MR Views

MR Views

Share

This page is
I hope everyone will benefit and enjoy and learn something from it

Photos from Kach Ghor 's post 10/10/2025

তুমি চোখের আড়াল হও
কাছে কিবা দূরে রও
মনে রেখো আমিও ছিলাম
এই মন তোমাকে দিলাম
এই প্রেম তোমাকে দিলাম💖

#কাচের_চুড়ি

Photos from MR Views's post 11/06/2025

2002 FIFA World cup
কোয়ালিফাইয়ার আর
2026 FIFA World cup সালের বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইয়ারের পয়েন্ট টেবিল।

দুটাই প্রায় একই বলা যায়।
সেবার রোনালদোর এসিএল ইঞ্জুরির কারণে কোয়ালিফাইয়ার ম্যাচ গুলায় ভালোই ভুগতে হয়েছিল সেলেসাওদের। এবারও মেইন তারকা নেইমারের এসিএল ইঞ্জুরির জন্য ব্রাজিল তাদের ইতিহাসের অন্যতম খারাপ সময় পার করছে।

⇨ এগুলাও কি আলামত?
নেইমার কি পারবে রোনালদোর মতো
বিশ্বকাপে একটা হিরোইক কামব্যাক দিতে?

Photos from MR Views's post 11/06/2025

⇨ ব্রেকিং নিউজ
📌 প্রকাশিত হবে বহুল আলোচিত ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধনের সার্কুলার!
⇨ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী
জুলাইতে আসবে ২৫ হাজার শিক্ষক নিবন্ধন।
⇨ মাত্র ৪০ Number পেলেই পাশ!

📌শিক্ষাগত যোগ্যতা: নূন্যতম এইচএসসি পাশ!
📌HSC 2024 ব্যাচ আবেদন করতে পারবেন #সংগৃহীত #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph #ব্রাজিলফেন

11/06/2025

🛑ব্রেকিং :-
কো ভি ড ২০২৫ ইং

⛔আমরা আবার
মাস্ক পরার দিকে ফিরে যাচ্ছি নাতো?

C O V I'"""D XBB অতীতের থেকে আলাদা কারণ এটি মারাত্মক এবং সনাক্ত করা সহজ নয়, তাই সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১। নতুন COVID-Omicron XBB এর লক্ষণগুলি হল:
i). কাশি নেই।
ii). জ্বর নেই।
iii). জয়েন্টে ব্যথা।
iv). মাথাব্যথা।
v). গলা ব্যথা।
vi). পিঠে ব্যথা।
vii). নিউমোনিয়া।
viii). ক্নাটকীয়ভাবে ক্ষুধা হ্রাস পেয়েছে।

২। এছাড়াও, COVID-Omicron XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৫ গুণবেশি বিষাক্ত এবং এর মৃত্যুর হারও বেশি।

৩। অতি অল্প সময়ের মধ্যে লক্ষণগুলি অত্যন্ত তীব্র হয়ে উঠবে এবং স্পষ্ট লক্ষণগুলির অনুপস্থিতিতেও পরিবর্তন ঘটবে।

৪। তাই আপনাকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

* এই রূপটি তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে এটি সরাসরি ফুসফুসের "জানালা" প্রভাবিত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখাতে শুরু করে।

৫। COVID-Omicron XBB-তে সংক্রামিত অল্প সংখ্যক রোগীকে জ্বর-মুক্ত এবং ব্যথা-মুক্ত হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, তবে এক্স-রে তে হালকা নিউমোনিয়া দেখা যায়।
এছাড়াও, নাকের গহ্বরের মধ্য দিয়ে তুলার সোয়াব পরীক্ষা করে COVID-Omicron XBB নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল পরীক্ষার সময় মিথ্যা নেতিবাচক পরীক্ষার উদাহরণ বাড়ছে।
তাই এই ভাইরাসটি খুবই ধূর্ত। এর ফলে, ভাইরাসটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। সরাসরি মানুষের ফুসফুসকে সংক্রামিত করে, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করে।
এটি ব্যাখ্যা করে যেকেন COVID -Omicron XBB এত সংক্রামক এবং মারাত্মক হয়ে উঠেছে*

৬। যতটা সম্ভব জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গায় এমনকি ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্কের উপযুক্ত স্তর পরুন এবং লক্ষণ ছাড়া কাশি বা হাঁচি না দিলে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন।

এই COVID-Omicron XBB "WAVE" প্রথম COVID-19 মহামারীর চেয়েও মারাত্মক।

* অতএব, বিচক্ষণ,
বৈচিত্র্যময় এবং নিবিড় সতর্কতামূলক
ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।

নিরাপদ থাকার জন্য বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরতে ভুলবেন না।

✅জনসচেতনতা তৈরীতে সম্ভব হলে
দয়া করে পোষ্টটি শেয়ার করুন।🟩✅ #ফানি_পোস্ট #সংগৃহীত #মেট্রোরেল_

21/03/2025

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর

৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্পাত বা কংক্রিট নয়, বরং মূলত এল্ডার কাঠ এবং কিছু ওক কাঠ দিয়ে পুরো শহরটি তৈরি করা হয়েছে।

লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসব কাঠের খুঁটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সেন্ট মার্কস ক্যাম্পানাইল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ লক্ষ কাঠের খুঁটি, আর বিশাল বাসিলিকা ডেলা সালুতে গড়তে লেগেছে ১০ লাখের বেশি খুঁটি! সেই সময়ের দক্ষ নির্মাণশ্রমিকরা এগুলো সমুদ্রের তলায় পুঁতে দিয়ে এক বিস্ময়কর ‘জলমগ্ন বন’ তৈরি করেছিলেন।

এই কাঠামো প্রায় তিন মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে খুঁটিগুলো অর্ধ মিটার ব্যবধানে বসানো হয়েছে। পানির স্তর থেকে ১.৬ মিটার নিচে এই অসাধারণ মধ্যযুগীয় প্রকৌশল ১,৫০০ বছর পরও ভেনিস শহরকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে, যা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর নগরী। #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph

05/03/2025

বাবাকে বুঝতে একটা জীবন লেগে যায়!

৪ বছর বয়সে: আমার বাবা সেরা!
৬ বছর বয়সে: বাবা সবাইকে চেনে।
১০ বছর বয়সে: বাবা ভালো, কিন্তু একটু কঠোর।
১২ বছর বয়সে: বাবা ছোটবেলায় অনেক ভালো ছিলেন।
১৪ বছর বয়সে: বাবা কেমন জানি বদলে যাচ্ছেন।
১৬ বছর বয়সে বাবা কিছুই বোঝে না।
১৮ বছর বয়সে: বাবা দিন দিন আরও কঠোর হচ্ছেন।
২০ বছর বয়সে: বাবার ব্যবহার সহ্য করা কঠিন! মা কিভাবে সহ্য করতেন?
২৫ বছর বয়সে: বাবা সবকিছুতেই মতের বিবোধ করেন।
৩০ বছর বয়সে: বাবার সাথে একমত হওয়া খুব কঠিন। দাদাও কি বাবাকে এভাবেই দেখতেন?
৩৫ বছর বয়সে: বাবা আমাকে নিয়মের মধ্যে বড় করেছেন, আমাকেও আমার সন্তানদের তাই শেখাতে হবে।
৪০ বছর বয়সে; বাবা এত কষ্ট করে আমাদের বড় করেছেন,

আমি বুঝতে পারছি!

৪৫ বছর বয়সে: আমার সন্তানদের সামলানো কঠিন, বাবা কত কষ্ট করেছেন আমাদের ঠিক পথে রাখতে!

৫০ বছর বয়সে: বাবা সবকিছু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতেন, তিনি ছিলেন দয়ালু ও বিশেষ একজন মানুষ। সত্যিই, আমার বাবা সেরা। এই পুরো চক্রটি শেষ হতে ৫০ বছর লেগেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা আবার প্রথম জায়গায় ফিরে যাই- 'আমার বাবা সেরা! "যাদের বাবা বেঁচে আছেন, তাদের সম্মান করুন, ভালোবাসুন। আর যাদের বাবা নেই, আল্লাহর কাছে দু'আ করুন যেন তিনি তাদের ক্ষমা করেন ও শান্তি দেন।আমরা চাই, আমাদের সন্তানরা যেন আমাদের আরও ভালোবাসে ও সম্মান করে, যেমনটা আমরা আমাদের বাবাকে করেছি বা করতে পারিনি।

- বই: মা-বাবার সঙ্গে সদাচারের গল্প। #ফানি_পোস্ট #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph #ব্রাজিলফেন #সংগৃহীত

31/01/2025

সম্পর্ক কখনো টেনে টুনে টিকে থাকে না। সম্পর্ক টিকে থাকে ভালোবাসা, সম্মান, এবং বোঝাপড়ার ওপর। ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাখতে হয়। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হয়, সময় দিতে হয়, এবং একে অপরকে যথাযোগ্য সম্মান দেখাতে হয়।

ভালোবাসা মানেই শুধু অনুভূতি নয়, এটি দায়িত্ব। জীবনের প্রতিটি ধাপে একে অপরের পাশে থাকা, কঠিন সময়ে একে অপরকে শক্তি জোগানো, আর সম্পর্কের প্রতিটি বাঁধাকে একসঙ্গে অতিক্রম করা—এসবই ভালোবাসার সত্যিকারের পরিচয়।

ভালোবাসা কখনো একতরফা হতে পারে না। এটি দুজনের সম্মিলিত প্রয়াস। জীবনের পথে চলতে গিয়ে হাজারো বাঁধা আসবে, কিন্তু প্রতিজ্ঞা রাখতে হবে—দুনিয়া যাই বলুক, যাই হোক, আমাদের সম্পর্কের বন্ধন কোনোভাবেই ভাঙতে দেব না।

পরিশেষে, ভালোবাসা শুধু বলা নয়, প্রমাণ করা। যদি ভালোবাসো, তবে সত্যিকারের ভালোবাসতে শেখো—সম্মান দিয়ে, বোঝাপড়া রেখে, এবং প্রতিটি মুহূর্তে একে অপরের সঙ্গী হয়ে। ভালোবাসা শুধু একটা অনুভূতি নয়, এটি জীবনের এক সুন্দর দায়বদ্ধতা।

31/01/2025

স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না পুরুষের?

সকল পুরুষের পড়া উচিত।

আমার স্ত্রী দেখতে অসুন্দর নয়। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমাদের বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর হলো। তিন বছর বয়সী একটা ছেলে সন্তান রয়েছে।

অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে।
বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। মেসেজ পাঠালে দেখি না। আর বাসায় থাকা অবস্থায় ও কিছু বললে অনাগ্রহের সাথে হু হা করে চুপ করে থাকি।

আর রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, "জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।"

আসলে ক্লান্তি ট্লান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা।

কেনো এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এই সমস্যা যে একা আমার হচ্ছে তা নয়। আমি আরো অনেক পুরুষের মধ্যে এই সমস্যা দেখেছি। তাদের কেউ কেউ স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে পরকীয়া করছে। আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, "এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?"
তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি। কারণ এক জিনিস বেশিদিন ভালো না লাগা যদি স্বাভাবিক হতো তাহলে স্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সেটা হতো। কিন্তু তা তো হচ্ছে না। স্ত্রীরা বিয়ের যতো বছর পরই হোক তারা ঠিকই আগ্রহ নিয়ে স্বামীর সাথে কথা বলতে চায়। ঘুরতে যেতে চায়। মিলিত হতে চায়।

একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?
আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?"

বললাম, "জী করি।"

"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"

"কী সেটা?"

"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"

এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।"

সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"

ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে। তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।"

"কথা দিলাম। ফাঁকি দেবো না। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"

শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"

আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম। চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম। এবং মাথা নিচু করে হেঁটে চলে গেলাম। এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু তখনো স্ত্রীর প্রতি টান বোধ করি নি। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

গুগলে পর্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

এর পরদিনের কথা বলি। আপনাদের বলেছিলাম, আমি পরকীয়া না করলেও পরকীয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ঘটনা হলো, আমার এক বন্ধুর পরিচিত এক মেয়ের সাথে গোপন এক সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করেছে। মেয়েটি প্রবল যৌন আকর্ষণীয়। ঠিক করেছিলাম মেয়েটিকে নিয়ে কয়েকদিনের জন্য কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসবো। আমি যে বিবাহিত এটা মেয়েটিকে বলি নি।

সেই মেয়েটি ঐদিন সন্ধ্যায় ফোন দিলো। আমি তখন অফিস থেকে বেরিয়েছি। ওর ফোন দেখে মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। কিন্তু ফোনটা ধরার সময় মনে পড়লো আল্লাহর নির্দেশের কথা। তৎক্ষণাৎ মনকে শক্ত করলাম। এবং ফোনটা ধরলাম না। মেয়েটা যতোবারই ফোন দিলো ধরলাম না।

এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের আড্ডায় না গিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে।
বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, কোথায় তুমি?"

স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি।
ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"

সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। বিয়ের শুরুর দিকে যেমন করতাম।

সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে।

সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "ছেলেটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"
স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি তোমায়। ভালোবাসি।"

পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"

হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে। আমি এখন বুঝতে পেরেছি কেনো পুরুষেরা স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে? অতীতের ভুল আর কখনো করবো না।"

ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"
ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশিয়াল গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"
(Collected)

31/01/2025

কিছু বিজ্ঞ চিন্তাবিদ থেকে উদ্ধৃতি:
1. সত্যিকারের মন্দ এমন একজনের কাছ থেকে আসে যে একবার সদয় ছিল।
সিজার প্যাভেস
2. যারা আমাকে চায় না তাদের হারাতে আমার আপত্তি নেই, কারণ আমি যাদের চেয়েছিলাম তাদের হারিয়েছি এবং আমি এখনও বেঁচে আছি।
কার্ল মে
3. একজন জ্ঞানী ব্যক্তির সাথে একটি কথোপকথন দশ বছরের বই অধ্যয়নের চেয়ে উত্তম।
হেনরি ওয়াডসওয়ার্থ লংফেলো
4. ন্যায়বিচারের দুর্নীতি জাতির পতনের দিকে নিয়ে যায়।
ইবনে খালদুন রহ
5. আপনি যদি উদ্বেগকে জয় করতে চান এবং জীবনযাপন শুরু করতে চান তবে আপনার কষ্টের পরিবর্তে আপনার আশীর্বাদ গণনা করুন।
ডেল কার্নেগি
6. ব্যর্থ হতে চাইলে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করুন।
এরউইন রোমেল
7. আমি যাদের চিনতাম তাদের ছাড়া কেউ আমার ক্ষতি করেনি; আমি জানি না ঈশ্বর সবাইকে মঙ্গল করুন!
আবু আল-আলা আল-মাআরি
8. এই পৃথিবী প্রতিদিন ন্যায়বিচারকে অপমানিত করে।
গাসসান কানাফানি
9. আপনি যদি সিংহের দানাগুলো খালি দেখতে পান, তাহলে ধরে নিবেন না সিংহ হাসছে!
আল-মুতানাব্বি
10. সৎ হতে হলে সবার শত্রু হওয়া।
জিবরান খলিল জিবরান
11. একজন ব্যক্তির বিকাশের প্রথম বাধা হল পরিবার।
লিও টলস্টয়
12. বর্ধিত সচেতনতা ব্যথা তীব্র করে, এবং মনস্তাত্ত্বিক বিষণ্নতায় আক্রান্ত বেশিরভাগই বুদ্ধিজীবী।
আদেল সাদেক
13. যখন আপনি আমাকে ভালভাবে সম্মান করেন এবং আমার সাথে সৌজন্যের সাথে আচরণ করেন, তখন এটি আমার টুপিতে একটি পালক নয়; পরিবর্তে, আপনি আমার মাথার মুকুট হবেন!
ইব্রাহিম এল-ফিকি
14. জীবনকে সত্যিকার অর্থে মূল্য দিতে আপনার মৃত্যু কামনা করতে হবে।
উইনস্টন চার্চিল
15. কথায় উদারতা আত্মবিশ্বাস তৈরি করে, চিন্তাভাবনার উদারতা প্রতিটি অসুবিধার সমাধান করে, এবং দেওয়ার ক্ষেত্রে দয়া ভালবাসা সৃষ্টি করে।
লাও জু
16. ধর্মের নামে একজন নিরপরাধ মানুষকে নিপীড়নের চেয়ে বড় পাপ আমি জানি না।
মহাত্মা গান্ধী
17. দুঃখ একটি মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা যা সচেতনতাকে নিজেকে এবং সমাজের প্রতি প্রতিফলিত করতে দেয়।
জ্যাঁ-জ্যাক রুসো
18. প্রায়শই, আপনি যে শব্দগুলি বলতে ভয় পান সেগুলিই সবচেয়ে বেশি বলা দরকার।
জর্জ বার্নার্ড শ
19. কিছু সময়ের জন্য ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন, এবং আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি অনলাইনে কিছুই মিস করেননি, কিন্তু এর বাইরে অনেক কিছু - যেমন আপনার মায়েরা বার্ধক্য অলক্ষিত!
আবদুল্লাহ আল-মুগলুথ
20. জীবন হল আশা; আশা ছাড়া জীবন হারিয়ে যায়।
প্লেটো
21. হাসি ছাড়া একটি দিন একটি দিন নষ্ট!
চার্লি চ্যাপলিন
22. যারা আপনার চালচলন ভালভাবে জানে তারা ছাড়া কেউ আপনাকে আক্রমণ করতে পারে না। নিরাপদে আপনার গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য আপনার চিন্তাগুলি কারও সাথে ভাগ করবেন না!
Htr
23. আমি কখনই বিশ্বকে সম্মান করব না যতক্ষণ না ভাঙা চোখের একটি শিশু থাকবে। #ফানি_পোস্ট

কুমিল্লা Cumilla 24/01/2025

https://youtu.be/DBT4VoeiDVk #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph

কুমিল্লা Cumilla #কুমিল্লা #কুমিল্লায়

24/01/2025

“ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় - তাদের প্রলুব্ধ করা কঠিন”

একটি সাধারণ ভুল ধারণা রয়েছে যে ভালো পুরুষরা খুব বিরল এবং যেন অদৃশ্য হয়ে গেছে। কিন্তু সত্যটা হলো – ভালো পুরুষদের খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। তারা কেবল এমন জিনিসে প্রভাবিত হয় না যা কেবল বাইরের মোহ তৈরি করে।

একজন গভীর চিন্তার মানুষ তার পছন্দ নির্ধারণ করেন সাময়িক আকর্ষণের উপর নয়। তিনি গভীরতা, চরিত্র এবং তার মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মানানসই কাউকে খুঁজে নেন। যদি একজন সত্যিকারের ভালো পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আপনি সংগ্রাম করেন, তবে হয়তো আপনার পদ্ধতি বদলানোর সময় এসেছে।

যা কাজ করে না:
• আকর্ষণীয় ও উন্মুক্ত পোশাক: এগুলো হয়তো অনেকের নজর কাড়ে, কিন্তু ভালো পুরুষ কেবল বাইরের চেহারা নয়, বরং গভীর সংযোগ খোঁজেন।
• সোশ্যাল মিডিয়ার নাটক: অতিরঞ্জিত পোস্ট বা বেছে নেওয়া সেলফি হয়তো লাইক পায়, কিন্তু সত্যিকারের সম্মান বা আগ্রহ জাগাতে ব্যর্থ।
• উপকরণবাদিতা বনাম অর্থ: বিলাসবহুল জিনিস বা ব্র্যান্ড পছন্দ প্রদর্শন একজন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষকে মুগ্ধ করে না।

যা কাজ করে:
1. চরিত্র বনাম চেহারা: একজন ভালো পুরুষ খেয়াল করেন আপনি অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করেন, আপনার বিনয় এবং সহানুভূতি। একটি সহানুভূতিশীল মন দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।
2. মেধা বনাম সৌন্দর্য: মেধা মানে কেবল ডিগ্রি বা শব্দভাণ্ডার নয়; এটি কৌতূহল, প্রজ্ঞা এবং অর্থবহ কথোপকথন করার ক্ষমতা। তার মনকে প্রভাবিত করুন, তার প্রশংসা পাবেন।
3. মূল্যবোধ বনাম ভোগবাদ: গভীর মানসিকতার একজন পুরুষ এমন নারীকেই পছন্দ করেন যার স্পষ্ট মূল্যবোধ ও লক্ষ্য আছে। তাকে আপনার বিকাশের প্রতি ভালোবাসা, আপনার বিশ্বাসের প্রতি অঙ্গীকার, বা আপনার জীবনের কোনো মহৎ উদ্দেশ্য দেখান।
4. স্থিতিশীলতা বনাম বিশৃঙ্খলা: নাটক ছাড়া স্থিতিশীলতা ভালো পুরুষদের কাছে আকর্ষণীয়। তারা এমন কাউকে খোঁজেন যে জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে শান্তভাবে মোকাবিলা করতে পারে, না যে অপ্রয়োজনীয় বিশৃঙ্খলা তৈরি করে।
5. আত্মবিশ্বাস বনাম সাদৃশ্য: নিজেকে নির্দ্বিধায় উপস্থাপন করুন। একজন ভালো পুরুষ এমন নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে নিজের মূল্য জানে এবং প্রয়োজনে একা থাকার সাহস রাখে।

ভালো পুরুষকে আকৃষ্ট করার গোপন রহস্য:

একজন ভালো পুরুষ চান না আপনি নিজেকে পাল্টান; তিনি চান আপনি আপনার আসল রূপে থাকুন – সৎ, সাহসী এবং স্বকীয়তায় পরিপূর্ণ।

তিনি পরিপূর্ণতা খুঁজছেন না; বরং এমন কাউকে খুঁজছেন যিনি তার যাত্রাকে পরিপূরক করবেন, যার মূল্যবোধ ও লক্ষ্য তার সাথে মিলে যায়। তিনি লক্ষ্য করবেন আপনার নীরব শক্তি, অন্যদের সাথে আপনার আচরণ এবং জীবনের উত্থান-পতন কিভাবে আপনি সামাল দেন।

তাই, যদি আপনি একটি অর্থপূর্ণ সম্পর্কের জন্য আগ্রহী হন, তাহলে ক্ষণস্থায়ী বাহ্যিক গুণাবলীর চেয়ে আপনার অন্তর্নিহিত গুণাবলী গড়ে তোলার উপর বেশি মনোযোগ দিন। আপনার কাজ, মেধা এবং মূল্যবোধ পোশাক বা সোশ্যাল মিডিয়ার চেয়ে জোরালোভাবে কথা বলুক।

সৌন্দর্যের চেয়ে কৌশলী হন। কারণ যখন একজন ভালো পুরুষ আপনাকে একবার লক্ষ্য করবে, তখন তিনি আপনার প্রতিটি দিক – ভিতর এবং বাইরের – গভীরভাবে মূল্যায়ন করবেন।

22/01/2025

উচিত জবাব কখনো কথায় দিতে হয় না....
দিতে হয় কাজ দিয়ে!! নিজের সাথে প্রতিযোগিতা করে!!

চলেন একটা গল্প শোনাই!
নামকরা ব্র‍্যান্ড Lamborghini এর নাম তো আপনারা সবাই কম বেশি শুনেছেন!!
কিন্তু আপনি কি জানেন...
এই Lamborghini এর মালিক একজন ট্রাক্টর মেকানিক??

ইটালীর এক গ্রামে কৃষকের ঘরে জন্ম হয় ফেরুচ্চিও ল্যাম্বোরগিনির।
তখন মাত্র ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে...
ফেরুচ্চিও ল্যাম্বোরগিনি বেশ ভালো মেকানিক্যাল কাজ জানতো।
যুদ্ধ শেষে নিজের মেকানিক্যাল দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে...
গড়ে তুলেছিলেন ট্রাক্টর মেরামত, তৈরী করার ব্যবসা।

আস্তে ধীরে ব্যাবসা বড় হতে লাগলো...
নিজের শখের জন্য একটা ফেরারী গাড়ি কিনে ফেললো!
তখন ফেরারী খুব জনপ্রিয় একটা ব্র‍্যান্ড!! এক নামে সবাই চিনে!

কিন্তু গাড়ি কেনার পরেই শুরু হলো যতো সমস্যা!!!
গাড়ির ক্লাচ নিয়ে ফেরুচ্চিও শান্তি পাচ্ছিলেন না!!
তার কাছে মনে হলো এটাকে আরো ভালোভাবে তৈরী করা যেতে পারতো!!

যেই ভাবা সেই কাজ, ফেরুচ্চিও ঠিক করলো....
এটা ফেরারীকে জানাবে!

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে...
তিনি সরাসরি যোগাযোগ করলেন ফেরারির প্রতিষ্ঠাতা এনজো ফেরারির সঙ্গে।
এনজো ফেরারি প্রথমে তার কথা শুনলেন...

এরপর বললেন,
"তুমি তো ট্রাক্টর বানাও, গাড়ির তুমি বোঝ টা কি?"

এই কথাটা মারাত্মকভাবে গায়ে লাগে ফেরুচ্চিও ল্যাম্বোরগিনির!
ফেরারীর অফিস থেকে বের হয়ে চলে আসেন তিনি!

এরপর সিদ্ধান্ত নেন,
“আমি নিজেই এমন এক গাড়ি বানাবো, যা ফেরারিকেও হার মানাবে।”

অনেকগুলো বছর পেরিয়ে যায়...
১৯৬৩ সালে ল্যাম্বোরগিনি প্রতিষ্ঠিত হলো।
ডিজাইন আর শক্তিশালী ইঞ্জিনের জন্য এটি রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এরপর থেকে ফেরারির সঙ্গে শুরু হয় ল্যাম্বোরগিনির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

Lamborghini এই পর্যন্ত 230,000 গাড়ি তৈরী করেছে পুরো বিশ্বে
কোম্পানীর মার্কেট ভ্যালুয়েশন €19.7 বিলিয়ন!!!
২০২৪ এর নভেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী Lamborghini এখন আমেরিকান মার্কেটে Ferrari এর চেয়ে বেশী জনপ্রিয়!

এখন একটু ভাবুন তো...
সেইদিনের সেই ট্রাক্টর মেকানিক যদি এই জিদ না করতো!!
যদি ভাবতো ধুর আমি শুধু আমার কাজটাই করি!!
তাহলে কি কোনদিন Lamborghini তৈরী হতো?
গল্পটা এরকম হতো??

এমন অনেক ধরনের বাধা বিপত্তি আমাদের লাইফেও কিন্ত আমরা পেয়ে থাকি!!
মাঝে মাঝে মনে হয় এই বুঝি সব শেষ হয়ে গেলো!!
আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না!
নিজের উপর আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলি!

আমরা এটা ভুলে যাই যে, "আমি না পারলে, পারবে কে?"

যা করার আমাকেই তো করতে হবে তাই না?
নিজের জন্য এমন একটা গল্প লিখে যেতে হবে....
যেটা আমি বলতে গর্ব নিয়ে বলতে পারবো!!

অনেকেই আপনাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করবে!!
পিছনে ট্রল করবে, বার বার থামিয়ে দেবে!!

নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করেন যেন...
আপনার কাজই একদিন আপনার হয়ে সেই জবাবটা দিয়ে দেয়!!

ইনশাআল্লাহ ❤️ #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Mohammadpur
Dhaka
1207