Natural Product Service

Natural Product Service

Share

Natural organic product market.

15/10/2025
01/04/2023

#মুন্সীগঞ্জ_ডেইরী_ফার্ম

ঢাকা সিটির নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হোম ডেলিভারির সার্ভিস আছে।
আমাদের কাছে পাবেন গরুর দোহন করা খাঁটি দুধ, সরিষার তেল, ঘি, দেশী মুরগি ইত্যাদি। আমাদের সকল প্রোডাক্ট ১০০% খাঁটির নিশ্চয়তা দেয়া হয়।

যোগাযোগঃ 01721214566/01714446161

28/03/2023

#মুন্সীগঞ্জ_ডেইরী_ফার্ম

ঢাকা সিটির নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হোম ডেলিভারির সার্ভিস আছে।
আমাদের কাছে পাবেন গরুর দোহন করা খাঁটি দুধ, সরিষার তেল, ঘি, দেশী মুরগি ইত্যাদি। আমাদের সকল প্রোডাক্ট ১০০% খাঁটির নিশ্চয়তা দেয়া হয়।

Photos from Natural Product Service's post 17/09/2022

সিজন (মার্চ-জুন) ছাড়া সুন্দরবনে কী মধু হয়না?
সচেতন ব্যক্তি মাত্রই জানেন সুন্দরবনের গাছগুলোতে চৈত্র মাসে ফুল ফোটা শুরু করে। সাধারণত মার্চের শুরু বা মাঝামাঝি থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে খলিশা, গরান, কেওড়া, বাইন, গেওয়া গাছগুলোই উল্লেখযোগ্য। এর বাইরে হরগজা, ধুন্দল, কাঁকড়া, পশুর, সুন্দরী, লতা, হেঁতালসহ নানাধরণের বৃক্ষে এ সময় ফুল ফোটে। প্রশ্ন হল, এ সময়ের বাইরে কি সুন্দরবনের গাছগুলোতে ফুল থাকেনা?
থাকে। তবে সংখ্যায় খুবই নগন্য। যেমন: গরানগাছে সারাবছর অল্পকিছু হলেও ফুল দেখা যায়।
মৌমাছি উপরের সময় শেষ হতেই সুন্দরবন ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠী মৌসুমের শুরুতে আসা এবং শেষে চলে যাওয়া মৌমাছিকে 'জিরনপোকা' বলে অবহিত করে। তারমানে এরা গ্রামগুলোতে যাত্রা বিরতি দেয়। দুই তিন দিনের কমবেশি সময় গাছে চাক বাঁধার মতো থেকে পুনরায় উড়াল দেয়। এই বিশ্রাম নেওয়াকে এসব এলাকায় 'জিরানো' বলে। যেখান থেকে 'জিরনপোকা' শব্দটির উৎপত্তি।
এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। সুন্দরবনে কিছু মৌচাক বারোমাস থাকে। সংখ্যায় যদিও সেটি একেবারে নগণ্য। আগেই উল্লেখ করেছি কিছু গাছে সারাবছর ফুল থাকতে দেখা যায়। স্থায়ীভাবে থাকা মৌচাকগুলো এসব ফুলের রস ও পরাগ খেয়েই কোনরকম বেঁচে থাকে বলেই মনে হয়। তবে সেই মধু সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করার পরিমাণে থাকেনা।
বি: দ্র: উপরের তথ্য সুন্দরবন এলাকার মৌয়ালদের থেকে নেওয়া।

নিরীহ রমিজ ভাইয়ের দেয়াল থেকে।

Photos from Natural Product Service's post 21/08/2022

#মুক্ত_পোস্ট
#ডাটা_প্যাকেজ_এখন_মেয়াদহীন

❓ ডাটা প্যাকেজ নাকি এখন মেয়াদহীন। কিন্তু নিচের প্রমাণ থেকে কি তাই মনে হয়?

কি তামাশা?
😁😁😁

14/08/2022

#মুক্ত_পোস্ট
নিমের ঔষধি গুণাগুণ :

উপমহাদেশের সুপরিচিত নাম নিম বসন্ত ও বায়ু শোধনকারী হিসেবে দুনিয়া সেরা। পূর্ব আফ্রিকায় এ গাছ মৌরোবিইনি নামে পরিচিত। কেননা এ গাছ দিয়ে অনেক রোগের উপশম হয়। রক্ত পরিষ্কারক, জীবাণুনাশক, চর্মরোগ, ব্রন, কৃমি ও ক্ষত আরও কত ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ দেয়। শরীরে জ্বলাপোড়া, এলার্জি ও মুখের দুর্গন্ধনাশক। দাঁতের রক্তপড়া বন্ধ করে এবং দাঁতের মাঢ়ি সবল করে। তাছাড়া জন্ডিস প্রশমক। নিম দিয়ে অন্তত ৫০টি রোগ সারানো যায় বলে শতাব্দীর ইতিহাস সাক্ষী দেয়।

কৃষিবিদ ডক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম*
* উপপরিচালক (গণযোগাযোগ), কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি

Photos from Natural Product Service's post 10/08/2022

বিষয়ঃ রোজেলা

আজকে আমরা যে ফল নিয়ে আলোচনা করবো তার নাম রোজেলা, প্রচলিত ভাবে বাজারে একে চুকাই, মেষ্টা ও বলা হয়ে থাকে।

এটি হালকা গোলাপী বর্ণের ফল, দেখতে অনেকটা ফুলের কলির মতো। মূলত বাংলাদেশে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এলাকায় বেশি হয়। বিশেষ কিছু ভেষজ গুনাবলী থাকায় এর ব্যবহার বেশি হয়।

রোজেলা ফলের গুনাগুনঃ

– ঠান্ডা কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে,
– হজমে সাহায্য করে।
– টক স্বাদযুক্ত হওয়ায় এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। এর টক স্বাদের জন্য একে ডাল, তরকারি বা মাছের রান্নায় ব্যবহার করা যায়।
– এর গোলাপী বর্ণটি মূলত অ্যান্থোসায়ানিন জন্য হয়ে থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে, রক্তে চিনির পরিমান নিয়ন্ত্রন করে তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করে।
– ডি-টক্সিফিকেশন বা শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের বৈশিষ্ট থাকায় যকৃতের জন্য উপকারী।
– মাসিকের সময় একজন মেয়ে বা নারীর হরমনের পরিবর্তনের কারনে হতাশা, হঠাৎ করে মন-মেজাজের রূপ পরিবর্তন এবং খাবার খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়ে তাই রোজেলা চা এই সময়টাই সবচেয়ে বেশি উপকারী। কিন্তু গর্ভাবস্থায় এই পানীয় পান করা যাবে না।
– অম্ল, বুকে জ্বালা-পোড়া, অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে এই চা পান করা যাবে না।

এখন আমরা জেনে নিই কিভাবে এই ফল দিয়ে চা বানাবেন।

রোজেলা চা উপকরনঃ
• রোজেলা – ২ চামচ
• আদা কুচি- ১/২ চা চামচ
• পানি ২ কাপ
• মধু / গুড় ১ চা চামচ বা গুড় ১/২ চা চামচ

প্রণালীঃ
১। প্রথমে রোজেলা ফলগুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে সুতির কাপড়ে বা তোয়ালেতে শুকিয়ে অন্য আরেকটা কাপড়ের উপর রোজেলা বীজ ফেলে শুধু পাপড়ি নিয়ে তা ভালোভাবে শুকাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষন করার জন্য পাতলা নেটের ব্যাগে পাপড়িগুলো ২-৩দিন রোদে রেখে শুকাতে হবে।
একবার ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে শুকনো পাপড়িগুলো ‘রোজেলা চা’ বানানোর জন্য একদম তৈরী। পুরোপুরি শুকানোর পর রোজেলার পাপড়িগুলো কাচের জার –এ সংরক্ষন করলে সঠিক স্বাদ বজায় থাকবে।

২। একটি পাত্রে পানিতে আদা, রোজেলার পাপড়ি ২ চামচ দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে ১০মিনিট ধরে সিদ্ধ করতে হবে।
৩। এরপর পানির রং হাল্কা গোলাপী থেকে গাঢ় গোলাপী হয়ে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে।
৪। স্বাদ অনুযায়ী মধু/ চিনি/ গুড় যোগ করে গরম গরম পরিবেশন করতে পারেন।

রোজেলা মাসালা চা উপকরন:
• পানি ২ কাপ
• শুকনো রোজেলা ১ চা চামচ
• দারুচিনি ২টা
• এলাচ ২টা
• লবঙ্গ ৩-৪টা

প্রনালীঃ
একটি পাত্রে পানিসহ অন্য মসলাগুলো একে যোগ করে এর সাথে শুকনো রোজেলা যোগ করে ভালোভাবে ঢেকে ১০মিনিট ফুটিয়ে হালকা গোলাপী রং আসলে গরম গরম পরিবাশন করুন।

রোজেলা –র আচারঃ
উপকরনঃ
• তেল ১ ১/২ চা চামচ
• পাঁচ ফোড়ন ১/৩ চা চামচ
• রোজেলা ২ কাপ
• (তাজা রোজেলা ভালোভাবে ধুয়ে তোয়ালেতে শুকিয়ে বীজ ফেলে শুধু খোসা নিয়ে নেওয়া হয়েছে)
• গুড় ২ কাপ ( রোজেলা যত কাপ গুড় তত কাপ)
• পানি ১/২ কাপ
• মরিচ গুড়া ১ চা চামচ
• আচারের মসলা ১ চা চামচ ( জিরা, ধনে, জায়ফল, জয়ত্রী, মরিচ গুড়া(শুকনা), গোলমরিচের গুড়া)

প্রণালীঃ
১। প্রথমে একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে পাঁচ ফোড়নের মসলা দিতে হবে, মসলা দেওয়ার পর আস্তে আস্তে নাড়তে হবে । মসলার চারদিকে বুদবুদ উঠা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
২।এরপর রোজেলা দিয়ে ৫মিনিট ভালোভাবে নাড়তে হবে, এর সাথে লবণ দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে।
৩।আস্তে আস্তে রোজেলা পাপড়ি গলে যাবে এবং মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে ।৪।পাপড়িগুলো গলে গেলে এর মধ্যে গুড় মেশাতে হবে। গুড়ের পরিমাণ রোজেলার পাপড়ির পরিমাণের সমান হবে অর্থ্যাৎ ১:১।
৫।গুড় গলে ভালোভাবে মিশে গেলে এর সাথে ১/২ কাপ পানি মেশাতে হবে, যেন রোজেলা ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে গেলে এটি গলে যাবে।
৬।কিছুক্ষন জ্বাল দেওয়ার পর মরিচ গুঁড়া মেশাতে হবে। এরপর এর সাথে ১ চা চামচ আচার মসলা মেশাতে হবে।
৭। এরপর একে ৮-১০ মিনিট ভালোভাবে নাড়তে হবে, যতক্ষন পর্যন্ত না পুরোপুরি গলে যাবে।
৮।এরপর একে ভালোভাবে ঠান্ডা করে কাচের জার (ভালোভাবে শুকনা এবং বাতাসে প্রবেশ করবেনা এমন জার) সংরক্ষন করতে হবে। যেন এর সঠিক স্বাদ বজায় থাকে।
৯।এভাবে এই আচারটি ৪-৫ মাস পর্যন্ত ভালোভাবে সংরক্ষন করা যায়।

আশা করছি অনেকেই রেসিপিটি থেকে উপকৃত হবেন।

লেখক-
পুষ্টিবিদ শাহরুখ নাজ রহমান
তথ্যসূত্রঃ পুষ্টিবার্তা

06/08/2022

জেনে নিন নিমের ১০টি আশ্চর্য ওষধিগুণ!

নিম একটি ওষধিগুণ সম্পন্ন, চির হরিত, বহু বর্ষজীবি বৃক্ষ। নিম গাছের ডাল, পাতা— সবই কাজে লাগে। যেমন, নিমের কাঠ খুব শক্ত। নিম কাঠে উইপোকা বাসা বাঁধে না। ফলে নিম কাঠে কখনও ঘুণ ধরে না। শুধু উইপোকাই নয়, নিম গাছে কোনও পোকাই বাসা বাঁধে না। তাই নিম কাঠ দিয়ে আসবাবপত্রও তৈরি করা হয়। আসুন এ বার নিমের ১০টি আশ্চর্য ওষধিগুণ ও কার্যকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...

১) নিম তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই এবং ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা আমাদের ত্বক এবং চুলের জন্য খুবই উপকারী।

২) নিমপাতা ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক (ফাঙ্গাস) বিরোধী। তাই ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের আক্রমণের হাত থেকে ত্বককে সুরক্ষিত করতে নিমপাতা খুবই কার্যকরী! ব্রণর সমস্যা থেকে দ্রুত নিস্তার পেতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন।

৩) ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ ভাল করে বেটে মেখে দেখুন। খেয়াল রাখতে হবে, মিশ্রণে নিমপাতার চেয়ে হলুদের পরিমাণ যেন কম হবে। তবে হলুদ ব্যবহার করার পর কয়েক ঘণ্টা রোদ এড়িয়ে চলাই ভাল।

৪) দাঁতের জন্য নিমের ডাল খুবই উপকারী। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে আর দাঁতের ফাঁকে জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধ করতে নিম বেশ কার্যকরী।

৫) কেটে-ছড়ে গেলে বা পুড়ে গেলে ক্ষত স্থানে নিম পাতার রস ভেষজ ওষুধের মতো কাজ করে।

৬) নিম পাতা রোদে শুকিয়ে ভাল করে গুঁড়ো করে রেখে দিতে পারলে পরবর্তীকালে তা ফেস প্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

৭) মাথার ত্বকের চুলকানির সমস্যায় নিমপাতার রস খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগাতে পারলে এই চুলকানির সমস্যা কমে যায়। তাছাড়া নিমপাতার রসে চুলের গোড়া শক্ত হয়, চুলের শুষ্কতা বা রুক্ষ ভাব কমে যায় এবং নতুন চুল গজাতে শুরু করে।

৮) শুধুমাত্র চুলের নয় ত্বকের যে কোনও চুলকানির সমস্যায় নিমপাতা বেটে লাগাতে পারলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

৯) গায়ের দুর্গন্ধ বা ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে নিমপাতার রস খুবই কার্যকরী একটি উপাদান।

১০) নিয়মিত সামান্য পরিমাণে নিমপাতা খেতে পারলে কোষ্ঠকাঠিন্য-সহ নানা লিভারের সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। এরই সঙ্গে রক্ত পরিশুদ্ধ করতে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত, ক্ষতিকর উপাদান বের করে শরীর সুস্থ-সতেজ ও রোগমুক্ত রাখতে নিমপাতার রস খুবই কার্যকরী।

তথ্য সুত্রঃ জি২৪ঘণ্টা

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka