Ongon herbals
বিজনেসের মুল ভিত্তি সঠিক ওজন এবং ১০০% অথনেটিক প্রোডাক্ট কাস্টমার কে প্রদান করা
01/07/2026
🌹-অ্যালোভেরা জেল ত্বক ও চুল উভয়ের জন্যই একটি প্রাকৃতিক মহৌষধ। এটি ত্বককে গভীরভাবে আর্দ্র রাখে, ব্রণের সমস্যা দূর করে, চুলের খুশকি কমায় এবং চুলের গোড়া মজবুত করে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরা জেলের জাদুকরী।
👍- উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:ত্বকের যত্নে:গভীর আর্দ্রতা প্রদান: অ্যালোভেরা জেল খুব হালকা, যা ত্বককে তেলতেলে না করেই গভীরভাবে আর্দ্র (ময়েশ্চারাইজ) রাখে।রোদে পোড়া ভাব দূর করে: এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও শীতল বৈশিষ্ট্য রোদে পোড়া (সানবার্ন) ত্বক ও লালচে ভাব দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।ব্রণ ও দাগ দূর করে: অ্যালোভেরায় থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে এবং ত্বকের কালো দাগ হালকা করতে সাহায্য করে।বয়সের ছাপ রোধ করে: ভিটামিন সি ও ই সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে বলিরেখা ও বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।ক্ষত সারাতে সাহায্য করে: যেকোনো ছোটখাটো কাটা বা পোড়া দাগ দ্রুত সারাতে এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।
🌹-চুলের যত্নে:খুশকি ও স্ক্যাল্পের সমস্যা দূর করে: অ্যালোভেরা মাথার ত্বকের চুলকানি ও খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।প্রাকৃতিক কন্ডিশনার: এটি চুলকে রুক্ষতার হাত থেকে রক্ষা করে এবং চুলকে নরম, উজ্জ্বল ও সিল্কি করে।চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়: মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি জুগিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।চুল পড়া কমায়: অ্যালোভেরা চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করে।ব্যবহারের নিয়ম: সেরা ফলাফলের জন্য তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে সরাসরি ত্বকে বা চুলে লাগানো সবচেয়ে ভালো। এছাড়া আপনি বাজারের মানসম্মত অ্যালোভেরা জেলও ব্যবহার করতে পারেন।
01/07/2026
%%-আতপ চালের গুঁড়া -%%
আতপ চালের গুড়া দিয়ে রূপচর্চা
ত্বকের যত্ন
আমরা সুন্দর ত্বকের জন্য বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি । বাজারের সেই প্রসাধনীর চেয়ে আতপ চালের গুঁড়া দিয়ে ত্বক সুন্দর ও কোমল করা সম্ভব একটু চেষ্টা করলেই ।
আতপ চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া স্ক্রাবঃ
১। আতপ চালের গুঁড়া ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবের কাজ করে থাকে ।আতপ চালের গুড়ার সঙ্গে সামান্য লেবুর গুঁড়া আর মধু মিশিয়ে মুখে ৪-৫ মিনিট স্ক্রাব করুন। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। লোমকুপের ময়লা বের করে আনতে এটি অতি উত্তম একটি স্ক্রাব। এটি ত্বককে নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে অনেক ।
২।আতপ চালের গুঁড়ার সাথে মধু আর টকদই মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে থাকে ।
৩। ত্বকে মরা কোষের কারণে ত্বক অনেক মলিন হয়ে যায়। মধু অথবা অলিভ অয়েলের সাথে আতপ চালের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে ৪-৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এভাবে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হয়ে ত্বক নরম ও মসৃণ হবে খুব সহজে । ব্যবহার করে দেখতে পারেন খুব ভাল ফল পাবেন ।
৪। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের ত্বকে আতপ চালের গুঁড়া ব্যবহার করতে চাইলে শুধু পানি মিশিয়ে নিলেই হবে। তবে শুষ্ক ত্বকে চালের গুঁড়া সরাসরি ব্যবহার না করাই ভালো সেই দিকে লক্ষ্য রাখবেন । সেই ক্ষেত্রে মধু, ক্যাস্টর অয়েল অথবা অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন; যা শুষ্ক ত্বকের স্বাভাবিকতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে অনেক ।
৫। ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি আতপ চালের গুঁড়া মুখের ব্ল্যাক হেডস, নাকের দুই পাশের মরা কোষ তুলতে সাহায্য করে থাকে । সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর ত্বকে আলাদা করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হয় এটা আমরা সবাই জানি । কিন্তু চালের গুঁড়া দিয়ে মুখ পরিষ্কারের পর আর আলাদা করে ময়েশ্চারাইজিংয়ের প্রয়োজন হয় পরে না একে বাড়েই ।
আতপ চালের গুড়া দিয়ে রূপচর্চা
টিপসঃ
** আতপ চালের গুড়া ত্বকে জোরে জোরে ঘষতে যাবেন না এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে। রোজ রোজ এটা করতে যাবেন না এতে ত্বকের উপকারের চাইতে ক্ষতি হবে ।
**চালের গুঁড়া সংরক্ষণের জন্য তা ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। তবে গুঁড়া যদি হলদে বর্ণ ধারণ করে, তবে তা আর ব্যবহার না করাই ভাল ।
** সব ধরনের চালের গুঁড়া যে ত্বকে ব্যবহার করা যাবে তা কিন্তু নয়। শুধু আতপ চাল ও কালিজিরা চালের গুঁড়া ভালো স্ক্রাবিংয়ের কাজ করে এটা আমাদের অনেকের জানা নেই সেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন ।
Ongon harbals
01/07/2026
01/07/2026
Benefits Of Using Indigo (ইন্ডিগো) For Hair: চুলের যত্নে ব্লু গোল্ড! কালো হবে, ভালোও হবে- জেনে নিন এখনি।
চুল কালো করার জন্য বহু যুগ ধরে ইন্ডিগোর ব্যবহার চলে আসছে। এটা তৈরি হয় নীল থেকে। এতে অ্যামোনিয়া, পিডিপি বা অন্যান্য ক্ষতিকর রাসয়নিক নেই। নীল গাছের সবুজ পাতাকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে নীল রঙে পরিণত করা হয় (Benefits Of Using Indigo For Hair)। কোনও রাসায়নিকের ব্যবহার ছাড়াই সম্পন্ন সম্পন্ন হয় গোটা প্রক্রিয়াটা। তাই এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
ত্বক আর চুলের হাল ক্রমশ বেহাল হয়ে উঠছে? পরিবেশ দূষণ কীভাবে এর উপর প্রভাব ফেলে।
ইন্ডিগো পাউডার পুরোপুরি ভেষজ পদ্ধতিতে তৈরি। তাই চুল কালো করা ছাড়াও এর অন্যান্য গুণও আছে । সে (Benefits Of Using Indigo For Hair) গুলি দেখে নেওয়া যাক একনজরে।
চুল পড়া আটকায় - যদি অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা থাকে তাহলে আটকাবে ইন্ডিগো পাউডার (Hair Care Tips)। তেলের সঙ্গে অল্প পাউডার মিশিয়ে মাথার তালুতে মাসাজ করতে হবে। এতে চুলের ফলিকল মজবুত হয় এবং চুল পড়া কমে। ইন্ডিগো পাউডারের নিয়মিত ব্যবহারে টাক পড়ার আটকায়, মেলে ঘন চুল।
তাছাড়া হেনার সঙ্গে বিভিন্ন অনুপাতে ইন্ডিগো পাউডার মিশিয়ে চুলে লাগালে বাদামি, হালকা বাদামি, মেহগনি, চেরির মতো সুন্দর শেড পাওয়া যায়।
চুল সাদা হওয়া থাকে বাঁচায় - যদি চুল সাদা হতে শুরু করে তাহলে ইন্ডিগো পাউডার ব্যবহার করতেই হবে। এটা চুলকে দেয় তার প্রাকৃতিক রঙ। আর সবচেয়ে ভালো দিক হল, এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। ইন্ডিগোর নিয়মিত ব্যবহারে মাথার ত্বকের কোষ ভালো রাখে, রুক্ষভাব কমে।
তারুণ্যেই মাথা সাদা? অকালপক্বতা-সহ চুলের অন্যান্য সমস্যা রোধে ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক নীল
দেয় লম্বা চুল - নীল পাতা এবং তেলের মিশ্রণ প্রতিদিন মাথায় লাগালে মিলবে একঢাল লম্বা চুল (Hair Care Tips)। এতে উপস্থিত প্রাকৃতিক উপাদান চুল অক্ষত রাখতে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে।
চুলের গোড়া মজবুত করে
শক্তপোক্ত চুলের জন্য নিয়মিত লাগাতে পারেন।
🫰চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান
চুল মানুষের সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দূষণ, অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার, ও অনিয়মিত যত্নের কারণে চুল রুক্ষ, নিষ্প্রাণ ও ভেঙে পড়তে শুরু করে। কিন্তু প্রকৃতির কোষাগারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহারে চুল হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও মজবুত।
🌿এলোভেরা: চুলে আর্দ্রতা যোগায়, খুশকি কমায় এবং স্ক্যাল্প ঠান্ডা রাখে।
🌿আমলকি: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা চুলের গোড়া মজবুত করে ও অকালপক্বতা রোধ করে।
🌿জবা ফুল: চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে এবং চুলের বৃদ্ধি করে।
,🌿হরতকি: চুলের রুক্ষভাব দূর করে, চুলকে কোমল ও ঝলমলে করে।
🌿শিকাকাই: প্রাকৃতিক ক্লিনজার, যা চুল পরিষ্কার করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
🌿মেথি: চুলের গোড়ায় পুষ্টি দিয়ে চুল পড়া রোধ করে।
🌿কালোজিরা: অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান হিসেবে স্ক্যাল্পের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
🌿লেবু: অতিরিক্ত তেল ও খুশকি দূর করে, চুলে দেয় সতেজতা।
🌿লবঙ্গ: রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
🌿-পুঁদিনা পাতা: অ্যান্টিসেপ্টিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত, চুলের স্ক্যাল্পের সমস্যা দূর করে।
🌿-সজনে পাতা: ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর, চুলের গোড়া মজবুত করে।
🌿-কেশরাজ : চুল ঘন করে, বৃদ্ধি বাড়ায় এবং চুল পাকা রোধে সহায়ক।
দেরি না করে এখনই অর্ডার করে ফেলেন
প্রয়োজনে- 01710-008787
01/07/2026
🌹-ত্বকের যত্নে কাঁচা হলুদ গুঁড়ার উপকারিতা হলো এটি ব্রণ ও ফুসকুড়ি কমায়, ত্বকের জেল্লা বাড়ায়, দাগ ও পিগমেন্টেশন দূর করে, লালচে ভাব কমায় এবং বলিরেখার মতো বার্ধক্যের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা কারকিউমিন নামক উপাদানটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, যা ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে।
👍-কাঁচা হলুদ গুঁড়ার প্রধান উপকারিতা
ব্রণ ও ফুসকুড়ি দূর করে:
কাঁচা হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ব্রণের কারণ ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে।
ত্বকের জেল্লা বাড়ায়:
এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বককে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
দাগ ও পিগমেন্টেশন কমায়:
রোদ বা অন্য কোনো কারণে হওয়া কালো দাগ ও পিগমেন্টেশন দূর করতে এটি কার্যকর।
লালচে ভাব কমায়:
ত্বকের প্রদাহ ও লালচে ভাব কমাতে এটি সাহায্য করে।
বার্ধক্যের ছাপ কমায়:
এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলী ত্বকের বলিরেখা এবং অন্যান্য বার্ধক্যের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক:
এটি একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে, যা ছোটখাটো ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে।
👌-ব্যবহারের আগে কিছু বিষয় মনে রাখুন
সঠিক ব্যবহার:
কাঁচা হলুদ সরাসরি বা অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
অন্যান্য উপকরণের সাথে মিশ্রণ:
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দুধ বা বেসন, এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য টক দই বা মধু ব্যবহার করা যেতে পারে।
পরিষ্কার করা:
ব্যবহারের পর ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, কারণ কাঁচা হলুদের কারণে ত্বকে হলুদ দাগ হতে পারে।
অল্প সময় ব্যবহার:
১০-১৫ মিনিটের বেশি রাখা উচিত নয়, কারণ এটি ত্বকে হলুদ দাগ ফেলতে পারে।
01/07/2026
🌹-জৈতুন বা অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের গভীর পুষ্টি জোগায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ এই তেল ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে এবং চুলকে করে তোলে মজবুত ও ঝলমলে।
👍-ত্বকের যত্নে উপকারিতা:
গভীর ময়েশ্চারাইজার: এটি ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখে এবং শুষ্কতা দূর করে।
বয়সের ছাপ রোধ: অলিভ অয়েলের ভিটামিন ই এবং পলিফেনল ত্বকের কোলাজেন বাড়ায়, যা বলিরেখা কমায়।
মেকআপ রিমুভার: প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে ত্বকের কোনো ক্ষতি না করে মেকআপ ও ময়লা পরিষ্কার করে।
👌-চুলের যত্নে উপকারিতা:
কন্ডিশনার: এটি চুলের রুক্ষতা ও আগা ফাটা রোধ করে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।
খুশকি দূরীকরণ: মাথার ত্বকে (স্ক্যাল্প) রক্ত চলাচল বাড়িয়ে খুশকি ও চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।
চুল পড়া রোধ: নিয়মিত ব্যবহারে চুল মজবুত হয়, ভেঙে যাওয়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
01/07/2026
%- ভেন্না বীজ %-
ভেন্না ফলের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে সহায়ক হতে পারে। এটি সাধারণত চুল পড়া রোধ, ত্বকের যত্নে এবং হজম বৃদ্ধিতে কাজে লাগে। ভেন্না গাছের বীজ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
ভেন্না ফলের কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা নিচে দেওয়া হলো:
চুল পড়া রোধ:
ভেন্না গাছের বীজ বেটে চুলের গোড়ায় লাগালে চুল পড়া কমে এবং চুল ঘন ও কালো হয়,
ত্বকের যত্নে:
ভেন্না গাছের বীজ ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং নরম ও কোমল করে তোলে।
হজমে সহায়তা:
ভেন্না গাছের ফল ও বীজ হজম বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
ক্ষত সারাতে:
ভেন্না গাছের পাতা বা তেল ক্ষতস্থানে লাগালে তা দ্রুত সারাতে সাহায্য করে, কালবেলা-এর তথ্য অনুযায়ী।
দাঁত ও মাড়ির সমস্যা:
দাঁত ও মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধানে ভেন্না গাছের শিকড় ও পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে, কালবেলা-এর তথ্য অনুযায়ী।
বাত-ব্যথা উপশম:
ভেন্না গাছের বীজ বেটে মালিশ করলে বাত-ব্যথা উপশম হতে পারে, কালবেলা-এর তথ্য অনুযায়ী।
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য:
ভেন্না বীজে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান থাকায় এটি ব্রণ এবং ত্বকের প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
30/06/2026
👍-অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়া একটি অত্যন্ত কার্যকরী আয়ুর্বেদিক উপাদান। এটি প্রধানত হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়াতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে, এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে দারুণ ভূমিকা পালন করে। এটি বুক ধড়ফড়ানি কমায়, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
অর্জুন ছালের গুঁড়া খাওয়ার প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
হৃদযন্ত্র ও কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: প্রাকৃতিকভাবে হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে দারুণ কার্যকরী।
হার্টের পেশি শক্তিশালী করে: এটি হার্টের দুর্বলতা কাটায়, রক্তনালী প্রসারিত করে এবং বুকে ব্যথা বা এনজিনার সমস্যা থেকে স্বস্তি দেয়।
হজম ও পাকস্থলীর সমস্যা
হজম শক্তি বৃদ্ধি: এর মধ্যে থাকা ট্যানিন হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটি: এটি পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণকে সুরক্ষিত রাখে, যা গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
পেটের রোগ: ডায়রিয়া ও রক্ত আমাশয় প্রতিরোধে অর্জুনের ছাল অনেক উপকারী।
অন্যান্য শারীরিক উপকারিতা
অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্ট: দুধে অর্জুন ছালের গুঁড়া মিশিয়ে খেলে হাঁপানি ও ব্রঙ্কাইটিসের মতো শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা অনেক কমে যায়।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটি শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে লিভার পরিষ্কার রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ত্বকের সমস্যা: অর্জুনের ছাল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল হওয়ায় এটি ব্রণের সমস্যা ও ত্বকের অ্যালার্জি দূর করতে বাহ্যিকভাবে পেস্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
খাওয়ার সঠিক নিয়ম
সাধারণত প্রতিদিন ২ থেকে ৫ গ্রাম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1207
