Simi & Sonnet
মায়ের ভালোবাসা আর ছোট্ট উমারের মিষ্টি দুনিয়া 💛
Baby food | Daily moments | Mommy life ✨
আপনাদের বাসার রিমোর্ট কি ঠিক আছে???
রিমোর্ট টিথার👉👉 - Zuvee Duvee
“সাত-আট মাসের পর থেকে বেশিরভাগ বাচ্চারই সবচেয়ে পছন্দের খেলনাগুলোর মধ্যে একটা হচ্ছে বল। কারণ বল গড়ায়, নড়ে, ধরা যায়, ছোঁড়া যায়—আর বাচ্চারা এটা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক্সপ্লোর করতে পারে।
“আমরা ছোটবেলায় বালিশ, চাদর আর কাঁথা দিয়ে ছোট্ট একটা ঘর বানিয়ে খেলতাম, মনে আছে? নিজের একটা ছোট্ট জায়গা থাকলেই কত আনন্দ লাগত! মজার ব্যাপার হলো, আজকের বাচ্চারাও ঠিক একই রকমভাবে নিজেদের ছোট্ট একটা স্পেস খুব পছন্দ করে।”
বেবি টেন্ট নিয়েছিলাম 👉-Babies Home
কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ‼️😱👇
বাচ্চা খেতে চায় না। এটা অনেকের মুখেই শুনি
তারা এই টিপস গুলো ফলো করতে পারেন। আসা করি কাজে দেবে।
#
গরমে বাবুর পেট ঠান্ডা রাখবে এই খাবারটা। এটা বাবুকে রান্না কটে খাওয়াতে পারেন।
03/06/2026
এই ১২ দিনটা আমার জন্য ছিল একদম রোলার-কোস্টার! 💔
উমার টানা ১২ দিন অসুস্থ ছিল। ঠান্ডা, কাশি, জ্বরের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে ওর খাওয়া, ঘুম, মুড—সবকিছুতেই পরিবর্তন দেখেছি। এমনও দিন গেছে যখন সারাদিনে ১–২ চামচের বেশি কিছুই খাওয়াতে পারিনি। একজন মা হিসেবে এটা দেখা কতটা কঠিন, সেটা হয়তো অনেক মায়েরাই বুঝবেন।
এর মাঝেই আরেকটা বিষয় ছিল, যেটা আমি প্রথমে বুঝতেই পারিনি। অসুস্থতার ৫–৬ দিন পর হঠাৎ খেয়াল করলাম, উমারের দাঁতও উঠছে! তখন অনেক কিছুই যেন মিলতে শুরু করল। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দাঁত ওঠার কোনো লক্ষণ আমি তেমন বুঝতে পারিনি। পরে বুঝলাম, অসুস্থতার পাশাপাশি দাঁত ওঠার অস্বস্তিও ওর খাওয়া-দাওয়া এবং আচরণে বেশ প্রভাব ফেলছিল।
শুরুর দিকে খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। একদিন একটু জোর করেও খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু দেখলাম তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তখন বুঝলাম, অসুস্থ বাচ্চার ক্ষেত্রে ধৈর্যটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এরপর অনেক পড়াশোনা করেছি, ডাক্তারদের পরামর্শ জেনেছি, আর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামলেছি।
এই ১২ দিনে কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি, উমার আমাকে কীভাবে খাবার নিয়ে “ডিস্টার্ব” করেছে, আমি কী কী ভুল করেছি, কী কী শিখেছি, এবং অসুস্থতা ও দাঁত ওঠা একসাথে হলে বাচ্চার খাওয়া নিয়ে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—সবকিছু নিয়ে একটা বিস্তারিত ভিডিও শেয়ার করতে চাই।
অনেক মা হয়তো এই অভিজ্ঞতার সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিতে পারবেন। আপনারা যদি দেখতে আগ্রহী থাকেন, তাহলে জানাবেন। ❤️
কারণ এই ১২ দিনে আমার উপর দিয়ে কী গেছে, সেটা সত্যিই শুধু আমিই জানি। 🥹🤍
এটা আমি ফেসবুকে কোন একটা আপুর কাছে থেকে দেখেছিলাম তখন উমার আমার পেটে।
এই ধরনের পাওয়ারফুল কথা আমার খুব পছন্দ তাই সেভ করে রেখেছিলাম।
এরা ছোট বেলা থেকেই বললে বাচ্চা মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। বুঝিয়ে বলতে হবে।
এরকম রাইমস যদি আপনার কাছে আরও থাকে আমার সাথে শেয়ার করতে পারেন।
ধন্যবাদ ।
LAMIYA SORKER SIMI
আপনারা বাচ্চা কে কয় মিনিট গোসল করান ⁉️⁉️⁉️⁉️⁉️
02/06/2026
🌅 নিজেকে একটু গুছিয়ে রাখা কি অপরাধ?
আমার কাছে তো নয়।
বরং আমি মনে করি, একজন মা হিসেবে নিজেকে পরিপাটি রাখা মানে আমার বাচ্চার উপরও এক ধরনের ইনভেস্টমেন্ট। কারণ আমি যখন নিজেকে যত্ন করি, নিজেকে ভালোভাবে রাখি — আমার মনটা শান্ত থাকে, মাথা ঠান্ডা থাকে।
তখন আমি আমার বাচ্চাকে আমার বেস্ট ভার্সনটা দিতে পারি, বাসার পরিবেশও সুন্দর থাকে, আর আমার নিজের মেন্টাল হেলথও ভালো থাকে।
একজন মা ভালো থাকলে, তার ভালো থাকাটার ছোঁয়া পুরো পরিবারেই লাগে। 🤍
কোরবানির মাংস দিয়ে মাংস খিচুড়ি 😋😘
৬ মাসের পর বাচ্চাকে অল্প পরিমাণে গরুর মাংস দিলে এতে থাকা আয়রন সহজে শোষিত হয়ে রক্তস্বল্পতা (anemia) কমাতে সাহায্য করে। এতে উচ্চমানের প্রোটিন থাকে যা শরীরের বৃদ্ধি ও পেশি গঠনে সহায়তা করে। গরুর মাংসে থাকা জিংক ও ভিটামিন B12 মস্তিষ্কের বিকাশ ও ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে। এটি বাচ্চার শারীরিক শক্তি ও সার্বিক গ্রোথ সাপোর্ট করে। তবে অবশ্যই ভালোভাবে সেদ্ধ করে নরম করে অল্প অল্প করে শুরু করা উচিত।
01/06/2026
২ বছরের আগে বাচ্চাকে গরুর মাংস খাওয়ানো যায় না - এই ধারণাটা এখনো অনেকের মাঝেই আছে।
৬ মাসের পর থেকে যখন বাচ্চার complementary feeding শুরু হয়, তখন বয়স উপযোগী টেক্সচার ও সঠিকভাবে রান্না করা গরুর মাংসও ধীরে ধীরে পরিচয় করানো যেতে পারে।
🌸 আমি উমারকে প্রথম গরুর মাংস দিয়েছিলাম প্রায় সাড়ে ৭ মাসে, অবশ্যই নরম করে রান্না করে, বয়স অনুযায়ী টেক্সচারে এবং অল্প পরিমাণে শুরু করে।
গরুর মাংসে উচ্চমানের প্রোটিন, heme iron (সহজে শোষণযোগ্য আয়রন), zinc এবং vitamin B12–এর ভালো একটি উৎস। এগুলো শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, রক্ত তৈরী, বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ৬ মাসের পর বাচ্চার আয়রনের চাহিদা বেড়ে যায়, তাই আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকে জানতে চান, কতদিন দেওয়া যায়? আসলে বাচ্চার বয়স, খাবারের বৈচিত্র্য ও পুরো ডায়েটের উপর নির্ভর করে সপ্তাহে কয়েকদিন গরুর মাংস দেওয়া যেতে পারে যেমন অন্যান্য প্রোটিন সোর্স (মাছ, ডিম, মুরগি, ডাল ইত্যাদি) এর সাথে ব্যালেন্স করে।
তবে মূল বিষয় হলো বয়স অনুযায়ী টেক্সচার, পরিমাণ এবং নিরাপদভাবে পরিবেশন করা। শুরুতে কিমা, খুব নরম করে রান্না করা মাংস, shredded/ম্যাশ করা বা খিচুড়ির সাথে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
ভয় নয়, দরকার সঠিক তথ্য। কারণ অনেক সময় প্রচলিত ধারণা আর বৈজ্ঞানিক তথ্য এক জিনিস হয় না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Dhaka
