Health Nutrition International BD Supplement Store
আমাদের কাছে সকল প্রকার খেলার ও জিমের অরিজিনাল ফুড সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়।
স্থায়ীভাবে ওজন বা মাসল বাড়াতে নিন
জেনুইন প্রোটিন পাউডার
এতে পাবেন সর্বোচ্চ মাত্রার প্রোটিন
সেটাও আপনার বাজেটের মধ্যে
এটির প্রতি ৩৬গ্রাম পাউডার এ পাবেন ২৪গ্রাম প্রোটিন
১কেজিতে পাবেন ২৭ সার্ভিং
যা স্থায়ীভাবে সাইড ইফেক্ট ছাড়া ওজন বা মাসল বাড়াতে সাহায্য করবে
অর্ডার করুন
এখনই,
25/04/2023
💢 STRENGTH TRAINING AND WEIGHT LOSS 💢
☝️ আপনি কি জানেন ❓
STRENGTH TRAINING, শক্তিশালী পেশী এবং হাড় গঠনের চেয়ে আরও অনেক বেশি কিছু করে? বিগত কয়েক বছরে গবেষণা নিশ্চিত করেছে যে ওয়েট লিফটিং এমনভাবে আপনার মেটাবোলিজমকে (বিপাককে) পরিবর্তন করে যেগুলি স্বাস্থ্য এবং সুস্বাস্থ্যে উন্নতি করে। যেমন, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলত্ব এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রাযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য এটি সুসংবাদ।
STRENGTH TRAINING, Resting Metabolic Rate (RMR) (বিপাককে হারকেও) উন্নত করে। এর অর্থ হ'ল আপনি যখন শরীর নড়াচড়া করছেন না তখনও আপনার দেহ শক্তি/এনার্জি দ্রুত বার্ন করছে। ♨️
গবেষণা সমীক্ষার পর্যালোচনাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে STRENGTH TRAINING এ মাসল মাস কমপক্ষে ১-২ কেজি বাড়তে পারে। অনেক স্টাডিতে দেখা গেছে, STRENGTH TRAINING প্রোগ্রাম গুলোতে ভিসারাল ফ্যাটও কমিয়ে দেয়। (যা আসলে পেটের গহ্বরের অভ্যন্তরে থাকে এবং সহজে দেখা যায় না)। ভিসারাল ফ্যাট অস্বাভাবিক কোলেস্টেরলের মাত্রা, উচ্চ রক্তচাপ, ইনসুলিন প্রতিরোধ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এই সব রোগের সাথে যুক্ত।
STRENGTH TRAINING, বিশেষ কিছু হরমোন কে সক্রিয় করে যা শরীরকে আরো বেশি করে ফ্যাট লসে হেল্প করে। তাছাড়াও, STRENGTH TRAINING রেস্টিং মেটাবলিক রেট কে বাড়িয়ে দেয় যার ফলে যে কারো ওয়েট লসের তার্গেট ফুল ফিল করতে হেল্প করে। 💯%
কিছু রেজিস্টঅ্যাঞ্চ ট্রেনিং টেকনিক মাসল মাস বৃদ্ধি করে এবং ওবেসিটির রিস্ক কমিয়ে দেয়। মাসল মাস বৃদ্ধির জন্যে ট্রেনিং ভলিউম = সেট * রেপিটেশান * লোড (এমাউন্ট অফ ওয়েট) গুরুত্ত্বপুর্ন একটা বিষয়। হায়পারট্রপি ট্রেইনিং মাসল মাসের জন্যে খুবই গুরুত্ত্বপুর্ন।
✅ ওয়েট লিফটিং এর সুবিধাসমুহঃ
▶️ ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিক থাকে।
▶️ কোলেসট্রেরল লেভেল স্বাভাবিক থাকে।
▶️ ইন্সুলিন সেন্সিটিভিটি কমে।
▶️ লিপিড প্রোফাইল উন্নত হয়।
▶️ কার্ডীওভাস্কুলার ফাংশান উন্নত হয়।
▶️ হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়।
▶️ শারীরিক গঠনের উন্নতি করে।
▶️ মেটাবলিজ বুস্ট করে।
▶️ শারীরিক সুস্থতা উন্নত করে।
▶️ ইনজুরি প্রতিরোধ করে।
🔷 রেজিস্ট্যাঞ্চ ট্রেইনিং এর সাথে ওয়েট লস করতে চাইলে একজন সার্টিফাইড পার্সোনাল/ফিটনেস ট্রেইনার এর পরামর্শ নেয়া উচিত।
🔻 অনলাইন কাস্টমাইসড ফিটনেস-ডায়েট-নিউট্রিশন পরামর্শের জন্যে যোগাযোগ করুনঃ
20/04/2023
কেমন আছেন সবাই? আজকে একটা নতুন রুলস নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করি এতে করে ওয়েটলস, ফিটনেস, এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।
৩০/৬০ রুলস:
-----------------
এই রুলসের প্রধান কাজ হলো, প্রতি ৩০ মিনিটের জন্য আপনি বসে বা অলস সময় কাটান এবং উঠে বা দাঁড়িয়ে ৬০ সেকেন্ডের জন্যে শারীরিক ব্যায়াম করুন। শারিরিক ব্যায়ামগুলো যা কিছু হতে পারে: হাঁটাচলা, দৌড়ানো, জগিং, জাম্পিং জ্যাকস, স্কোয়াট, ক্যালিস্টেনিকস যেমন পুশ-আপস বা সিট-আপস ইত্যাদি বা আপনার পছন্দের যেকোন ব্যায়াম।
সারা দিন ধরে এই অবিরাম ব্যায়ামগুলি করা আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে এবং সংক্রমণ এবং রোগ থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করবে।
তাহলে আর দেরি কেন? আজ থেকেই এই রুলস অনুসরন করা শুরু করুন আজীবন!
এই রুলস আপনি ঘুম থেকে উঠার পর থেকে ঘুমুতে যাওয়ার আগ পর্জন্ত করতে পারবেন। যারা জিমে যেতে চাইছেন না বা ঘরে বসেই নিজের ওয়েট লস, ফিটনেস ভালো রাখতে চান তারা এই রুলস ফলো করতে পারেন। ৩০/৬০ রুলস সহজ ভাবে ফলো করার জন্যে আপনার নিজের মোবাইলে/ট্র্যাকারে ৩০ মিনিট পর পর ৬০ সেকেন্ড এর জন্যে এলার্ম সেট করে রাখতে পারেন।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।
সচেতন থাকুন আর নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করুন।
18/04/2023
সকালের নাস্তা যেমন হওয়া উচিত?
শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে সকালের নাস্তা। তবে সকালের নাস্তা হিসেবে কোন ধরনের খাবার ভালো, তা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। আর অবশ্যই সকালের খাবার পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হতে হবে। কারণ এটিই আপনাকে সারাদিনের পূর্ণতা দেবে।
চলুন জেনে নেই সকালের নাস্তা কেমন হওয়া উচিত-
ফলমূল
সকালের নাস্তার জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার হচ্ছে ফলমূল। কলা, আপেল, কমলা, স্ট্রবেরি, আঙুর ইত্যাদি ধরণের ফলমূল অথবা মৌসুমি ফলমূল দিয়ে সকালের নাস্তা করা সবচেয়ে ভালো। দুটি কলা, একটি আপেল, একটি কমলা, ২-৩টি স্ট্রবেরি এভাবে শুধু ফল দিয়ে নাস্তা করা সকালের জন্য ভালো।
ডিম
ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম এবং এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম। সকালের নাস্তায় অবশ্যই প্রত্যেকের ডিম খাওয়া উচিৎ। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ হিসেবে সকালে দুটি ডিম খেলেই যথেষ্ট। তবে যারা একটু বেশি স্বাস্থ্যবান তাদের ডিমের কুসুম এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
সালাদ
শসা, টমেটো এবং গাজরের হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এসব সবজির সঙ্গে সালাদে ব্যবহার করতে পারেন সেদ্ধ ডিম বা সেদ্ধ মাংস অথবা সেদ্ধ ছোলাবুট। এ ছাড়া খেতে পারেন ফলমূলের সালাদ।
সবজি খিচুড়ি
ভাতের বদলে সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন খিচুড়ি। তবে অবশ্যই সবজি খিচুড়ি। চালের পরিমাণ কমিয়ে বেশি পরিমাণে সবজি দিয়ে রান্না করা সবজি খিচুড়ি দিয়ে সেরে নিতে পারেন সকালের নাস্তা।
দই
দিনের শুরুটা দই দিয়ে শুরু হোক অনেকেই তা চান না। কিন্তু দই দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাবার এবং এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের গঠনে কাজ করে। দিনের শুরু দই দিয়ে করলে পুরো দিন আপনার দেহে থাকবে অফুরন্ত এনার্জি। ক্লান্তি স্পর্শ করবে না দিনের শেষেও।
আটার রুটি
সকালের নাস্তার জন্য বেশ ভালো একটি খাবার আটার রুটি। বিশেষ করে যারা ভারী খাবার পছন্দ করেন। সকালে পাউরুটি বা ভাত খাবার চাইতে আটার রুটি সবজি ভাজি বা ডিম অথবা ঝোলের তরকারি কিংবা কলা দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো। এ ছাড়া রুটি বেশ ভালো এনার্জি সরবরাহ করে আমাদের দেহে যা পুরো দিনই রাখবে সতেজ।
ওটস
ওটস জিনিসটা খেতে ভালো না লাগলেও এটি আমাদের দেহের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। ওজন কমাতে এবং কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওটসের জুড়ি নেই। সকালে হাবিজাবি খাবার বাদ দিয়ে একবাটি ওটস রাখুন। তবে কোন ফ্লেভারড বা চিনিযুক্ত ওটমিল খাবেন না
17/04/2023
গরমে দিনে কতটুকু পানি খাবেন?
শরীর সুস্থ রাখতে পানির বিকল্প কিছু নেই। তবে শুধু পান করলেই হবে না, পানি পান করারও আছে বিশেষ কিছু নিয়মকানুন। অ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী জানালেন, খুব কঠিন কিছু নয়, তবে নিয়ম মেনে পানি পানে শরীরের নানা সমস্যা দূর হয়।
১. সারা দিনে অন্তত দুই লিটার পানি দেহকে সুস্থ রাখে। অনেককেই দেখা যায়, প্রতিদিন দুই লিটার পানি তো খাচ্ছেন, পাশাপাশি অন্যান্য ফলের রসও খাচ্ছেন। এতে করে শরীরে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি খাওয়া হয়; যা কিডনিতে প্রভাব ফেলে। খেয়াল রাখবেন, প্রতিদিন যেকোনো ধরনের পানীয়সহ পানি পানের পরিমাণ যাতে দুই লিটারের বেশি না হয়।
২. খাওয়ার মাঝখানে পানি খাওয়া একদম ঠিক নয়, এতে হজম-প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তাই যেকোনো খাবার খাওয়ার পর অন্তত ২০ মিনিট সময় বিরতি নিয়ে পানি পান করুন।
৩. এক কাপ হালকা কুসুম গরম পানিতে লেবু চিপে নিন। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানিটুকু খান। এতে শরীরের বিপাক গতি বাড়ে; যা শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৪. যাঁদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে, তাঁরা সকালে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করলে উপকার পাবেন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হবে।
৫. গরমে বাইরে থেকে এসে অনেকেই ঠান্ডা পানি পান করেন। এ সময় এটা একেবারেই করা যাবে না। কারণ, এতে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা বাড়ে।
15/04/2023
মাংসের বিকল্প হিসাবে প্রোটিনযুক্ত খাবার
আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা মাংস খান না বা কোন শারীরিক সমস্যার কারণে খেতে পারেন না। মাংস বা মাছ প্রোটিনের বড় একটি প্রাণীজ উৎস তাই মাংসের বিকল্প কিছু খাবারের চিন্তা করতেই হয়। তবে উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত কিছু খাবারে প্রায় মাংসের সমতুল্য প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।
পালং শাক
এতে থাকে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন। আধা কাপ রান্না করা পালং শাকে থাকে প্রায় ৩ গ্রামের মত প্রোটিন। তবে রান্না করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন অবশ্যই পুষ্টি মূল্য অক্ষুণ্ণ থাকে।
ব্রকলি
এক পরিবেশন ব্রকলিতে আছে ২ গ্রাম এর মত প্রোটিন। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ। বিভিন্ন ভাবে এই ব্রকলি রান্না করা যায়।একেক দিন একেক ভাবে রান্না করে খেলে আর বিরক্তি আসবে না।
আলু
জেনে অবাক হবেন যে একটি মধ্যম আকৃতির রান্না করা আলুতে (১৭০গ্রাম) থাকে ৪ গ্রাম প্রোটিন। তাই বেশি প্রোটিন পেতে বেক করে বা রান্না করে আলু খেতে পারেন। তবে যাদের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা আছে তাদের আলু না খাওয়াই ভালো।
মটরশুঁটি
মটরশুঁটিতেও রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। আধা কাপ মটরশুঁটিতে থাকে ৩.৫ গ্রাম প্রোটিন। একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ সঠিক সুষম খাবার তৈরি করতে মটরশুঁটি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সূপ। শুধু মটরশুঁটি সেদ্ধ বা অন্যান্য সবজির সাথে রান্না করেও খেতে পারেন।
মিষ্টি কুমড়ার বিচি
মিষ্টি কুমড়ার বিচিতেও রয়েছে যথেষ্ট পরিমানে প্রোটিন। ১ কাপ বিচিতে রয়েছে ১২ গ্রাম প্রোটিন। এই বিচি শুধু ভেজেও খেতে পারেন আবার সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।
ভুট্টা
আধা কাপ ভুট্টাতে থাকে ৮ গ্রাম প্রোটিন।ভুট্টা দিয়ে সালাদ, সুপ বা শুধু সেদ্ধ করেও খেতে পারেন।
যদিও এক পরিবেশন মাংসে(৮৬ গ্রাম)থাকে ২৩ গ্রাম প্রোটিন তবে উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত এসব প্রোটিন যদি কয়েকটির সমন্বয়ে খাওয়া যায় তাহলে মাংসের চেয়ে বেশি প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।
সয়া বিন ও ডাল বীজ
আধা কাপ পরিপক্ক সয়াবিনে থাকে প্রায় ১৪.৫ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়া আধা কাপ কিডনি বিনে ৯ গ্রামের মত প্রোটিন। মুগ ডালে থাকে ৮ গ্রামের মত প্রোটিন।
এই খাবার গুলো খুব ভালো ভাবেই আপনার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে সম্ভব।
13/04/2023
ডিমের কুসুম কি সত্যিই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক?
এতদিন পর্যন্ত জানতাম শরীরকে সুস্থ রাখতে ডিমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কিন্তু হঠাৎই একদল বিতর্কের ধোঁয়া তুলছেন যে ডিম খেলে শুধু খেতে হবে সাদা অংশ, ভুলেও কুসুম খাওয়া চলবে না। কারণ এমনটা না করলে নাকি কোলেস্টেরল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও।
একথা কি সত্যি যে ডিমের কুসুম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ার আশঙ্কা থাকে? এই বিষয়টির উপর অবশ্যই আলোকপাত করা হবে, তবে তার আগে জেনে রাখা ভাল যে ডিমের কুসুমে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে রয়েছে। রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডও। এই সবকটি উপাদানই শরীরের গঠনের বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে। তাই যদি ধরেও নেওয়া হয় যে ডিমের কুসুম খাওয়ার কোনও ক্ষতিকারক দিক রয়েছে, তাহলে বলতে হয় যে এই বিশেষ খাবারটি খেলে এতটাই উপকার পাওয়া যায় যে খারাপ দিকটাকে সহজেই উপেক্ষা করা যেতে পারে।
তাহলে কি কুসুম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ার আশঙ্কা থাকে না?
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ডিমে উপস্থিত কোলেস্টরল এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের খারাপ করে না, বরং উপকারে লাগে। যেমন ধরুন কোলেস্টরল শরীরের ভেতরে জালের মতো বিছিয়ে থাকা কোষেদের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এক্ষেত্রে কোলেস্টেরল সারা মস্তিষ্কজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নিউরনসের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি ঘটায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি এবং নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
কোলেস্টেরল সমৃদ্ধি খাবার খেলে কী কোলেস্টেরল বাড়ে?
একটা ডিমের কুসুমে প্রায় ২১০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। তাই অনেক বিশেষজ্ঞের মনে হয় কুসুম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু বাস্তবে এমন কিছুই হয় না।
ডিম খেলে হার্ট অ্যাটাক হয় না
আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে ডিম খাওয়ার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের কোনও যোগ নেই। বরং শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধিতে ডিমের কুসুম বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সম্প্রতি প্রাকাশিত আরেকটি গবেষণা পত্র অনুসারে ডিমে যে কোলেস্টেরল থাকে তা শরীরে এই ডি এল বা ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে, খারাপ কোলেস্টরলের নয়। প্রসঙ্গত, এইচ ডি এল বা ভাল কোলেস্টরল হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়। সেই সঙ্গে শরীরকে আরও নানাভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।
কী কী পুষ্টিকর উপাদান থাকে ডিমের কুসুমে
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় কোলিন। এই উপাদানটি ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শারীরিক প্রদাহ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, আরও বেশ কিছু উপাদানের খোঁজ পাওয়া যায় ডিমের কুসুমের অন্দরে। যেমন লুটেইন এবং জিয়েক্সানথিন। এই দুটি উপাদান রেটিনার কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর নিশ্চয় মনে কোনও প্রশ্ন নেই যে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে ডিমের কুসুমের সত্যিই কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর যদি ক্ষতির কথা বলেন তাহলে বলতে হয়, ডিমের কুসুম কোনও দিক থেকেই ক্ষতিকর নয়। তবে উপকারি খাবারও বেশি মাত্রায় খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে, এই কথাটা ভুলে না গেলেই মঙ্গল।
11/04/2023
সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করছেন তো?
শরীরের মেদ কমাতে, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে কিংবা শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়ামের কোনো জুড়ি নেই। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যায়াম মন ভালো রাখে। এছাড়া ব্যায়াম করা আমাদের দেশের তরুণ সমাজের ফ্যাশনের অংশ হয়ে দাড়িয়েছে।
শুধু ব্যায়াম করলেই হবে না। সঠিক উপায়ে ব্যায়াম না করলে শরীর ভালো থাকার চাইতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা থাকে। ব্যায়াম করার আগে জেনে নিন কিভাবে সঠিক উপায়ে ব্যায়াম করা যায়।
ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই ঢিলেঢালা পোশাক পরা ভালো।
একেবারে খালি কিংবা একেবারে ভরা পেটে ব্যায়াম করা ঠিক না। হালকা খাবার যেমন: ভেজানো কাঁচা ছোলা, ডিম, টমেটো কিংবা ফল খেতে পারেন। পেট ভরে খাবার খাওয়ার ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর ব্যায়াম করা উচিৎ।ব্যায়াম চলাকলীন সময়ে কোনো খাবার খাবেন না।
খুব শক্ত কিংবা নরম এবং বদ্ধ জায়গায় ব্যায়াম করা উচিৎ না। আলো-বাতাস পূর্ণ জায়গায় ব্যায়াম করা উচিৎ।
ব্যায়াম করার সঙ্গে সঙ্গে গোসল করবেন না। ব্যায়াম করলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হতে কমপক্ষে দশ মিনিট সময় লাগে। তাই ব্যায়াম
করার ১০ মিনিট পর গোসল করবেন।
হার্টের অপারেশন হলে এবং গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করুন।
নিয়মিত ব্যায়াম করা সম্ভব না হলে প্রতিদিন রাতে কমপক্ষে ১ঘণ্টা করে হাঁটুন। তাহলে আপনি থাকবেন সুস্থ ও সুন্দর।
10/04/2023
ব্যায়ামের উপকারিতা
ব্যায়াম করার সময় মাংসপেশি রক্তবাহী ধমনী ও শরীরকে মালিশ করে ফলে রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়ার উন্নতি হয়। ব্যায়ামের মাধ্যমে দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাস ক্রিয়া আন্দোলিত হয় ফলে লোহিত কণিকা বেশি অক্সিজেন গ্যাস দেহের কোটি কোটি কোষে রক্ত কর্তৃক সরবরাহ করে। একজন জ্ঞানী লোক বলেছেন, নিখুঁত স্বাস্থ্য নিঃসৃত সঞ্চালন ক্রিয়ার ওপরে নির্ভরশীল এবং নিখুঁত রক্ত সঞ্চালন ব্যায়ামহীনতায় অসম্ভব। রক্ত সঞ্চালন তন্ত্রের একটি নিয়ম রয়েছে এবং তা হচ্ছে যে, রক্ত দেহের সেখানেই বেশি জমা হয় যেখানে বেশি কাজ বা ক্রিয়া সাধিত হয়। বহুক্ষণ ধরে বিভিন্ন ধরনের চর্চার ফলে মাথাব্যথা হতে পারে কারণ সেখানে বেশি রক্তের উপস্থিতি রয়েছে। রক্ত সঞ্চালনে ভারসাম্যতা রক্ষার সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা। এখন তাহলে বিবেচনা করুন আপনার হৃদযন্ত্রে নিয়মিত ব্যায়াম ছাড়া কী করে উপকৃত হতে পারে! বিশ্বস্ততা সহকারে ব্যায়াম করলে তা থেকে হৃদস্পন্দন হ্রাস পায়। অল্পদিনের মধ্যেই হৃদস্পন্দন মিনিটে ৫ স্পন্দনে নামিয়ে আনা সম্ভব। এর ফলে ঘণ্টায় ৩০০ এবং দিনে ৭০০০ এর বেশি হৃদস্পন্দন আপনি সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবেন। এভাবে অংক কষে দেখুন এক বছরে আপনার হৃদযন্ত্র কী পরিমাণ কাজ থেকে মুক্তি পেতে পারে। ব্যায়ামের ফলে আপনার হৃদযন্ত্রের আয়ু বৃদ্ধি পেতে বাধ্য। একই সঙ্গে ব্যায়াম করার ফলে আপনার হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহকারী কৈশিক নালির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। আপনার হৃদযন্ত্রের জন্য সংরক্ষিত ধমনীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস পায়। করোনারি ধমনীর (হৃপিণ্ডে রক্ত বহনকারী) আকার ও ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
09/06/2022
Great work ❤️❤️
01/03/2022
মাংসের বিকল্প হিসাবে প্রোটিনযুক্ত খাবার
আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা মাংস খান না বা কোন শারীরিক সমস্যার কারণে খেতে পারেন না। মাংস বা মাছ প্রোটিনের বড় একটি প্রাণীজ উৎস তাই মাংসের বিকল্প কিছু খাবারের চিন্তা করতেই হয়। তবে উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত কিছু খাবারে প্রায় মাংসের সমতুল্য প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।
পালং শাক
এতে থাকে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন। আধা কাপ রান্না করা পালং শাকে থাকে প্রায় ৩ গ্রামের মত প্রোটিন। তবে রান্না করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন অবশ্যই পুষ্টি মূল্য অক্ষুণ্ণ থাকে।
ব্রকলি
এক পরিবেশন ব্রকলিতে আছে ২ গ্রাম এর মত প্রোটিন। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ। বিভিন্ন ভাবে এই ব্রকলি রান্না করা যায়।একেক দিন একেক ভাবে রান্না করে খেলে আর বিরক্তি আসবে না।
আলু
জেনে অবাক হবেন যে একটি মধ্যম আকৃতির রান্না করা আলুতে (১৭০গ্রাম) থাকে ৪ গ্রাম প্রোটিন। তাই বেশি প্রোটিন পেতে বেক করে বা রান্না করে আলু খেতে পারেন। তবে যাদের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা আছে তাদের আলু না খাওয়াই ভালো।
মটরশুঁটি
মটরশুঁটিতেও রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। আধা কাপ মটরশুঁটিতে থাকে ৩.৫ গ্রাম প্রোটিন। একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ সঠিক সুষম খাবার তৈরি করতে মটরশুঁটি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সূপ। শুধু মটরশুঁটি সেদ্ধ বা অন্যান্য সবজির সাথে রান্না করেও খেতে পারেন।
মিষ্টি কুমড়ার বিচি
মিষ্টি কুমড়ার বিচিতেও রয়েছে যথেষ্ট পরিমানে প্রোটিন। ১ কাপ বিচিতে রয়েছে ১২ গ্রাম প্রোটিন। এই বিচি শুধু ভেজেও খেতে পারেন আবার সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।
ভুট্টা
আধা কাপ ভুট্টাতে থাকে ৮ গ্রাম প্রোটিন।ভুট্টা দিয়ে সালাদ, সুপ বা শুধু সেদ্ধ করেও খেতে পারেন।
যদিও এক পরিবেশন মাংসে(৮৬ গ্রাম)থাকে ২৩ গ্রাম প্রোটিন তবে উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত এসব প্রোটিন যদি কয়েকটির সমন্বয়ে খাওয়া যায় তাহলে মাংসের চেয়ে বেশি প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।
সয়া বিন ও ডাল বীজ
আধা কাপ পরিপক্ক সয়াবিনে থাকে প্রায় ১৪.৫ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়া আধা কাপ কিডনি বিনে ৯ গ্রামের মত প্রোটিন। মুগ ডালে থাকে ৮ গ্রামের মত প্রোটিন।
এই খাবার গুলো খুব ভালো ভাবেই আপনার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Kuril
Dhaka
