Glow up Beauty
Here you will get all kind of beauty and cosmetics product. We will provide best home delivery service. For get more information ,feel free to contact with us.
Our Hotline : 01883-797833
03/12/2020
" জেনে রাখা ভালো "🙂
১. আপনি যখন মোবাইলে কোন নাম্বার ডায়াল করেন, তখন কানেকশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মোবাইল তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যাবহার করে। এসময় মোবাইল থেকে সর্বোচ্চ রেডিয়েশন বের হয়, যা মানব দেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।
তাই এই রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে এসময় মোবাইল কানের কাছে না ধরে রাখাই ভালো।
২. চা পানের পরেই পানি পান করা উচিত নয়। এতে দাতেঁর মধ্যকার ফাঁক বেড়ে যায়।
৩. দরজার পাশে দাঁড়িয়ে কান খুঁচাবেন না।
অপরপাশ থেকে যে কারো ধাক্কা লেগে বিপদ হতে পারে৷
৪. একই টুথব্রাশ তিন মাসের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়৷
প্রতি তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলানো দরকার।
তাছাড়া মাঝে মধ্যে গরম পানি দিয়ে টুথব্রাশ ভালো করে ধুয়ে রাখা উচিৎ।
৫. খালি পেটে কলা খাওয়া উচিত নয়৷ এটি গ্যাসের জন্য ক্ষতিকর৷
৬. টি.ভি দেখার সময় লাইট বন্ধ করা উচিৎ নয়।
লাইট বন্ধ থাকলে টি.ভি হতে নিক্ষিপ্ত ইলেকট্রন সোজা-সুজি চোখে আঘাত করে, যা চোখের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।
৭. ঔষধ নয়,
মুখের দাগ দূর করতে শশা অথবা আলু চাক, চাক করে কেটে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। ধীরে ধীরে দাগ দুর হবে।
৮. গবেষণায় দেখা গেছে, আদা ক্যান্সার কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।
তাইতো প্রতিদিন কিছুটা হলেও আদা খাওয়া উচিত।
৯. একটি সাদা চুল তুললে, সেখান থেকে দুটি সাদা চুল গজায়।
এমন ধারনা একেবারেই ভুল।
১০. কানে তেল দেওয়া,
খুঁচাখুঁচি করা,একেবারেই অনুচিত।
এতে উপকার তো হয়-ই না, বরং ক্ষতির সম্ভাবনা প্রচুর।
আমাদের মনে রাখা উচিৎ,
কান এমনই একটা জায়গা,যেখানে পরিস্কার করার কোন প্রয়োজন নাই। নিজের থেকেই তা পরিস্কার হয়ে যায়।
সংগৃহীত
26/10/2020
মাএ ৩ দিন ৭২ ঘন্টার মধ্যে চুল পড়া কমাবে প্রমানিত এবং ১০০% গেরান্টি ইনশাআল্লাহ।
চুল পড়া টা এখন কমন সমস্যায় পরিনত হয়েগেছে।
পুরুষ কিংবা নারী যাদের কথাই বলি না কেনো সবারি কম বেশি এখন চুল পড়ছেই।। 😩😩
❤ তাই চুল পড়া বন্ধ করার সমাধান নিয়ে সবার জন্য সুখবর নিয়ে এসেছি আপনাদের জন্য
💞
Aura Hair Tonic
💞
💞
💲 দাম মাত্র ৮৫০ টাকা।। 💲
🎆 সরাসরি অর্ডার করতে আমাদের পেইজে ইনবক্স করুন
অথবা
☎ কল করতে পারেন এই নাম্বারেঃ
01537127919
🌸🌸
Aura Hair Tonic
হল সেই উপাদান যার ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার হেয়ার ফলিকলের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গ্রোথ বাড়ায়।
🌹 Aura Hair Tonic এর মধ্যে আছে Bergamot, Aloe vera, Aqua and Essential Oils
যেগুলো একসঙ্গে জেল বা লিকুইড আকারে। এই টনিক দিয়ে নিয়ম টানা ১৫/২০ দিন ম্যাসাজ করলে আপনার স্ক্যাল্পের ড্রাই ভাব কমে, স্ক্যাল্পের নানা রকম সমস্যা যেমন খুশকি, এলার্জি কমাবে। চুলের ঘনত্ব আসবে।
এই টনিক একই সঙ্গে চুলের ডগা ফাটা কমায় আর আলাদা একটা শাইন আনবে। কোন রকম ক্ষতি ছাড়াই। 🌹 ইনশাল্লাহ্।।🌹
💠💠💠
উপকারিতা ~
☑চুল মজবুত করে।
☑এটি তেলতেলে নয়।
☑রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় স্ক্যাল্পে।
☑স্ক্যাল্পের শুষ্কতা কমায়।
☑এটি খুব তাড়াতাড়ি কাজ দেয়।
☑হেয়ার ফলিকল মজবুত করে।
☑চুলের অকালপক্কতা কমায়।
☑চুলের ডগা ফাটা ও বাজে গন্ধ কমায়।
☑খুশকি দূর করে ও চুল পড়া কমায়।
25/09/2020
জুম্মা মোবারক❤
24/09/2020
গ্রিন টি ফেসওয়াশ রয়েছে ইজিইসি নামক একটি পাওয়ারফুল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ডিএনএ কে ড্যামেজ হওয়ার থেকে বাঁচায় এবং সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে। এতে রয়েছে প্রবল কার্যকরী এন্টি এজিং একটি উপাদান যা বার্ধক্যের ছাপ এর সাথে যুদ্ধ করে।
📍এন্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফেসওয়াশ সাইনি করে।
📍 গ্রিন টি নির্যাস ত্বকে আর্দ্রতা এবং পুষ্টির যোগান দেয়।
📍 কোমলভাবে ধুলাবালি, তেল ও লোমকূপে জমে থাকা মৃতকোষ দূর করে।
📍 যাদের ব্রণ ও তৈলাক্ত ত্বক তাদের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয়।
📍নতুন কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোলাজেন তৈরি করে এবং রক্ত চলাচল সাহায্য করে।
📍 ত্বকে খসখসে করা ছাড়াই মেকআপ রিমুভ করে।
📍 আগের তুলনায় স্কিনকে অনেক বেশি নরম এবং মসৃণ করে।
ব্যবহারবিধি ;দৈনিক ২/৩ বার পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে অল্প পরিমাণে ফেইসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে। এরপর tea toner তুলাতে কয়েকফোটা নিয়ে মুখে এপ্লাই করলে ব্রণ ও তৈলাক্তভাব থাকবে না।
🚋ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে ডেলিভারি করা হয়।
👫 ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য।
Hotline num - 01537127919
20/09/2020
✅ আমলকি এর উপকারিতা ঃ
আমলকি। ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল।এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।
আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে-
✅ ১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
✅ ২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
✅ ৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।
✅ ৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।
✅ ৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
✅ ৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
✅ ৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।
✅ ৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।
✅ ৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
✅ ১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।
নিত্য দিনের টিপস পেতে পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন
▪️ফরজ নামাজের পর পাঠ করার দোয়া ও জিকিরঃ
⭕রাসূলুল্লাহ (সাঃ) প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে ৩ বার আসতাগফিরুল্লাহ্ বলতেন। (মুসলিম, ১২২২)
⭕তারপর “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম” – এটি পড়তেন । (মুসলিম, ১২২১)
⭕ সুবহানআল্লাহ্ (৩৩ বার) । আলহামদুলিল্লা-হ (৩৩ বার) । আল্লাহু-আকবার (৩৩ বার) । (লা-ইলা-হা ইল্লাললা-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা-লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর”) (১ বার),এগুলো পাঠ করতন।
(মুসলিম, ১২৪০)
⭕ আয়াতুল কুরসী ১ বার পড়া। ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে তার আর জান্নাতের মধ্যে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো দূরত্ব থাকেনা।
(নাসাঈ)
⭕রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ».
(সুব্হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী) পড়বে,
তার পাপসমূহ মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে।
(বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৫; মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯১)
⭕সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস এক বার করে তেলাওয়াত করতেন।
-(সুনানে আবু দাউদ: ১২২৫)
03/09/2020
আপনি কি ৮ ঘণ্টার কম ঘুমান?
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা কাজের মধ্যে ডুবে থাকতে গিয়ে রাতে দেরিতে ঘুমাতে যান। আবার অনেকেরই অভ্যাস থাকে দেরি করে ঘুমাতে যাওয়ার। ঘুমাতে যাওয়ার আগেই যেন রাজ্যের কাজকর্মের কথা মনে আসে। আবার সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ছুটতে হয় কর্মক্ষেত্রে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এসব কারণে নিয়মিতভাবে ঘুমের পরিমাণ কম হয়ে যায় তাদের। এরপরও শরীরের সব কিছু ঠিক আছে বলে মনে করেন। ভাবছেন হয়ত, পুরোপুরি সুস্থই তো আছেন। তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। কারণ কাজের চাপ ও কম ঘুমানোর ফলে ভেতরে ভেতরে আপনি জটিল অসুখের শিকার হতে পারেন।
প্রতিদিন অন্তত আট ঘন্টা ঘুমানো জরুরী। এর চেয়ে কম ঘুম হলে শারীরবৃত্তীয় ও মানসিক সমস্যা হতে পারে। আসুন, দেখে নিই, কম ঘুমের কারণে কি ধরনের জটিল সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সমস্যাগুলো খুব কমন, তারপরেও দেখে নিন একবার-
বিষণ্ণতা
ভাবছেন কম ঘুমিয়েও তো শরীর সুস্থই আছে। কিন্তু খেয়াল করবেন এতে কাজে সবসময় মন বসছে না। হাজারো আবোল-তাবোল কথা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে, মনের মধ্যে অশান্তি লাগছে, কোনোকিছুর প্রতি ইচ্ছাশক্তিও কমে যাচ্ছে। এরপরে কিন্তু নিজেকে আর সুস্থ বলা যায় না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ঘুম কম হলে সবচেয়ে আগে প্রভাব ফেলে মনে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে কম ঘুমের ফলে ডিপ্রেশন বা বিষন্নতায় ডুবে যেতে পারে একটা সময়।
বয়স বৃদ্ধি পায়
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বকের বয়স বেড়ে যায়। ঘুম ঠিকমত না হলে কর্টিসল নামের হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটি ত্বকের কোলাজেনকে নষ্ট করে দেয়। এদিকে কোলাজেনের কাজ হল ত্বকের টানটান ভাবটা ধরে রাখা। তাই কোলাজেন গেল তো ত্বকের যৌবনও গেল। শুধু তাই নয়, চোখের নীচে কালি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডার্ক সার্কেলের সংখ্যাও বেড়ে যাবে নিশ্চিত।
শারীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা কমে যায়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম ঘুমের ফলে শরীরে সেক্স হরমোনের ক্ষরণ কমতে থাকে। শুধু তাই নয় , কমে যায় উত্তেজনা সৃষ্টিকারী হরমোন। এটি কমিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার ইচ্ছাকে কমিয়ে দেয়। রিল্যাক্স করার সময়ই যদি না মেলে তবে শারীরিক সম্পর্কের ইচ্ছাটাও চলে যায়। ফলে আগ্রহ কমে যাবে সত্যিই।
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়
গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কম ঘুম বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের সম্ভাবনা। কম ঘুম হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনে ব্যাঘাত ঘটায়। দীর্ঘদিন কম সময় ঘুমোলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা তো কম নয়ই বরং হার্ট ফেইলিওরও হতে পারে। এ ছাড়াও ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস এর মত বিপজ্জনক রোগগুলোও চিরসঙ্গীর মতো আপনার শরীর বাসা বাঁধবে।
স্থূলতা
লোকে বলে এবং ধারণা করে যে বেশি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে মোটা হওয়া যায়। অথচ কম ঘুমানো সত্ত্বেও আপনি আগের তুলনায় মোটা হয়ে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এর জন্য দায়ী পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। পর্যাপ্ত না ঘুমোলে খিদে বেশি পায়, এমনটাও দেখা গেছে বিভিন্ন গবেষণায়। বেশি খাচ্ছেন অথচ কম ঘুমের জন্য বিএমআর রেট সঠিক নয়। ফলে শরীরে জমছে অতিরিক্ত ফ্যাট যা স্থূলতার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
ভুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়
মস্তিস্কের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিশ্রামও দরকার। নয়তো সে ধীরে ধীরে হারাতে থাকে বিভিন্ন ভাগের শক্তিগুলো। ঘুম পর্যাপ্ত না হলে মস্তিস্কের স্মৃতির অংশটি দুর্বল হতে থাকে যা ভুলিয়ে দিতে থাকে আপনার অতি প্রয়োজনীয় ঘটনা বা কথাগুলোও।
ঠাণ্ডাজনিত সমস্যাগুলো বাড়ে
যাদের আবহাওয়া পরিবর্তনে ঠাণ্ডাজনিত সর্দি-কাশি, অ্যালার্জির সমস্যা হয়, তাদের ঘুমের পরিমাণ কম হলে বা নির্দিষ্ট সময়ের কম ঘুম হলে সমস্যা বেশি দেখা দেয়। হাচি, কাশি, অ্যালার্জি কম ঘুম হলে বাড়বে। তাই এই সমস্যাগুলো এড়াতে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে চেষ্টা করবেন।
দুর্ঘটনার প্রবণতা বাড়ায়
কম ঘুমের ফলে মস্তিস্ক ঠিকঠাক নির্দেশ দেওয়া-নেওয়া করতে পারে না। ফলে যা করতে চান, তা না হয়ে অন্য একটা ভুল কাজ হয়ে যায়। এই সমস্যা অত্যন্ত বিপদের। যেমন রাস্তায় বেরিয়ে ঠিকঠাক গাড়ি চালাতে গেলেও মস্তিস্কের ভুলের জন্য হয়ে যেতে পারে বড়সড় ভুল। কম ঘুমিয়ে হয়তো অনেক কাজ সেরে ফেলা যায়। কিন্তু তাতে শরীরের প্রতি অন্যায় করা হয়। শরীর ঠিক না থাকলে কাজগুলোই বা তখন হবে কী করে। তাই সবার আগে নজর দিন নিজের শরীরে।
নিত্য প্রয়োজনীয় সকল টিপস পেতে পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন
29/08/2020
চুল পড়া বন্ধ করবে ঘরোয়া যে হেয়ার মাস্ক...
নারীর সৌন্দর্য হচ্ছে চুল। আর প্রতিনিয়ত যদি অতিরিক্ত চুল পড়ে যায়, তবে অবশ্যই চিন্তার বিষয়। চুল পড়া বন্ধে কত কিছুই করে থাকেন আপনি। তবে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বানিয়ে নিজেই ব্যবহার করতে পারেন।
চুলের যত্ন নিতে বাড়িতে বসেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানিয়ে ফেলুন হেয়ার মাস্ক-
অ্যালোভেরা ও নারিকেল তেল
অ্যালোভেরা ও নারিকেল তেল দিয়ে বানিয়ে ফেলুন হেয়ার মাস্ক। একটা বাটিতে পরিমাণমতো নারিকেল তেল নিন। তাতে কিছুটা অ্যালোভেরা জেল মেশান। এর পর উপকরণ দুটি খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। এবং ওই মিশ্রন থেকে এবার কিছুটা পেস্ট ভালো করে মাথায় মেখে শুয়ে পড়ুন।
ভালো উপকার পেতে মাস্কটি অবশ্যই রাতেরবেলা ব্যবহার করবেন।
পর দিন সকালে উঠে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল পড়া কমবে।
নিত্য প্রয়োজনীয় টিপস পেতে পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন
20/08/2020
ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে যেসব খাবার
মানুষের বয়স বাড়লে হাড়ে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে এটা হয়। এছাড়া যেকোনো বয়সেই হাড়ের ও ক্যালসিয়াম ঘাটতির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর কারণ হলো ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার না খাওয়া। অতিরিক্ত লবণ, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস, অতিরিক্ত প্রোটিন বা প্রাণিজ প্রোটিন হাড়ের ক্ষতি করে। এমন অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো নিয়মিত খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটবে এবং হাড় হয়ে উঠবে মজবুত। তেমনই কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।
টক জাতীয় ফল
টক জাতীয় ফল হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কমলালেবু, জাম্বুরা, কাগুজে লেবুর মতো যেকোনো লেবুতেই থাকে ভিটামিন ‘সি’ আর সাইট্রিক অ্যাসিড, যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। এছাড়া অন্যান্য টক জাতীয় ফল হাড় সুস্থ রাখতে অবদান রাখে।
ব্রোকলি
মজবুত হাড় পেতে নিয়মিত ব্রোকলি খেয়ে দেখুন। ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সবজিটি শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। হাড়কেও করে শক্তিশালী। নিয়মিত ব্রোকলি খেলে ভবিষ্যতে হাড়ের সমস্যা অনেকটা কম দেখা দেবে।
সয়াবিন
শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সয়াবিন খুবই উপকারী। এক কাপ (১০০ গ্রাম) সয়াবিনে প্রায় ১৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত সয়াবিন খান। এটি হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ঢ্যাঁড়শ
বাজারে অত্যন্ত সহজলভ্য একটি সবজি ঢ্যাঁড়শ। এটি বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। অনেকে এর পিচ্ছিল আশের কারণে খেতে পছন্দ করেন না। তবে সহজলভ্য এই সবজির গুণ জানলে যারা অপছন্দ করেন তারাও পছন্দ করতে শুরু করবেন। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কমাতে নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খেতে পারেন। মাত্র ৫০ গ্রাম ঢ্যাঁড়শে রয়েছে ১৭২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। হাড়ের অসুখে পড়তে না চাইলে এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে চাইলে ঢ্যাঁড়শের সাহায্য নিন।
কাঠবাদাম
কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এক মুঠো (১০০ গ্রাম) কাঠবাদামে প্রায় ২৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে যথাসম্ভব কাঠবাদাম রাখুন নিয়মিত খাবারের তালিকায়।
তিল
তিল এবং তিলের তেল খুবই উপকারী জিনিস। গ্রামে এখনো অনেক ধনী কৃষক পরিবার রয়েছে যারা নিয়মিত তিলের তেল দিয়ে রান্না তরকারি খায় এবং বিভিন্ন খাবারে তিল ব্যবহার করে। এটি অত্যন্ত উপকারী। কারণ তিলে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। মাত্র ১০০ গ্রাম কাঁচা তিলে রয়েছে এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।
ডিম
ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। ডিম হাড়ের গঠন মজবুত করে এবং এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম। তাই হাড়ের সুস্থতায় দিনে অন্তত একটি ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।
দুধ
হাড়ের সুস্থতায় ক্যালসিয়াম বেশ কার্যকর উপাদান এবং দুধ সবচেয়ে ভালো ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধের ক্যালসিয়াম খুব সহজে আমাদের দেহ হজম করে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে। ছোটবেলা থেকেই দুধ খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। শুধু ছোটদের নয় বড়দেরও হাড়ের সুস্থতায় প্রতিদিন দুধ পান করার অভ্যাস করা প্রয়োজন।
হাড়ের সমস্যা ও শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কমাতে কোনো ওষুধ না খেয়ে এসব খাবার নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।
নিত্য দিনের টিপস পেতে পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন
19/08/2020
কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক!!! ♥
"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না।
" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।
~সুবহানআল্লাহ❤💖
17/08/2020
ধনেপাতায় আছে বিরল ঔষধি বিভিন্ন উপাদান। এটি রক্ত শোধন করে। শরীরে নিয়মিতভাবে তিলে তিলে জমতে থাকা কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ যা বহু কঠিন রোগ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। সে সকল পদার্থকে আমাদের রক্তপ্রবাহ থেকে দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
এতে আছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপকারী খনিজ পদার্থ। পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে ও ভিটামিন সি-র জোগান দেয় ধনেপাতা। আর আছে ফলিক এসিড।
এছাড়া এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হিসাবে কাজ করে।
সুতরাং প্রতিদিনের খাবারে সঙ্গি করে নিন ধনেপাতা। নিশ্চিন্তে।
নিত্য দিনের টিপস পেতে পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন
17/07/2020
বাসায় ফেশিয়ালের সুযোগ, ঈদের আগে স্কিনকে একটি রিফ্রেশমেন্ট বুস্ট দিন। 💆💆💆💆
চন্দন যে কতটা বেনিফিশিয়ারি আর সাথে ব্রাইটেনিং এর জন্য এক্টিভভাবে কাজ করে তা সৌন্দর্য্যসচেতন হোন বা না হোন , সবাইইইই কিন্তু জানি, মানি।
অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন -০১৫৩৭১২৭৯১৯
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1000
