Phoenix Care
ত্বক ও চুলের বিশেষ যত্নে অর্গানিক ও প্রাকৃতিক উপাদান হলো Phoenix Care এর মূল বিশেষত্ব।
চুল হোক আপনার সৌন্দর্য !!!
মানুষের সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে মাথার চুল। সম্প্রতি সময়ে চুল পড়া সমস্যা বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। প্রতিদিন কিছু পরিমান চুল পড়া স্বাভাবিক হলেও বেশি পরিমানে চুল পড়াটা উদ্বেগের বিষয়। নিয়মিত চুলের পরিচর্যা করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
আর এ জন্য আছে Phoenix Anti hair fall hair oil.
বাজারে খাঁটি তেল পাওয়া সহজ নয়। হোমমেড হারবাল হেয়ার অয়েলে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি ঘরোয়া তেল।
ফিনিক্স হেয়ার অয়েলটি নন স্টিকি ফর্মুলাতে তৈরি তাই সব ধরনের চুলের জন্য আপনি যেকোনো সময় অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।
phoenix_Anti_hair_fall_Harbal_hair_oil
এ রয়েছে ২৮ রকমের অর্গানিক ও প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান যা চুলের গভীরে পৌঁছে গোড়ায় গোড়ায় পুষ্টি যোগায়।
💥প্রধান উপাদানঃ
💯খাঁটি #হোমমেইড।
* নারিকেল তেল।
* কালোজিরার তেল।
* তিলের তেল।
* আমন্ড অয়েল।
*আনরিফাইন্ড ক্যাস্টর অয়েল।
💥এছাড়া আরো রয়েছে ২৩ টি উপাদান যা বিভিন্ন বীজ ও পাতার নির্যাস থেকে নেয়া যা সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ফ্রি।
এতে কোনো প্রকার রাসায়নিকের মিশ্রণ নেই। শিকাকাই,রিঠা,বহেরা,
আমলকি,এলোভেরা,মেথি,ব্রাম্মী,
অশ্বগন্ধা, নিমপাতা, জবা,ভৃংগরাজ, তিল,তিসি ইত্যাদি এবং সাথে আরও growth stimulating organic items.
We are Paraben free! এর থেকে pure & organic কোন recipe আর দেয়া সম্ভব না। সব উপকরন এর নির্যাস থেকে ফিনিক্স অ্যান্টি হেয়ার ফল হারবাল হেয়ার অয়েল তৈরি করা হয়েছে। নিয়মিত ব্যবহারে আপনি উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ৷
💥এসব উপাদানে আছে-
*অ্যান্টব্যাকটেরিয়াল
*অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
*এম্পিরিজন
*আয়রন
*ক্যালসিয়াম
*মিনারেল
*ভিটামিন -A, D, E,
*লোরিক অ্যাসিড ইত্যাদি যা চুলে প্রোটিনের ভিত তৈরি করে এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়।
💥 কার্যকারিতাঃ-
✅ একটি প্রাকৃতিক গুনাগুন সমৃদ্ধ হেয়ার অয়েল। এতে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকে যা নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত করে ফলে চুল পড়া কমিয়ে দেয়।
✅ এ
আছে আনরিফাইন্ড ক্যাস্টর অয়েল যা নিয়মিত ব্যাবহারে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
পাশাপাশি চুলের গোড়ায় পুষ্টি যুগিয়ে চুল কে
মজবুত, ঝলমলে, উজ্জ্বল, ও খুশকিমুক্ত রাখে।
✅ আমাদের স্ক্যাল্পে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল আর ফাংগাল ইনফেকশনে খুশকি,চুলকানি হয়ে স্ক্যাল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যে ডেথ
সেলস গুলো জমা হয় সেগুলোকে স্তরে স্তরে তুলে ফেলে এবং চুলের
গ্রন্থিকোষ গুলোতে পুষ্টি যুগিয়ে স্ক্যাল্প টাকে হেলদি বানায়।
✅নিয়মিত
ম্যাসাজে - রক্তচলাচল স্বাভাবিক করে চুলের বৃদ্ধি ঘটায়।
✅ যাদের মাইগ্রেন, মাথার তালু জ্বলা, ঘুম না হওয়ার সমস্যা আছে নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ তাদের জন্যে তো ম্যাজিকের মতো কাজ করে। মাথাকে ঠান্ডা রাখে ফলে মাথা ব্যাথা দূর হয়, ঘুম ভালো হয়।
💥 #হারবাল পন্যের কাজ হয় ধীরে তাই ধৈর্য্য নিয়ে প্রথম দিকে টানা ১ থেকে দেড় মাস কন্টিনিউ করতে হবে।
💥ব্যবহারবিধিঃ #হোমমেইড_Anti_hair_fall_Harbal_hair_oil টি সপ্তাহে ৩/৪ দিন ব্যবহার করবেন।
✅ আপনার চুলে যতটুকু তেল প্রয়োজন ছোট একটি বাটিতে নিয়ে মাথার পুরো স্ক্যাল্পে আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে ম্যাসাজ করবেন ১০ মিনিট এরপর পুরো চুলে তেল লাগিয়ে নেবেন। ভালো হয় সারারাত অথবা দিনে ২ ঘন্টা রেখে সকালে কোন একটি মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলবেন।
অর্ডার করতে চাইলেঃ
ফুল এড্রেস ( road no, house no, flat no) এবং ফোন নাম্বার দিয়ে কনফার্ম করুন।
বাসায় ফিনিক্স অয়েল পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ।
পেইজ লিংকঃ
https://www.facebook.com/Phoenix-Care-111635657292497/
Phoenix Care ত্বক ও চুলের বিশেষ যত্নে অর্গানিক ও প্রাকৃতিক উপাদান হলো Phoenix Care এর মূল বিশেষত্ব।
04/08/2022
একবার হযরত উমর (রা.) বাজারের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বাজারে যখন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, তখন শুনতে পেলেন সেই ব্যক্তি দো'আ করছে-
'হে-আল্লাহ! আমাকে আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নিন, হে-আল্লাহ! আমাকে আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নিন।'
হযরত উমর (রা.)সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন- 'তুমি এই দো'আ কোথা থেকে শিখেছো?'
উত্তরে সেই ব্যক্তি বললো- 'আল্লাহর ক্বোরআন থেকে।
আল্লাহ ক্বোরআনে বলেছেন,
'এবং আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ।'(৩৪:১৩)
উত্তর শুনে হযরত উমর (রা.) কাঁদতে লাগলেন, এবং নিজেকে উপদেশ দিতে লাগলেন- 'হে-উমর! মানুষ তোমার থেকে অধিক জ্ঞানি।' সাথে তিনিও দো'আ করতে লাগলেন-
'হে-আল্লাহ! আমাকেও আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নিন।'
সংগৃহীত
05/03/2022
টুক টুক করে কিন্তু ডেলিভারি যাচ্ছে 🙂 অনেকদিন কোনো পোস্ট দিতে পারিনি তাই বলে কাজ থেমে নেই!
অহংকারীর কিছু ধরনঃ
(২য় পর্ব)
ইমাম যুবাইদি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন-
▪️অহংকার হলো নিজেকে বড় মনে করা।
▪️নিজের ভালো গুণে প্রীত হওয়া।
▪️অন্য মানুষকে নীচ ও ছোট মনে করা।
▪️যাদের প্রতি বিনয়ী হওয়া দরকার তাদের চেয়ে নিজকে উঁচু মনে করাই অহংকার।
▪️এমনভাবে চলাফেরা করে এবং মনে মনে ভাবে- সে বেশি বা অনেক জানে।
▪️যে কোনো বিষয়ে নিজেকে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ জানা।
▪️অন্যকে তুচ্ছতাচ্ছিল করা এবং মূল্যায়ন না করা।
▪️আমি সব জানি, বুঝি এমন বলে ভাব নেওয়া।
▪️আমিত্ব ভাব প্রকাশ করা যেমন- আমি না হলে...; আমি না থাকলে...।
▪️এমন বলে ভাব নেওয়া- যা করেছি তা শুধু তোদের জন্য....।
▪️অন্যকে বোকা বা মূর্খ আখ্যায়িত করে বলা- আরে, তার কথা বলেন না! আমি না থাকলে ওর কোনো কিছুই হতো না... ইত্যাদি।
▪️নিজের বড় বড় ত্রুটি ঢাকতে অন্যের ত্রুটি নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
▪️আল্লাহর ভয় কম থাকলে বা না থাকলে অহংকার ঢুকে যায়।
▪️নিজের আশ-পাশে চাটুকার ও অযোগ্য লোক থাকলেও লোকেরা অহংকারী হয়ে যায়।
▪️নিজে যা পাবার যোগ্য তার চেয়ে বেশি পেয়ে গেলেও মানুষে অহংকারী হয়ে যায়।
▪️নিজের প্রশংসা অন্যের মুখে বেশী করে শুনতে থাকলেও মানুষ অহংকারী হয়ে যায়।
▪️নিজের আত্মসমালোচনা যত কম হয়, অহংকার ততবেশি পেয়ে যায়।
▪️অন্যের মুখে নিজের সমালোচনা শোনার ধৈর্য্য কমে গেলেও আস্তে আস্তে মনে অহংকার ঢুকে পড়ে।
▪️কথা-কাজ-আচরণে বিনয় কমে গেলে অহংকার জায়গা করে নিতে থাকে।
▪️নিজেকে অগাধ জ্ঞানী মনে করা এবং অন্যকে মূর্খ মনে করা।
▪️অন্যের কাছ থেকে আশা অনুযায়ী খাতির বা সম্মান না পেলে রাগান্বিত হওয়া।
▪️আমলে,এবাদতে অন্যের কাছে নিজেকে সাধারন লোক অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বলে মনে করা।
▪️কৌলিন্য ও বংশ মর্যাদায় নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা।
▪️সৌন্দর্যে ও অংগ সৌষ্ঠবে নিজেকে বড় মনে করা।
▪️নিজের জন্য যা পছন্দ করে, কিন্তু অপরজনের জন্য তা পছন্দ করে না।
▪️কোন লোক তাকে শ্রেষ্ঠ জ্ঞানে সম্মান না করলে তার বিরুদ্ধে নিজের মনে কিছু না কিছু ভাবা।
▪️নিজের বিরুদ্ধে যায় এমন হক কথাও মেনে নিতে পারে না।
▪️অন্যের নিন্দা ও কুৎসা রটনা থেকে নিজেকে সংযত রাখতে পারে না।
▪️অহংকারী লোক নিজের সামনে অপরকে দাঁড় করিয়ে রাখতে ভালবাসে।
▪️অহংকারী লোক কারো সাথে সাক্ষাত করতে যায় না। যদিও বা যায় তা শুধু নিজ প্রয়োজনে।
▪️ধনে জনে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা।
▪️দৈহিক বলে নিজেকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা।
▪️প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা।
▪️তারা ব্যয় করে লোক দেখানোর জন্য।
▪️অন্যের প্রশংসা করতে কষ্ট হয়।
▪️অন্যের ভালো সহ্য করতে পারে না। মনে অনেক হিংসা আর ঈর্ষা থাকে।
▪️শুধু নিজের ভালোর কথাই চিন্তা করে অর্থাৎ স্বার্থপর।
▪️নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা এবং অপরকে ক্ষুদ্র মনে করা।
নিজের কাজ কে বড় করে দেখানোর জন্য বার বার তা মুখে বলা।
▪️অন্যের সাথে নম্র ব্যবহার করতে পারে না।
▪️সত্যকে গ্রহণ না করা; অন্যায়ভাবে বিতর্ক করা। যেমনটি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে “অহংকার হচ্ছে- সত্যকে উপেক্ষা করা এবং মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।”
▪️নিজের সৌন্দর্য্য, দামী পোশাক ও দামী খাবার ইত্যাদি দ্বারা নিজেই অভিভূত হয়ে পড়া।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: একদা এক ব্যক্তি হুল্লা পরে, আত্মম্ভরিতা নিয়ে, মাথা আঁচড়িয়ে হাঁটছিল এমতাবস্থায় আল্লাহ তাকে ভূমি সহ ধ্বস করে দিলেন এবং এভাবে কিয়ামত পর্যন্ত সে নীচের দিকে যেতে থাকবে।”[সহিহ বুখারি
এছাড়াও বিভিন্ন হাদিস ও মনিষীদের উক্তিতে বলা হয়েছে-
▪️তিনটি সত্তা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। লোভ, হিংসা ও অহংকার।
— ইমাম গাজ্জালি (র)
▪️বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী ও উৎফুল্ল হয়ে উঠে ।
— সুরা-হুদ, আয়াত ১০
▪️অহংকার হচ্ছে, সত্যকে উপেক্ষা করা এবং মানুষকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা।
— সহিহ মুসলিম
▪️যার মনে বিন্দু পরিমাণ অহংকার আছে,সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না ।
— সহিঃ মুসলিম
▪️অহঙ্কারের মতো বড় শত্রু আর
নেই।
▪️যে ব্যক্তি নিজের মনেই নিজেকে বড় বলে জানে, চলার সময় অহংকার করে চলে, সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি তার উপর রাগান্বিত অবস্থায় থাকবেন ।
— বুলুগুল মারাম – ১৬১১
▪️বিনয়ী,মূর্খ অহংকারী বিদ্বান অপেক্ষা মহত্তর।
— জাহাবি
▪️সদুপদেশ গ্রহণ করার জন্য অন্তরে আগ্রহ সৃষ্টি না হওয়া এবং নিজের অভিমত খণ্ডিত হতে দেখেই অন্তরে ক্রোধের সৃষ্টি হওয়ার নামই অহংকার। আত্মপ্রশস্তি ও অহংকার মানুষকে নিম্নস্তরে নিয়ে যায়।
— ইমাম গাজ্জালি (রঃ)
▪️অহংকার জিনিসটা হাতি ঘোড়ার মতো নয়, তাহাকে নিতান্ত অল্প খরচে ও বিনা খোরাকে বেশ মোটা করিয়া পোষা যায়।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
▪️আমার জীবনের যেখানে নিশ্চয়তা নাই, তখন কী দিয়ে অহংকার করব?
— আর্থার গুইটারম্যান
▪️এক কথায় নিজের বড়ত্ব জাহির করার অর্থ অহংকার।
— হেনরি ফোর্ড
▪️চরিত্রের অহংকার সবচেয়ে বড় অহংকার।
— জেফারসন
▪️প্রত্যেকটি অহংকারী লোককে দুঃসহ অবস্থার সম্মূখীন হতে হবে।
▪️মানুষের নিজের ভুলগুলোর উপর পর্দা পড়ে যাওয়াই হলো অহংকার।
— প্রবাদ
▪️অহংকার সর্বদাই পতনের আগে এসে থাকে।
— স্প্যানিশ প্রবাদ
▪️অহংকার হলো কে সঠিক তা নিয়ে, আর মানবতা হলো কি সঠিক তা নিয়ে।
— এজরা টি. বেনসন
▪️অহংকার এর কাছে সব কিছুর মূল্য দিলেও সে তোমার কাছে কিছুই রেখে যাবে না।
— সংগৃহীত
▪অহংকার তোমার জন্য এক মহা বিপজ্জনক জায়গা তৈরি করে ফেলতে পারে যদি তুমি না জানো কিভাবে এটাকে দমন করতে হয়।
— লেডি গ্যাগা
▪️অহংকার সব সময়ই দুটি মানুষের ভিতর সবচেয়ে বেশি দূরত্ব সৃষ্টি করে থাকে।
— সংগৃহীত
▪️অহংকার হলো অ্যাধাত্মিক ক্যান্সার যা মনের মাঝের ভালোবাসা এবং যাবতীয় গুণকে গ্রাস করে।
— সি. লেউস
▪️যদি তোমার আত্মমর্যাদা তোমার হৃদয়ের চেয়ে বড় এবং তোমার অহংকার তোমার মাথার চেয়ে বড় হয় তবে তা ছাড়ার চেষ্টা কর। কেননা তা না হলে তুমি একা হয়ে যাবে।
— সংগৃহীত
▪️জ্ঞান হলো অহংকারের ব্যস্তানুপাতিক, যতই জ্ঞান বাড়বে অহংকার কমবে আর যতই জ্ঞান কমবে অহংকার বাড়বে।
— আলবার্ট আইনস্টাইন
▪️যদি তোমার অহংকার জিতে যায় তবে মনে রেখো জীবন হেরে যাবে।
— প্রাটিকসা কৌশাল
▪️কিছু সময় মানুষ এটাকে আত্মমর্যাদা ভাবলেও সেটা শুধুই
অহংকার বোধ হয়ে থাকে।
— সংগৃহীত
▪️অন্ধকার হলো আলোর অনুপস্থিতি আর অহংকার হলো জাগরণের অনুপস্থিতি।
— ওশো
▪️অহংকার কখনোই সত্যকে মানে না।
— গৌতম বুদ্ধ
▪️তোমার অহংকারই হলো তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ শত্রু তাই এটাকে আজই মেরে ফেলো।
— সংগৃহীত
▪️অহংকার পতনের মূল ।
— আল হাদিস
▪️অহঙ্কার কে সামান্যের মাঝেই রাখো, নতুবা একজন মানুষ হিসেবে নিজের মর্যাদা রাখতে পারবা না।
— জন সেলডেন
📍 এইরকম বদ স্বভাব থেকে আল্লাহতায়ালা আমাদের হেফাজত করুন। আমিন।
অহংকার কী!?
(১ম পর্ব)
অহংকার আরবি ‘কিবরু’র প্রতিশব্দ। হাদিসের পরিভাষায় অহংকার হলো- ‘সত্যকে অস্বীকার করা; মানুষকে হেয় করা।’ নিজেকে অন্যের তুলনায় বড় জানা এবং অন্যকে তুচ্ছ-নিকৃষ্ট মনে করাই অহংকার।
অহংকার (দাম্ভিকতা বা ঔদ্ধত্যও বলা হয়ে থাকে) বলতে বোঝায় অতিমাত্রায় গর্ব করা বা নিজেকে চরমভাবে অতিরিক্ত গুরুত্ব প্রদান করার আচরণ। আরও সুস্পষ্টভাবে, এটি হল বাস্তবতার সাথে সম্পর্কহীনতা আর
নিজের বড়ত্ব জাহির করার অর্থ অহংকার।”
মানুষের একটি মারাত্মক ব্যাধি ‘অহংকার’। এটি এমন এক মারাত্মক মানসিক ও চারিত্রিক রোগ; যার পরিণাম খুবই ভয়াবহ। অহংকারী ব্যক্তি চরম ঘৃণিত ও লাঞ্ছিত।
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যুম (রহ.) বলেন, গুনাহের মৌলিক উপাদান তিনটি—
এক. অহংকার
দুই. লোভ
তিন. হিংসা-বিদ্বেষ।
যে ব্যক্তি এই তিন অপরাধ থেকে মুক্ত থাকবে সে যাবতীয় অন্যায়-অপরাধ থেকে বেঁচে থাকবে। কুফরির উৎপত্তি অহংকার থেকে আর গুনাহের উৎপত্তি লোভ থেকে এবং অন্যায়-অনাচার ও জুলুমের উৎপত্তি হিংসা-বিদ্বেষ থেকে।
আমর ইবনে শুয়াইব তার পিতা থেকে,পিতা তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন:
“কিয়ামতের দিন অহংকারীদেরকে ছোট ছোট পিপীলিকার ন্যায় মানুষের আকৃতিতে হাশরের ময়দানে উপস্থিত করা হবে।
অপমান ও লাঞ্ছনা তাদেরকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলবে।
তাদেরকে জাহান্নামের একটি জেলখানায় একত্রিত করা হবে, যার নাম হবে “বুলাস। আগুন তাদেরকে চতুর্দিক থেকে ঢেকে ফেলবে। জাহান্নামীদের শরীরের ঘাম তাদেরকে পান করতে বাধ্য করা হবে।”।[সুনানে তিরমিজি (২৪৯২), আলবানী সহিহ তিরমিজি গ্রন্থ (২০১৫)
অহংকার পতনের মূল’—এ কথা প্রচলিত। নৈতিক মূল্যবোধের জায়গা থেকে এটি যেমন সত্য, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এ কথা প্রমাণিত যে অহংকার ও দাম্ভিকতা পতন ডেকে আনে।
আত্ম-অহমিকা, দাম্ভিকতা ও অহংকার গর্হিত অপরাধ। অহংকারী মানুষকে আল্লাহ খুব অপছন্দ করেন।
ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) অহংকারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ২৩)
মহান আল্লাহর সঙ্গে কৃত সর্বপ্রথম গুনাহ হলো অহংকার।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, তোমরা আদমকে সিজদা করো, তখন ইবলিস ছাড়া সবাই সিজদা করল। শুধু সে অহংকারবশত সিজদা করতে অস্বীকার করল। আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৩৪)
গর্বকারীরা পরকালে জাহান্নামি হবে।
এদের নিয়ে জাহান্নাম ও জান্নাতের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের জাহান্নামিদের সম্পর্কে সংবাদ দেব না? সাহাবাগণ বলেন, অবশ্যই দেবেন হে আল্লাহর রাসুল। তখন তিনি বলেন-
জাহান্নামি হচ্ছে প্রত্যেক কঠিন প্রকৃতির ধনী কৃপণ অহংকারী।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৯১৮)
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন-
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন,
‘জাহান্নাম ও জান্নাত পরস্পর তর্ক করছিল। জাহান্নাম বলল, আমাকে দাম্ভিক ও অহংকারী মানুষ দেওয়া হয়েছে, যা তোমাকে দেওয়া হয়নি। জান্নাত বলল, আমার কী দোষ! যে দুর্বল, অক্ষম ও গুরুত্বহীন মানুষগুলোই আমার ভেতর প্রবেশ করছে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৮৪৬)
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
একজন সাহাবি বলেন, মানুষ তো চায় যে তার কাপড় সুন্দর হোক এবং তার জুতা সুন্দর হোক (এটা কি অহংকার বলে গণ্য হবে?) রাসুল (সা.) বলেন-
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সুন্দর। অতএব তিনি সুন্দর পছন্দ করেন। তবে অহংকার হচ্ছে সত্য প্রত্যাখ্যান ও মানব অবমূল্যায়ন।’ (মুসলিম, হাদিস : ৯১)
একবার বনি ইসরাঈলের এক ব্যক্তি গর্ব করলে আল্লাহ তাআলা তাকে কঠিন শাস্তি দেন।
রাসুল (সা.)-এর যুগেও এমন একটি ঘটনা ঘটে যায়।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন-
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘একদা এক ব্যক্তি এক জোড়া জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক পরে (রাস্তা দিয়ে) চলছিল। তা নিয়ে তার খুব গর্ব বোধ হচ্ছিল। তার জমকালো লম্বা চুলগুলো সে খুব যত্নসহকারে আঁচড়ে রেখেছিল। হঠাৎ আল্লাহ তাআলা তাকে ভূমিতে ধসিয়ে দেন এবং সে কিয়ামত পর্যন্ত এভাবেই নিচের দিকে নামতে থাকবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৭৮৯)
কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা অহংকারী ও দাম্ভিকের সঙ্গে কথা বলবেন না।
তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না,
তাকে গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন না।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন-
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন,
‘তিন ব্যক্তির সঙ্গে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা কথা বলবেন না, তাদের গুনাহ থেকেও পবিত্র করবেন না, তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতেও তাকাবেন না এবং তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। তারা হচ্ছে বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যুক রাষ্ট্রপতি ও দাম্ভিক ফকির।’
(মুসলিম, হাদিস : ১০৭)
এই হাদিস দ্বারা বোঝা যায় অহংকার কতটা ভয়াবহ জিনিস। এটি মূলত আত্মার ব্যাধি। যে ব্যাধি মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। এই শাস্তি দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানেই ভোগ করতে হয়।
20/12/2021
'চুল পড়া' সমস্যার সম্মুখীন হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়!
এমন সব সমস্যা সমাধানের জন্য বেছে নিতে পারেন ফিনিক্স হেয়ার অয়েল।
15/12/2021
এই দেশেতেই জন্ম আমার
এই দেশেতেই শেষ,
তুমিই আমার ভালোবাসা
আর স্বপ্ন দেখার দেশ।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
Phoenix Care.
10/12/2021
শীত প্রায় চলেই এসেছে,আর শীতকালে চুল ঝরা যেনো একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চুলের নানারকম সমস্যা দূর করে ঝলমলে উজ্জ্বল চুল পাওয়ার অন্যতম উপায় হলো চুলের গোড়ায় পুষ্টি যোগায় এমন তেল ব্যবহার এবং মাথার স্ক্যাল্পে অয়েল ম্যাসেজ করা।
পুষ্টিকর তেল আর স্ক্যাল্পে নিয়মিত অয়েল ম্যাসেজ করার বেশ কিছু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উপকারিতা রয়েছে।
এ রয়েছে ২৮ রকমের অর্গানিক ও প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান যা চুলের গভীরে পৌঁছে গোড়ায় গোড়ায় পুষ্টি যোগায়। স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়,চুল কে ডিপ কন্ডিশনিং করে, শরীর-মনের শিথিলতা,চাপমুক্তির মতো আরও বহু উপকারিতা এর অন্তর্গত। তাই চুলের বিশেষ যত্ন নিতে বেছে নিন Phoenix oil.
💥প্রধান উপাদানঃ
💯খাঁটি #হোমমেইড।
* নারিকেল তেল।
* কালোজিরার তেল।
* তিলের তেল।
* আমন্ড অয়েল
*আনরিফাইন্ড ক্যাস্টর অয়েল।
💥এছাড়া আরো রয়েছে ২৩ টি উপাদান যা বিভিন্নরকম বীজ এবং প্রাকৃতিক,ভেষজ পাতার নির্যাস থেকে নেয়া যা সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ফ্রি।
এতে কোনো প্রকার রাসায়নিকের মিশ্রণ নেই।
💥এসব উপাদানে আছে-
*অ্যান্টব্যাকটেরিয়াল
*অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
*এম্পিরিজন
*আয়রন
*ক্যালসিয়াম
*মিনারেল
*ভিটামিন -A, D, E,
*লোরিক অ্যাসিড ইত্যাদি যা চুলে প্রোটিনের ভিত তৈরি করে এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়।
💥 কার্যকারিতাঃ-
✅ Phoenix oil একটি প্রাকৃতিক গুনাগুন সমৃদ্ধ হেয়ার অয়েল। এতে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকে যা নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত করে ফলে চুল পড়া কমিয়ে দেয়।
✅ Phoenix oil এ
আছে আনরিফাইন্ড ক্যাস্টর অয়েল যা নিয়মিত ব্যাবহারে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
পাশাপাশি চুলের গোড়ায় পুষ্টি যুগিয়ে চুল কে
মজবুত, ঝলমলে, উজ্জ্বল ও খুশকিমুক্ত রাখে।
✅ আমাদের স্ক্যাল্পে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল আর ফাংগাল ইনফেকশনে খুশকি,চুলকানি হয়ে স্ক্যাল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যে ডেথ
সেলস গুলো জমা হয় সেগুলোকে স্তরে স্তরে তুলে ফেলে এবং চুলের
গ্রন্থিকোষ গুলোতে পুষ্টি যুগিয়ে স্ক্যাল্প টাকে হেলদি বানায়।
✅নিয়মিত Phoenix oil
ম্যাসাজে - রক্তচলাচল স্বাভাবিক করে চুলের বৃদ্ধি ঘটায়।
✅ চুলের আগা ফাটা দূর করতে সাহায্য করে।
✅ যাদের মাইগ্রেন, মাথার তালু জ্বলা, ঘুম না হওয়ার সমস্যা আছে নিয়মিত মাথার তালুতে Phoenix oil ম্যাসাজ তাদের জন্যে তো ম্যাজিকের মতো কাজ করে। Phoenix oil মাথাকে ঠান্ডা রাখে ফলে মাথা ব্যাথা দূর হয়, ঘুম ভালো হয়।
💥 হারবাল পন্যের কাজ হয় ধীরে তাই ধৈর্য্য নিয়ে প্রথম দিকে টানা ১ থেকে দেড় মাস কন্টিনিউ করতে হবে। ইনশাআল্লাহ এতে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
💥ব্যবহারবিধিঃ #হোমমেইড_Anti_hair_fall_Harbal_hair_oil টি সপ্তাহে ৩/৪ দিন ব্যবহার করবেন।
✅ আপনার চুলে যতটুকু তেল প্রয়োজন ছোট একটি বাটিতে নিয়ে মাথার পুরো স্ক্যাল্পে আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে ম্যাসাজ করবেন ১০ মিনিট এরপর পুরো চুলে তেল লাগিয়ে নেবেন। ঘন্টাখানিক রেখে কোন একটি মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলবেন।
১০০ মিলি: ও ২০০ মিলি: বোতল এ অয়েল পাওয়া যাবে।
অর্ডার এবং বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
08/12/2021
এমন রিভিউ পেলে আনন্দে মন অনেক বেশি ভালো হয়ে যায় ❤️
আপনাদের ভালোবাসা, আমাদের কাজের অনুপ্রেরণা, ধন্যবাদ আপু, সেই শুরু থেকে আমাদের সাথে আছেন ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 12:00 |
| Tuesday | 10:00 - 12:00 |
| Wednesday | 10:00 - 12:00 |
| Thursday | 10:00 - 13:00 |
| Friday | 10:00 - 13:00 |
| Saturday | 10:00 - 12:00 |
| Sunday | 10:00 - 12:00 |
