Nutri Core
Eat right, be bright ♥️
14/11/2022
22/10/2022
॥তেঁতুল॥
তেঁতুল বা তিন্তিড়ী এর বৈজ্ঞানিক নাম: Tamarindus indica. এটি একপ্রকার টক ফল বিশেষ।
॥উপাদান॥
পাকা তেঁতুল টক-মিষ্টি হয়ে থাকে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যাসিড, চিনি, ভিটামিন বি, এবং ফলে সাধারণত না দেখা গেলেও এতে আছে ক্যালসিয়াম।
॥ওষধি ব্যবহার॥
উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেসার তাৎক্ষণিকভাবে উপশম হয় কাঁচা অথবা পাঁকা তেঁতুল খেলে।
তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকায় খাবার হজমে সহায়তা করে। পেটের বায়ু, হাত-পা জ্বালায় তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী। রক্তে কোলস্টেরল কমানোর কাজে আধুনিককালে তেঁতুল ব্যবহার হচ্ছে। জরে ভোগা রোগীর জর কমানোর জন্য এ ফল ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও স্কেলিটাল ফ্রুরোসিস(skeletal fluorosis) রোগের প্রকোপ হ্রাস করতেও এটি ব্যবহৃত হয়। পাকা তেঁতুল ভিজিয়ে রেখে সকালে শুধু পানি খেলে হাত-পায়ের জ্বালা কমে।
12/10/2022
.TV
📢পাঙ্গাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙ্গাশ মাছ খেলে কী হয়?
পাঙ্গাশ মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর পুষ্টির মান অতি উচ্চ। ওমেগা থ্রি ও সিক্স দুটোই ভালো পরিমানে পাওয়া যায়। ওমেগা সিক্সের চেয়ে ওমেগা থ্রি ভালো বেশি। পাঙ্গাশ নিয়মিত খান। আমিষ, ওমেগা থ্রি, চোখের জন্য উপকারী মিনারেল সব পাবেন পাঙ্গাশ মাছে।
তেল জাতীয় সব মাছ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। রুই মাছের চেয়ে পাঙ্গাশ মাছ দামে কম কিন্তু পুষ্টিতে বেশি। ইলিশ মাছ, পাঙ্গাশ মাছ এসব মাছে তেল থাকে অনেক। তাই এই মাছগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে হার্টের জন্য অনেক উপকারী। মাছের তেল সাধারন তেল নয়। এই তেল খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই বেশি বেশি তেলযুক্ত মাছ খান তবে অবশ্যই সেটা যেনো মোটা হওয়ার কারন না হয় সেটা লক্ষ্য রেখেই খান।
পাঙ্গাশ মাছ কেউ কেউ নিষেধ করে এর চাষের প্রক্রিয়ার কারনে। ময়লা পানিতে পাঙ্গাশ মাছ হয় এমন একটা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পাঙ্গাশ মাছের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত করছে ।
তাছাড়া যে কোন মাছ যখন ভালোভাবে পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না করা হবে মাছের মধ্যে খারাপ কিছু থাকলে সব ধ্বংস হয়ে যায়। তাই নিশ্চিন্তে পাঙ্গাশ মাছ খান
12/10/2022
Picture : Collected
12/10/2022
॥শালদুধ॥
শালদুধ (ইংরেজি: Colostrum) হলো বাচ্চা জন্মের পরপর মায়ের স্তন থেকে নিঃসৃত ঈষৎ হলুদাভ, আঠালো দুধ। শালদুধ পরিমাণে খুব অল্প ও ঘন হয় কিন্তু এতে পুষ্টিগুণ তুলনামূলক অনেক বেশি। এতে প্রচুর অ্যান্টিবডি থাকে যা শিশুকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এটাকে শিশুর জীবনের প্রথম টিকা বলা হয়।
॥উপাদান॥
শালদুধে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, আমিষ ও ভিটামিন এ, অ্যান্টিবডি ও শ্বেত রক্ত কণিকা রয়েছে।তবে স্বাভাবিক দুধের তুলনায় শালদুধে কার্বোহাইড্রেট, লিপিড ও পটাশিয়াম কিছুটা কম রয়েছে।এছাড়া এতে লিম্ফোসাইট ও বিভিন্ন ইমিউনোগ্লোবিউলিন যেমন IgA, ল্যাক্টোফেরিন, লাইসোজাইম, ল্যাক্টোপারক্সিডেজ, কমপ্লিমেন্ট, এবং প্রোলিন সমৃদ্ধ পলিপেপটাইড (PRP), ও অল্পকিছু সাইটোকাইনস ইন্টারলিউকিনস, টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর, কেমোকাইনস ইত্যাদি রয়েছে।। শালদুধে কিছু গ্রোথ ফ্যাক্টরও থাকে যেমন ইনসুলিন-লাইক গ্রোথ ফ্যাক্টর-১(IGF-1), ও IGF-II, ট্রান্সফরমিং গ্রোথ ফ্যাক্টর আলফা, বিটা-১ ও বিটা-২, ফাইব্রোব্লাস্ট গ্রোথ ফ্যাক্টর, এপিডার্মাল গ্রোথ ফ্যাক্টর, গ্র্যানুলোসাইট-ম্যাক্রফেজ স্টিমুলেটিং গ্রোথ ফ্যাক্টর, প্লেটলেট-ডিরাইভড গ্রোথ ফ্যাক্টর, ভাস্কুলার এন্ডোথেলিয়াল গ্রোথ ফ্যাক্টর, এবং কলোনি স্টিমুলেটিং ফ্যাক্টর-১।
॥উপকারিতা॥
শালদুধ সহজ পাচ্য হওয়ায় শিশুর জন্য খুবই উপযোগী। শালদুধের উপাদানসমূহ শিশুর পুষ্টি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জীবাণুর হাত থেকে বাঁচায়। শালদুধ খাওয়ালে শিশু তাড়াতাড়ি পায়খানা করে ফলে জন্ডিস হবার সম্ভাবনা কমে যায়। অপরিণত ও কম ওজন বিশিষ্ট শিশুর জন্য শালদুধ জীবন রক্ষাকারী। এছাড়া তাড়াতাড়ি শালদুধ খাওয়ালে মায়ের গর্ভফুল দ্রুত পড়ে যায় এবং প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ অনেক কম হয় ফলে মা রক্তস্বল্পতার হাত থেকে রক্ষা পায়।
09/10/2022
॥Calcium deficiency / Hypocalcemia॥
আমাদের দেশে ক্যালসিয়াম ঘাটতী একটি জটিল সমস্যা. বিশেষ করে মহিলারা এ সমস্যায় বেশী ভোগে. সে কারনে সমাধান হিসেবে অনেকে "Ca suppliment" হিসেবে নিয়ে থাকে. তবে দেখা যায় যে টানা অনেক দিন Ca suppliment নেবার পর ও কোন ফল পাওয়া যায় না এবং বেশীর ভাগ ক্ষেএেই এটি হয়ে থাকে. এর কারন হল আমাদের শরীর Ca শোষণ করার জন্য Vitamin D ও phosphorus (k) এর দরকার হয়. আর এই দুটি উপাদান যে খাবার এ আছে Ca suppliment এর সাথে সে উৎসের খাবার অবশ্যই খেতে হবে।সাধারনত দুধ VitD আর কলা phosphorus এর ভাল উৎস। তাই Ca শরীর এ শোষিত হবার জন্য Ca suppliment এর সাথে দুধ এবং কলা খেতে হবে।
এই উপায়ে ca suppliment নিলে Ca ঘাটতী মোটামোটী ভাবে কাটানো যাবে আশা করা যায় .
খাদ্য তালিকায় যেসব "Calcium rich " খাদ্য রাখা উচিত তার একটি ছক নিচে দেয়া হল ।🙂
Masuka Nasrin
Nutritionist
08/10/2022
॥গর্ভকালীন ডায়াবেটিস॥
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এমন একটি অবস্থা যেখানে ডায়াবেটিস বিহীন কোনও মহিলা গর্ভাবস্থায় রক্তে উচ্চ মাত্রার শর্করা বিকাশ লাভ করে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ফলে সাধারণত কয়েকটি লক্ষণ দেখা দেয় ; তবে এটি প্রি-এক্লাম্পসিয়া, হতাশা এবং সিজারিয়ান বিভাগের ঝুঁকি বাড়ায়। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসযুক্ত মায়েদের দুর্বল চিকিৎসা জন্মগ্রহণকারী শিশুদের খুব বেশি রক্তে শর্করা কম থাকা এবং জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। চিকিৎসা না হলে, এতে মৃত সন্তান প্রসব হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে, বাচ্চাদের বেশি ওজন হওয়ার এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ঝুঁকির কারণ-
অতিরিক্ত ওজন, আগে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের পরিবারের ইতিহাস, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম।
রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি-
রক্ত পরীক্ষা করানো ।
প্রতিরোধ-
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং গর্ভাবস্থার আগে অনুশীলন করা।
চিকিৎসা-
ডায়াবেটিক ডায়েট, অনুশীলন, ইনসুলিন ইনজেকশন
চলবে ........
08/10/2022
বর্তমানে আমরা সকলেই কম বেশি বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস এর সাথে পরিচিত আছি৷ তাহলে চলুন আজ ডায়াবেটিস মেলিটাস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
ডায়াবেটিস হচ্ছে মূলত হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। আমাদের অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয় যার ফলে দেহে রক্তে গ্লুকোজের সামঞ্জস্য বজায় থাকে। কিন্তু যখনই অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন ক্ষরিত হওয়ার পরিমাণ কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায় তখন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে যে অসামঞ্জস্য অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে ডায়াবেটিস বলে।
ডায়াবেটিস মেলিটাস সাধারণত দুই টাইপের হয়ে থাকে -
১. টাইপ -১ ডায়াবেটিস
২. টাইপ -২ ডায়াবেটিস
১. টাইপ-১ ডায়াবেটিস :
টাইপ - ১ ডায়াবেটিস হচ্ছে Auto immune Disorder. এক্ষেত্রে দেহের নিজস্ব Immune System দেহের কোষের উপর আক্রমণ করে যার ইনসুলিন তৈরিকারী কোষ নষ্ট হয়ে যায় যার ফলে দেহে ইনসুলিন লেভেল কমে যায়। তাই যারা টাইপ-১ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত তাদের ইনসুলিন ইঞ্জেক্ট এর মাধ্যমে দেহে ইনসুলিন লেভেল বজায় রাখতে হয়।
২. টাইপ-২ ডায়াবেটিস :
টাইপ-২ ডায়াবেটিস হচ্ছে Lifestyle Disorder. অর্থ্যাৎ টাইপ-২ ডায়াবেটিস এর ক্ষেত্রে রোগীর দেহে ইনসুলিন ঠিকই তৈরি হয় কিন্তু ইনসুলিন এর রিসেপ্টর সেই ইনসুলিন গ্রহণ করতে পারে না যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় যার ফলস্বরূপ দেহে টাইপ ২ ডায়াবেটিস ধরা পরে। মূলত আমাদের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ফলই হচ্ছে টাইপ ২ ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে ৯০-৯৫%ই হচ্ছে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। টাইপ 2 ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যেতে পারে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে, যেমন ওজন কমানো, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং বিভিন্ন কাজে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে।
চলবে .......
08/10/2022
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। অসুস্থ হলেই বুঝা যায় সুস্থ থাকা কত জরুরী। তাই সুস্থ থাকতেই আর দেরি না করে কিছু সঠিক পরামর্শ জানতে আমাদের
page এ লাইক দিয়ে পাশে থাকুন
https://www.facebook.com/profile.php?id=100086275674045
১)সাধারণ স্বাস্থ্য পরামর্শ
২) মানষিক স্বাস্থ্য পরামর্শ
৩)শিশুস্বাস্থ্য পরামর্শ
৪) নিউরোস্বাস্থ্য পরামর্শ
৫) পুষ্টি স্বাস্থ্য পরামর্শ
৬) মাতৃ-স্বাস্থ্য পরামর্শ
৭) ডায়াবেটিস সচেতনতা
৮) ফুডকেয়ার সচেতনতা
৯) বার্ধক্যজনিত স্বাস্থ্য পরামর্শ
১০)স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পরামর্শ
আপনাদের চাহিদামত আমরা আরো নতুন নতুন টপিক যোগ করব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
