Mostafa wasif Nur
Healty and beauty
আস’সালামু আলাইকুম আমি ডা: মুহাম্মদ জাহাংগীর কবীর আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই।
আপনারা সকলে জানেন ইবাদাতের জন্য শরীর সুস্হ থাকটা অত্যন্ত জরুরী।
সুস্হ শরীর আল্লাহর দেয়া নেয়ামত। এই নেয়ামতের খেয়ানত করা আসলে নিজের নফসের প্রতি জুলুম করা।
অথচ আমরা যদি ইসলামের কিছু নিয়ম মেনে চলি তবে কিন্তু সুস্হ থাকতে পারি ।
আমি চাই আগামী শুক্রবার পবিত্র জুমার দিনে আমাদের সম্মানিত ইমাম সাহেবগন যদি পবিত্র কুর’আন হাদীসের দলিল দিয়ে নীচের কথাগুলো সকল মুসল্লিদের বুঝিয়ে দেন তাহলে এটা আমাদের সকলের জন্য উপকারী হবে ; নিজের শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। এটা সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গন্য হবে।
আপনারা সকলে এই পোস্ট সরাসরি কপি করে পেস্ট করে পোস্ট দিতে পারেন তাহলে সবাই অনেক বেশী উপকৃত হবে।
1. আমাদের সবার আগে যেটা করতে হবে নিজের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো বর্জন করতে হবে যেমন সকল প্রকার ভেজিটেবল তেল যেমন সয়াবিন ( মুলত ভেজিটেবল থেকে কোন তেল হয় না এই নাম একটি প্রতারনা), সকল প্রকার প্রসেসড ফুড, সাদা চিনি ইত্যাদি। এখানে আল্লাহ বলেছেন whole food খেতে যেটা আমাদের রোগ মুক্তি করবে এক্ষেত্রে খাবারই হল ঔষুধ এটা রেফারেন্স দিয়ে বললে আরো গ্রহনযোগ্য হবে।
2. আমাদের পরিমিত খাওয়ার সুন্নতের আমল করা হাদীসে যেভাবে খেতে বলা হয়েছে ; এক ভাগ খাবার, এক ভাগ পানি, এক ভাগ খালি এবং স্বল্প আহার অর্থাৎ ক্ষুদা লাগলে খেতে হবে লোভে পড়ে খাওয়া যাবে না । লোভে পাপ পাপে রোগ ব্যাধী।
3. মাগরিবের পর পরই রাতের খাবার শেষ করা; ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন/চার ঘন্টা পূর্বে রাতের খাবার শেষ করা যেন খাবারের হজম প্রক্রিয়া ঘুমাতে যাবার আগেই শেষ হয় ; তাহলেই শরীর ঘুমের ভেতর তার নিজস্ব গঠন, কোষ পরিস্কার এবং আরোগ্যের কাজ করতে পারে ।
4. সময় নিয়ে ধীরে সুস্হে চিবিয়ে চিবিয়ে ভালো করে খাওয়া তাড়াহুড়া না করা খাবার খাওয়াকে ইবাদাত মনে করা পূর্ন মনযোগের সাথে খাওয়া।
5. সপ্তাহে দুইটি রোজা মাসের মাঝখানে তিনটি রোজা অন্যান্য নফল রোজা এবং ফরজ রোজা রাখার ব্যাপারে জোর দেয়া।রোজার মাধ্যমে দেহ এবং আত্নার পরিশুদ্ধি ঘটে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে অটোফেজী যার আবিস্কারের মাধ্যমে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন জাপানী বিজ্ঞানী অসুমী মনে রাখবেন বেশী খেলে আত্না অসুস্হ হয়ে রোজা আত্নাকে শান্ত রাখতে পবিত্র রাখতে সহায়তা করে।
6. বেশী বেশী নফল নামাজ এটা শরীর ভালো রাখতে এবং মনকে শান্ত রাখতে সহায়তা করে মনে প্রশান্তি না থাকলে শরীরে stress হরমন নি:সরন হয় যেটা কিনা শরীরে অনেক ধরনের রোগ তৈরীতে সাহায্য করে যেমন উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস সহ আরো প্রায় একশ রকমের রোগ।
7. সুস্হ থাকতে হলে Early অর্থাৎ এশার নামাজের পর ঘুমাতে যাওয়া এবং ভোরে উঠে তাহাজ্জুত এবং ফজরের নামাজ পড়া জরুরী । আল্লাহ রাতকে দিয়েছেন বিশ্রামের জন্য আর দিনকে কাজের জন্য। রাত ১০টা থেকে দুইটা এই সময়ে শরীরে মেলাটনিন বেশী থাকে তাই স্বপ্নবিহীন গভীর ঘুমের জন্য রাত ১০টার পূর্বে ঘুমাতে যাওয়া জরুরী। এক দিনের মোট তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ দিন রাত মিলিয়ে আট ঘন্টা ঘুমানো জরুরী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখার জন্য।
8. আল্লাহ শরীরকে তৈরী করেছেন কাজ করার জন্য আমরা যদি কায়িক শ্রম না করি তাহলে শরীর সুস্হ থাকার কোন কারন নেই তাই আমাদের ব্যায়াম করা, হাটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা জীমে যাওয়া যাদের সুযোগ আছে কায়িক শ্রম করা খুবই জরুরী। আমাদের নবী সা: পরিশ্রমী ছিলেন, সমর নায়ক ছিলেন, নিয়মিত ঘোড় দৌড় তীরন্দাজি প্রতিযোগিতা অনুশীলন করাতেন ।
9. আমরা জানি সূর্যের আলোতে ভিটামিন ডি তৈরী হয় তাই নিয়মিত রোদে যাওয়া খুবই জরুরী এবং প্রকৃতির কাছে যাওয়া গাছের কাছে সবুজের কাছে যাওয়া pure অক্সিজেন পাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত জরুরী।
10. মানসিক প্রশান্তি ছাড়া সুস্হতা অসম্ভব তাই আল্লাহর উপর পূর্ন আস্হা রাখা , আখেরাতমুখী চিন্তা করা বিপদ আপদকে গজব না মনে করে আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা হিসাবে দেখা এখানে সুরা বাকারার আয়াতগুলো থেকে রেফারেন্স দেয়া যেতে পারে।আর পজেটিভ চিন্তা করা । প্রশান্ত আত্নার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাওয়া।
11. ক্লান্ত শরীর এবং প্রশান্ত মন ভালো ঘুমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং ভালো ঘুম ছাড়া সুস্হ থাকাটা প্রায় অসম্ভব।
প্রতিটি ইবাদত আল্লাহর জন্য, নিয়তগুনে বরকত নিয়ত হবে আল্লাহর সন্তুস্টি এবং উনি খুশী হয়ে রোগ থেকে মুক্ত করবেন।
লিখেছেন :
ডা: মুহাম্মদ জাহাংগীর কবীর,
MBBS, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ,
লাইফস্টাইল মডিফায়ার।
21/10/2021
Blood Donation নিয়ম:
Criteria for selection of a donor:
1. Age : 18 - 60 years, only healthy one.
2 weight > 45 Kg (100 lb),
3. Hb% > 75% (13.5 gm/dl for male & 12.5 gm/dl for female).
4. Avoid paid donor, prefer unpaid volunteers.
5. Should not more than 13%/450 ml be donated at one set. Highest
450 ml or 1 unit once within 4 months of span.
6. Vaccination not within 3 months.
Relative contra-indication :
১) কুকুরের কামড়ের ইনজেকশন যারা নিয়েছেন, তারা ইনজেকশন-এর কোর্স
শেষ হওয়ার পর ১ বছর রক্তদান করবেন না।
২) বড় অপারেশন যাদের হয়েছে তারা ১ বছর পর্যন্ত রক্তদান করবেন না।
ছােট অপারেশন হলে ৬ মাস পর্যন্ত রক্তদান অনুচিত।
৩) কোন কারণে যদি কেউ রক্ত গ্রহণ করে থাকেন, তবে তিনিও এক বছর
রক্তদান করতে পারবেন না। এক (০১) বছর অবজারভেশনের পর সুস্থ
থাকলে রক্তদান করা যেতে পারে।
৪) জন্ডিস, ম্যালেরিয়া বা টাইফযেড রােগ হলে, সুস্থ হওয়ার পর আরও ৬ মাস
রক্তদান করবেন না।
৫) যারা শরীরে সুচালাে/ধারালাে কিছু দিয়ে উল্কি ট্যাটু করিয়েছেন, তারাও
৬ মাস রক্তদানে অক্ষম। ৬ মাস অবজারভেশনের পর সুস্থ থাকলে।
রক্তদান করা যেতে পারে।
৬) গত ৬ মাসের মধ্যে যে মহিলার গর্ভপাত হয়েছে, বা যিনি বর্তমানে সন্তানসম্ভবা, তিনিও রক্তদান করতে পারবেন না।
৭) যে মহিলার সন্তান এখনও মাতৃদুগ্ধ পান করে, ভিনি রক্তদান করবেন না।
৮) যে মহিলা বর্তমানে ঋতুচক্রের মধ্যে আছেন (মাসের নির্দিষ্ট ৩-৭ দিন)
তিনি রক্তদান করবেন না।
৯) যার কোন জীবাণুঘটিত চর্মরােগ বা যৌনরােগ আছে, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ
হওয়ার পরও ৬ মাস পর্যন্ত রক্তদান করবেন না।
১০) যে ব্যক্তি বর্তমানে কোন ধরণের অ্যান্টিবায়ােটিক ওষুধ খাচ্ছেন, তিনি
কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত রক্তদান করবেন না।
১১) যিনি গত বারাে ঘণ্টার মধ্যে নেশা / সুরাপান করেছেন, তিনি রক্তদান
করবেন না। কোন ব্যক্তি যদি নিয়মিত সুরাপানে বা নেশা সেবনে (Drugs)
অভ্যস্ত হন, তা হলে তার কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ না করাই উচিৎ।
১২) যে ব্যক্তি একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সংসর্গে অভ্যস্ত, তার কাছ থেকে রক্ত
সংগ্রহ অনুচিত। পতিতা পল্লীর লােকজন, জেলের কযেদী বা দূরগামী ট্রাকের
ড্রাইভারদের কাছ থেকে কখনােই রক্ত সংগ্রহ করতে নেই বা অতিরিক্ত
সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
১৩) মানসিক ভাবে অবসাদগ্রস্ত ব্যক্তি বা মানসিক রােগীদের কাছ থেকে রক্ত
POSICI
গ্রহণ করা উচিৎ নয়।
১৪) একবার রক্তদান করে ১২০ দিনের (কমপক্ষে ৯০ দিন) মধ্যে আর
রক্তদান করা অনুচিত।
09/10/2021
জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা
Dr. S R Khan
জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা সম্পর্কে জানলে নিঃসন্দেহে আপনি আবাক হয়ে যাবেন। জয়তুনের ফল ও তেল বরকত ও প্রাচুর্যে ভরপুর।
যুগ যুগ ধরে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে জয়তুন ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এমনকি পবিত্র কুরআন এ জয়তুন ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ফলে রয়েছে নানা ধরনের ঔষধি উপাদান। যা শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
কিন্তু আমাদের মধ্যে কয়জন জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা সম্পর্কে জানে? খুব কম মানুষই জানে। কারণ মানবজাতি এখন আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে অভস্ত্য। কিন্তু একটু চেষ্টা করলে প্রকৃতি থেকেই বহু জটিলতার সমাধান খুজেঁ বের করা যায়। তেমনি একটি অসাধারণ ফল জয়তুন। তাই আপনাদের আজকে জয়তুন ফল ও তেলের উপকারীতা সম্পর্কে জানাতে চলে এসেছি। চলুন আমাদের সাথে জেনে নিন, জয়তুন ফল ও তেল খাওয়ারউপকারিতা ।
জয়তুন ফল
জয়তুন ফলের বৈজ্ঞানিক নাম হল Olea europaea. এটি মূলত ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার একটি ফল। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থে এই ফলের কথা উল্লেখ রয়েছে।
আরবীতে জয়তুন কে তরল সোনা বলেও ডাকা হয়। নানা ধরনের ঔষধি গুনে ভরপুর এই ফল। তাছাড়া যুদ্ধে শান্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় জয়তুনের পাতাকে।
নবীজীর (সা.) প্রিয় ফল জয়তুন
জয়তুন ফল, আমাদের নবী (সা.) এর প্রিয় ফল গুলোর মধ্যে একটি। মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা ত্বিনের প্রথম আয়াতে দুটি ফলের কসম খেয়েছেন। তার একটি ত্বীন ও অপরটি ছিল জয়তুন। তাই এই জয়তুন গাছকে মুবারক গাছ হিসেবে গন্য করা হয়। প্রিয় নবী (সা.)- এর খুবই পছন্দের ফল ছিল এই জয়তুন। আর এর তেল রাসূল (সা.) নিজে ব্যবহার করতেন। পাশাপাশি অন্যদের ও ব্যবহার করতে উপদেশ দিতেন। প্রিয় নবী (সা.), জয়তুন ফল ও তেলকে বরকত ও প্রাচুর্যময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জয়তুন ও জলপাই কি এক?
পবিত্র কুরআন এ উল্লেখ করা সেই জয়তুন ফলের জন্ম সিনাই পাহাড়ে। আমাদের দেশে যে জলপাই পাওয়া যায় সেগুলো আর জয়তুন ফল এক নয়।
পরিবেশগত কারণে আমাদের দেশে যে জলপাই হয় সেগুলোর সাথে জয়তুন ফলের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। জয়তুন ফল আকারে কিছুটা ছোট হয়। তবে গবেষকরা জয়তুন ফল ও জলপাই এর মধ্যে অনেক গুনগত মিল খুঁজে পেয়েছেন। সহজ কথায়, জয়তুন ও জলপাই এক নয়। তবে এদের গুণগত বৈশিষ্ট্যে অনেক মিল রয়েছে।
তাছাড়া আমরা যে অলিভ অয়েল ব্যবহার করি, সেটিই জয়তুন এর তেল। জলপাই থেকে প্রকৃতপক্ষে কোন তেল তৈরি করা হয় না। আর তৈরি হলেও সেটা বানিজ্যিক ভাবে সফল নয়।
জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা
জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধানের জন্য জয়তুন ফল ও তেল ব্যবহৃত হচ্ছে। রূপচর্চা থেকে শুরু করে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে জয়তুন ফল ব্যবহৃত হয়৷ আমরা আজকে জয়তুন ফল ও তেলের সব রকম তথ্য ও উপকারীতা আপনাদের সামনে তুলে ধরব। চলুন তাহলে জেনে নিন জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা সম্পর্কে –
জয়তুন ফল খাওয়ার উপকারিতা
১. ফাইবারের চাহিদা পুরণঃ জয়তুন ফলে রয়েছে প্রচুর আশঁ বা ফাইবার। এটি ফল বা সবজি হিসেবে খেতে পারেন। এবং ফাইবারের চাহিদা পুরণ করতে পারেন।
২. কোষের সুরক্ষাঃ জয়তুনের ফল এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা কোষের সুরক্ষা দেয়।
৩. টিউমারের সমাধানঃ জটিল টিউমার বা ক্যান্সার রোগ মুক্তির জন্য জয়তুনের ফল খুবই উপকারী।
৪. দাঁতের যত্নঃ দাঁতের ক্যাভিটি রোধ ও মাড়ি ফুলে যাওয়া রোধ করে জয়তুন ফল। রাসুল (সা.) এই জন্যই একে উত্তর মিসওয়াক হিসেবে উল্লেখ করেন।
৫. স্মৃতিভ্রমের চিকিৎসাঃ স্মৃতিভ্রম বা অ্যালজেইমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এই ফল।
৬. খনিজ সমৃদ্ধঃ সোডিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রনের মত খনিজের ঘাটতি পুরণ করে জয়তুন ফল।
৭. কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসাঃ কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে ও মুক্তি পেতে সাহায্য করে জয়তুন ফল।
৮. ক্যান্সার ঝুঁকি রোধঃ ক্যান্সারের বিস্তার রোধ করতে জয়তুন ফলের উপকারীতা অপরিসীম। কারণ এটি কোষের মেমব্রেন কে রক্ষা করে ক্যান্সারের বিস্তার কমায়।
৯. ত্বকের যত্নেঃ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে জয়তুনের ফল ব্যবহার করা হয়।
১০. রক্তশূন্যতা প্রতিরোধঃ রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া প্রতিরোধে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে জয়তুন ফল।
জয়তুন ফল খাওয়ার নিয়ম
জয়তুন ফল সরাসরি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন না। তবে জয়তুন ফলের ঔষধি ফলাফল পেতে গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেবন করা হয়।
তাছাড়া অনেকে আচার হিসেবে জয়তুন ফল খেয়ে থাকেন। তবে খালি পেটে জয়তুন ফল না খাওয়া উত্তম। এবং অতিরিক্ত জয়তুন ফল সেবন করলে অনিদ্রা, মাথাব্যাথা ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই জয়তুন ফল পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
জয়তুন তেলের উপকারিতা
১. ভিটামিন-ই সমৃদ্ধঃ
জয়তুনের তেল ভিটামিন -ই সমৃদ্ধ। যাদের ভিটামিন-ই এর অভাব রয়েছে তারা অবশ্যই জয়তুনের তেল খেয়ে দেখতে পারেন।
২. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণঃ
জয়তুনের তেল আমারে শরীরে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কারণ এতে আছে এন্টিঅক্সিডেন্ট। জয়তুনের তেল রক্তের কোলেস্টেরল দূর করে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩.রক্তশূন্যতা প্রতিরোধঃ
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করতেও জয়তুনের তেল বিশেষ ভুমিকা রাখে। সাধারণত যেসব মেয়েরা রক্তশূন্যতায় ভোগের তাদের জন্য জয়তুনের তেল খুবই কার্যকরী।
৪. ক্যান্সারের চিকিৎসাঃ
টিউমার, ক্যান্সার সমস্যার চিকিৎসায় জয়তুনের তেল ভাল কাজ করে।
৫. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমাধানঃ
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে জয়তুনের তেল।
৬. জন্মদাগ থেকে মুক্তিঃ
সন্তানের জন্মগত দাগ এড়াতে, গর্ভবতী মেয়েরা জয়তুনের তেল মালিশ করতে পারে। তাছাড়া সন্তান জন্মদানের পর শরীরে যে দাগ তৈরি হয় তা থেকে মুক্তি পেতে জয়তুনের তেল ব্যবহার করা যায়।
৭. দাঁতের সুরক্ষাঃ
দাঁতের ক্যাভিটি, শরীরের রগ ফুলে যাওয়া এসব সমস্যার সমাধানে জয়তুনের ফল খুবই উপকারী।
৮. চুলের যত্নঃ
চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য জয়তুনের তেলের কোনো জুরি নেই। এই তেল মাথায় মালিশ করলে চুলের বৃদ্ধি ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা যায়।
৯. তারুণ্য ধরে রাখাঃ
বয়সের ছাপ কমাতেও জয়তুনের তেল এর ব্যবহার ব্যাপক। মুখের ত্বকে নিয়মিত জয়তুনের তেল ব্যবহার করলে দারুণ ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
১০. উত্তম ব্যথানাশকঃ
ব্যথানাশক ঔষধের বিকল্প হিসেবে জয়তুনের তেল ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া জয়তুনের তেলে থাকা অলেইক এসিড হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
জয়তুন তেল ব্যবহারের নিয়ম
Pure olive তেল শুধুমাত্র শরীর মালিশের কাজে ব্যবহার করা হয়।
Extra Virgin তেল কাঁচা ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ রান্নার পর, সালাদ তৈরী, চুলে ম্যাসাজ ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।
Extra Light তেল অল্প সময়ে ফ্রাই এর কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন – মাছ ভাজা,ডিম ভাজা, সবজি ভাজি।
Pomace Oil ব্যাবহার করা হয় দীর্ঘ সময় ভাজার কাজে। অর্থাৎ চপ,পাকোড়া, পিঁয়াজু এসব ভাজার কাজে ব্যবহৃত হয়।
শেষ কথা
জয়তুনের অনেক আশ্চর্যজনক উপকারীতা রয়েছে। কিন্তু আমাদের অনেকের ই সেগুলো অজানা। তাই নানা ধরনের ঔষধি গুনে ভরপুর এই ফলটির সাথে অনেকেই পরিচিত নয়। তবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে, সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে, রূপচর্চা করত এবং নানা ধরনের আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় জয়তুন ব্যবহৃত হচ্ছে।
অনেক ডাক্তার সুস্বাস্থ্যের জন্য জয়তুনের ফল ও তেল গ্রহণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন। আমরা আজকে এই অসাধারণ ও বৈচিত্র্যময় জয়তুন ফলের গুনাগুন আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।আশা করি জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন আপনাদের কাজে আসবে।
09/10/2021
অনেকে টিউমার সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তাই তাদের জন্য টিউমার সম্পর্কে আলোচনাঃ
🔘🔘টিউমার কিঃ
""""""""""""""""""
দেহ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই টিউমার বলা হয়। বিস্তারিতভাবে যদি বলি তাহলে বলা যায়, শরীরের যেকোন স্থানের (মাথা, হাত, বুক, পিঠ ইত্যাদি) কোষসমুহ যদি ধীরে ধীরে বা দ্রুততার সাথে অস্বাভাবিক (সাধারণত গোল আকৃতির) ও অসামঞ্জস্যভাবে বেড়ে ওঠে তাকে টিউমার বলা হয়।
🔘🔘টিউমারের প্রকারভেদঃ
""""""""""""""""""""""""""""
টিউমারকে আমরা সাধারণত তিনভাগে ভাগ করতে পারি। যথাঃ
(১) হিস্টোমা বা কানেকটিভ টিস্যু টিউমার,
(২) সাইটোমা এবং
(৩) টেরাটোমা বা মিক্সড সেল টিউমার।
হিস্টোমা টিউমার আবার দু’প্রকার। যথাঃ (১) বিনাইন ও (২) মালিগন্যান্ট
🔘বিনাইন টিউমারঃ
""""""""""""""""""""
এই টিউমারগুলো সাধারণত তুলতুলে ও নরম আকৃতির হয়। খুব একটা শক্ত হয় না। এর বৃদ্ধি ঘটে খুব আস্তে-ধীরে। উপরে কোনো বিশেষ আবরণ থাকে না। এই টিউমারের উপরের চামড়া আলাদা বা পৃথক মনে হয়। টিউমারের পার্শ্বে অবস্থিত গ্রন্থিসমুহ আক্রান্ত হয় না। এই টিউমারে আঘাত করলে বা কিংবা চাপ প্রয়োগ করলে কোনো যন্ত্রণা অনুভূত হয় না।
🔘ম্যালিগন্যান্ট টিউমারঃ
""""""""""""""""""""""""""
এই টিউমার নিরেট আকৃতির বা শক্ত হয়। খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে। এই টিউমারের আবরণ থাকে। এটার উপরের চামড়াআলাদা মনে হয় না। এই টিউমার সংলগ্ন গ্রন্থিসমুহ আক্রান্ত হয়। টিউমারটিতে চাপ দিলে যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এই টিউমারে আঘাত করলে কিংবা অপারেশন করা হলে ক্ষতি হয়। অপারেশন করলে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্রায়ই ক্যান্সার হতে দেখা যায়।
🔘🔘শরীরের একেক স্থানের টিউমার যে নামে পরিচিতঃ
""""""""""""""""""""""""""""""""""""
১। নাক, জরায়ু প্রভৃতি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির টিউমারের নাম প্যাপিলোমা।
২। জরায়ু ও পাকস্থলী প্রভৃতি স্থানের মাংস পেশির টিউমারের নাম মাইওমা।
৩। চর্মের উপরে যে টিউমার হয় তার নাম এপিথেলিওমা।
৪। পিঠ, কাঁধ প্রভৃতি স্থানে ফ্যাটি টিস্যু টিউমারের নাম লিপোমা।
৫। হাড়ের কার্টিলেজ এর টিউমারের নাম কনড্রমা।
৬। মাথার খুলি, মুখ-মণ্ডল ও নাসিকা গহ্বর প্রভৃতি স্থানে হাড়ের অস্থি টিউমারের নাম অস্টিওমা।
৭। মস্তিষ্ক কোষের টিউমারের নাম গ্লাইওমা।
৮। মস্তিষ্ক, লিভার প্রভৃতি স্থানের লসিকা নালীর টিউমারের নাম লিমফ্যানজিওমা। সাধারণত কম বয়সে সার্কোমা টিউমার দেখা দেয়। সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পরে কার্সিনোমা টিউমার দেখা দেয়।
ট্রিটমেন্টঃ টিউমারের ধরন এবং প্রকার অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয় তাই ঢালাও ভাবে এখানে ট্রিটমেন্ট উল্লেখ করা সম্ভব না।
🟢🔴🔵 নিয়মিত লাইক কমেন্ট না করলে আমাদের গ্রুপের পোস্ট আপনি আর দেখতে পারবেন না।
17/09/2021
মাঝেমধ্যেই হাত-পা ব্যথা? ৩ ঘরোয়া টোটকাই দিতে পারে সুস্থ জীবন
: করোনা (Coronavirus) সংক্রমণের আতঙ্কে বাড়িতে বদ্ধ জীবন। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরনো মানা। হালফিলের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমে’র (Work From Home) চক্করে অনেকের বাড়িই হয়ে উঠেছে অফিস। এই পরিস্থিতিতে আপনার কি মাঝেমধ্যেই হাত, পা যন্ত্রণা হচ্ছে? ভীষণ ক্লান্তি অনুভব হচ্ছে? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে আজই সাবধান হোন। কয়েকটি ঘরোয়া টোটকাতেই ব্যথা থেকে রেহাই পেতে পারেন। তবে সমস্যা বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত, পায়ে যন্ত্রণা দু’রকমের। একটি মাংসপেশির এবং আরেকটি গাঁটে গাঁটে ব্যথা। যন্ত্রণার নেপথ্যে আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রার (Lifestyle) ভূমিকা অনেকটাই। প্রতিযোগিতার ইঁদুর দৌড়ে শামিল আমরা। সকাল থেকে রাত শুধুই লক্ষ্যপূরণের চেষ্টা। অফিসের কাজের চাপ, ঠিকমতো কাজ না মেটাতে পারলে কী হবে সেই চাপ – সব মিলিয়ে জেরবার বেশিরভাগ চাকুরিজীবী।
ব্যস্ত জীবনে মানসিক অবসাদ গ্রাস করছে সহজেই। ছবি: প্রতীকী।
ব্যবসায়ীরাও কিন্তু একেবারে চাপ মুক্ত নন। তার ফলে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। নিজের জন্য সময়ও কমে আসছে ক্রমশ। তাই খুব সহজেই মানসিক ক্লান্তি গ্রাস করছে আমাদের। আর তার থেকেই জন্ম নিচ্ছে অবসাদ (Depression)।
মানসিক ক্লান্তি জন্ম দিচ্ছে অবসাদের। ছবি: প্রতীকী।
[আরও পড়ুন: Health Tips: অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রক্তচাপ বাড়লে ফল হতে পারে মারাত্মক, সাবধান করলেন চিকিৎসক]
বিশেষজ্ঞদের মতে, অবসাদের ফলে নিজেকে দুর্বল মনে হতে পারে। আর তার ফলে হাত, পায়ে যন্ত্রণার সম্ভাবনা। এই সমস্যার দ্বিতীয় কারণও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জল কম খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। যাঁরা কম জল খান তাঁরাও মাঝেমধ্যেই হাত, পায়ের যন্ত্রণা (Body Pain) অনুভব করেন।
মাঝেমধ্যেই হাত-পায়ে যন্ত্রণার শিকার অনেকেই। ছবি: প্রতীকী।
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কয়েকটি ঘরোয়া
16/09/2021
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় নারকেল তেল! সঙ্গে আরও উপকার
নিজস্ব প্রতিবেদন: চর্চার বিষয় যখন সুপারফুড তখন নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। ঠিকই পড়ছেন। সর্বত্র সহজলভ্য সস্তার নারকেল তেল। ভারতবর্ষের প্রায় প্রতি ঘরেই এই সুপারফুডের অস্তিত্ব রয়েছে বহুযুগ ধরেই। গবেষণায় জানা গিয়েছে শরীরের উপকারে নারকেল তেলের ভূমিকা অপরিসীম।
গরম না করে ঠান্ডায় জমাট নারকেল তেলেই বেশি উপকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নারকেলের খোল থেকে প্রাপ্ত টাটকা তেলের অনেক গুণ রয়েছে।
তেল নিষ্কাশনের সময় তাতে প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক খনিজ পাওয়া যায়। এছাড়াও এই তেল ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ। একেবারে প্রাকৃতিক গুণে ভরা এই তেল শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে।
স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে এই তেলে। প্রচুর মাত্রায় এই ফ্যাটি অ্যাসিও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায় এবং মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড (MCFAs) উৎপন্ন করে।
ঠান্ডায় জমা নারকেল তেলে রয়েছে MCTs ((Medium Chain Tryglyceride Fat) যা লিভারের সমস্যা দূর করে লিভার পরিষ্কার করে। জেনে রাখা ভালো এই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কিন্তু শরীরের পক্ষে ভালো কারণ শরীর খুব সহজেই এই ফ্যাট শোষণ করতে পারে।
ঠান্ডা নারকেল তেল প্রতিদিন রান্নাতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। সকাল সকাল এক চামচ করে নারকেল তেল খেলে শরীরের উপকার নিজেই বুঝতে পারবেন। ব্যালেন্স ডায়েটের সঙ্গে নারকেল তেল শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে অনেক সাহায্য করে
TRENDING NEWS
Covid-19: ছয় থেকে আট মাসেই করোনা থেকে 'মুক্তি'? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
করোনা অতিমারি (pandemic end) শেষের অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব। তবে তা কবে হবে সে বিষয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েই গিয়েছে। যদিও বিশ্বজুড়ে মহামারী বিশেষজ্ঞদের (Epidemiologists) মতে, করোনার বাড়বাড়ন্ত শেষ হবে না এখনই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ গবেষণা কেন্দ্রের ডিরেক্টর মাইকেল অস্টারহোমের (Michael Osterholm) মতে, গোটা বিশ্ববাসীই একবার হলেও মারণভাইরাসে আক্রান্ত হবেন। মূলত শীতে ফের নতুন করে করোনার (Coronavirus) প্রকোপ বাড়বে বলে জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করে মাইকেল জানান, 'বিশ্বজুড়ে কোভিডের একের পর এক ঢেউ আছড়ে পড়ছে। কিছুদিন তীব্রতা কমলেও ফের উত্থাপিত হতে পারে করোনার নতুন ঢেউ। অন্ততপক্ষে আগামী ছয় থেকে আট মাস করোনা শেষের কোনও লক্ষণ নেই।'
Coronavirus: দেশে ফের বাড়ল আক্রান্ত, কেরলে একদিনে আক্রান্ত ১৫ হাজারের বেশি
Covid 19: কোভিড নেগেটিভ হয়েও ভাইরাস ছড়াচ্ছেন, চিনে ফের সংক্রমণ বৃদ্ধির নেপথ্যে এই ব্যক্তি
গোটা বিশ্বের মানুষকে করোনার কোপে পড়তে হবে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, তৃতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হবেন কমপক্ষে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ। তবে ইতিমধ্যেই টিকাকরণ শুরু হওয়ায় মারণক্ষমতা অনেকটাই কমবে। করোনার নতুন কোনও প্রজাতির উদ্ভব হলে অপেক্ষা করছে আরও বড় বিপদ। তবে করোনা যে ধীরে ধীরে স্থানীয় রোগ বা ফ্লুতে পরিণত হবে তা মানছেন বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে এক-দু ডোজ নয়, নিয়মিত টিকা নিতে হবে বলে জানান তাঁরা।
10/09/2021
নিজস্ব প্রতিবেদন: বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফেলা যায় ভাতের মাড়। ভাত ঝরঝরে করতে ভাল ভাবে ভাতের মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। ঝরঝরে ভাতের চেয়েও শরীর ঝরঝরে রাখতে সময় নিয়ে মাড় ঝরিয়ে নেন অনেকেই। কারণ, ভাতে মাড় বসে গেলে তা খাওয়ার পর যেমন পেট, শরীর ভার হয়ে যায়, তেমনই নিয়মিত মাড় বসা ভাত খেতে দ্রুত মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ও থাকে। তবে ভাতের মাড় ভাল করে ঝরিয়ে ফেলে না দিয়ে সেটিকে কাজে লাগাতে পারেন নানা উপায়ে। ত্বক থেকে চুলের যত্নে কাজে লাগিয়ে দেখুন ভাতের মাড়। ফল মিলবে ম্যাজিকের মতো। আসুন জেনে নেওয়া যাক দৈনন্দিনের নানা কাজে ভাতের মাড়ের আশ্চর্য সব ব্যবহার...
১) ভাতের মাড় স্নানের জলে মিশিয়ে দিনে অন্তত ২ বার স্নান করতে পারলে ত্বকের অস্বস্তিকর জ্বালা ভাব, চুলকানি, র্যাশ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
২) ব্রণর সমস্যা কি কিছুতেই কমছে না? মাতের মাড় ঠান্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। দিনে অন্তত ২-৩ বার এই ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ব্রণ-ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।
৩) মাতের মাড় ঠান্ডা করে তুলো দিয়ে মুখের ও হাত-পায়ের রোদে পোড়া অংশে নিয়মিত মাখতে পারলে বাড়বে ত্বকের জেল্লা। এই পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ত্বক থাকবে সতেজ, বহজায় থাকবে ত্বকের আর্দ্রতা। এ ছাড়াও ত্বকের হাইপার পিগমেন্টেশন আর ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী!
৪) ভাতের মাড়ে জল মিশিয়ে খানিকটা পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে ভাতের মাড় দিয়ে মিনিট তিনেক রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যার মোকাবিলায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এ ছাড়া চুল গোড়া থেকে মজবুত করতে আর চকচকে করতে সাহায্য করে এই পদ্ধতি।
এ ছাড়াও শরীরের অপুষ্টিজনিত সমস্যার মোকাবিলায় ভাতের মাড় খুবই উপকারী।
10/09/2021

Getty Images
Prevent a Prescription Medical Error
It is important to understand your prescriptions. This can make a medical error less likely.
It is possible, for example, that your pharmacist could make a mistake. If your doctor's handwriting is not easy to read, you may have to wait longer for your medication. Worse, you could be given the wrong dose or the wrong directions.2
Pharmacies can receive prescriptions a few different ways. Your doctor might give you a handwritten or printed prescription to take to the pharmacy yourself. Your prescription may also be faxed or electronically submitted.
Many doctor's offices now use electronic prescribing. This is where your doctor submits your prescription directly to the pharmacy electronically. Some states require electronic prescribing.3
Electronic prescriptions help prevent medical errors that can be caused by hard-to-read handwriting.
Electronic prescriptions are especially important for controlled substances. Controlled substances are drugs that are restricted by the government because of their potential for abuse. This includes opioids, powerful pain relievers that can be addictive.3
Ask to see a printout of your prescription before leaving your doctor's office. Check your prescription first to make sure it is filled correctly. If you think there is an error, you can tell the pharmacist or call your doctor.
If you do not understand what your prescription says, ask for help. Your doctor or another healthcare provider in the office can answer your questions. This could help you detect and prevent an error.
Quick Tip
Ask your doctor to include your condition on the prescription—for example, not just "take once a day," but "take once a day for high cholesterol." This can help you keep track of your medications and what each one is for.
10/09/2021
😁😁😊😊😊😍😍🤳🤳
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
7/1Moneshore Road, Dhanmondi
Dhaka
