Nazmun Nahar

Nazmun Nahar

Share

There is always light. If only we're brave enough to see it. If only we're brave enough to be it.

Photos from Nazmun Nahar's post 01/03/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন৷
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করেছেন

12/02/2026
20/10/2025
Photos from Nazmun Nahar's post 10/10/2025

Thailand ❤️❤️

26/09/2025

আসসালামু আলাইকুম
আমার লেখাতে যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন

আমরা সবাই খেলাধুলা ভালোবাসি। আমারও ছোটবেলা থেকে ক্রিকেট ছিল সবচেয়ে প্রিয় খেলা। কিন্তু অনেকদিন হলো খেলা দেখি না। সাকিবকে দল থেকে চলে যেতে দেখে মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল।

হয়তো ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ সবাইকেই প্রভাবিত করে, কিন্তু খেলার কথা ভাবলে বলতে হয়—সাকিব দেশের জন্য যা করেছে তা কখনও ভুলে যাওয়া যায় না। দেশের জার্সির জন্য তিনি সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন।

কষ্ট লাগে যখন দেখি—একটা ম্যাচ জেতার পর টিম এতটাই আত্মবিশ্বাসী হয়ে যায় যে পরের ম্যাচে এমনভাবে হারে, যেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, চাই এমন একটা টিম যাদের জয়ের ক্ষুধা প্রতিটা ম্যাচেই সমান থাকবে।

খেলাটা হোক দেশের সম্মানের জন্য, শুধুই ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়। ❤️🇧🇩

28/07/2025
01/07/2025

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Photos from Nazmun Nahar's post 12/05/2025

"এডজাস্ট" শব্দটা আমাদের সমাজে একটা অদৃশ্য চাবুকের মতো ব্যবহার হয়—বিশেষত মেয়েদের উপর।
একজন মেয়ে বিয়ের পর নিজের ঘর ছেড়ে অন্য একটা পরিবারের অংশ হয়। সেটা শুধু একটা বাড়ি বা লোকেশন বদল না, বরং সেটা একটা পরিচয় বদলের নাম। একদিকে তাকে নিজের অভ্যাস, খাবার, পোশাক, চালচলন সবকিছুর মধ্যে “ফিট” হতে হয়, অন্যদিকে তাকে বোঝানো হয়—এইটুকুই তো তোমার কর্তব্য।

কিন্তু ছেলেটার কী হয়?

একজন ছেলে নিজের ঘরেই থাকে, নিজের পরিবারের সঙ্গে, নিজের স্বাচ্ছন্দ্যে। তার “এডজাস্ট” করার প্রয়োজন হয় কেবল তখনই যখন সে চায়, বা তখন যখন তার স্ত্রী একটু ভালোবাসা ও সমর্থন চায়।
কিন্তু এই ছোট্ট সমর্থনটাও অনেক সময় সমাজের কাছে অপমানজনক হয়ে দাঁড়ায়।

স্বামী যদি স্ত্রীর পাশে দাঁড়ায় — সমাজ বলে সে স্ত্রীর দাস।
স্ত্রী যদি শ্বশুরবাড়ির দাসত্ব মেনে নেয় — সমাজ বলে সে ভালো বউ।

এই দ্বিমুখী মানদণ্ড ভেঙে ফেলার সময় এখনই।
একটা সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, ভালোবাসা, বোঝাপড়া এবং সমর্থনের উপর দাঁড়ায় — কেবল একজনের আত্মত্যাগের উপর না।

"মেয়ে মানে ত্যাগ" — এই ধারণাটা কে বানালো?

ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের শেখানো হয়:

চুপ থেকো, মানিয়ে নাও

সংসার বাঁচাও, নিজেকে না হয় মাটি করে দাও

গায়ের রং, গায়ের ভাষা, গায়ের আত্মসম্মান — সব এডজাস্ট করো

এই শেখানোটা এতটাই গভীরে গেঁথে যায় যে, অনেক মেয়েও পরে অন্য মেয়েকে একই মানদণ্ডে বিচার করে।
এই শিক্ষাটা বদলাতে না পারলে, সমাজ বদলাবে না।

শ্বশুরবাড়ি কি পরিবার, না কর্মস্থল?

একটা নতুন বউয়ের প্রতি আমরা অনেক প্রত্যাশা রাখি
সে রান্না জানবে, সব্বাইকে হাসিমুখে গ্রহণ করবে, দায়িত্ব নেবে, ঘরের নিয়ম বুঝবে, ভুল করবে না, কেউ কিছু বললে তর্ক করবে না।

কিন্তু আমরা কয়জন নিজেদের প্রশ্ন করি —
সে কি এখানে নিরাপদ?
সে কি নিজেকে প্রকাশ করতে পারছে?
সে কি মানুষ হিসেবে নিজের জায়গা পাচ্ছে, নাকি একটা নিঃশব্দ চাকর?

"মানিয়ে নেওয়া" হোক দুপক্ষের দায়িত্ব

এখন সময় এসেছে যখন মেয়েরা শুধু মানিয়ে নেবে না, ছেলের পরিবারও "মানিয়ে নেওয়া" শিখবে।
সমাজের যে অংশটা বলে, “আমরা তাকে মেয়ে ভেবে নিই”—তাদের উচিত আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করা,
আমার নিজের মেয়ের সঙ্গে কি আমি এমন ব্যবহার করতাম?

মেয়েদের মুখ বন্ধ রাখার দিন শেষ। তারা এখন প্রশ্ন তোলে, জবাব চায়, মর্যাদা চায়।
এবং এটা পাওয়ার জন্য তারা যুদ্ধ করছে না, প্রাপ্যটুকু আদায় করে নিচ্ছে।

একজন ছেলের উচিত, মায়ের সম্মান অটুট রাখা, কারণ মা তার জীবনের মূল ভিত্তি। কিন্তু সেইসাথে, বউয়ের সাথেও সঠিকভাবে যোগাযোগ রাখা দরকার, যেন সম্পর্কটা সম্মানের ভিতরেই থাকে।

যেসব ছেলেরা "বউয়ের কথায় উঠে বসে", তাদের হয়তো বোঝা দরকার যে নিজের বিচারবুদ্ধি এবং ন্যায়বোধ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি—কেবল একপক্ষের কথা শুনে না। মায়ের অসম্মান হলে সেটা মেনে নেওয়া কখনোই উচিত না, সে যেই করুক।

তবে, একে স্রেফ “বউয়ের কথায় ওঠে বসে” বলে ছোট করাটা না করে, বরং আমরা বলি: সন্তান হিসেবে কারো উচিত না, মায়ের অপমানকে অবহেলা করা—এটা তাদের দায়িত্ব, ভালোবাসা, আর নৈতিক দায়িত্বের বিষয়।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Gulshan
Dhaka