The Day 360

The Day 360

Share

Fun Everytime

22/10/2023

-কিছু মানুষকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না, মনে হয় জড়িয়ে থাকি শতাব্দীর পর শতাব্দী, কিন্তু তাদের কৃতকাজ ও ব্যবহারের জন্য তাদেরকে বহুদূর সরিয়ে দিতে হয় জীবন থেকে..!🙂💔

12/10/2023

পরীক্ষার মধ্যে টয়'লে'টে গিয়ে জ্ঞানী হয়ে ফিরে আসে

আপনার 🫵ট্যাগ লিস্টেের তৃতীয় ব্যক্তি 🙂

29/09/2023

গড়ে প্রতি দশ জনের ভিতর আট জন রিলেশনশিপে, বাকি দুইজন হলাম আমি আর তুমি! 🙂

27/08/2023

লেখাঃ মৃত্যু

একটা সময় টাইট ফিটিংস জামা পড়ে সুগন্ধিযুক্ত স্প্রে ব্যাবহার করে ছেলেদের ভিতরে কামুকতার ভাব জন্মানোটাই আমার কাজ ছিলো। ফ্রেন্ডশিপ করে দু'দিন ঘুরার পরেই প্রেমের প্রস্তাবে রাজি করিয়ে ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়াও আমার কাজের মধ্যে ছিলো। লোকাল বাসে উঠার পর ছেলেদের ঘাঁ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা ফুটপাতে হাটার সময় ধাক্কাধাক্কি করে হাটাও ছিলো আমার অভ্যাস। ছেলপদের সামান্য কোন ত্রুটি দেখলে অন্যায় ভাবে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে পাবলিক প্লেসে মার খাওয়ানোটাও একসময় আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে।
আমি মেয়ে! আমি চাইলেই অন্যায়ভাবে ছেলেদেরকে বিনা দোষে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি দিতে পারি। কারণ, আমাদের সমাজ আজ আমাদের কথাগুলো চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে। তাই এই কাজগুলো করতে আমার কোন সমস্যা হতোনা।
আমি তামান্না। বাবা মায়ের একমাত্র আদরের মেয়ে।ধানমন্ডিতে আমাদের বাসা। পরিবার আমার এসব কাজের জন্যে সহজে আমাকে বকা দেয়না। দিবেও বা কি করে, ওনারাতো এগুলো জানেনইনা। তবে আমার মা পর্দা করার জন্যে আমাকে বকা দেন।
আমি যখন নতুন অবস্থায় ফেসবুক একাউন্ট ক্রিয়েট করি তখন একটা মেয়ের প্রোফাইল দেখি শত শত লাইক কমেন্ট। তখন আমার এক বান্ধবীকে বললাম এতো লাইক কমেন্ট পাওয়া কিভাবে সম্ভব? তখন সে আমাকে বললো, যেসব মেয়েরা বিভিন্ন গ্রুপে নিজের অর্ধনগ্ন ছবি দিয়ে এড মি, ফলো মি, লাভ মি লিখে পোস্ট করে সেসব মেয়েদেরই অনেক ফলোয়ার এবং তারাই অনেক লাইক কমেন্ট পেয়ে থাকে।

কথাগুলো শুনে আমিও আর দেরি না করে আমারও অর্ধনগ্ন ছবি বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করে অনেক ফলোয়ার বানিয়েছি। ওই সময়টাতে আমার প্রতিটা ছবিতে ১k+ লাইক এবং ৩০০-৪০০ কমেন্ট পড়তো।

একদিন মামুন সর্দার নাম একটা আইডি থেকে আমাকে মেসেজ করে, "দেখুন তামান্না আপনি যেভাবে নিজের অর্ধনগ্ন ছবি পোস্ট করা শুরু করেছেন এটা কি আপনার পরিবার জানে? নাকি আপনার পরিবারও একই রকমের? আপনার কি মৃত্যুর ভয় নেই? নামটাতো খুব সুন্দর। কিন্তু নামের সাথে কাজের কোন মিল নেই। আপনি যদি ইসলামকে বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনার মৃত্যুর পর আপনার প্রতিবেশী আপনার অর্ধনগ্ন ছবি দেখবে আর আপনার গুনাহের পাল্লা ভারি হবে সেটা আপনি ভেবে দেখেছেন কখনো?"

মেসেজটা দেখে রিপ্লে দিলাম;- "ওই মাইন্ড ইট। আপনি পরিবার নিয়ে কথা বলছেন কেনো? আপনি জানেন আমি কোন পরিবারের মেয়ে? নেক্সট টাইম বুঝেশুনে কথা বলবেন।"
ওনার টাইমলাইনে গিয়ে দেখলাম লোকটা হুজুর টাইপের। তাই আর কথা বাড়ালাম না। তবে ওনার টাইমলাইনের কয়েকটা লেখা পড়েছি যেগুলো খুবই ভালো ছিলো। তারপরও ওই আইডি ব্লক করে দিলাম।

আমার ওই সময়ের আইডিটা কিছুদিন পর ডিজেবল হয়ে যায়। এই আইডি দিয়েও অনেকবার ওই ভাইয়ের আইডি সার্চ করেছি কিন্তু পাইনি। মূল কথা হলো, শুধু অফলাইনে নয় অনলাইনেও ছিলো আমার খারাপ অভ্যাসগুলো।

একটা সময় আসে আমি এতটা খারাপ হয়ে যাই তখনকার সময়ের একটা এপসের মাধ্যমে ভিডিও কলে নোংরামি করতাম। বিশ্বাস করেন পাঠকগন লেখাগুলো লিখতেও আমার লজ্জা হচ্ছে। আমি এখনো মনে করি কাজগুলো করার পিছনে আমার বাবা-মায়ের কোন ছাড় ছিলোনা। ওনারা আমাকে যথেষ্ট শাসন করতেন এবং বেশিরভাগ অপরাধগুলো আমি ওনাদের আড়ালে করতাম। ওনাদের সহজে বুঝতেই দিতামনা।

এমনও সময় আমার জীবনে পার হয়েছে যেই সময়টাতে আমি আল্লাহকে ভয় না করে আমার মাকে ভয় করে পিরিয়ডের সময়ও নামাজ পড়ার ভান ধরে অভিনয় করেছি। কারণ ইসলাম সম্পর্কে আমার কোন ধারণা ছিলোনা। যদিও আমার বাবা বেশ কয়েকবার বাসায় হুজুর রেখে আমাকে ইসলামের শিক্ষাগুলো দিতে চেয়েছেন কিন্তু সেই হুজুরদের নামেও একেক সময় একেক মিথ্যে অপবাদ দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছি।

একটা সময় আমার চাচাতো ভাই আমার জীবনে আসে। ওকে ভালোবেসে ইসলামকে আমি মনে প্রাণে ভালোবেসে মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি হই। গতবছর তা'মিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা থেকে কামিল শেষ করেছি। যারা আমার লেখা পড়েছেন তাদের নিশ্চয়ই আমার জীবনে ঘটে যাওয়া পরের গল্পটা জানা আছে।

ইসলাম আমার মধ্যে ডুকে আমার পুরো জীবনটাকেই পাল্টে দিয়েছে। এখন সকাল, দুপুর ও রাতে নামাজ পড়ার আগে কোন খাবার খাইনা। মাঝে মাঝে তাহাজ্জুদ নামাজ মিস হয়ে গেলে খুব কষ্ট পাই। আমার আল্লাহ কি আমার অতীতের পাপ গুলো ক্ষমা করবেন? আমি কি হাশরের ময়দানে আল্লাহর আরশের ছায়া পাবো?

কথাগুলো যখনই ভাবি তখনই কান্নায় ভেঙে পড়ি। কোরআন শরিফ খুললেই আমার চোখে পড়ে যায় সূরা জুমাহ'র ৫৩ নং আয়াতের দিকে,
"আল্লাহ তাআ'লা বলেন, হে নবী আপনি বলুন, হে আমার গোলামেরা, যারা নিজেদের ওপর জুলুম করছ, তোমার আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল। পরম দয়ালু।"

আমার আল্লাহ সূরা আত তাহরীমের ৬৬ নং আয়াতে ইরশাদ করেছেন, "হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবা করো, একান্ত বিশুদ্ধ তাওবা; যাতে তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কর্মগুলোকে মোচন করে দেন এবং তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করান, যার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত।"
আমার আল্লাহ কি আমার গুনাহ ক্ষমা করেছেন? আমার তওবা আমার আল্লাহর দরবারে কবুল হয়েছে? কে বলবে আমায়? কিভাবে জানবো?

কিছুদিন আগে রাত ২ টার দিকে হঠাৎ করেই আমার পেটের বাম পাশে ব্যাথা উঠে যা সহ্য করার মত ছিলোনা। তারপরও সহ্য করেছি। আমার স্বামীকে ঘুম থেকে উঠালাম। আমাকে পানি আর গ্যাস্টিকের ঔষধ খাওয়ালো। কোন কাজই হচ্ছে না। তখন রাত ২ টা বেজে ৩০ মিনিট। গাড়ি বের করে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ডাক্তার ছিলোনা। যারা নাইটে ডিউটি করে তারা আমাকে স্যালাইন, ইনজেকশন দিলো। ১ ঘন্টা পর পুরোপুরি না কমে কিছুটা কমেছে। সকালে ডাক্তার এলো। আমার সাথে কথা বললো। আমাকে পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষা করার কথা বললো। চলে গেলাম প্রাইভেট হাসপাতালে। সেখানে পরীক্ষা করার পর আমার স্বামী আমাকে নিয়ে আবার আগের হাসপাতালে আসলো। ডাক্তার বললো, রোগীর অবস্থা আশংকাজনক। কিডনী ড্যামেজ হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাহিরে কোথাও নিয়ে চিকিৎসা করাতে। "কিডনি ড্যামেজ" কথাটি শুনে নিজেকে ঠিক রাখতে পারলামনা। কান্না করতে করতে ব্যাথা আরো বেড়ে গেলো। আমার শশুর-শাশুড়ী, বাবা-মা আসলো। তারপর ডাক্তারের লোকেশান অনুযায়ী আমার স্বামী আর তার ছোট ভাই আমাকে নিয়ে এলো দিল্লিতে। এখন মোটামুটি কিছুটা সুস্থ আছি।

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা আমাদের কিসের এত অহংকার? কিসের এত বাহাদুরি? কিসের এতো ক্ষমতার অপব্যবহার? কিসের এতো নোংরামি? কিসের এতো অশ্লীলতা? আপনি জানেন আজকে মরলে কালকে দু'দিন?

অনেককে আবার মাঝে মাঝে বলতে শোনা যায় যে, কালকে থেকে ভালো হয়ে যাবো! হুম তাদেরকেই বলছি কাল পর্যন্ত 'বাঁচবেন' এই গ্যারান্টি আপনাদের কে দিয়েছে? দেখেননা প্রতিটা মূহুর্তে মূহুর্তে, কেউ রোড এক্সিডেন্টে, কেউ আগুন পুড়ে কেউ লঞ্চ ট্রলার আর নৌকায় ডুবে ডুবে মৃত্যুবরন করছে! কখনো হাসপাতালে ঘুরতে গিয়েছিলেন? গেলেই বুঝবেন সুস্থতা আল্লাহর কত বড় নেয়ামত।
এখন থেকেই ভালো হয়ে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল এবং অতি দয়ালু।

আল্লাহ তাআ'লা সূরা আন নিসার ৭৮ নাম্বার আয়াতে বলেন "তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও।"

আল্লাহ তাআ'লা সূরা আম্বিয়ার ৩৫ নাম্বার আয়াতে বলেন, "প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।"

তওবা ছাড়া যদি মরে যান! যদি মরেন! পরকাল কেমন হবে শুনেছেন কিংবা পড়েছেন কখনো? দুই'দিনের ক্ষনিকের এই দুনিয়া কিছুই না। সামান্য সূর্যের আলো থেকে বাচার জন্যে যদি রুমের ভিতর এসি লাগানোর চিন্তা করেন! কিন্তু আল্লাহর আজাব হতে বাচার জন্যে কি করা দরকার কখনো সেই চিন্তাটা করেছেন? নাকি এটা ভেবে বসে আচেন যে, "আপনি কখনো মৃত্যুবরন করবেন না এই পৃথিবীই আপনার সবকিছু?"

আল্লাহ তাআ'লা সূরা আল ইমরানের, ১৮৫ নাম্বার আয়াতে বলেন, "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিন তোমাদের পরিপূর্ণ বদলা দেওয়া হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ধোঁকার বস্তু ছাড়া কিছুই নয়।"

আল্লাহ আপনাকে সুস্থ রেখেছেন এর জন্যে কতবার আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন? আপনি জানেন কি আপনার ভিতরে আল্লাহ এমন একটা রোগ দিয়ে দিবেন যেটা চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য আপনার নাই! আপনি যত হাজার কোটি টাকার মালিক হননা কেনো!

আল্লাহ তাআ'লা সূরা বাকারার ১৭২ নাম্বার আয়াতে বলেন, "হে মু’মিনগণ! আমি তোমাদেরকে যে হালাল রিযিক দিয়েছি তা থেকে আহার করো এবং আল্লাহ্‌র জন্য শোকর করো যদি তোমরা তাঁরই ইবাদত করো।"

যে জন্মেছে সে মরবেই। যার সূচনা হয়েছে তার সমাপ্তি ঘটবেই। এটা আল্লাহ পাকের চিরন্তন বিধান। এ অমোঘ বিধানের কোনো পরিবর্তন-পরিবর্ধন নেই। পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে চির ও অনড় সত্য হলো মৃত্যু। প্রত্যেক প্রাণীকে মরতে হবে। প্রাণ আছে এমন সৃষ্টজীব সবাইকে মৃত্যুর অবশ্যম্ভাবী স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। ইন্তেকালের কবল থেকে জগতের কোনো পরাশক্তি, কোনো প্রযুক্তি কাউকে বাঁচাতে পারবে না। এখানে সবাই অক্ষম। মৃত্যুর নির্ধারিত সময় থেকে এক সেকেন্ড কম-বেশি করার ক্ষমতা রাখে না জগতের কোনো দাপটশালী মোড়ল। মৃত্যুর অনিবার্য স্বাদ সব প্রাণীকে পান করতে হবে। আল্লাহ তাআ'লা সূরা আনআমের: ১৮৫ নাম্বার আয়াতে বলেন, "প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু।"

(উপরের লেখাগুলো আমার অতীতের জীবন থেকে নেয়া। লেখাগুলো হাসপাতালের বেডে শুয়ে লিখলাম। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।)


লেখিকাঃ জান্নাতুল মাওয়া তামান্না।

20/08/2023

জীবনে মোটিভেশনাল কথা শুনতে এবং বলতে যতটা সহজ জীবন তার চেয়ে লক্ষ গুণ কঠিন।
সাকসেস সবাই হতে পারে না। শত চেষ্টা করেও ১০০ জনের মধ্যে দুইজন সাকসেস হতে পারে। বাদবাকি সবাই ঝরে যায়।

08/08/2023

অতঃপর,
আমি, তুমি, ফুয়েল আর লাল-নীল এক ভালোবাসা❤💜

26/07/2023

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা।

22/07/2023

"সাফল্য চূড়ান্ত নয়, ব্যর্থতা মারাত্মক নয়: এটি চালিয়ে যাওয়ার সাহসই গুরুত্বপূর্ণ।"

10/07/2023

আজ, আমি আপনাদের সামনে একটি আশা, অনুপ্রেরণা এবং অটল বিশ্বাসের একটি বার্তা শেয়ার করতে দাঁড়িয়েছি যা আপনাদের প্রত্যেকের মধ্যে রয়েছে। জীবন একটি যাত্রা, সাফল্য এবং পরিপূর্ণতার একটি অবিরাম সাধনা। এটি উচ্চ এবং নীচু, চ্যালেঞ্জ এবং বিজয়ের একটি টেপেস্ট্রি, তবে আমরা এই যাত্রাটি কীভাবে নেভিগেট করি যা সত্যিই আমাদের উত্তরাধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে।

জীবনে সাফল্য গন্তব্য নয়; এটি আবেগ, অধ্যবসায়, এবং বাধা অতিক্রম করার জন্য একটি অদম্য সংকল্প দ্বারা চালিত একটি ক্রমাগত সাধনা। এর জন্য আমাদের ব্যর্থতাকে বৃদ্ধির দিকে একটি সোপান হিসাবে গ্রহণ করতে হবে, বিপত্তিগুলিকে শেখার সুযোগ হিসাবে দেখতে হবে এবং অন্যরা আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে পারে এমন সন্দেহ এবং সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।

মনে রাখবেন, সাফল্য কেবল সম্পদ, খ্যাতি বা বস্তুগত সম্পদ দ্বারা পরিমাপ করা হয় না। এটি আপনার স্বপ্নের পূর্ণতা, আপনার সম্ভাবনার উপলব্ধি এবং আপনি অন্যদের জীবনে যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেন। আপনার উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা এবং অটল উত্সর্গের সাথে আন্তরিকভাবে তা অনুসরণ করার মধ্যেই প্রকৃত সাফল্য নিহিত।

তাহলে, আপনি কিভাবে জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারেন? এখানে কয়েকটি নির্দেশক নীতি রয়েছে:

প্রথমত, নিজেকে বিশ্বাস করুন। আপনার অনন্য প্রতিভা, ক্ষমতা এবং গুণাবলী রয়েছে যা বিশ্বের প্রয়োজন। আপনার শক্তিগুলিকে আলিঙ্গন করুন, আপনার দুর্বলতাগুলি স্বীকার করুন এবং আপনার পথে আসা যে কোনও চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে আপনার ক্ষমতার উপর বিশ্বাস রাখুন।

দ্বিতীয়ত, স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। সাফল্য খুব কমই দৈবক্রমে ঘটে। আপনি কী অর্জন করতে চান তা নির্ধারণ করুন এবং সেই লক্ষ্যগুলির দিকে একটি রোডম্যাপ তৈরি করুন। সেগুলিকে ছোট, পরিচালনাযোগ্য ধাপে ভাগ করুন এবং পথে প্রতিটি মাইলফলক উদযাপন করুন। মনে রাখবেন, হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপ দিয়ে।

তৃতীয়ত, স্থিতিস্থাপকতা বিকাশ করুন। জীবন আপনার ভাবে কার্ভবল নিক্ষেপ করতে বাধ্য. আপনি কতবার পড়েন তা নিয়ে নয়; এটা আপনি কতবার ব্যাক আপ পেতে সম্পর্কে. একজন শিক্ষক হিসাবে ব্যর্থতাকে আলিঙ্গন করুন, আপনার ভুলগুলি থেকে শিখুন এবং আপনাকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য জ্বালানী হিসাবে বিপত্তিগুলি ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, সাফল্য প্রায়শই প্রতিকূলতা থেকে জন্ম নেয়।

চতুর্থত, ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিন। কর্ম ছাড়া স্বপ্ন কল্পনা থেকে যায়। সাফল্যের জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং আপনার আরামের অঞ্চল থেকে বেরিয়ে আসার ইচ্ছা। প্রতিদিন, আপনার লক্ষ্যগুলির দিকে ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন, এমনকি যদি সেগুলি তুচ্ছ মনে হয়। সময়ের সাথে সাথে, এই পদক্ষেপগুলি জমা হবে এবং আপনার জীবনকে রূপান্তরিত করবে।

পঞ্চমত, ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলুন। আপনার চিন্তা আপনার বাস্তবতা উপর অসাধারণ ক্ষমতা আছে. আশাবাদ, কৃতজ্ঞতা এবং একটি বিশ্বাস আলিঙ্গন করুন যে আপনি মহানতা অর্জন করতে সক্ষম। নিজেকে ইতিবাচক প্রভাবের সাথে ঘিরে রাখুন, প্রয়োজনে সমর্থন সন্ধান করুন এবং আপনার লক্ষ্যগুলির উপর নিরলস মনোযোগ বজায় রাখুন।

পরিশেষে, অধ্যবসায়ের শক্তিকে কখনই অবমূল্যায়ন করবেন না। সাফল্য খুব কমই রাতারাতি ঘটে। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, ​​উৎসর্গীকরণ এবং প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলে হাল ছেড়ে দিতে অস্বীকার করা। পথ অনিশ্চিত মনে হলেও এগিয়ে যেতে থাকুন। মনে রাখবেন, সবচেয়ে অন্ধকার সময় ভোর হওয়ার ঠিক আগে।

উপসংহারে বলা যায়, জীবনের সফলতা কয়েকজনের জন্য সংরক্ষিত নয়; যারা স্বপ্ন দেখার সাহস করেন, যারা কাজ করতে ইচ্ছুক এবং যারা মধ্যমতার জন্য মীমাংসা করতে অস্বীকার করেন তাদের জন্য এটি উপলব্ধ। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন, ব্যর্থতাকে আলিঙ্গন করুন, ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিন, একটি ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলুন এবং জীবনের ঝড়ের মধ্য দিয়ে অধ্যবসায় করুন।

সাফল্যের রাস্তাটি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, তবে এই চ্যালেঞ্জগুলি অতিক্রম করার মাধ্যমে আপনি আপনার শক্তি, স্থিতিস্থাপকতা এবং সম্ভাবনার গভীরতা আবিষ্কার করতে পারবেন। সুতরাং, এগিয়ে যান, আমার বন্ধুরা, এবং আপনার নিজের সাফল্যের গল্প লিখুন। আপনার মহানুভবতা প্রকাশ করার জন্য বিশ্ব আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

ধন্যবাদ.

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka