Muneba Mili
Pink pori
বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
চাকরিতে পদোন্নতি হবে? — মুখ বন্ধ রাখুন।
জীবনের বড় বড় মুহূর্তে আমাদের মনে হয়, প্রিয়জন বা বন্ধুদের জানালে খুশি হবে। মনে হয়, সুখ ভাগ করলে দ্বিগুণ হয়। কিন্তু সত্যি বলতে কী, সব সময় তা হয় না। বরং অতি তাড়াতাড়ি মুখ খোলাই হয়ে দাঁড়ায় সবচেয়ে বড় ভুল।
আমাদের স্বপ্ন আসলে একেকটা বীজ। এই বীজকে মাটিতে রোপণ করার পর যত্ন চাই, সুরক্ষা চাই। কিন্তু যদি খুব তাড়াতাড়ি সবাইকে দেখাতে ব্যস্ত হই, তখন সেটি শেকড় গজানোর আগেই শুকিয়ে যায়। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে—যত বেশি স্বপ্ন শেয়ার করবেন, তত বেশি হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজরের চোখ আপনার দিকে পড়বে। আর এটাই অনেক সময় আপনার সাফল্যের পথে অদৃশ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।
আমরা যাদের "বন্ধু" বলে বিশ্বাস করি, তাদের সবাই আন্তরিক নয়। কেউ কেউ চায় আপনি ভালো থাকুন, কিন্তু কখনোই তাদের চেয়ে ভালো না। তাই তারা হাসিমুখে অভিনন্দন জানালেও মনে মনে আপনার ব্যর্থতা কামনা করতে পারে। এটা তিক্ত হলেও সত্যি।
আমরা ভেবে নিই, অন্তত পরিবার তো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবারের ভেতরেও সূক্ষ্ম হিংসা থাকতে পারে। ভাই, বোন, আত্মীয় কেউ কেউ চাইতে পারে যে আপনি তাদের ছাড়িয়ে না যান। এই গোপন প্রতিযোগিতা অনেক সময় আপনার আনন্দকে নিঃশব্দে বিষিয়ে দিতে পারে।
অনেকে বলে বদনজর শুধু কুসংস্কার। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। মানুষ যখন আপনার উন্নতি দেখে ঈর্ষায় পুড়ে যায়, তখন সেই নেতিবাচক এনার্জি আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। সনাতন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম ও অন্য প্রায় সব ধর্মেই বদনজরের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ, এটা কোনো কাল্পনিক ভয় নয়।
নীরবতা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি। চুপ থাকা মানে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুত হওয়া। কৃষক যেমন বীজ রোপণের পর প্রতিদিন হাটে গিয়ে ঘোষণা করে না, তেমনি বুদ্ধিমান মানুষও নিজের স্বপ্ন গোপন রাখে। সময় এলে ফলাফল নিজেই কথা বলে। তখন আর কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না।
আপনার ভাগ্যে যা আছে,আল্লাহর লিখে রাখা পরিকল্পনা কেউ মুছে দিতে পারবে না। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে বেশি মুখ খোলার কারণে আপনি নিজের জন্য অযথা বাধা তৈরি করতে পারেন।তাই বিশ্বাস রাখুন,
আত্মীয় স্বজনরাও আচরণ করে
বিরোধী দলের মত
ভুলে যায় পূর্বের করা উপকার আসে যত 😔
25/09/2025
এরা কারা এদের হাতে এতো সময় কি করে । বুজলাম না ভাই 🙂
আসল চাপড়ি তো তারাই যারা বলবে ঈদ শুয়ে কাটালাম,ঈদ এ কিছু কিনি নাই 😏😏
ঈদ এর আনন্দে আত্মহারা দুনিয়া বাসী ।ওই দিকে কাদঁছে কবর বাসী 😢😢
চোখের পলকে রমজান মাস শেষ । কি অদ্ভুত 😒😒😒
সেহরি আর ইফতার এর সময় কারেন্ট যায় না 😒😒
প্রিয় ছোঁয়া,
রাত জেগে কাঁদছো কেন!ঘুমিয়ে পরো।সকালে উঠে আবার নাস্তা বানাতে হবে,৮ টায় তোমার স্বামীর অফিস আছে,বাচ্চার স্কুল আছে।বেশ কয়েকবার খেয়াল করেছি রাতে বৃষ্টি হলে তুমি কেঁদে ফেলো।কেনো কাঁদো!যতদূর মনে পরে আমাদের তো বৃষ্টিতে কোনো দুঃখের স্মৃতি নেই।বরং সুখের স্মৃতি আছে অসংখ্য।তোমার মনে আছে?একবার আমরা রাতে হাটছিলাম,হুট করে বৃষ্টি চলে আসে।তুমি বললে,ব্যাগে ছাতা আছে।তুমি ছাতা খুললে,আমরা ছাতার ভিতর।হুট করে আমি বের হয়ে গেছিলাম।তুমি চিল্লিয়ে বললে, এই বসন্ত ভিজছো কেন!তোমার গায়ে জ্বর।সেদিন তোমার কথা আমি শুনিনি।ভিজেছিলাম।তুমি ভেবেছিলে অন্য সবসময়ের মত এটা আমার শুধুমাত্র পাগলামি।এটা পাগলামি ছিলো না ছোঁয়া।সেদিন ছোট একটা ছাতার ভেতর আমি চাঁদ দেখেছিলাম।সবসময় দূর থেকে দেখে অভ্যস্ত,এতো কাছ থেকে চাঁদ পেয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিলো।তাই ভেজার বাহানায় দূরে চলে গিয়েছিলাম।
ছোঁয়া বৃষ্টি হলে আর কখনো কাঁদবেনা।বৃষ্টিতে আমাদের দুঃখের কোনো স্মৃতি নেই।সুখের স্মৃতি নিয়ে দুঃখ পায় বোকা মানুষ।আমার ছোঁয়া বোকা না।ঘুমিয়ে পরো।
ইতি,
তোমার বসন্ত।
লেখা- আসাদ রিমান।
যারা রিকশাওয়ালা ভাইদের প্রতি মায়া দেখিয়ে সুশীলদের ধুয়ে দিয়ে নিজেরা সুশীল হওয়ার নাটক করেন। তাদের উচিত রোজ কয়েকবার করে রিকশায় চলাচল করা। সমস্ত মায়া তিক্ততায় পরিণত না হলে বইলেন।
আপনার সাথে বাচ্চা, বৃদ্ধ বা রোগী আছে, ত্রিশ টাকার ভাড়া পঞ্চাশ থেকে আশি টাকা হবে। কড়া রোদ, বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বাদই দিলাম। সে সময় বাড়তি ভাড়া তাদের প্রাপ্য।
কিন্তু স্বাভাবিক দিনে মুলোমুলি করে ভাড়া ঠিক করে উঠেছেন, তাও স্বস্তি নেই। একটু পর জ্যাম পড়লে শুরু হবে ঘ্যানঘ্যান। হয় বাড়তি ভাড়া দিবেন বলবেন, না হলে আপনাকে নেমে যেতে জোর করবে। আপনি বলছেন এই গলি না ঐ গলি দিয়ে যান। ব্যস নেমেই শুরু করবে গলা উঁচু করা যে বেশি ঘুরতে হয়েছে, ভাড়া বেশি দিতে হবে। জায়গার নাম নিবেন সেখানেই নামতে হবে। লাইক যদি বলেন ভূতের গলি। তাহলে গলি আসলেই শুরু করবে কই নামবেন, কই নামবেন। সঙ্গে রিকশাওয়ালার রিকশাওয়ালার মতোই জঘন্য ব্যবহার ফ্রি।
যারা বলেন যে ডিমান্ড বাড়লে প্লেনেরও ভাড়া বাড়ে। দোষ খালি রিকশাওয়ালার। তারা বলেন তো রোজ কয়বার প্লেনে উঠেন? মধ্যবিত্ত কয়জন প্লেনে ওঠে সারাজীবনে? রিকশায় আমাদের রোজ উঠতে হয়, দিনে ছয় সাতবারও উঠতে হয়। যেখানে ভাড়া ঠিক করে উঠবে চল্লিশ টাকা। সেখানে নামানোর পর দশ টাকা বাড়তি ধরে রাখবে। কখনো অনুরোধ করে, কখনো বা গলা উঁচু করে। মহিলা মানুষ, সাথে ছোটে বাচ্চা দেখলে তো কথাই নাই। বাচ্চার স্কুল, বাজার, অফিস... প্রতিদিন কতবার রিকশায় উঠতে হয়। প্রতিবার দশ বিশ টাকা বাড়িয়ে দিয়েও এদের চরম বেয়াদবি আচরণ সহ্য করতে হয়। এরপর আর সুশীল হওয়ার অভিনয় করা যায় না। রোজ কয়েকবার মনে মনে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে শান্ত মুখ করে বসে থাকি রিকশায়। কিছু করার নাই রাস্তায় মারামারি করা, মুখ খারাপ করাতো আমাদের দ্বারা সম্ভব না।
এর মাঝে ভালো লোক নাই বলব না। অনেক চালক আছেন ভদ্র, ভালো। কিন্তু আর সব জায়গার মতো ভালো বরাবরই কম।
Umma Kulsum Popi আপু সম্পর্কে হয়তো অনেকের অজানা। তিনি আমার দেখা বাংলাদেশে সবচেয়ে ক্রিয়েটিভ এবং পরিমার্জিত কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একজন। যারা উনাকে চেনেন, এবং দেখেন উনার ভিডিও, তারা এটা স্বীকার করে নেবেন।
আমার ধারণা মতে উনি পড়ালেখা করেছেন কৃষি বিষয়ক। উনার কনটেন্টের মূল বিষয়বস্তু হলো, কৃষি। উনি গ্রামীণ অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তিক কৃষকের গল্প তুলে ধরেন এবং একইসাথে প্রতিটি কৃষি পণ্যের চাষাবাদ, ভালোমন্দ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন অডিয়েন্সের সামনে। একইসাথে ঐই পণ্যের পুষ্টিগুণও জানান।
শুদ্ধ উচ্চারণ এবং বাচনভঙ্গি পরিষ্কার ও শ্রুতিমধুর হওয়ায় উনার ভিডিয়ো দেখার পাশাপাশি শুনতেও খুব ভালো লাগে। এমনকি প্রতিটি কনটেন্টে তার পোশাক আশাকেও নম্র এবং ভদ্রতার ছাপ পরিলক্ষিত।
বাংলাদেশে সাধারণত কনটেন্ট ক্রিয়েটররা কিছু ফলোয়ার গেইন করলেই শুরু করে দেয় ভক্তদের নিয়ে বিজনেস। কনটেন্টে মনোযোগ বাদ দিয়ে বিভিন্ন কমার্শিয়াল পণ্যের বিজ্ঞাপনে ব্যস্ত হয়ে যান। এক্ষেত্রে উনি ব্যতিক্রম। উনাকে শুরু থেকেই দেখে আসছি উনি কৃষি বিষয়ক তার কাজের বাইরে কোনো কমার্শিয়াল পণ্যের বিজ্ঞাপন কিংবা কোনো ব্র্যান্ড প্রমোটে কাজ করছেন না।
যারা ভালো কাজ করেন, এবং তার কাজ মানুষের জন্য সত্যিকার অর্থেই উপকারী তাদের সহযোগিতা করাও আমাদের দরকার। তাদের সাথে যুক্ত থাকা মঙ্গল।
#কৃষি #বাংলাদেশ #বৃক্ষ #কৃষি
#কৃষির_হাট
#কৃষির_হাট_Krishir_Hat
Viral # viral
আমির খানের রং দে বাসান্তি সিনেমায় একটা চরিত্র ছিল ফ্লাইট লে: আজয় সিং রাঠোড়! ঘনবসতি লোকালয়ে যেন প্লেন বিধ্বস্থ না হয় সেটা নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত প্লেনের ভিতরে থাকার জন্য জীবন দিতে হয় তাকে!
সিনেমার গল্পটা বাস্তবে মঞ্চায়ন করলেন স্কোয়াড্রেন লিডার আসিম জাওয়াদ, সাথে ছিলেন উইং কমান্ডার সোহান হাসান খান! প্লেনে আ****গুন ধরলে জীবন বাজি রেখে লোকালয় থেকে দূরে নদীর উপর নিয়ে যান! শেষ মুহূর্তে প্যারাসুট দিয়ে প্লেন থেকে বের হতে পারলেও শেষ রক্ষা হয়নি জাওয়াদের! হয়তো আরও আগে বেরিয়ে যেতে পারতেন! কিন্তু বীরের মত নিজের জীবনের বিনিময়ে অনেকগুলো জীবন বাঁচিয়ে প্রমাণ করেছেন, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউররা এখনও এদেশে জন্ম নেয়!
© Quazi Sabir
নারীকে চাকরী দিবো কিন্তু
সে মা হতে পারবেনা!!! মা হবে এটা মেনে নিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি দিলেও সন্তান সাথে আনা যাবেনা। এমন একটা পরিবেশ সব কর্মক্ষেত্রে বিরাজ করছে। কিন্তু কোন নারী তা স্পষ্ট করে, চিৎকার করে বলতে পারছে না। যদি চাকুরি খানা চলে যায়।
কর্মক্ষেত্রে রাষ্ট্র নারী নিয়োগ দিলে সে একদিন মা হবে এটা কি তার অজানা?
নারী যদি মা হয় তবে
তার সন্তানকে কে দেখবে যদি
কর্মক্ষেত্র সন্তানবান্ধব না হয়!
নারী ডাক্তার হলে চিকিৎসা নিবেন,
নার্স হলে সেবা নিবেন, শিক্ষক হলে শিক্ষা নিবেন,
পাইলট হলে বিমান চালায়ে নিবেন, ব্যাংকার হলে টাকার হিসাব কষাবেন শুধু নিবেন না তার সন্তানকে!!
সবার জেগে ওঠা দরকার। জানতে চাওয়া দরকার বাচ্চাটা থাকবে কোথায়!
রাষ্ট্র কেন তার নাগরিকের দ্বায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে!
মাতৃত্বকে অবজ্ঞা করবেন না তাহলে নিজের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।
যেখানে ভিনদেশী নারীরা সন্তান কাঁধে নিয়ে সংসদে। সেখানে আমাদের কর্মস্থলে সন্তান কাঁধে থাকলে নাকি শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হবে।
রাষ্ট্রের উচিত অনতি বিলম্বে সব প্রতিষ্ঠানে নারীর সন্তানের জন্য উদ্যেগ গ্রহন করা।
বুয়ার কাছে আলমারির চাবি রাখতে পারেনা অথচ নিজের সন্তানকে রাখতে বাধ্য হচ্ছে কর্মজীবী সকল নারী।
Collected
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Rangpur
Dhaka
