর একটা ডিঙি নৌকায় করে তাকে রেখে আসা হতো সেই ভয়াবহ দ্বীপের অনির্দিষ্ট গন্তব্যের পানে। ছেড়ে দেয়া হতো নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে।
আবহমান কাল ধরে চলে আসা এই চিরাচরিত প্রথানুযায়ী তারা চলতো। এরই ধারাবাহিকতায় তারা একবার এক রাজার মেয়াদান্তে বিদায়ী রাজাকে সেই মৃত্যুপুরী দ্বীপে রেখে নিজ দেশে ফেরত আসছিল। পথিমধ্যে সমুদ্রের অথৈই পানিতে তখন সদ্য ডুবে যাওয়া একটি বোট তাদের নজরে এলো। বোটের কাছে ভিড়তেই তারা তারুণ্যদীপ্ত এক নওজোয়ান যুবককে দেখতে পেলো। সে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে হাবুডুবু খাচ্ছিলো এবং খন্ড বিখণ্ড বোটের একটি পাটাতন আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার জন্য প্রাণপনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলো। যেহেতু তাদের একজন নতুন রাজার প্রয়োজন ছিল, তাই তারা যুবকটিকে তুলে নিলো এবং নিজেদের দেশে নিয়ে আসলো। যখন সে নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেয়ে কিছুটা সুস্থ স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেলো, তখন রাজ্যের অধিবাসীগণ একবছরের জন্য তাকে রাজা হওয়ার প্রস্তাব দিলো। একবছর পরের ভয়াবহ পরিণতির কথা চিন্তা করে সে প্রথমে এই লোভনীয় প্রস্তাবটি নাকচ করলেও পরমূহূর্তে তা সাদরে গ্রহণ করলো। তখন তাকে রাজ্যপরিচালনার যাবতীয় নীতিমালা জানিয়ে দেয়া হলো। সেইসাথে, একবছর পর তার চূড়ান্ত ঠিকানার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়া হলো। সে নীরবে সব শুনে গেলো।
রাজক্ষমতা লাভের তিনদিন পরে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তলব করে বললেন‚ “পূর্বেকার রাজাগণ যেখানে নির্বাসিত হয়েছিলেন, আমি সেখানে পরিদর্শনে যেতে ইচ্ছুক। যেই কথা সেই কাজ। তিনি সেই বিভীষিকাময় দ্বীপে গিয়ে পৌঁছালেন। দ্বীপটি ছিলো ঘন জঙ্গলে ঘেরা, ভয়ানক প্রাণীদের অভয়ারণ্য। তাদের আগমনের বিষয়টি টের পেয়ে দ্বীপের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানাধরণের হিংস্র জন্তু—জানোয়ার ও মাংসাশী প্রাণীর ডাক ভেসে আসছিলো। রাজা জঙ্গলের একটু গভীরে প্রবেশ করতেই আগের রাজাদের কংকাল, মাথার খুলি ও পচে যাওয়া হাড়গোড় দেখতে পেলেন। তিনি বুঝতে পারলেন এই শ্বাপদসংকুল দ্বীপে তারা আর কিছুক্ষণ অবস্থান করলেই ক্ষুধার্ত হিংস্র জন্তুগুলো তাদের উপর হামলে পড়ে তাদেরকে খেয়ে শেষ করে দিবে।
এবার রাজা নিজ দেশে ফিরে এসে ১০০ জন দক্ষ ও কর্মঠ শ্রমিক বাছাই করলেন। তাদেরকে সেই দ্বীপে নিয়ে সেখানকার জঙ্গল পরিষ্কার করালেন, সকল আগাছা সাফ করালেন। সকল জীবজন্তু সরিয়ে নিলেন। কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে তদারকি করার জন্য তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার দ্বীপটি পরিদর্শনে আসতেন। প্রথম মাসেই সকল আগাছা কেটে সাফ করা হলো। কিছু জীবজন্তু হটিয়ে বিদায় করা হলো, কিছু প্রাণীকে বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হলো।
দ্বিতীয় মাসে, দ্বীপের সমগ্র সীমানাজুড়ে নানা রকমের ফল—ফলাদি ও রং—বেরংয়ের ফুলগাছের চারা রোপন করা হলো। দ্বীপের একপ্রান্তে হাস—মুরগীর খামার, পাখ—পাখালীর অভয়াশ্রম, গরু—ছাগল সহ নানারকম গৃহপালিত প্রাণীর চারণভূমি তৈরী করা হলো।
তৃতীয় মাসে, সেই দ্বীপে তিনি বিশ্বের স্বনামধন্য প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিয়ে এক দৃষ্টিনন্দন রাজপ্রাসাদ তৈরী করলেন। এছাড়া দ্বীপের সুবিস্তৃত সীমানা জুড়ে জাহাজ নোঙ্গর করার জন্য এক অত্যাধুনিক পোতাশ্রয় নির্মাণ করলেন। এই অল্প ক’মাসেই সেই বিভীষিকাময় দ্বীপটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বর্গভূমিতে পরিণত হয়ে গেল।
রাজা বেশ সাদাসিধে ও সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। পরিমিতিবোধ বজায় রেখে অর্থব্যয় করতেন। একটি দেশের রাজা হিসেবে যেমন জাকজমক ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপন করা দরকার, তার কিঞ্চিৎ পরিমাণও তিনি করতেন না। তার উপার্জিত সকল আয় তিনি সেই দ্বীপের ধনভাণ্ডারে সঞ্চিত করে রাখতেন।
যখন নবম মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলো, রাজা তখন সকল মন্ত্রীদের ডেকে বললেন, “আমার একথা ভালোভাবেই মনে আছে যে, আমার দায়িত্বভার গ্রহণের বছরপূর্তি হওয়া মাত্রই আমাকে সেই দ্বীপে চলে যেতে হবে। তবে আমি এখনই সেখানে চলে যেতে চাই।” কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ তার একথা মানতে নারাজ। তাদের কথা একটাই, রাজ্যের চিরাচরিত প্রথার ব্যত্যয় ঘটিয়ে একবছর পূর্ণ হওয়ার আগে সেখানে যাওয়া যাবেনা। বছরপূর্তি হওয়া মাত্রই তাকে সেই দ্বীপে পাঠিয়ে দেয় হবে। তার আগে নয়। এরপর দেখতে দেখতে বাকী তিনমাসও পূর্ণ হয়ে গেলো। পূর্বেকার রাজাদের মতো তাকেও জমকালো পোশাক পরিয়ে, হাতির পিঠে চড়িয়ে সারা রাজ্যময় প্রদক্ষিণ করানো হলো। তিনি হাত নেড়ে হাসিমুখে সকলের কাছ থেকে বিদায় নিলেন। তার এই হাস্যজ্জ্বোল অভিব্যাক্তি দেখে জনগণ তাজ্জব বনে গেলো। পূর্বেকার সকল রাজা—বাদশাহগণ বিদায় কালে কেঁদে জারে জার হয়ে পড়তেন। আর এই রাজা দেখি বিদায়কালে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে আছে! কয়েকজন হতবিহবলতা কাটিয়ে সরাসরি রাজাকেই তার উৎফুল্লতার কারণ জিজ্ঞেস করে বসলো।
জবাবে সদ্যবিদায়ী রাজা বললেন, রাজক্ষমতা লাভের একবছর মেয়াদকালে যখন অন্যান্য রাজা—বাদশাহগণ ভবিষ্যতের পরিণতির কথা ভুলে গিয়ে ভোগ বিলাসিতায় মত্ত ছিল, আমোদ—ফুর্তিতে ডুবে ছিল, মোজ—মাস্তিতে বিনোদিত ছিল, সেই সময়টা আমি আমার ভবিষ্যত বিনির্মাণে ব্যস্ত ছিলাম। সেই মৃত্যুপুরী দ্বীপকে বসবাসযোগ্য বসুন্ধরায় পরিণত করেছি। নান্দনিক বাসভবন, বৈচিত্র্যময় পুষ্পের মৌ মৌ সুগিন্ধতে ভরপুর ফুলবাগিচা, পাখ—পাখালির কলকাকলিতে মুখরিত নয়নাভিরাম উদ্যান দ্বীপটিকে করে তুলেছে নৈস্বর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। দ্বীপটির প্রান্তসীমায় নবনির্মিত জাহাজের অত্যাধুনিক পোতাশ্রয়টি দ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সচল করেছে। আশা করা যায়, বাকী জীবনটি আমি বেশ শান্তিতেই দিনাতিপাত করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।”
এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হলো‚ আমাদের জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত?
পরকালীন অনন্ত জীবনের প্রস্তুতির মাঝেই আমাদের এই ইহকালীন ক্ষণস্থায়ী জীবনকে অতিবাহিত করা চাই। পার্থিব জীবনের সাময়িক মোহে বিভোর হয়ে পড়লে পরকালীন জীবনের অনন্ত সুখ—সমৃদ্ধি আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। এমনকি আমরা যদি রাষ্ট্রপতিও হয়ে থাকি তারপরও আমাদের লাইফ স্টাইল হওয়া চাই মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো অনাড়ম্বর জীবন। আমাদের আখিরাতের জীবন যেন সুখময় হয়, সুখ—সমৃদ্ধির ফল্গুধারায় যেন বিকশিত হয়, এইজন্য পবিত্র কুরআন আমাদেরকে দিয়েছে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা। আল্লাহ তাআলা বলেন,
“মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত আগামীকালের জন্যে সে কি প্রেরণ করবে তা চিন্তা করা। আল্লাহ তাআলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তাআলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন।” (সূরা হাশর : ১৮)

বই : মৃত্যু যখন উপহার।

এছাড়াও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি ও সুখী পরিবার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় বই 'দ্য কেয়ারিং হাসব্যান্ড' ও 'দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ' সহ লেখক Matiur Rahman এর সকল বই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও শর্ট পিডিএফ পড়তে ভিজিট করুন - https://www.rokomari.com/book/author/76371

জীবনের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় বইগুলি নিজে পড়ুন এবং আপনার প্রিয়জনকে উপহার দিন। গিফট করার মত সেরা বইগুলি অর্ডার করতে ম্যাসেজ করুন এখনই। যোগাযোগ : 01937403121

কেয়ারিং ও মৃত্যু প্যাকেজ এর মুদ্রিত মূল্য ৭৭০ টাকা‚
অফার মূল্য ৫৫০ টাকা।
ফ্রি ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি।

19/09/2023

আজকের এই বিপর্যস্ত সমাজে একজন কেয়ারিং হাজব্যান্ড বা একজন কেয়ারিং ওয়াইফ পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার। ছেলে কিংবা মেয়ে সবাই চায় তার জীবনে একজন কেয়ারিং লাইফ পার্টনার জুটুক। সমাজে দিনকে দিন স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সংসার জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হারিয়ে যাচ্ছে, বরকত কমে যাচ্ছে, ডিভোর্সের সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে। শুধু ঢাকা শহরেই প্রতিদিন গড়ে ৩৯ জনের ডিভোর্স হচ্ছে (প্রথম আলো: ২১-১২-২০২০ খ্রি.); বাড়ছে বিভিন্ন রকম অসামাজিক কাজকর্ম ও অশ্লীলতা।

এমতাবস্থায় শুধু এইসব সমস্যার সমাধানই নয়, একটি সুখী দাম্পত্য জীবনকে আরও সুন্দর ও আরও বৈচিত্র্যময় করে গড়ে তুলতে 'দ্য কেয়ারিং হাজব্যান্ড' এবং 'দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ’ বই দুটি খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে- ইনশাআল্লাহ।

বই দুটোতে লেখক একজন ভালো স্বামী এবং একজন ভালো স্ত্রী হওয়ার বিভিন্ন গবেষণামূলক উপায়গুলো খুঁজে বের করে তা সুন্দরভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। যারা একজন কেয়ারিং হাজব্যান্ড কিংবা একজন কেয়ারিং ওয়াইফ হতে চান বা পেতে চান, সবার জন্য বইদুটি উপকারে আসবে ইন শা আল্লাহ।

বইগুলি নিজে পড়ুন‚ আপনার প্রিয়জনকে উপহার দিন।

বইদুটির অফার মূল্য ৩৯৫ টাকা মাত্র। ডেলিভারি চার্জ সারাদেশে ৫০ টাকা। বই হাতে পেয়ে ডেলিভারি ম্যানকে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। বইদুটি অর্ডার করতে ম্যাসেজ করুন আমাকে।

06/02/2022
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1206

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 17:00