Bonaji Shop
Pure Organic Products.
#اللَّهُمَّ_صَلِّی_عَلَی_مُحَمَّدٍ_وَّعَلَی_آلِ_مُحَمَّدِِ❤️
🚫
🚫
❎
❤️
❤
❌
❌
#ইন্ডিয়ানপন্যবর্জনকরুন✖️
💝
💗
❤
❤️
❤️
#সল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম❤️
❌
❤
❤
❤
❤
❌
❌
✖
❌
✖
❌
❌
(SAW) 📷
اِنَّ الَّذِیۡنَ یُؤۡذُوۡنَ اللّٰہَ وَ رَسُوۡلَہٗ لَعَنَہُمُ اللّٰہُ فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ وَ اَعَدَّ لَہُمۡ عَذَابًا مُّہِیۡنًا ﴿۵۷﴾
-অনুবাদঃ
- "নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে লানত করেন এবং তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন অপমানজনক আযাব।"
©সূরা আল আহযাব:আয়াত ৫৭
02/05/2022
تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
“তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম”
07/01/2022
মেথি যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Fenugreek.মেথি একটি ভেষজ মৌসুমি গাছ।মেথিকে মশলা, খাবার, পথ্য-তিনটিই বলা চলে। মেথির স্বাদ তেতো ধরনের। ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিত্সায় মেথির বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। মেথিতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার প্রবণটা অত্যন্ত ধীর গতির হয়। অর্থাত্ বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি।আমরা জেনে নিই মেথির অন্যান্য উপকারিতা—
১)প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে মেথি খেলে অথবা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে যায় বলে জানা যায়, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়।
২)ঐতিহ্যগতভাবেই মেথি বীজ ব্যবহৃত হয়ে আসছে ভালো স্বাস্থ্য ও শক্তিশালী চুলের জন্য।আপনি মেথিকে মেহেদির সাথে মিশ্রণ করে চুলে লাগিয়ে রাখতে পারেন,এতে আপনার চুল হবে চকচকে সুন্দর।
৩)সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে মেথির উপকারিতা আরো অনেক বেশি আছে।গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি।
৪)গবেষণায় দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম।
৫)মেথি প্রাকৃতিক ফাইবার থেকে জন্ম নেয়। এতে রয়েছে ওজন কমানোর বৈশিষ্ট্য। প্রাকৃতিক আঁশে ভরপুর মেথি খাওয়ার পর তা পেটে গিয়ে ফুলে যায়। আর এই আঁশ ওটের মত হজমে সময় নেয় আর তাই ক্ষুদা কম অনুভূত হয়। এ প্রক্রিয়ায় ওজন কমাতে সহায়তা করে মেথি। খুব বেশি নয়, সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন সামান্য মেথি চিবিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। কয়েক দিন পরেই এর উপকার পাচ্ছেন বলে মনে হবে। স্থুলতা কমাতে প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান করা যেতে পারে। দু'টি গ্লাসে পানি নিয়ে এক টেবিল চামচ করে মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেয়ে ফেলুন। মেথি ভেজানো পানি পেটের গ্যাসের সমস্যাও দূর করে।
৬)যারা মদ পান করেন আর লিভারকে অতিরিক্ত ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলেছেন তাদের জন্য মেথি খুবই ভাল কার্যকরী। কারণ মেথি আপনার ক্ষতিগ্রস্ত লিভারকে রিকভার করতে সাহায্য করে এবং ফ্যাটি লিভার কে ও পুরোপুরিভাবে সুস্থ করে তোলার ক্ষমতা রাখে।
৭)মেথিতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারি মূল হাতিয়ার পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকে যার কারণে আপনি যদি তিন থেকে চার মাস নিয়মিত মেথি সেবন করেন তাহলে নির্দ্বিধায় আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
৮)এটি পুরোপুরিভাবে পরীক্ষিত যারা মেথি সঠিক নিয়মে সেবন করবেন তাদের শরীরে ক্যান্সারের জীবাণু থাকার সম্ভাবনা খুবই কমে যায়। মেথি তে থাকা ট্রাইগ্লিসেরাইড এস্ট্রোজেন যেকোনো ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম।
৯)মেথি আপনার কিডনির সুরক্ষা কবচ হতে পারে কারণ মেথি কিডনিতে জমা ক্যালসিয়াম অক্সালেট জাতীয় কিডনির পাথর নিমিষেই গলিয়ে আপনাকে আপনার সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে দিতে পারে।
06/01/2022
থানকুনি এর বৈজ্ঞানিক নাম Centella asiatica এবং ইংরেজি প্রতিশব্দ Indian pennywort.অঞ্চলভেদে এর বিভিন্ন নাম আছে, যেমন—আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন নামে ডাকা হয়।বাংলাদেশ, ভারত,সিংহল,উত্তর অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি এবং এশিয়ার অন্যান্য প্রান্তে এই উদ্ভিদ পাওয়া যায়।ভেষজ হিসেবে এর বহুল ব্যবহার আছে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কেউ যদি নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করে, তাহলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। আসুন জেনে নিই এর অন্যান্য উপকারিতা:-
১) সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। চুল পড়ার হার কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন।পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ২ বার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই ফলাফল পাবেন।
২) নানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে এবং রক্তে প্রবেশ করে। এইসব বিষেদের যদি সময় থাকতে থাকতে শরীর থেকে বের করে দেওয়া না যায়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! আর এই কাজটি করে থাকে থানকুনি পাতা। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।
৩)থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এবার থেকে কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।
৪)থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি হবে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।
৫)থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম বয়সে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে,ব্রণ দূর করে।
৬)আমাশয়ের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে।এটা যদি টানা ৭ দিন খেতে পারেন, তাহলে উপকার পাবেন।এছাড়া আপনি প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রনটি দু'চামচ করে, দিনে দু'বার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।
৭)দুই চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে কাশির কোনও চিহ্নই থাকবে না।
৮) গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে থানকুনি পাতার জুড়ি নেই। হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।
04/01/2022
মেহেদি পাতা গুঁড়ো বা Henna Powder চুলের যত্নে বেশ কাজে দেয়।অনেকসময় আমরা মেহেদি পাতা সবসময় দিতে পারিনা,কাছে না থাকার কারণে।আর সেজন্যই মেহেদি পাতাকে শুকিয়ে গুঁড়ো করে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়,তেমনি বাজারেও পাওয়া যায় মেহেদি পাতা গুঁড়ো।আসুন জেনে নিই মেহেদির উপকারিতা সম্পর্কে:-
১)মেহেদি চুলের গোড়া মজবুত করে ও চুল পড়া কমায়।
২)খুশকি দূর করে।
৩)মেহেদি স্ক্যাল্পে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
৪)মেহেদিতে বিদ্যমান প্রোটিন ও অ্যান্টি অক্সিজেন চুলকে ভেতরের স্তর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে।
৫)মেহেদির অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান স্ক্যাল্প কে সুস্থ-স্বাভাবিক রাখে।
৬)স্ক্যাল্পের পিএইচপি লেভেল কে স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখে।
৭)চুলকে প্রাকৃতিক ভাবে রং করে। এটি রুক্ষ চুলকে ঝলমলে করে তোলে।
৮)চুলের অকালপক্বতা কমাতে মেহেদি সাহায্য করে।
এবার জেনে নিই এই মেহেদি গুঁড়ো কিভাবে ব্যবহার করবো।
১)দুই টেবিল চামচ মেহেদি গুঁড়া, একটি জবা ফুলের ব্লেন্ড,এক চামচ লেবুর রস,দুই চামচ নারকেল তেল একসাথে মিশিয়ে চুলে আগাগোড়া লাগিয়ে একঘন্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। জবা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। লেবুর রস খুশকি দূর করবে। নারকেল তেল চুলকে ময়েশ্চার জোগাবে। ফলে আপনি পাবেন স্বাস্থ্যজ্জল চুল।
২)চুল অনুযায়ী মেহেদি গুঁড়া,আমলকী গুঁড়া একত্রে মিশিয়ে রাতে হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত মিশ্রণটি লাগিয়ে এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে। মাসে অন্তত এক বার প্যাকটি ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হয়।
৩)তিন চামচ মেহেদী গুড়া, দুই চামচ অলিভ অয়েল ও একটি ডিমের সাদা অংশ একসাথে ব্লেন্ড করে মাথার তালুসহ চুুলে লাগান। আধ ঘন্টা পর শ্যাম্পু করে নিন। এই প্যাকটি খুশকি দূর করবে।
৪)চার চামচ মেহেদি গুঁড়া, দুই চামচ মেথি গুড়া এবং সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে সমস্ত চুলে লাগান। আধঘন্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি রুক্ষ-শুষ্ক চুলকে ঝলমলে করতে সহায়ক। মেহেদি চুলের গোড়া মজবুত করে ও চুল পড়া কমায়।
যষ্টি মধু যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Liquorice.যষ্টি মধুর নাম শুনে অনেকেই এটাকে মধু ভেবে ভুল করে। তবে এটি মূলত গাছের শিকড়। মধু না হলেও গুণে কিন্তু মধুর চেয়ে কম নয়। যষ্টিমধুর শিকড় থেকে মিষ্টি স্বাদ পাওয়া যায়। এটি লিগিউম জাতীয় বিরুৎ যা মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ইউরোপ এবং এশিয়ার বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের অনেক দেশে চকোলেট এবং মিষ্টিজাতীয় খাবার প্রস্তুতিতে যষ্টিমধু ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে যষ্টিমধু ঔষধি উদ্ভিদ নামে পরিচিত।
হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদিক সব ধরনের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়ে আসছে যষ্টিমধু।
আসুন আমরা জেনে নিই যষ্টি মধুর উপকারিতাগুলো:-
১) আমাদের মধ্যে অনেকেরই শীতকালে শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যা দেখা যায়। মূলত শ্বাস-তন্ত্রের সমস্যার কারনে আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যা হয়। এতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান সংক্রমণ ও গলাব্যাথা কমায়। কাশি থাকলে যষ্টিমধু, সিতোপালাদি গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই ।
২)ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকেই মূলত আমাদের দাঁত ও মাড়িতে নানা সমস্যা দেখা দেয় যষ্টিমধুতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান দাঁত ও মাড়ির জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে।মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
৩)ন্যাশনাল লাইব্রেরী অব মেডিসিন এর বিশেষ গবেষণায় দেখা যায় যষ্টিমধু পেটব্যথা, বমি বমি ভাব ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকরী।
৪)বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে।
৫) স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন।
৬) ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন
৭) এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে
৮) লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে
৯)যষ্টিমধু, তিলের তেল ও আমলকি মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয়, খুশকির যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি মেলে।
১০)এই সকল উপকারের পাশাপাশি যষ্টিমধু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, ওজন কমাতে সাহায্য করে।
02/01/2022
Orange Peel Powder অর্থাৎ কমলালেবুর খোসা গুঁড়ো আমাদের কত উপকারী তা আমরা জানিই না।আমরা খোসা ছাড়িয়ে কমলাটাই খাই, খোসার গুণাগুণ সম্পর্কে খুব কম লোকজনই জানে।
কমলালেবুর খোসাতে আছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান। যা আপনার মুখে হওয়া ব্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে মুখকে ব্রণ মুক্ত করে তোলে। এছাড়াও কমলালেবুর খোসা—
১)কমলার খোসা ত্বক উজ্জ্বল করে।
২)ত্বকের রোদে পোড়াভাব কমায়
৩)ব্রণের দাগ দূর করে।
৪)ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমায়।
৫)এটি ত্বকের ডেড সেল বা মৃতকোষ অপসারণ করে।
৬)ত্বকের বলিরেখা কমায় এবং ত্বক মসৃণ করে।
৭)কমলার খোসা চুলের খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
ত্বকে তেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং ত্বককে মসৃণ, নরম করে তুলতে কমলালেবুর খোসার কোনও বিকল্প নেই। তবে কমলার খোসা সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করা যায় না। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। ত্বকের জন্য তাজা কমলার খোসার সঙ্গে মুসুরের ডাল বেটে নিন। বেটে মিশ্রণটি নিয়মিত ত্বকে লাগান। এতে ত্বক মসৃণ তো হবেই, মুখের দাগও দূর হবে।
এছাড়া আরও অনেকভাবে এর ব্যবহার করা যায়।যেমন:-
১) পরিমাণ মতো কমলার খোসা গুঁড়ার সাথে গোলাপজল মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরী করুন। এটি ত্বকে পনেরো মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত সপ্তাহে দুই বার ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
২) এক টেবিল চামচ কমলার খোসা গুঁড়া এবং দুই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া,সাথে দুই টেবিল চামচ তরল দুধ এবং আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্র্যাবার বানিয়ে গোসলের আগে ত্বকে স্ক্রাব করুন।
৩)কমলার খোসা গুঁড়া, চালের গুঁড়া, দই একসাথে মিশিয়ে আলতোভাবে ত্বকে মালিশ করুন। ব্ল্যাকহেডস দূর হবে।
৪)কমলার খোসা গুঁড়া এবং দুধ/ দই ভালোভাবে মিশিয়ে ত্বকে মালিশ করুন। এতে ব্রণের দাগও রিমোভ হবে।
৫)এছাড়া চুলের খুশকি দূর করতে রাতে কমলার খোসা গুঁড়া পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
আপনার যদি অ্যাজমা ও কাশির সমস্যা থাকে তাহলে কমলার খোসার গুঁড়ো মিশ্রিত চা নিয়মিত পান করুন। শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর হবে।
31/12/2021
চিয়া বীজ যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Chia Seed. এটি মধ্য ও দক্ষিণ মেক্সিকো বা দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকো সম্পর্কিত সালভিয়া কলম্বিয়ারিয়া ফুলের একটি উদ্ভিদ।চিয়া বীজ গোলাকৃতি ও ধূসর বর্ণের সাথে কালো এবং সাদা দাগযুক্ত হয়ে থাকে এবং তিলের মতো ছোট আকারের হয়ে থাকে।অনেকেই তোকমাকে ভুলে চিয়া বীজ ভেবে ভুল করেন,জেনে রাখা ভালো এই দুইটি সম্পূর্ণ আলাদা।চিয়া বীজে আছে ফাইবার, প্রোটিন,ফ্যাট,ক্যালসিয়াম,ম্যাঙ্গানিজ,ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস,জিঙ্ক,ভিটামিন-বি,এনার্জি,কার্বোহাইড্রেট, তামা,পটাশিয়াম।
আসুন জেনে নিই,চিয়া বীজের উপকারিতা সম্পর্কে:-
১)এটা শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২)এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৩)চিয়া বীজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৪)চিয়া বীজ ডায়েবিটিসের ঝুঁকি কমায় এবং রক্তের চিনি স্বাভাবিক রাখে।
৫)চিয়া বীজ হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৬)চিয়া বীজ মলাশয় পরিস্কার রাখে এবং কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৭)চিয়া বীজ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।
৮)চিয়া বীজ ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।
৯)এটি ত্বক ও চুল সুন্দর রাখে।
১০)এটি গৃহপালিত পশুর খাবার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
আমরা জেনে গেলাম চিয়া বীজ সম্পর্কে।
30/12/2021
শ্বেতচন্দন যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Indian Sandalwood. এর বৈজ্ঞানিক নাম Santalum album Linn.শ্বেত চন্দন ভারতের বিন্ধ্যপর্বতের দক্ষিণে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুতে ভালো জন্মে। তবে উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও উড়িষ্যাতেও চন্দন দেখা যায়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যায়। ধারণা করা হয় চন্দন ভারতীয় গাছ এবং নারায়ণ, মহাভারত এমনকি কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রেও (খ্রিষ্টপূর্ব-২০০) চন্দনের উল্লেখ আছে। তকে কেউ কেউ মনে করেন চন্দনের আদি নিবাস ইন্দোনেশিয়ার তিমুর দ্বীপে।
চন্দন কাঠই উপকারী তবে শ্বেত চন্দন যেমন দামী তেমনী মানব স্বাস্থের জন্যও উপকারি অসাধারন একটি দুর্লভ ভেষজ। সাদা চন্দনের গাছ থেকে পাতন ব্যবস্থায় তেল নিস্কাশন করে প্রসাধনী, ঔষধ ও দামী আতর শিল্পে ব্যবহার করা হয়। শ্বেতচন্দন আমাদের কাছে সুগন্ধি কাঠ হিসেবে পরিচিত হলেও চন্দন কাঠের নির্যাস সাবান, পাউডার, আতর, ক্রিম, দাত মাজার পেষ্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। আধুনিক ভেষজ শাস্ত্রে শ্বেতচন্দন বহু রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়।
রক্তপাত ও মাথা ধরা কমাতে এবং ঘামাচি ও ব্রঙ্কাইটিস সারাতে মূলত শ্বেত চন্দন ব্যবহৃত হয়। বসন্ত রোগ, বমি বমি ভাব নিরাময়ে, হিক্কা ওঠা বন্ধ করতে, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ায় ঢেঁকিছাঁটা চাল ধুয়ে সেই পানিতে শ্বেত চন্দন ঘষে তার সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে খেলে প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণা অথবা আটকে যাওয়া কিংবা রক্ত প্রস্রাবেও সুফল পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে মৃত্যুর পরে চন্দন কাঠ দ্বারা সৎকার করা প্রচলিত রীতি।
প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসে শ্বেত চন্দন ব্যবহার স্বর্গে আরোহণ ও পুণ্য অর্জনের উপায় হিসেবে বিবেচিত হত। প্রতিদিন নারায়ণ পূজার শরীর চন্দনের ফোঁটায় চর্চিত করা ছিল নৈমিত্তিক প্রথা। সামপ্রতিক কালেও পূজা-অর্চনা চন্দনের ফোঁটা ছাড়া শুদ্ধ হয় না। অপরপক্ষে চন্দন ছাড়া আয়ুর্বেদশাস্ত্রের কথা ভাবা যায় না।
তাহলে আজ থেকে আপনারা জেনে গেলেন শ্বেত চন্দন সম্পর্কে,সে অনুযায়ী ব্যবহার করুন, সাথে উপকার পাবেন।
29/12/2021
আলুবোখারা যার বৈজ্ঞানিক নাম Prunus domestica এবং ইংরেজি প্রতিশব্দ Common Plum.এই ফল গাছটি কাটাযুক্ত হয়ে থাকে, ফুল সাদা হয়, বসন্তকাল ফোটে।ফলের আকার গোলাকৃতি হয়। মশলা জাতীয় ফল হিসেবে বিবেচিত। আলুবোখারা হলো শুকনা পাম ফলসাধারণত ইরাক, ইরান, পাকিস্তান ও ভারতে জন্মে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ বেশ লাভজনক।
দেখতে খারাপ হলেও যে স্বাদ ভালো হতে পারে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ আলুবোখারা।পোলাও, বিরিয়ানি, রোস্ট, সালাদ,জ্যাম,জ্যালি,আচার এবং বোরহানিসহ নানা অভিজাত খাবার তৈরিতে আলু বোখারা ব্যবহার হয়।
আসুন জেনে নিই আলুবোখারার উপকারিতা সম্পর্কে—
১)আলুবোখারা প্রোটিনের মাত্রা কম হলেও এটি একটি আঁশ জাতীয় ফল।তাই এই ফল আমাদের ডায়াবেটিকের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ ভূমিকা পালন করে।
২)আলুবোখারা একটি টক জাতীয় ফল। এই ফলে ক্যালোরির পরিমান হয়ে থাকে খুবই সামান্য। তাই আপনি যদি এই ফল খেয়ে থাকেন তা আপনার ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
৩)আলুবোখারা আমাদের শরীরের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৪)নিয়মিত আলুবোখারা খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের বিদ্যমান পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫)যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় আক্রান্ত রয়েছেন তারা নিয়মিত আলুবোখারা খেতে পারেন। নিয়মিত খাওয়ার ফল এই সমস্যাটি থেকে খুব সহজে পরিত্রাণ পেতে পারেন।
৬)নিয়মিত খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের হারের ঘনত্ব বাড়ে এবং সেই হারকে মজবুত করতে তুলতে যথেষ্ট ভূমিকা পালন রাখে আলুবোখারা। ফলে হাড়ের নানান ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
৭)এন্টি অক্সিডেন্ট এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিনে ভরপুর থাকে যা আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বক মসৃণ করে তুলতে বেশ সাহায্য করে থাকে। তাই ত্বকের যত্নে আলুবোখারা খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
৮)আলুবোখারায় বিদ্যমান রয়েছে ভিটামিন ই যা আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে, সেই সাথে চোখের সুরক্ষা রক্ষায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই চোখের সমসয়া প্রতিরোধে আলুবোখারা খাওয়ার বিকল্প নেই।
৯)আমাদের মানসিক চাপ দূর করে শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখতে বেশ ভূমিকা পালন করে থাকে। মনকে শান্ত রাখতে বেশ কার্যকরি আলুবোখারা।
১০)আলুবোখারাও রয়েছে বেশ গুনাগুন যা আমাদের তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে খেয়ে হবে এই উপাদান।
আমরা জেনে গেলাম আলুবোখারা সম্পর্কে, আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখবো আলুবোখারা, যাতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
House/116/5, Flat/B3, Jafrabad, Mohammadpur
Dhaka
1207
