Dr.Md.Aminul Islam Sumon
Medicine and Kidney Specialist
কিডনি রোগীদের জন্য আম >>
১. গরমে পাকা আম খেতে সবারই ভালো লাগে, কিডনি রোগীরাও অল্প পরিমাণে খেতে পারেন।
২. তবে আমে পটাশিয়াম ও চিনি থাকে, তাই বেশি খাওয়া ঠিক নয়—বিশেষ করে ডায়াবেটিস থাকলে।
৩. সপ্তাহে ১–২ দিন ছোট একটি পরিমাণ আম সাধারণত নিরাপদ হতে পারে।
৪. যাদের রক্তে পটাশিয়াম বেশি বা ডায়ালাইসিস চলছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাবেন।
৫. পরিমিত পরিমাণে খেলে আম শরীরে ভিটামিন ও শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
৬. একই দিনে অন্য বেশি পটাশিয়ামযুক্ত ফল কম খান, যেমন-কলা,কাঁঠালডাবের পানি
>>যাদের বেশি সতর্ক হতে হবে
১. রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে
২. কিডনি ফাংশন খুব কম হলে
৩. ডায়ালাইসিস রোগী হলে
৪. ডায়াবেটিস থাকলে
ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সুমন
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এমসিপিএস (মেডিসিন)
এমডি (নেফ্রোলজী), এমএসিপি(আমেরিকা)
🏨চেম্বার : মীক্ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
📞 এখনই এপয়েন্টমেন্ট নিন, সিরিয়ালের নাম্বার-01901-444938
🌈 বর্তমানে ভাইরাস জ্বরে করণীয় 🌈
✅ করণীয়
🟢 বিশ্রাম নিন – শরীরকে আরাম দিন, পর্যাপ্ত ঘুমান।
🟢 প্রচুর পানি পান করুন – পানি, স্যুপ, ডাবের পানি, লেবুর শরবত।
🟢 হালকা খাবার খান – খিচুড়ি, স্যুপ, ভাত-ডাল, ফলমূল।
🟢 জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন – প্যারাসিটামল (চিকিৎসকের পরামর্শে)।
🟢 শরীর মুছে দিন – কুসুম গরম পানিতে গা মুছে নিন।
🟢 পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন – ধুলাবালি ও ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলুন।
⚠️ কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন
🔴 জ্বর ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে
🔴 শ্বাসকষ্ট, বুক ব্যথা বা প্রচণ্ড কাশি হলে
🔴 প্রচণ্ড মাথাব্যথা, বমি বা ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে
🔴 শরীরে র্যাশ, রক্তক্ষরণ বা প্রস্রাব কমে গেলে
🔴 শিশু, গর্ভবতী মহিলা ও বয়স্কদের জ্বর বেশি হলে
💡 মনে রাখবেন:
ভাইরাস জ্বরে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না, শুধু যত্নই যথেষ্ট।
একজন মেডিসিন ও কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন :
ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সুমন
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এমসিপিএস (মেডিসিন)
এমডি (নেফ্রোলজী), এমএসিপি(আমেরিকা)
🏨চেম্বার : মীক্ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
📞 এখনই এপয়েন্টমেন্ট নিন, সিরিয়ালের নাম্বার-01901-444938
@ডায়াবেটিস রোগীদের করনীয়@
🩸 ১. নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা
🔹 ফাস্টিং, খাবারের ২ ঘণ্টা পর, এবং HbA1c টেস্ট নিয়মিত করুন।
🧪 HbA1c প্রতি ৩ মাসে একবার পরীক্ষা করা উচিত।
🎯 লক্ষ্য মাত্রা:
🕖 ফাস্টিং: 80–130 mg/dL
🍽 খাবারের ২ ঘণ্টা পর: 180 mg/dL এর নিচে
🧫 HbA1c: ৭% এর নিচে
🥦 ২. খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (ডায়েট প্ল্যান)
🚫 এড়িয়ে চলুন:
চিনি, মিষ্টি, সফট ড্রিংক, মিষ্টি ফল (লিচু, আম, কলা, খেজুর)।
✅ খাবারে রাখুন:
শাকসবজি, সালাদ 🥬
ব্রাউন রাইস, ওটস, আটা রুটি 🌾
মাছ, মুরগি, ডিমের সাদা অংশ 🍗🥚
ডাল ও বাদাম 🌰
🍴 দিনে ৫–৬ বার ছোট ছোট ভাগে খাওয়া ভালো।
🏃♂ ৩. নিয়মিত ব্যায়াম
প্রতিদিন ৩০–৪৫ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাইক্লিং, বা হালকা জগিং করুন।
ব্যায়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়।
💊 ৪. ওষুধ ও ইনসুলিন
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ ও ইনসুলিন গ্রহণ করুন।
কখনোই নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বন্ধ করবেন না।
🚫 ৫. ক্ষতিকর অভ্যাস ত্যাগ
ধূমপান 🚭 ও অ্যালকোহল 🍷 সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করুন।
পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা) নিশ্চিত করুন 😴
মানসিক চাপ কমাতে মেডিটেশন বা রিল্যাক্সেশন অনুশীলন করুন 🧘♀
👣 ৬. শরীরের যত্ন
পায়ের যত্ন নিন 👣 (কাটাছেঁড়া হলে দ্রুত চিকিৎসা করুন)।
চোখ 👁 ও কিডনি 🧫 প্রতি বছরে অন্তত একবার পরীক্ষা করুন।
ওজন স্বাভাবিক রাখুন ⚖ (BMI ২৫-এর নিচে)।
🩺 ৭. নিয়মিত ডাক্তারের ফলোআপ
একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকুন 👨⚕
হঠাৎ দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ঘাম, দৃষ্টি ঝাপসা, ক্ষত না শুকানো —
👉 এমন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন:
ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সুমন
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এমসিপিএস (মেডিসিন)
এমডি (নেফ্রোলজী), এমএসিপি(আমেরিকা)
🏨চেম্বার : মীক্ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
📞 এখনই এপয়েন্টমেন্ট নিন, সিরিয়ালের
নাম্বার-01901-444938
☀️ গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচার উপায়
💧 ১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
দিনে অন্তত ২.৫–৩ লিটার পানি (শরীর/কাজ অনুযায়ী বাড়তে পারে)
তৃষ্ণা লাগার আগেই পানি পান করুন
🧂 ২. ইলেক্ট্রোলাইট বজায় রাখুন
ঘামের সাথে লবণ বের হয়ে যায়
👉 তাই মাঝে মাঝে:
ওরস্যালাইন / ORS
লেবু-পানি + এক চিমটি লবণ
খেতে পারেন।
🍉 ৩. পানিযুক্ত খাবার খান
তরমুজ 🍉
শসা 🥒
ডাবের পানি 🥥
কমলা 🍊
👉 এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখে ও পানি পূরণ করে
🚫 ৪. এসব এড়িয়ে চলুন
অতিরিক্ত চা/কফি ☕ (পানি কমায়)
খুব ঝাল/তেলযুক্ত খাবার
সফট ড্রিংক (চিনি বেশি)
👕 ৫. ঠান্ডা ও হালকা পোশাক
ঢিলেঢালা, হালকা রঙের কাপড় পরুন
রোদে কম বের হন (১১টা–৪টা এড়ানো ভালো)।
🧴 ৬. শরীর ঠান্ডা রাখুন
ছায়ায় থাকুন
গোসল করুন বা মুখে পানি দিন
ফ্যান/এসি ব্যবহার করুন
⚠️ ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ
বেশি পিপাসা
মুখ শুকানো
মাথা ঘোরা
প্রস্রাব কম ও গাঢ় রং
👉 এগুলো হলে দ্রুত পানি/ORS নিন।
13/04/2026
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে
পৃথিবীতে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন মানুষ উচ্চ রক্তচাপ রোগে আক্রান্ত।
উচ্চ রক্তচাপ নিম্নোক্ত রোগের প্রধান কারণঃ
১।হার্ট এটাক
২।ট্রোক
৩।কিডনি রোগ
৪। ডিমেনশিয়া
তাই, আজই আপনার রক্ত চাপ মাপুন, উচ্চ রক্ত চাপ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
"হাম" (Measles)
হাম (Measles) একটি খুব সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ।
🩺 কী কী করতে হবে
১. বিশ্রাম নিন
>শরীর দুর্বল হয়ে যায়, তাই বেশি করে বিশ্রাম দরকার।
২. প্রচুর পানি ও তরল পান করুন
>জ্বর ও ডিহাইড্রেশন ঠেকাতে পানি, স্যুপ, ফলের রস পান করুন।
৩. জ্বর ও ব্যথা কমানোর ওষুধ
>ডাক্তারের পরামর্শে Paracetamol খাওয়া যায়।
৪. চোখ ও আলো থেকে সাবধান
>হামের সময় চোখে সমস্যা হয়, তাই বেশি আলো এড়িয়ে চলা ভালো।
৫. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
>আলাদা ঘরে থাকুন (সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকাতে)
>হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢাকুন
⚠️ কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন
এই লক্ষণগুলো থাকলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান:
>শ্বাস নিতে কষ্ট
>খুব বেশি জ্বর (৩–৪ দিনের বেশি)
>খিঁচুনি
>প্রচণ্ড দুর্বলতা বা অজ্ঞান হওয়া
>কান ব্যথা বা পুঁজ (ইনফেকশন হতে পারে)।
🛡️ অন্যদের রক্ষা করার জন্য
>আক্রান্ত ব্যক্তি ৭–১০ দিন আলাদা থাকুন
>শিশুদের সময়মতো vaccine দেওয়া।
22/03/2026
ঈদ মোবারক
'তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম' (تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ)
ADA Criteria for the diagnosis of diabetes in nonpregnant individuals
🔹A1C ≥6.5%.
OR
🔹FPG ≥7.0 mmol/L.
Fasting is defined as no caloric intake for at least 8 h.
OR
🔹2-h PG ≥11.1 mmol/L during OGTT. The test should be performed as described by the WHO, using a glucose load containing the equivalent of 75 g anhydrous glucose dissolved in water.
OR
🔹In an individual with classic symptoms of hyperglycemia or hyperglycemic crisis, a random plasma glucose ≥11.1 mmol/L. Random is any time of the day without regard to time since previous meal
Criteria defining prediabetes in nonpregnant individuals
🔹A1C 5.7–6.4%
OR
🔹FPG -5.6 mmol/L to 6.9 mmol/L (IFG)
OR
🔹2-h PG during 75-g OGTT -7.8 mmol/L to11.0 mmol/L
26/11/2025
শুভ সকাল
🔴গর্ভাবতী মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে এবং গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিস কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, তাহলে গর্ভবতী মা ও শিশুর বিভিন্ন জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
📢গর্ভবতী মায়েদের ডায়াবেটিস এর ( ব্লাড শুগার এর মাত্রা) টার্গেটঃ
🔺FBS< 5.3 mmol/l
🔺1h PP < 7.8 mmol/l
🔺2h PP
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
