Hare krishna.
Patuakhli
03/02/2024
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।
25/01/2024
আমার প্রাণনাথ আজকে অপরূপ সাজে সেজেছে।
অধিবাস কীর্তন মায়াপুর।
কৃষ্ণ প্রেমময় রাধা রাধা প্রেমময় হরি।
12/07/2023
কামিকা একাদশীর মাহাত্ম্য:
যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে শ্রাবণ কৃষ্ণপক্ষীয়া কামিকা একাদশী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে, নারদ মুনির প্রশ্নে ব্রহ্মা যে উত্তর দিয়েছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ তা-ই বললেন।
শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘কামিকা’ নামে জগতে প্রসিদ্ধা। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়। ভগবান শ্রীহরির পূজা-অর্চনা অপরিমিত পূর্ণ ফল প্রদান করে। গঙ্গা গোদাবরী কাশী নৈমিষ্যারণ্য, পুষ্কর ইত্যাদি তীর্থ দর্শনের সমস্ত ফল একমাত্র কৃষ্ণপূজার মাধ্যমে কোটিগুণ লাভ করা যায়।
সাগর ও অরণ্য যুক্ত পৃথিবী দানের ফল, দুগ্ধবতী গাভী দানের ফল অনায়াসে এই ব্রত পালনে লাভ হয়। যারা পাপপূর্ণ সাগরে নিমগ্ন এই ব্রতই তাদের উদ্ধারের একমাত্র সহজ উপায়। এইরকম পবিত্র পাপনাশক শ্রেষ্ঠ ব্রত আর জগতে নেই। শ্রীহরি স্বয়ং এই মহাত্ম্য কীর্তন করেছেন। রাত্রি জাগরণ করে যারা এই ব্রত পালন করেন তাঁরা কখনও দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্ত হন না। এই ব্রত পালনকারী কখনও নিম্নযোনি প্রাপ্ত হন না।
কেশবপ্রিয়া তুলসীপত্রে যিনি শ্রীহরির পূজা করেন পদ্মপাতায় জলের মতো তিনি পাপে নির্লিপ্ত থাকেন। তুলসীপত্র দিয়ে বিষ্ণুপূজায় ভগবান যেমন সন্তুষ্ট হন, মণিমুক্তাদি মূল্যবান রত্ন মাধ্যমেও তেমন প্রীত হন না। যিনি কেশবকে তুলসীমঞ্জরী দিয়ে পূজা করেন তার জন্মার্জিত সমস্ত পাপক্ষয় হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে ব্রহ্মা নারদকে বললেন, যিনি তুলসীকে প্রত্যহ দর্শন করেন তার সকল পাপরাশি বিদুরিত হয়ে যায়, যিনি তাঁকে স্পর্শ করেন তার পাপমলিন দেহ পবিত্র হয়, তাঁকে প্রণাম করলে সমস্ত রোগ দূর হয়, তাঁকে জল সিঞ্চন করলে যমও তার কাছে আসতে ভয় পান। শ্রীহরিচরণে তুলসী অর্পিত হলে ভগবদ্ভক্তি লাভ হয়। তাই হে কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী তোমায় প্রণাম করি।
যে ব্যক্তি হরিবাসরে ভগবানের সামনে দীপদান করেন চিত্রগুপ্তও তাঁর পুণ্যের সংখ্যা হিসেব করতে পারে না। তার পিতৃপুরুষেরাও পরম তৃপ্তি লাভ করেন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- যিনি ব্রহ্মহত্যা ভ্রুণহত্যা-পাপবিনাশিনী, মহাপুণ্যফলদায়ী এই ব্রত পালন করবেন ও এই মাহাত্ম্য শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ অথবা শ্রবণ করবেন তিনি সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গমন করবেন।
কামিকা একাদশীর মাহাত্ম্য:
যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে শ্রাবণ কৃষ্ণপক্ষীয়া কামিকা একাদশী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে, নারদ মুনির প্রশ্নে ব্রহ্মা যে উত্তর দিয়েছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ তা-ই বললেন।
শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘কামিকা’ নামে জগতে প্রসিদ্ধা। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়। ভগবান শ্রীহরির পূজা-অর্চনা অপরিমিত পুণ্য ফল প্রদান করে। গঙ্গা, গোদাবরী, কাশী, নৈমিষ্যারণ্য, পুষ্কর ইত্যাদি তীর্থ দর্শনের সমস্ত ফল একমাত্র কৃষ্ণপূজার মাধ্যমে কোটিগুণ লাভ করা যায়।
সাগর ও অরণ্য যুক্ত পৃথিবী দানের ফল, দুগ্ধবতী গাভী দানের ফল অনায়াসে এই ব্রত পালনে লাভ হয়। যারা পাপপূর্ণ সাগরে নিমগ্ন এই ব্রতই তাদের উদ্ধারের একমাত্র সহজ উপায়। এইরকম পবিত্র পাপনাশক শ্রেষ্ঠ ব্রত আর জগতে নেই। শ্রীহরি স্বয়ং এই মহাত্ম্য কীর্তন করেছেন। রাত্রি জাগরণ করে যারা এই ব্রত পালন করেন তাঁরা কখনও দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্ত হন না। এই ব্রত পালনকারী কখনও নিম্নযোনি প্রাপ্ত হন না।
কেশবপ্রিয়া তুলসীপত্রে যিনি শ্রীহরির পূজা করেন পদ্মপাতায় জলের মতো তিনি পাপে নির্লিপ্ত থাকেন। তুলসীপত্র দিয়ে বিষ্ণুপূজায় ভগবান যেমন সন্তুষ্ট হন, মণিমুক্তাদি মূল্যবান রত্ন মাধ্যমেও তেমন প্রীত হন না। যিনি কেশবকে তুলসীমঞ্জরী দিয়ে পূজা করেন তার জন্মার্জিত সমস্ত পাপক্ষয় হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে ব্রহ্মা নারদকে বললেন, যিনি তুলসীকে প্রত্যহ দর্শন করেন তার সকল পাপরাশি বিদুরিত হয়ে যায়, যিনি তাঁকে স্পর্শ করেন তার পাপমলিন দেহ পবিত্র হয়, তাঁকে প্রণাম করলে সমস্ত রোগ দূর হয়, তাঁকে জল সিঞ্চন করলে যমও তার কাছে আসতে ভয় পান। শ্রীহরিচরণে তুলসী অর্পিত হলে ভগবদ্ভক্তি লাভ হয়। তাই হে কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী তোমায় প্রণাম করি।
যে ব্যক্তি হরিবাসরে ভগবানের সামনে দীপদান করেন চিত্রগুপ্তও তাঁর পুণ্যের সংখ্যা হিসেব করতে পারে না। তার পিতৃপুরুষেরাও পরম তৃপ্তি লাভ করেন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- যিনি ব্রহ্মহত্যা ভ্রুণহত্যা-পাপবিনাশিনী, মহাপুণ্যফলদায়ী এই ব্রত পালন করবেন ও এই মাহাত্ম্য শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ অথবা শ্রবণ করবেন তিনি সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গমন করবেন।
Skip to content
ব্রজে প্রসিদ্ধং নবনীতচৌরং
গোপাঙ্গনানাং চ দুকূলচৌরম্।
অনেক জন্মার্জিত পাপচৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥১৷৷
অনুবাদ: যিনি ব্রজে নবনীত চোর ও গোপাঙ্গনাদের বসন চোর বলে প্রসিদ্ধ ও যিনি স্বীয় ভক্তদের অশেষ জন্মার্জিত পাপসকল হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি নমস্কার করি।
শ্রীরাধিকায়া হৃদয়স্য চৌরং
নবাম্বুদশ্যামলকান্তিচৌরম্।
পদাশ্রিতানাং চ সমস্ত চৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥২॥
অনুবাদ: যিনি রাধিকার চিত্ত চোর, যিনি নবজলধরমেঘের কান্তি চোর ও যিনি স্ব-চরণাশ্রিত ভক্তগণের সর্বস্ব হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি প্রণাম করি।
অকিঞ্চনীকৃত্য পদাশ্রিতং যঃ
করোতি ভিক্ষুং পথি গেহহীনম্।
কেনাপ্যহো ভীষণচৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন জগত্রয়েহপি ॥৩॥
অনুবাদ: যিনি স্বচরণাশ্রিত ভক্তদের অকিঞ্চন করে (তাদের স্ত্রী-পুত্র, ধনাদি সর্বস্ব হরণ করে) তাদেরকে গৃহহীন ও পথের ভিক্ষুক করেন, তার ন্যায় ভীষণ চোর জগতে কেউ দেখেও নি বা শোনেনি।
যদীয় নামাপি হরত্যশেষং
গিরি-প্রসারানপি পাপরাশি।
আশ্চর্যরূপঃ ননু চৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন ময়া কদাপি ॥৪॥
অনুবাদ: যার নাম মাত্রেই জীবের পর্বত প্রমাণ পাপরাশি নিঃশেষে হরণ করেন, এরূপ আশ্চর্য চোর আমি কখনও দেখিনি বা শুনিনি।
ধনং চ মানং চ তথেন্দ্রিয়াণি
প্রাণাংশ্চ হৃত্বা মম সর্বমেব ।
পলায়সে কুত্র ধৃহেদ চৌর
ত্বং ভক্তিদান্নসি ময়া নিরুদ্ধঃ ॥৫৷৷
অনুবাদ: হে চোর! তুমি আমার ধন, মান, ইন্দ্রিয় ও প্রাণ প্রভৃতি হরণ করে কোথায় পলায়ন করছ? আমি তোমাকে ভক্তিরজ্জু দ্বারা বেঁধে রাখলাম।
ছিনৎসি ঘোরং যমপাশবন্ধং
ভিনৎসি ভীমং ভবপাশবন্ধ।
ছিনৎসি সর্বস্য সমস্তবন্ধং
নৈবাত্মনো ভক্তকৃতং তু বন্ধম্ ॥৬॥
অনুবাদ: তুমি মনুষ্য মাত্রেরই ঘোর যমপাশ ছিন্ন করতে পার, তার ভয়ানক সংসার বন্ধন ছিন্ন করতে পার। এমনকি সকলের সবরকম বন্ধনই ছিন্ন করতে পার; কিন্তু স্বভক্তকৃত নিজ বন্ধন ছিন্ন করতে পার না।
মানসে তামসরাশিঘোরে
কারাগৃহে দুঃখময়ে নিবদ্ধঃ।
লভস্ব হে চৌর! হরে! চিরায়
স্বচৌর্যদোষোচিতমেব দণ্ডম্ ॥৭॥
অনুবাদ: হে চোর, তুমি ঘোর তমসাচ্ছন্ন দুঃখময় কারাগৃহ রূপ আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য নিবদ্ধ হয়ে নিজের চৌর্যকার্যের উপযুক্ত দণ্ড গ্রহণ করো।
কারাগৃহে বস সদা হৃদয়ে মদীয়ে
মদ্ভক্তিপাশদৃঢ়বন্ধন-নিশ্চল সন্।
ত্বং কৃষ্ণ হে! প্রলয়কোটিশতান্তরেহপি
সর্বস্বচৌর হৃদয়ান্নহি মোয়ামি ॥৮॥
অনুবাদ: অতঃপর তুমি আমার হৃদয় কারাগারে আমার ভক্তিপাশ দ্বারা দৃঢ়রূপে বদ্ধ হয়ে সর্বদা নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। হে কৃষ্ণ! হে আমার সর্বস্ব চোর! শতকোটি প্রলয়াবসানেও হৃদয় কারাগার হতে তোমাকে মুক্ত করব না।
09/07/2023
krishna
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka

31/08/2023