Health Care Product BD
Health Product Sell. We sell here all kind of health & beauty Product. Our service area only Bangladesh.
For more information please contact 01403904511 or 01814502164
28/03/2022
গরমে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা ও করণীয়
প্রকৃতিতে গরমের উপস্থিতি নানা অসুখ-বিসুখের আগাম বার্তা দিচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন যে কেউ। তাই সতর্ক হতে হবে আগেই। গরমকালের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা ও করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরা হলে।
পানিশূন্যতা
গরমের সময় অতিরিক্ত ঘাম শরীরের প্রয়োজনীয় লবণ বের করে দেয়। ফলে মারাত্মক পানিশূন্যতা তৈরি হয়। এই পানিশূন্যতা দেহের রক্তচাপ কমিয়ে দেয় ও শরীরকে দুর্বল করে ফেলে। পানিশূন্যতা বেশি হলে কিডনিতেও সমস্যা হতে পারে। তাই গরমে খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি।
ঠান্ডা-জ্বর ও অন্যান্য অসুস্থতা
প্রচণ্ড গরম থেকে এসে খুব ঠান্ডা বা বরফপানি পান করার অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়। আর এ কারণে সর্দি-জ্বরের প্রকোপ দেখা যায় বেশি। এছাড়াও ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। আবার প্রচণ্ড গরমের সময় পিপাসা মেটাতে অনেকেই রাস্তার পাশে বানানো বিভিন্ন ধরনের শরবত পান করে থাকেন, যা পানিবাহিত রোগের অন্যতম উৎস। এ সব পানীয়তে টাইফয়েড, আমাশয়, ডায়রিয়া, হেপাটাইটিস সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে, যা পেটের অসুখ ও জন্ডিসের জন্য দায়ী। তাই এ বিষয়গুলো এড়িয়ে চললে রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।
হিটস্ট্রোক
তীব্র গরমের একটি ভয়ংকর সমস্যা হচ্ছে হিটস্ট্রোক। দিন দিন নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার বাংলাদেশ চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার দেশে রূপান্তরিত হচ্ছে। জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তনের কারণে অসহনীয় তাপমাত্রা বিরাজ করে প্রকৃতিতে। এ সময় হিটস্ট্রোক হওয়া স্বাভাবিক। শরীর ব্যথা, পিপাসা, শ্বাসকষ্ট হওয়া, এলোমেলো কথা বলা, শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকা এই সবই হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। তাই এ সব ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
ত্বকের বিভিন্ন অসুখ
গরমের সময় মুখে ব্রণসহ বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ দেখা দেয়। ঘামাচি হয়। দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলা করলে ফাঙ্গাল ইনফেকশনও হতে পারে। তাই প্রতিদিন গোসল করার পাশাপাশি বাইরে থেকে এসে হাত, পা ও মুখমণ্ডল ধুয়ে নিতে হবে।
চোখের সমস্যা
তীব্র গরমে অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও দূষণের কারণে চোখেও হতে পারে বিভিন্ন সমস্যা। যেমন- চোখ চুলকানো, লাল হয়ে যাওয়া, চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরা, অঞ্জলি, চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি। গরমের মধ্যে রোদে বেশিক্ষণ ধরে কাজ করলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রতিবার বাইরে থেকে এসে ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুতে হবে।
গরমে সুস্থ থাকতে আরও যা করতে পারেন
যেহেতু গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বের হয়ে যায়, তাই প্রচুর পরিমাণ পানি ও লবণযুক্ত পানীয় যেমন স্যালাইন খেতে হবে। এ ছাড়া কোলা জাতীয় পানীয় পান না করে টাটকা ফলের রস, ডাবের পানি পান করতে পারেন।
28/03/2022
Electric Hair Straightener
Product Details:
Kemei KM-420Electric Hair Straightener.
Brand: Kemei.
Model: KM-420.
Min. Temperature: 120 °C.
Applicable Hair: Dry.
Voltage: 220 - 240V.
Frequency: 50/60Hz.
Power: 40W.
Max. Temperature: 210 °C.
Power Source: Electric.
Materials: Aluminum.
Optimal Styling Time: 1-2 min.
Assembly Mode: Fixed, non-rotatable.
Color: Random
Price: 650 TK
06/01/2020
এই শীতে এসে গেছে দারুণ প্রোডাক্ট।।।
hot water bag ❤️❤️
সারা দেশে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি 😍😍😍
cash on delivery...
price :250 tk
order korte inbox me
06/01/2020
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও খাদ্যআঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। তরকারি বা সালাদ হিসেবে এই সবজি খাওয়া যায়। গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। অন্যান্য উপাদান গুলো অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোটিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ত্বকের খসখসে ও রোদে পোড়া ভাব দূর করে। গাজরের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের মরা কোষ দূর হয় ও ত্বক উজ্জ্বল হয়।
06/01/2020
অতি প্রয়জনিয় ডায়াবেটিস মাপার মেশিন পাচ্ছেন মাত্র ১০০০ টাকায়। সাথে পাচ্ছেন ১০ টি ফ্রি স্টিপ
05/01/2020
কমেড চেয়ার
দামঃ২৫০০ টাকা
13/11/2019
কমেড চেয়ার
দামঃ১৫০০ টাকা
অসাধারন কিছু টিপস যা সবসময় আপনার উপকারে আসবে :-
-
১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।
২। রক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু'বার খান।
৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।
৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।
৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
৭। ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।
৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।
৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।
১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।
১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।
১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।
১৪। গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
১৫। ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।
১৬। শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।
১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।
যেভাবে ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে টমেটো
সারাবিশ্বে টমেটো একটি জনপ্রিয় সবজি। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজিটি কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতেই খাওয়া যায়। দেখতে সুন্দর, স্বাদও চমৎকার। অনেকের প্রিয় সবজিও এটি।
এখন দেখে নেওয়া যাক এটি আমাদের শরীরে কি ধরণের প্রভাব ফেলে।
১. সাধারণত ভিটামিন-সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। স্কার্ভি হলে ত্বক নষ্ট হয়ে যায়, দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, হাড়গুলোর ভঙ্গুরতা বেড়ে যায়, রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়, চেহারা ফ্যাকাসে দেখায়, ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হয়।
আর এই স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ টমেটো খুবই কার্যকর।
২. টমেটো ত্বকের জন্য বিশেষ আর্শিবাদ। ত্বক মসৃণ এবং সুন্দর রাখতে টমেটো বিশেষ কার্যকরী। তাই রূপ চর্চায় যুগযুগ ধরে টমেটো ব্যবহার হয়ে আসছে।
৩. মানুষের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে টমেটো।
স্লিম থাকার আদম্য ইচ্চা পূরণ হবে, অন্যান্য খাদ্যের সঙ্গে নিয়মিত টমেটো খেলে।
৪. আগেই বলা হয়েছে টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে, যা চোখের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
৫. টমেটোতে বিদ্যমান ভিটামিন-কে হাড় এবং মাড়ি মজবুত করে।
৬. টমেটো রক্ত পরিষ্কার রাখে। ফলে নিয়মিত টমেটো খেলে রক্তের দূষিত উপাদান চলে যায়।
৭. টমেটোয় বিদ্যমান নিকোটিনিক এসিড রক্তের কোলেস্টেরল কমায়; কাজেই হৃদরোগ প্রতিরোধে টমেটো সহায়ক।
৮. টমেটোর রং লাল হওয়ায় এতে লাইকোপিন নামক এক ধরনের শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের ফ্রি রেডিক্যালগুলোকে নষ্ট করে কোষগুলোকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া, লাইকোপিন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। যেমন: পাকস্থলি, বৃহদন্ত্র, মলাশয়, গ্রাসনালির ক্যান্সার প্রতিরোধ করে টমেটো। আরও বিশেষভাবে জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৯. ডায়াবেটিস, ডায়রিয়া, বদহজম এবং জন্ডিসের জন্যও টমেটো উপকারী।
তাহলে আর দেরি না সবজিটি আপনার খাবার তালিকায় রাখুন নিয়মিত। আর নিজেকে এবং আপনার পরিবারকে রাখুন সুস্থ ও সবল।
রুচিবর্ধক খাবারগুলোর মধ্যে শুঁটকি মাছ অন্যতম। এই মাছ গুলোকে কাঁচা অবস্থায় লবণ মাখিয়ে কড়া রোদে শুকানো হয় (বড় ও অধিকাংশ মাছের বর্জ্য অংশগুলো ফেলে দেওয়া হয়)। তাই মাছের দেহের পানি বা তরল অংশ শুকিয়ে যায়। ফলে এই মাছে কোনো জীবাণু জন্মাতে পারে না।
তবে শুঁটকি মাছ কৌটায় বন্দী বা স্যাঁতসেঁতে স্থানে রাখলে ফাঙাস পড়ে যায়।
প্রচুর পরিমাণে রৌদ্রে শুকানো হয় এই মাছ। তাই এতে ভিটামিন ‘ডি’র (সূর্যের আলোতে থাকে ভিটামিন ‘ডি’) পরিমাণ রয়েছে পর্যাপ্ত অনুপাতে।
ভিটামিন ‘ডি’ হাড়, দাঁত, নখের গঠন মজবুত করার জন্য যথেষ্ট জরুরি।
শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র অভাবে ছোটদের রিকেটস নামের হাড়ের অসুখ হয়। রিকেটস হলে শিশুদের লম্বা হাড়ের গঠনে দুর্বলতা ও সমস্যা থাকে। হাড় হয়ে যায় ভঙ্গুর।
এই একই সমস্যা বড়দেরও হয়।
বড়দের ক্ষেত্রে একে আমরা বলি অস্টিও ম্যালাসিয়া।
এই অসুখগুলো দূর করতে শুঁটকি মাছের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
শরীরের জন্য উপকারী অনেক রকম খনিজ লবণ রয়েছে এই মাছে। খনিজ লবণ আমাদের রক্তশূন্যতা দূর করে, দাঁতের মাড়িকে করে দৃঢ়। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার আমিষ বা প্রোটিন ও কোলেস্টেরল। যারা কঠোর দৈহিক পরিশ্রম করেন, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত খাবার। আর যারা বয়স অনুযায়ী অতিরিক্ত মোটা, রক্তে লিপিড বা কোলেস্টেরলের (fat) মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি, তারা শুঁটকি মাছ কম খাবেন।
বাড়ন্ত শিশুদের জন্য শুঁটকি ভীষণ উপকারী। তবে সবাই হজম করতে পারে না। আপনার শিশুর হজমশক্তি বুঝে, প্রথমে অল্প করে খাওয়ানোর অভ্যাস করতে পারেন।
সম্প্রতি গবেষণায় জানা গেছে, নিয়মিত শুঁটকি মাছ খায় এমন ব্যক্তিদের ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর, যক্ষ্মা এই অসুখগুলো সহজে হয় না। তবে অতিরিক্ত ধূমপান বা যেকোনো প্রকার মাদকদ্রব্য যক্ষ্মার জন্য সহযোগী হিসেবে কাজ করে।
কিডনি, পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর, ইনফেকশনসহ যেকোনো জটিলতার জন্য শুঁটকি মাছ বাদ দিন।
কারণ, এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। লিভার, কিডনি, পিত্তথলিতে সমস্যা থাকলে শুঁটকি মাছের উচ্চমাত্রার প্রোটিন হয়ে যাবে দেহের জন্য হুমকিস্বরূপ। কারণ এই অঙ্গগুলো দুর্বল হলে এরা উচ্চমাত্রার প্রোটিন গ্রহণ করতে পারে না।
জন্ডিস, লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভারের রোগীরাও এই মাছ বাদ দিন। গর্ভস্থ ও মাতৃদুগ্ধদানকারী মা, বাড়ন্ত শিশু, খেলোয়াড়, নৃত্যশিল্পী, ব্যায়ামবিদ, সাঁতারু এ ধরনের ব্যক্তিদের জন্য শুঁটকি মাছ যথেষ্ট উপকারী।
এতে আয়রন, আয়োডিনের মাত্রা বেশি থাকার জন্য দেহে রক্ত বাড়ায়, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে শক্তিশালী, শরীরের হরমোনজনিত সমস্যাকে রাখে দূরে।
শুঁটকি মাছ দেহে লবণের ঘাটতিও পূরণ করে। তাই দূর হয় দুর্বলতা। কিন্তু এই মাছ উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ার জন্য হৃদরোগী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য বর্জনীয়।
তবে এই অসুখগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে, শুঁটকি অল্প পরিমাণে খেতে পারেন।
শুঁটকি মাছে অনেক ধরনের খনিজ লবণ থাকে। তাই কিডনির জটিলতায় ভুগছেন, এই ধরনের রোগীরা চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া এই মাছ খাবেন না।
লেখক: ডাঃ ফারহানা মোবিন, বারডেম হসপিটাল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Uttara
Dhaka
1230
